ভাওয়াইয়া গান ও ভাওয়াইয়া কবি

ভাওয়াইয়া দেশের উত্তর জনপদের একটি জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত হিসেবে স্বমহিমা ও ঐতিহ্যের পরাকাষ্টা দেখিয়ে আসছে। উত্তরবাংলা বিশেষ করে রংপুর, দিনাজপুর এবং কুচবিহারের সঙ্গীত পিপাশুদের কাছে এর জনপ্রিয়তা প্রশ্নাতীত। ভাওয়াইয়ার কথা, সুর, তাল, লয়ে মুগ্ধ উত্তর জনপদের মানুষ ভাওয়াইয়াকে অতি আপন করে নিয়েছে। তবে ধ্রুব সত্য এই যে, ভাওয়াইয়া সঙ্গীত তার উত্তরযুগ এবং এই সেদিন পর্যন্তও গুনীজনদের দরবারে অপাঙ্গতেয় ছিল। রাজার আনুকূল্য এ সঙ্গীত পায়নি। সহজাত সঙ্গীতের যে মর্যাদা পাওয়ার কথা তাও পায়নি।

ভাওয়াইয়া দেশের উত্তর জনপদের একটি জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত হিসেবে স্বমহিমা ও ঐতিহ্যের পরাকাষ্টা দেখিয়ে আসছে। উত্তরবাংলা বিশেষ করে রংপুর, দিনাজপুর এবং কুচবিহারের সঙ্গীত পিপাশুদের কাছে এর জনপ্রিয়তা প্রশ্নাতীত। ভাওয়াইয়ার কথা, সুর, তাল, লয়ে মুগ্ধ উত্তর জনপদের মানুষ ভাওয়াইয়াকে অতি আপন করে নিয়েছে। তবে ধ্রুব সত্য এই যে, ভাওয়াইয়া সঙ্গীত তার উত্তরযুগ এবং এই সেদিন পর্যন্তও গুনীজনদের দরবারে অপাঙ্গতেয় ছিল। রাজার আনুকূল্য এ সঙ্গীত পায়নি। সহজাত সঙ্গীতের যে মর্যাদা পাওয়ার কথা তাও পায়নি।
অধ্যাপক হিতেন নাগ অবশ্য এর কারণ হিসেবে আর্থ-সামাজিক অবস্থাকে দেখিয়েছেন। তার মতে, ভাওয়াইয়া গান চতুর্দশ দশকে বা তার পূর্বে প্রতিষ্ঠিত। সে সময়ে হিন্দুসমাজে বর্ণবাদ প্রকট ছিল। আর ভাওয়াইয়া গান ছিল গোচারণ ক্লান্ত রাখাল বালক, যূথবদ্ধ মোষের পালের মঈষাল বন্ধু, হাল কর্ষনরত চাষী, যুবকের কন্ঠে স্বচরিত গান। বর্ণাশ্রম শাসিত হিন্দু সমাজের একেবারে নীচু তলার মানুষজন অর্থাত ব্রাতজনের গাওয়া ভাওয়াইয়া সঙ্গীত যত ভালোই হোক না কেন, এ গান সহজে জাতে ওঠেনি। উঠতে দেওয়া হয়নি। সমাজের মাথায় যাদের অবস্থান তাদের কাছে রাখাল বালক, হালুয়া চাষীর কোন মূল্য নেই। তাদের সাথে উঁচুশ্রেণীর আথিতেয়তা অসম্ভব। আর তাদের গান? সে তো ফেলানী। অনিবার্য কারই আর্থ-সামাজিক অবস্থার কোপটা পড়ে ভাওয়াইয়া সঙ্গীতের উপর। এ সঙ্গীত বেড়ে ওঠে বেড়ার ধারে লাউগাছটার মত। গরুর পাল যতবার মাড়িয়ে দিয়ে যায় ততবারই সে ফুঁপিয়ে বেড়ে ওঠে। নধর নধর চেহারায় পল্লবিত হয়ে আরও সুন্দর হয়। রাজানুগ্রহের কার্পণ্যে, সমাজপতিদের উন্নাসিকতায়, কুলীন শিল্পীদের অহংকারে কীভাবে এ গান মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়? তাই অবজ্ঞাই তার প্রাপ্য।
কিন্তু এই ভাওয়াইয়া সঙ্গীত জনসম্মুক্ষে আসে শিল্পী আব্বাসউদ্দিন আহমদের হাত ধরে (সাবেক প্রধান বিচারপতি কামাল আব্বাসী, শিল্পী ফেরদৌসী আরা ও মুস্তফা জামান আব্বাসী- এর জনক এবং ড। নাভিদ কামালের পিতামহ শিল্পী আব্বাসউদ্দিন আহমদ।)।ভাওয়াইয়া গানের উন্নতি বিধান করে দেশে বিদেশে এর আসন তৈরির পেছনে শিল্পী আব্বাসউদ্দিনের অবদান বর্ণনাতীত। মূলত ভাওয়াইয়া গান থেকেই তিনি কিংবদন্তী হয়েছেন। ১৯৫৫ ও ১৯৫৬ সালে শিল্পী আব্বাসউদ্দিন ভাওয়াইয়া গানকে আন্তর্জাতিক লোকসঙ্গীত সম্মেলনে উপস্থাপন করেন। এর পূর্বে ১৯৫৪ সালে আন্তর্জাতিক লোকসঙ্গীত কাউন্সিল একে মৌখিকভাবে সাঙ্গীতিক ঐতিহ্যের ফসল বলে অভিহিত করে। উল্লেখ্য, ১৯৩০ সালে কলকাতায় গ্রামোফোন কোম্পানি চালু হলে আব্বাসউদ্দিনের এর ভাওয়াইয়া গান শহরে , গ্রামে, গঞ্জে ছড়িয়ে পড়ে। মরহুম এই শিলীর মায়া ঝড়ানো কন্ঠের গান শুনে জাতীয় কবি নজরুল ইসলাম মুগ্ধ হয়েছিলেন। তার গাওয়া

‘নদীর নাম সই কচুয়া। মাছ মারে মাচুয়া মুই নারী দিছুঁ ছ্যাকাপাড়া

’- এ গানের আদলে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচনা করেছিলেন।

‘নদীর নাম সই অঞ্জনা, নাচে তীরে খঞ্জনা আখি সে নয় নাচে কালো আঁখি’ ।

কোচবিহারের হরিশচন্দ্র পালের পরিশ্রমে ভাওয়াইয়া সঙ্গীতের দু’টি মূল্যবান সংকলন পাওয়া যায়। পূর্বে ভাওয়াইয়া সঙ্গীতের তেমন কোন আনুষ্ঠানিক চর্চা না থাকলেও শিল্পী আব্বাসউদ্দিন আহমদের পরবর্তী সময়ে এর গ্রহনযোগ্যতা এবং চর্চা দুইই বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে রংপুর ও ঢাকায় ভাওয়াইয়া অঙ্গন আছে, রংপুরে ভাওয়াইয়া একাডেমী এবং ভাওয়াইয়া পরিষদ রয়েছে। ভাওয়াইয়া পরিষদের পক্ষ থেকে ঢাকা ও রংপুরে ভাওয়াইয়া ভবন নির্মাণের আবেদন করা হয়েছে এবং রংপুরে এর ভিত্তিপ্রস্থও স্থাপিত হয়েছে। রঙ্গপুরে কিছুদিন আগে ১৬-১৮ আগস্ট বাংলালিঙ্কের সহযোগিতায় ভাওয়াইয়া উৎসব অনুষ্ঠিত হল। আনুষ্ঠানিকভাবে ভাওয়াইয়া চর্চা শুরু হলেও ভাওয়াইয়া গান এখনো তথাকথিত ভদ্র সমাজে প্রাপ্য গ্রহনযোগ্যতা পেতে ব্যর্থ হচ্ছে।
ভাওয়াইয়া গানের সম্পর্কে অনেক কিছু বলা হলেও এই গানের মূল পরিচিতিই এখন পর্যন্ত দেয়া হয়নি। ভাওয়াইয়া গানে মূখ্য হল প্রেম। শ্রী আশুতোষ ভট্টাচার্যের ভাষায়, ‘ইহার মধ্য দিয়া প্রধানতঃ প্রেম স্প্ররশকাতর নারী মনের বিচ্ছেদ বেদনার ভাবই অভিব্যক্তি লাভ করিয়া থাকে। ইহার প্রধান সুর বিরহ কংবা অতৃপ্তির সুর’। যদিও অনেকে একে গণমানুষের গান বলে উল্লেখ করে তথাপি দেখা যায় এই গানে গণ মানুষ হিসেবে যেসব নার-নারী স্থান পায় তারা কোন না কোন সম্পর্ক সুত্রে বাধা। তবে শুধু যে বিরহী নারী এই গানে আকুতি জানায় এটি পুরোপুরি সত্য না। এর সাথে মৈষাল বন্ধু ( মহিষ রক্ষণাবেক্ষণকারী রাখাল), মাহুত বন্ধু, কিষাণ বন্ধু, শাশুরী, ননদসহ আরো অনেক চরিত্র ফুটে ওঠে। মনুষ্য চরিত্রের আশাপাশি আছে বক, পায়রা, বিড়াল, কাক, ময়না, মাছ ও অন্যান্য অনেক চরিত্র। তবে এইসব চরিত্রের সাথেই প্রেমের যোগসুত্র রয়েছে। উদাহরণ-
অবোধ প্রেমিকের কথা উল্লেখ করে_

‘ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে
ফান্দ বসাইছে ফান্দিরে ভাই পুটিমাছ দিয়া
ওরে মাছের লোভে বোকা বগা পড়ে উড়াল দিয়া’।

প্রেমিকহীন বিরহী নারীর কষ্টের কথা_

‘ও দিদি শোনেন একটা কথা
তোক ছাড়া আর কাক শাইকাং
তুই ছাড়া আর কবার জাগা নাই;
বাপ মায়ের কপাল পোড়া
সেই জন্যে ভাল পাত্তর আইসে না’।

প্রিয় মানুষের মৃত্যুর উল্লেখ_

‘ওকি একবার আসিয়া
সোনার চান্দ মোর যাও দেখিয়া রে
কোড়া কান্দে কুড়ী কান্দে কান্দে বালি হাঁস
ওহোরে ডাহুকীর কান্দনে আই মুই
ছাড়নু ভাইয়ার দ্যাশ রে’।।

প্রেমিকের আগমনের উতকন্ঠা_

‘মোর কালা খাইবে ভাত
কোনঠে পাইম মুই কলার পাত
কোনঠে পাইম মুই জিয়া মাগুর মাছ’।

স্বামীর জন্য আকুতি_

‘ও পতিধন আইস, পতিধন বৈসো,
শ্যাওড়া গাছে য্যামোন ঘুঘুররে বাসা,
দূরের বন্ধুর মোর কিসের আশাধনি বৈসো’।

ভাওয়াইয়া গানের নামকরণ ব্যাপারটা ভয়ানক জটিল। হিতেন নাগের মতে, এর নামকরেণের অবস্থাটা কপালকুন্ডলার নবকুমারের মত। মতামতের অরণ্যে আমরা পথভ্রষ্ঠ এবং বিভ্রান্ত।
এক দল বলে, ‘ভাব’ শব্দ থেকে এর উতপত্তি। ‘ভাব’ শব্দের প্রচলিত একটা অর্থ প্রেমে।
অন্য দল বলে, ‘ভাও’ শব্দ থেকে এসেছে ভাওয়াইয়া। ভাও মানে দরদাম। সঙ্গীতের ক্ষেত্রে মনের ঠিকানা, অবস্থা এবং প্রেমিক-প্রেমিকার ইচ্ছা অনিচ্ছার খোঁজ নেওয়া, মূল্য দেওয়া।
অনেকে বলে, ভাওয়াইয়া অর্থ উদাস। ‘মন মোর ভাওয়াইয়া হইসে’। ভাওয়াইয়া গানের উদাস প্রেমিক প্রেমিকার মনোবস্থা থেকেই এর উতপত্তি।
কেউ কেউ বলে, ভাওয়াইয়া এর আরেক অর্থ মহিষ চারণ ক্ষেত্র। ভাওয়াইয়া গানে উল্লেখযোগ্যভাবে মৈষাল বন্ধুর কথা বলা হয়েছে। মৈষাল বন্ধুর গান যেহেতু একমাত্র ভাওয়াই গানেই পাওয়া যায় তাই এর থেকে ভাওয়াইয়া নামকরণ এও ধারনা করা হয়।
তবে এদের কোনটিই যুক্তিতে টেকেনি। তাই এর নামকরণ নিয়ে সন্দেহের শেষ নেই। তবে নামকরণ যাই হোক। সাহিত্যের দিক থেকে ভাওয়াইয়া গান অনেক সমৃদ্ধ তা নিয়ে দ্বিমত থাকতে পারেনা। ভাওয়াইয়া গান বেশ পূর্ব থেকে প্রচলিত তার প্রমাণ এর সাথে বৈষ্বব পদাবলীর সাদৃশ্য। ভাওয়াইয়া শুনলে মনে হবে চন্ডীদাসের পদাবলী শুনছি। চটোকা গানের সাথেও এর অদ্ভুত এক মিল আছে। চটকা গানের মেজাজ কেবল খানিকটা লঘু। তা নাহলে ভাওয়াইয়া আর চটকা একই বলা যেত। ভাওয়াইয়া গানে আছে রাধা-কৃষনের প্রেমের অনিবার্য প্রভাব। একটি গানে আবার সুদূর ময়মনসিনহহের লোকগীতি কেমন করে যেন জায়গা করে নিয়েছে।
‘তুমি ক্যানে মরবেন কন্যাহে কন্যা আমার পরাণ হরি
তুমি হও দরিয়া কন্যা আমি তাতে ডুবে মরি হে’।
এ গানটি পুরুষ ও নারীর মধ্যে সংলাপ মুখর। আশ্চর্য ব্যাপার হল ময়মনসিংহ গীতিকায় এরুপ সংলাপের দেখা মেলে। ভাওয়াইয়া গান আর মহুয়া পালা গান মিলেমিশে এক ও অভিন্ন হয়ে উঠেছে। ভাওয়াইয়া অনেকটা বহতা নদীর মত। বিভিন্ন বাঁকে মিশেছে বিভিন্ন ধারার গানের সাথে।

বর্তমানে আমাদের দেশে যে কয়েকজন ভাওয়াইয়া শিল্পী আছে তাদের মধ্যে একজন হলেন- শিল্পী নুরুল ইসলাম জাহিদ। ‘ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে’ গানটির জন্য তিনি বিশেষ পরিচিত হন। ভাওয়াইয়া চর্চার স্বার্থে তিনি রচনা করেছে প্রায় তিন হাজার ভাওয়াইয়া গান। ভাওয়াইয়া গানের ভান্ডারকে বিস্তৃত করার ক্ষেত্রে রেখেছেন অনবদ্য ভূমিকা। কিন্তু হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর পর এই শিল্পী এখন গুনছেন মৃত্যুর প্রহর। দূরারোগ্য কন্ঠনালীর ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি এখন ভাওয়াইয়া সঙ্গীত চর্চায় অক্ষম। ভাওয়াইয়া সঙ্গীত নিয়ে আমি এত বড় পোস্টটি দিলাম এর কারণ এই গান সম্পর্কে আমাদের নুন্যতম মমত্ববোধ তৈরী নাহলে ভাওয়াই শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ আসবে না। ভাওয়াইয়া শিল্পীরা এখনো অবহেলিত। তাদের অধিকাংশই অস্বচ্ছল জীবনযাপন করেন। চিকিতসার অভাবে এই ভাওয়াইয়া শিল্পীকেও হয়ত অকালে চলে যেতে হবে। শিল্পী নুরুল ইসলাম জাহিদের চিকিতসার সহায়তার জন্য তার শিষ্য সফিউল আলম রাজার একক ভাওয়াইয়া সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয় আজ, শিল্প একাডেমীতে। অসুস্থ নুরুল ইসলাম জাহিদের তথ্যচিত্র দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। ‘ও কি গাড়িয়াল ভাই’, ‘ও মোর কন্যারে’, ;মুই বাজাং মোর সাধেরো দোতরা’ সহ প্রায় ২০টি গান পরিবেশন করেন শিল্পী রাজা। সেখানে শিল্পী নুরুল ইসলাম নাহিদের শারীরিক অসুস্থতার চিত্র দেখে আমার এই পোস্টটি দিতে ইচ্ছে হল। জানাতে ইচ্ছে হল কিভাবে আমাদের লোক শিল্পীরা নিজেদের সম্পদকে ধারন করায় অবহেলিত হন এবং পাশ্চাত্য গানের রীতিতে রচিত শৈবালতুল্য গানগুলো গ্রহনযোগ্যতা পায়।

১৮ thoughts on “ভাওয়াইয়া গান ও ভাওয়াইয়া কবি

  1. “ওহো কি ও বন্ধু কাজল ভ্রমরা
    “ওহো কি ও বন্ধু কাজল ভ্রমরা রে
    কোন দিন আসিবাইন বন্ধু
    কয়া যাও কয়া যাওরে”
    গানটি আমার খুব প্রিয়।

  2. দিদি আমাদের দেশে গুণী
    দিদি আমাদের দেশে গুণী মানুষদের কদর করা হয় তার মৃত্যুর পর। আর জীবিত থাকা অবস্থায় তাদের পুরস্কার দেওয়া হয় অবহেলা আর পেটের জ্বালা॥
    এই সব গান কীভাবে সংগ্রহ করতে পারি জানালে উপকৃত হতাম॥

    1. অনলাইনে সংগ্রহের উপায় আছে বলে
      অনলাইনে সংগ্রহের উপায় আছে বলে আমার জানা নেই। তবে ভাওয়াইয়া গানের স্বরলিপি বই পাওয়া যায়। তাছাড়া হরিশচন্দ্র পাল রচিত বইগুলো সংরক্ষণ করতে পারেন

  3. বাহ দারুণ লিখেছেন। এই বিষয়ে
    বাহ দারুণ লিখেছেন। এই বিষয়ে আমারও একটা লেখা আছে ফেসবুকে। অবশ্য সেটা শুধু ভাওয়াইয়া গান নিয়ে নয়, ভাওয়াইয়া সম্রাট আব্বাস উদ্দিনকেও নিয়ে লেখা। ভালো লাগলো এই পোস্ট পড়ে। হাজার হলেও ভাওয়াইয়ার দেশের লোক এই উত্তর বাংলা !! :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

    1. আমিও ভাওয়াইয়া দেশেরই মানুষ।
      আমিও ভাওয়াইয়া দেশেরই মানুষ। এজন্যই এসম্পর্কে এতটুকু জানা। আপনার লেখার লিঙ্কটি দিয়েন পারলে। ভাল লাগবে।
      ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *