মিশন ইম্পসিবল-ছাগু প্রটোকল: কিভাবে ত্যানা প্যাঁচানো হয়

আজকে আলোচনা করবো ত্যানা নিয়ে। ছাগু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে পছন্দের এবং আরামপ্রদ বস্তু হচ্ছে এই ত্যানা। ত্যানার রয়েছে অনেক সমৃদ্ধ ইতিহাস। সেইসব ইতিহাস দেখলেই আপনি ত্যানা প্যাঁচানোর বিদ্যা বুঝতে পারবেন। ত্যানা আছে অনেক প্রকারের। প্রথমে ত্যানার প্রকারভেদ আলোচনা করি।

আজকে আলোচনা করবো ত্যানা নিয়ে। ছাগু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে পছন্দের এবং আরামপ্রদ বস্তু হচ্ছে এই ত্যানা। ত্যানার রয়েছে অনেক সমৃদ্ধ ইতিহাস। সেইসব ইতিহাস দেখলেই আপনি ত্যানা প্যাঁচানোর বিদ্যা বুঝতে পারবেন। ত্যানা আছে অনেক প্রকারের। প্রথমে ত্যানার প্রকারভেদ আলোচনা করি।
১। ভিজা ত্যানা : এই ত্যানা জড়ালে ভিতরের কিছু একটা জিনিস আছে সেইটা বুঝা যায়। কিন্তু সেইটা কোন জিনিস সেইটা বুঝা যায় না। উদাহরণ দিতেছি। ধরেন, কোনো এক ছাগু ল্যাদাইতেই থাকলো। সেখানে সবাই তাকে গদাম দিয়ে তামা তামা করে ফেলতেছে। তখন কোনো এক কাঠ বলদ এসে ত্যানা প্যাঁচানো শুরু করলো। সে খুব গোপনে ছাগুর গোল গোল চনা বুটের ন্যায় ল্যাদানি গুলো ভিজা ত্যানা দিয়ে জড়িয়ে নিবে। তারপর সবাইকে ডেকে ডেকে বলবে এইগুলা মাজারের সিন্নী। ব্যাস! ভিজা ত্যানা হওয়াতে সবাই ভিতরের ল্যাদানি গুলোকে ভাববে আসলেই সিন্নী। এই ত্যানা ছাগুদের অতি প্রিয়।
২। সুতি ত্যানা: এই ত্যানা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ আলোচনার দরকার আছে। প্রথমেই দেখে নিন রিভার্স ছাগুকে কিভাবে আইডেন্টিফাই করবেন। Daniel Henrotin এর এই কমিকটা যেভাবে হোক পড়ে নিন। যদি বুঝেন তবে হাসতে হাসতে লাশ হয়ে যাবেন এই বলে দিলাম!

এই সিরিজের প্রথম পোস্টে ছাগুর প্রকারভেদ দিয়েছিলাম। সেখানে এক নাম্বারে ছিলো হাই ভোল্টেজ ছাগু। হাই ভোল্টেজ ছাগুর খুবই প্রিয় ত্যানা হল সুতি ত্যানা। এই ত্যানা অনেক আরামপ্রদ। প্রথমেই ব্যাখ্যা করি এই ত্যানার শানে নূজুল।
সে অনেক দিন আগের কথা। সামু ব্লগে ত্রিভুজ নামের এক টেকমোল্লা ছিলো। সে নানা প্রকার বিষয় নিয়ে আলাপ আলোচনা করতো। আর সব গুলোর উপর ত্যানা প্যাঁচিয়ে সেই লিখা গুলোকে করে নিত জামাত পন্থী। কিন্তু তার ল্যাঞ্জা বেশি দিন লুকানো রইলো না। প্রবাদ আছে হয়্যার দেয়ার ইজ এ উইল, দেয়ার ইজ এ ল্যাঞ্জা। একসময় সেই ত্রিভুজের রাজত্ব হরণ করে নিল কিছু বুদ্ধি বৃত্তিহীন ছাগু। ত্রিভুজ বাবাজি বাধ্য হয়ে ছাগুর সাথে সহবাসে লিপ্ত হল। এই দেখেন সেটার ছবি।

এই ছবিকে ত্যানা দিয়ে ঢেকে দিতে চাইলো ত্রিভুজের মুরিদরা। কিন্তু এত বড় ত্যানা কই পাওয়া যায়। তারপর আসলো মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে ত্যানা প্যাঁচাইতে প্যাঁচাইতে ছাগুরা ফানা ফানা করে দিলো। সেই ত্যানায় ত্রিভুজের ল্যাদানি আজো বাংলা ব্লগে গন্ধ ছড়িয়ে যায়।
এই গেল সুতি ত্যানার ইতিহাস। এইবার আসুন জেনে নিই কিভাবে সুতি ত্যানা আমানে আছানে সহি সালামতে প্যাঁচাইবেন।
♦ প্রথমেই আপনি ঠিক করে নিন কোন বিষয়ের উপর ত্যানা প্যাঁচাবেন। যেমন ধরুন ত্যানার হিটলিস্টে আছে, ১৯৭১, বুদ্ধিজীবী হত্যা, যুদ্ধাপরাধী, মানবতাবিরোধী অপরাধী, পাকিস্তান, পাকিস্তানি আর্মি, শাহাবাগ আন্দোলন, ধর্মভিত্তিক রাজনীতি, জামাত নেতা, পাকিস্তানি ক্রিকেট টিম, ইত্যাদি ইত্যাদি। এরপর আপনার ঝোপ বুঝে কোপ মারা পালা।
যাই হোক, এইবার ত্যানা প্যাঁচানোর আইটেম গুলো দেখে নেন। যেমন ধরুন ছাত্রলীগ,
সেঞ্চুরিয়ান মানিক, ফেলানি, বিশ্বজিৎ, পদ্মা সেতু, তেল- গ্যাস-জ্বালানি সম্পদ রক্ষা স্টেরিওটাইপিং , কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার প্রয়োজনীয়তা, বিশ্ব মানবতা,সুষ্ঠু বিচার, স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা, দুর্নীতিমুক্ত, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, বিএসএফের সীমান্ত হত্যা, রোহিঙ্গা সমস্যা, বিংশ শতাব্দীর বাস্তবতা, পুরনোকে ফেলে নতুনকে আঁকড়ে ধরা, অতীত ভুলে এগিয়ে যাওয়া, আন্তর্জাতিক মান, সহনশীলতা, ভিন্ন মতের প্রতি শ্রদ্ধা, সকল মতের মিলন, মিলে মিশে এক, আত্মউন্নয়ন, সমাজউন্নয়ন (অথবা যে কোন ধরণের উন্নয়ন), আমেরিকা, সাম্রাজ্যবাদ, আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদ/ পুঁজিবাদ, পশ্চিমা ষড়যন্ত্র, ইহুদী চক্রান্ত, দেশকে বিভক্ত করার রাজনীতি, প্রতিহিংসার রাজনীতি, মানবাধিকার লঙ্ঘন ইত্যাদি।
এইবার ত্যনা প্যাঁচানো কথার উদাহরণ দিই। যেমন:
♪বুঝালাম যুদ্ধাপরাধীর বিচার করবা, কিন্তু বিশ্বজিতের হত্যার ব্যাপারে কি হবে?
♪ বুঝলাম পাকিস্তানি আর্মি ৭১ এ খারাপ কাজ করছে কিন্তু বিএসএফ এখন কি করতেছে?
♪ বুঝলাম যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দরকার কিন্তু নিরপেক্ষত বজায় রাখার গ্যারান্টি কেমনে দিবা?
মনে রাখতে হবে, এইটা হলো ত্যানা প্যাঁচানি। ল্যাঞ্জা সামলে রাখতে হবে। কারণ অ্যান্টি ত্যানা হিসেবে অনেকেই আছে। এই ছবিটা দেখলেই ক্লিয়ার হবে।

৩। মিহি ত্যানা: এই ত্যানা হল হালকার উপর ঝাপসা ত্যানা। এই ত্যানার বিশেষ গুণ হইলো ব্যবহারে সহজ। এবং বেশি আরাম পাওয়া যায়। তাছাড়া সেইফ। এই ত্যানার অনেক ধরনের লক্ষণ আছে। যেমন ধরুন,
♪ আমার বাপ চাচা মুক্তিযোদ্ধা। আপনার আব্বা মুক্তিযোদ্ধা না, হয়তো আলবদর। কিন্তু কি আসে যায়। আলবদরও এক রকমের মুক্তিযোদ্ধাই। উনি বাংলাদেশ এর মুক্তির জন্য না লড়ে পাকিস্তানের মুক্তির জন্য লড়েছেন। সুতরাং মুক্তিযোদ্ধা হলো কিনা সেটা? এবার
কথা আগাবেন। আপনার আব্বা চাচা দেশের জন্য ঢিসুম ঢিসুম করে গুলি করতে করতে যুদ্ধ করেছেন। কিন্তু যুদ্ধ শেষে পেলেন হাতির ডিম। দেশের এমন করুণ হাল হকিকত দেখে এখন তাই আপনারা সপরিবারে সৎ লোকের শাসন চাই, আল্লাহর আইন চাই বলে স্লোগান দেন।
♪ গায়েবী ত্যানা বেশি সুন্দর। আপনি আছেন ভার্চুয়াল জগতে। আপনার সম্পর্কে কেউই কিছু জানেনা। আপনি নিক খুলেন মেয়ের নামে। হয়তো বা আপনি পিসির সামনে বিশাল ভুঁড়ি নিয়ে আদুল গায়ে টাইপ করতেছেন,”আজ আমার মন খারাপ। আমার বয় ফ্রেন্ড আমাকে বকা দিয়েছে। হুঁ হুঁ হুঁ হুঁ….” ব্যাস! কাজ হয়ে গেছে। ভার্চুয়াল জগতে লুল পাবলিকের অভাব নাই। সবাই দেখবেন আপনার ত্যানা রক্ষায় ঝাঁপিয়ে পড়েছে! এইবার আপনি আস্তে আস্তে প্রবেশ করেন ছাগুর জগতে। ত্যানা প্যাঁচাইতেই থাকেন আরামছে। এই ধরনের ছাগু ঢঙিলা হয়।
এই দেখে নিন হিজড়া ছাগুর মডেল।

এই ধরনের প্রক্রিয়াতে ত্যানা প্যাচানোতে কিঞ্চিত বিপদ থাকতেই পারে। তাই বলে ত্যানা প্যাঁচানো বন্ধ করবেন না।

৪। অ্যাডভান্স ত্যানা: এই ত্যানা খুবই সহজ লভ্য। বাংলা ব্লগে এই ত্যানা বেশি দেখা যায় । ছাগুদের খুবই প্রিয় ত্যানা এইটা। অনেক ছাগু দেখবেন ইসলামকে ত্যানা হিসেবে ব্যবহার করে। ধর্মের মারপ্যাঁচে ফেলে সবাইকে বোকা বানাইতে চায়। কিন্তু শেষে ঠিকই ধরা খায়। কিন্তু আবার সেই ধর্মের দোহাই দিয়ে পার পেয়ে যায়!
এইবার দেখে নিন, এই ছাগুদের ত্যানা চক্র।

৫। মূলার ন্যায় ত্যানা: এক পাগল রাস্তায় গিয়া গলা ফাটিয়ে চেঁচাচ্ছে, মানি না , মানব না। সারাদিন ধরে খালি চিল্লায়, পাবলিক এসে যখন জিজ্ঞেস করে কি মানিস না রে পাগল কিছু আর বলতে পারে না। পরদিন আবার গিয়ে চিল্লায়, মানি না মানব না। এইভাবে এক সপ্তাহ চেঁচানোর পর পাবলিক ধরে দিল ধোলাই। তখন পাগল আবার উঠে চেঁচায়, এইভাবে আমাকে ধরে প্যাঁদানি দেয়া, মানি না, মানব না। ত্যানা প্যাঁচাতে হলে আপনাকে এইরকম জোর গলায় চেঁচাতে হবে, মানি না মানব না। কিন্তু কি মানেন না সেইটাকে আস্তে আস্তে ঘোলা করতে হবে। এই ধরনের ত্যানা প্যাঁচানোর ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে বিদেশী মনীষীদের কোটেশান দেয়া। যেমন ধরুন, বিবর্তন এর উপর ত্যানা প্যাঁচাতে চান, স্যার ফ্রেড হোয়েল কে নিয়ে এসে Hoyle’s fallacy দিয়ে ত্যানা প্যাঁচান। তিনি বলেছেন বিবর্তন নাই, সুতরাং নাই। যদিও আর শত শত বিজ্ঞানী বলেছেন, আছে গো আছে কিন্তু কি আসে যায়। পাবলিক ইংরেজি নাম শুনলেই দেখবেন আপনার দলে চলে এসেছে। একইভাবে যুদ্ধাপরাধের বিচার
নিয়ে ত্যানা প্যাঁচাতে চাইলে ফট করে বলে বসবেন, Nuremberg Trial এ কি হয়েছিল নিশ্চয়ই আপনাদের মনে আছে। ভুদাই পাবলিক মাথা নাড়বে, হ্যাঁ মনে আছে বলে। দেশের ৯৯ দশমিক ৯৯৯৯ ভাগ লোক জুকারবার্গ ছাড়া আর দুনিয়ার কোন বার্গকে চিনে না। সুতরাং নিশ্চিন্ত মনে ত্যানা প্যাঁচাতে পারবেন।
এই ধরনের ত্যানা প্যাঁচক ছাগুকে ধরা খুবই কষ্টসাধ্য যদিনা আপনার এই বিষয়ে যথেষ্ট জানাশোনা না থাকে।

৬। অদৃশ্য ত্যানা: আগে ত্রিভুজ নামক ব্লগারের কিভাবে বিবর্তন হয়েছে সেটা দেখে নিন।

এই ত্যানা দিয়ে খুব সহজেই যে কেউ সাময়িক ভাবে পার পেয়ে যেতে অয়ারে। কিন্তু পরে গিয়ে ধরা খাবেই। এইসব ছাগুরা হয়তো বিবর্তনে অবিশ্বাসী কিন্তু নিজেদের বিচানো ত্যানাতে নিজেরাই প্যাঁচিয়ে যায়। এইসব ছাগুকে দেখবেন আস্তে আস্তে টপিকে প্রবেশ করছে। এদের ব্লগে কিংবা ফেবুতে প্রথম প্রথম প্রথম দেখবেন মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে পোস্ট দিচ্ছে। কিন্তু আস্তে আস্তে এরা নিজেদের স্বরূপ উদঘাটন করবে। ইস্টিশনেও এইধরনের ত্যানা প্যাঁচানি আজকাল দেখা যাচ্ছে।

আজকের মত এখানেই শেষ করে দিলাম আমার ত্যানা প্যাঁচানির পাঠশালা। আশা করি, এইবার থেকে সবাই কাউকে ত্যানা প্যাঁচাতে দেখলে সহজেই ফাইন্ড আউট করে গণধোলাই দিতে পারবেন। সর্বোপরি, ত্যানা হতে সাবধান। ত্যানা মুক্ত ব্লগ গড়ে তুলে আসুন সবাই প্রাণে প্রাণ মিলাই।

২৬ thoughts on “মিশন ইম্পসিবল-ছাগু প্রটোকল: কিভাবে ত্যানা প্যাঁচানো হয়

  1. প্রিয় অঘূর্ণায়মান
    প্রিয় অঘূর্ণায়মান ইলেকট্রনিক্স। খুব হতাশ হয়েছি, খুব। আপনিও এইরকম অন্যের লেখা কপি করে লেখায় হিট বাড়াতে চান দেখে খুব কষ্ট পেলাম। শ্রদ্ধার আসন থেকে আপনাকে নামাতে বাধ্য হলাম। কারও লেখা থেকে কপি করলে সেটা উল্লেখ করা উচিত কিন্তু আপনার প্রতিমন্তব্যগুলো দেখে বুঝলাম আপনি এই লেখার সমস্ত ক্রেডিট নিজে নিতে চাইছেন। খুবই লজ্জার ব্যাপার।

    আপনি এই লেখাটা কপি করেছেন সচলায়তনের ব্লগার “চরম উদাস” এর এসো নিজে করি ০৮ – কিভাবে ত্যানা প্যাঁচাবেন এই লেখাটা থেকে। আপনি বুদ্ধিমান তাই পুরোটাই কপি করেন নি। মূল আইডিয়া মেরে দিয়েছেন আর কিছু অংশ হুবুহু কপি করেছেন। তিনটা প্রমাণ দিচ্ছি,

    আপনার পোস্ট, তারিখ ১৫/৯/২০১৩

    অরিজিনাল পোস্ট, তারিখ ১২/২/২০১৩

    আপনার পোস্ট

    অরিজিনাল পোস্ট

    আপনার পোস্ট

    অরিজিনাল পোস্ট

    শুধু তাই না, Daniel Henrotin এর কমিকটাও আপনি ওই পোস্ট থেকে কপি করেছেন। আপনার কাছ থেকে ব্যাপারটার একটা গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা আশা করছি। ভুল হতেই পারে, সেটা স্বীকার করাতে কোন দোষ নেই। মনে রাখবেন, আপনার প্রতিভা থাকলে আপনার অগ্রযাত্রা কেউ ঠেকাতে পারবে না। অন্যের লেখা কপি করে খুব বেশিদূর যেতে পারবেন না। সাময়িক বাহবা হয়ত পাবেন, কিন্তু আসল ঘটনা প্রকাশ পেলে খুব লজ্জা পাবেন। কারণ, অনলাইনে কোন কিছুই অন্তরালে থাকে না।

    এই পোস্টের ব্যাপারে ইষ্টিশন মাষ্টারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

    1. দুটো পোস্টই দেখলাম। কনসেপ্ট
      দুটো পোস্টই দেখলাম। কনসেপ্ট কপি করা বলেই মনে হচ্ছে। এটা ঠিক হয়নি। এমনিতে ইলেকট্রন এর লেখা আমার ভালো লাগে। আশা করি এরকম ভুল আর হবে না। কনসেপ্ট থেকে উৎসাহ পেয়ে নতুন করে পোস্ট লেখা দোষের কিছু না। তবে সূত্র উল্লেখ করে দিলে ভালো হয়।

  2. ইলেকট্রন ভাই আমারও বলার কিছু
    ইলেকট্রন ভাই আমারও বলার কিছু নাই। আগের বার শুধু রাহাত ভাইয়ের কথায় আমি আর কিছু বলিনি। এবার তো আমার পুরা সন্দেহ হয়েছে যার কারণে আমি এতক্ষণ কমেন্ট করিনি। তবে হ্যাঁ এখানে আপানার কিছু কাজ আছে।

    ছাগলের সাথে মানুষের মিলনের ছবিটা নিয়েছেন অনু তারেক এর পোস্ট থেকে। বাকি গুলোও বিভিন্ন ব্লগারের পোস্ট থেকে না বলে নেয়া।

    যাহোক কিছু বলার নাই। আপনি কমেন্ট ভাল করেন। নিজে চেষ্টা করেন একসময় ভাল লিখতে পারবেন। কেউ একদিনে সফলতা অর্জন করতে পারেনা। আপনাকে অপমান করা কারো উদ্দেশ্য না। নিজের কথায় প্রকাশ করুন দেখবেন ভাল লাগছে।
    :কনফিউজড: :কনফিউজড:

    1. সহমত। এখানে কেউই ইলেকট্রন
      সহমত। এখানে কেউই ইলেকট্রন ভাইকে অপদস্থ করার উদ্দেশ্যে কিছু বলছেন না। বরং ভুল প্রকৃত বন্ধুই ধরিয়ে দেয়। যারা ভুল আড়াল করে শুধুই প্রশংসা করে যায় তারা বন্ধু নয় চাটুকার। তাই আশা করি ইলেকট্রন ভাই কষ্ট পাবেন না, বরং ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজের লেখনীকে আরও ধারালো করবেন।

  3. এখানে আমার অবশ্যই কিছু কথা
    এখানে আমার অবশ্যই কিছু কথা বলার আছে। এই সিরিজটি নিয়ে যেসব পোস্ট হয়েছে তার একটিও মৌলিক ছিলো না। নেট ঘেঁটে যা যা পেয়েছি সেগুলোই জুড়ে দেয়া হয়েছে। গত তিন দিন ধরেই এই টপিক নিয়ে গুগল হাতিয়ে ফেলেছিলাম। অনেক ঘাঁটাঘাটি করেও ত্রমন ভালো কিছু পাইনি। সচলায়তনের কনসেপ্ট টা মাথায় ঢুকে গেল। সেখানে দুই একটা লাইন ভালো লাগলো বলে কাগজে লিখে নিলাম। কম্পিউটার না থাকায় আজ সকালেই ধীরে ধীরে ধৈর্য্য ধরে টাইপ করতে করতে মোবাইলের চার্জ শেষ করলাম। শাটডাউন হয়ে গেল মোবাইল দুপুরে। কারেন্ট নাই। পরদিন আবার কেমেস্ট্রি পরীক্ষা। কিছুই পড়া হয়নি সকাল থেকে। পড়তে বসার সাথেই সাথেই কারেন্ট এলো। চার্জ দিয়ে আবার টাইপ করতে বসলাম। Daniel এর কমিকটা অনেক আগেই পড়া ছিলো আমার। তার আরো কিছু কমিক আমার সংগ্রহে আছে। এই কমিকটা সচলায়তন হতে নিয়ে নিলাম। এখানে কার্টেসী দেয়া উচিত daniel কে, সচলায়তনের এই পোস্ট কার্টেসী পাবেনা এই কমিকের জন্য। তারপর ছবি সংগ্রহের কাজে লাগলাম। গুগলে বাংলায় বিভিন্ন প্রকার ভাবে ইমেজ সার্চ করে এক ঘন্টা ধরে বের করলাম ছবি গুলো। তারপর মোবাইল থেকে ছবি যোগ করার মত কষ্টসাধ্য কাজ করতে লাগলাম ধৈর্য্য ধরে। এভাবেই তিনদিনের প্রচেষ্টায় তৈরী করে ফেললাম এই অখাদ্য পোস্টটি। ত্যানা টপিক নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু লিখেছে। গুগলে ত্যানা লিখে সার্চ দিলেই সব বের হয়ে আসবে। সেই হিসেবে সচলায়তনের এই পোস্ট টিও মৌলিক নয় কিছুতেই। কিন্তু, আমার যেটা মনে হয়, এই পোস্টের সাথে সচলায়তনের কিছুটা কনসেপ্ট মিল অবশ্যই আছে। আগেই বলেছিলাম এই সিরিজটি মৌলিক নয়। অনলাইনে ছাগু গবেষণার একটি সম্মিলিত ফলাফল। এইদিক থেকে দেখতে গেলে আমি ব্যর্থ। ব্যর্থতার দায় নিতে আমি রাজী আছি, কিন্তু সেই দায় নিয়ে ব্লগিং করতে রাজী নাই।

    হ্যাঁ,আমি গন্ডমূর্খ স্বীকার করে নিলাম। আমার ট্যালেন্ট শূণ্যের কোঠায় স্বীকার করে নিলাম। কিন্তু এইটা স্বীকার করতে কষ্ট হচ্ছে যে, পোস্ট টা শুধু সচলায়তন নয়, আমার বাস্তব জীবনে হাস্যরসেরও প্রতিফলন আছে এতে। হিট খাওয়ার দরকার নেই আমার। হিট খেতে চাইলে রিভার্স ছাগু হয়ে পোস্ট দিতাম। হিট খেতে চাইলে সামু ব্লগের অ্যাকাউন্ট ছেড়ে ইস্টিশনে পড়ে থাকতাম না। হিট খেতে চাইলে ফেসবুকে মোটামুটি পরিচিত হওয়া সত্ত্বেও শুধু ব্লগের জন্য ফেবু ডিয়েক্টিভেট করতাম না। হিট খেতে চাইলে যৌনতা নিয়ে লিখতাম। নাস্তিক হয়েও নাস্তিকতা নিয়ে ধর্মকে গালি দিয়ে পোস্ট দিইনাই। অথচ এগুলাই অনলাইনে হিট খাওয়ার উপায়। খুব ঘৃণা করি হিটকে।

    যেটাই হোক। দায়সারা গোছের দুই একটা কথা বলে নিজেকে দায়মুক্ত করার ইচ্ছা আমার নাই। নিজ থেকে আবিষ্কার করে সব কিছু দেয়ার সাধ্য আমার হয়নি। কিছুটা বৈচিত্রের জন্যই এই সিরিজ শুরু করি। আর এই সিরিজ তথা ইস্টিশনের যাত্রা এখানেই পরিসমাপ্তি করলাম। না, লজ্জা পাইনি একদম। এখানে কোনো নব্য আইডিয়াবাজের যায়গা হবেনা দেখে সরে গেলাম। এখানে সবাই মৌলিক চিন্তার অধিকারী। ইস্টিশন মাস্টারের কাছে দাবী জানালাম এই নিক যাতে ব্যান করা হয়।

    পরিশিষ্ট: ছোট ব্লগ হলেও ইস্টিশন দুর্দান্ত গতির একটি প্লাটফর্ম। এখানে ব্লগারদের মাঝে যে একটা ভার্চুয়াল রিলেশান হয় সেটা অন্য ব্লগে সম্ভব কিনা জানিনা। ইস্টিশন যেন তার এই স্বকীয়তা বজায় রাখতে পারে এমনকি রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হলেও। বিশেষ করে রাহাত ভাই, আতিক ভাই, নাভিদ ভাই, রাআদ ভাইকে মিস করবো। আর দুরন্ত জয়, অমিত ভাই এরা তো অবশ্যই থাকবে!! আর কিরণ ভাইকে ধন্যবাদ বড় ভাইয়ের মত ভুল গুলো ধরিয়ে দেয়ার জন্যে। :থাম্বসআপ:

    সবাইকে শেষবারের মত কয়েক লক্ষ টন ইলেকট্রনীয় শুভেচ্ছা। অনেএএএএএএক ভালো থাকবেন। হ্যাপি ব্লগিং!!! :পার্টি:

    1. আপনার মত বুদ্ধিমান মানুষের
      আপনার মত বুদ্ধিমান মানুষের কাছে ছেলে মানুষী আশা করিনা। আপনি আপনার বিবৃতি দিয়েছেন। আপনি আপনার কাছে ঠিক থাকলেই ওকে। প্লিজ, ব্লগিং চালিয়ে জান। ব্যক্তিগত ভাবে আমি আছি আপনার সাথে। আমার মনে হয় বাকি সবাই একই কথাই বলবে। :ফুল: :ফুল: :ফুল:

    2. ধুর পোলাপাইন এতো মাইন্ড খায়
      ধুর পোলাপাইন এতো মাইন্ড খায় কিছু কইলেই। এইজন্যই ইদানিং মন্তব্য করতে ভয় পাই। ব্লগিং ছেঁড়ে দেওয়ার মতো কিছু হইছে নাকি? কেউ তো আপনাকে কপিবাজ বলে নাই। খুব হতাশ হলাম আপনার মন্তব্য দেখে। এইসব ধুনফুন ছাইড়া চুটায়ে ব্লগিং করেন। নাইলে মাইর একটাও মাটিত পড়ত না কইলাম। :শয়তান: :টাইমশ্যাষ:

    3. ফাইজলামি পাইছেন ব্লগিং
      ফাইজলামি পাইছেন ব্লগিং ছাড়বেন? আপনি গেলে ছাগুদের বাশ দেয়ার সময় সাথে কে থাকবো?

      সহযোদ্ধা হয়ে এই কথা। ধুর মিয়া!!

      আতিক ভাই তো মাইর দিব। আমি তো আপনার ছোট আদরের ভাই আমি কইলাম মাইর টাইর দিমু না। একটা কাজ করুম আপনার বাসর রাতে ভাবিরে পাঠামু না। কেমন লাগবে???

      কিছু দিন পর “”রাহাত ভাই এর বিয়ে”” নামে পোস্ট দিব মন্তব্যে পাই জানি আপনারে !!!!

      একটু বিটলামি করলাম। এখন সিরিয়াস।
      ইস্টিশন ছাড়বেন মানে কি? কিছু খেয়েছেন নাকি?? এখনে মা নুষ আসে নিজের ইচ্ছায় আর যায় আমাদের ইচ্ছায় B) । ধুর আবার ফাইজলামি !!! যাই হোক ইস্টিশন ছাড়ার কথা আর দ্বিতীয় বার যেন না শুনি।

    4. আপনার এবং ইষ্টিশনের
      আপনার এবং ইষ্টিশনের শুভাকাঙ্ক্ষী বলেই ভুলগুলো ধরিয়ে দিয়েছি। আমরা সবাই ভুল করতে করতেই শিখি। সো, এই ব্যাপারটাকে নেগেটিভলি না নিলেই হয়। আর অভিমান করে ব্লগ ছেড়ে দেওয়ার মত ছেলেমানুষিগুলো কিন্তু আপনার সাথে যায় না। So, keep blogging as well as happy blogging. :ফুল:

    5. দশ বার কানে ধরে উঠবস করলে
      দশ বার কানে ধরে উঠবস করলে হয়তো ইলেকট্রনের অপরাধ ক্ষমা করা যেতে পারে!!
      :হাসি: :হাসি: :হাসি:

      আরে ভাই, কারটেসি দেয়া হয় নাই, এডিট করে দিয়ে দেন। শেষ! ব্লগে সবাই এত সিরিয়াস ক্যান আমি বুঝি না। :ক্ষেপছি:

      1. আসলেই … সারাদিন তো
        আসলেই :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: … সারাদিন তো সিরিয়াস হয়াই থাকি… ব্লগে আসি একটু রিফ্রেসের জন্য… আর এইখানেও একই অবস্থা :মানেকি: :মানেকি: … হুরর… :কানতেছি: :কানতেছি:

    6. ওহে ইলেকট্রন, থামেন ভাই…
      ওহে ইলেকট্রন, থামেন ভাই… আসেন ঠাণ্ডা কিছু খাই… তারপর চিন্তা করে দেখি কি হইল এইখানে … :ভাবতেছি: :আমারকুনোদোষনাই:

      প্রথম কথা হইতেছে আপনে একজন ছাগু ফাইটার… আপনে যদি এভাবে যুদ্ধের ময়দান ছেড়ে অভিমান করে চলে যান, তবে আমরা ছাগু পুন্দাবো ক্যামনে?? আপনে হইলেন আমাদের বাজুকা রকেট লঞ্চার… আপনারে না পাইলে ছাগুদের বালেরকেল্লার বাংকারে হামলা করুম কি দিয়া… সেই সমাধান আগে দিয়া যান… :কথাইবলমুনা: :কথাইবলমুনা:

      উদাস ভাইয়ের লেখাটা পড়া ছিল বহুত আগেই… উনি যে অনেকগুলা সোর্স থেকে লিখছে সেটা উনি নিজেই স্বীকার করছে। সো, এইটা অভিমানের কোন কারন হইতে পারে না। আপ্নের হিট খাওয়ার ইচ্ছা থাকলে বহুত আগেই তা পারতেন। সুতরাং এইসব ধানাইপানাই বাদ দিয়া “”লাইনে আসেন””… :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

      সবচেয়ে বড় কথা হইল আপনে না থাকলে আমার অতি অখাদ্য মুভি রিভিউগুলা পড়বে কে?? :মানেকি: :মানেকি: আমি একজন মুভিখোর… সুতরাং একজন মুভিখোর হয়ে আরেকজন মুভিখোরের এইসব চুদুরবুদুর সহ্য করুম না। :এখানেআয়: :এখানেআয়: আমার একটা সাফ কথা শুনেন… কালকার মধ্যে যদি আপ্নেরে ইষ্টিশনে না দেখি, তাইলে কইলাম আপ্নের বাড়িতে ক্লাস্টার বুমা নিক্ষেপ করা হইবেক… ভদ্রলোকের এক জবান… :জলদিকর: :জলদিকর: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

  4. মানে কী?কমিকটা পড়ে ব্যাফুক
    মানে কী?কমিকটা পড়ে ব্যাফুক মজা পাইলাম।আর শেষে আইসা মন্তব্যে আপনে এইল্লা কী কন ইলেকট্রন ভাই?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *