ইমাম ধর্ষণ করলেন সাত বছরের শিশুকে…!!! আস্তিকগন কিছু কইবেন নাকি……?

আস্তিক ভাইদের উদ্দেশ্যে কালের কন্ঠ থেকে হুবহু কপি করে ইস্টিশনে দেয়া হল ।


আস্তিক ভাইদের উদ্দেশ্যে কালের কন্ঠ থেকে হুবহু কপি করে ইস্টিশনে দেয়া হল ।

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে মসজিদের ইমাম ধর্ষণ করেছেন সাত বছরের শিশুকে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে মসজিদের ভেতরেই মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন কুড়িগাঁও মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা আবু মুছা আয়শারী (২৮)। ধর্ষণের শিকার মেয়েটিকে লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ ধর্ষক ইমামকে গ্রেপ্তার করেছে।

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে মসজিদের ইমাম ধর্ষণ করেছেন সাত বছরের শিশুকে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে মসজিদের ভেতরেই মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন কুড়িগাঁও মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা আবু মুছা আয়শারী (২৮)। ধর্ষণের শিকার মেয়েটিকে লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ ধর্ষক ইমামকে গ্রেপ্তার করেছে।
লৌহজং উপজেলার বেজগাঁও ইউনিয়নের কুড়িগাঁও গ্রামের দ্বিতীয় শ্রেণীর সাত বছরের ছাত্রী প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সকালেও বাড়ির পাশের ওই মসজিদে ইমাম হাফেজ মাওলানা আবু মুছা আয়শারীর কাছে আরবি পড়তে যায়। অন্যান্য ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে ওই মেয়েটিও পড়া শেষ করে বাড়ি ফেরার জন্য প্রস্তুত হয়। কিন্তু ইমাম সাহেব সবাইকে যেতে দিলেও মেয়েটিকে আরো পড়া আছে বলে বাড়ি যেতে নিষেধ করেন। পরে সবাই চলে গেলে আবু মুছা আয়শারী মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। ঘটনা কাউকে না বলার জন্য ধর্ষক ইমাম মেয়েটিকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
মেয়েটি বাড়ি যাওয়ার পর শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং ব্যথায় চিৎকার করতে থাকে। এ সময় তার গোপনাঙ্গ দিয়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। বিষয়টি তার মাকে খুলে বললে মেয়েটিকে লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে ধর্ষিত মেয়েটিকে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।
লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক ডাক্তার সম্রাট হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ডাক্তারি পরীক্ষায় মেয়েটিকে ধর্ষিত বলেই মনে হয়েছে। তার গোপনাঙ্গে ধর্ষণের আলামত পরিলক্ষিত হয়েছে।

৮৩ thoughts on “ইমাম ধর্ষণ করলেন সাত বছরের শিশুকে…!!! আস্তিকগন কিছু কইবেন নাকি……?

  1. আরে ভাই আপনি দেখি আমার মত
    আরে ভাই আপনি দেখি আমার মত ৰ্ধমবিদ্বেষী !!! :-O ঈমাম সাব মহাপুরুষকে অনুসরন করছে, আমাদেরও মহাপুরুষকে অনুসরন করতে হবে। আর আমাদের দেশের এইসব কাফির আইন-আদালত ঈমাম সাবকে যেন কোনভাবে হেয়-অপমান করতে না পারে, সেজন্য দ্রুত ঈমাম সাবের সাথে ঐ মেয়ে শিশুটির বিবাহের ব্যবস্থা করে দেওয়া হউক । :angel: :angel: :angel:

  2. মানুষ এতটা নিচে নামতে
    মানুষ এতটা নিচে নামতে পারে?ভাবা যায়না।এই হল ধার্মিক?যে কিনা তথাকথিত পবিত্র স্হানেই এরকম নোংরা কাজ করে বেড়ায়?হায় আমরা কোথায় আছি?কোন যুগে আছি?এই একবিংশ শতাব্দীতেও একটা নিষ্পাপ শিশু যৌনতার শিকার হচ্ছে।এরকম নোংরা মানুষের যৌনাঙ্গটাই কেটে ফেলা উচিত।

  3. এক ইমামের জন্য ভাই সকল
    এক ইমামের জন্য ভাই সকল আস্তিকদের দোষারোপ করা বোকামির কাজ।
    আমিও আস্তিক আমার সৃষ্টি কর্তার প্রতি পূর্ণ বিস্বাস রাখি , আপনি কি আমাকেও এই কথা বলবেন??

    যাই হোক আমার মনে হয় ইমাম সাহেব আল্লাহ এর উপর যত না বিস্বাস করে তার চেয়েও তেতুল তত্বে বেশি বিস্বাসী ।

    1. ভাই মাইন্ড খাইয়েন না, “প্রকৃত
      ভাই মাইন্ড খাইয়েন না, “প্রকৃত মুসলিম” শব্দটা সবাই বলে থাকে.। দয়া কইরা একটু কইবেন কি “প্রকৃত মুসিলম” আসলে কে ?

      1. সেই প্রকৃত মুসলিম- যে আল্লাহর
        সেই প্রকৃত মুসলিম- যে আল্লাহর ইচ্ছার কাছে তাঁর নিজের ইচ্ছাকে সমর্পণ করে।

        একজন মুসলিম লেবাসধারী ব্যক্তিই মুসলিম জাতিকে রিপ্রেজেন্ট করে না নিশ্চয়ই!
        এভাবে অতি সাম্প্রদায়িকতা প্রকাশ করার কোন যুক্তি নেই।

        1. সফিক ভাই, তাহলে দুনিয়ায়
          সফিক ভাই, তাহলে দুনিয়ায় প্রকৃত মুসলিম বইলা কোনো শব্দ আছে কিনা, অণুবীক্ষণ যন্তর দিয়া খুইজ্যা দেখতে হইবেক 😀

          1. কথা সেটাই… আপনিই একটু বলুন
            কথা সেটাই… আপনিই একটু বলুন তো- বর্তমান ছাত্রলীগের কয়টা ছেলে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সম্পর্কে জ্ঞান রাখে?
            আপনি যদি এখনকার আওয়ামী লীগ দিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে মূল্যায়ন করতে যান তাহলে আদৌ কোন কুল কিনারা পাবেন?

          1. সেটা “হুজুর”দের সমস্যা!
            সেটা “হুজুর”দের সমস্যা! ভন্ডদের সবচেয়ে বড় পরিচয় তাদেরকে ভন্ড বলার সাথে সাথে তারা ক্ষেপে যায়।
            যারা ভন্ড নয় তারা কখনও ক্ষেপে না কারণ তারা তাদের নিজ পরিচয় জানে…

          2. সার্বিকীকরণ জিনিসটাই
            সার্বিকীকরণ জিনিসটাই অনৈতিক…

            আপনি আমার করা (নিচের) কমেন্টের উত্তর দেন নি এখনও… আপনার সার্বিক নৈতিকতাই আমার কাছে এখন প্রশ্নবিদ্ধ!

      2. প্রকৃত মুসলিম দেই, যে মহান
        প্রকৃত মুসলিম দেই, যে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ও তার প্রেরিত রাসুলপাক (সাঃ) এর প্রবর্তিত সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ জীবনব্যবস্থা ইসলাম অনুযায়ী জীবনযাপন করে। রাসুলপাক (সাঃ) যুগে তার চারিত্রিক গুণাবলীতে মুগ্ধ হয়ে অগুনতি মানুষ যে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় নিয়েছিলেন এবং কিছু জিহাদি জারজের উন্মত্ত হিংস্রতা সত্ত্বেও অলিআল্লাহ ও সূফীসাধকদের অক্লান্ত চেষ্টায় আজো অসংখ্য মানুষ ইসলামের ছায়াতলে আসছেন, তারাই প্রকৃত মুসলিম। পৃথিবীতে এখনও প্রকৃত মুসলিম বিদ্যমান, কালবৈশাখী সাব… হয়তোবা আপ্নের দৃষ্টি এড়ায়ে গেছে অথবা তেঁতুল ছুপির/গুয়াজমদের মত নিকৃষ্ট কীটদের জন্য প্রকৃত ইসলাম ও প্রকৃত মুসলিম দেখার সৌভাগ্য আপনার হয় নাই। :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: কিন্তু তাই বলে আপনে সকল মুসলিমকে কুড়িগাঁও মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা আবু মুছা আয়শারীর মত জারজ কীট ভাবতে পারেন না :মানেকি: :মানেকি: … সেটা খুবই দুঃখজনক… :মনখারাপ: :মনখারাপ: :মনখারাপ:

          1. অপেক্ষা করুন… নিশ্চয়ই সেই
            অপেক্ষা করুন… নিশ্চয়ই সেই সৌভাগ্য আপনারও হবে!

            একটা বিষয় কি জানেন? ফুলের মধ্যে একই সাথে মধু এবং বিষ ২টাই থাকে। ফুল থেকে মৌমাছি মধু নিয়ে যায়। আর ভ্রমর পোকা নেয় বিষ!
            কখনও কোন মৌমাছিকে বিষ আর ভ্রমরকে মধু খেতে দেখা যায় না… কারণ ফুলের মাঝে মৌমাছি কেবল মধুই দেখতে পায়- বিষ নয়। উল্টোটাও ভ্রমরের বেলায় প্রযোজ্য!

            এই সমাজে ভাল-খারাপ ২টাই আছে। সকল যুগেই তা ছিল। অথচ এই আমাদের মধ্যেই অনেকে সমাজে কোন ভাল কিছু খুঁজে পায় না- কেবলই পঁচে যাওয়া সমাজের বীভৎস রূপ দেখতে পায়! দোষটা কার? সমাজের নাকি দৃষ্টিভঙ্গীর?

            আগে দৃষ্টিভঙ্গীটা বদলান… জীবন বদলে যাবে!

  4. হুম। কিন্তু আমি মনে করিনা যে,
    হুম। কিন্তু আমি মনে করিনা যে, সব আস্তিকই এইরকম হবে। তবে এইদেশের হুজুরদের নিয়ে আসলেই বিস্তর সন্দেহ আছে। :ক্ষেপছি:

      1. “হুজুর” শব্দের অর্থ
        “হুজুর” শব্দের অর্থ জানেন?

        দাড়ি-টুপি পড়লেই হুজুর হওয়া যায় না, বড়জোর মুসুল্লি হওয়া যায়…!
        যেমনি ভাবে ‘৭১-এ অস্ত্র হাতে নিলেই সে মুক্তিযোদ্ধা নয়- রাজাকারও হতে পারে; ব্যাপারটা সেরকমই…!

        1. দাড়ি-টুপি পড়লেই হুজুর হওয়া

          দাড়ি-টুপি পড়লেই হুজুর হওয়া যায় না, বড়জোর মুসুল্লি হওয়া যায়…!

          খুবই সইত্ত কথা সফিক সাব… :ভাবতেছি: :মাথানষ্ট: :তালিয়া: :বুখেআয়বাবুল:

    1. যেই হুজুরগুলা সারাদিন তেঁতুল
      যেই হুজুরগুলা সারাদিন তেঁতুল চাটে আর তেঁতুলে তেঁতুলে স্বপ্নদোষ ঘটায়, তারা যে অতি নিকৃষ্ট নর্দমার কীট, সেটা আজকে খুবই পরিস্কার। আফসোস, এই শুঁয়োরগুলার জন্য আজকে রাসুলপাক প্রবর্তিত শান্তির ধর্ম ইসলাম মানুষের কাছে পরিহাসের পাত্র :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: … মাঝে মাঝে মনে চায় লাত্থি দিয়া এই জানোয়ারগুলার বিচি ফাটায়া ফালাই… :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :এখানেআয়: :এখানেআয়: :এখানেআয়:

    1. লাত্থি দিয়া এইগুলার বিচি
      লাত্থি দিয়া এইগুলার বিচি ফাটায়া ফেলানো উচিৎ… ইসলামটাকে ধ্বংস করতেছে এই জারজগুলাই… :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :এখানেআয়: :এখানেআয়:

    1. কথা সত্য… তয় বিষয় হইলো-
      কথা সত্য… তয় বিষয় হইলো- সবাই রসুন না!

      রসুনের দোষে কেবল রসুনই দোষী সাব্যস্ত হোক… প্রায় রসুনের মতই দেখতে বলে বা রসুনের মতই মশলা বলে পেঁয়াজ-আদা-এলাচ-দারুচিনি সবকিছুকে রসুন বলে চালিয়ে দিয়ে দোষী সাব্যস্ত করার চেষ্টা বন্ধ করুন…

      1. কালবৈশাখী সাব সবগুলারে গুলায়া
        কালবৈশাখী সাব সবগুলারে গুলায়া ফেলতেছেন… তবে তারেও বা দোষ দিমু ক্যামনে… আমাদের দেশে যারা ইসলামের রেজিস্ট্রিকৃত সৈনিক বলে নিজেদের পরিচয় দেয়, তারা যদি এইরকম জাতজন্মহীন জানোয়ারের মত আচরণ করে, তাহলে সঠিক ইসলামটা মানুষ জানবে ক্যামনে??? এই শুয়োরগুলার একমাত্র শাস্তি, বিচি ফাটায়া মৃত্যু… :ক্ষেপছি: :এখানেআয়: :এখানেআয়:

  5. এই রকম নরপশু আমাদের পৃথিবীতে
    এই রকম নরপশু আমাদের পৃথিবীতে ভর্তি।আমি একটা কথা বলি ,একজনের জন্য সবাইকে খারাপ বলা যায়না।যেমন ধরেন,একজন একটা বাইক কিনল।চরম বাইক ।প্রতিটা ইন্সট্রুমেন্ট মানসম্মত ।তো এখন এই বাইকটা এমন ই একজনকে চালাতে দিল যে সে জীবনেও সাইকেল ই চালায় নি।বাইক তো দূরে থাকুক ।এখন বাইকটা এক্সিডেন্ট করল ।তো এখন দোষটা কার ?বাইকের ?কক্ষনোই না ।বাকিটুকু বুঝে নিবেন

    1. শফির তেতুল তত্ত্বও এটার সাথে
      শফির তেতুল তত্ত্বও এটার সাথে যায় না। কারণ, তার বক্তব্যে সে বলে নাই যে মসজিদে আরবী পড়তে আসা যথাযথ পর্দা করা সাত বছরের মেয়ে শিশুকে দেখেও জ্বিবে পানি আসা উচিৎ!

      অপরাধ করার জন্য কোন থিওরী লাগে না! যেমনি ভাবে ঐশী হবার জন্য হিন্দি সিরিয়াল দেখা লাগে না… হিন্দি সিরিয়াল দেখেও লক্ষ্মী মেয়ে হওয়া যায় আবার না দেখেও ঐশীর জন্ম হতে পারে!
      কাজেই অপরাধের পেছনে থিওরী খোঁজার প্রবণতাটাই অনৈতিক…!

        1. কাউকে সেভ করা বা ব্লেম দেয়ার
          কাউকে সেভ করা বা ব্লেম দেয়ার কিছু নাই… কোন “ট্যাগ”-এও আমার কিছু যায় আসে না। আমি যা বলার তা স্পষ্ট বলতে পছন্দ করি।
          ভান ধরা আমার পছন্দ নয়।

        2. কালবৈশাখী ঝড় এই ব্লগে যারা
          কালবৈশাখী ঝড় এই ব্লগে যারা লেখে তারা সবাই মোটামুটি সফিক ভাইকে চেনেন। ওনাকে ছাগু ট্যাগ দেবে এমন ওদ্ধ্যত্ব কার।
          যাইহোক, আপনার কটাক্ষ টা পছন্দ হয়নি।

  6. বদমাইশ হুজুরের মুখে থুঃ!
    বদমাইশ হুজুরের মুখে থুঃ! উপযুক্ত শাস্তি হোক হারামজাদার।
    আর লেখকের কাছে জিজ্ঞাস্যঃ
    “ইমাম ধর্ষণ করলেন সাত বছরের শিশুকে…!!!” এর সাথে আস্তিকগনের সম্পর্ক কি জানতে চাই। (প্রশ্নটা করছি এই জন্য যে শিরোনামে কেবল আস্তিকগনের কাছেই জানতে চাওয়া হয়েছে।)

    1. এই প্রশ্নটা করবো বলে লাইনটা
      :থাম্বসআপ:
      এই প্রশ্নটা করবো বলে লাইনটা কোট করে নিচে এসে দেখি- আপনি অলরেডি করে ফেলেছেন!
      আমারও সেই একই কথা…

  7. “ইমাম ধর্ষণ করলেন সাত বছরের
    “ইমাম ধর্ষণ করলেন সাত বছরের শিশুকে…!!! আস্তিকগন কিছু কইবেন নাকি……?”

    ২ লাইন বিশিষ্ট শিরোনামের প্রথম লাইনের জন্য বলব- অত্যন্ত দুঃখজনক…। 🙁
    ২য় লাইনের জন্য বলব- জ্বি ভাই, বলার আছে… বলব হচ্ছে- তো? তাতে কী প্রমান হয়?

    কিছু মনে করবেন না জনাব “কালবৈশাখী ঝড়” আপনার পোস্ট পড়ে মনে হলো- একটা সাত বছরের শিশু ধর্ষিত হওয়ায় আপনি যতটা না মর্মাহত তার চেয়ে বেশি আনন্দিত কারণ- ধর্ষক একটা মসজিদের ইমাম!
    আমার যথেষ্ট সন্দেহ হচ্ছে- ধর্ষক যদি বাই এনি চান্স কোন “স্বঘোষিত নাস্তিক” হতেন তাহলে আপনি আদৌ এই পোস্টটা ঠিক একই উচ্ছাস নিয়ে ব্লগে লিখতেন কিনা!

    আমাদের একটা নিকৃষ্টতম স্বভাব হচ্ছে- সমাজে ঘটে যাওয়া ঘটনা থেকে আমরা যতটা না শিক্ষা গ্রহণ করি, তার চেয়ে বেশি ব্যস্ত থাকি কিভাবে সেই ঘটনাকে নিজের ফেবারে এনে একটা ফায়দা আদায় করা যায়! রাজনৈতিক দলগুলো যেমন একটা লাশ পেলে সেই লাশ নিয়ে রাজনীতি শুরু করে, ব্যাপারটা ঠিক সেরকম। বিশ্বজিৎ হত্যার পর যেমন ২ দলই দাবি করতে থাকে “ও আমাদেরই লোক”! (ভাগ্যিস সে হিন্দু ছিল, নইলে জামাতও এই দাবীতে পিছিয়ে থাকতো না…!) কিংবা ৫ মে’র ঘটনায় বিরোধী দল দাবি করে বসে- লাশের সংখ্যা ২০/৩০ হাজার!
    বাস্তবতা হলো- এদের আদৌ ঐ ভিক্টিমদের প্রতি কোন সিমপ্যাথি নেই… নিজের ফায়দা আদায়টাই মূখ্য!
    দুখজনক হলেও সত্য “কালবৈশাখী ঝড়”-এর কথায়ও সেই একই রকম সাম্প্রদায়িক ফায়দা আদায়ের লক্ষণ দেখতে পাচ্ছি!
    এটা মোটেও কাম্য হতে পারে না…
    সর্বপরি, “অপরাধীর কোন ধর্ম নাই, জাতি নাই, সমাজ নাই, দল নাই, কিছুই নাই…”
    অপরাধীর প্রথম এবং একমাত্র পরিচয় হলো- সে অপরাধী!
    আমরা অপরাধীর অপরাধ প্রবণতাকে ঘৃণা করতে চাই। অপরাধির কারণে তার কোন ধর্ম-জাত-সমাজ-দল এগুলোকে নয়…
    আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

    1. সহমত। এই চিন্তাটা অনেকের
      সহমত। এই চিন্তাটা অনেকের মাথায় থাকে না সব সময়। ফলে একটা ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হচ্ছে। যদি কালবৈশাখী ঝড় ভাইয়ের মনে
      “সমাজে ঘটে যাওয়া ঘটনা থেকে আমরা যতটা না শিক্ষা গ্রহণ করি, তার চেয়ে বেশি ব্যস্ত থাকি কিভাবে সেই ঘটনাকে নিজের ফেবারে এনে একটা ফায়দা আদায় করা যায়!” ===

      টেন্ডেন্সি থেকে থাকে তাহলে ব্যাপারটা খুব দুঃখজনক।

      1. মজার ব্যাপার হলো- “কালবৈশাখী
        মজার ব্যাপার হলো- “কালবৈশাখী ঝড়” সবার কমেন্টের প্রত্তুত্যর করেছেন, শুধু আমারটা কোন কারণে এড়িয়ে গেছেন!
        কারণটা বোধগম্য নয়…
        :অপেক্ষায়আছি:

    2. যারা মানুষের নৈতিকতার জন্য
      যারা মানুষের নৈতিকতার জন্য ধর্মকে মূল বিষয় মনে করে তারাইতো আস্তিক, আর মহামান্য ইমাম সাহেবও তাই!! সে যখন ৭ বছরের বাচ্চা মেয়ে বা বালক অথবা আয়তলোচন চির বালকদের কল্পনায় বলাৎকার করেন তখন ‘কালবৈশাখী ঝড়’-এর প্রশ্নটা মোটেই অবান্তর নয়…
      “তেঁতুল শফির সৃষ্টির জন্য ধর্ম দায়ী নয়” এমন অতিসরলীকরণ বক্তব্য ধর্মবিশ্বাসীদের জন্য সান্ত্বনাদায়ক কিন্তু ন্যায়সঙ্গত নয়… আরও ব্যাপক আলোচনার কি দরকার আছে সফিক ভাই?

      1. যথেষ্ট আলোচনার দরকার আছে
        যথেষ্ট আলোচনার দরকার আছে বৈকি!

        “যারা মানুষের নৈতিকতার জন্য ধর্মকে মূল বিষয় মনে করে তারাইতো আস্তিক, আর মহামান্য ইমাম সাহেবও তাই!!”

        আপনিই বা এতো অতিসরলীকরন করেন কোন যুক্তিতে? আস্তিকের সজ্ঞা সম্পর্কে আরো ক্লীয়ার ধারনা রাখা উচিৎ… হ্যাঁ আপনি যে সজ্ঞা দিয়েছেন তারাও আস্তিক।
        কিন্তু তার মানে এই নয় যে আস্তিক মাত্রই “যেহুতু ধর্ম গ্রন্থে নাই তাই…” এই মতে অন্ধ বিশ্বাসী!

        আপনাদের একটা ধারনা হচ্ছে- আস্তিক মাত্রই ধর্মান্ধ! তারা দর্শন বুঝে না, বিজ্ঞান জানে না, সাহিত্য পড়ে না… নৈতিকতা বা মানবতা বোধও কেবল মাত্র সাম্প্রদায়িকতার মাঝেই সীমাবদ্ধ!
        অপর দিকে নাস্তিক মাত্রই মহা জ্ঞানী… বিশাল তাদের জ্ঞান ভান্ডার, প্রচুর তাদের স্টাডি। ভাবখানা এমন যে- নাস্তিক মাত্রই জ্ঞানের সাগর!
        আমি কোন নাস্তিককে কটাক্ষ করতে চাই না। আর নাস্তিক বলে কোন কথা না- আমি আসলে কোন মানুষের বিশ্বাসকেই আঘাত করতে চাই না…

        একটা কথা কী- জানার কোন শেষ নেই, জ্ঞানের কোন অন্ত নেই!
        আপনি আপনার বিবেক-বুদ্ধি-জ্ঞান দিয়ে যা উপলব্ধি করেছেন সেটাই আপনার কাছে পরম সত্য। একই কথা আমার কিংবা শফি কিংবা রাজিব কিংবা… সবার বেলাতেই প্রযোজ্য…
        সবার অবস্থান থেকেই সবাই সঠিক! আপনি আপনার অবস্থানে দাঁড়িয়ে কখনোই ভিন্ন মেরুর একজনকে বোঝাতে পারবেন না যে সে ভুল আর আপনিই সঠিক…

        কাজেই- এরকম কোন উদাহরন টেনে এনে নিজের যুক্তির স্বপক্ষে অকাট্য প্রমান হিসেবে হাজির করা একটা অসাধু উপায়! একটা উদাহরন কখনোই একটা মতাদর্শের বিরুদ্ধে যুক্তি হতে পারে না…
        এটা মনে রাখা খুব জরুরি!

  8. একজন ব্যক্তি রাজিবের
    একজন ব্যক্তি রাজিবের নাস্তিকতাকে সামনে এনে যেভাবে, যৌক্তিক দাবীতে ফুঁসে ওঠা একটি গণজোয়ারের ওপর নাস্তিকতার ট্যাগ চাপিয়ে দিয়ে~এই জোয়ারের প্রতিটি জলবিন্দুকেও বিতর্কিত করার চেষ্টা চালানো হয়েছিলো…
    এই পোস্টে আস্তিকদেরকেও কি সেভাবে প্রশ্নের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়ে গেলো না ???
    ওই বদমাইশ হুজুরের সাথে আস্তিকতার কোন সম্পর্ক নাই, সম্পর্ক নাই কোন আস্তিকেরও।
    প্রশ্নটা কেনো উঠেছে~কারণ ???
    আস্তিক মানুষেরা বুঝে হোক না বুঝে হোক এই বদমাইশদের লালন-পালনে উদ্যোগী হয়।
    নাহলে ‘৭১ এর নরপিশাচেরা এতো ঘৃণ্য অপরাধ করার পরও টিকে থাকতে পারতো না।
    মানুষের বিবেকের যে কাঠগড়া সেই কাঠগড়ার তাগিদেই পার পেতো না।
    পেয়ে গেছে,কারন ???
    ধর্মের লেবাস সবচেয়ে সুরক্ষিত লেবাস…
    নরপিশাচ বদমাইশগুলো তা বুঝে শুনেই লেবাস পড়েছে, আর আস্তিকগণ তা হয়তো না বুঝেই মেনে নিয়েছে।
    অনেকক্ষেত্রেই রুদ্ধ হয়ে গেছে মানুষের সবচেয়ে বড়ো আদালত, তার বিবেকের দংশন।
    জামাত-শিবির-হেফাজত এর তান্ডব এবং তাদের সমর্থনকারীদের কার্যকলাপেই এর বাস্তব প্রমাণ পাওয়া যায়।
    আমরাই কি এদের আজকের অবস্থানের জন্য দায়ী নই???
    আমরা আস্তিকেরাই???
    এই অর্থেই আস্তিকদের সামনে এই প্রশ্ন এসে যায়…
    ঠিক বললাম তো,

    কালবৈশাখী ঝড়

    ভাইয়া ???

    1. ছি : এসব বলতে
      ছি : এসব বলতে নেই……………….তখন শুনবেন সেই অমর বানী- “সব আস্তিকই খারাপ না”। তবে সব আস্তিকদের আস্তিকতা টিকিয়ে রাখতে মোল্লা-মুন্সির কাছে যেতে হয় আরকি………………. সেই সাথে যাকাতের টাকাও গরীবের বদলে মোল্লাদের পেটেই যায়………….. সেটা “ভাল আস্তিক” দের কাছ থেকেও।

    2. ধর্মের লেবাস সবচেয়ে সুরক্ষিত

      ধর্মের লেবাস সবচেয়ে সুরক্ষিত লেবাস…
      নরপিশাচ বদমাইশগুলো তা বুঝে শুনেই লেবাস পড়েছে, আর আস্তিকগণ তা হয়তো না বুঝেই মেনে নিয়েছে।

      হ্যাঁ , তারা তো তাহলে ঘাসই খায়, তাই না?

      1. “কালবৈশাখী ঝড়” এই উত্তর দেয়ার
        “কালবৈশাখী ঝড়” এই উত্তর দেয়ার দরকার নেই… আপনি কি এই প্রশ্ন করে শিরোনামের প্রশ্নকে জাস্টিফাই করতে চান? প্রশ্নের পীঠে প্রশ্ন করা সবসময় কার্যকর হবে এমন কোন কথা নেই… হুজুরেরা সমাজের (ধর্মীয় মূল্যবোধের…) একটা নৈতিকতার মানদণ্ডের অবস্থানে অধিষ্ঠিত (আমাদের মত দেশে…)!! আর তাই যখন এমন খালের টাকা, খৎনার টাকা অথবা মিলাদের বখশিশে পরিপুষ্ট একজন আত্মসম্মানবোধহীন ভণ্ড তার পূর্বসূরিদের মত অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয় তখন এইসব জঞ্জালের অপসারনের পক্ষের লোকদের আনন্দিত হওয়ায় দোষের কিছুই দেখি না…
        কেননা ‘কালবৈশাখী ঝড়’ বা আসিফ মহিউদ্দিন অথবা রাজীব হায়দার কখনই কোন নির্বোধ হুজুরদের একটা আঘাতও করত না করে নি… অথচ তাদের ত্রাসে ভীত মা-বাবারা ছেলে ব্লগিং করতেছে শুনলেই ভয় পাই!! কোনটা স্বাস্থ্য কোনটা ব্যাধি বুঝতে আর কত রক্ত দিবে মানুষ? সফিক ভাই আপনাদের সান্ত্বনা দিন শেষে খুনিদের শক্তি বলে বিবেচিত.. অনেকটা ‘ঘুষ যে দেয় আর যে নেই দুজনেই সমান অপরাধী’ প্রবাদটার মত… ধন্যবাদ!! ভাল থাকবেন…

        1. তারিক ভাই, উত্তরটা দিয়েই
          তারিক ভাই, উত্তরটা দিয়েই দিই…………….

          সফিক ভাই সমীপেষু- আপনার প্রশ্নের সূত্র ধরেই বলছি, ধর্ষণ আপনার কাছে আনন্দদায়ক কিনা সেই বিষয়টি আমার কাছে এখন প্রশ্ন হিসাবে দেখা দিল,,,,!! আনন্দ নয়; আমি বলব এই পোস্টটিতে আপনাদের মত অন্ধধর্মবিশ্বাসীদের প্রতি করুণা প্রকাশ পেয়েছে….। আর প্রকাশ পেয়েছে যাদের কাছে আপনারা সজ্ঞানে কিংবা অজ্ঞানে নিজেদের বেহেশতগামী করার টিকিটের দায়িত্ব দেন ; তাদের প্রতি ঘৃণা…..।

          আপনার জ্ঞাতার্থে বলে রাখি যে, “শান্তির ধর্মের” ধারক-বাহকরাই এখনো একুশ শতকের পৃথিবীতে মধ্যযুগীয় “ধর্মযুদ্ধ” টিকিয়ে রেখেছে………………। সারা বিশ্বে যুদ্ধ-বিগ্রহ লাগিয়ে রাখলেও উপমহাদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠত হয়েছে মরমী সাধকদের মাধ্যমে……………….. তাই হয়তো এখনো এদেশে পাথর ছুঁড়ে হত্যা করার প্রচলন নেই। একবার ভেবে দেখুন তো…., বাঙ্গালী সংস্কৃতি কতবড় শক্তিমান…!! যারা বাঙ্গালীর অস্তিত্ব আঘাত করেছে তারা হারিয়ে গেছে ইতিহাসের অতলে। তাই আস্তিকগন আজ অবধি কে সত্যিকারের মুসলিম আর কে মুসলিম না- এই দ্বন্দ্বে মেতে থাকে।

          [বি:দ্র : কোন পোস্ট প্রথমে নিরপেক্ষ দৃষ্টভঙ্গি নিয়ে পড়বেন। তারপর ঠিক করবেন আপনার অবস্থান। আশা করি সঠিক পথটি খুঁজে পাবেন। ভাল থাকবেন। পরশু আবার কথা হবে।]

          1. হুম… মেনে নিলাম আমরা
            হুম… মেনে নিলাম আমরা আস্তিকেরা হয়তো অনেকাংশেই দায়ী!

            তাতে কি প্রমান হয়? আমরা এখন সবাই নাস্তিক হয়ে গেলেই এই লোকগুলো আর ধর্ষণ করবে না?

            এই লোকগুলো ধর্ষণ করতেছে কারণ আস্তিকেরা তাদের (আসলে তাদের লেবাস’কে) সম্মান করে তাই? তাই যদি হতো তাহলে ধর্ষণ করার পর এই আমার মত আস্তিকেরাই তার মুখে থু থু দিতো না! কই এমন কোন আস্তিককে তো পাওয়া যায়নি যে দাবী করেছে- “যেহুতু সে হুজুর, সেহুতু তার জন্য ধর্ষণ জায়েজ!”
            তাহলে একজন হুজুরের জন্য আস্তিকদের ওপর সাম্প্রদায়িক আক্রমণ কেন?

            আমি যদি কাল একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়ে প্রমান করি যে একজন নাস্তিক কোন একটা অপকর্ম করেছে আর সেই ঘটনা ব্লগে লিখে যদি শিরোনামে এরকম একটা লাইন জুড়ে দেই- ” নাস্তিকগন কিছু কইবেন নাকি……?”
            তাহলে কি সেটা যুক্তিযুক্ত মনে হবে? জনাব “কালবৈশাখী ঝড়” সাহেব… মেনে নিবেন তো আমার কটাক্ষটা? একটুও প্রতিবাদ করবেন না তো এই কথা বলে যে-
            সকল নাস্তিকই এক রকম নয়“!!!

            নৈতিকতা বোধ থাকলে স্পষ্ট করে জবাব দিবেন আশা করি…
            (প্রশ্নটা শুধু কালবৈশাখী ঝড় কেই করার ইচ্ছা ছিল, এখন তারিক লিংকন ভাইকেও করতে বাধ্য হচ্ছি… সেই সাথে মন্তব্যের প্রথম অংশ “সোমেশ্বরী”কে উৎসর্গ করা হলো!)

          2. কোন নতুন যখন আসে তখন সমাজের
            কোন নতুন যখন আসে তখন সমাজের সকল বাধাকেই কৌশলে অতিক্রম করতে হয়!
            একইভাবে যুগে যুগে নেশাদ্রব্যের প্রচুর বিবর্তন হয়েছে কিছু কিছু আজও টিকে আছে!! তেলাপোকাও টিকে আছে এইটাই প্রমাণ করে টিকে থাকায় বড় কথা নয়!! মারিজুয়ানা-হিরুইন-কোকেন আরও কি কি জানি, সব কিছুকে ফেলে এখন আরও আধুনিক হয়েছে অফিয়াম সব… নাম নিয়েছে এলএসদি-ইয়াবা-আরও কতকি!
            সকল নেশা থেকে মানবতা একদিন মুক্তি পাবে এই আশায়…
            আর সমরনীতির কৌশল অনুযায়ী একটু টেক্টিক্স না খাটাইলেই নয়!!
            ভাল থাকবেন… শুভবুদ্ধি আর মানবতার জয় হোক

          3. তর্ক এড়ানোর সেই পুরোনো
            :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
            তর্ক এড়ানোর সেই পুরোনো কৌশল… তর্ক না করা!
            ক্যারি অন ব্রো! আপনার মন্তব্য পড়ে :মুগ্ধৈছি:

          4. মাফ করবেন! “ধর্ষণ আপনার কাছে
            মাফ করবেন! “ধর্ষণ আপনার কাছে আনন্দদায়ক কিনা” এটা আমার প্রশ্ন ছিল না মোটেই…
            আমি স্পষ্ট করে বলেছি- “আমার মনে হয়েছে, একটা সাত বছরের শিশু ধর্ষিত হওয়ায় আপনি যতটা না মর্মাহত তার চেয়ে বেশি আনন্দিত কারণ- ধর্ষক একটা মসজিদের ইমাম!
            আমার যথেষ্ট সন্দেহ হচ্ছে- ধর্ষক যদি বাই এনি চান্স কোন “স্বঘোষিত নাস্তিক” হতেন তাহলে আপনি আদৌ এই পোস্টটা ঠিক একই উচ্ছাস নিয়ে ব্লগে লিখতেন কিনা!”

            এটার জবাব দিলেই চলবে যে- কোন স্বঘোষিত নাস্তিক-এর নামে এরকম কোন কলঙ্কের খবর পাওয়া গেলে আপনি একই ভাবে ব্লগে তা লিখবেন কিনা অথবা নিচের মন্তব্যে যা বলেছি- আমি লিখলে আপনি সমর্থন করবেন কিনা?

          5. নাস্তিক কেউ ধর্ষন করলে সেটা
            নাস্তিক কেউ ধর্ষন করলে সেটা গুরুত্ব পাওয়ার চেয়ে একজন ইমাম ধর্ষন করলে অবশ্যই সেটা বেশি গুরুত্বপুর্ন। কারন, পৃথিবীর তাবত পাপকে নিয়ন্ত্রনের কথা বলে ধর্ম।
            আর আপনি প্রকৃত মুসলমানের যে তত্ত দিচ্ছিলেন, তা কিভাবে কার্যকর হবে? দোষটা যেমন আল্লামা শফির তেমনি ধর্মেরও। কারন ধর্মে নারীদের সম্পর্কে অত ভালো কিছু লেখেনি শফিরা যা বলে। আপনি বা আপনারা হয়েছেন মডারেট মুসলিম। প্রকৃত মুসলিম হলে পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে যাইতে পারে

          6. এই বিষয়ে পূর্বেও বিস্তর তর্ক
            এই বিষয়ে পূর্বেও বিস্তর তর্ক করেছি মিতু আপু! মনে আছে নিশ্চয়ই…
            যাকগে- শফি তত্ত্ব বা নারীদের সম্মান নিয়ে এই পোস্টে অন্তত তর্ক হচ্ছিলো না! ব্যাপারটা হচ্ছে দৃষ্টিভঙ্গীর…

            ইতিপূর্বে বহুবার বলা হয়েছে যে কিছু ধার্মিকের বেশ ধরা লোক আর ধর্ম ২টা কখনোই এক জিনিস না!
            তবু আপনি অন্তত একটা স্বীকারোক্তি দিলেনঃ “পাপকে নিয়ন্ত্রনের কথা বলে ধর্ম…”

            যাক! অন্তত এই একটা স্বীকারোক্তি প্রমান করে আর যাই হোক ধর্ম পাপকে উৎসাহিত করে না!
            অথচ এই পোস্টের লেখকের বক্তব্যের স্টাইল অনেকটা সেরকমই মীন করেছিল! তার বক্তব্য শুনে আমি (বা আমরা অনেকেই) কনফিউসড ছিলাম যে- ধর্ম বুঝি আস্তিকদের উৎসাহিত করে একটা ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করতে…!
            এটাই ছিল আপত্তির কারণ। নইলে “ধর্ষণ”কে আপনার চেয়ে আমরাও কম ঘৃণা করি না! সে হুজুরই হোক আর বারাক ওবামাই হোক… 😀

          7. সফিক ভাই, আপনিও মাফ
            সফিক ভাই, আপনিও মাফ করবেন………… বলুন তো দেখি আপনার পিতা যদি ধর্মের বিধান মেনে চারখানা বিবাহ করে তবে আপনি কি বলবেন…………??

          8. আপনি আমাকে একটা আয়াত দেখান
            আপনি আমাকে একটা আয়াত দেখান যেখানে ধর্ম “চার বিবাহ” করতে কাউকে উৎসাহিত করেছে! ইমোশনে আঘাত করার জন্য বাবাকে টেনে আনার দরকার নেই- নিখাঁদ যুক্তিই যথেষ্ট!
            সত্যি সত্যিই ছাগু না হয়ে থাকলে যৌক্তিক মন্তব্য করুন…

          9. “আর যদি তোমরা ভয় কর যে, এতীম
            “আর যদি তোমরা ভয় কর যে, এতীম মেয়েদের হক যথাথভাবে পুরণ করতে “পারবে না, তবে সেসব মেয়েদের মধ্যে থেকে যাদের ভাল লাগে তাদের বিয়ে করে নাও দুই, তিন, কিংবা চারটি পর্যন্ত। আর যদি এরূপ আশঙ্কা কর যে, তাদের মধ্যে ন্যায় সঙ্গত আচরণ বজায় রাখতে পারবে না, তবে, একটিই অথবা তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসীদেরকে; এতেই পক্ষপাতিত্বে জড়িত না হওয়ার অধিকতর সম্ভাবনা।” [৪) সূরা আন নিসা ( মদীনায় অবতীর্ণ ), আয়াত সংখাঃ ১৭৬/ আয়াত-০৩]

          10. হা হা হা… এথেকেই প্রমাণ হয়
            হা হা হা… এথেকেই প্রমাণ হয় যে আপনার জ্ঞান কোন লেবেলে আছে!
            চলুন এই আয়াত থেকেই সিদ্ধান্তে আসা যাক…
            এখানে স্পষ্ট করেই বলা হয়েছে যে- “… বিয়ে করে নাও, দুই, তিন, কিংবা চার পর্যন্ত। আর যদি এরূপ আশঙ্কা কর যে, তাদের মধ্যে ন্যায় সঙ্গত আচরন বজায় রাখতে পারবে না, তবে, একটিই…”

            জ্বি জনাব! “ন্যায় সঙ্গত আচরন বজায় রাখতে না পারলে কেবল একটিই
            ক্লিয়ার?

            বাংলাদেশে বৈধ ভাবেই মদ খাবার লাইসেন্স করা যায় কিংবা লাইসেন্সধারী পতিতার সাথে সহবাস করাতেও আইনত কোন বাঁধা নেই।
            তার মানে এই নয় যে বাংলাদেশের সংবিধান মদ খাওয়া এবং ব্যভিচার করাকে “উৎসাহিত” করে!
            “জায়েজ”, “হালাল” আর “ফরজ”-এর মধ্যে কিছু তফাৎ আছে! এই সহজ ব্যাপারটা কেউ না বুঝলে সেটা তার অজ্ঞতা। সেই অজ্ঞতায় শফি’র মত ব্যক্তিরা ঘৃণিত হয়। অথচ একই অজ্ঞতা নিয়ে আপনারা নিজেদের জ্ঞানী দাবি করেন…!
            বড়ই আজিব এক সিস্টেম!

          11. হাহ্‌ আমার পিতার যদি সামর্থ
            হাহ্‌ আমার পিতার যদি সামর্থ থাকে ধর্মের প্রতিটি শর্ত পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে মেনে ৪টা তো দূরে থাক আর একটাও বিবাহ করার তাহলে সে করে দেখাক না! বাস্তবতা হলো ১টা বিয়ে করেই উনি বিপাকে আছেন! ইসলাম মেনে চলতে রিতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে!

            আপনার সব উত্তরই কোরআনে আছে। শুধু একটু কষ্ট করে নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে পড়তে হবে… পড়ুন- তাহলেই সব জট খুলে যাবে। তবে শর্ত একটাই আধা-আধি পড়বেন না। একদমে পুরোটা পড়তে হবে। তাহলেই সুষম ব্যালেন্স চোখে পড়বে! নয়তো বিভ্রান্তি কিন্তু থেকেই যাবে…
            [একটা জলজ্যান্ত উদাহরণ তো তারিক ভাইয়ের কমেন্টের প্রতুত্তরেই দেখালাম!]

          12. সফিক ভাই, আপনাদের আলোচনা তো
            সফিক ভাই, আপনাদের আলোচনা তো ডালপালা মেলতে মেলতে আকাশ ছুঁয়ে ফেলছে!
            একটা ব্যাপার খেয়াল করুন, আমি বা আপনি নিজেকে মুসলমান হিসেবে পরিচয় দেই। অথচ মুসলমান হিসেবে আমাদের জ্ঞান সীমাবদ্ধ । ধর্মীয় আচার ব্যাবহার পালনের দিক দিয়েও আমরা পিছিয়ে। কিন্তু ধর্মানুভুতি আবার বেশ টনটনে।
            এভাবে আসলেই হবে না। নিজেকে শোধরাতে হবে আগে। তারপর আপনাকে দেখেই অন্যেরা ঠিক হবে। আপনার কথা শুনেই অন্যেরা ঠিক হবে। কোরআন কি শুধু পড়লেই হয়? এতোই সহজ?

          13. সেটাই… আমি সব সময়ই স্বীকার
            সেটাই… আমি সব সময়ই স্বীকার করি যে নাস্তিকেরা নাস্তিক হয় “আমার মত” কিছু বক ধার্মিকের ধর্মের নামে ভন্ডামী দেখে।
            আমি এটাও মেনে নিতে দ্বিধা করি না যে আমি ১০০% খাটি ধার্মিক নই।
            কিন্তু খারাপ লাগে যখন একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়ে প্রমান করার চেষ্টা করা হয় যে ধার্মিক মাত্রই চরিত্রহীন বা খারাপ!
            এই পোস্টে আমার নিজেরও মোটেই ধর্ম নিয়ে ক্যাচাল করার ইচ্ছা ছিল না। আমি একদম ১ম কমেন্টে স্পষ্ট করে কেবল একটা কথাই বলেছি- পুরো পোস্টটাই ঠিক আছে, শুধু শিরোনামে “আস্তিকগন কিছু কইবেন নাকি……?” এই একটা লাইন আপত্তিকর!
            এবং এটাও বলেছি যে- আমি যদি একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়ে দেখাতে পারি কোন একজন স্বঘোষিত নাস্তিক এরকম কোন অপকর্ম করেছে- তাহলেই কি আমি দাবি করতে পারি “সকল নাস্তিক চরিত্রহীন”???
            সেটা যেমন অযৌক্তিক হবে ঠিক একই ভাবে এটাও অযৌক্তিক হবে যদি কোন একটা মসজিদের ইমাম-এর একটা অপকর্মের জন্য সমস্ত আস্তিকগণের দিকে আঙ্গুল তোলা হয়…
            এটাই।

          14. সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণে
            সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণে উত্সাহিত করে কিনা জানিনা তবে ছয় বছরের শিশুকে বিবাহের নামে ধর্ষণ করাকে উত্সাহিত করে বৈকি………..

          15. মাফ করবেন… ধর্ম সম্পর্কে
            মাফ করবেন… ধর্ম সম্পর্কে আপনার এইসব উদ্ভট ধারনা শুনে স্বয়ং আপনাকেই আমার কাছে “ছাগু” মনে হচ্ছে!
            এই সব কথা কোথায় পান বলুন তো?
            আমার তো সন্দেহ হচ্ছে- সমালোচনা করার জন্য নয় বরং আসলেই কী আছে তা জানার জন্য জীবনে কোনদিন নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে কোরআন বা অন্য কোন ধর্মগ্রন্থ আপনি আদৌ পড়ে দেখেছেন কিনা!

          16. সারা বিশ্বে যুদ্ধ-বিগ্রহ

            সারা বিশ্বে যুদ্ধ-বিগ্রহ লাগিয়ে রাখলেও উপমহাদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠত হয়েছে মরমী সাধকদের মাধ্যমে.

            এই কথাটার জন্য কালবৈশাখীকে অজস্র গোলাপ… :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

            কথাটা খুব সত্য এবং আজকের যুগের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় এক সত্য :তালিয়া: :তালিয়া: , যেভাবে ছুপির গেলমানরা ধর্মটাকে রেজিস্ত্রি করা সম্পত্তি বানায়ে ফেলতেছে, কিছুদিন পরে ওরা ইসলামের নামে ধর্ষণকেও জায়েজ করে দিবে… ওদের এখনি জানাতে হবে যে, ইসলাম কোনদিন এইরকম লম্পট জানোয়ারদের রেজিস্ট্রিকৃত সম্পত্তি ছিল না :ক্ষেপছি: … আর কোনদিন হবেও না… :এখানেআয়: :এখানেআয়: :এখানেআয়:

          17. “ইসলাম কোনদিন এইরকম লম্পট
            “ইসলাম কোনদিন এইরকম লম্পট জানোয়ারদের রেজিস্ট্রিকৃত সম্পত্তি ছিল না … :ক্ষেপছি: আর কোনদিন হবেও না…”

            সেটাই। :থাম্বসআপ:

  9. শিরোনামে “আস্তিকগণ” শব্দের
    শিরোনামে “আস্তিকগণ” শব্দের পরিপ্রেক্ষিতে “মুসলমানগণ” ব্যবহার করা উচিৎ ছিল :মাথানষ্ট:

    নির্দিষ্ট একটি ধর্মের বিদ্বেষ হয়ে গেছে! স্বচ্ছ মানের নাস্তিকতা হয় নাই :জলদিকর:

    1. কি বলতে কি বললেন?
      “মুসলমানগণ”

      কি বলতে কি বললেন?
      “মুসলমানগণ” বললেই বরং স্পেসিফিকলি “ইসলাম” ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ পোষন করা হতো! “আস্তিকগণ” বলেই বরং সকল ঈশ্বর বিশ্বাসীদের দিকে আঙ্গুল তোলা হয়েছে…

      আর আমি বরাবরই কোন ব্যক্তির জন্য পুরো একটা গোষ্ঠীর দিকে আঙ্গুল তোলাটা অপছন্দ করি!
      পলাশীর মির মদন বা মোহন লাল এর মত দেশ প্রেমিক এবং মীর জাফর-এর মত বিশ্বাস ঘাতক- সবাই কিন্তু একই জাতি ছিল…! কিংবা একাত্তরের বীর শ্রেষ্ঠরা যে জাতির সন্তান রাজাকারেরাও সেই একই জাতির সন্তান!
      কাজেই বাঙ্গালী জাতিকে একই সাথে বীরের জাতি যেমন বলা যায় আবার বিশ্বাস ঘাতক রাজাকারের জাতিও বলা যায়!
      আমরা একটা জাতিকে জাতিগত ভাবে বিশেষণ দিতে চাইলে ভালো উদাহরনগুওলোই বিবেচনা করি সব সময়, খারাপগুলো নয়!
      এটা মাথায় রাখা উচিৎ…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *