আমাদের মেধাশূন্য পাঠ্যবই

বাংলাদেশে যাঁরা পাঠ্যবই লিখছেন তাঁরা প্রকৃতপক্ষে প্রতিভাশূন্যতায় ভুগছেন। তাই বইগুলোও হচ্ছে রুগ্ন। এর প্রথম উদাহরণ হিসেবে আসবে গাজী আজমলের প্রানীবিজ্ঞান বইটি। এই বইটি যে মৌলবাদিদের বই তা বইয়ের ভূমিকা দেখলেই স্পষ্ট করে বুঝা যায়। লেখক যেভাবে পেরেছেন সেখানেই গোপণ অভিসন্ধি প্রমাণ করতে চেয়েছেন অবৈজ্ঞানিকভাবে । উনি বেশ কিছু জায়গায় বিবর্তনবাদের বিরুদ্ধে বেশ অবৈজ্ঞানিক কথা বলেছেন যেটাকে আমি অন্যায় বলে মনে করি কারণ উনি কোন সুযোগ্য তত্ত্ব তুলে ধরেন নি । আমার হাতের কাছে বইটা নেই তাই ধরিয়ে ধরিয়ে দেখাতে পারছি না। উনি যে আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে ইচ্ছে করে অপরিচিত হতে চাচ্ছেন সেটা ওনার নিজের জন্যে ক্ষতির হলে সমস্যা ছিল না, সমস্যাটা ছাত্রছাত্রীদের জন্যে। তাঁরা লেখকের কথাকেই যুক্তি হিসেবে নিবে। এটা ভয়াবহ হতে পারে। তাছাড়া উনি আমার চেয়ে ইভ্যুওলিউশ কম পড়েছেন, অথবা পড়লেই বুঝে উঠতে পারেন নি, আত্মস্ত করার কথা বাদই দিলাম।

উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞানের বইগুলোতে লেখকের মৌলিক বিশ্লেষন এবং মননশীলতার খুবই অভাব। এ বই পড়ে পদার্থবিজ্ঞানকে ভালবাসা যায় না। রেসনিক, হ্যালিডে, ওয়েকারের ফান্ডামেন্টাল অফ ফিজিক্স পড়লে গিলে গিলে খেতে মনে চায়, আকন্ঠ পান করতে মনে চায় পদার্থবিদ্যা। কি সুন্দর ভাষ্য ! কি গভীর প্রকাশ ! কি আকর্ষনীয়ভাবে বিষয়ের উপস্থাপণ ! অথচ আমাদের বইয়ে এরকম কোন কৌশল নেই। যান্ত্রিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে জিনিসগুলো, লেখক দায়িত্ব নিয়ে বিশ্লেষন করার প্রয়োজন মনে করেন নি। এদিক থেকে ভাল করেছেন মোহাম্মদ ইসহাক এবং ডঃ আমির হোসেন খান। তাঁরা বেশ কিছু বর্ণণা নিজস্ব আগ্রহ নিয়ে করেছেন শিক্ষকের মত। কিছু কথা এদিকে বলা প্রয়োজন, একটা বই কি দায়সারাভাবে লিখে ফেললেই হলো? একটা আর্টিটেকচারিং মত গাণিতিক কাজেও নিজস্ব মণণশীলতার প্রকাশ ঘটে, এবং সেটা যেকোন সৃষ্টিতেই প্রকাশ পায়। বিজ্ঞানের পাঠ্যবই দেখে সমস্ত মণণশীলতা ও মৌলিক বিশ্লেষন বাদ দিতে হবে ? এটা কেমন কথা ! একটা পাঠ্যবই যখন তৈরী করা হয় সেখানে থাকতে হয় আপত্য স্নেহ, বিজ্ঞানের প্রতি শ্রদ্ধা ও মৌলিক বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষন। আমি বলছিনা স্টিফেন হকিং এর মত নিজের মত করে বই লিখতে হবে, অথবা লিখতে হবে জাফর ইকবালের মত কিংবা অভিজিৎ রায়ের মত, রিচার্ড ডকিন্সের, কার্ল স্যাগানের মত। মূল ব্যাপারটা হচ্ছে পাঠ্যবইও আকর্ষনীয় করে করা যায়। আমি বুঝি না উচ্চ মাধ্যমিক পড়ে কেন একটা বিজ্ঞানের ছাত্র ভেক্টটরটা ভালবাসবে না, থিওরি অফ রিলেটিভিটি নিয়ে ভাববে না। পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র একদম শেষের পরিচ্ছেদটা ছিল আপেক্ষিকতা নিয়ে। গতিসূত্রের অধ্যায়গুলো যেভাবে লিখা হয়েছে সেটা লিখা হয়েছে একই যান্ত্রিকভাবে। ছাত্রছাত্রিরা পড়ে যায় কিন্তু ভাবে না । কারন সেখানে ভাবার জন্যে কিছু রাখে নি। ভাবনার কোন উপাদান যোগ করে নি। আপেক্ষিকতা যে যথেষ্ট ভাবনার বিষয় সেটার ধারণাও পাওয়া যায় না অধ্যায়ের ভাষ্যটুকু পড়ে। মনে হয়, এ আর এমন কি ! আলোর গতির চেয়ে আর কিছুর গতি বেশি হতে পারবে না, এই তো !
অতি সাধারণভাবে উপস্থাপণ। সরল ছন্দিত স্পন্দনের যে একটা অধ্যার ছিল (ছিল বলছি এই কারণে যে এবার সৃজনশীল পদ্ধতির বইয়ে কয়েকটা অধ্যায়কে একত্র করে ফেলা হয়েছে) সেটা যে অত্যন্ত মজাদার একটা বিষয় তা ধারণাতেও আসে না। সেটা ভালমত বুঝলে যে জগতটা অনেক বেশি সহজ হয়ে যায় সেটাও ধারণাতে আসে না। তাপের অধ্যায়ে এন্ট্রপি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে গাল চুলকোতে চুলকোতে যাতে একটা বিকৃত ধারণা জন্মে। পদার্থবিজ্ঞানে যে গণিতগুলো সমাধান করতে বলা হয়েছিল সেগুলোতে একটু আত্মস্ত করা জ্ঞান নিয়ে ভাবতে হয় না। যান্ত্রিকভাবে কয়েকটা সূত্র বসিয়ে দিলেই হলো। গতিসূত্র থেকে যে কত মজার মজার গণিত প্রশ্ন করা সম্ভব যা পদার্থবিজ্ঞানকে ভাল লাগাতে সাহায্য করবে সেটা তাঁরা ভেবে দেখেন না। ভেক্টর থেকে যে গণিত সমস্যা দেয়া হয় টা একটা ক্লাস ফাইভে পড়ুয়া বাচ্চা সমাধান করতে পারবে ভেক্টর না বুঝেই। ভেক্টরের ডট গুণণ যে উপলব্ধি করার প্রয়োজন আছে তা পাঠ্যপুস্তক নির্মাতারা উপলব্ধি করতে পারেন নি। বিদ্যুতের অধ্যারগুলোর শোচনীয় অবস্থা। ওনারা মূলত হ্যালিডে থেকে অনেক কিছু নকল করেছেন কিন্তু কৌশলটা রপ্ত করতে পারেন নি।

রসায়নের বইগুলোর কথা নাই বা বললাম। দ্বিতীয়পত্রের কথা বাদ দেই। প্রথম পত্রের সবগুলো অধ্যায়গুলো তো বুঝার, হৃদয় দিয়ে আত্মস্ত করার, এই সাহায্যটাই বইগুলো করে? পাঠ্যবইয়ের বিজ্ঞান উপস্থাপণভঙ্গি বিজ্ঞানের প্রতি আরো বিতৃষ্ণার উদ্রেক করে। উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্রছাত্রিগুলো এইচএসসি দিয়ে রসায়নের প্রতি সম্মান নিয়ে অন্তত বের হতে পারে না। এটার জন্যে রসায়নের নিজস্ব কিছু দোষও রয়েছে কিন্তু সেটা হতে পারে দ্বিতীয়পত্রে।

আমাদের দেশে পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সবচেয়ে অবিকশিত বই হচ্ছে গণিতের বই। পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞানও একটু রাত জেগে কষ্ট করে নিজে নিজে বুঝা সম্ভব। কিন্তু গণিতের বইগুলো এমনভাবে রচনা করা হয়েছে যে তা অন্যকারো সাহায্য ছাড়া একটা চ্যাপ্টারও করা সম্ভব না। অথচ এটা খুব সহজেই করা যেত। জ্যামিতিতে কণিকের অধ্যায়গুলো পড়লে উপবৃত্ত, অধিবৃত্ত সম্পর্কে খুব একটা ভাল ধারণা পাওয়া যায় না, ধারণাগুলো আলাদাভাবে খুব আন্তরিকভাবে শিক্ষকরাও দেন না। কণিকের প্রতি একটা বিকলাঙ্গ ধারণা নিয়ে বের হওয়া লাগে। একটা জিনিষও এমনভাবে সংজ্ঞায়িত করা নেই যে যাতে ছাত্রছাত্রীরা কল্পনার জিনিষগুলো ধরতে ছুঁতে পারে। এজন্যা বাংলাদেশের ছাত্ররা দ্রুত উত্তর মেলাতে পারে কিন্তু বাস্তব সমস্যাগুলো গণিতের ছায়াতলে আনতে পারে না কিংবা আনতে বেগ পেতে হয়। ক্যালকুলাস না শিখিয়ে খুব দ্রুত ক্যালকুলাসের নিয়ম শেখানো হয়। লম্ব আর অতিভুজের অনুপাত সাইন থিটা সেটা জানি কিন্তু কেন সেটা সাইন থিটা দিয়ে প্রকাশ করার প্রয়োজনীয়তা এল সেটা জানা যায় না। মূলত কোন কোন সমস্যা সমাধানের জন্য সাইন, কসের মত ধারণাগুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গিয়েছিল তা অনুভব করা যায় না। ছাত্রছাত্রীদের তো ইতিহাস জানানো দরকার নেই, বিষয়ের জ্ঞানটা উপলব্ধি করানো জরুরী।

বাংলা দ্বিতীয়পত্রের লেখকরা হুমায়ূন আজাদের ভাষা বিজ্ঞানের বইটাও পড়েন নি তাই কিছু শিখতে পারে নি। মৌলিকভাবে ভাবনার প্রয়াস তো আমরা হারিয়ে ফেলেছি হাজার হাজার বছর ধরেই। বারো বছর ধরে বাংলা ব্যাকরণ পড়ার পড়েও বিশেষ্য বিশেষণ আলাদা করতে পারে না অনেকেই। কারণ ভাষা নিয়ে যে চিন্তা করা যায় এই ধারণাও আসে না পাঠ্যবইগুলো পড়ে। ধ্বনিতত্ত্ব যে গবেষণা করা যায় রুমে বসেই সেটাও অজানা থাকে। আরো আছে ভুল ব্যাকরণ। বাংলা প্রথম পত্রে কবিতা এবং গল্প বাছাইও অত্যন্ত নিম্ন মানের। তাঁদের রুচি নিয়ে আমার প্রশ্ন জাগে। অনেক আধুনিক গল্প কবিতা পাঠ্য বইয়ে আনা সম্ভব। সাহিত্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার প্রবণতা পাঠ্য বই প্রণেতারা উপলব্ধি করতে পারেন না। বাংলা এবং ইংরেজির ক্ষেত্রে মূলত শিশুতোষ ভঙ্গিই একটু একটু করে সাইজে বড় হয়েছে ক্লাসক্রমে। বাংলা ইংরেজি বইয়ের মান বাড়ানোর চিন্তা কারো নেই ! সৃজনশীল পদ্ধতিতে মান বাড়েনি, একটু পরিবর্তন হয়েছে। নতুন একটা বিষয় আনতে গিয়ে বইগুলো ছোট করা হয়েছে। পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রে বাদ পরে গেছে গুরুত্বপূর্ণ করেকটা বিষয়। তাপের অধ্যায়গুলোতে ছেলেখেলার মত বিষয় উপস্থাপণ করা হয়েছে। ভেক্টর অধ্যায়ে বাদ গেছে উপাংশ নির্ণয়ের মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় (শাহজাহান তপন)।

এবার আমি একটু আমার কথা বলি। আমি ব্যাক্তগতভাবে ছোটবেলা থেকে নিজ থেকে পাঠ্যবই পড়ে ধারণা পরিস্কার করতে চেষ্টা করেছি। অনেক ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হয়েছি। তখন মনে হত আমার ব্রেইন ভাল না এজন্যে বুঝতে সমস্যা হচ্ছে। এখন দেখছি বইয়ের ভাষ্যেই হাজারো সমস্যা, বর্ণণাভঙ্গিতেও কোন স্বীয় কৌশল নেই, লেখকের নিজস্ব কোন ভাবনা না থাকলে পাঠক কখনো সে বই পড়ে ভাবা শেখে না। প্রায় প্রত্যেকটা ছাত্রছাত্রীই নিজে নিজে বুঝার একটা মনমানসিকতা নিয়ে বইটা খুলে আর হতাশ হয়ে বন্ধ করে। মাঝখানে নষ্ট হয় আত্মবিশ্বাস; আসে পরনির্ভরতা। সবচেয়ে বড় কথা স্কুল কলেজের বাইরেই বা কেন একটা ছাত্রকে আলাদাভাবে পড়তে হবে? শিক্ষকদের কি কোন সততা নেই তাঁর কাজের প্রতি ? ঠিক এই প্রশ্নটি বহুমাত্রিকভাবে ভাবার দাবি রাখে। এই প্রশ্নের সাধারণভাবে উত্তর করার স্পর্ধা আমার নেই। এর পেছনে কাজ করে শত সহস্র উপাদান। কারন আমরা বাংলাদেশের মত দরিদ্র্য একটা দেশে জন্ম।

আমার এই ব্লগ পোস্টে কিছুই হবে না শিক্ষাব্যাবস্থার কিংবা পাঠ্যবইয়ের। আরো অনেক কথা বলা যেতে পারত কিন্তু আমাদের বইগুলোর পদ্ধতিগত ত্রুটি এত বেশি যে বলে শেষ করা যায় না। বাংলা প্রথম পত্র আর ইংরেজি ব্যাকরণ নিয়ে তো আলোকপাতই করা হলো না। পাঠ্যবইটার গুরুত্ব এ জন্যেই দিচ্ছি কিছু কিছু অসহায়েরা নিজে নিজে একটু বুঝতে চায়, একটু স্বশিক্ষিত হতে চায়, এর সংখ্যা অনেক এদেশে। তাদের হতাশ করার কোন অধিকার কারো নেই। হ্যালিডের পদার্থবিজ্ঞান আমি পড়লাম অনার্সে, সেরকম একটা বই যদি ক্লাস টেইনের কিশোরও পড়ত তাহলে বিজ্ঞানের সূক্ষাতিসূক্ষ ধারণাগুলো পরিস্কার হয়ে যেত কারন সেখানের লেখকরা একটা পাঠ্যবই লিখতেও সাধণা গবেষনা করে যেটা আমাদের দেশ কিয়দাংশে পেয়েছে।

৫০ thoughts on “আমাদের মেধাশূন্য পাঠ্যবই

  1. চমৎকার লিখেছেন। এখন দৌড়ের উপর
    চমৎকার লিখেছেন। এখন দৌড়ের উপর আছি। পরে আবার মন্তব্যে আলোচনা করব। আপনাকে ফিরে পেয়ে ভালো লাগছে। ফিরেই এমন একটা পোস্ট দিলেন। দারুন কাম ব্যাক। পোস্টটি স্টিকি করার অনুরোধ জানাচ্ছি (যদি অন্য কোথাও প্রকাশিত না হয়ে থাকে)।

  2. লাখের কাছাকাছি এ+ আসছে। কয়দিন
    লাখের কাছাকাছি এ+ আসছে। কয়দিন পর মনে হয় পাশের হারও ১০০% হয়ে যাবে। তারপরও আপনাদের মন ভরে না? এত এত বুঝে কী হবে? পোলপাইন এ+ পাচ্ছে না? পাচ্ছে তো! তারপরও আবার এত গ্যাজান কেন? আপনাদের মত পাবলিকের জন্যই দেশ আগাতে পারে না। সবখানে ক্যাচাল বাধাবে। এইসব বোঝাবুঝি বাদ দেন। ঠাডায়া মুখস্ত করেন, আণ্ডাবাচ্চাদের মুখস্ত করতে বলেন। এ+ বাপ বাপ করে আসবে।

    1. করণীয় একটাই এটা নিয়ে কথা বলতে
      করণীয় একটাই এটা নিয়ে কথা বলতে হবে, চাপ দিতে হবে। তারা যে নিজেরা নিজেরা বুঝে নিবে বাংলাদেশে এটা আশা করাও অন্যায়।

  3. আমি ব্যাক্তগতভাবে ছোটবেলা

    আমি ব্যাক্তগতভাবে ছোটবেলা থেকে নিজ থেকে পাঠ্যবই পড়ে ধারণা পরিস্কার করতে চেষ্টা করেছি। অনেক ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হয়েছি। তখন মনে হত আমার ব্রেইন ভাল না এজন্যে বুঝতে সমস্যা হচ্ছে। এখন দেখছি বইয়ের ভাষ্যেই হাজারো সমস্যা, বর্ণণাভঙ্গিতেও কোন স্বীয় কৌশল নেই, লেখকের নিজস্ব কোন ভাবনা না থাকলে পাঠক কখনো সে বই পড়ে ভাবা শেখে না। প্রায় প্রত্যেকটা ছাত্রছাত্রীই নিজে নিজে বুঝার একটা মনমানসিকতা নিয়ে বইটা খুলে আর হতাশ হয়ে বন্ধ করে। মাঝখানে নষ্ট হয় আত্মবিশ্বাস আর পরনির্ভরতা।

    কথা সত্য! তবে শুধু বই পাল্টালেই কি হবে? আমার মনে হয় শিক্ষকদের ট্রেনিং দেয়া বরং বেশী দরকার যেন তারা পাঠ্য বিষয়টিকে সহজভাবে শিক্ষার্থীদের মাঝে উপস্থাপন করতে পারেন।

    আপনার ধারনা আছে কিনা জানি না টেক্সট বুক নিয়েও কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, রাজনৈতিক দলাদলি আছে। ব্যাপারটা আমি আমার এক বন্ধুর বাবার কাছ থেকে জেনেছি। খুবই হতাশা জনক পরিস্থিতি। অনেক ভালো লেখক আছেন যারা এসব ঝামেলার কারনে খুব বেশী এগুতে পারেন নি।

    1. জ্বী আপনি যা বলেছেন সেটাও
      জ্বী আপনি যা বলেছেন সেটাও সত্য। শিক্ষকদেরও সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতা দরকার। আর আমলাতান্ত্রিক জটিলতা তো বাংলাদেশের সব জায়গায়। শিক্ষা ক্ষেত্রও ছাড় পায়নি এটা থেকে।

  4. খুব ভালো বিশ্লেষণ। প্রতি বছরই
    খুব ভালো বিশ্লেষণ। প্রতি বছরই এ প্লাসের সংখ্যা বাড়ে কিন্তু এদের মধ্যে কতজন সত্যিকার জ্ঞান পায়!!!! নিজ তাগিদ ছাড়া শুধু এই সমস্ত পাঠ্যপুস্তক পড়ে কোন জ্ঞান পাওয়া সম্ভব না।

    অফ টফিক – ভাই আপনি সব সময় হুমায়ুন আজাদ এর নাম ভুল করেন কেন?! হুমায়ূন নয়, হুমায়ুন। :কানতেছি:

  5. গাজি’কে অনেকদিন পর ইস্টিশনে
    গাজি’কে অনেকদিন পর ইস্টিশনে পেয়ে ভালো লাগছে! “ওয়েলকাম ব্যাক” আর কতবার বলব? 😛

    চমৎকার একটা বিষয় নিয়ে লেখা পোস্ট। মোবাইল থেকে লেখার কারণে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত বানান ভুল থাকলেও পড়তে সমস্যা হয়নি!
    পাঠ্য বইগুলোর যেসব ত্রুটির কথা বলা তার সাথে আমি ১০০% একমত। পড়ালেখার প্রতি ছাত্রদের অনিহা এবং ভিতি সৃষ্টির অন্যতম একটা কারণ এই বোরিং পাঠ্যবই আর শিক্ষকদের প্রাগৈতিহাসিক পাঠ দান ব্যবস্থা!
    কলেজে আমাদের একজন (বাংলা) শিক্ষক বলেছিলেনঃ শিক্ষকের দায়িত্ব ছাত্রকে শেখানো নয়! শিক্ষকের দায়িত্ব হচ্ছে শেখার পরিবেশ তৈরী করা। শেখার প্রতি ছাত্রদের আগ্রহ তৈরী করা। শিখে নেয়াটা ছাত্রদের নিজের দায়িত্ব আর তারা সেটা করবে আনন্দের সাথে নিজ উদ্যোগে…
    কথাটা পাঠ্য বইয়ের ব্যপারেও চরম ভাবে সত্য হলেও চরমভাবেই অবহেলিত!

    আমার মনে আছে- ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় ৪র্থ ও ৫ম পর্বের তিনটা বিষয়ে কোন ভাল রেফারেন্স বই ছিল না। বড় ভাইদের করা ভাসা ভাসা তথ্য ও ভুল-ভালে ভরা কিছু নোটই ছিল ভরসা। বছরের পর বছর সেভাবেই চলে আসছিল অথচ আমাদের স্যারদের কোন মাথা ব্যথাই ছিলো না বিষয়টা নিয়ে! আমি নিজ উদ্যোগে ৪র্থ ও ৫ম পর্বের ছাত্রাবস্থায় (২০০৮ সালে) নিজ ক্লাসের বই (আসলে ছাপার হরফে গোছানো নোট!) লিখি!!! খুব একটা সিরিয়াসলি যে লিখেছি তাও না, মূলতঃ নিজের জন্যই লিখেছিলাম… অথচ, আমার সেই নোট এখনও আমার কলেজে পাঠ্য বই(!) হিসেবে পড়ানো হচ্ছে! এখনো অনেক ছাত্র আমার সেই নোটের ফুটনোটে দেয়া মোবাইল নাম্বারে ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করে- ভাইয়া, মূল নোটের কপিটা কোথায় পাওয়া যাবে?
    আমি অবাক হয়ে যাই- একটা ছাত্র হিসেবে আমি জাস্ট কয়েকটা রেফারেন্স বই ঘেটে এমন কিছু টপিক জোগাড় করেছিলাম যা সম্পর্কে আমার নিজেরই কোন পূর্ব ধারণা নেই! অথচ সেই (নিম্ন মানের) নোটই আজ ৪/৫ বছর ধরে চলে আসছে, তবু নতুন করে কেউ সেটাকে একটু ঘষা মাজা করার প্রয়োজন পর্যন্ত মনে করেনি!

    এই প্রসঙ্গে কলেজের আরেক শিক্ষক বলেছিলেনঃ আমাদের দেশে (বিশেষ করে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কারিকুলামে) যে সব বই লেখা হয় তাকে কোন বই বলে নাকি? ৩/৪টা ইংরেজি বই থেকে হুবহু কপি পেস্ট করে একটা বাংলা সংস্করণ করা হয়। কী লিখলো লেখক নিজেও ভালো করে বোঝে না! তুই যা লিখেছিস কোন স্যার লিখলেও এগুলোই লিখতো… এরচেয়ে ভালো কিছু লিখতো ভেবেছিস? কার এতো সময় আছে রাত-দিন স্টাডি করে একটা বই লেখার? তার চেয়ে চলছে চলুক…!

    আমারও এখন এরকমই মনে হয়। নীতি নির্ধারকরা বা পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের হর্তা-কর্তারা মনে করেন- “চলছে চলুক…!”
    :ভাঙামন: :ঘুমপাইতেছে:

    1. খালি বলে বানান ভুল করি। কেউ
      খালি বলে বানান ভুল করি। কেউ আলাদা করে শব্দগুলো ধরিয়ে দেয় না যাতে দ্রুত পরিবর্তন করতে পারি। 🙁 ধন্যবাদ আপনাকে।

      1. আচ্ছা দিচ্ছি-
        ১ম প্যারা ৪র্থ

        আচ্ছা দিচ্ছি-
        ১ম প্যারা ৪র্থ লাইনে- গোপণ (ন)
        ২য় প্যারার- উপস্থাপণ, মণণ (ন)
        ৬ষ্ঠ প্যারায়- পরিস্কার (ষ্ক), বর্ণণা (ন), দরিদ্র্য (দ্র)
        ৭ম প্যারায়- সূক্ষাতিসূক্ষ (ক্ষ্ম)…
        :হয়রান: :হয়রান: :হয়রান: :ক্লান্তকাছিম:
        আরো আছে… এখন :ঘুমপাইতেছে: পরে বলমুনে… 😛

          1. দুঃখজনক কিংবা অবিশ্বাস্য হলেও
            দুঃখজনক কিংবা অবিশ্বাস্য হলেও এটা সত্য! পলিটেকনিকের ৪র্থ ও ৫ম পর্বে এখনও একজন সমসাময়িক ব্যাচের ছাত্রের নোট পাঠ্য বই হিসেবে পড়ানো হয়!

  6. ব্যাপারটা শুধু যে উচ্চ
    ব্যাপারটা শুধু যে উচ্চ মাধ্যমিক বই গুলোতে ঘটছে তাই নয়। অপস্বাংস্কৃতি ও ঢুকে যাচ্ছে আজকের বই গুলোতে। ক্লাস কিক্স কি সেভেনের সারীরিক শিক্ষা বই গুলো অতিমাত্রা এতো এডাল্ট কিছু চাপিয়ে দিচ্ছে যে এখন অভিবাবকরা এই বই গুলো পড়াতে গেলেই হচকচিয়ে যায়।

    1. সহমত দগ্ধ সময় … কমেন্টটা
      সহমত দগ্ধ সময় … কমেন্টটা থেকেই বোটকা গন্ধ আসতেছে :হাসি: 😀 😀 … সবখানে ছাগু, কই যে যামু… :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

  7. সুন্দর করে খুব গুরুত্বপূর্ণ
    সুন্দর করে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় ব্যাখ্যা করবার জন্য গাজী সাবরে অসংখ্য ধন্যবাদ :গোলাপ: :গোলাপ: :ফুল: :ফুল: … এতো গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টা নিয়ে কোন উচ্চবাচ্য হয় না দেখে খুব কষ্ট লাগে :ভাঙামন: :ভাঙামন: … তখন নিজেরে সান্তনা দেই, সব সম্ভবের এই দেশে এ আর অসম্ভব কি?? :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

    1. ঠিক বলেছেন। এ বিষয়টা নিয়ে
      ঠিক বলেছেন। এ বিষয়টা নিয়ে আমাদের একদম কথা উঠে না অথচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ধন্যবাদ আপনাকে।

  8. গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় নিয়ে
    গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় নিয়ে আলোচনা তুলেছেন এজন্য ধন্যবাদ। আপনার পোশটের একটা অংশ নিয়ে প্রশ্ন ছিল আপনি ইসহাক স্যারের বইয়ের সমর্থনে বলেছেন কিন্তু কিছু কলেজ এই বইটাকে বেশি জটিল বলে এড়িয়ে যেতে বলছে। আর শাহজাহান তপন স্যারের বই তো এবার বোর্ড থেকে অনুমোদন পায়নি। ওনার বইয়ের ত্রুটির কারণে খুব সম্ভবত এইবইটিকে অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

    1. অথচ ইসহাক স্যারের বইটাই
      অথচ ইসহাক স্যারের বইটাই সবচেয়ে ভাল ছিল । তাই দেখা যেত এডমিশন টেস্টে ইসহাক স্যারের বইটাতে বেশি গুরুত্ব দেয়া হতো কারণ সেখানে বেসিক ছিল।

  9. আমার ছোটবোন প্রাথমিক বিদ্যালয়
    আমার ছোটবোন প্রাথমিক বিদ্যালয় এর শিক্ষক। আমি ছুটিতে বাড়িতে গিয়ে ওর স্কুলে গিয়ে ক্লাস নিয়েছি, বিভিন্ন ক্লাসের বই গুলো দেখেছি। আমি অন্তত এটুকু বলতে পারি পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত যে সিলেবাস করা হয়েছে তা যদি শিক্ষকরা ঠিক ভাবে পড়াতে পারেন তাহলে তা যথেষ্ট ভাল। অনেক আধুনিক এবং একদম মৌলিক তথ্য সংযোজন করা হয়েছে। খারাপ বলার সুযোগ নাই বলেই আমি মনে করি।

    তবে মাধ্যমিকের যে কি অবস্থা সেটা বলতে পারব না।

    সবচেয়ে খারাপ অবস্থা মনে উচ্চমাধ্যমিকে। এত রসকষ হীন পড়া মনে হয় আর কোন ধাপে নাই। অন্তুত বিজ্ঞান বিভাগের ক্ষেত্রে কথাটা খাটে। উচ্চতর পড়াশোনার ক্ষেত্রে এই ধাপ টা একদমই নড়বরে।

    অন্য সব সাবজেক্ট বাদ দিলাম, গণিত যে আমাদের বাস্তব জীবনে কি কাজে লাগে এ আমি আজতক বুঝতে পারলাম না। অথচ টানা দশ বছর শিক্ষা জীবনে সবারই গণিত করতে হয়।

    সরি, আপনার গুরত্বপূর্ণ পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

    1. “গণিত যে আমাদের বাস্তব জীবনে
      “গণিত যে আমাদের বাস্তব জীবনে কি কাজে লাগে এ আমি আজতক বুঝতে পারলাম না। অথচ টানা দশ বছর শিক্ষা জীবনে সবারই গণিত করতে হয়।”
      দারুন বলেছেন!

      আমি জীবনে প্রথম কলেজ লাইফে গণিত শিক্ষক আব্দুর রহমান স্যারের কাছে শিখেছিলাম- গণিত কিভাবে পড়াতে হয়! কত মজার একটা সাব্জেক্টই না এই গণিত। অথচ শুধুমাত্র পাঠ দানের স্টাইলের কারণে এদেশের বেশীর ভাগ ছাত্রের জন্যই গণিত একটা ভিতির নাম!!!

    2. মাধ্যমিকের অবস্থা মোটামুটি।
      মাধ্যমিকের অবস্থা মোটামুটি। পড়া যায়। উচ্চ মাধ্যমিকটা আসলেই একটু বেঠিক। ধন্যবাদ আপনাকে।

    3. অবশেষে কিরণ ভাই আশার আলো
      অবশেষে কিরণ ভাই আশার আলো দেখালেন!!
      গাজি ভাই অনবদ্য বিশ্লেষণ।। কিন্তু একটা খটকা লাগে প্রথমেই…
      যখন কেউ রাষ্ট্রীয় কোন প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থার সমালোচনার শুরুতে এমন একটা বাক্য লিখে তখনই তার গ্রহণযোগ্যতা অনেকাংশেই কমে যায়!!

      “বাংলাদেশে যাঁরা পাঠ্যবই লিখছেন তাঁরা প্রকৃতপক্ষে প্রতিভাশূন্যতায় ভুগছেন। তাই বইগুলোও হচ্ছে রুগ্ন। এর প্রথম উদাহরণ হিসেবে আসবে গাজী আজমলের প্রানীবিজ্ঞান বইটি। “

      আমাদের প্রাথমিক-মাধ্যমিকের অবস্থা বেশ ভাল এখন! আরও অনেক অনেক উন্নতির সুযোগ আছে, আর তা সবসময়ই থেকে যায়!! আর উচ্চমাধ্যমিক বা তদূর্ধ্ব শ্রেণীর ক্ষেত্রে যথেষ্ট গঠনমূলক আপনার সমালোচনা। আমার অনুরোধ থাকবে যখন এমন কোন বিষয়ে আপনি সমালোচনা করবেন তখন খেয়াল রাখবেন যেন আপনার লিখা পড়ে কেউ আঘাত না পায়!!
      আজমল স্যারের বইয়ে সমস্যা আছে, তবে আপনাকে তাঁর খারাপ দিকগুলো সুনির্দিষ্ট করে ফুটিয়ে তুলতে হবে এমন একচেটিয়া বক্তব্য অন্তত এই লেভেলেও গ্রহণযোগ্য হয় না!!
      আপনার শেষ প্যারায় আপনার লিখার যে আকুতি তা প্রথম প্যারায় খারিজ হয়ে যায়…

      একটাই কথা বলতে চাচ্ছি কারও লিখা যদি নাস্তিককে আরও নাস্তিক করে আর আস্তিককে চাপাতি নিয়ে তেড়ে আসতে উস্কানি দেয় তবে তা কল্যাণকর কোন লিখা হল না।।

      গাজি ভাই, আক্রমন নয় কৌশলে ক্রান্তিকালের করনীয় তুলে ধরুন তাতে দেশ ও জাতির মঙ্গল হবে।। আচরণবিধি লঙ্ঘন করে শুরু করলে কেউ এমনিতেই আমলে নিবে না…
      কেননা ছোট বাচ্চাকে স্কুলে পাঠাতে হলে এখন প্রথমে একটা প্লে-গ্রুপও রাখতে হয়…
      ভাল থাকবেন… চমৎকার পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ!

  10. আপেক্ষিকতা যে যথেষ্ট ভাবনার

    আপেক্ষিকতা যে যথেষ্ট ভাবনার বিষয় সেটার ধারণাও পাওয়া যায় না অধ্যায়ের ভাষ্যটুকু পড়ে। মনে হয়, এ আর এমন কি ! আলোর গতির চেয়ে আর কিছুর গতি বেশি হতে পারবে না, এই তো !

    আমি ক্লাস টেনে থাকতে যাও একটু স্পেশাল থিওরি অব রিলেটিভিটি বুঝতাম। ইন্টারে উঠে, বইয়ে কি লেখা আছে পড়লাম। এবং আপেক্ষিকতার আগা থেকে গোড়া ভুলে গেলাম। :অসুস্থ: :অসুস্থ: :অসুস্থ:

    1. কেউ আমারে মাইরালা …
      কেউ আমারে মাইরালা :খাইছে: :খাইছে: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: … তাইলে তো কমার্সে পইড়া ভালাই হইছে… :চোখমারা: =P~ :দীর্ঘশ্বাস:

  11. পাঠ্যবিষয়য়ের বইগুলো যে
    পাঠ্যবিষয়য়ের বইগুলো যে অনঃসারশূণ্য সে ব্যাপারে একমত। শিক্ষার্থীরা এসব পুস্তক থেকে বোঝার মত কিছু শিখতে পারে বলে মনে হয়না।
    তবে এজন্য লেখককে প্রতিভাশূণ্য বলার পক্ষপাতি আমি না। ব্যাক্তিগত ভাবে আমি গাজি আজমল স্যারের প্রত্যক্ষ ছাত্র হিসেবে বলছি, স্যার নিজের লেখা বইটা সরাসরি ফলো করেন না, তার লেকচার সম্পূর্ণ আধুনিক এবং সময়োপযোগী এবং বহির্বিশ্বের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ । শুধু মাত্রও বোঝার সুবিধার্থে নিজের বইটা ফলো করতে পরামর্শ দেন, এবং তাও পরীক্ষা পাশ করার উদ্দেশ্যে, এই দেশের শিক্ষা ব্যাবস্থা অনুযায়ী।
    মূল সমস্যাটা আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থার বলে মনে করি।।

  12. আমি তো উদ্বিগ্ন আছি এইটা ভেবে
    আমি তো উদ্বিগ্ন আছি এইটা ভেবে যে, প্রানী বিজ্ঞানে তাও এখনো পর্যন্ত বিবর্তনবাদ চ্যাপ্টার আছে। দেশের অবস্থা যে দিকে যাচ্ছে তাতে ‘স্বর্গ থেকে পতন’ তত্ত যোগ করা হতে পারে বিজ্ঞান বইয়ে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *