মধ্যরাতের অবাধ্যতা

কার্নিশ বেয়ে যখন জোছনার বক্ররেখা সন্তর্পণে
উঠে আসে রহস্যময় নিনজাদের মতো, তখন
তার আলোয় ঢেকে রাখা চোখে মৃত্যুর ছায়া
খেলা করে কিনা জানিনা, তবে আমি সে দৃষ্টি সইতে
পারিনা! মৃত্যুর অগভীর ডোঁবা’র উপরে অদৃশ্য দঁড়িতে
ট্রাপিজের খেলা খেলি এক হাতে বোতল-ভরা জোছনা
নিয়ে। ঢকঢক করে গিলতে থাকি নেশাতুর চোখে, ঢুলতে থাকি।

অন্য হাতে মৃত্যুকে আটকে রাখি ব্যস্ত ট্রাফিক সিগনালে!
সে আশায় থাকে, কখন এসে নিঃ’শব্দে গিলে খেয়ে নেবে
আমাকে, যখন স্বপ্নের চিলেকোঠা থেকে পৃথিবীর বাঁধন
চিমটি দিয়ে কেঁটে ফেলে মাধ্যাকর্ষনের দড়ি বেয়ে উঠে যাই ওপরে;
বাতাসে মৃদু দুলতে থাকা শুভ্র বালিকার নগ্ন নরম দেহের আশায়!

কার্নিশ বেয়ে যখন জোছনার বক্ররেখা সন্তর্পণে
উঠে আসে রহস্যময় নিনজাদের মতো, তখন
তার আলোয় ঢেকে রাখা চোখে মৃত্যুর ছায়া
খেলা করে কিনা জানিনা, তবে আমি সে দৃষ্টি সইতে
পারিনা! মৃত্যুর অগভীর ডোঁবা’র উপরে অদৃশ্য দঁড়িতে
ট্রাপিজের খেলা খেলি এক হাতে বোতল-ভরা জোছনা
নিয়ে। ঢকঢক করে গিলতে থাকি নেশাতুর চোখে, ঢুলতে থাকি।

অন্য হাতে মৃত্যুকে আটকে রাখি ব্যস্ত ট্রাফিক সিগনালে!
সে আশায় থাকে, কখন এসে নিঃ’শব্দে গিলে খেয়ে নেবে
আমাকে, যখন স্বপ্নের চিলেকোঠা থেকে পৃথিবীর বাঁধন
চিমটি দিয়ে কেঁটে ফেলে মাধ্যাকর্ষনের দড়ি বেয়ে উঠে যাই ওপরে;
বাতাসে মৃদু দুলতে থাকা শুভ্র বালিকার নগ্ন নরম দেহের আশায়!
মৃত্যু জানেনা, তখন আদতেই আমি হাসিমুখে মৃত!
চাঁদের কলঙ্ক? ছোঃ! ওগুলো পাশের বাড়ির হিংসুটে মহিলার রটনা!

মেঘের আড়ালে লুকোচুরি খেলাটা সৃষ্টির শুরু থেকেই চলছে,
বড় একঘেয়ে খেলাটা। মহাকালের বিছানার কালো চাদরটা
কতোদিন রাখবে আর এমন পরিপাটি করে? কার অপেক্ষা তোমার?
কেন এমন অকারণে ভিজিয়ে দাও তৃষ্ণার্ত যুবকের চির-শুষ্ক হৃদয়?
অপলক তাকিয়ে থাকতে থাকতে নেশা ক্রমশ ঘোরতর হয়,
ক্রন্দন, চিৎকার, হুঙ্কার, হাহাকার মিশে যায় কাছে পাবার নেশায়!
শুধু হঠাৎ ছুঁড়ে দেওয়া মুচকি হাসি নিনজার ব্লেড হয়ে
বিদ্ধ করে আমাকে!
ধ্বংস করে আমাকে!
চুরমার করে আমাকে!
পুড়িয়ে ছাই করে উড়িয়ে দেয় মহাকাশে স্মরণকালের নৃশংসতম উপায়ে!

আর তখন…
মহাবিশ্বের জলসা ঘরের নক্ষত্রখচিত আকাশের মেঝেতে
নির্লজ্জ্বের মতো আলগোছে ঘোমটা ফেলে চাঁদ নেচে যায় ভারতনাট্যম অবিরাম…!

১ thought on “মধ্যরাতের অবাধ্যতা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *