মুক্তি

আজ মনেহয় পূর্ণিমা । বিশাল একটা থালার মত চাঁদটা সদর্পে তার উপস্থিতি প্রমান করছে । ঝিরঝির হাওয়া বইছে । সেই হাওয়ায় আনমনা হয়ে গেল রেশাদ । মনে পড়ে গেলো তার মায়ের কথা । “এত বড় হয়ে গিয়েছে ছেলে অথছ এখনো ভাত খাওয়া শিখল না । মা সবসময় এই কথা বলতেন আর নিজের হাতে ভাত খাইয়ে দিতেন ” ।

মনে পড়ে যায় তার বাবার কথা ,যিনি স্বপ্ন দেখতে ভালবাসতেন । তার থেকেই তো রেশাদ স্বপ্ন দেখতে শিখেছে ।

“ ভাইয়া তুই আমার পুতুল নিয়েছিস কেন ” ? ওই দেখ পাগলিটা সামান্য একটা পুতুলের জন্য কান্না শুরু করেছে । “ তোকে আমি অনেক পুতুল কিনে দিব রে পাগলি ”। রাবেয়ার জন্য মনটা হঠাৎ হাহাকার করে উঠে । ।


আজ মনেহয় পূর্ণিমা । বিশাল একটা থালার মত চাঁদটা সদর্পে তার উপস্থিতি প্রমান করছে । ঝিরঝির হাওয়া বইছে । সেই হাওয়ায় আনমনা হয়ে গেল রেশাদ । মনে পড়ে গেলো তার মায়ের কথা । “এত বড় হয়ে গিয়েছে ছেলে অথছ এখনো ভাত খাওয়া শিখল না । মা সবসময় এই কথা বলতেন আর নিজের হাতে ভাত খাইয়ে দিতেন ” ।

মনে পড়ে যায় তার বাবার কথা ,যিনি স্বপ্ন দেখতে ভালবাসতেন । তার থেকেই তো রেশাদ স্বপ্ন দেখতে শিখেছে ।

“ ভাইয়া তুই আমার পুতুল নিয়েছিস কেন ” ? ওই দেখ পাগলিটা সামান্য একটা পুতুলের জন্য কান্না শুরু করেছে । “ তোকে আমি অনেক পুতুল কিনে দিব রে পাগলি ”। রাবেয়ার জন্য মনটা হঠাৎ হাহাকার করে উঠে । ।

আরে! হঠাৎ চোখের সামনে এটা কার ছবি ভেসে উঠলো ? মুক্তা না? কিন্তু মুক্তার কথা তার কেন মনে পড়বে ? সে তো কখনো মুক্তার সাথে কথা বলেনি । শুধু কলেজে গেলে তাকে শুধু দেখত ।প্রান ভরে দেখত। রেশাদ বুঝতে পারে সে বোধহয় শেষমেশ প্রেমেই পড়ে গেল । আচ্ছা মুক্তাও কি ওর কথা এভাবে ভাবে ? মনে হয় না ।আরে না না মনে পড়ে একদিন ওর দিকে তাকিয়ে কেমন করে যেন হেসেছিল ।

কিন্তু আশ্চর্য ; হঠাৎ এত ঘুম পাচ্ছে কেন ? আবার চোখের সামনে তার মা চলে এলো। “বাবা এত রাতে এখনো জেগে আছিস? আয় বাবা তোর মাথায় আমি হাত বুলিয়ে দেই । তুই ঘুম যা । ঘুম যা বাবা । রেশাদ আর জেগে থাকতে পারল না, পরম নিশ্চিন্তে তার মায়ের কোলে ঘুম গেলো ।।।
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.

“শালে বাঙালি কফের কো ইধার হি দাফান কার দো । শালে মুক্তি”।
মেজর শাইখের কণ্ঠ গমগম করে উঠলো ।

আজ তাদের কেম্প এ ১২ জন কাফের কে মারা হয়েছে। তার মধ্যে একটা ১৭-১৮ বছরের বাচ্চাও ছিল । তাকে তো তিনি নিজের হাতে রসিয়ে রসিয়ে মেরেছেন । শেষে কুত্তার বাচ্চাটার মাথায় একটা বুলেট ঢুকিয়ে দিয়েছেন । কিন্তু মেরে তিনি কোন স্বস্তি পাচ্ছেন না । এত মারা মারলেন , নিজের হাতে একটা একটা আঙ্গুল কাটলেন , পায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিলেন কিন্তু শালে মাদারচদ মুক্তি একটা টু শব্দ করলো না । শেষে যখন তিনি পুকুর পাড়ে এনে ছেলেটির চোখের উপর গুলি ধরলেন ছেলেটি একটা শব্দ পর্যন্ত করলো না ,সরাসরি তার চোখের দিকে তাকিয়ে ছিল । গুলি করার পর গুলির ধাক্কায় ৫ হাত দূরে গিয়ে পড়লো ছেলটা ,একটু মোচড় খেলো তারপর নিস্তেজ হয়ে গেলো । মেজর হেঁটে ছেলেটার লাশের সামনে এসে দাঁড়ালেন ।আরে! কি অদ্ভুত ! তিনি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছেন ছেলেটার মুখে হাসি । রক্তে মুখ ভেসে যাচ্ছে কিন্তু তাও স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে ।“সাব মার গেয়া কেয়া? ইস কাফের কা বাচ্চাকো লেকার যাও”।

মেজর শাইখ কেমন যেন শিউরে উঠলেন ।

৪ thoughts on “মুক্তি

  1. আপনাকে ইস্টিশনে স্বাগতম।আরো
    আপনাকে ইস্টিশনে স্বাগতম।আরো ভালো পোস্টের আশায় রইলাম।শুভেচ্ছা।আপনার ব্লগিং আনন্দময় হোক।

  2. লেখার মধ্যে ছন্নছাড়া একটা ভাব
    লেখার মধ্যে ছন্নছাড়া একটা ভাব আছে ।আর লেখার মুল উদ্দেশ্য পাঠক এর বোধগম্য এর বিষয় । উপস্থাপনার মধ্যে থিম টা পুরা আসলে ভাল হত ।যাই হক শুভেচ্ছা রইল । ইষ্টিশন এ স্বাগতম । :গোলাপ: :গোলাপ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *