ডাক্তারের কর্মকান্ড

ডাক্তার ভিজিট করার পর কলিগদের সাথে আড্ডা দিচ্ছিলাম| বস কল করে বলল, রোগী না থাকলে ডাক্তারের সাথে আড্ডা দেন জ্ঞান বাড়বে|

ডাক্তারের চেম্বারে গেলাম| একা বসে আছে দেখে ভাবলাম গিয়ে আলাপ করি; হয়তো নতুন কিছু জানতে পারবো|

সরকারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর মেডিকেল প্রেকটিশনার| জরুরী বিভাগে মোট চার জনের ভিতর উনিও একজন| ডিউটি ভাগ করা থাকে| রাতের ডিউটি রাত 9 টা থেকে সকাল 9 টা| একটানা 12 ঘন্টা|

হাসপাতালে যতগুলো সিট আছে তার দ্বিগুন মূমূর্ষ রোগী থাকে| সবাইকে সিট দেওয়া যায়না কিছু ফ্লোরে রাখতে হয়|

রোগীদের মাঝে অনেকে রাজনৈতিক বল দেখায়| সিট না পাইলে তর্ক লেগে থাকে|


ডাক্তার ভিজিট করার পর কলিগদের সাথে আড্ডা দিচ্ছিলাম| বস কল করে বলল, রোগী না থাকলে ডাক্তারের সাথে আড্ডা দেন জ্ঞান বাড়বে|

ডাক্তারের চেম্বারে গেলাম| একা বসে আছে দেখে ভাবলাম গিয়ে আলাপ করি; হয়তো নতুন কিছু জানতে পারবো|

সরকারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর মেডিকেল প্রেকটিশনার| জরুরী বিভাগে মোট চার জনের ভিতর উনিও একজন| ডিউটি ভাগ করা থাকে| রাতের ডিউটি রাত 9 টা থেকে সকাল 9 টা| একটানা 12 ঘন্টা|

হাসপাতালে যতগুলো সিট আছে তার দ্বিগুন মূমূর্ষ রোগী থাকে| সবাইকে সিট দেওয়া যায়না কিছু ফ্লোরে রাখতে হয়|

রোগীদের মাঝে অনেকে রাজনৈতিক বল দেখায়| সিট না পাইলে তর্ক লেগে থাকে|

বেশীর ভাগ মূমূর্ষ রোগী তাই সবাইকে ইনজেকশন দিতে অনেকক্ষেত্রে দেরি হলেও রোগী চিল্লাচিল্লি করে|

তাছাড়া রোগীদের আহাজারীতে এমনিতে বাতাস ভারী হয়ে থাকে| এসব কিছু মিলিয়ে একজন ডাক্তারের মেজাজ খিটখিটে থাকাই স্বাভাবিক|

তবুও ওনারা মাথা ঠান্ডা রেখে চিকিত্‍সা করেন| একটা ভুল ঔষধ দিলে রোগীর মৃত্যু ঘটতে পারে|

তাছাড়া একজন ডাক্তারের ব্যক্তিগত জীবন আছে; তার পরিবার আছে|

এই সবকিছু জানার পর কেউ যদি ডাক্তারদের কসাই বলেন তাহলে তার শিক্ষার অভাব আছে| মাথায় পর্যাপ্ত ঘিলু দরকার|

হ্যা আপনি বলতে পারেন, টাকা দিয়ে ডাক্তারের কাছে চিকিত্‍সা করি| ভাই শুনেন, এ জগতে ফ্রি তে কিছু হয়না| সবকিছুতে টাকা লাগে|

আমি ডাক্তার বা ডাক্তারী প্রফেশনের কেউ না| সামান্য একজন মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ| তবুও যা শুনলাম তাই লিখলাম|

৭ thoughts on “ডাক্তারের কর্মকান্ড

  1. লিখাটা ছোট তবে তাৎপর্যপূর্ণ।
    লিখাটা ছোট তবে তাৎপর্যপূর্ণ। ডাক্তার কে কসাই বললে বুদ্ধিমান বাঙালি ডাক্তারের কাছে যাওয়ার দরকার নাই। গাছের লতাপাতা খেয়ে বেঁচে থাকুক।

  2. ইদানিং আমার কলিগ অর্থাৎ ইয়াং
    ইদানিং আমার কলিগ অর্থাৎ ইয়াং ডাক্তারদের আচরণে পরিবর্তন আসছে। রোগীকে সময় দেওয়ার ব্যাপারে ডাক্তারদের নিয়ে যেই অভিযোগ আছে সেটা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা বা সচেতনতা তৈরি হচ্ছে। সেই সাথে আপনার লেখাটা পড়ে এটাও বুঝলাম মানুষও ডাক্তারদের জীবন নিয়ে ভাবছে। শুভ লক্ষণ। আসলে পেশেন্ট-ডাক্তার রিলেশনশিপটা খুব জরুরী, যেটা আমাদের দেশে নেই। লেখার জন্য ধন্যবাদ।

  3. আতিক ভাইয়ের সাথে একমত, আসলে
    আতিক ভাইয়ের সাথে একমত, আসলে পেশেন্ট-ডাক্তার রিলেশনশিপটা খুব জরুরী, যেটা আমাদের দেশে নেই।

  4. এতদিন এই কথাগুলো শুধু কোন
    এতদিন এই কথাগুলো শুধু কোন ডাক্তার কিংবা মেডিকেলের স্টুডেন্ট এর লেখাতেই পড়েছি। সাধারণ মানুষজনও এসব নিয়ে ভাবছে জেনে ভাল লাগল।

  5. আমরা বাঙ্গালিরা বদনাম করতে যে
    আমরা বাঙ্গালিরা বদনাম করতে যে কেন এত পারদর্শী। জীন গত অর্জন হয়তো।

    ডাক্তার রূপী মহা মানবদের সেলুট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *