এই শহরের রাত

এই শহরে রাতে আলো জ্বলে,
আলোর লহমা ছড়িয়ে যায়না ।
দড়িবাধা বেলুনের মত , ‘শৃঙ্খলিত’ বায়ুমন্ডলে পাঁক খায়

যত বেশি রাত, তত বেশি আলো
তবুও আলো ‘শৃঙ্খলিত’ ।
বায়ুমন্ডলের আবহাওয়া ভারী হয়ে উঠে
নরপিচাশের শীৎকারে , বন্দিনী অভাগীর চিৎকারে।



এই শহরে রাতে আলো জ্বলে,
আলোর লহমা ছড়িয়ে যায়না ।
দড়িবাধা বেলুনের মত , ‘শৃঙ্খলিত’ বায়ুমন্ডলে পাঁক খায়

যত বেশি রাত, তত বেশি আলো
তবুও আলো ‘শৃঙ্খলিত’ ।
বায়ুমন্ডলের আবহাওয়া ভারী হয়ে উঠে
নরপিচাশের শীৎকারে , বন্দিনী অভাগীর চিৎকারে।

রাতের অন্ধকারে খোঁয়াড় থেকে বেরিয়ে আসে , দিনের সভ্য’রা
বেশ্যার কাঁধ বেয়ে পড়া ঘাম
চেটেপুটে খায়, রাতের হায়েনা’রা।
‘ক্ষুধা’ মিটিয়ে, পাজামার দড়ি ‘টাইট’ করে বেঁধে
মিলিয়ে যায় সুশীলতার ছায়ায় ।

আর, অভাগীরা পড়ে থাকে
নগ্ন, বিবস্ত্র অবস্থায়,
শরীরে বহন করে সভ্যদের যত পাপ
আবার উঠে দাঁড়ায়, নতুন ভোরে।

-২৬শে মে, ২০১৩

৭ thoughts on “এই শহরের রাত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *