আবেগের শহরে

ছুটে যায় যুবকের কালোবাইক সময়ের গতির সাথে পাল্লা দিয়ে।পিছনে জড়িয়ে থাকে সদ্যপ্রেমে পড়া প্রেমিকা।যুবক তাকে ‘আত্মা’ বলে ডাকে।হ্যাঁ, আত্মার মতোই প্রেমিকার ড্রেসে আজ সাদা রঙের ছড়াছড়ি মিলেমিশে একাকার।চলন্ত বাইকে প্রেমিকা যুবকের কাঁধে বুক এলিয়ে দিয়ে চোখ বুঝে থাকে ভয়মিশ্রিত অদ্ভুত এক ভালোলাগায় যেন কালো পঙ্খিরাজ ঘোড়ায় চড়ে কোন রাজকুমার সাতসমুদ্র তেরো নদী পার হয়ে তাকে নিয়ে হাওয়ায় ভাসিয়ে পালিয়ে বেড়ায়।প্রেমিক হৃদয় খুঁজে বেড়ায় প্রেমিকার ঠোঁটে নিজের স্কেচ আকার আদর্শতম স্থানটি।হতে পারে সেটা শতবর্ষী বটবৃক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে অথবা ঢাকা শহরের সবচেয়ে উচুভবনের ছাদে প্রায় দুইকোটি ব্যস্ত মানুষরূপী পিঁপড়াগুলোকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে।আর প্রেমিকা তখন পৃথিবীর নির্জনতমস্থানে প্রেমিক হৃদয়কে লালনীল প্রতিশ্রুতির গল্প শোনায়।সেই গল্পে বুদ হয়ে রাজকুমার ভুলে যায় তার স্টকে রাখা শেষ সিগারেটটি জ্বালাতে কারন ততক্ষণে নিকোটিনের স্বাদ তেঁতো হয়ে গেছে।

২ thoughts on “আবেগের শহরে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *