ভারতীয় টিভি চ্যানেলের দৌড়াত্ব আমাদের জাতীয় ব্যর্থতা।

ফেলানি হত্যা কাণ্ডের প্রহসন মূলক বিচারের পর ভারতীয় চ্যানেলের আগ্রাসনের কথাটা আবার জোরেশোরে উঠে এসেছে। বড় শহরের কথা বাদ দিলে সারা দেশে ডিশ লাইনের মাধ্যমে গড়ে ৬০-৬৫ টা চ্যানেল দেখা যায়।

ক্রম——— ভাষা—————————————— সংখ্যা
১————–বাঙলা—————————————–২০-২১ টা
২————-হিন্দি —————————————–২৫-৩০ টা
৩————-ইংরেজি (স্পোর্টস চ্যানেল সহ)————-৮ টা
৪————–চিনা, জাপানি ———————————–৩ টা
৫————–আরইয়, তামিল ওঅন্ন্যান——————–৩ টা


ফেলানি হত্যা কাণ্ডের প্রহসন মূলক বিচারের পর ভারতীয় চ্যানেলের আগ্রাসনের কথাটা আবার জোরেশোরে উঠে এসেছে। বড় শহরের কথা বাদ দিলে সারা দেশে ডিশ লাইনের মাধ্যমে গড়ে ৬০-৬৫ টা চ্যানেল দেখা যায়।

ক্রম——— ভাষা—————————————— সংখ্যা
১————–বাঙলা—————————————–২০-২১ টা
২————-হিন্দি —————————————–২৫-৩০ টা
৩————-ইংরেজি (স্পোর্টস চ্যানেল সহ)————-৮ টা
৪————–চিনা, জাপানি ———————————–৩ টা
৫————–আরইয়, তামিল ওঅন্ন্যান——————–৩ টা

সম্প্রচারিত চ্যানেলের গড় চিত্র টা প্রায় এরকম হবে। এবার আমি পুরুষ ও নারী দুই ক্যাটাগরিতে দর্শকদের ভাগ করি। এখানে বয়সের হিসাব টা বাদ দিলাম। রুচি বা অভ্যাস গত কারণে যে চ্যানেল এর দিকে ছেলেদের ঝোঁক বেশি সেগুলো-

1) সংবাদ
2) খেলা
3) প্রানি ও বিভিন্ন গবেষণা মূলক
4) সিনেমা
5) নাটক ইত্যাদি

আবার যদি নারী বা মেয়ে দর্শকের ক্ষেত্রে ধরি সেক্ষেত্রে ক্রম টা ভিন্ন হওয়া স্বাভাবিক। সেক্ষেত্র-

1) নাটক
2) সংবাদ
3) প্রানি ও বিভিন্ন গবেষণা মূলক
4) খেলা
5) সিনেমা ইত্যাদি

তালিকা টা এরকম বা কিছু ভিন্নতা ব্যতিত এরকম হওয়া স্বাভাবিক। এবার দেখি সকল দর্শক চাহিদার কি পরিমাণ আমাদের দেশীয় চ্যানেল মিটাতে পারছে। একমাত্র ‘সংবাদ’ ব্যতিত বাকি অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে আমাদের বিদেশি চ্যানেলের উপর নির্ভর করতে হয়। বাংলাদেশ গরিব দেশ চাইলেও তার পক্ষে খেলা বা গবেষণা ধর্মী অনুষ্ঠান করা সম্ভবপর হয়ে উঠে না। নারী সহ পুরুষ দর্শকের বিরাট একটা বিনোদনের জন্য নির্ভর করতে হচ্ছে ভারতীয় চ্যানেল গুলোর উপর। ভারতীয় যে অনুষ্ঠান গুলো বেশি দেখা হয়ে থাকে সেগুলো-

1) সিরিয়াল বাঙলা (নাটক)
2) সিরিয়াল হিন্দি (নাটক)
3) রিয়েলিটি শো
4) রান্নার অনুষ্ঠান ইত্যাদি

এই প্রোগ্রাম গুলোর বিপরীতে আমাদের ভাণ্ডারে কি আছে যা অন্তত দর্শক ধরে রাখতে পারবে। পর্যায় ক্রমে যদি একটু বিশ্লেষণ করি-

নাটক– আমার মনে হয় বাংল নাটকের সবচাইতে দুঃসময় চলছে এখন। ৪-৫ বছর আগেও অবস্থা এতটা খারাপ ছিলনা। সেই চেনা মুখের প্যানপ্যানি প্রেমের নাটক মানুষ আর কত দিন সহ্য করবে। কিছুটা বৈচিত্র্য এনেছিল আঞ্চলিক ভাষার কথোপকথন এর নাটক গুলি কিন্তু সেটাও এখন কাতুকুতু দিয়ে হাসানোর অপচেষ্টা। অনেক নামি অভিনেতায় স্বয়ং এখন এগুলোর উপর বিরক্ত। যদি একটু বয়সী দর্শকের কথা চিন্তা করি তাদের দেখার মত ধীর, কাহিনী নির্ভর, সামজিক কোন নাটক বর্তমানে কোন চ্যানেলে চলছে কিনা তা বলা দুস্কর।

রিয়েলিটি শো– প্রথম দিকে যখন দেশে রিয়েলিটি শো শুরু হয় তখন বিশাল শ্রেণির দর্শক টানতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু বাকি চ্যানেল গুলো একই প্রকার অনুষ্ঠান তারাও আয়োজন শুরু করল এবং স্বাভাবিক ভাবেই মানের দিকে দিয়ে পড়তে থাকল। এখন কে যে এই শো গুলো দেখে আমার অন্তত জানা নাই।

এর বাইরে রান্না, ভ্রমন, বিজ্ঞান প্রজুক্তি বেশ কিছু প্রোগ্রাম আছে সেগুলো এত চ্যানেলের ভিড়ে খুঁজে নেয়া দর্শকের জন্য বেশ কঠিন, সামনে চলে আসলে দেখে কিন্তু মনে রেখে সময় বের করে এই প্রোগ্রাম দেখে তা বলটা ঠিক হবে না।

এই যদি হয় আমাদের টিভি বিনোদনের সম্পদ ফাইট দেয়ার হাতিয়ার সেখানে আমাদের মার খাওয়াটাই স্বাভাবিক। চাইলেই হয়ত আমাদের পক্ষে রাতারাতি কোন পরিবর্তন আনা সম্ভব না কিন্তু কিছু কাজ করলেই অবস্থার অনেক উন্নতি সম্ভব। বাংলা নাটক একসময় শুধু আমাদের দেশেই না ভারতের পশ্চিম বাংলাতেও বিখ্যাত ছিল। এই নাটকের কাহিনী নিয়ে মিছিল পর্যন্ত হয়েছে ঢাকা সহ বিভিন্ন শহরে। এখন অনেক ভাল কলা-কুশলী, পরিচালক আছেন যারা একটু বিনিয়োগ করলেই অনেক ভাল কিছু আমাদের দিতে পারেন। এর বাইরে আছে স্ব্বপ্নবান তরুন অনেক প্রতিভা, ব্যক্তি বিনিয়োগ কারীরা যদি একটু সদয় হন তাহলে সৃষ্টি হতে পারে অনেক ভাল কাজ।

ভারতীয় টিভি চ্যানেলের আগ্রাসন যতনা তাদের সফলতা তার চাইতে বেশি আমাদের ব্যর্থতা। দেশপ্রেম, সুযোগ দেয়া, বিনিয়োগ আর একটু প্রেরণা পারে এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে শক্তিশালী একটা ভুমিকা রাখতে।

২২ thoughts on “ভারতীয় টিভি চ্যানেলের দৌড়াত্ব আমাদের জাতীয় ব্যর্থতা।

  1. সবই ঠিক আছে। কিন্তু, সরকার
    সবই ঠিক আছে। কিন্তু, সরকার শিশুদের প্রিয় ডরেমন কার্টুন বন্ধ করে দিতে পারলে জি বাংলা, স্টার প্লাস, স্টার জলসার ঐসব অখাদ্য বন্ধ করে দিতে পারবেনা কেন? আমি চ্যালেঞ্জ করতে পারি, বাকের ভাই, আরমান ভাই এর মত চরিত্র আর কয়টা তৈরী হয়েছে? মাঝখান থেকে এন টিভি ‘গুলশান এভিনিউ’ নামক অখাদ্য সিরিজ নির্মান করেছে। অথচ, এই সিরিজের কাহিনী বিন্যাস ভারতীয় বাংলা সরিজগুলোর নির্মাতা দিয়ে তৈরী করা হয়ছিল। কিন্তু তবুও মুখ থুবড়ে পড়ে গুলশান এভিনিউ। গুলশান এভিনিউ এর চরম ব্যর্থতায় আর কেউ এখনো এত গুরুত্ব দিয়ে ভারতীয় বাংলার আদলে সিরিজ নির্মাণে আগ্রহ দেখায় নি। এখানে উল্লেখ্য যে,নাটক শব্দের চেয়ে ভারতীয় নাটক শব্দে বেশি ক্রেজি ফিল করে আমাদের নারীরা। স্বাভাবিক। আমরা দর্শক টানতে না পারার ব্যর্থতা অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু, এইটা মানতে পারিনা যে, এই দেশে আদৌ কিছুই হচ্ছেনা। ইত্যাদি এর কথাই ধরা যাক। সিরিয়াল খোর নারীরাও ইত্যাদি মিস করে না। অতএব, যেটা সবচেয়ে দরকার তা হল, নিজের সংস্কৃতির প্রতি সামান্যতম শ্রদ্ধাবোধ, হোক সেটা ভালো অথবা তুলনামূলক কম ভালো। বাংলাদেশের অন্যসব অনুষ্ঠানের কথা বাদই দিলাম। কিন্তু, কোনো একটা চ্যানেল কি সম্প্রচারিত হচ্ছে ভারতে? অথচ,আমরা নির্দ্বিধায় ভারতীয় চ্যানেলের দোকান খুলে দিয়ে এইদেশে ভারতীয় মুনাফার সুযোগ খুলেই দিচ্ছিনা, কুড়োল মারছি আমাদের দেশীয় চ্যানেলের ঘাড়ে। বাংলাদেশে আজ পর্যন্ত একটা খেলার চ্যানেল হল না। অথচ সরকার ঠিকই সংসদ টিভি নামক নতুন চ্যানেল খুলেছে যার আদৌ কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। তাছাড়া, ভারতীয় বাংলা সিনেমা প্রদর্শনের সুযোগ করে দিয়েছি আমরা নিজেদের প্রেক্ষাগৃহে!! কেন আমরা এসব করছি? আমাদের হয়তো সম্প্রচারজনিত কিছু মুনাফা অর্জিত হচ্ছে কিন্তু আমরা নিজেরাই নিজেদের দেশীয় শিল্পকে ধ্বংস করে দিচ্ছি।

    তাহলে, আমার কথার উপসংহার কি দাঁড়ালো? আমরা কিছুতেই পুরো দোষ আমাদের নির্মাতাদের ঘাড়ে চাপাতে পারিনা। দোষ আছে আমাদের নীতিনির্ধারকদের। দোষ আছে আমাদের দর্শকদের, দোষ আছে আমাদের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের, দোষ আছে আমাদের, আপনার , সবার। তাই, আমার কথা হল, যতদিন আমরা নিজেদের সংস্কৃতির প্রতি সামান্যতম মূল্যায়ন দেখাতে পারবো না ততদিন ভারতীয় অখাদ্যের ঘাড়ে চেপে চলতে হবে। এটা ওয়ান ওয়ে রোড। ইউ টার্নের কোনো উপায় নেই। শুধু মাত্র একটা অ্যালিবাই আমাদের সামনে, আর সেটা হল, ভারতীয় চ্যানেলের আগ্রাসন নিয়ন্ত্রন;বাই হুক অর বাই ক্রুক। উই হ্যাভ টু ডু সামথিং বিফোর দ্য গ্রেটেস্ট ব্রেকডাউন।

    1. দোষ সবারই কম বেশি আছে এটা
      দোষ সবারই কম বেশি আছে এটা ঠিক। কিন্তু দর্শকদের জন্য আমাদের দেশে তেমন ভাল কোন প্রোডাক্ট কই। শুধু দেশ প্রেম দিয়ে হবে না এর সাথে তদানুরুপ পদক্ষেপ লাগবে। ভাল খাদ্য থাকলে কেউ কি অখাদ্য খায়? আর নারীদের ঢালাও দোষ দিয়েন না। আপনার জন্য যথেষ্ট বিকল্প আছে জন্য আপনি ওগুলো হয়ত দেখেন না। কিন্তু নারী দর্শকরা এসব দেখতে বাধ্য হয়। তাদের খুব বেশি বিকল্প নাই।

      1. এখানে নারীকে দোষ দিলাম কই?
        এখানে নারীকে দোষ দিলাম কই? অস্বীকার করছিনা যে আমি নিজেও জি বাংলার মীরাক্কেল দেখতাম প্রতিদিন। আপনি একটা জরিপ করে দেখুনতো, কয়জন নারী আমাদের জাতীয় সংগীত পুরো জানে আর কতজন সুন রাহা হে গানটা পুরো জানে?? জরিপ করেই দেখুন সুন রাহা হে এর জয় হয় কিনা? এখানে আমরা কাকে দোষ দেব? না নারীকে নয়। দোষ দেবো আমাদের দৃষ্টিভঙ্গীকে। আমরা যদি বিজাতীয় সংস্কৃতির রাস্তা খুলে না দিতাম তবে আজ আমাদের এই হাল হত না। রিভার্স অ্যাডভান্টেজ যদি আমরা দেশীয় চ্যানেলগুলোকে না দিতে পারি, তাহলে দেশীয় চ্যানেলগুলো যতই ভালো কিছু বানাক, মুখ থুবড়ে পড়ে থাকবে। কারণ, প্রচলিত জিনিসের আলাদা ভ্যালু আছে। যেমন ধরেন, দোকানে গিয়ে সবাই বলে,”একটা মেরিল দেন।” কেউ কিন্তু বলেনা,”একটা পেট্রোলিয়াম জেলী দেন।” তার মানে প্রতিষ্ঠিত ব্রান্ডের আলাদা একটা ভ্যালু আছে। এখন যদি আমরা মেরিল এর স্থলে কেয়া কে অভিষিক্ত করতে চাই তাহলে মেরিল এর যোগান কমিয়ে দিতে হবে। ঠিক তেমনি ভারতীয় চ্যানেলের স্থলে দেশীয় চ্যানেল অভিষিক্ত করতে চাই, তাহলে ভারতীয় চ্যানেলের আগ্রাসন কমাতে হবে।

        সহজ ভাষায় নিজের মতামত বুঝাতে চাইলাম।তারপরও আমার অবস্থান কারো ক্লিয়ার না হলে কিছুই করার নাই।

        1. এই উন্মুক্ত যুগে আপনি কতদিন
          এই উন্মুক্ত যুগে আপনি কতদিন আটকিয়ে রাখবেন বাইরের সংস্কৃতি? মূল বিষয় হল নিজের অবস্থানও শক্ত করা তার মানে আরেকটাকে রোধ করে না। আর বাইরের সংস্কৃতি যে শুধু আমাদের ক্ষতি করে তাও কি ঠিক। বিষয় হল আমি কোনটাকে গ্রহণ করছি বা করতে বাধ্য হচ্ছি। ‘বাই হুক অর ক্রুক’ এক আগ্রাসন কে নিয়ন্ত্রন করবেন দেখবেন এর চাইতে খারাপ কোন বিষয় ঘাড়ে চেপে বসেছে। নিজেদের সুন্দর বিষয় গুলোকে গুছিয়ে তুলে ধরতে পারলে অনেক কিছুই সহজ হবে।

          1. আমি বাইরের সংস্কৃতি আটকাতে
            আমি বাইরের সংস্কৃতি আটকাতে চাইনা। আটকাতে চাইলেও আটকে থাকবেনা। কিন্তু, আমরা যদি নিজের সংস্কৃতির ক্ষতি হচ্ছে জেনেও বিজাতীয় সংস্কৃতির অবাধ আগ্রাসন বন্ধ করতে না পারি, তাহলে জাতি হিসেবে এটা আমাদের ব্যর্থতা। নিজেদের পণ্যের প্রতি যতদিন আমরা নিজেরা শ্রদ্ধাশীল না হচ্ছি ততদিন ভালো পণ্য তৈরী সত্ত্বেও অন্যের কাছে আমাদের হাত পাততে হবে। ঐযে বললাম, ব্রান্ডের কথা। কোনো জিনিস একবার প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেলে সেটা সরাতে হলে যোগান কমাতে হয়। এখানেও অনুরূপ। ভারতীয় চ্যানেলকে এত সহজে নিজের দেশে জায়গা করে দিয়ে আমরা নিজেদের ধ্বংসের পথ আরো প্রসারিত করছি।

  2. আফসুস! এত আলোচনা হচ্ছে তবু
    আফসুস! এত আলোচনা হচ্ছে তবু বাংলা চ্যানেল বিমুখতার পেছনে দায়ী মুল যে কারন, “ফালতু ও দীর্ঘ সময় বিজ্ঞাপন” এর কথা কেউ বলছেন না!

    1. চমৎকার একটা পয়েন্ট এনেছেন…
      চমৎকার একটা পয়েন্ট এনেছেন… যতদিন না আমাদের দেশের চ্যানেলগুলো আজাইরা অ্যাডের ফাঁকে ফাঁকে প্রোগ্রাম দেখানো বন্ধ না করবো, ততদিন আমাদের মা-বোনদের ওই হিন্দি সিরিয়ালের বিষ গেলানো থেকে দূরে রাখা কষ্টকর হয়ে যাবে… :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :এখানেআয়: :জলদিকর: :ভাবতেছি:

  3. সব চেয়ে বড় সমস্যা হলো
    সব চেয়ে বড় সমস্যা হলো বাংলাদেশিরা বিদেশির ভক্ত । বিদেশি পণ্য কিম্বা বিদেশি নাগরিকদেরকে বাংলাদেশিরা অনেক বেশি বড় মনে করে বলেই দেশে এই ধরণের দেখা যাচ্ছে ।

  4. দেশ-প্রেম নাই কিরণ ! মূল
    দেশ-প্রেম নাই কিরণ ! মূল সমস্যা এটাই, আমাদেরকে ছোটবেলায় ধর্ম শেখানো হয়, আরবি আর ইংরেজি ভাষা শিক্ষার ওপর জোর দেয়া হয় কিন্তু দেশ-প্রেমের শিক্ষা ও চর্চা কোনটাই করানো হয়না !! ভারত কিমবা অন্যান্য দেশের মতো আমাদের কিন্তু বহু-ভাষা না, যে একদম প্রথম ক্লাস থেকেই বিদেশী ভাষার চর্চা করতেই হবে। সংস্কৃতির অন্যান্য শাখা যেমন সিনেমা, নাটক ইত্যাদির বিকাশের জন্য যে পরিমাণ আন্তরিকতা, দেশ-প্রেম আর স্বদেশী চিন্তা ভাবনার দরকার তার একভাগও আমাদের জনগণ এবং সরকারের নেই !! অবস্থা দিনকে দিন পশ্চিমবাংলার মতই হবে, হয়তো তাদের তুলনায় একটু ধীরে!! আমাদের দিয়ে কিছুই হবেনা !!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *