বি এস এফ তোদের মুখে থু

আমরা আজ শোকাহত ফেলানী হত্যার বিচার আমরা পাইনি , অবাক হওয়ার কিছু নেই এই শোক কেবল আজকের জন্য আগামীকাল থেকে আমরা আবার স্ট্যাটাস দিবো

সর্বকালের সেরা মুভি ” চেন্নাই এক্সপ্রেস ” জলিল্লার মতো ১০টা বলদ এই মুভি বানাতে পারবে না”

আপুরা স্ট্যাটাস দিচ্ছে ” ফেলানী হত্যার ন্যায্য বিচার চায়”

আপুরা আগামীকাল স্ট্যাটাস দিবে ” অমুক সিরিয়ালের তমুক মেয়ে মারা গেছে ফিলিং আপসেট”

এইভাবে আমাদের প্রতিবাদের ভাষা চলতে থাকবে এইভাবেই আমরা ভারতের গুণকীর্তন গেয়ে যাবো।



আমরা আজ শোকাহত ফেলানী হত্যার বিচার আমরা পাইনি , অবাক হওয়ার কিছু নেই এই শোক কেবল আজকের জন্য আগামীকাল থেকে আমরা আবার স্ট্যাটাস দিবো

সর্বকালের সেরা মুভি ” চেন্নাই এক্সপ্রেস ” জলিল্লার মতো ১০টা বলদ এই মুভি বানাতে পারবে না”

আপুরা স্ট্যাটাস দিচ্ছে ” ফেলানী হত্যার ন্যায্য বিচার চায়”

আপুরা আগামীকাল স্ট্যাটাস দিবে ” অমুক সিরিয়ালের তমুক মেয়ে মারা গেছে ফিলিং আপসেট”

এইভাবে আমাদের প্রতিবাদের ভাষা চলতে থাকবে এইভাবেই আমরা ভারতের গুণকীর্তন গেয়ে যাবো।

এসব কথা বাদ দেন। এগুলো চলতে থাকবে ,একটা গল্প বলি। পুরনো গল্প।

রাস্তায় এক মেয়েকে ধর্ষণ করছিল কিছু লোক। তার সাথে যোগ দিল মেয়েটির গ্রামের আরো কিছু উৎসুক মানুষ। বড় সাহেবের বাড়ি রাস্তার ধারেই। তিনি বের হয়ে এলেন। মেয়েটিকে উদ্ধার করলেন সেই নরাধম গুলোর হাত থেকে। বড় সাহেবের এই মহানুভবতা দেখে মানুষ কী খুশি! বড় সাহেবের দয়ার শরীর। বড় সাহেব গরীবের বন্ধু। গরীবের বন্ধু বড় সাহেব শুধু মেয়েটিকে বাঁচালেনই না । তার জীবন গড়ে দিতে পরিকল্পনার কথাও শুনালেন। মেয়েটিকে আশ্রয় দিলেন তার ঘরে। ঘরে নিয়েই তিনি মেয়েটির কাঁধে হাত রেখে বুকের দিকে তাকালেন । এই হাত ধীরে ধীরে মুঠোয় পুরে নিবে সব। তাতে কী ! সমবেত জনতার এক অংশ এখনো তালি বাজাতে বাজাতে বলছে “বড় সাহেব কাঁধে হাত রেখেছেন, হবে মেয়েটার এবার একটা গতি হবে..”

গল্পের কাহিনী কিছু বুঝছেন ?

১৯৭১ সালে যেভাবে পাকি কুত্তা গুলা ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো তখন ভারত বড় বাবু সেজে আমাদের বাঁচিয়েছে এই কথা সবাই বলি তাই না?

বড় বাবুর কিন্তু ফেলানীর প্রতি দয়া হইয়নি ।বড় বাবুরা অনেক সাহায্য করেছে আমাদের৭১রে ।যদি তাদের জওয়ানরা দুই চারটা ফেলানীকে মেরে ফেলে কিংবা তাদের যৌবনের পিপাসা মিটাই আমাদের ফেলানী দেরকে ব্যাবহার করে তাতে কি ? বড় বাবু তো আমাদের মাথায় এক সময় হাত রেখে ছিলেন তাই না ?

আমি বলব পাকি কুত্তা আর ভারতের মধ্যে কোনো তফাৎ নেই। পাকি আমদের এক সময় শোষণ করেছিলো আর ভারত আমাদের এখনো করে যাচ্ছে

আমার প্রতিবাদের ভাষা শুনতে চান?

” বি এস এফ , তোদের মুখে থু ”

আমরা আজ শোকাহত ফেলানী হত্যার বিচার আমরা পাইনি , অবাক হওয়ার কিছু নেই এই শোক কেবল আজকের জন্য আগামীকাল থেকে আমরা আবার স্ট্যাটাস দিবো

সর্বকালের সেরা মুভি ” চেন্নাই এক্সপ্রেস ” জলিল্লার মতো ১০টা বলদ এই মুভি বানাতে পারবে না”

আপুরা স্ট্যাটাস দিচ্ছে ” ফেলানী হত্যার ন্যায্য বিচার চায়”

আপুরা আগামীকাল স্ট্যাটাস দিবে ” অমুক সিরিয়ালের তমুক মেয়ে মারা গেছে ফিলিং আপসেট”

এইভাবে আমাদের প্রতিবাদের ভাষা চলতে থাকবে এইভাবেই আমরা ভারতের গুণকীর্তন গেয়ে যাবো।

এসব কথা বাদ দেন। এগুলো চলতে থাকবে ,একটা গল্প বলি। পুরনো গল্প।

রাস্তায় এক মেয়েকে ধর্ষণ করছিল কিছু লোক। তার সাথে যোগ দিল মেয়েটির গ্রামের আরো কিছু উৎসুক মানুষ। বড় সাহেবের বাড়ি রাস্তার ধারেই। তিনি বের হয়ে এলেন। মেয়েটিকে উদ্ধার করলেন সেই নরাধম গুলোর হাত থেকে। বড় সাহেবের এই মহানুভবতা দেখে মানুষ কী খুশি! বড় সাহেবের দয়ার শরীর। বড় সাহেব গরীবের বন্ধু। গরীবের বন্ধু বড় সাহেব শুধু মেয়েটিকে বাঁচালেনই না । তার জীবন গড়ে দিতে পরিকল্পনার কথাও শুনালেন। মেয়েটিকে আশ্রয় দিলেন তার ঘরে। ঘরে নিয়েই তিনি মেয়েটির কাঁধে হাত রেখে বুকের দিকে তাকালেন । এই হাত ধীরে ধীরে মুঠোয় পুরে নিবে সব। তাতে কী ! সমবেত জনতার এক অংশ এখনো তালি বাজাতে বাজাতে বলছে “বড় সাহেব কাঁধে হাত রেখেছেন, হবে মেয়েটার এবার একটা গতি হবে..”

গল্পের কাহিনী কিছু বুঝছেন ?

১৯৭১ সালে যেভাবে পাকি কুত্তা গুলা ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো তখন ভারত বড় বাবু সেজে আমাদের বাঁচিয়েছে এই কথা সবাই বলি তাই না?

বড় বাবুর কিন্তু ফেলানীর প্রতি দয়া হইয়নি ।বড় বাবুরা অনেক সাহায্য করেছে আমাদের৭১রে ।যদি তাদের জওয়ানরা দুই চারটা ফেলানীকে মেরে ফেলে কিংবা তাদের যৌবনের পিপাসা মিটাই আমাদের ফেলানী দেরকে ব্যাবহার করে তাতে কি ? বড় বাবু তো আমাদের মাথায় এক সময় হাত রেখে ছিলেন তাই না ?

আমি বলব পাকি কুত্তা আর ভারতের মধ্যে কোনো তফাৎ নেই। পাকি আমদের এক সময় শোষণ করেছিলো আর ভারত আমাদের এখনো করে যাচ্ছে

আমার প্রতিবাদের ভাষা শুনতে চান?

” বি এস এফ , তোদের মুখে থু “

৪ thoughts on “বি এস এফ তোদের মুখে থু

  1. উত্তেজিত কথাবার্তা। এসব
    উত্তেজিত কথাবার্তা। এসব উত্তেজনা বাঙ্গাল দ্রুত ভুলে যাবে। দেশের ভেতর সংঘটিত হওয়া কয়টা অপরাধের সঠিক বিচার হয়েছে? “সাগর রুনি” দম্পতিকে কে খুন করলো সেটাই আজ পর্যন্ত জানতে পারলাম না। বিচার তো পরের কথা। এই ফেলানির জন্য এখন যে মায়া দেখাচ্ছেন সেটা যেন লোক দেখানো না হয় সেটা মাথায় রাখেন তাহলেই হবে।

  2. একই বক্তব্য দুইবার লিখেছেন
    একই বক্তব্য দুইবার লিখেছেন ।হয়তো ভুলক্রমে দুবার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি কপি মেরেছেন নয়তো ব্রাউজার সমস্যার কারনে এমনটি হয়েছে ।যাইহোক, আপনার আবেগকে স্বাগত জানাইলাম ।

    BSF কে থুঃ

  3. যারা ‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’
    যারা ‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’ দেইখা ওয়াও-ইয়াও কইরা ফেবু অস্থির কইরা ফেলছে তাদের বেশির ভাগ আবার ফেলানি রে নিয়া ওয়াল কাঁপায়া দিতাছে।

    আজ আমরা নিজেরা খামচা-খামছি না করলে কি ভারত এই সাহস পায়। দেশরে কত ভালবাসেন দেখি অন্তত একদিন এর জন্য প্রতীকী ভাবেও হলেও আমরা ভারতীয় চ্যানেল দেখা বন্ধ রাখি।

    রাজি থাকলে আওয়াজ দেন, আগামী রবিবার দিন আমরা ধর্মঘট পালন করব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *