জোয়ারে ভেসে যাওয়া কবিতা

ভাবছি সামনে সপ্তাহে কবিতাকে আগের ন্যায় একটি কবিতা উপহার দিব। অন্ধকার রাতে হারিকেনের আলোয় বিছানায় হামাগুরি দিয়ে ভালবাসা নিয়ে কবিতা লেখা মন্দ নয়। কিন্তু দোয়াদের কালি শেষ হয়েই যত ঝামেলা পাকালো। আবার বিছানা ছেরে ঊঠে পর, রান্না ঘরে যাও, পাতিলার তলা থেকে কালি উঠাও। এর পর দোয়াদে ভরে লিখতে বস।


ভাবছি সামনে সপ্তাহে কবিতাকে আগের ন্যায় একটি কবিতা উপহার দিব। অন্ধকার রাতে হারিকেনের আলোয় বিছানায় হামাগুরি দিয়ে ভালবাসা নিয়ে কবিতা লেখা মন্দ নয়। কিন্তু দোয়াদের কালি শেষ হয়েই যত ঝামেলা পাকালো। আবার বিছানা ছেরে ঊঠে পর, রান্না ঘরে যাও, পাতিলার তলা থেকে কালি উঠাও। এর পর দোয়াদে ভরে লিখতে বস।

উফ কিযে সব কান্ড করতে হয় সামান্য কিছু লাইনের কবিতা লেখার জন্য। যাই হোক বাপু, আগামি সপ্তাহে যেন কবিতা গত কয়েকবারের ন্যায় না বলে, ” ওগু এসব কি লিখলে গো তুমি। এ যে সামান্য টু পাশ গোপাল দা ও লিখতে পারে। শুধু লিখতে পারে না, এর থেকে ভাল লিখতে পারে। আর তুমি টেন পাশ ছাওয়াল ছেলে হয়েও ভাল করে লিখতে পারো না।

থুর ছাই। এই সব লেখার মধ্যে মনে আশার কারণটা কি? বার বার এসে কবিতা লেখার মোডটাই অফ করে দিচ্ছে। নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করলাম। আর বলতে লাগলাম, ” আরে ধুর আমিদ, এতো ভাবার দরকার কি? আগে হয়তো একটু খারাপ হয়েছিল। কিন্তু এবার দেখিস ঠিক ভাল ভাবেই হবে।
সত্যি এবার লেখাটা অনেক ভাল হয়েছে। এবার নিশ্চয় ভালবাসার মানুষটি তা পছন্দ করবে। যাই ঘুমতে হবে এবার। কাল যে তার কাছে যেতে হবে। তাকে ভাবতে ভাবতে হটাৎ ঘুমিয়ে গেলাম। রাতে স্বপ্নে দেখলাম। আতকে উঠার মত একটা স্বপ্ন। অতী কাছের মানুষটি কাছ থেকে অনেক দূরে চলে গেছে। সকালে উঠে দাদীকে স্বপ্নের কথা জানাতেই দাদী বলল থুর, ” এসব শুধু স্বপ্নেই হয়। ওসব কিছু না।

দাদীর কথায় আগে যেমন ভরসা করতাম। আজ ও ভরসা করলাম। একটু পর গরু নিয়ে মাঠে যেতে হবে। গরু গুলোকে মাঠে রেখেই অর্ধ বেলায় কবিতার সাথে দেখা করতে যাবো। তাই আগে থেকেই রাতে লেখা কবিতার কাগজটা পরম স্নেহে মাথায় বাধা গামছায় গুজে রাখলাম।

পরম তৃপ্তির সাথে নতুন সব স্বপ্নে ভিবুর হয়ে গরু গুলোকে পানিতে নামিয়ে নদী পার হতে নিজে ও নেমে গেলাম বোক সমান পানিতে। মাজ নদীতে যেতেই মনে হল হটাৎ জোয়ার শুরু হয়ে গেছে। বোক সমান পানি আস্তে আস্তে মাথা পর্যন্ত হল। কবিতাটা যে মাথার গামছায় গুজা ছিল, ততটুকু পানি বেড়ে গেল জোয়ারে। প্রান পনে কবিতা লেখা পাতাটিকে ধরে রাখলাম। না শেষ রক্ষা হল না। কবিতাটার পাতার সাথে এই বোঝি পচন্ড জোয়ারে নিজের প্রানটা ও হারাতে লাগলাম। কাল রাতের স্বপ্নের কথা মনে পরলো। সত্যি নিজের সব চাইতে কাছের জিনিসটি নিথর দেহ থেকে কিছু ক্ষন পরেই বের হয়ে আসবে। কিছু ক্ষন বাচার প্রচন্ড চেষ্টা করার পর কবিতার জন্য লেখা কবিতাটির সাথে সাথে আমি ও ভেসে গেলাম জোয়ারে। ভাসে গেলাম সকল স্বপ্ন কে পিছে ফেলে অজানার উদ্দেশ্যে…

১২ thoughts on “জোয়ারে ভেসে যাওয়া কবিতা

    1. ধন্যবাদ ভাই জান… পরামর্শের
      ধন্যবাদ ভাই জান… পরামর্শের জন্যও ধন্যবাদ।

      হোস্টেলে পিসি চালানো নিশেধ। তাই মোবাইলে টাইপ করি। তাই অভ্র দিয়ে ঝামেলা হয়। এজন্যই বানান ভুল…

  1. ইন্নালিল্লাহ!

    ইন্নালিল্লাহ!
    :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট:

    ওহ! আর একটা অফ টপিক কোশ্চেন আছেঃ
    গরু গুলানের কি হইলো? হেরাও কি ভাইসা গেল নি?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *