ইয়াবাও কারো কারো বাবা

একদিন এক বড় ভাইয়া ফেসবুকে ম্যাসেজে বলল- সে একটা পেজে মাদক নিয়ে একটা পোষ্ট দিতে চায় । আমাকে লিখে দিতে বললে , আমি নিচের এই লেখাটা তাকে দেই । আর তথ্যগুলো সংগ্রহ করি “বাংলাদেশ প্রতিদিন” থেকে । তো খারাপ লেগেছিল , দাদা যখন পেজে পোষ্টটার নিচে আমার নাম না দিয়ে তার নাম দিলেন । অন্তত কৃতজ্ঞতা জানাতে তো পারত । তবুও আমি না হয় লেখাটা ব্লগেই সংগ্রহ করে রাখি ।

‘আপনার/আমার বাবা একটাই । কিন্তু মাদক/ইয়াবা প্রেমীদের বাবা দুইটা । একটা আসল বাবা , আর দ্বিতীয় বাবা ইয়াবা । কখনও সখনো এই ইয়াবা আবার হয়ে ওঠে তাদের আসল বাবা ।

আদর করে আপনি আপনার GF কে ডাকেন জানপাখি , কেউ ডাকে টুনটুনি , কেউবা ঝুনঝুনি ।

একদিন এক বড় ভাইয়া ফেসবুকে ম্যাসেজে বলল- সে একটা পেজে মাদক নিয়ে একটা পোষ্ট দিতে চায় । আমাকে লিখে দিতে বললে , আমি নিচের এই লেখাটা তাকে দেই । আর তথ্যগুলো সংগ্রহ করি “বাংলাদেশ প্রতিদিন” থেকে । তো খারাপ লেগেছিল , দাদা যখন পেজে পোষ্টটার নিচে আমার নাম না দিয়ে তার নাম দিলেন । অন্তত কৃতজ্ঞতা জানাতে তো পারত । তবুও আমি না হয় লেখাটা ব্লগেই সংগ্রহ করে রাখি ।

‘আপনার/আমার বাবা একটাই । কিন্তু মাদক/ইয়াবা প্রেমীদের বাবা দুইটা । একটা আসল বাবা , আর দ্বিতীয় বাবা ইয়াবা । কখনও সখনো এই ইয়াবা আবার হয়ে ওঠে তাদের আসল বাবা ।

আদর করে আপনি আপনার GF কে ডাকেন জানপাখি , কেউ ডাকে টুনটুনি , কেউবা ঝুনঝুনি ।
কিন্তু মাদককে কেউ আদর করে বাবা ডাকে এমনটা আগে শোনা যায়নি । মাদক ইয়াবা প্রেমে আসক্ত তরুণ প্রজন্ম তাকে আদর করে ডাকে বাবা ।
এই ইয়াবা বা মাদক প্রেমে তারা এতটাই আসক্ত যে এ পর্যন্ত একটা পরিসংখ্যানে দেখা গেছে মাদক প্রেমে আসক্তদের হাতে ১ বছরে খুন হয়েছে ২৭ বাবা মা ও ১৬ স্ত্রী । হয়তো আরো কয়েক মাস পরে এই পরিসংখ্যানে যোগ হবে আরো কতগুলো সংখ্যা ।

নিয়ন্ত্রণহীন মাদকের বিস্তৃতি নষ্ট করে দিচ্ছে তরুণদের তারুণ্য , মেধা , বিবেক , মনুষ্যত্ব । স্নেহ-মায়া-মমতা-ভালবাসা-পারিবারিক বন্ধন আজ এই ইয়াবা নামক মাদক আসক্তির কাছে তুচ্ছ । ইয়াবা প্রেমে লুলায়িত প্রেমিক প্রেমিকা ইয়াবা সংগ্রহে ব্যার্থ হয়ে খুন করছে নিজ বাবা মা , এমন কি স্ত্রীকেও । অন্যের কাছে বিক্রি করছে নিজের সন্তান ও স্ত্রীকে । ঐশীর কথা না হয় আর বললামই না ।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কি কিছুই করছে না ? প্রশাসন চুপ কেন ?
না না , এটা একদমই ভাববেন না যে তারা একদমই চুপ । তারা মাঝে মধ্যে মাদক নির্মূল করার লক্ষে মাঠে নাম , কিন্তু তাদের কাজ চলে ঢিলেম তালে । র্যাব/পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাদকজাত দ্রব জব্দ করে , মাদক ব্যাবসায়ীদের আটক করে । কিন্তু সে সবই টু পাইসের ধান্দায় । নিজের পকেট ভরতে ।
তাই দেখা যায় জব্দ করা মাদক দ্রব ঘুরতে ঘুরতে আবার সেই মাদক ব্যাবসায়ীদের হাতে চলে আসছে । মাঝ দিয়ে মাদকের দাম বেড়েই চলেছে । কিন্তু দাম বাড়লেও কমছে না এর গ্রাহক সংখ্যা ।

বর্তমানে জাতিসংঘের এক জরিপে বলা হয়েছে , বাংলাদেশে কমপক্ষে ৬৫ লাখ মানুষ সরাসরি মাদকের সাথে জড়িত । তার মধ্যে ৮৭ ভাগ পুরুষ আর ১৩ ভাগ নারী । ১ লাখেরও বেশী জড়িত মাদক ব্যাবসার সাথে ।
আর এই মাদক আসক্তদের ভিতর ৯১ ভাগই কিশোর ও তরুণ । শতকরা ৪৫ ভাগ বেকার এবং ৬৫ ভাগ আন্ডার গ্র্যাজুয়েট । যার মধ্যে ১৫ ভাগ উচ্চ শিক্ষিত মাদকাসক্তও রয়েছে ।’

২ thoughts on “ইয়াবাও কারো কারো বাবা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *