অনুপ্রাণনঃ অন্ত্যমিল ও যুক্তির আসঞ্জন।

যুক্তির উভয় পৃষ্ঠে হয়তো ধোঁয়াশার আলো অন্ধকার। মনে হয়, কখনো প্রখর আলোয় উদ্ভাসিত উজ্জ্বল স্পষ্ট কিন্তু যেন বাদবাকী অনেকটাই ধূসর। যা কিছু আছে অবধারণকৃত জ্ঞানের আয়ত্বে, প্রসারের প্রচেষ্টায় কল্পনার ধূসর অঙ্কশাস্ত্রের জটিল সমীকরণে বিধিবদ্ধ অন্ত্যমিলের খোঁজে, মাঝে মাঝে প্রতীক্ষায় কাতর। কখনো মহাজাগতিক সময় কাটে অন্য কোন ছায়াপথে। কিন্তু সঙ্গীবিহীন অন্ত্যমিলের উভয় প্রান্তেই কখনো যেন হতাশার অভিশাপ। অনুভব, অনুভূতি, আবেগ ও অন্তর্জ্ঞানের অন্ত্যমিলের এক একটি ইট গেঁথে গেঁথে যে সৌধ নির্মিত হল, সজ্ঞানের ভিত্তিমূলে আত্মসচেতনতার বলির রক্তে সেসব মহাকাব্যিক মিথ থেকে বিচ্ছুরিত আলোয় যেন মিশ্রিত শুধুই ক্ষমতা, লোভ, ষড়যন্ত্র আর রক্তপাত। বীরের দর্শনের ধ্রুপদী অনুপ্রেরণা শুদ্ধ প্রেমের বসতি গড়ে



অনুপ্রাণন: অন্ত্যমিল ও যুক্তির আসঞ্জন
যুক্তির উভয় পৃষ্ঠে হয়তো ধোঁয়াশার আলো অন্ধকার। মনে হয়, কখনো প্রখর আলোয় উদ্ভাসিত উজ্জ্বল স্পষ্ট কিন্তু যেন বাদবাকী অনেকটাই ধূসর। যা কিছু আছে অবধারণকৃত জ্ঞানের আয়ত্বে, প্রসারের প্রচেষ্টায় কল্পনার ধূসর অঙ্কশাস্ত্রের জটিল সমীকরণে বিধিবদ্ধ অন্ত্যমিলের খোঁজে, মাঝে মাঝে প্রতীক্ষায় কাতর। কখনো মহাজাগতিক সময় কাটে অন্য কোন ছায়াপথে। কিন্তু সঙ্গীবিহীন অন্ত্যমিলের উভয় প্রান্তেই কখনো যেন হতাশার অভিশাপ। অনুভব, অনুভূতি, আবেগ ও অন্তর্জ্ঞানের অন্ত্যমিলের এক একটি ইট গেঁথে গেঁথে যে সৌধ নির্মিত হল, সজ্ঞানের ভিত্তিমূলে আত্মসচেতনতার বলির রক্তে সেসব মহাকাব্যিক মিথ থেকে বিচ্ছুরিত আলোয় যেন মিশ্রিত শুধুই ক্ষমতা, লোভ, ষড়যন্ত্র আর রক্তপাত। বীরের দর্শনের ধ্রুপদী অনুপ্রেরণা শুদ্ধ প্রেমের বসতি গড়ে না, গড়ে বিরান ময়দানে যুদ্ধের পিঠে যুদ্ধের আত্মপ্রবঞ্চনার ইতিহাস। কতই না প্রেমের আখ্যানে রচিত মহিমা নীরবে সমুদ্রের লবনাক্ত জলে দ্রবিভুত, বিস্মরণের অসীম অন্তরালে এসব ধ্রুপদী চরিত্রগুলো পৃথিবীর হৃদয়ে চেপে বসে বধির হয়ে। প্রেমের ন্যায়বিচারহীন বণ্টনের ক্ষুদ্র আচরণে প্রতারিত সমাজ ব্যাঙ্গ করে সহমর্মিতাকে। এই নান্দনিক প্রকৃতির নিষ্ফল ধ্রুপদী বর্ণনার বিচ্ছুরণ কুৎসিত নগরায়নের ভোগের, উপভোগের ইট-পাথরের লোভ ও লালসার হাত থেকে নিস্তার পায় না। শিল্পশৈলী মানুষের মনের উৎকর্ষ সাধনের হাতিয়ার না হয়ে যেন সম্পূর্ণ বিপরীত ও ভিন্ন অর্থ নিয়ে হয়ে ওঠে উৎপাদন, শোষণ আর পৃথিবীর এই মনোরম পরিবেশ ধ্বংসের অশুভ যান্ত্রিক প্রক্রিয়া। তাই মানুষের জীবনচেতনায় জ্ঞানের যে অঙ্কুর, তার অঙ্কুরোদগম, সবুজ কিশলয়ের কোমলতা নিয়ে বেড়ে ওঠা, প্রকৃতি থেকে মৃদুস্রোতে সিঞ্চিত রস আহরণ করে নিজস্ব সাধন ও শোধন প্রক্রিয়ায় শক্তি সঞ্চয় করে কিশলয় থেকে পরিপক্ক ও সমর্থ কাণ্ডে রূপান্তরিত হওয়ার জীবনের যে অসীম নান্দনিক অনুপ্রেরণা; সুন্দর জীবন ও জীবনের সুস্থিতিশীল জ্ঞানকাণ্ড বিকাশের সামগ্রিক ও অসীম অনুপ্রেরণার রন্ধ্রে রন্ধ্রে অনুপ্রাণন গড়তে চায় অন্ত্যমিল ও যুক্তির চিরায়ত আসঞ্জন। মন ও চেতনার; বোধ, আবেগ, অনুভূতি, অনুভব, সজ্ঞান, কল্পনা ও অনুপ্রেরণার সাথে দেহ, পরিবার ও সমাজের নান্দনিক নির্মাণের পথে বস্তুগত যুক্তির অগ্রসর ও কার্যকরী আত্মীকরণে অনুপ্রাণন হতে চায় প্রযত্নবান।

২০১২’র নভেম্বরে প্রকাশিত অনুপ্রাণন ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকার সুচনা সংখ্যায় আমাদের ভাবতে হয়েছে আমাদের শুরুটা কেমন? আমরা খুঁজে ফিরছি সেই তরুণকে। সে এক বা সে অনেক। আমরা নতুন করে শুরু করতে চেয়েছি। সেই শুরুটা তখনই। অনুপ্রাণন সেই তারুণ্যের শক্তিকে সাথে নিয়ে নতুন করে প্রস্তুতি নিতে শুরু করলো। সেই তরুণের হাত ধরে যাত্রা করতে চাইলো গড়তে একটি নতুন ধারার সাহিত্য।

নতুন প্রাণের স্পন্দনকে সঙ্গি করে, তারুণ্যের উচ্ছ্বাসে ভরপুর নবীনদের লেখায় সমৃদ্ধ ও আলোকিত হয়ে অনুপ্রাণন যে পথ চলা শুরু করে, ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২য় সংখ্যায় তার সম্মুখে উন্মুক্ত হয় এগিয়ে চলার প্রশস্ত সোপান। ঐ পর্যায়ে দাঁড়িয়ে অনুপ্রাণন এই আহ্বান নিয়ে এগিয়ে আসে যে, বাংলাদেশের লিটল ম্যাগাজিন বা ছোট কাগজ, মেধাবী ও প্রতিশ্রুতিশীল নবীন ও উদীয়মান লেখকদের সাহিত্য চর্চার একটি বিরাট ক্ষেত্র। কিন্তু সাহিত্য চর্চার মান উন্নয়ন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, গবেষণা, প্রচার ও প্রসারে ভূমিকা পালনে নিয়োজিত এই পরিমণ্ডলটিকে আরো সংহত, শক্তিশালী ও প্রসারিত করার জন্য পারস্পরিক সহযোগিতা ও প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রটিও সম্প্রসারিত হওয়া প্রয়োজন। এই কাজটি করতে চাইলে পরস্পরের উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার উপর বস্তুনিষ্ঠ ও গঠনমূলক আলোচনা ও সমালোচনা হওয়াটাও জরুরি। কেননা এর ফলে সারাদেশের তরুণ ও নবীন লেখকেরা যেমন পরস্পরের উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার সাথে পরিচিত হওয়ার একটি সুযোগ পাবে, তেমনি দেশের যে অঞ্চলেই থাকুক না কেন একজন নবীন লেখকের লেখাটি মূল্যায়নের ক্ষেত্রটি সারাদেশে সম্প্রসারিত হওয়ার সুযোগ লাভে সক্ষম হতে পারে। অনুপ্রাণনের এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে যুক্ত হতে থাকেন ঢাকা ও ঢাকার বাইরের অনেক প্রতিশ্রুতিশীল নবীন লেখক ও ছোট কাগজের লেখক ও সম্পাদকবৃন্দ।

যে ফুল ঝরে নিভৃতে, নীরবে, অবহেলায়, শোষণে, নিপীড়নে; অনুপ্রাণন তাকে দিবে প্রাণশক্তি; এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রকাশিত হয় অনুপ্রাণনের ৩য় সংখ্যা মে ২০১৩-তে। মে দিবসকে সামনে রেখে ঐ সংখ্যায়, সামাজিক বৈষম্য অপসারণের ক্ষেত্রে সাহিত্য ও আদর্শিক বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা ও বয়ানের পাশাপাশি অকাল প্রয়াত ও সৃষ্টিশীল উজ্জ্বল প্রাণ লেখকদের লেখালেখি এবং ফেব্রুয়ারি-মার্চে ঘটে যাওয়া ‘গণজাগরণের বাংলাদেশ’ এর সার্বিক চিত্র, তার ঘটনাক্রম, তার শান্তিপূর্ণ ও সাংস্কৃতিক প্রকাশভঙ্গী এবং এই জাগরণকে ঘিরে রাজনীতি ও রাজনৈতিক মেরুকরণ, এর ভবিষ্যৎ সম্ভাব্য রূপ ইত্যাদি অনুপ্রাণনের ওই সংখ্যাটিতে সংযোজিত হয়ে সাহিত্য পত্রিকা হিসাবে অনুপ্রাণন তার সামাজিক দায়বদ্ধতার বিষয়টিকে প্রকাশ করার প্রয়াস পায়। যার ফলে, ক্রমান্বয়ে অনুপ্রাণনের প্রচেষ্টার মাধ্যমে পরিচিত ও প্রসারিত হতে থাকে লেখালেখির অঙ্গনে অনেক নতুন বিষয়, অনেক নতুন ও নবীন লেখকের সৃষ্টিশীল উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার মূল্যবান ফসল।

সাহিত্য চর্চার ন্যায্যতা নিয়ে কালের পটে আলোচনা হয়েছে বিস্তর। সত্যি কি শিল্প, কবিতা বা সাহিত্য মানুষের অযৌক্তিক এবং দুর্বোধ্য কাজেরই বহিঃপ্রকাশÑ যার মাধ্যমে পাঠক একটি কল্পিত বাস্তবের জগতে প্রবেশ করে? যে ক্ষেত্রটি পাঠকের কাছে তো বটেই, এমনকি লেখকের অবধারণকৃত জ্ঞানের কাছেও অস্পষ্ট ও অবাস্তব? আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় সাহিত্য চর্চার ক্ষেত্রে যেন অসীম অবহেলা। আমাদের শিক্ষানীতি কি প্ল্যাটো থেকে ফ্রয়েডের দর্শনকেই অনুসরণ করতে চেয়েছে? শিক্ষা ব্যবস্থায় সাহিত্য পাঠের চরম অবহেলাজনক পরিস্থিতি ও পরিবেশ বাংলাদেশের জনসমষ্টিতে দিন দিন সাহিত্য পাঠকের সংখ্যা হ্রাস করে চলেছে, যার ফলে সামগ্রিক বোধ ও নান্দনিক মূল্যবোধের ক্ষেত্রে যে চরম ঘাটতি সৃষ্টি হচ্ছে তার অভিঘাত সমাজের প্রেক্ষাপটে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনার মধ্যে ক্রমে দৃশ্যমান হয়ে উঠছে। বোঝার বিষয় এটাই যে, প্রকৃতপক্ষে একজন নাগরিকের জন্য শিশু ও কিশোর বয়স থেকেই বিদ্যালয়ে শিল্প ও সাহিত্য পাঠ ও চর্চা মানবিক শিক্ষাক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসাবে বিবেচনার দাবী রাখে এবং এই বক্তব্যের পেছনে শক্তিশালী দার্শনিক ভিত্তি এটাই যে, অবশেষে মানুষ নিছক কোন একটি বস্তু বা যান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়; বোধ, চেতনা, অনুপ্রেরণা ও মূল্যবোধের জগতে কতগুলি প্রতীকী কাঠামো নির্মাণে, শিল্প ও সাহিত্যের অনন্যসাধারণ ভূমিকা রয়েছে, যার মাধ্যমে সমাজ ও জগত সম্পর্কে একটি সামগ্রিক সাংস্কৃতিক জ্ঞান, আত্মসচেতনতা ও আত্মপরিচয় লাভ করা সম্ভব হতে পারে। একটি মানবিক সমাজ নির্মাণে, এটা যে কতটুকু জরুরি এর থেকে আরো অধিক ব্যাখ্যার প্রয়োজন হয়তো নেই। একটি কবিতা হতে পারে আপামর জনগণের ইতিবাচক প্রেরণার উৎস। একটি সুলিখিত ও শক্তিশালী উপন্যাস হয়তো বদলে দিতে পারে একজন দুর্বৃত্তের জীবন। কিন্তু এটাও বোধে নেয়া দরকার যে, প্রাতিষ্ঠানিক সাহিত্য চর্চা হয়তো ব্যাপক জনসাধারণের মানসিক কাঠামোটিতে সাহিত্য চিন্তাশীল মনন গড়ে তোলার প্রশিক্ষণ ক্ষেত্র হতে পারে কিন্তু মুক্ত ও সৃষ্টিশীল সাহিত্য চিন্তার ক্ষেত্রটি প্রসারিত হতে পারে একমাত্র অপ্রতিষ্ঠানিক পরিসরে ব্যাপক পাঠক ও লেখকের প্রশিক্ষণ, চর্চা, আলোচনা, আড্ডা ও সমাবেশে। এইজন্য সাহিত্য প্রকাশের পাশাপাশি, সাহিত্য আড্ডা, আলোচনা, কবিতা পাঠের আসর ও বইমেলার আয়োজনেরও কিছু কিছু উদ্যোগ গ্রহণে অনুপ্রাণন নিয়মিত সচেষ্ট থাকে।

অনুপ্রাণনের এই সংখ্যায় সংযোজিত হয়েছে ৭টি মূল্যায়ন ও বিশ্লেষণমূলক প্রবন্ধ। ষাটের দশকের বিশিষ্ট কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা মূল্যায়ন করেছেন বুদ্ধদেব বসুর কাব্যানুবাদ। ভাবান্দোলন ও জালালগীতিকার বর্ণনা ও বিশ্লেষণ করেছেন সেলিম তাহের ও লালন দর্শনের সার নিয়ে আলোচনা করেছেন শশী হক। রাজু আলাউদ্দিন লেখেছেন রবীন্দ্র প্রসারে বাসকোনসোলস সম্পর্কে আর ভূমি অধিগ্রহণ ও ক্রসফায়ার বিষয়ক রাষ্ট্রীয় অপরাধসমূহ সম্পর্কে মামুন হুসাইনের গল্প নিয়ে আলোচনা করেছেন অনুপম হাসান। নবাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী খেলারামদাতার মন্দির সম্পর্কে লেখেছেন ড. মো. আতাউর রহমান ও মো. আদনান আরিফ। নন্দনবোধের বাঙালি মধ্যবিত্ত সম্পর্কে নরেন্দ্রনাথ মিত্রের মূল্যায়নের বিশ্লেষণ করেছেন সোলায়মান সুমন।

দুটি নির্বাচিত গল্প ও তার উপর আলোচনা অনুপ্রাণনের এই সংখ্যায় একটি অনন্য সংযোজন। হানিফ রাশেদীন আলোচনা করেছেন হাসান মাহবুবের গল্প এবং রেজা নুর আলোচনা করেছেন সাগর রহমানের গল্প। তাছাড়া এই সংখ্যায় সংযোজিত হয়েছে বহুমাত্রিক বিষয়কে ধারণ করে ১৭টি গল্প ও তিনটি অনুগল্প। বরাবরের মত অনুপ্রাণনের এই সংখ্যায় নির্বাচিত কবিতা ও কবিতা আলোচনা রয়েছে ৭টি। দশটি করে কবিতা এবং সেই কবিতাসমূহের উপর আলোচনা রয়েছে। এবারের নির্বাচিত কবি; মনির ইউসুফ, কবির য়াহমদ, কুহক মাহমুদ, রেজওয়ান তানিম, ইয়াসির আজিজ, শামীম হোসেন ও রবিউল মানিক। নিয়মিত বিভাগসমুহে রয়েছে; অনুবাদ কবিতা, একক ও দু’টি কবিতা, অনুবাদ গল্প, বই আলোচনা, সাহিত্য আড্ডা, বই পরিচিতি এবং ম্যাগ আলোচনা।

ফেসবুকে অনুপ্রাণন ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকার গ্রুপের বর্তমান সদস্য সংখ্যা প্রায় ২৫০০, যাদের মধ্যে অনেকেই এই গ্রুপে তাদের লেখা পোস্ট করে থাকেন। আমরা চাই সেই লেখাগুলোর যথাযথ মূল্যায়ন। আমরা আহ্বান জানাবো, গ্রুপের সদস্যরা পরস্পরের লেখার উপর তাদের প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্য প্রদান করবেন, যাতে করে পরস্পরের মাঝে তার নিজস্ব লেখাটির যথাযথ মূলায়নের সুযোগটি বৃদ্ধি পেতে পারে। ফেসবুকে অনুপ্রাণনের গ্রুপে পোস্ট করা লেখা থেকে বাছাই করে কিছু লেখা অনুপ্রাণনের এই সংখ্যায় বিশেষভাবে সংযোজিত করা হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতে এর পরিসরটি আরো বৃদ্ধি করতে চাই। তাই অনুপ্রাণন গ্রুপের সদস্যদের ভালো লেখা পোস্ট করা এবং পরস্পরের লেখার উপর আলোচনার ক্ষেত্রটি বৃদ্ধি করার জন্য অনুপ্রাণন সম্পাদকমণ্ডলীর পক্ষ থেকে থাকলো বিশেষ অনুরোধ।

অনুপ্রাণন ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা’এর চতুর্থ সংখ্যা (আগস্ট-অক্টোবর, ২০১৩) প্রকাশিত হয়েছে। পাওয়া যাচ্ছে অনুপ্রাণন প্রদর্শণী ও বিক্রয় কেন্দ্রে, বি-৬৪ কনকর্ড এম্পোরিয়াম কমপ্লেক্স, কাঁটাবন, ঢাকা। ফোনঃ ০১৯১৯৫২০৪৭৩। অনুপ্রাণন পেতে আগ্রহীরা উপরের ঠিকানা থেকে পত্রিকাটি সংগ্রহ করতে পারেন, অথবা ঘরে বসে পত্রিকাটি পেতে চাইলে ইনবক্সে/ফোনে/ই-মেইলে ঠিকানা জানিয়ে দিলে ক্যুরিয়ারের মাধ্যমে আপনার দেয়া ঠিকানায় পৌঁছে দেয়া হবে। সেক্ষেত্রে মূল্য পরিশোধ করতে হবে অনুপ্রাণনের বিকাশ একাউন্টে। অনুপ্রাণনের বিকাশ একাউন্ট নম্বর- ০১৯১৯৫২০৪৭৩। এ-৪ সাইজের, ১৬ ফর্মায় ছাপা অনুপ্রাণন পত্রিকাটির মূল্য, ৳ ৫০/-
অনুপ্রাণনের যারা:
সম্পাদক ও প্রকাশক : আবু এম ইউসুফ।
নির্বাহী সম্পাদক : সরসিজ আলীম।
সহ-সম্পাদকবৃন্দ: রেজওয়ান তানিম, কুহক মাহমুদ।
যোগাযোগ: anupranantroimashik@gmail.com
অনুপ্রাণন পত্রিকা পেতে সরাসরি ফোন করুন: ০১৯১৯৫২০৪৭৩।

২ thoughts on “অনুপ্রাণনঃ অন্ত্যমিল ও যুক্তির আসঞ্জন।

  1. বিজ্ঞাপনটা খুব সুন্দর হয়েছে!
    বিজ্ঞাপনটা খুব সুন্দর হয়েছে! একটি লিখায় প্রায় সবকটি বিভাগ ট্যাগ করেছেন! বিজ্ঞাপন নামে কোন বিভাগ না পাওয়া এমনটি করেছেন?

  2. অনুপ্রাণন একটি সাহিত্য
    অনুপ্রাণন একটি সাহিত্য পত্রিকা। সেখানে প্রবন্ধ, গল্প, অনুগল্প, কবিতা, অনুবাদ, বুক রিভিউ এবং সমসাময়িক বই প্রকাশনার খবর রয়েছে। ধন্যবাদ, আপনার মন্তব্যের জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *