ঘুণপোকা; ভালবাসা

অমুল্য ধন বলে যা কিছু আছে জগতের মাঝে সারাজীবনের একমাত্র সম্পত্তি রাজাধি-রাজ ভালবাসা। প্রতিটা মানুষ দিবা নিশি শয়নে স্বপ্নে ঘুমে জাগরণে ভালবাসার মালা জপে যায় অবলীলায়। জন্ম লগ্নে প্রতিজ্ঞা করে ভালবাসার পিপাসায় তৃষিত হওয়ার। মরুভূমির বালুতে খাঁ খাঁ করা রোদের তাপে রি রি ঝাঁঝে বয়ে যাওয়া বাতাস তৃষ্ণায় আকুল মেঘের; বুকের তিয়াস নয়ন জুড়ে তৃষ্ণায় ধুধু করে খুঁজে ফিরে পিপাসার জল ভালবাসা। প্রকাশে কি গোপনে অতি যত্নে লালন করে দেওয়া-নেওয়ার বাসনা জগতের কাছে মূল্যহীন অমুল্য ভালবাসা। মুল্য দিয়ে পাওয়া যায় না বলেই হয়তো কোনো মূল্যায়ন নেই। আদর করে পেতে দেয় না অতি সম্মানিত অতিথির বড় চেয়ার খানা। গোপন কুঠুরিতে মুখ বন্ধ ছিপিতে লুকায়ে ভালবাসার বীজ বপন করে লালন-পালন করতে শুরু করে। আদরে যত্নে বেড়ে উঠা শিশু ভালবাসা মহীরুহ হয়ে সামনে দাঁড়ালে তখন নিজেরই চিনতে ভুল হয় এক সময়। ভুলবশত নাকি ইচ্ছে করে অনিচ্ছার ভান ধরে অবহেলার, অযত্নের। পড়ে পড়ে মার খায় বেওয়ারিশ কুকুরের মতো।

সব জায়েজ, সব হালাল পুরাটাই ন্যায় হোক সে যত পরিবার এর অপছন্দ, লোক সমাজের আদেশ বহির্ভূত, চলতি প্রথার বিরোধী ভালবাসার জন্য সব কিছু ছাড়া যায়, দেওয়া যায় সম্পর্ক জলাঞ্জলি ছুড়ে ফেলে দেওয়া যায় সমগ্র পৃথিবী। কিছু মানুষের কাছে ভালবাসার চেয়ে দামী বস্তু আর কিছু নেই। ঘুমে জাগরণে একটাই চাওয়া ভালবাসা। বিশুদ্ধতম ভালবাসা। সর্বস্ব উজার করে ভালবাসবে সে তার মানুষটাকে। যার সাথে হাসবে কাঁদবে জীবন জোয়ারে ভাসবে। সেও নিশ্চয়ই তাকে দিবে তার সবটুকু ভালবাসা। দুজন দুজনাতে হবে বিবাগী। একটা স্বপ্নে বিভোর হবে দুই জোড়া চোখ। একই লক্ষ্যে পথ চলবে বলগা হরিণ হয়ে, হংসমিথুন হয়ে ভাসবে জলে ভালবেসে বিশ্বাসে। জন্ম থেকে কাউকে নিবিড় করে পাওয়ার ইচ্ছে চেপে রাখতে রাখতে ভেবে পায় না ভালবাসা এতো অমুল্যবান কেন মানুষ তাকে নিয়ে এতো হেলা ফেলা করে। কেমন গৌন্য হয়ে পড়ে রয় স্টোর রুমের মেঝে ঘরের কোণের অপ্রয়োজনীয় পুরান সোপিস এর মতো। যার প্রয়োজন সবচেয়ে বেশী সে কিনা পায় সীমাহীন অবহেলা। কোনো কোনো মানুষ দেখে মনে হয় এরা ভালবাসার নাম শুনে নেই। শুনলেও হাসির কোনো কৌতুক হিসাবে শুনেছে। কেউ কেউ শুনতে চায় না বুঝতে চায়, জড়াতে চায় অনুভূতির অনুভবে।

কেউ সম্পর্কে সৎ সে যতটা তার চেয়ে বিশ্বাসী কাছের মানুষটার প্রতি। তার জন্য বলি দিতে প্রস্তুত আরব্য রজনীর সব গুলা উপন্যাস। ভালবাসার পরিমাণ আকার, ওজন বুঝাতে মানুষ ব্যবহার করে হাজারও উপমা কত না তুলনা। কতই না বেকার সবই তা। ভালবাসার দৈর্ঘ্য মাপা যায় না কোনো ফিতায়, ওজন করা যায় না পাল্লায়, গভীরতা- উচ্চতা মাপা যায় না কাঠি দিয়ে। সবাই কি অবলীলায় বলে সাগরের মতো গভীর, আকাশের মতো বিশাল, পাহাড়ের মতো মজবুত ভালবাসা টুটে যাবে না ছুটে যাবে না ভাঙবেও না। দিন যেয়ে রাত ফুরাতে না ফুরাতে দুইজন বিকারগ্রস্থের মতো অভিযোগের ঝাপি খুলে বসে। চরম ভালবাসার মানুষ হয়ে যায় চরম শত্রু। এরা সত্যিকারে ভালবাসায় চায় না বা পায় না পেলে এমন হবে কেন? কেউ কেউ অবশ্য জুয়াড়ি হয়ে খেলে যায়। ছেলে মেয়ে উভয়ে ইচ্ছে করে লুকায়, প্রয়োজনে ব্যবহার করে একে অন্যকে।মুখোশে ঢাকা থাকে মুখের অবয় । সত্যিকারে ভালবাসার কি জিনিস এরা হয়তো জানে না বা চায় না। অথচ কি দারুণ কাঙ্গালের অভিনয় করে যায় ভালবাসার জন্য। এক মুহূর্ত ভালাবসা হীন থাকতে না পেরে কাছাকাছি হয় একে অন্যের একের পর এক। যে কোনো সম্পর্কে কেন নিম্নতম বিশ্বাসের ভিত্তি থাকবে না? কি লাভ মিথ্যার জাল বুনে? সময় কাটানো তবে সেটা কেন বলে কয়ে নয়? ভাল না লাগলে চলে যাও পথ অবারিত তবু কেন ছলনার আশ্রয় নেও। ছাই ওড়াও বাতাসে। অন্ধ করে দেও চোখ ভালবাসার মিথ্যা প্রলোভনে।

চিল যেমন ডানা মেলে বাতাসে ভাসে; বাতাসকে ভালবেসে। অনেকেই তার ভীতর বাহির মেলে দেয় সাদা সামুদ্রিক চিলের মতো ভালবাসার বাতাসে ভড় করে। ভালবেসে বিশ্বাসে উজার করে দেয় নিজেকে। কাছে না থেকেও জুড়ে থাকে সারাক্ষণ। দিনের প্রতিটা মুহূর্ত মন প্রাণ জুড়ে থাকে ভালবাসার মানুষটি। কি খেলো? রাস্তা কেমন করে পাড় হলো? টাকার কষ্ট হচ্ছে কি? আজ কি অনেক রাত জাগল? বৃষ্টিতে ভিজে সর্দি হয়ে গেলো না তো?কেমন জমল কবিতার আসর? রান্না করতে গিয়ে হাত পুড়ে গেলো কি? সাদা নাকি নীলে বেশী মানায়? কপালে টিপ দেয় তো? খোঁপায় নাকি এল কেশী থাকতে ভালবাসে। একদল স্বপ্ন দেখায় জ্যোৎস্না দেখার, আল পথে হাত ধরে হাঁটার, নিমন্ত্রণ জানায় নীল শাড়ি আর সাদা পাঞ্জাবি পরে শর্মা খাওয়ার আড্ডায়। কথার ফুল ঝুরিতে মা/বাবা করে দেয় তার এক হালি বাচ্চার।

স্বপ্ন রচনাকারীরা প্রজাপতি হয়ে কোথায় যেন অন্য কোন বাগানে হারায়ে যায়। যাকে স্বপ্ন দেখানো হয় সে বুঝতে পারে না সেকি চলে গেলো নাকি তার ধারনা ভ্রান্ত করে ফিরে আসবে? চলে যাবে যাক বলে গেলে কি ক্ষতি ছিলো? যাকে ভালবাসে তাকে কেমন করে উপেক্ষ্যা করে? তবে কি ভালবাসা ফুরায়ে গেছে কেটে গেছে মোহ? সেটা যদি মোহ হবে তবে কেন বলেনি আগে? সে ভাল না বেসেও কেন বলেছিলো ভালবাসি? সত্যি বলতে সমস্যা কোথায় ছিলো? নিজের জায়গা পরিষ্কার করে না বলার হেতু কি? তাও না হয় করলো না কিন্তু সে যে করেছে তখন কেন সে নিয়েছে কাঙ্গালের মতো হাত পেতে? ভাল না হয় বাসেনি তবে কেন স্বপ্নের সুতায় জাল বুনে মাছ ধরেছে। তবে কি বিশ্বাসের ও কোনো দাম নেই! নিতে সময় নিয়েছে রাজার প্রাপ্য ভেবে চেয়ে, আবদার করে, জোর করে। দিতে সময় কেউ কারো নয়!

সব অভিযোগ ফুরায়ে যায় অভিমানে যে ভালই বাসেই নেই তার বিরুদ্ধে কিসের নালিশ কার কাছে অভিযোগ। আবেগ, রাগ, অভিমান ঘৃণা সবাইকে ছুটি দিয়ে ডুবে যায় রাজ্যের দুর্ভাবনায়। নিরব হয়ে যায় চেতনা। চেতনা থাকলে কষ্টেরা দল বেঁধে জবাবদিহিতা করবে। বোধ না থাকলে অনুভূতির কোনো অভিযোগ নেই, অভিযোগ নেই তো অভিমান নেই, অভিমান নেই মানে কেউ ছিল না কিছু ছিল না। সত্যি কেউ নেই? কিছু নেই! হ্যাঁ নেই। থাকলে- তার উপর অভিমান হতো একটা সময় পরে অথচ একটা সময়ে এসে অভিমান হয় না। কারন যে আমার না, ভালই বাসে নেই সে; তার উপর কোনো দাবি নেই যার উপর দাবি নেই তার উপর অভিমান বস্তির রিক্সয়াওয়ালার অবকাশ যাপনে সুইজারল্যান্ড যাওয়ার মতো অকল্পনীয় স্বপ্ন। ভালবাসাহীন মানুসগুলা দিন দিন ক্ষয়ে যায় পূর্ণিমা শেষে অমাবশ্যার পথে হাঁটা চাঁদের মতো। ভালবেসে কেউ চলে গেলে তবু মেনে নিতে পারে কিন্তু যে ধোঁকার পাহাড় থেকে পা হড়কায় তার পতন কোন অতলে গিয়ে থামবে। পারে কি আর কাউকে বিশ্বাস করতে? অবিশ্বাস করে না জিতে বিশ্বাস করে ঠকা নাকি অনেক ভালো। বিশ্বাসের রোলারে পিষ্ট ভালবাসার আকাঙ্ক্ষা কি জীবন্ত লাশ করে দেয় না? প্রেমে বিরহ আসবে সেই বিরহে পুড়ে খ্যাঁক হবে মনের জমিন। কোন এক বর্ষায় আবার ভিজবে। এ খেলা অবিরত চলে; রোদ- মেঘের আলো ছায়ার মতো। আলো ছায়া কি খেলবে নতুন করে জীবনে আলো আঁধারির নতুন কোনো খেলা!

এক দল আছে খেলোয়াড়; দলে ভারী যারা খেলে যায় আপন মনে অনাবিল সুখে। ভালবাসা এদের নিমিত্তি মাত্র। মৌমাছি হয়ে উড়ে যায় ফুল থেকে ফুলে। কি বাহানায় ভুলে যায় জন্মক্ষণের সেই প্রতিজ্ঞা। ভালবাসা মূল্যহীন এক যাদুর ঝাড়ু হয়ে উঠে; যে ঝাড়ু সুখ কুড়ায়ে ডালা ভরায়ে দেয়। এদের অবচেতন মনে একবারের জন্যও সাধ জাগে না ভালবাসতে; ভালবেসে ভালবাসার স্পর্শ সুখ পেতে! অন্য দল যারা সংখ্যায় মুষ্টিমেয় তাদের চাহিদা কম; যোগান অপ্রতুল, প্রাপ্তির খাতা পূর্ণতা পায় অপরিসীম প্রতারণায়, মিথ্যায় ধোঁকায়। বাষ্প হয়ে জমা শিশির কণা পরিমাণ ভালবাসার জন্য নিদারুণ সরলতায় ত্যাগে দুনিয়া। স্বার্থনিজ লোভী চতুর দল প্রতানায় দলাই করে ফসল তোলে ঘরে এদের মনে থাকে না ভালবাসার ছিটেফোঁটা কারো জন্য নিজেরাও চায় না ভালবাসা। এদের হাতের পুতুল হয়ে হাত থেকে হাতে ঘুরে ভালবাসার চাতকেরা; যাদের কাছে ভালবাসা এক দিকে অন্য দিকে পৃথিবী। প্রকৃতির কি অপরূপ লিলা। লুচ্চা পতিত আর কাননবালাদের কামনায় বাঁধা পরে ভালবাসার কমুককেরা। এক পক্ষ ভালবেসে ঠকে অন্য পক্ষ খেলোয়াড় হয়ে জিতে। কখনো হয় না এমন সত্যিকারে ভালবাসা নিতে এবং দিতে যার হৃদয় উন্মুখ-তার দ্বারে আসে না মরুতে তৃষ্ণার জল ভরা মেঘ হয়ে অন্য ভালবাসার কামুক। ঘুরে ফিরে চলে যায় ভোমরার সন্ধানে। বুকের পাঁজর কুঁড়ে কুঁড়ে খায় ভালবাসার ঘুণপোকায়। মুখোমুখি নির্জনে হয় না বসা মাটিতে পাতা শীতল পাটিতে।

কত জনের জন্য কত ছেলে শুধু দিওয়ানা মাস্তানা হয়ে থাকে এমন না। অনেকে বিরহের দহনে পুড়ে নিভে যায়, হারায়ে যায় অসীম শুন্যতায় কেউ কেউ পথ ভুল করে। অন্যদিকে কেউ অবিচল তার সিধান্তে খাম্বার মতো অনড় সে ছেড়ে যাবে না কখনো না, কোনো কিছুর বিনিময়ে না; সেই হয় প্রতারিত। শুধু ছেলেরা কষ্ট পায় না পায় মেয়েরাও। মেয়েরা কাননবালা হয় না ছেলেরাও হয় পতিত। ফুলে ফুলে ওরা ভোমরেরা মজা লোটে খেলতে খেলতে ভালবেসে নিঃস্ব হয় নিষ্পাপ ভালবাসার কামুকেরা সে হোক ছেলে কিংবা মেয়ে। ভোমরের অবস্থান আছে দুই দলেই। মিথ্যার জলে ভাসতে থাকা কমলের বুকে শিশির হয়ে জমা ভালবাসা গিয়ে পড়ে নোংরা জলে। যারা ভালবাসে আর যারা মজা লুটে দিন শেষে দুই দলই নিঃসঙ্গ একলা। হাহাকার বুকের পাঁজর জুড়ে না পাওয়ার; অতৃপ্ত দীর্ঘশ্বাস।

কোন এক বৃষ্টির রাতে হাত ইশারায় তুমি বলেছিলে ঘর ছাড়তে
বিবাগী হতে না, পুরাদস্তুর সংসারী হতে আঁধারে হাত ধরেছিলাম তোমার
চলেছি কি চলি নেই, সে পথ দেখে দেখে পা ফেলি নেই; নির্ভরতায় মাথা রেখে কাঁধে তোমার
কোন এক সীমানায় এসে তুমি চমকে উঠে বললে ঠিকানা ঠিক ছিলো পথটাই শুধু ভুল হয়েছে
রাতের অন্ধকারের রেশ কাটতেই তুমি ফিরে গেলে তোমার গন্তব্যে
পথের বাঁকের নদী তীরে সূর্যে কোনো আলো নেই
পানির বুক জুড়ে থাকা কুয়াশার ফণা
হাতে নেড়ে ঝেড়ে তাড়ায়ে জলের ছিটা চোখমুখে দিতে গিয়ে
চোখ আটকায়ে যায় জলের আয়নায়
বার বার আমি হাত বুলাই আমার মুখে
তাকাই জলের প্রতিবিম্বে যেখানে ভাসার কথা আমার মুখের ছায়া
পানির আয়নায় ভেসে উঠেছে কোন এক পাড়ার মেয়ের মুখ
জনশুন্য নদী পাড়ে সে আমি মুখোমুখি আবিষ্কারের বিমুগ্ধ দুজন দুজনাতে

১০ thoughts on “ঘুণপোকা; ভালবাসা

  1. আসলে বিষয়টা বুঝে উঠতে পারি
    আসলে বিষয়টা বুঝে উঠতে পারি নি। বোধহয় ভালো লিখা ছিলো। আমিই ভাগ্য হতী। বুঝিনি গল্পটা।

    1. দুঃখিত… এডিট বাকি ছিলো
      দুঃখিত… এডিট বাকি ছিলো এজন্য সরিয়ে নিলাম লেখাটা… আমি ডিলিট করতে পারছি না… এই ব্লগের অনেক কিছু বুঝি না… এডমিনরা দয়া করে পোষ্ট সরিয়ে দিলে খুশি হবো। আমি ড্রাফটে সেভ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পোষ্ট হয়ে গেছে। যারা কষ্ট করে পড়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ এবং মূল্যায়ন করেছেন মতামত দিয়েছেন দেখে অনেক ভালো লাগলো।লেখাটা এডিট করে পোষ্ট দিবো। সবার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।

    1. দুঃখিত— এডিট বাকি ছিলো
      দুঃখিত— এডিট বাকি ছিলো এজন্য সরিয়ে নিলাম লেখাটা… আমি ডিলিট করতে পারছি না… এই ব্লগের অনেক কিছু বুঝি না… এডমিনরা দয়া করে পোষ্ট সরিয়ে দিলে খুশি হবো। আমি ড্রাফটে সেভ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পোষ্ট হয়ে গেছে। যারা কষ্ট করে পড়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ এবং মূল্যায়ন করেছেন মতামত দিয়েছেন দেখে অনেক ভালো লাগলো। লেখাটা এডিট করে পোষ্ট দিবো। সবার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।

    1. দুঃখিত… এডিট বাকি ছিলো
      দুঃখিত… এডিট বাকি ছিলো এজন্য সরিয়ে নিলাম লেখাটা… আমি ডিলিট করতে পারছি না… এই ব্লগের অনেক কিছু বুঝি না… এডমিনরা দয়া করে পোষ্ট সরিয়ে দিলে খুশি হবো। আমি ড্রাফটে সেভ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পোষ্ট হয়ে গেছে। যারা কষ্ট করে পড়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ এবং মূল্যায়ন করেছেন মতামত দিয়েছেন দেখে অনেক ভালো লাগলো। লেখাটা এডিট করে পোষ্ট দিবো। সবার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।

  2. সমালোচনা: গল্পের ভাষা এতই
    সমালোচনা: গল্পের ভাষা এতই কঠিন হয়েছে যে দুই লাইন পড়ার পর পাঠক আগ্রহ হারাবে। এইটা গল্প নাকি বুঝলাম না। প্রায় কবিতা টাইপের মনে হল। কবিতা হিসেবে লিখলেই বেশি সুন্দর লাগতো। গল্পের মেসেজ বুঝা যায়নি আর অথবা আপনি কোনো মেসেজ দেন নি। সাহিত্যের অতিরঞ্জনে গল্পটা রবীন্দ্র প্রভাব যুক্ত কিছুটা।

    ক্রেডিট: আপনার বাংলা শব্দ ভান্ডার উন্নত। আপনি খুব ভালো ভাবে কঠিন শব্দগুলো সাজাতে পারেন যেটা আপনার দক্ষতা। গল্পটি (ঠিক গল্প বলা যায়না) পড়ে আপনার পরিপক্বতা পাঠক সহজেই অনুধাবন করতে পারবে।

    কানে কানে কথা: প্রাঞ্জলতা রচনার বড় গুণ। আশা এমন ভাবে লিখবেন যাতে যে কেউ সেটা বুঝে। সাহিত্য সবার জন্য। তাইনা? পরের বার আরো ভালো কিছু আশা করছি ।

    1. এডিট বাকি ছিলো এজন্য সরিয়ে
      এডিট বাকি ছিলো এজন্য সরিয়ে নিলাম লেখাটা… আমি ডিলিট করতে পারছি না… এই ব্লগের অনেক কিছু বুঝি না… এডমিনরা দয়া করে পোষ্ট সরিয়ে দিলে খুশি হবো। আমি ড্রাফটে সেভ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পোষ্ট হয়ে গেছে। যারা কষ্ট করে পড়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ এবং মূল্যায়ন করেছেন মতামত দিয়েছেন দেখে অনেক ভালো লাগলো। আপনার মন্তব্য আমার দারুণ পছন্দ হয়েছে। লেখাটা এডিট করে পোষ্ট দিবো। সবার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।

Leave a Reply to এসজিএস শাহিন Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *