দুজন ভাল নৈতিক চরিত্রের ডাক্তার

দুজন ভাল নৈতিক চরিত্রের ডাক্তারের ঠিকানা আজ আপনাদের শেয়ার করব। আমি আজ থেকে একজনকে ১০ বছর এবং একজনকে ৫ বছর হতে চিনি।
কিছু ঘটনা শেয়ার না করলেই না।

দুজন ভাল নৈতিক চরিত্রের ডাক্তারের ঠিকানা আজ আপনাদের শেয়ার করব। আমি আজ থেকে একজনকে ১০ বছর এবং একজনকে ৫ বছর হতে চিনি।
কিছু ঘটনা শেয়ার না করলেই না।
## ঘটনা ১— আজ হতে প্রায় ৮-৯ বৎসর আগের কথা,আমরা ৪ ভাই রাজশাহীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আমার পড়াশুনা করি। মার হাত পা ঝিন ঝিন কিণ করে ব্যথা করে, আর সে সময় রাজশাহীর সবচেয়ে নামকরা মেডিসিন বিশেষঙ্গ ২ জন। একজন ডাঃ রফিক এবং ডাঃ আজহার । তো বড় ভাইরা সিদ্ধান্ত নিলো ডাঃ আজহার কে দেখাবে। মাকে নিয়ে নির্দিষ্ট দিন সকালে গেলাম ডাঃ এর কাছে । সব শুনে উনি বললেন এটি নার্ভ এর সমস্যা আপনারা ডাঃ কমর উদ্দিন এর কাছে যান। তিনি কোন ফি নিলেন না আমাদের কাছে। ও ভুলে গেছি আমাদের আগে আগে এক অসহায় ভিক্ষুক এসেছে চিকিৎসা করাতে তিনি তারও কোন ভিজিট নিলেন না। এই সব ঘটনা পরে অনেক শুনেছি। তার কাছে এত রুগী আসতো যে শেষ পর্যন্ত বাকি মেডিসিন ডাঃ রা কূটনামি আর রাজনীতি করে ওনাকে বদলি করার ব্যবস্থা করে ঢাকায়। ঐ থেকে তিনি আর রাজশাহী মুখি হননি। আমরা রাজশাহী বাসি হারালাম ভাল একজন ডাঃ কে। আজও তিনি ঢাকায় রয়েছেন।

@@ মরাল: এখন কার ডাক্তার হলে কি করত বলেন তো। ও ঐ বিষয়ে বিশেষঙ্গ না হলেও দু একটা ঔষধ দিয়ে ভিজিট খানি নিতেন। আর কখনই অন্য ডাঃ এর নাম বলতেন না।

## ঘটনা ২— ৪-৫ বছর আগে মার সেই হাত পা ঝিন ঝিন কিণ ব্যথা আবার শুরু ।তখন আমি একলা রাজশাহীতে। বড় ভাইরা চাকরি নিয়ে বিভিন্ন যায়গায়।
মাকে ডাঃ দেখাতে হবে। ডাঃ কমর উদ্দিন এর নানা অভিযোগ, তিনি রোগীর কথা ভাল ভাবে শোনেন না। তাই আমাকে স্থানীয় এক বড় ভাই বলল তুমি ডাঃ নারায়ন চন্দ্র কুণ্ডু কে দেখাও। তিনি তখন নবীন ডাঃ । সেই মত তাঁকে দেখানো হল। তিনি ৪৫ মিনিট ধরে মার যাবতীয় প্রেশকিপশান বিভিন্ন পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে টেস্ট দিলেন T3,T4,TSH,FT3,FT4 যা তখন একমাত্র পরমাণু চিকিৎসা কেন্দ্রে করতে হত। তার পর হতে আজ পর্যন্ত আমার মা কে প্রতি ৬ মাস পর পর ঐ পরীক্ষা করে ডাঃ কে দেখাতে হয়।
এর পরের ঘটনা আবার ঐ রকম। এনাকেও ঐ রাজনৈতিক ভাবে ঢাকাতে বদলি। মাকে নিয়ে ঢাকাতে দেখাতে আসলে প্রায় বলি সার শুক্রবারে তো রাজশাহীতে যেয়ে রুগী দেখতে পারেন। তিনি হেসে উত্তর দিয়েছিলেন– আর রাজশাহী তে জাচ্ছিনা কক্ষনো। তার একটা ভাল গুন হল তিনি রোগীর সকল তথ্য তার ল্যাপটপে আপডেট রাখেন। আপনি ১০ বছর পরেও তার কাছে গেলে আপনার রেকর্ড পাবেন। আর শুনেছি এই তথ্য হতে তিনি রোগীদের শরীরে ঔষধের প্রভাব পরীক্ষা সহ নানা রকম গবেষণা করেন।
>>> ৬-৬-১৩ তে মাকে নিয়ে গেছিলাম তার কাছে। মা বেশ আক্ষেপ করে বলল, এত ঔষধ খাচ্ছি রোগ একবারে ভাল হয়না। তিনি বললেন মা আমরা শুধু চেষ্টা করতে পারি, আমাদের ক্ষমতা নাই সম্পূর্ণ ভাল করার, তিনি( সৃষ্টি কর্তা) কিছু ক্ষমতা তার হাতে রেখে দিয়েছেন। এখানে আমাদের কিচ্ছু করার নেই।

তো এত ভান ভণিতা গল্প যাদের নিয়ে তাদের ঠিকানা এবার দিচ্ছি।
**ডাঃ নারায়ন চন্দ্র কুণ্ডু
এফসিপিএস(মেডিসিন), এমডি(নিউরলজি),এমএসিপি(আমেরিকা)
সহযোগী অধ্যাপক(নিউরলজি)
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও
মিটফোর্ড হাসপাতাল, ঢাকা।
>> রোগী দেখেন ৫-৯ টা, সিরিয়াল: ০১৭১৭-৮৪১৯৪৬

**অধ্যাপক এম এ আজাহার
এমবিএস, এফসিপিএস,এফএসিপি, এফআরসিপি( এডিন)
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও
মিটফোর্ড হাসপাতাল, ঢাকা।
>>রোগী দেখেন ৩-৮ টা, সিরিয়ালঃ ০১৭১৭-৮৪১৯৪৬
এ দুই ডাঃ এর কাছে আমি বিভিন্ন ভাবে কৃত্নজ্ঞ। তাদের ধন্যবাদ জানায় অন্তর হতে। আর আপনাদের সমস্যা হলে এদের কাছে যাবেন এটি আমার অনুরধ। আপনি ১০০% লাভবান হবেন।
>>>> ঠিকানা<<< পপুলার কনসালটেন্ট সেন্টার—১ বাড়ি -১, সড়ক – ২, ধানমণ্ডি। ঢাকা-১২০৫ ( সাইন্স ল্যাব হতে সিটি কলেজ এর রোডে) ‘ডাক্তার’ বাংলাদেশের বেসরকারি মেডিকেল কলেজ গুলির ভর্তি ফি অস্বাভাবিক বেশি। এত ভর্তি ফি দিয়ে ভর্তি এবং মাসে মাসে আরও বেশ মোটা অংকের টাকা গুনতে হচ্ছে অভিভাবক দের। নীচে আমার হিসাব টা একটু দেখুন.................. ভর্তি ফী:……………………………………………………………:১৮০০০০০ টাকা মাসিক চার্জ(খাওয়া, হস্টেল , মাসিক বেতন ETC):১০০৮০০০ টাকা (৬ বছর X১২ X১৪০০০=১০০৮০০০)MBBS শেষ হতে ৬ বসর লাগে বই (৬ বছরে).........................................ঃ ৩০০০০০ টাকা এক্সটা ..........................................।।.....ঃ ৫০০০০ টাকা মোট খরচ..........................................=৩১০৫৮০০ টাকা তাহলে দেখুন, এত বিশাল খরচ করে পড়ে যখন তারা ডাক্তার হয়, তাদের মনে কি থাকে যে, তাদের প্রধান লক্ষ্য মানুষ কে সেবা দান। আমার মনে হয় তাদের প্রধান লক্ষ্য থাকে কি করে কত তাড়াতাড়ি সেই টাকা তোলা যাই। এর সত্যতা পাবেন যখন যাবেন ডাক্তার দের চেম্বারে।তাদের ফি বা ফিস শুনলে মাথা খারাপ। আর বড় দু একটা ডিগ্রি থাকলে তো কথা নেই। রুগী দের ব্যবস্থাপত্র শুধু লিখলে কাজ হত, এর সঙ্গে এই টেস্ট সেই টেস্ট , যার বেশির ভাগই দরকার হই না (এর প্রধান কারণ DAIGONESTICT CENTER গুলির সাথে গোপন চুক্তি ) এখান হতেও কামাই । তার পর এমন সব ঔষধ লিখে( কারণ হল ঔষধ কোম্পানি সাথে চুক্তি)। এখান হতেও কামাই। এদের ডাকাত ছাড়া আর কি বলব। বিঃদ্রঃ ভাল ডাক্তার যে নেই তা কিন্তু বলছিনা। এই সব আমার নিজ দেখা এবং শোনা। এদের সাথে আমি মিল খুঁজে পাই ঘুষ দিয়ে চাকরি নেওয়া দের। কারণ এদেরও লক্ষ্য থাকে কেমন করে ঘুষ দেওয়া টাকা কত তাড়াতাড়ি তোলা যায়। # আমার খুব রাগ এই সব ডাক্তার দের প্রতি। তাই আমার খুব ইচ্ছে আছে আমার অনেক টাকা হলে একটা ফ্রি ডাক্তার খানা খুলব আমার এলাকাই।আর একটা ডাক্তার কে ভাড়া করব নে তর কত টাকা লাগবে। এটাই হবে ডাক্তার দের ওপর আমার প্রতিশোধ। # আমার এই লিখা লিখতে তথ্য দিয়ে সাহায্য করেছে আমার ভাগনা জোবায়ের। ও একটা বেসরকারি মেডিকেলে পড়ে।

২৮ thoughts on “দুজন ভাল নৈতিক চরিত্রের ডাক্তার

      1. ডাক্তারদের শালা সম্বোধন করার
        ডাক্তারদের শালা সম্বোধন করার আগে দ্বিতীয় বারের মত ভেবে দেখুন তো কোনো ডাক্তারের বড় বোনকে বিয়ে করেছেন কিনা?
        যাই হোক, মূল কথায় আসি। ইস্টিশনে বিজ্ঞাপন দেয়ার কোনো বিভাগ থাকলে ভালো হত। বিক্রয় ডট কমে না দিয়ে বিজ্ঞাপনত গুলো এখানেই দিতাম। ভালো ডাক্তারের খোঁজ দিলেন ভালো কথা, কিন্তু তাদের উপর রাগ ঝাড়ার যৌক্তিকতা কি? ডাক্তারের ভিজিট নিয়ে সরকার কোনো আইন পাস করে দিলেই তো হয়। তাইনা? পৃথিবীতে মানুষকে বাঁচাতে পারে একমাত্র ডাক্তার নামক এই ‘মানব ঈশ্বর’। আমার বয়স যখন ১৩ দিন তখন কঠিন নিওমোনিয়া হয়। তখন কোনো মানবতাবাদী আমাকে বাঁচিয়ে তুলেনাই। তখন আমাকে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে এই কসাই (!) গুলোই বাঁচিয়ে রাখছে। হ্যাঁ, ওরা আপনার আমার শালা। চেম্বারে ঢুকার সময় করজোড় করে আপনারাই তাকে ৫০০ টাকার চকচকে নোট ধরাবেন, বের হয়ে বলবেন,”শালা ডাকাইত!” ডাক্তাররা জাতির শালা। তারা টাকা নেয় এটা অপরাধ। মানুষকে বাঁচিয়ে টাকা নেয়া যদি অপরাধ হয় তবে কোটি কোটি মানুষের টাকা আত্মসাৎ করাটা ভালো। এজন্য আমরা তারেক, ইউনুসের মত মানুষদের ইস্যুতে পক্ষে বিপক্ষে থাকলেও ডাক্তার ইস্যুতে ডাক্তারের বোন কে কাল্পনিক ভাবে বিয়া করে তাকে শালা বানাই দিই। যারা আর্থিক ভাবে দূর্বল তাদের চিকিৎসার মৌলিক অধিকার সরকার রাখছে, কিন্তু ডাক্তার রাখে নাই কেন? ডাক্তার আছে কয়জন? কয়জনের যোগ্য সার্টিফিকেট আছে? ডাক্তারের ফী এর ব্যাপারে কোনো নীতিমালা আছে? কেন নাই? হ্যাঁ, ওরা মানুষকে বাঁচায়, তাই ওরা টাকা নিবে। বেশি নিবে। টাকা ওরা মাগনা নিতেছে না। গরীবদের জন্য অনেক ডাক্তারই (প্রায় সবাই) নমনীয়। আমি এটা নিজেই দেখেছি। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের সার্টিফাইড ডাক্তার। কিন্তু যদি গরীবদের ফী না থাকে, তবে এমপি মন্ত্রীরা নিজের পকেট থেকে গরীব মানুষদের ফী এর ব্যবস্থা করবে। ডাক্তাররা কমিটি গঠন করে তাদের জন্য বিশেষ ছাড় দিবে, আর সেই টাকা উসুল করা হোক বড়লোকি দেখানো হারামিদের উপর;দেশের মাটিতে যাদের মৃত্যু হয়না,জ্বর কাশি হইলেই চিঙ্গাপুর দৌড় দেয়, সেখান থেকে লাশ হয়ে ঘরে ফিরে। তাও আমাদের দেশের ডাক্তাররা খ্রাপ। ভালো তো।

        আমরা বাঙালি জাতি। কোনো কিছুর মূল্য আমরা দিতে পারি নাই। মূল্য দিতে ক্ষেমতা লাগে। বুকের জোর লাগে। আমরা কনুই দিয়ে গুঁতা মেরে অন্যকে টপকে যাওয়া জাতি, আমাদের কাজ হইলো “যত পার সুবিধা আদায় কর, তারপর মানবতা দেখাইয়া চুষীল হইয়া যাও!”

        হ, আমরা চুষীল, আমরা জ্ঞানী,মানবতাবাদী। আর ডাক্তার আমাদের শালা, ওরা কসাই এর জাত। বাংলাদেশে ডাক্তারের দরকার নাই। গাছের লতাপাতা খাইয়া বুদ্ধিমান বাঙালি বেঁচে থাক, যুগ যুগ ধরে।।।

        1. এরশাদ চাচা একবার নির্দিষ্ট ফি
          এরশাদ চাচা একবার নির্দিষ্ট ফি করতে গিয়েছিল………… ডাক্তার দের আন্দোলনে তিনি পিছিয়ে আসেন। বড় বড় মেডিকেল গুলিতে ১০ টাকা ফি দিয়ে বড় বড় ডাক্তার গুলি আপনি দেখাতে পারবেন। কিন্তু মাসের ৩০ দিনের মধ্যে ২৯ দিন এই হারামি গুলি হাসপাতালে আসেন না, না আসার বিভিন্ন কারণের মধ্যে প্রধান কারণ প্রাইভেট চেম্বারে রোগীদেখার কারণে। এই হারামি গুলি একটু টাইট হয়েছিল ম ইন ফখরুল আমলে। সে সময় প্রত্যেক বড় বড় হাসপাতালের প্রধান করে পাঠানো হয়েছিল এক জন বিগ্রেডিয়ারদের। আর সে সময় আমাদের রাজশাহী হাসপাতালে এত ভাল সেবা আমি আমার রোগীদের জন্য পেয়েছি যে কি বলব। সব নামকরা ডাক্তার দের ফি এবং তাদের সকাল ৯-১ তা পর্যন্ত পেতাম হাসপাতালে।
          আমার দীর্ঘ ১৫ বছরের এলাকার রুগী ও আমার আত্মীয় স্বজন নিয়ে চিকিৎসা করানো ( ঘাঁত প্রতিঘাত) হতে এই হারামি গুলিকে আমি হাড়ে হাড়ে চিনি আমি। এরা এত খারাপ আর নিন্ম মন মানসিকতার হয় যে বলে বুঝাতে পারব না।
          # আর মানুষ ভাল না খারাপ হবে তা সম্পূর্ণ উপরআলার হাতে। ডাক্তার দের হাতে না।

          >>> ৬-৬-১৩ তে মাকে নিয়ে গেছিলাম তার কাছে। মা বেশ আক্ষেপ করে বলল, এত ঔষধ খাচ্ছি রোগ একবারে ভাল হয়না। তিনি বললেন মা আমরা শুধু চেষ্টা করতে পারি, আমাদের ক্ষমতা নাই সম্পূর্ণ ভাল করার, তিনি( সৃষ্টি কর্তা) কিছু ক্ষমতা তার হাতে রেখে দিয়েছেন। এখানে আমাদের কিচ্ছু করার নেই।

        2. সহমত ইলেকট্রন ভাই ।আপনি কথা
          সহমত ইলেকট্রন ভাই ।আপনি কথা না বললে এরকম কিছু আমিও বলতে চেয়েছিলাম ।যাইহোক, আপনি যখন জবাব দিয়ে দিছেন তখন আর কিছু বলার প্রয়োজন নেই ।

        3. ইলেকট্রন ভাই তো পুরাই ফাটায়া
          ইলেকট্রন ভাই তো পুরাই ফাটায়া দিলেন। এই কথাগুলো বলবার জন্য কমেন্ট করতে গিয়ে আপনার মন্তব্য চোখে পড়ল। এটাই যথেষ্ট।
          :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  1. আর নৈতিকতা সিখ্যা দেওয়া আমার
    আর নৈতিকতা সিখ্যা দেওয়া আমার লিখার কোন উদ্দেশ্য নয়। কাওকে নৈতিক ঙ্গান দেবার খমতাও আমার নেই। তাই অঝতা ফাল পাড়ছেন।

  2. বেসরকারী মেডিক্যাল থেকে
    বেসরকারী মেডিক্যাল থেকে এম,বি,বি,এস পাশ করতে “৩,১০,৫৮,০০০/- (তিন কোটি+)” টাকা লাগে!!! বাপরে! ডাক্তারী না পড়ে তো বিরাট বুদ্ধিমানের কাজ করেছি!!!

    পুরো পোস্টটা বেশ হিবিজিবি। অনেকগুলো তথ্য একসাথে দিতে গেলে যা হয় আরকি! সবগুলো হ-য-ব-র-ল হয়ে যায়। ক্লীয়ার মেসেজ পেলাম না। ‘ডাক্তারদের মধ্যে ভাল-মন্দ আছে’ এটাই তো? তা এতো বড় পোস্টের মধ্যে মূল ম্যাসেজটা কী?

    শেষে এসে একটা ভালো কথা বলেছেন। আপনার যেদিন অনেক টাকা হবে সেদিন…
    খুব ভালো চিন্তা! ক্লাস সিক্স থেকে টেইন পর্যন্ত আমরা সবাই “আমার জীবনের লক্ষ্য” রচনা/প্যারাগ্রাফে বহুবার এই কথাই বলেছি। বড় হয়ে ডাক্তার হব, তারপর গ্রামে গিয়ে দাতব্য চিকিৎসালয় খুলবো…
    গত ৩০/৪০ বছরে মিনিমান ৩/৪ কোটি ছাত্র তাদের জীবনের লক্ষ্যে ঐ একই মুকস্ত কথা লিখেছে! আজ পর্যন্ত তা বলনসই রকমে বাস্তব হয়নি! কেন? অবশ্য সেটা আপনার পোস্টেই উঠে এসেছে অনেকটা… বাস্তবতা আসলে এমনই হয়!

    তবু আপনি স্বপ্ন দেখেন- আপনি গরীব মানুষের জন্য কিছু করবেন। এই স্বপ্নটুকুই বা ক’জন দেখার সাহস করে? আপনার প্রতি শুভ কামনা রইল…
    “স্বপ্ন থাকলে সাফল্য আসবেই!” এগিয়ে যান। গড ব্লেস ইউ… :ফুল:

  3. আর সবচেয়ে ভাল হয় একজন ঔষধ
    আর সবচেয়ে ভাল হয় একজন ঔষধ কোম্পানির দালালের সাথে কথা বললে। এক দালাল আর এক দালালের সম্পর্কে কই রকম কথা বলে একটু দয়া করে শুনে দেখবেন যদি কাছের কেও থাকে।

  4. ভুল – বাল তথ্য দিয়া বোলগ!(!)
    ভুল – বাল তথ্য দিয়া বোলগ!(!) লিখবেন, কোনকিছু, যেইটা আপ্নার সাধ্যের বাইরে, তা লইয়া লিখবেন! আর আমি কইলে দোষ। অহে ভাহে, তিন কোটি+ ট্যাকার হিসাব যে দিলেন, দেয়ার আগে কি বাবা খাইছিলেন? হোয়াট ইবার, মনে কয় ‘০ ‘ এক্টা বেশি হইয়া গেছে। আর দালাল কারে বলছেন? আপ্নে মনে হয়, জানেন না, যে এই দুনিয়ায় সবাই দালাল। এইযে, এই পোস্টে দুই ডাক্তারের দালালি করলেন? ভালো থাইকেন। :হাহাপগে:

  5. ভাই দালালি তখনই হয়, যখন ঐ
    ভাই দালালি তখনই হয়, যখন ঐ খানে আমার স্বার্থ থকবে। আমি না ঐ প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি না কোন আর্থিক সম্পর্ক আছে ঐ খানে। সুতরাং আপনার মন্তব্য গাজা টেনে করেছেন বলে মনে হয়। আর হা একটি শূন্য বেশি হয়েছে। সব যোগ করলে লাখ হয়। আর হা আমরা জীবিকার জন্য সকলে দালালি করি। এটি ঠিক। তবে তা যেন থাকে একটা লিমিট পর্যন্ত। তা হলে তা কারও জন্য ক্ষতিকর হয় না। মনে হয় বুজেছেন

  6. আমি মুষ্টিমেয় কিছু ডাক্তার কে
    আমি মুষ্টিমেয় কিছু ডাক্তার কে ঘৃণা করি যাদের কাছে টাকাই সব। আসলে মানুষ যখন বড় কোন এক অবস্থানে পৌছে তার মনুষত্ব তখন লোপ পেতে থাকে।
    কিছু কিছু ডাক্তার আছেন যাদের ব্যবহারে রোগি অর্ধেক ভাল হয়ে যান।

    ২০০৫ সালের কথা আমার মাকে নিয়ে ঢাকার ধানমন্ডি ক্লিনিকে যাওয়া হল । আমার মাকে নিয়ে তার দুই তিন দিন পর ইন্ডিয়া যাওয়া হবে তাই শেষ চেক আপ। ডাক্তার জানালেন ইন্ডিয়া যাবার কোন প্রয়োজন নেই আমার মা নাকি ভাল আছেন । তিনিই ভাল করতে পারবেন।

    এর পর যখন ইন্ডিয়া নিয়ে যাওয়া হল তখন ডাক্তারেরা বলল যে আর ১৫ দিন দেরি করলে হয়তো সৃষ্টি কর্তাও ভাল করতে পারত না তিনি মারা যেতেন।

    সেখানের হাসপাতালে আমার মা দীর্ঘ তিন মাস ভর্তি ছিল ৩ লাখ রুপি বিল এসেছিল ঔষধ খরচ সহ । কিন্তু তারা আমাদের কাছ থেকে মাত্র ২০হাজার রুপি নিয়েছিল অপারেশনের আগে এর পর আর চায় ও নি। বরং ডলারে জমা দেয়ার ফলে যত রুপি বেশি হয়েছিল তা ফেরত দিয়েছিল। টাকার জন্য চিকিৎসা বন্ধ করেন নি তারা। কি বলবেন এদের? শুধু আমার মা নয় পরবর্তিতে আমাদের পরিচিত অনেকেই সেই হাসপাতালে যান তাদের বেলায় ও ভাল চিকিৎসা দেয়া হয় সাথে অপারগতায় অর্থ কম নেয়া হয়।

    আমি এই ডাক্তার জাতির প্রতি চিরকৃতজ্ঞ এদের জন্যই আমি আমার মাকে ফিরে পেয়েছি। কেউ হয়তো কখনও আমার পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে অতিক্রম করেন নি। যেখানে আমার মার বেচে থাকার কথা না সেখানে ঈশ্বর ও এই মানব ঈশ্বর ডাক্তার দের জন্য তিনি আজও বেচে আছেন।

    আর শুনুন আমার মার বাংলাদেশে একই অপারেশন তিন বার করা হয়েছে। তার ব্রেইনে পানি জমত । তাই প্রথমে পিজি হাসপাতালে করা হয় তার ব্রেইন থেকে মত্রনালী পর্যন্ত একটি প্লাস্টিকের পাইপের মাধ্যমে পানি অপসারণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল ২০০৪ সালে। এর পর ৬ মাস পরেই সেই পাইপ চামরা ভেদ করে বেরিয়ে আসার অবস্থা।

    তখন ধানমন্ডি ক্লিনিকে ২০ দিন ভর্তিছিল। ১৫ দিন মাথা থেকে রক্ত পড়েছে সেই পাইপ দিয়ে। এর পর রক্ত পড়া বন্ধ হবার পর পাইপ অন্য পাশ দিয়ে দেয়া হয়। তিন মাস পর একই সমস্যা। এর পর বাংলাদেশের শীর্ষ ২০ ডাক্তারকে একত্রিত করে মিটিং করা হয় আমার মাকে কি করা হবে।

    এর পর বাবা বাংলাদেশের ডাক্তারদের উপর আস্থা হারিয়ে ইন্ডিয়া নেয়া হয়। যার কথা আগেই বলেছি ।
    ইন্ডিয়াতে বলা হয়েছে এই রোগির কোন অপারেশন লাগত না। আমার মা আজও পাইপ ছাড়া কোন প্রকার নিয়মিত ঔষধ সেবন ছাড়াই বেচে আছে।

    কি বলবেন এতে আপনি? ভাই ভাল খারাপ সব জায়গায় আছে। বুঝলেন। আমি ইন্ডিয়ার ঐ হাসপাতালের উপর রিভিউ দিতে চেয়েছিলাম পরবর্তিতে সবাই সেটাকে বিজ্ঞাপন বলবে তাই দেই নি।
    হাসপাতাল টির নাম :narayana hridalay
    হাসপাতাল টিতে সব রকমের চিকিৎসা হয় ।
    হাসপাতাল টির চেয়ার ম্যান উপমহাদেশের অন্যতম সেরা হার্ট বিশেষজ্ঞ ডা: দেবী শেঠি।
    এই ডাক্তার শেঠি নাকি ১৫ দিন বয়সের বাচ্চার সফল ভাবে অপারেশন করেছেন

  7. আপনার এই লেখা একজন তরুণ
    আপনার এই লেখা একজন তরুণ ডাক্তার পড়লে তার প্রতিক্রিয়া কি হবে? রোগীর প্রতি দরদ বাড়বে? নাকি আপনার মতো বেয়াদব রোগীর জন্য সমগ্র রোগীদের প্রতি বিদ্বেষ আরও বাড়বে? আগে নিজে ঠিক হন, তারপর অন্যরে ঠিক করার জন্য মুখ খুইলেন। এইসব কি ধরনের ল্যাংগুয়েজ? বস্তির পোলাপাইনের মতো ল্যাংগুয়েজ নিয়ে আসছেন বোলগিং করতে। :ঘুমপাইতেছে:

    1. এই এত দিনের ব্লগিং এ আজ
      এই এত দিনের ব্লগিং এ আজ প্রথমবারের মত আতিক ভাই আপনাকে উত্তেজিত হতে দেখলাম।

      আমাদের মন্তব্য কি দেখেছেন আতিক ভাই? আমরাও প্রতিবাদ করেছি ।

    2. তাই কি আতিক ভাই, আমি যত বার
      তাই কি আতিক ভাই, আমি যত বার রুগী নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেছি এবং বাজে আরণ ও ব্যবহার পেয়েছি তার ফল মনে হয় এই । আর যারা বাল তারা এমনি ভাল, তারা আমার লিখা পড়লে আরও ভাল হবে বলে মনে হয়।

  8. হেহেহে!পইড়া মাথা ঘুরতেছে!!যা
    হেহেহে!পইড়া মাথা ঘুরতেছে!!যা লিখছেন সব মাথার উপর দিয়ে চলে গেল।তথ্যগুলোতে কিছু ভুল আছে মনে হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *