বড়ই আজব

একদিন

আবিরঃ ওই! তুই বলে শাহবাগে যাস?
আমিঃ হ, যাই। ক্যান কি হইসে?
আবিরঃ তুইও কি শালা সব স্যারগো মতন নাস্তিক হইয়া গেলি?
আমিঃ হইলে হইসি। তোর এত পুটকি চুলকায় ক্যা?
আবিরঃ তোরা সব শালা আওয়ামী। হিন্দু-ইন্ডিয়া গো দালাল। দেখিস, একদিন ঠিকই দেশে ইসলাম কায়েম হইব।
আমিঃ আরে রাখ তোর ধর্ম নিয়া ফালাফালি।
আবিরঃ তুইই ক, তের দফার একটাও কি অযৌক্তিক? কোন মুসলমান কি এটারে অস্বীকার করতে পারব?
আমিঃ তোর ব্রেন পুরাই ওয়াশ কইরা হালাইসে শিবিরে। আগেই কইসিলাম ধুপখোলায় না খেইল্লা স্কুলের মাঠে খেল। বাই দা ওয়ে, আগে না তুই মুক্তমনা আসিলি?
আবিরঃ তোরে কি জিগাইলাম? আর তুই কিয়ের পেচাল পারস? আমি তের দফা নিয়া কইতাসিলাম।

একদিন

আবিরঃ ওই! তুই বলে শাহবাগে যাস?
আমিঃ হ, যাই। ক্যান কি হইসে?
আবিরঃ তুইও কি শালা সব স্যারগো মতন নাস্তিক হইয়া গেলি?
আমিঃ হইলে হইসি। তোর এত পুটকি চুলকায় ক্যা?
আবিরঃ তোরা সব শালা আওয়ামী। হিন্দু-ইন্ডিয়া গো দালাল। দেখিস, একদিন ঠিকই দেশে ইসলাম কায়েম হইব।
আমিঃ আরে রাখ তোর ধর্ম নিয়া ফালাফালি।
আবিরঃ তুইই ক, তের দফার একটাও কি অযৌক্তিক? কোন মুসলমান কি এটারে অস্বীকার করতে পারব?
আমিঃ তোর ব্রেন পুরাই ওয়াশ কইরা হালাইসে শিবিরে। আগেই কইসিলাম ধুপখোলায় না খেইল্লা স্কুলের মাঠে খেল। বাই দা ওয়ে, আগে না তুই মুক্তমনা আসিলি?
আবিরঃ তোরে কি জিগাইলাম? আর তুই কিয়ের পেচাল পারস? আমি তের দফা নিয়া কইতাসিলাম।
আমিঃ ও আইচ্ছা। ওই টার কথা তো ভুইল্লাই গেসিলাম। শালার কুন ছাগলের বাচ্চা পাগল কি একটা উঠাইসে লগে লগে ম্যা ম্যা শুরু।
আবিরঃ ওই বেটা। তুই কিন্তু লিমিট ক্রস করতাসস। তুই কি মুসলমান না? একজন মুসলিম হিসাবে তোর কি দায়িত্ব না তের দফা বাস্তবায়নের পক্ষে বলা?
আমিঃ তোর বইন না ক্লাস এইটে পরে। শফি হুজুর তো ফোরের উপরে পড়তে নিষেধ করলো। এখন তো তোর দায়িত্ব তোর বইনের পড়া লেখা বন্ধ করা।
আবিরঃ তুই উনার নামে একটা বাজে কথা বলবি তো বুঝস। উনি আলেম মানুষ উনার সম্পর্কে বাজে কথা বলতে হয় না।
আমিঃ “আলেম” মানুষ টা তো মেয়েদের তেতুল কইল। এহন কি সব মেয়েই তেতুল?
আবিরঃ উনি কি বুঝাইতে চাইসেন, সেটা আসলে তুই বুঝস নাই। উনি ওয়াজ করেন, উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ আলেম উনি। উনি কেবল মেয়েদের বেপরদা থাকতে নিষেধ করসেন।
আমিঃ তের দফাও নারী বিরোধী।
আবিরঃ তের দফা নারী বিরোধী না। সেটাও নারীদের পক্ষে। সেখানে হিজাব পড়তে বলা হইসে। নারী পুরুষের অবাধ বিচরন করতে নিষেধ করসে। তের দফা মানলে ইভটিজিং হইব না।

ছুটির পরে-
আবিরঃ দোস্ত, তোর বাসাতো গেণ্ডারিয়া। চল এক লগেই যাই।
আমিঃ হুম চল্।
আবিরঃ দোস্ত, সামনের জিনিসটা চরম না?
আমিঃ মানে?
আবিরঃ আরে বেটা, সামনে তাকাইয়া দেখ। মাইয়াটা দেখসস? একটা চরম জিনিস।

দুনিয়া বড়ই আজব!

১ thought on “বড়ই আজব

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *