ড. ইউনুস একজন শান্তির কবুতর , তাকে দোয়া ইউনুস পড়ে ফু দিতে দিতে আকাশে উড়িয়ে দিন

অতঃপর ইউনুস ইস্যুতে মহা সমারোহেই আমার মোহ মুক্তি ঘটল ….. আপাতত উপলদ্ধি – ইউনুসের নোবেল অর্জন “শান্তি”তে, আর আমার নোবেল পাওয়া উচিত “ভ্রান্তি”তে !! কেবল আফসোস, ইস ভ্রান্তিতে যদি একটা নোবেল প্রাইজের  এন্তেজাম থাকত …!!

তিনি শান্তিতে নোবেল পাইছেন তাই তার সাত খুন মাফ হয়ে গেল কিংবা তিনি একক ভাবে শান্তি ডিস্ট্রিবিউশনের দায়িত্ব পেয়ে যাবেন আর আমরা “দোয়া ইউনুস” পড়তে পড়তে শান্তি আমদানীর লক্ষে  তার পা ধরে বসে  থাকব ; তারপর তার ধান্ধা বাজির পরিকল্পনা সদল-বলে বাস্তবায়ন করব- বিষয়টা আসলে এতটা সরল না , ঐ খেলা মাঝির আপাতত ঘাটেও চলে না …


অতঃপর ইউনুস ইস্যুতে মহা সমারোহেই আমার মোহ মুক্তি ঘটল ….. আপাতত উপলদ্ধি – ইউনুসের নোবেল অর্জন “শান্তি”তে, আর আমার নোবেল পাওয়া উচিত “ভ্রান্তি”তে !! কেবল আফসোস, ইস ভ্রান্তিতে যদি একটা নোবেল প্রাইজের  এন্তেজাম থাকত …!!

তিনি শান্তিতে নোবেল পাইছেন তাই তার সাত খুন মাফ হয়ে গেল কিংবা তিনি একক ভাবে শান্তি ডিস্ট্রিবিউশনের দায়িত্ব পেয়ে যাবেন আর আমরা “দোয়া ইউনুস” পড়তে পড়তে শান্তি আমদানীর লক্ষে  তার পা ধরে বসে  থাকব ; তারপর তার ধান্ধা বাজির পরিকল্পনা সদল-বলে বাস্তবায়ন করব- বিষয়টা আসলে এতটা সরল না , ঐ খেলা মাঝির আপাতত ঘাটেও চলে না …

কারণ আমরা জানি, মহাত্মা গান্ধি কখনো নোবেল পুরস্কার পান নাই, তবে হেনরি কিসিঞ্জার, আইজ্যাক রবিন বা শিমন পেরেজ রা পেয়েছেন ! অতএব আমরা নোবেল প্রাইজের মহাত্ব বেশ ভাল ভাবেই বুঝি ! এখন আপ্নি’ই সাজেস্ট করেন, আমরা কি আপ্নাকে গান্ধীর চেয়ে ও বড় শান্তিবাদি হিসাবে আখ্যায়িত করব নাকি শিমন পেরেজদের  সমকক্ষ শান্তিবাদী আইটেম হিসাবে বিবেচনা করব !?

অন্য সবার মতৈ আমি নিজেও বলদের মত ভাবতাম, তিনি একজন সাচ্চা দেশপ্রেমিক, এদেশের দরিদ্র মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নোয়নের জন্য তিনি “নিঃস্বার্থ” ভাবে আজীবন দৌড়ের উপ্রে ছিলেন, কিন্তু এখন আস্তে আস্তে স্পস্ট হচ্ছে আসল কাহিনী !!!
যেমন , কদিন আগে মহান এই শান্তিবাদী ব্যাক্তিত্ব দেশের প্রতি নিস্বার্থ ভালোবাসার ছোট্ট একটা নিদর্শন প্রদর্শন করলেন – দেশের পাবলিকের সার্বিক  কল্যানে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের উদ্দেশ্যে জিএসপি সুবিধা বাতিলের পেছনে কলকাঠি নাড়ার  মাধ্যমে !!  আসলেই – লেঞ্জা ইজ কোয়াইট  ডিফিকাল্ট টু হাইড , কথাটা ১০০ ভাগ প্রমানিত !

আপোষহীন নেত্রী খালেদা জিয়া বলছিলেন “পাগল আর শিশু ছাড়া নিরপেক্ষ বলতে কেউ নাই” , ইউনুস প্রসঙ্গে তার সাথে সুর মিলিয়ে বলতে চাই “ছাগল আর নিঃস্বার্থ ভালবাসা (হোয়াট ইজ লাভ) নামক বাংলা সিনেমার বি’চিত্র নায়ক  এম এ জলিল অনন্ত ছাড়া নিঃস্বার্থ ব্যাক্তি বলতে এ ধরায় কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের  কোন প্রকারের অস্তিত্ব নাই” !!

একটা কথা মাথায় ঢোকে না, “গ্রামীন ” নামটা বেইচা ধান্ধার ধান্ধা করে যাওয়া ইউনুস কে গ্রামীন জনপদগুলোতে কি যেতে দেখা যায় ? তিনি জীবনে যত গুলো দেশে ঘুরেছেন , গ্রামীন ব্যাঙ্ক আর সামাজিক ব্যাবসার এড করার জন্য ; এ দেশের তত গুলো গ্রাম কি তার মহা মুল্যবান পদধুলি পেয়েছিল, বা পাচ্ছে? ?
এক কথায় উত্তর “না” !!! কেন যান না ?! কারণ গাও গেরামের এসব বালছাল ভুত পেত্নী দেইখা কুনো লাভ আছে! ?? তার চেয়ে বরং বিদেশে গিয়ে নিজের বিজ্ঞাপন প্রচার করলে বহুত লাভ, নোবেল প্রাইজের জন্য লবিং করা যায়, সেই সাথে আবার গন্ডায় গন্ডায় বিয়া আর ডজন কে ডজন বাইচ্চা- কাইচ্চা পয়দা করা যায় …….

কিন্তু শান্তির এই এক্সক্লুসিভ ডিলারের কি গড়ে প্রতি মাসে অন্তত ১ টা গ্রাম পরিদর্শন করা কি উচিত ছিল না ??? তার আমদানিকৃত বায়োবীয় শান্তির খপ্পরে পড়ে পাবলিক কি পরিমান শান্তিতে আছে, সেটা সরেজমিনে অন্তত বছরে ২/১ বার পরিদর্শন করলেও তো বেশ আরামসে টের পেতেন শান্তির রিএকশন !!

কাজীর গরু যেমন কেবল কেতাবে থাকে, তেমনি ইউনুসের “প্রসবকৃত গায়েবী শান্তি” ও কেবল নোবেল কমিটি আর হোয়াট হাউজে গচ্ছিত থাকে , আর কোথাও পাওয়া যায় না!!
ভুল বললাম, আরো একটা জায়গায় ইউনুস লব্ধ শান্তি পাওয়া যায় –   ইউনুসের ফতুয়ার পকেটে …..ইউনুস যে কেন সবয়াসময় ফতুয়া পরিহিত থাকেন সেটার রহস্য ও উদ্ঘাটিত হল – সাধারনত শার্টে একটা পকেট থাকলেও   ফতুয়ায় ২ টা পকেট থাকে, তাই পর্যাপ্ত পরিমান শান্তি যাতে সবসময় পকেটে মজুদ থাকে , সে জন্যৈ ইউনুস সার্বক্ষনিক ভাবে  ‘ফতুয়াক্রান্ত’ থাকেন ! এই ২টা পকেট’ই হচ্ছে তার অফুরন্ত শান্তির একমাত্র উতস ….

এই ব্যাপারে অবশ্য মেজর জিয়ার সাথে তার একটা কঠিন মিল আছে – জিয়ার জাদুকরি ভাঙ্গা স্যুট কেস থেকে অফুরন্ত টাকা পাওয়া যায়,  যে টাকা  দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও বৈধ – অবৈধ নানা উপায়ে রপ্তানী হৈছে, কদিন আগে আমরা আমাদের এক “প্রাক্তন” রাজপুত্রের  বিনিয়োগ কৃত টাকার লভ্যাংশ হিসাবে ৮ কোটি টাকা পেলাম !!  সুখবর হচ্ছে ভবিষ্যতে নাকি আরো লভ্যাংশ পাওয়া যাবে,  আহা ভাঙ্গা সুটকেসের কি মহিমা, কি তার জাদুকরি শক্তি ! এই জিনিস ত শালার আলাউদ্দিনের দৈত্যের চেয়ে ও বড় মাপের জাদুকরি চুতিয়া !!

আমাদের ইউনুস ও সেই ভাঙ্গা স্যুটকেসের মতই  এক জাদুকরি আইটেম , যার পকেট ভরা অফুরন্ত শান্তির স্টক  থাকে, হয়ত রাজপুত্রের রপ্তানি করা টাকার লভ্যাংশ হিসাবে এবার যেমন  ৮ কোটি টাকা পাইছি , তেমনি ইউনুসের রপ্তানী কৃত “শান্তির” সুফল ও আমরা খুব শিঘ্রী পাব, ইনশাল্লাহ… যা হবে দেশের ভবিষ্যতের জন্য পাথেয় স্বরুপ! 

স্বার্থের জন্য পুরা দুনিয়া চষে ফেলছেন ড ইউনুস – আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা , সাবেক পররাস্ট্র মন্ত্রী হিলারী, বর্তমান পররাস্ট্র মন্ত্রী জন ক্যারি, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ইত্যাদি অর্থাত সবচেয়ে ক্ষমতাবান প্রতিষ্ঠান বা মানুষদের দ্বারস্থ ও হচ্ছেন ! তার সৌজন্যে বাংলাদেশের ইতিহাসে ও বেশ কিছু নজিরবিহীন ঘটনার ‘নজির’ তৈরী হল , মাশাল্লাহ ! এ কথা অনস্বীকার্য যে, কথায় কথায় আম্রিকা কে টেনে আনার ক্ষমতা এই অঞ্চলে ত বটেই এমন সমগ্র বিশ্বে ও কেবল ইউনুস, ইসরাইল আর আজ্রাইল ছাড়া আর কারো নাই !!!!

আসলে “যে আমেরিকার বন্ধু তার আসলে শত্রুর সরকার  হয় না “ কথাটা পাবলিকের মনে রাখা উচিত । বিপুল সম্ভাবনাময় আফ্রিকান দেশ নাইজেরিয়া হচ্ছে আফ্রিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত খনিজ সম্পদে সবচেয়ে সমৃদ্ধতম দেশ । যখনই তারা আমেরিকার সাথে দোস্তি করল এবং ব্যাপক শান্তি আমদানীর লক্ষ্যে মিউচুয়েল বেনিফিটের জন্য চুক্তিবদ্ধ হলো , তারপরই তাদের জনগণ বুঝতে শুরু করল “শান্তি কত প্রকার ও কি কি” ! আশা করি ইউনুসের সৌজন্যে আমরাও আমেরিকার কাছ থেকে শিখে নেব “শান্তি কি জিনিস” ….

ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে, বাংলাদেশে শান্তির অভাব যে কেবল মাত্র এবারই ঘটছে তা না, এর আগে হয়ত আরো বেশি অশান্তি বিরাজমান ছিল . তার আব্বা ক্লিন্টন এবং আম্মা হিলারী যখন সরাসরি ক্ষমতায় ছিলেন , কৈ তখন ত জনগণের শান্তির জন্য তার এত দরদ চোখে পড়ে নাই !! ৮৯র গণ অভ্যত্থন, ৯৬র অসহযোগ আন্দোলন, কিংবা ২০০৬ সালে বিম্পি শিবিরের তান্ডবে যখন গৃহ যুদ্ধ বেধে যাওয়ার মত অবস্থা, হর রোজ  মানবাধিকার লঙ্ঘিত হত , তখন তো তার কোন আওয়াজ পাওয়া যায় নাই ! বোমা হামলায় দেশ যখন পুরাই বিদিক , ৬৩ জেলায় এক যোগে বোমা, ব্রিটিশ রাস্ট্রদুত আনোয়ারের উপর বোমা, দেশের সিনামা হলগুলো তে ঈদের দিন বোমা হামলা, ২১শে অগাস্ট শেখ হাসিনার সমাবেশে বোমা, আহমেদিয়াদের ওপর বোমা এমনকি মসজিদে পর্যন্ত বোমা হামলা করে হাজার হাজার মানুষ যখন তারা মেরে ফেলল , তখনো কিন্তু দেশে ব্যাপক পরিমান শান্তি বিরাজমান ছিল !!!! কারন কোন সরকার  তখনো ইউনুসের দুর্নীতির বিষয়ে তেমন একটা মাথা  ঘামায় নাই ! আসলে ইউনুস যে একজন মহান দুর্নীতিবাজ – সেটা হয়ত কোন সরকার কল্পনা কর্তে পারে নাই !!

এই সরকার ও হয়ত এ ব্যাপারে মাথা ঘামাত না, কিন্তু আচমকা নরওয়ের একটা সরকারী টিভি চ্যানেলে ইউনুসের দুর্নীর্তি বিষয়ক একটা প্রামান্য অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হবার পরই সরকার  নড়ে চড়ে বসে , তার্পর কেচো খুড়তে গিয়ে গর্ত থেকে অজগর সাপ বেরিয়ে এল , প্রমান পাওয়া গেল অবৈধ ভাবে ফান্ড ট্রানস্ফারের এবং আরো কিছু চাঞ্চল্যকর বিষয় ………. অবশ্য  ক্ষমতায় বিম্পি থাকলে আম্রিকার  ডরে তার বিরুদ্ধে উচ্চবাচ্য করত না , কারণ আম্রিকারে চটানোর সাহস ইদুরদের  থাকে না !
তাই বর্তমান সরকারের কর্মকান্ডে পাবলিকের গর্বিত হওয়া  উচিত …………. কারন ইউনুস ইস্যুতে আম্রিকা সরাসরি থ্রেট ( ইউনুস ইস্যু তে বাংলাদেশ আমেরিকার দ্বীপাক্ষিক সম্পর্কে অবশ্যই নেতি বাচক প্রভাব পড়বে ঃ হিলারী )   দেয়ার পর ও এ সরকারের মত এমন নির্ভিক এবং অনমণীয় মনভাব দেখানোর সাহস এ দুনিয়ার হাতে গোনা ২/১ টা দেশ ছাড়া আর কারো নাই, বাংলাদেশ সেই দুয়েকটা  দেশের অন্যতম। এটাঅবশ্যই গর্বের ব্যাপার , আমরা গায়ের জোরে জবর দখল  করা বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার দুঃখে জনসমক্ষে কান্না কাটি এবং সেই দুঃখে হরতাল আহবান করা ইতর শ্রেনীর সাবেক প্রধান মন্ত্রীর দেশের কুলাঙ্গার নাগরিক হবার চেয়ে, দুর্নীতির  প্রশ্নে – বিশ্বের মা-বাপ প্রবল পরাক্রান্ত দেশ আমেরিকার হুমকি সরাসরি অগ্রাহ্য করার মত নির্ভিক এবং দৃঢ় চেতা দেশের নাগরিক  হওয়া আমাদের জন্য অনেক গর্বের এবং আনন্দের !

ইউনুস কে ধন্যবাদ এবং তার প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা , কারন স্বীয় স্বার্থ সিদ্ধির উদ্দেশ্যে তিনি এমন ছেচড়ামি না  করলে নিজেদের শৌর্য বীর্য প্রদর্শনের  এমন সুবর্ন সুযোগ হয়ত আমরা কখনই  পেতাম না !!!

১৯ thoughts on “ড. ইউনুস একজন শান্তির কবুতর , তাকে দোয়া ইউনুস পড়ে ফু দিতে দিতে আকাশে উড়িয়ে দিন

  1. ………. অবশ্য ক্ষমতায়
    ………. অবশ্য ক্ষমতায় বিম্পি থাকলে আম্রিকার ডরে তার বিরুদ্ধে উচ্চবাচ্য করত না , কারণ আম্রিকারে চটানোর সাহস ইদুরদের থাকে না !
    তাই বর্তমান সরকারের কর্মকান্ডে পাবলিকের গর্বিত হওয়া উচিত ………….
    — সহমত ।
    ভয় হয়, এই ইন্নুছ ইস্যুতে আমেরিকা কোন দিন জানি ড্রোন নিয়ে চলে আসে আমাদের স্বপ্নের সোনার বাংলায়!

    দারুন লিখেছেন ভাই ।অসংখ্য ধন্যবাদ ।

  2. এটাঅবশ্যই গর্বের ব্যাপার ,

    এটাঅবশ্যই গর্বের ব্যাপার , আমরা গায়ের জোরে জবর দখল করা বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার দুঃখে জনসমক্ষে কান্না কাটি এবং সেই দুঃখে হরতাল আহবান করা ইতর শ্রেনীর সাবেক প্রধান মন্ত্রীর দেশের কুলাঙ্গার নাগরিক হবার চেয়ে, দুর্নীতির প্রশ্নে – বিশ্বের মা-বাপ প্রবল পরাক্রান্ত দেশ আমেরিকার হুমকি সরাসরি অগ্রাহ্য করার মত নির্ভিক এবং দৃঢ় চেতা দেশের নাগরিক হওয়া আমাদের জন্য অনেক গর্বের এবং আনন্দের

    :bow: :bow: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :গোলাপ: :ফুল:

    1. ছোটবেলায় নোবেল বিজয়ীদের নাম
      ছোটবেলায় নোবেল বিজয়ীদের নাম মুখস্ত করে সাধারন জ্ঞানের ভান্ডারটা একটু শক্তিশালী করতে হতো। বয়স যখন একটু বাড়লো, জানতে পারলাম, দু-একজন নোবেল পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছেন, আবার অনেক বড় বড় মাপের মানুষকে নোবেল পুরস্কার দেয়ার কথা চিন্তাও করা হয়নি। তারপর দেখলাম, নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন দালাইলামা, তিনি চীন হতে তিব্বতকে স্বাধীন করতে চান; নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন পূর্ব তিমুরের দুজন ধর্মযাজক, যারা মুসলিম ইন্দোনেশিয়া হতে খ্রষ্টিান পূর্ব তিমুর স্বাধীন করে ক্ষমতায় বসলেন। শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন ইসরাইলের যে মানুষটা প্যালেস্টাইনের স্বাধীনতাকামী জনগণকে কুকুরের মতো হত্যা করেছেন, তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মিশরের বারদির ভূমিকা তো আমরা দেখছি। ২০১১ সালে নোবেল পুরস্কার দেয়ার কথা চীনের গণতন্ত্রকামী একজন নেতাকে। চীন তখন অন্যান্য রাষ্ট্রকে নোবেল পুরস্কার দেযার অনুষ্ঠানে যাতে অন্য রাষ্ট্রগুলো বর্জন করেন, সেই আহ্বান জানিয়েছেন। উপরের প্রতিটি ব্যক্তিই শান্তি পুরস্কার গ্রহণ করে তাদের দেশকে কতোটা গর্বিত করেছে জানি না, তবে তারা সবাই সফলভাবে বিশ্বব্যাপি আমেরিকার নীতি বাস্তবায়নে যারা বাধা হিসাবে আর্বিভূত হয়েছে, তাদের ক্ষমতা হতে সরিয়ে দেয়ার অরাজক পরিস্থিতি তৈরী করতে সক্ষম হয়েছে, এটা নিশ্চিত করে বলা যায়।

      আমরাও একজন শান্তিতে একজন নোবেল বিজয়ী পেয়েছি, যিনি ছাত্র ছিলেন অর্থনীতির, শিক্ষক ছিলেন অর্থনীতির, মাইক্রোক্রেডিটের কার্যক্রমটাও অর্থনীতিবিষয়ক। দুৎখজনকভাবে তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন না, পেলেন শান্তিতে। আম গাছ লাগালাম, যত্ন নিলাম, লালন-পালন করলাম, ফল দিলো কাঠাল? এটা কাজের স্বীকৃতি হলো, নাকি কাজকে অস্বীকার করা হলো – এতো কিছু ভেবে দেখার সময় কই আমাদের। নোবেল পুরস্কার বলে কথা? পড়াশুনা করি বা না করি, তাতে কি, সার্টিফিকেট তো পেয়েছি।

      1. আসলে জাতি হিসাবে আমরা তো খুব
        আসলে জাতি হিসাবে আমরা তো খুব বেশি ভাবতে পারি না। ঘুষ খেয়ে হোক, আর চুরি করেই হোক, সমাজে অর্থ-বিত্তের মালিককে তো সমীহ করার সংস্কৃতি আমাদের অস্থি-মজ্জায়। আমরা ভুলে যাই, ভারতীয় উপমহাদেশ হতে ইংরেজ বিদায় করেছিলাম আমরা, ভাষার জন্য জীবন দিয়েছি একমাত্র আমরাই, ৯ মাসের গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন করেছি আমরাই। বাঙ্গালী জাতির মহামুক্তির এই সংগ্রামগুলোকে স্বরণ করতে আমরা প্রতিবছর শহীদ মিনারে যাই, স্মুতিসেৌধে ফুল দিই। আমরা ভেবে দেখার চিন্তা করি না, আমাদের নোবেল বিজয়ী মানুষটি তার জীবদ্দশায় কোনদিন শহীদ মিনারে যান নি, স্মুতি সেৌধে ফুল দেননি। নোবেল পুরস্কার পাবার পরেও একবারের জন্য আমাদের এই মহাসংগ্রামের ইতিহাসের স্মৃতিমিনারের কথা ওনার একটি বারের জন্যও মনে হয়নি। তারপরও তাকে আমাদের সম্মান জানাতে হবে, কারণ তিনি নোবেল বিজয়ী। তাকে সম্মান জানাতে হবে, যিনি অন্য রাষ্ট্রের তল্পিবাহক হয়ে আমাদের সারা বিশ্বে পরিচিত করানোর সুযোগ পেয়ে আমাদের ধন্য করেছেন।

        1. উপরের কমেন্টগুলোর (আমার)
          উপরের কমেন্টগুলোর (আমার) ধারাহিকতায় বলতে হয়, আমাদের শান্তিতে নোবেল পাওয়ার পরই আমরা পেলাম ১/১১। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো একে অপরকে দোষারোপ করছে। আমরাও দায়ী করছি, তাদেরই। কিন্তু বাংলাদেশে কি ১/১১ এর পরিস্থিতির বাইরে ছিল কখনো? আমাদের রাজনীতিতে চরম গরম অবস্থা সবসময়ই বিদ্যমান ছিল। ১/১১ এর ঐ পরিস্থিতির চেয়েও ভয়ানক অবস্থা ছিল আমাদের দেশে। কিন্তু ভাগ্য আমাদের ১/১১ আসেনি। সেটা এসেছে, নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর। অনে্েই ধারণা করেন, (আমেরিকার ইকোনিমিষ্ট পত্রিকাও লিখেছে), ১/১১ এর নেপথ্য নায়কদের মধ্যে আমাদের গর্ব নোবেল বিজয়ী ড. ইউনুস ছিলেন অন্যতম। দেশকে বিবাদমান রাজনৈতিক দলগুলোর কবল হতে আমাদের ১৬ কোটি মানুষকে মুক্তি দেয়ার পবিত্র দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। রাজনৈতিক দলও গঠণ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন। ড. ইউনুস নেপথ্য নায়ক হয়েছিলেন কি নিজের উপলব্ধি দিয়ে? মনেহয় না। যারা তাকে নোবেল পুরস্কার দিয়েছেন, সারা বিশ্বে বাংলাদেশকে তার নামে পরিচিত করানোর সুযোগ তৈরী করে দিয়েছেন, তাদের পরামর্শেই (নোবেল ঋণ শোধের হুমকি) তিনি হয়েছিলেন মহামুক্তির অন্যতম মহানায়ক। বলতে বাধ্য হচ্ছি, তিনি হয়েছিলেন বিশ্বের মহা মোড়ল আমেরিকার তল্পিবাহক। এমন ব্যক্তিকে নিয়ে আমরা কতোটা গর্ব করতে পারি, সেটা ভাবা প্রয়োজন।

          কিন্তু আমরা ভেবে দেখিনা, সারা দেশে এবং বর্হিবিশ্বে মাইেক্রাক্রেডিটকে শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি হিসাবে দাড় করাতে যিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন, সেই দীপাল বড়ুয়াকে কেন, কিভাবে, কি জন্য আমাদের নোবেল বিজয়ী উৎখাত করেছেন। আমাদের ভেবে দেখার সময় নেই, দরিদ্র অটোভ্যান চালক রফিক ৪-স্টো্ক অটোভ্যানের স্রষ্টাকে কিভাবে তার আবিস্কারের স্বত্ব হতে বঞ্চিত করেছেন আমাদের এই নোবেল বিজয়ী, আমাদের গর্ব ড. ইউনুস।

          তো কজন জানেন এই দীপাল বড়ুয়া বা দরিদ্র অটোভ্যান চালক রফিকের প্রতারিত হওয়ার কথা। আর যারা জানেন না তাঁরা কেমন করে ঐ ব্যক্তির অবস্থান সম্পর্কে প্রপার ধারণা পাবেন??

          শেষ কথা —

          ক্রিকেটে কয়েক বছর হলো একটা নতুন নিয়ম চালু হয়েছে। ফ্রন্টফুট নো বলে ফ্রি হিট। ঐ বলে ব্যাটসম্যানের শুধু মাত্র রান আউট ছাড়া আউট হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। তাই ব্যাটসম্যানের সাত খুন মাফ। আউট হলেও আউট না। ঠিক তেমনি হয়েছে ডঃ ইউনুস সাহেবের নোবেল প্রাপ্তি। ঐ নোবল ফ্রি হিটের মতোই। যেহেতু তিনি নোবেল লরিয়ট তাই তাঁর সাত খুন মাফ।

      2. উত্তর বাংলা ভাই আপনি আসলেই
        উত্তর বাংলা ভাই আপনি আসলেই অসাধারণ কিছু কথা বলছেন , অনেক অনেক ধন্যবাদ , আপনার কথা গুলোর সাথে সম্পুর্ন একমত , বিশেষত এই কথা গুলো অসাধারণ লাগভহে —>
        ” দুৎখজনকভাবে তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন না, পেলেন শান্তিতে। আম গাছ লাগালাম, যত্ন নিলাম, লালন-পালন করলাম, ফল দিলো কাঠাল? এটা কাজের স্বীকৃতি হলো, নাকি কাজকে অস্বীকার করা হলো – এতো কিছু ভেবে দেখার সময় কই আমাদের। নোবেল পুরস্কার বলে কথা? পড়াশুনা করি বা না করি, তাতে কি, সার্টিফিকেট তো পেয়েছি।!!

  3. বলছেন পুরাই চরম। একমতাইলাম।
    বলছেন পুরাই চরম। একমতাইলাম। :থাম্বসআপ:

    শিরোনামটা কিন্তু জব্বর লাগছে।

    1. হাহাহাহা জবর জিনিস পোষ্ট
      হাহাহাহা জবর জিনিস পোষ্ট করছেন পাভেল ভাই :হাহাপগে: :মাথানষ্ট: পাবলিক দেখি ড জাফর ইকবালের মেয়ের মদের বোতল হাতে তোলা ছবি ফেস বুক সহ বিভিন্ন জায়গায় পোষ্ট কৈরা বিমলানন্দ পায় , যদিও মেয়ের দোষ/গুনের জন্য পিতা জবাব দিহি করার কথা না , তবু …………… কিন্তু ইউনুস যে নিজেই এসব কৈরা বেড়াইতেছে , সেইটা নিয়া হেফাজতিদের সাউন্ড নাই ! হায় হেফাজত হায় বিম্পি !

  4. এই রিপোর্টটা পড়েন। এটা ২০০৬
    এই রিপোর্টটা পড়েন। এটা ২০০৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি নিয়ে ডঃ ইউনুসের ফর্মুলা। যেখানে তিনি বেগম জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী রেখে নির্বাচনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
    http://www.dhakatimes24.com/index.php?view=details&data=Internet&news_type_id=1&menu_id=1&news_id=59035

  5. ড. মুহাম্মদ ইউনুস বাংলাদেশ এর
    ড. মুহাম্মদ ইউনুস বাংলাদেশ এর উন্নয়ন প্রকল্প সমূহে বাঁধার তৈরী করছেন। আপনার নিশ্চয়ই Moody’s Corporation ( http://en.wikipedia.org/wiki/Moody's ) নাম শুনেছেন। এই Moody’s Corporation এর অন্যতম কাজ হলো বিশ্বব্যাংক এর মতো প্রতিষ্টানের পক্ষে বিভিন্ন দেশ এর ক্রেডিট রেটিং করে থাকে। ১৯ এপ্রিল ২০১১ এর এক নিউজে দেখা যায়, Moody’s Corporation বাংলাদেশ’কে স্ট্যাবল দেশ
    হিসেবে রেটিং করেছে। এখানে দেখুন বাংলাদেশ এর ক্রেডিট রেটিং। ( http://www.amarblog.com/sites/default/files/resize/%20images/younus_0-500×600.jpg )

    ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ সকাল ১০ ঘটিকায় পদ্মা সেতু’র ফান্ড সংক্রান্ত এক মিটিং ছিলো Moody’s Corporation , সিটি ব্যাঙ্ক ও বাংলাদেশ এর মধ্যে। ঐ মিটিং এ Moody’s Corporation সরাসরি বলে বাংলাদেশে এমন কিছু করা যাবে না যেখানে ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর সমস্যা হয়। Moody’s Corporation এর ইন্টারেস্ট তালিকা তুলে ধরলাম আপনাদের সামনে, দেখুন ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর স্বার্থ
    কিভাবে রক্ষা করছে এই Moody’s Corporation। ( http://www.amarblog.com/sites/default/files/resize/%20images/younus%203-500×500.jpg )

    এই Moody’s Corporation কে হাত করেই ড. মুহাম্মদ ইউনুস পদ্মা সেতুর অর্থায়নে বাঁধা তৈরী করছে।

    What has been the impact of the campaign launched by
    Mohammad Yunus on the disbursement of multilateral
    and bilateral financial assistance?

    মিটিং এর আগে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর জানতে চাচ্ছে। তার একটা প্রশ্ন হলো, ইউনূসের ক্যাম্পেন কতটা প্রভাব ফেলেছে? মুডি BOP নিয়া প্রশ্ন করছে, বিদ্যুত নিয়া করছে, ইনফ্লেশন নিয়া করছে। খেয়াল করে দেকুন মুডিস জানতে চাইছে যে campaign
    launched by Mohammad Yunus on the disbursement কতটা প্রভাব ফেলেছে? তার মানে ইউনুস সাহেব multilateral and bilateral financial assistance এর disbursement নিয়ে কেম্পেইন করছেন। এই কেম্পেইন বেপারটা মুডিস ও একটি ফেক্টর হিসেবে দেখছে।

    এরপরো কি বুঝতে আর বাকি থাকে ইউনুসের লুকানো ল্যাঞ্জা??

    1. আরে এটা ত জানা ছিল না, অনেক
      😀 😀 আরে এটা ত জানা ছিল না, অনেক কিছু জানলাম , অনেক অনেক ধন্যবাদ অঘূর্নায়মান ইলেকট্রন ভাই :গোলাপ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *