সুমিত্রা….!

এতো বড় পোস্ট কী পড়বে সবাই? কে জানে? দিলাম তাও! ™

নাম সুমিত্রা। নামের সাথে কামের মিল খুজে পাওয়া মানুষদের মধ্যে একজন না বল্লেই নয়। ক্লাসে কখনোই ভালো ছিলোনা তার উপর বাচাল। খাস্তগীর গার্লস স্কুলের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী।হাজার অন্যায় হোক সে,স্কুলে মেয়েদের গায়ে হাত তোলা যাবে না! গার্লস স্কুল বলে কথা। এ সমস্তু নীতিতে সরকারি স্কুলের মাস্টারেরা কান পাতেন না।

কাল সুমিত্রার এস.এস.সি পরীক্ষা শুরু হবে। রাতে বান্ধবীদের ফোন কল দিয়ে টেনশন এর গল্প পাতাতে পাতাতে,বইয়ের পাতাই উল্টানো হলো না। সকালে উঠে খবর হলো,রীভাইজ দেয়া হয় নাই! দ্রুত চোখ বুলিয়ে বই শেষ করে সেন্টারে দৌড়।


এতো বড় পোস্ট কী পড়বে সবাই? কে জানে? দিলাম তাও! ™

নাম সুমিত্রা। নামের সাথে কামের মিল খুজে পাওয়া মানুষদের মধ্যে একজন না বল্লেই নয়। ক্লাসে কখনোই ভালো ছিলোনা তার উপর বাচাল। খাস্তগীর গার্লস স্কুলের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী।হাজার অন্যায় হোক সে,স্কুলে মেয়েদের গায়ে হাত তোলা যাবে না! গার্লস স্কুল বলে কথা। এ সমস্তু নীতিতে সরকারি স্কুলের মাস্টারেরা কান পাতেন না।

কাল সুমিত্রার এস.এস.সি পরীক্ষা শুরু হবে। রাতে বান্ধবীদের ফোন কল দিয়ে টেনশন এর গল্প পাতাতে পাতাতে,বইয়ের পাতাই উল্টানো হলো না। সকালে উঠে খবর হলো,রীভাইজ দেয়া হয় নাই! দ্রুত চোখ বুলিয়ে বই শেষ করে সেন্টারে দৌড়।

রেসাল্ট দিবে আজ! কতো গার্ডিয়ান স্কুলে গিয়ে মেয়ের রেসাল্টে খুশিতে মখমলে হয়ে পোজ দিবেন,পত্রিকার আসবে। কিন্তু ও সবে মা-বাবার আগ্রহ নেই। সুমিত্রার ও নেই। এসব একেবারেই সাধারণ ন্যাকামী মনে হয় ওর। মিস্টি নিয়ে পাড়া পড়শীদের ঘড় বেরিয়ে আসা,আশীর্বাদে ফুলে-ফেপে একদিকে উন্নতি করে ফেলা,অযৌক্তিক ভদ্রতা,আরো যত্তোসব।

বাবা দরজা ভেঙ্গে ফেলার উপক্রম!সুমিত্রা সকাল থেকে দরজা খুলেনি। ওই মাগীর ঝি দরজা খুল! আহাল্লাদেতো সরস্বতী নামিয়ে এনেছিলে কুমোদ। এবার হয়েছেতো? সমাজে আমি মুখ দেখাবো কীভাবে? গ্রামের লোক বলবে,শহরেতো নিয়েছিস নিকাশ, কী করলি ,এই মানুষ করলি? “খানকি মাগীর ঝি, নরকে যা মাগী”।

চোখ খোল মা! চোখ খোল! তোর বাবাকে তো জানিসই মা। কেনো করতে গেলি এসব।
-ওকে ওয়াস করাতে হবে।
-জলদি করুন। এই ধর।

খা বলছি খা,ধুত্তোরি বুড়ি ন্যাকামী করিসনে। ভালো লাগেনা।
-খাচ্ছি মা,খাচ্ছি।
-শোন মা। বাবাতো বাবাই। মাগী ডাকলেও তোকে ডাকবে,মা ডাকলেও তোকেই ডাকবে। আজ যদি তোর কিছু হয়ে যেতো!

৪.০০ নিয়ে সাইন্স থেকে! না না বাবু এতো কমে হবে না। ত্রিশ হাজার লাগবেই।
-আমি আপনার এমপি সাবের আত্তীয় হই। পরিচয় দিচ্ছি।
-আপনি যাই হোন, এটা আমি জানি না। এমপি স্যারের ও কমিশন আছে। কিছুই করার নেই বাবু।

-এতো বাড়া ঠিকনা মা।তোর বাবার সপ্ন ডাক্তার হবি তুই। বুঝতে পারর্ছিস তুই?
-হু
-ইন্টারে ভালো করতে হবে বুঝলি?
-হু

-তোমার মেয়েকে দেখে রেখো কিন্তু
-কেনো? ও আবার কী করল?
-রাতে দেখি রুমে মোবাইলের আলো জ্বলে থাকে। কারো সাথে লাইন টাইন করছেনাতো তোমার মেয়ে?
-আমাদের সুমিত্রা?
-হু
-রাতে ন্যাকামো করার জায়গা পাওনা!

বাবা!!! কী!!! কাপড়ও পাল্টাতে দেবেনা?
আমাকে ঘন ঘন চেক দিয়ো না। লুক দেয়া আমার পছন্দ না। উল্টা-পাল্টা কিছু যদি করার থাকে সব কী রুমের ভেতর করবো?

মেয়ের বিরক্তি বাবা কানেই নেয় না।তাও সবসময় চেক দিয়ে রাখে।মেয়ে বলেই যতো ভয়। যুবতী মেয়ে ঘড়ে নিয়ে মা বাবার ঘুম হয় না।এখন আবার নতুন এক কর্ম শুরু করেছে,কলেজে নিয়ে যায় হারমেশাই।সুমিত্রার ও যাওয়া হয় না শপিং টপিং করতে, ফুচকা খেতে।

২৪ শে আগস্ট বাবা রাতে আবার চেক দিতে লাগলো….রাত ৩ টা এর আশেপাশে হবে সময়। বাবা উঠে দেখলো সুমিত্রার রুমে মোবাইলের মিট মিট আলো।শব্দ না করে দরজার কাছে গিয়ে ফটকে চোখ দিয়ে দেখছেন মেয়ে করছেটা কি। অন্ধকারে ফটক দিয়ে ভালো দেখা যাচ্ছেনা। তবে আচ করা যাচ্ছে, কী হচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে বাবা দেখছেন।এতো রাতে মেয়ে মোবাইলে ব্লু-ফ্লিম দেখেই যাচ্ছে! বাবা কল্পনা করেনি তার একমাত্র মেয়ে এমন কিছু কখনোই জানবে! একে তো মেয়ে, তার উপর আবার এসব নিষিদ্ধ উপাদান!!

হঠাৎ বাবার গলা,মা সুমিত্রা
সুমিত্রার পিলে চমকে উঠে
ঘুমিয়ে পড় সকালে কলেজে যাবিনা?
বাবা আজ এতো মোলায়েম সুরে কথা বলছেন কেন?তাহলে কী জেনে গ্যাছে আমি কী কর্ছিলাম? না না হতেই পারে না।

সকালে বাবা মার আলাপন ..
এই মেয়েকে এক মূহুর্ত সহ্য করব না।
কেন? হয়েছে টা কি শুনি?
মাগী কিছু জানস না? এই মেয়ে বানাইসত? খানকি মাগীর ঝি! আমার বংশের মান ডুবাইসে।

বাবার সাথে শেষ কবে আর কথা হয়েছিল সুমিত্রার মনে নেই।লজ্জায় মুখ দেখাতে পারেনি। তবে এটা বুঝতে পারলো যে,এমন কিছু বিষয় আছে যা সারা জীবনের ইমেজকে খারাবীর সার্টিফিকেট দিতে পারে।একটা খারাপ দিক দিয়ে মানুষকে বিবেচনা করা হলে,বিবেচনাকারীর কিছু যায় আসে না।তবে,যাকে বিবেচনা করা হয় তার দুঃখ কেউ বুঝে না।

তার কষ্টের উতপত্তি এই পৃথিবীর বুকে নয়। লজ্জা! অপমান!

১০ thoughts on “সুমিত্রা….!

  1. বাপরে বাপ! বাপ তো না একেবারে
    বাপরে বাপ! বাপ তো না একেবারে শকুনের দৃষ্টি! স্বল্প পরিসরে অনেকখানি সময় কভার করেছেন। পড়তে ভালোই লাগলো।
    ব্লু ফিল্ম দেখতে গিয়ে ধরা পড়লে কেউ এতো লজ্জা পায় নাকি?

      1. হুম! আমার কাছে সেটাই তো লেখার
        হুম! আমার কাছে সেটাই তো লেখার প্রেরণা।কত নতুন নতুন মান্নুশের সাথে কল্পনায় পরিচিত হচ্ছি!

    1. সময় খাওয়ানোতে আমার আপত্তি
      সময় খাওয়ানোতে আমার আপত্তি নেই। আপত্তি কম লেখাতে। অনেকে মনে করে যে বেশী লিখলে তো কেউ পড়বে না। আরে বাবা, কেউ পড়ুক বা না পড়ুক, তাতে কি এসে যায়? লেখা ভালো হতে হবে, নিজের কাছে ভালো লাগতে হবে, আমার কাছে সেটাই অনেক বড় কিছু!

  2. হাহাহাহাহাহাহা।
    তবে আমাদের

    হাহাহাহাহাহাহা। :হাহাপগে:
    তবে আমাদের বাবা মা রা সেক্স কে সহজ ভাবে নিলেই হয়। অনেক বাবা মা সন্তান অ্যাডাল্ট হয়েছে এইটাই মেনে নিতে চায় না।

  3. এই ঘটনা আসলে আমি চট্টগ্রামে
    এই ঘটনা আসলে আমি চট্টগ্রামে যে কোয়ার্টারে থাকি ওখানকার ই!
    আমার হাসি পেয়েছিলো আবার বাবার কর্মকাণ্ডের জন্যে আফসোস ও লেগেছিল। সুচিত্রা কিন্তু আসলেই ভালো মেয়ে। এখন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগে তৃতীয় বর্ষে পড়ে।
    আমি ওকে এই পোস্ট দেখবার জন্যে তার বার্তায় আমন্ত্রণ জানিয়েছি।

Leave a Reply to এসজিএস শাহিন Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *