এভাবেই শিখেছি প্রেম(নিজের কাছে জবাবদিহিতা-কনফেসন)

একটা রুমাল গায়ে এসে পরল।
-কান্নাকাটি বন্ধ কর। ইয়র হোল লাইফ ইস আহেড অফ ইউ।
কষ্ট হচ্ছে না। আজাইরাই কানছি। শুনেছি কানলে মন হালকা হয়। আমার মন হালকা নাকি ভারী এটা আমি জানি না। মন আসলে আছে নাকি তা নিয়াও মাঝে মাঝে চিন্তা হয়। তাও মনে হয় মন হালকা হওয়া ভাল দিক। তাই টাইম টু টাইম ভ্যা ভ্যা করে আজাইরা কানতে থাকি। মানুষ দেখলে মনে করবে কাছের কেউ মরছে। মরুক। আসলে কচুটাও হয় নাই।
কেউ কারণ আস্ক করলে কেন কাদছি, সেও হা করে তাকায় থাকে আর আমি তার থেকেও বড় হা করে তাকায় থাকি। আমি কি বলুম নাকি যে আসলে অনেকদিন পড়ে একটু একা অবসর সময় পাইলাম তো। কি করব বুঝতেছি না। তাই মন হালকা করে নিচ্ছি।

একটা রুমাল গায়ে এসে পরল।
-কান্নাকাটি বন্ধ কর। ইয়র হোল লাইফ ইস আহেড অফ ইউ।
কষ্ট হচ্ছে না। আজাইরাই কানছি। শুনেছি কানলে মন হালকা হয়। আমার মন হালকা নাকি ভারী এটা আমি জানি না। মন আসলে আছে নাকি তা নিয়াও মাঝে মাঝে চিন্তা হয়। তাও মনে হয় মন হালকা হওয়া ভাল দিক। তাই টাইম টু টাইম ভ্যা ভ্যা করে আজাইরা কানতে থাকি। মানুষ দেখলে মনে করবে কাছের কেউ মরছে। মরুক। আসলে কচুটাও হয় নাই।
কেউ কারণ আস্ক করলে কেন কাদছি, সেও হা করে তাকায় থাকে আর আমি তার থেকেও বড় হা করে তাকায় থাকি। আমি কি বলুম নাকি যে আসলে অনেকদিন পড়ে একটু একা অবসর সময় পাইলাম তো। কি করব বুঝতেছি না। তাই মন হালকা করে নিচ্ছি।
তবে এই কথা সত্য যে কান্নার পড়ে ওজন নিয়েছি কিন্তু হালকা হবার কোন লক্ষণ ছিল না। তাইলে কি আমারে কেউ মিথ্যা বলল?
মন যেখানেই থাকুক। হৃদপিণ্ডে, মস্তিষ্কে কিনবা কোন ছোট খাট শিরা-উপশিরায় তবু শরীরে থাকার কথা। তাইলে ওজন কেন কমল না? কেন?
অনেকবার শুনেছি আমি নাকি খুব স্বার্থপর।
শুনেছি “তোর থেকে স্বার্থপর আর কেউ আছে নাকি মনে হয়। স্বার্থপর, খুব বেশী স্বার্থপর তুই। কখনো নিজেকে ছাড়া অন্যকে নিয়ে ভেবেছিস?’’
আরও অনেক কিছু। শুনে গেছি, কিছু বলি নাই। কারণ শুনতে খারাপ লাগলেও জানতাম যা বলেছে তা সত্যি। আমি নিজেও খেয়াল করেছি, মারাত্মক স্বার্থপর আমি। নিজের সব ঠিক না রেখে কখনো কিছু করিনি।
হোল্ড ইট দেয়ার, করেছি। একজনের কাছে উদারতা দেখাতে চেষ্টা করেছি। স্বার্থপরতা বাদ দেবার চেষ্টা করেছি। কতোটা সফল হয়েছি তা জানি না। তবে চেষ্টা করেছি, অনেক।
তার সাথে আর কি স্বার্থপরতা দেখাব? সে কি তা বুঝে? সে কি বুঝবে স্বার্থপরতা আর উদারতার পার্থক্য? তার সাথে আবার কিসের স্বার্থ? সে ই তো আমার স্বার্থ।
অনেক মানুষকে অনেকভাবে পেইন দিয়েছি। অনেকের মূল্য কখনো দেই নাই। জানতাম সে খুব কাছের কেউ তবু কখনো মুখ ফুটে বলি নাই। ইগোতে লাগে। অনেকেই একারনে অপছন্দ করেছে। তবে কিছু মানুষ আছে যাদের শত দূরে সরানোর চেষ্টার পরেও তারা ধরে থেকেছে। নিজেই ভাবি, কখনো কাওকে জাস্টিস দেই নাই। তবু যারা ছিল, তাদের কাছে যে আমি কতো কতো কৃতজ্ঞ তাও কখনো বলি নাই। মনে হয় না কখনো বলব।
আমি তো খুব গর্ব করেই বলি যে আমি একা আর একা থাকতেই পছন্দ করি। আসল ব্যাপারটা ভাবলাম। যতই বলি না কেন আসলে কখনো একা থাকি নাই। “একা থাকতে ভাল লাগে” এটা নিজের কাছে নিজে মিথ্যা বলার বেশী কিছু না।
কখনো কি আসলেই একা থেকেছি? না। থাকি নি। সবসময় কেউ না কেউ হাত ধরে রেখেছে, কেউ না কেউ কান্না শুনেছে আর কেউ না কেউ বাচিয়ে রেখেছে। বুঝি। সব বুঝি। আমার মস্তিষ্কই আমার সাথে সবচেয়ে বড় আর ভয়ানক খেলা করে, অন্য কেউ নয়।
অনেকবার খেয়াল করেছি, ঠিক সময়ে ঠিক ইমসন ফিল করার ক্ষমতা আমার নাই। একদমই নাই।
অল্প দুঃখ হলে কাদি, তার থেকে বেশি দুঃখ হলে চুপ করে থাকি আর খুব বেশী দুঃখ হলে সবকিছুতেই কেমন মজা পাই। সবকিছু। তুচ্ছ ব্যাপারেও হাসতে হাসতে অক্কা পাওয়ার অবস্থা। এটা অবশ্যই ইমসনের সঠিক ব্যাবহার নয়।
আচ্ছা সব কি নাটক ছিল? কোন মানসিক চাহিদা? বা শারীরিক?
কোন উত্তর পাইনি। আসলেই কি ভালবাসতে পেরেছিলাম? আমি আবার ভালও বাসতে পারি?
হুম, বেসেছিলাম। একজনকে ভাল বেসেছিলাম। কতটুকু তা জানি না, কিভাবে তাও জানি না। তবে ভালোবাসার যত সিমটম তা আমি আমার মধ্যে দেখেছি। আসলে খুব দেরিতে ভালবেসেছি। খুব বেশী দেরিতে।
তাই বাউল কয় “সময় গেলে সাধন হবে না।’’
আর এই ভালবাসাই যেন যত মানুষকে যন্ত্রণা দিয়েছি তার প্রতিশোধ। তবে একদিক দিয়ে ভালই হয়েছে। জীবনে সবকিছুর এক্সপেরিএন্স থাকা উচিত, তাতেই আমি বিশ্বাসী। আর আমি এটা বললে আসলে মিথ্যা বলব যে আই অয়াস নট লুকিং ফরওয়ার্ড টু ইট।
ভালই হয়েছে তাও ভাবছি। নিজেরে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করছি। তবে ভাল ও তো বাসছিলাম।
তারপরে আবার নিজেকে প্রশ্ন করেছি, আসলেই ভালবেসেছি নাকি? এটাও কি মস্তিষ্কের কোন খেলা?
একজনের বুকে মুখ গুজে আরেকজনের জন্য কেদেছি।
চাঁদের নিচে টেনে বলেছি “কন্ট্রোল হারিয়ে ফেল, হারিয়ে ফেল”
এটা কি উচিত ছিল? ছিল না।
একবার একজন, কাছের একজন প্রশ্ন করেছিল, ছেলেটাকে আসলেই ভালবাসিস? বল তো। বিকয আই নো ইউ কান্ট লাভ।
উত্তর না ছিল না। ছিল “জানি না”। কেন জানতাম না? কেন এতটা কনফিউসন?
কিন্তু এখন আমি জোরে বলতে পারব, আমি আসলেই ভালবেসেছিলাম ওকে।
যা কিছু করি সব ভেবে চিন্তেই করি সবসময়। সবকিছু ওয়েল প্লেন্ড রাখি।
আসলেই কি রেখেছি? তাহলে জীবন এমন হয়ে গেল কিভাবে? কিছু করার আগে কি আসলেই ভাবি? ভাবলে কি কারনে এত রিগ্রেট? কেন পড়ে মনে হয় যে কেন করলাম?
অনেকেই শুধু আপেক্ষিক কিছু কাজ, কিছু কথা সুনে-দেখে মনে করে খুব আতেল টাইপের মানুষ। বুদ্ধিমান মানুষ।
আসলে মোটেও তা নয়। আমি আসলে কতোটা বোকা কতোটা গাধা তা আমি জানি। আসলেই।
আচ্ছা কতোটা গাধা? এমন কোন পরিক্ষা থাকলে দিয়ে বের করতাম। আই কিউ এত আর গাধাত্ত এত। আমি প্রতিজ্ঞা করেই বলতে পারি আই কিউ থেকে গাধাত্তের মান অনেক বেশী হবে।
আসলে আরও অনেক কিছুই বলার ছিল আরও। রাত অনেক হয়েছে। একজন কাস্টমার নতুন শার্টের অর্ডার দিয়েছে। ওইটার ড্রয়িং টা খাতায় আকছিলাম। হটাত ল্যাপটপ কুফাটার দিকে হাত গেল। আর মনের সব বালসাল ঢেলে দিলাম মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর একটা নগন্য পেজ এ। এখন খটকা লাগল।
কেন লিখতেছি? কোন দরকার আছে? আজাইরা আজাইরা সব আজাইরা। তাই আর লিখব না। বাকিসব হোয়াইনিং মনের ভিতরেই থাকুক। আদিওস।

৩৭ thoughts on “এভাবেই শিখেছি প্রেম(নিজের কাছে জবাবদিহিতা-কনফেসন)

  1. শেষের কথা গুলোর জন্য পুরো
    শেষের কথা গুলোর জন্য পুরো পোস্টের গাম্ভীর্য টা নষ্ট হয়ে গেলরে ভাই!!!

    হুম ঠিক বলেছেন সব কিছুর এক্সপ্রিয়েন্স থাকা দরকার ……

    1. জয়, এইটাও কিন্তু আমার জীবনের
      জয়, এইটাও কিন্তু আমার জীবনের সাথে পুরা মিলে গেছে! এইবার কিছু বলার আছে?? :হাহাপগে:

      1. এইটা আমার সাথেও মিল ভাই ।
        এইটা আমার সাথেও মিল ভাই । আপনি ভাই নাকি বোন আগে কন।

        আপনার সাথে যোগাযোগ টা বাঞ্চনীয় হয়ে পড়েছে তো।

      2. রিলেশনের টুকু আমার সাথে মিলে
        রিলেশনের টুকু আমার সাথে মিলে গেছে।
        কাল বৈশাখীর এক দমকা হাওয়া যেন আমার মাঝে এক আমূল পরিবর্তন কিন্তু তাকে ভালবাসি কিনা নিশ্চিত নই!!

      3. রিলেশনের টুকু আমার সাথে মিলে
        রিলেশনের টুকু আমার সাথে মিলে গেছে।
        কাল বৈশাখীর এক দমকা হাওয়া যেন আমার মাঝে এক আমূল পরিবর্তন কিন্তু তাকে ভালবাসি কিনা নিশ্চিত নই!!

  2. অনেকবার খেয়াল করেছি, ঠিক

    অনেকবার খেয়াল করেছি, ঠিক সময়ে ঠিক ইমসন ফিল করার ক্ষমতা আমার নাই। একদমই নাই।
    অল্প দুঃখ হলে কাদি, তার থেকে বেশি দুঃখ হলে চুপ করে থাকি আর খুব বেশী দুঃখ হলে সবকিছুতেই কেমন মজা পাই। সবকিছু। তুচ্ছ ব্যাপারেও হাসতে হাসতে অক্কা পাওয়ার অবস্থা। এটা অবশ্যই ইমসনের সঠিক ব্যাবহার নয়।

    — গুড অব্জারভেসন !!!!

    1. বেঁচে আছি শুধু বেঁচে থাকার
      বেঁচে আছি শুধু বেঁচে থাকার প্রয়োজনে,মরে যাবো কখনো পৃথিবীর অপ্রয়োজনে;তবু বেঁচে থাকি এমন কোটি প্রবণতা প্রাণে ! গুড লাইন, ম্যান ! 🙂

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *