প্রসগ্ঙ সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফ (বীর উত্তম)

‪‬।১৯৭৫-থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত একটি চক্র কতটা জঘন্য ও মিথ্যা অপপ্রচার করে ইতিহাস বদলেদিয়েছ তার সম্পর্কে আমরা সবাই জানি ।আমারা দেখেছি কি করে জাতির পিতার পরিবারের নামে মিথ্যা কলংকরটানো হয়েছে ।এখন একটু আশি খালেদ মোশাররফ এর নামে কলংক রটানোর কথায় ।১৯৭৫-১৯৯৬ পর্যন্ত জাতির কাছে মিথ্যাচার করে রটানো হয়েছে খালেদ মোশারফ একজন দেশদ্রোহী খালেদ মোশারফ একজন জাতীয় ভিলেন ।সাধারন সিপাহী রা (মুলত কর্নেল তাহের ও তৎকালীল জাসদ এটা কখনোই বলে নী )খালেদ কে হত্যা করে জিয়া কে মুক্ত করে দেশে গনতন্ত্র প্রতিস্টা করেন এবং বাংলা উদ্ধার করেন ।১৯৭৫থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত বিপ্লব ও সংহতি দিবস নামে একটি দিবস পালন করতো ।যার জাকজমক বিজয় দিবস ও স্বাধিনতা দিবস কেও হারমানাত ।এভাবেই জাকজমক ও মিথ্যা অপপ্রচারে র অতলে হারিয়ে যায় খালেদ মোশাররফ হায়দার হুদার মতো মহাবীরেরা । মুক্তিযুদ্ধের অনেক তথ্য ও উপাত্ত গায়েব করা হয় ।জয় বাংলা বাদদিয়ে পাকিস্থানের সাথে মিল রেখে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ স্লোগান আমদানী করা হয় ।অবশেষে আবার আমরা আলোর পথ দেখতে যাচ্ছি । খালেদ মোশাররফ এর অনেক তথ্য লোপাট করা হয়েছে ।তবে এটা সত্য যে ইতিহাস কখনো মিথ্যা বলেনা ।মিথ্যার চোরাবালি দিয়ে সত্যর হিরক কে কখনো ই ঢেকে রাখা যায় না ।সত্য ইতিহাস চিরকাল ই জয়ি হবে এবং হয়েছে ।তাই তো আমাদের দিন বদলের পালা ।নবাব সিরাজের বাংলা লোপাট হবার পর মীর কাশেম চেয়েছিল বাংলাকে আবার পুনোরুদ্ধার করতে কিন্তূ পারেন নি ।তেমনি মুজিবের বাংলা খালেদ রক্ষা করতে গিয়ে জীবন দিলেন কিন্তু ষরযন্ত্রের নির্মমতার কারনে হলেন জাতীয় ভিলেন ।
বিঃদ্রঃ এই লেখাটি প্রথম আমার নিজের ফেসবুক পেজ সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশররফ এ প্রকাশ করেছিলাম

১০ thoughts on “প্রসগ্ঙ সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফ (বীর উত্তম)

  1. এটা পোস্ট না মন্তব্য বোঝা গেল
    এটা পোস্ট না মন্তব্য বোঝা গেল না।খালেদ মোশাররফ (বীর উত্তম) সম্পর্কে আরও জানতে চাই।

  2. এসব কি লিখলেন?হাতির দেহের
    এসব কি লিখলেন?হাতির দেহের বর্ণনা মশার চেয়ে ছোট্র করে দিলে চলবে?
    কপিটাও ঠিকমত করতে পারেননি!লিখার প্রথমেই দাড়ি(।)!

  3. ব্লগের লেখার মান এই হলে সেটা
    ব্লগের লেখার মান এই হলে সেটা খুবই হতাশাজনক :মানেকি: :মানেকি: … যদি লিখতে চান, ভালোমতন তথ্য সংগ্রহ করে বিস্তারিতভাবে লেখুন যেন পরবর্তীতে কেউ এটা পড়ে কিছু জানতে পারে… :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: পরবর্তী পোস্ট ভালো হবার অপেক্ষায়… :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

  4. সমালোচনা: হলনা কিছুই।
    সমালোচনা: হলনা কিছুই। ভাবছিলাম ভালো একটা পোস্ট পড়তে যাচ্ছি। এলোমেলো লিখা। ভূমিকা উপসংহার কিছুই দেয়া হয়নি। ব্লগের এই দশা হলে কেউ ব্লগ পড়তে আসবেনা।

    ক্রেডিট: আলোকপাত করার জন্য সামান্য কিছু ক্রেডিট আপনার প্রাপ্য।

    কানে কানে কথা: ব্লগে গবেষণা ধর্মী পোস্ট আশা করি। দেখা যাক পরে কী পোস্ট করেন।

  5. অনেক আগ্রহ নিয়ে পড়তে গিয়ে
    অনেক আগ্রহ নিয়ে পড়তে গিয়ে দেখলাম এখানে শুধুই আবেগ নির্ভর কিছু কথা।

    সাধারন সিপাহী রা (মুলত কর্নেল তাহের ও তৎকালীল জাসদ এটা কখনোই বলে নী )খালেদ কে হত্যা করে জিয়া কে মুক্ত করে দেশে গনতন্ত্র প্রতিস্টা করেন এবং বাংলা উদ্ধার করেন ।

    এখানে ব্রাকেটের লাইনটা পরিস্কার বুঝতে পারলাম না। একটু পরিস্কার করলে খুশী হবো। আর খালেদ মোশারফের মৃত্যুর ব্যাপারে আরও জানা উচিৎ। তাঁকে কোথায় হত্যা করা হয়েছে, কারা হত্যা করেছে এসব আর কি। আপনার লেখা অনুযায়ী জিয়াকে মুক্ত করতেই খালেদ মোশারফকে হত্যা করা হয়েছে, এটা ঠিক নয়। জিয়া ছিলেন ক্যান্টনমেন্টে বন্দি এবং খালেদ মোশাররফ ক্যান্টের বাহিরে। এবং বিদ্রোহী জওয়ানরা নয়, খালেদ মোশারফ মার্ডার হয়েছেন তার অনুগত বাহিনীর জওয়ানদের হাতে। তিনি বিদ্রোহের খবর পাওয়ার পরে অবস্থান নিয়েছিলেন রক্ষিবাহিনীর সদর দফতরে এবং সেখানেই তাঁকে হত্যা করা হয়। আর যতোটা ব্যপক হারে সেনা কর্মকর্তা হত্যার কথা বলা হয়ে থাকে তাও ঠিক নয়। যারা বলেন তাঁরা কেউই বারো জনের বেশী নাম বলতে পারেননি আজ পর্যন্ত। ………… এখন প্রশ্ন উঠতে পারে খালেদের অনুগত বাহিনীর সদস্যরা কেন তাঁকে হত্যা করলো? হ্যাঁ, এটা সবভাবিক। আসলে যেহেতু তাঁরা ছিলেন রক্ষী বাহিনীর সদস্য তাই তাদের মধ্যে প্রচণ্ড ভীতি কাজ করছিল বিদ্রোহীদের নিয়ে। তাই বিদ্রোহীদের খুশী করতেই খালেদকে হত্যা করেছে বলে আমার কাছে মনে হয়েছে। এই বিষয়ে এই মুহূর্তে আর কিছু বলতে পারছি না। তবে অনেক অনেক বইয়ে কিন্তু এসব ঘটনার উল্লেখ আছে।

    আর খালেদ মশারফকে নিয়ে পরবর্তী ২০ বছর কিন্তু কোন কথা বলেননি তাঁরা, যারা আজকে ঐ দিনটাকে মানে সাত নভেম্বরকে মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তা হত্যা দিবস হিসেবে পালন করেন। খালেদা জিয়ার জন্ম দিন পালনের মতো এই মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তা হত্যা দিবস পালন শুরু হয়েছে হটাত করেই। যারা আশির দশকে সিপাহি জনতার অভ্যুত্থান দিবসে তাহের সংসদের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখতেন আমন্ত্রিত হয়ে, তাদেরই অনেককে এখন দেখা যায় মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তা হত্যা দিবস পালন করতে। এই বিষয়ে আমার কাছে ডকুমেট আছে।

    1. উত্তর বাঙলা সাব, মনে হচ্ছে
      উত্তর বাঙলা সাব, মনে হচ্ছে আপ্নাকেই আবার এগিয়ে আসতে হবে। :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: এই বিষয়টা পুরোপুরি ব্যাখ্যা করে একটা পোস্ট দেন :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: … জিনিসটা আসলেও খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং নতুন প্রজন্মের এই বিষয়টা ক্লিয়ারলি জানা খুব দরকার :টাইমশ্যাষ: :জলদিকর: :জলদিকর: … অপেক্ষায় থাকলাম… :আমারকুনোদোষনাই: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

  6. লেখাটা শুরুর আগেই শেষ হয়ে
    লেখাটা শুরুর আগেই শেষ হয়ে গেছে।বিশদ আলোচনা আশা করেছিলাম।আমিও উত্তর বাংলা ভাইয়ের এ বিষয়ে একটা জাম্পেশ পোস্টের আশা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *