কানা কে কানা, খোঁড়াকে খোঁড়া বলি ও না! আর রাজাকারকে রাজাকার বলি ও না!

কানা কে কানা, খোঁড়াকে খোঁড়া বলি ও না! আর রাজাকারকে রাজাকার বলি ও না!

(অনেক আগের লিখা)

তখন ৫ম শ্রেণীতে পড়ি। আমাদের গ্রাম হতে আমাদের প্রাইমারি স্কুল প্রয় ১.২ কিমি দূরে। আমরা তখন ৭-৮ জন একসাথে স্কুলে যাওয়া আসা করতাম। আবার ছুটির সময় একসাথে বাড়ি ফিরতাম। তো একদিন স্কুল ছুটির পর সকলে হৈ হুল্ল করতে করতে বাড়ি ফিরছি। তো রাস্তার ধারে একটি আম বাগান ছিল। সেই ছায়ায় একজন লোক বসে জিরচ্ছিল( আরাম করা, বিশ্রাম করা)। আমাদের দেখে উনি কাছে ডাকলেন। আমরা ভয় পেলাম ছেলে ধরা নয়তো।

কানা কে কানা, খোঁড়াকে খোঁড়া বলি ও না! আর রাজাকারকে রাজাকার বলি ও না!

(অনেক আগের লিখা)

তখন ৫ম শ্রেণীতে পড়ি। আমাদের গ্রাম হতে আমাদের প্রাইমারি স্কুল প্রয় ১.২ কিমি দূরে। আমরা তখন ৭-৮ জন একসাথে স্কুলে যাওয়া আসা করতাম। আবার ছুটির সময় একসাথে বাড়ি ফিরতাম। তো একদিন স্কুল ছুটির পর সকলে হৈ হুল্ল করতে করতে বাড়ি ফিরছি। তো রাস্তার ধারে একটি আম বাগান ছিল। সেই ছায়ায় একজন লোক বসে জিরচ্ছিল( আরাম করা, বিশ্রাম করা)। আমাদের দেখে উনি কাছে ডাকলেন। আমরা ভয় পেলাম ছেলে ধরা নয়তো।
( তখন আমাদের অঞ্চলে ছেলে ধরার একটা ভয় কাজ করছিল। যদিও ব্যাপারটা ভুয়া। কিন্তু আমরা ছোট মানুষ আমাদের মাঝে ছেলে ধরা নিয়ে একটা ভয় ছিল। যে , ছেলে ধরারা ছোট পোলাপান কে একা পেলে ধরে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে দেয়।)
কারণ লোকটির পরনে বিদঘুটে পোশাক
(এ রকম পোশাক আগে আমরা দেখিনি,আসলে ওটি ছিল কোট । যা অনেক পরে বড় হয়ে শহরে এসে বুজেছিলাম)
কেমন মলিন, চুল বড় বড় অবিন্যস্ত, হাতে একটা লাঠি। ঠিক যেন বাংলাদেশি হেমিলনের বাঁশি ওলা। আমরা ভয় ভয়ে কাছে গেলাম। উনি উঠে দাঁড়ালেন লাঠি ভর দিয়ে। এগিয়ে এলেন, তখন বুঝলাম লোকটির পায়ে সমস্যা আছে। এক কথায় তিনি খোঁড়া। এই সময় আমাদের মধ্য থেকে জুয়েল নামে আমার এক চাচাতো ভাই আমাকে বলে উঠল, দেখ লোকটা তো খোঁড়া। এমনই আস্তে বলল যে ঐ লোকটা পর্যন্ত পষ্ট শুনতে পেলেন।আমরা দুই পক্ষই পরস্পরকে দেখলাম এক মহুরতো । এর পর উনি কোমল গলায় জিঙ্গেস করলেন আমরা স্কুল হতে এলাম না কি ? আমরা মাথা নড়ালাম। এর পর উনি জুয়েলর দিকে তাকিয়ে খুব মোলায়েম গলায় প্রশ্ন করলেন। তোমার নাম কি বাছা? ও তখন বেশ ঘাবড়ে গেছে, চুপ করে আছে, ওর হয়ে আমি উত্তর দিলাম ওর নাম জুয়েল।
উনি এর পর গলা পরিষ্কার করে নিয়ে আমাদের সকলকে উদ্দেশ্য করে বললেন , শোন বাবারা, আমাদের পৃথিবীতে বিভিন্ন রকম মানুষ আছে। কেউ কানা, কেউ খোঁড়া, কেউ বোবা, কেউ ঠসা( বধির)।
এরকম বিভিন্ন রকম মানুষ আছে, আছে না?
আমরা আবার সকলে মাথা ঝোকালাম।( আমাদের সকলের মনে তখন ভয় এই বুঝি তিনি আমাদের মারলেন, জুয়েলের উপর খুব রাগ হচ্ছিল, কেন বাবা অত জোরে বলতে গেলি।) এটি তাদের শরীরের একটা ত্রুটি, এই ত্রুটি নিয়ে কিছু বললে বা উপহাস করলে, বা তাঁকে ঐ কানা, ঐ খোঁড়া করে ডাকলে হয়তো যাকে ডাকলে সে মনে কষ্ট পেতে পারে। তাই কোন কানা কে কানা এবং খোঁড়া কে খোঁড়া বলিও না।
আমরা সকলে মাথা ঝুঁকিয়ে সায় জানালাম। এর পর তিনি ভারত বর্ডার এখান হতে কত দুর তা জিঙ্গেস করলেন। আমরা বললাম ১০-১২ মাইল। এর পর তিনি অন্যমনস্ক হয়ে দূরে তাকিয়ে থাকলেন, আমরা শুঁড় শুঁড় করে চলে আসার জন্য পেছনে ফিরলাম।
কিছুক্ষণ পর পেছনে ফিরে দেখলাম তিনি লাঠিতে ভর দিয়ে আমাদের অনেক পিছে আস্তে আস্তে হেটে আসছেন।
আর তখন আমি মনে মনে আওড়ালাম( বললাম) কানাকে কানা , খোঁড়া কে খোঁড়া বলি ও না।
বিঃদ্রঃ যা আজ পর্যন্ত আমি মেনে চলি।
##মরালঃ তেমনি জামাত শিবিরকে রাজাকার বলি ও না ওরা মনে কষ্ট পাবে। কারন ওরা যে রাজাকার। হাহা কি বলেন আপনারা।

৯ thoughts on “কানা কে কানা, খোঁড়াকে খোঁড়া বলি ও না! আর রাজাকারকে রাজাকার বলি ও না!

  1. কানা কে কানা বলা যাবেনা কারণ
    কানা কে কানা বলা যাবেনা কারণ কানা হইলেও সে মানুষ। কিন্তু কুত্তাকে কুত্তা না বলে কি বলবো? শিবির বলেন,ছাগু বলেন,জামাত বলেন,রাজাকার বলেন, যাঈ বলেন না কেন এদের সবার কিবলা কিন্তু কাবা না, এদের কিবলা হইলো চাঁদতারা।

    বেওয়ারিশ কুত্তাকে গালাগালি করাতে আমার দুঃখ নাই।

    1. আহ ! ভাই কুকুরের মত বিস্বস্ত
      আহ ! ভাই কুকুরের মত বিস্বস্ত প্রানীকে কেন যে এই নিকৃষ্ট প্রানী জামাত-শিবিরের সাথে তুলনা করেন। কুকুর হাজার গুণে ভাল ওদের থেকে

  2. শেষ কথায় মজাই লাগলো।
    ইলেকট্রন

    শেষ কথায় মজাই লাগলো।
    ইলেকট্রন ভাইর সাথে একমত ।কুকুর কে কুত্তা না বললে ওরা মাইন্ড খেতে পারে ।তেমনি রাজাকারকে রাজাকারই বলা উচিৎ ।তবে রাজকারে আপত্তি থাকলে এদেরকে শুয়োরের বাচ্চা নামে ডাকলে আপত্তি নাই ।

  3. এই পাকি বীর্যগুলোকে কোন পশুর
    এই পাকি বীর্যগুলোকে কোন পশুর নামে ডেকে সেই পশুতাকে অপমান করার কোন মানে হয় না। :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: কেননা ঐ পশুগুলো অন্তত নিজের স্বজাতির সাথে কোনদিন বেইমানি করেনি, আর করার কোন সম্ভাবনাও নেই। :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: তাদের অন্তত এই নীতিটা আছে… যেটা এই জারজ পাকি বীর্যদের নেই… :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি:

  4. স্যরি ভাইয়েরা! ইমোশনাল হয়ে
    স্যরি ভাইয়েরা! ইমোশনাল হয়ে কুত্তার সাথে তুলনা করলাম।

    হে আমার কুত্তা সম্প্রদায়, আমারে ক্ষমা করে দে। ভুলে তোদেরকে শিবিরের সাথে তুলনা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *