হাংরি আন্দোলন — এক অভূতপূর্ব দ্রোহের বিস্ফোরণ (পর্ব -৩) ইতিহাস পরিবর্তনকারী এক আন্দোলনের পেছনের ষড়যন্ত্র ও এর কুশীলবেরা…


হাংরি আন্দোলন নিয়ে পুরো বাঙলা সাহিত্যে এক ভয়াবহ সুনামি বয়ে যায় মূলত এঁর চমকে দেয়া বেশ কিছু বুলেটিন আর কিছু ইশতেহারকে ভিত্তি করে। বুলেটিনগুলো ছিল এক পৃষ্ঠার, প্রকাশ হত পোস্টকার্ড, পোস্টার বা এক ফর্মার পুস্তিকা হিসাবে। হ্যান্ডবিল আকারে লাইব্রেরি, কলেজ স্ট্রীট, কফি হাউজ, পত্রিকাদপ্তর ইত্যাদি স্থানে এগুলো বিলি করার ফলে খুব অল্প সময়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে হাংরি মুভমেন্ট। তৎকালীন শিল্পসাহিত্যের হর্তাকর্তা বলে দাবীদার কৃত্তিবাস ও কল্লোলের সুশীলসহ সমাজ, মানবতা, দারিদ্র, দেশ ইত্যাদি সব কিছুর উপর চলা অন্যায়, অবিচার, নিরপেক্ষতা ও সুশীলতাকে একসাথে আক্রমন করে ধুয়েমুছে ভারত মহাসাগরে ছুড়ে ফেলে দেবার অপরাধে হাংরি আন্দোলনের সমালোচনা হতে লাগলো ভয়াবহভাবে। এক পর্যায়ে তো একদিন কফি শপে সুবিমল বসাককে হামলাই করে বসলেন কিছু লেখক। বিশেশত তৎকালীন সুশীল সাহিত্যিকদের কাছে হাংরি আন্দোলন ছিল রীতিমত এক অভিশাপ…

এক ফালি কাগজে বুলেটিন বের করার কারনে পরবর্তীতে আর এগুলো সংরক্ষন করা যায়নি। যদিও কলকাতার লিটল ম্যাগ ও গবেষণাকেন্দ্রের বহু চেষ্টায় গোটা দশেক এবং আমাদের বাঙলা একাডেমীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আরও কিছু বুলেটিন সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছিল। আর ইশতেহারগুলো ছিল বাঙলা সাহিত্য ইতিহাসে এক মাইলফলক। কেননা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই ইশতেহারগুলো বাঙলা সাহিত্যকে দিয়েছে এমন কিছু শিল্পকর্ম, যা হাংরি না এলে হয়তোবা সাহিত্যিকের সুদূরতম কল্পনায়ও আসত না। ১৯৬৩ থেকে ১৯৬৫ পর্যন্ত হাংরি রেবেলরা বেশ কিছু সংবাদপত্র বের করেছিলেন। এরমধ্যে সুবিমল বসাকের “প্রতিদ্বন্দ্বী”, ত্রিদিব মিত্রের “উন্মার্গ”, মলয়রায় চৌধুরীর “জেব্রা”, দেবি রায়ের “চিহ্ন”, প্রদীপ চৌধুরীর “ফুঃ”, সতীন্দ্র ভৌমিকের “এষনা” এবং আলো মিত্রের “দি ওয়েস্ট পেপার” প্রনিধানযোগ্য। বিট আন্দোলনের কবি অ্যালেন গিন্সবারগ(মুক্তিযুদ্ধের উপর চাক্ষুস অভিজ্ঞতায় লেখা কবিতা-“সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড” এর লেখক) এইগুলো সংগ্রহ করে ইউনিভার্সিটিতে দিয়ে যান। যা পরবর্তীতে হাংরির কথা ছড়িয়ে দিয়েছে সারা বিশ্বে।

কৃত্তিবাসের মাধ্যমে সুনীলসহ সমসাময়িক লেখকেরা যে আন্দোলন করতে গিয়ে পারেননি,কিছু পাগলাটে রগচটা তরুন অদ্ভুত এক নাম দিয়ে সেই বিপ্লবকে লাভার মত চারিদিকে ছড়িয়ে দেয়ায় খুব দ্রুতই এই আন্দোলনকে ঘিরে শুরু হল নানারকম চক্রান্ত ও গোপন ষড়যন্ত্র। অবশ্য কিছু প্রথাবিরোধী কর্মকাণ্ড (যেমন পেইনটিং প্রদর্শনী করে শেষ দিন প্রতিটি ছবিতে আগুন ধরিয়ে দেয়া, একটি গ্রন্হের দাম কয়েক লক্ষ টাকা রাখা, বাণিজ্যিক পত্রিকায় গ্রন্হ রিভিউ করার জন্য জুতোর বাক্স পাঠানো কিংবা ছোটগল্পের নামে শাদা কাগজ পাঠানো ইত্যাদি) আগুনে ঢেলেছে উৎকৃষ্ট মানের গাওয়া ঘি। তবে সবচেয়ে বড় ঘটনাটা ঘটে ১৯৬৩ সালে। সমাজের বিষফোঁড়া রাজনীতিবিদগণ, অদৃশ্য কীট আমলা-সচিবেরা এবং সত্যের মুখোশপড়া সংবাদপত্রের মালিকদের এক অদ্ভুত বার্তা পাঠান তারা। রাক্ষস, জোকার, মিকিমাউস, দানব, দেবতা, জন্তু-জানোয়ার ইত্যাদি মুখোশে “”দয়া করে মুখোশ খুলে ফেলুন”” এই কথাটি লিখে পাঠিয়ে দেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, এমএলএ, সচিব ও সাংবাদিক নেতাদের কাছে। ফলাফল, তারা শুধু একটা সুযোগ খুঁজছিলেন এই অভদ্র আন্দোলনকে থামিয়ে দেয়ার। অসামাজিক কর্মকাণ্ড করার অনেক বড় অভিযোগ ছিলও হাংরির বিরুদ্ধে।কিন্তু প্রশাসন চাইছিল সাহিত্যিক সমাজ থেকে সাপোর্ট। চরমভাবে আক্রমণাত্মক ও অশ্লীলতার দায়ে অভিযুক্ত হাংরিকে পুরোপুরি স্তব্ধ করে দেয়ার সেই মোক্ষম সুযোগটি এল সুশীল সুনীল বাবু পেছন থেকে সেই বহুল আকাঙ্ক্ষিত সমর্থনটা দেয়ায়। আন্দোলনের পিঠে ছুরি মেরে সুনীলের সাথে যোগ দেন শক্তি চট্টোপাধ্যায় ও সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়। আরও পরে নাটকের এক ক্লাইমেক্সে অভিনয়প্রতিভা দেখান সুভাষ ঘোষ, শৈলেশ্বর ঘোষ।

১৯৬৪ সালের সেপ্টেম্বরে ইনডিয়ান পেনাল কোডের ১২০বি, ২৯২ এবং ২৯৪ ধারায় ১১ জন হাংরি আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হল । তাঁরা হলেন: সমীর রায়চৌধুরী, মলয় রায়চৌধুরী, দেবী রায় , সুভাষ ঘোষ , শৈলেশ্বর ঘোষ , প্রদীপ চৌধুরী, উৎপলকুমার বসু, রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়, বাসুদেব দাশগুপ্ত, সুবো আচার্য এবং সুবিমল বসাক । এঁদের মধ্যে প্রথম ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয় এবং কলকাতার ব্যাংকশাল কোর্টে তোলা হয় । মলয় রায়চৌধুরীকে হাতে হাতকড়া এবং কোমরে দড়ি বেধে রাস্তায় হঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় চোর-ডাকাতদের সঙ্গে। মামলার ফলে প্রত্যেকের স্বাভাবিক জীবন ধ্বংস হয়ে যায়। হাংরি আন্দোলন প্রস্তুত হয়ে যায় তার শেষটা দেখার জন্য। কিন্তু হঠাৎ নাটকের শেষ দৃশ্য আমাদের দেখায় এক অদ্ভুত ক্লাইমেক্স। যেই ক্লাইমেক্সটা না হলে হয়তোবা আজকের কলকাতার শিল্পসাহিত্যের একটা বিশাল অংশ আইনের দৃষ্টিতে হত অবৈধ ও নিষিদ্ধ।

আজকে আর না। বাকি অংশটা দিয়ে এই সিরিজ শেষ করে দেব সামনের পোস্টে। আপাতত কবিতা নিয়ে হাংরির দেয়া সেই অমর ইশতেহারটা পড়ি চলুন…

কবিতা বিষয়ক প্রথম বাংলা ইশতাহার (নভেমবর ১৯৬১)’

কবিতা এখন জীবনের বৈপরীত্যে আত্মস্হ । সে আর জীবনের সামঞ্জস্যকারক নয় , অতিপ্রজ অন্ধবল্মীক নয়, নিরলস যুক্তিগ্রন্হন নয় । এখন, এই সময়ে, অনিবার্য গভীরতার সন্ত্রস্তদৃক ক্ষুধায় মানবিক প্রয়োজন এমনভাবে আবির্ভূত যে, জীবনের কোনো অর্থ বের প্রয়োজন শেষ । এখন প্রয়োজন অনর্থ বের করা, প্রয়োজন মেরুবিপর্যয়, প্রয়োজন নৈরাত্মসিদ্ধি । প্রগুক্ত ক্ষুধা কেবল পৃথিবী বিরোধিতার নয়, তা মানবিক, দৈহিক এবং শারীরিক । এ ক্ষুধার একমাত্র লালনকর্তা কবিতা, কারণ কবিতা ব্যতীত কী আছে আর জীবনে । মানুষ, ঈশ্বর, গণতন্ত্র এবং বিজ্ঞান পরাজিত হয়ে গেছে । কবিতা এখন একমাত্র আশ্রয় ।

কবিতা থাকা সত্ত্বেও, অসহ্য মানবজীবনের সমস্তপ্রকার অসম্বদ্ধতা । অন্তর জগতের নিষ্ঠুর বিদ্রোহে, অন্তরাত্মার নিদারুণ বিরক্তিতে, রক্তের প্রতিটি বিন্দুতে রচিত হয় কবিতা
। উঃ, তবধ মানবজীবন কেনএমন নিষ্প্রভ । হয়তো, কবিতা এবং জীবনকে ভিন্নভাবে দেখতে যাঁরা অভ্যস্ত তাঁদের অপ্রয়োজনীয় অস্তিত্ব এই সঙ্কটের নিয়ন্ত্রক ।

কবিতা বলে যাকে আমরা মনে করি, জীবনের থেকে মৌহমুক্তির প্রতি ভয়ংকর আকর্ষণের ফলাফল তা কেবল নয় । ফর্মের খঙাচায় বিশ্বপ্রকৃতির ফাঁদ পেতে রাখাকে আর কবিতা বলা হয় না । এমনকি প্রত্যাখ্যাত পৃথিবী থেকে পরিত্রাণের পথরূপেও কবিতার ব্যবহার এখন হাস্যকর । ইচ্ছে করে, সচেতনতায়, সম্পুর্ণরূপে আরণ্যকতারবর্বরতার মথ্যে মুক্ত কাব্যিক প্রজ্ঞার নিষ্ঠুরতার দাবির কাছে আত্মসমর্পণই কবিতা । সমস্ত প্রকার নিষিদ্ধতার মথ্যে তাই পাওয়া যাবে অন্তরজগতের গুপ্তধন । কেবল, কেবল কবিতা থাকবে আত্মায় ।


ছন্দে গদ্য লেখার খেলাকে কবিতা নাম দিয়ে চালাবার খেলা এবার শেষ হওয়া প্রয়োজন । টেবলল্যাম্প ও সিগারেট জ্বালিয়ে, সেরিব্রাল কর্টেক্সে কলম ডুবিয়ে, কবিতা বানাবার কাল শেষ হয়ে গেছে । এখন কবিতা রচিত হয় অরগ্যাজমের মতো স্বতঃস্ফূর্তিতে । সেহেতু ত্রশ্নূ বলাৎকারের পরমুহূর্তে কিংবা বিষ খেয়ে অথবা জলে ডুবে ‘সচেতনভাবে বিহ্বল’ হলেই, এখন কবিতা সৃষ্টি সম্ভব । শিল্পের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা কবিতা সৃষ্টির প্রথম শর্ত । শখ করে, ভেবে-ভেবে, ছন্দে গদ্য লেখা হয়তো সম্ভব, কিন্তূ কবিতা রচনা তেমন করে কোনো দিনই সম্ভব নয় । অর্থব্যঞ্জনাঘন হোক অথবা ধ্বনিপারম্পর্ষে শ্রুতিমধুর, বিক্ষুব্ধ প্রবল চঞ্চল অন্তরাত্মার ও বহিরাত্মার ক্ষুধা নিবৃত্তিরশক্তি না থাকলে, কবিতা সতীর মতো চরিত্রহীনা, প্রিয়তমার মতো যোনিহীনা, ঈশ্বরীর মতৌ অনুন্মেষিণী হয়ে যেতে পারে ।

আর পোস্টটা শেষ করবো এই হাংরি কবিতাটা দিয়ে… ভালো থাকবেন সবাই :গোলাপ: :বুখেআয়বাবুল: …

আমি চুপ করে থাকলে
দেবী রায়

নখ কাটতে গিয়ে আমার আঙুলে ব্লেড গঁথে যায়
আনেক গভীর
আমি আপেক্ষা করি, রক্তের — দেখা নেই
দারুন ভয় আমাকে চিৎ করে ফ্যালে, আমি ঢোঁক গিলি
এই ভয় — বিষম আন্তরঙ্গ কোনো মৃত্যুরই সমান আবিশ্বাস্য
বাস-ট্রাম আমায় বহু সময় গিলে নেয় কোনো কোনো
বন্ধুর ফ্ল্যাতে যেতে
এক পায়ে খাড়া হয়ে কড়া নাড়ি দরোজায় বহুক্ষণ
এক নাগাড়ে
হাত ধরে যায় ‘বাড়ি নেই’ অপরিচিত বিদেশী স্বরে কেউ বলে ওঠে
অথবা সরব হুক খোলার শব্দে দাড়ি কামানোর পর প্রথম
আয়নায় নিজের মুখ দেখার সময়ে আমি
হুডখোলা – কার
ছুটি, রেড ধরে ফাঁকা রাস্তায়
বন্ধুর স্ত্রী ঠেসে পরিচিত হতে চায় ফ্যাকাশে হেঁসে
দারুণ ক্ষিদেয় আমি অস্হির হয়ে উঠি – দারুণ ক্ষিদেয়
আমি
এখন বাসট্রাম অবগদি খেয়ে ফেলতে পারি – বেথানিয়া থেকে –
আসের সময়ে যিশু অব্দি এম্নি ক্ষুধার্ত হয়ে পড়েছিল
আমি চুপ করে থাকলে রাস্তার পাথর অব্দি চিৎকার করে
ওঠে
মানুষের মুখের দিকে চেয়ে আমি বুঝি নপুংসক হয়ে জন্মায়
কেউ
মানুষের হাতে রাজনৈতিক নপুংসক হয়েছে
কেউ
কবিতাকে ধর্মের সমান দেখতে চেয়ে
নিজেকে নপুংসক করেছে

প্রাসঙ্গিক পূর্বের পোস্ট–

৩৫ thoughts on “হাংরি আন্দোলন — এক অভূতপূর্ব দ্রোহের বিস্ফোরণ (পর্ব -৩) ইতিহাস পরিবর্তনকারী এক আন্দোলনের পেছনের ষড়যন্ত্র ও এর কুশীলবেরা…

  1. আপনার পরিশ্রম সার্থক, অন্ততঃ
    আপনার পরিশ্রম সার্থক, অন্ততঃ আমার জন্য হলেও।আপনার পোস্টগুলির বদলৌতে হাংরি আন্দোলন সম্পর্কে পুরো ধারনা পেলাম, পাচ্ছি ।ধন্যবাদ আপনাকে ।

    1. সময় করে পোষ্টটা পড়ার জন্য
      সময় করে পোষ্টটা পড়ার জন্য আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ শাহিন ভাই :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :তালিয়া: :থাম্বসআপ: … আপনারদের উৎসাহেই লেখার অনুপ্রেরণা পাই… :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :ফুল:

  2. ছন্দে গদ্য লেখার খেলাকে কবিতা

    ছন্দে গদ্য লেখার খেলাকে কবিতা নাম দিয়ে চালাবার খেলা এবার শেষ হওয়া প্রয়োজন । টেবলল্যাম্প ও সিগারেট জ্বালিয়ে, সেরিব্রাল কর্টেক্সে কলম ডুবিয়ে, কবিতা বানাবার কাল শেষ হয়ে গেছে । এখন কবিতা রচিত হয় অরগ্যাজমের মতো স্বতঃস্ফূর্তিতে । সেহেতু ত্রশ্নূ বলাৎকারের পরমুহূর্তে কিংবা বিষ খেয়ে অথবা জলে ডুবে ‘সচেতনভাবে বিহ্বল’ হলেই, এখন কবিতা সৃষ্টি সম্ভব । শিল্পের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা কবিতা সৃষ্টির প্রথম শর্ত ।

    1. আমার পরিশ্রম সার্থক এইটা
      আমার পরিশ্রম সার্থক এইটা আমারে কনফার্ম করার জন্য আপ্নেরে এত্তগুলা ধইন্না পাতা ইলেকট্রন ভাই :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :ফুল: (এইবার কিন্তু আর বইন ডাকি নাই)… আপনাদের জন্যই লিখি…আপনাদের ভালো লাগাতেই সার্থকতা… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :তালিয়া: :তালিয়া: ভালো লেগেছে জেনে তাই খুশীতে নাচতেছি…। :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :পার্টি: 😀 ভালো থাকবেন জনাব… :বুখেআয়বাবুল: :ফুল:

  3. চমৎকার একটা কাজ করছেন আপনি।
    চমৎকার একটা কাজ করছেন আপনি। বাংলা ব্লগে হাংরি আন্দোলন নিয়ে এতো সমৃদ্ধ লেখা চোখে পড়েনি। অথবা আদৌ লেখাই হয়নি এই বিষয়ে। কালেকশনে রাখার মতো সিরিজ। ধন্যবাদ রাআদ। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :তালিয়া: :তালিয়া:

    1. সবই আপনাদের অনুপ্রেরণা ও
      সবই আপনাদের অনুপ্রেরণা ও উৎসাহে সম্ভব হয়েছে। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :bow: সমৃদ্ধ হয়েছে কিনা বলতে পারব না, তবে চেষ্টা করেছি হাংরির সাথে সম্পৃক্ত প্রায় সব ঘটনাগুলো এক ফ্রেমে আনতে। :আমারকুনোদোষনাই: কতটুকু পেরেছি, বিচার করবেন আপনারা। :দেখুমনা: :দেখুমনা: আপাতত অনবরত উৎসাহ দিয়ে যাবার জন্য অশেষ ধইন্না পাতা… :তালিয়া: :তালিয়া: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :ফুল: 😀

  4. রাআদ আপনাকে আন্তরিক
    রাআদ আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।এমন একটা বিষয়ে সুন্দর তথ্যের ভিত্তিতে এমন কতগুলো পোস্টের জন্য।হাংরি মুভমেন্ট সম্পর্কে এখন মোটামুটি ভালো ধারণা পেলাম আপনার লেখাগুলো থেকে।পরের পোস্টের অপেক্ষায় রইলাম।

    1. আমার চেষ্টা সার্থক হয়েছে দেখে
      আমার চেষ্টা সার্থক হয়েছে দেখে খুব ভালো লাগছে :নৃত্য: :নৃত্য: :বুখেআয়বাবুল: … আগামি পোস্ট তাড়াতাড়ি দেবার চেষ্টা থাকবে :কেউরেকইসনা: :গোলাপ: 😀 … ধন্যবাদ :ধইন্যাপাতা: :ফুল:

  5. হুম – স্পষ্ট বুঝতে পারছি এই
    হুম – স্পষ্ট বুঝতে পারছি এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য, বিধেয়
    তথা এর বিরুদ্ধে আমাকে লিখতে হবে । নাহ, ভাবার কোন কারণ নেই
    আমি সুনীল – শক্তিদের শক্তি যোগানোর জন্য লিখবো ।

    1. ঠিক বুঝতে পারিনি আপনার
      ঠিক বুঝতে পারিনি আপনার কমেন্টটা রাহাত ভাই, :দেখুমনা: একটু ব্যাখ্যা করবেন কি?? :কেউরেকইসনা: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: আর হাংরি নিয়ে যদি আপনার কোন লেখা পাই, বিশেষ করে সুনীলসহ আরও জনপ্রিয় সাহিত্যিকদের ভুমিকাটা বিস্লেশন করে কোন লেখা, তবে এর চেয়ে ভালো আর কিছু হতে পারেনা। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: ওয়েটাইতেছি… :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :ফুল:

        1. কবে…কবে… ওয়েট করতে করতে
          কবে…কবে… ওয়েট করতে করতে তো বৃদ্ধ হয়ে গেলাম রাহাত ভাই :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: … তর আর সইতেছে না… :দেখুমনা: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :জলদিকর: :জলদিকর: :জলদিকর:

          1. বসে বসে wait করতে করতে আমার
            বসে বসে wait করতে করতে আমার weight বেড়ে যাইতেছে রাহাত ভাই। পরে over weight এর জন্য আমার বিয়া না হইলে আপনার দোষ হবে কিন্তু! তাই তাড়াতাড়ি পোস্ট করে আমার বিবাহের পথ সুগম করে দিন।

  6. তোমার মতামত কিংবা অনুভূতি
    তোমার মতামত কিংবা অনুভূতি লিখবে না? এই আন্দোলন তোমাকে কীভাবে, কতটুকু আন্দোলিত করেছে, জানাবে না?
    স্পেসিংয়ের ব্যাপারটা শুধরেছো, খুব ভালো। বাক্যও বিশাল আকারের হয় নি তাই পড়ে আরাম পেয়েছি।
    উপসংহার পড়ার অপেক্ষায় রইলাম 🙂

    1. আসলে আন্দোলনের প্রেক্ষাপট,
      আসলে আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, তার ঘটনাপ্রবাহ এবং বাঙলা সাহিত্যে এর সুদুরপ্রসারি প্রভাব ইত্যাদি বিষয়গুলো এতটাই বিস্তৃত ও গভীর যে, এগুলো বিস্লেশন করতেই মিনিমাম ৮-১০টা পোস্ট প্রয়োজন। :মাথানষ্ট: :কানতেছি: আর সবকিছু ব্যাখ্যা না করে আমি আমার মতামত দিতে চাচ্ছি না। আশা করি সামনের ১-২টা পোস্টেই সব জানিয়ে তারপর আমার মতামত জানাতে পারব… অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ নির্ঝর আপু আপনাকে আমার লেখাগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে পড়ে আমার ভুলগুলো ধরিয়ে দেবার জন্য :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :থাম্বসআপ: :তালিয়া: :bow: … এইরকম পাঠিকা পেলে আমি হাজার পোস্টও লিখতে রাজি :ভেংচি: :কেউরেকইসনা: :আমারকুনোদোষনাই: :চশমুদ্দিন: … ভালো থাকবেন আপু :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :ফুল: 😀 …

  7. “অতিপ্রজ” “অন্ধবল্মীক”
    :-B :-B “অতিপ্রজ” “অন্ধবল্মীক” “সন্ত্রস্তদৃক” “নৈরাত্মসিদ্ধি”…………………………. :চিন্তায়আছি:
    নাহ!!! মানুষ হওয়া লাগব। রোবোস্যাপিয়েন্স হইয়্যা থাকলে তাড় ছিড়া আটকানো অসম্ভব।

    1. কথাটা খারাপ বলেন নাই …
      কথাটা খারাপ বলেন নাই :হাসি: :হাহাপগে: … তবে জানেন কি, মানুষ হয়েও খুব বেশি লাভ হবে বলে মনে হচ্ছে না। :খাইছে: :কানতেছি: :কানতেছি: গত কয়েকদিনে এই নিয়ে লেখালেখি করতে গিয়ে মাথার তার যে কয়টা ছিঁড়ছে,তার কোন হিসাব নাই :দেখুমনা: :দেখুমনা: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: … বহুত কষ্ট হইছেরে ভাই তারগুলা জোড়া দিতে :দেখুমনা: :খাইছে: :কানতেছি: … তাই এই বিষয়ে পড়ার আগে সাবধান :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: … তারপরেও আপনে মাথা নষ্ট কইরা পড়ছেন দেইখা আপনারে অসংখ্য ধইন্নাবাদ… :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :ফুল: 😀

  8. রাআদ ভাই, হাংরি আন্দোলন মনে
    রাআদ ভাই, হাংরি আন্দোলন মনে হয় সুররিয়ালিজম দ্বারা কিছুটা প্রভাবিত; একটু দর্শনগত ব্যাপারগুলোর উপর আলোকপাত করবেন আশাকরি আগামীতে!!
    তবে আপনার মত ডাই-হার্ড মুভিখোর একটা চলচ্চিত্রের হাত ধরে একটা মুভমেন্ট নিয়ে এইভাবে লিখা শুরু করবেন, বিস্ময়কর ঠেকছে!! অনবদ্য… আসলেই জটিল আর সময়োপযোগী একটা বিষয়ের উপর আপনার এমন ধারাবাহিক অনেক বৈচিত্র্য নিয়ে আসছে ইস্টিশনের পোস্টে…
    :গোলাপ: :গোলাপ: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন:
    আর রাহাত ভাই যদি এর ফলশ্রুতিতে কিছু লিখেন তবে অসাধারণ হবে…

    1. আর রাহাত ভাই যদি এর

      আর রাহাত ভাই যদি এর ফলশ্রুতিতে কিছু লিখেন তবে অসাধারণ হবে.. –

      রাহাত ভাইয়ের কি আদৌ মনে আছে… :চিন্তায়আছি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মনখারাপ:

    1. মলয়রায় চৌধুরীকে পেয়েছিলাম পরে
      মলয়রায় চৌধুরীকে পেয়েছিলাম পরে :থাম্বসআপ: … ফেবুতেই পেয়েছিলাম। :খুশি: ধন্যবাদ শিখা আপু… হাংরি নিয়ে আমার বাকি পোস্টগুলো কি পড়েছেন?? :চিন্তায়আছি: :চিন্তায়আছি:

    1. নাগরিক চট্টগ্রাম ভাই, এই নেন
      নাগরিক চট্টগ্রাম ভাই, এই নেন সিরিজের সবগুলা লেখার লিংক–

      ১ম পর্ব– http://www.istishon.com/node/4303

      ২য় পর্ব– http://www.istishon.com/node/4323

      ৩য় পর্ব– http://www.istishon.com/node/4352

      ৪র্থ পর্ব– http://www.istishon.com/node/4414

      শেষ পর্ব– http://www.istishon.com/node/4514

      আর চলচ্চিত্রে হাংরি আন্দোলনকে নিয়ে আসা একমাত্র চলচ্চিত্র “”বাইশে শ্রাবণ”” এর রিভিউ-http://www.istishon.com/node/4311

  9. এই কথাগুলো একদম আমার মনের
    এই কথাগুলো একদম আমার মনের সাথে মিলে গেল। আমি সবসময় এই কথাগুলো বলি-

    শিল্পের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা কবিতা সৃষ্টির প্রথম শর্ত । শখ করে, ভেবে-ভেবে, ছন্দে গদ্য লেখা হয়তো সম্ভব, কিন্তূ কবিতা রচনা তেমন করে কোনো দিনই সম্ভব নয় । অর্থব্যঞ্জনাঘন হোক অথবা ধ্বনিপারম্পর্ষে শ্রুতিমধুর, বিক্ষুব্ধ প্রবল চঞ্চল অন্তরাত্মার ও বহিরাত্মার ক্ষুধা নিবৃত্তিরশক্তি না থাকলে, কবিতা সতীর মতো চরিত্রহীনা, প্রিয়তমার মতো যোনিহীনা, ঈশ্বরীর মতৌ অনুন্মেষিণী হয়ে যেতে পারে ।

    আপনাকে :bow: :bow: :bow:

  10. সমাজের বিষফোঁড়া

    সমাজের বিষফোঁড়া রাজনীতিবিদগণ, অদৃশ্য কীট আমলা-সচিবেরা এবং সত্যের মুখোশপড়া সংবাদপত্রের মালিকদের এক অদ্ভুত বার্তা পাঠান তারা। রাক্ষস, জোকার, মিকিমাউস, দানব, দেবতা, জন্তু-জানোয়ার ইত্যাদি মুখোশে “”দয়া করে মুখোশ খুলে ফেলুন””

    পুরো লেখাটা তো আছেই তার সঙ্গে উপরের কথাগুলো অসম্ভব ভালো লাগলো… :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *