হাংরি আন্দোলন — এক অভূতপূর্ব দ্রোহের বিস্ফোরণ (পর্ব -২) কৃত্তিবাস ও কল্লোলের সাথে মিলিয়ে ফেলবার অপচেষ্টা…


পঞ্চাশের দশকের ইউরোপের সংঘটিত কিছু টাইমস্পেসিফিক বা তৎকালীন সময় কেন্দ্রিক কিছু শিল্প-সাহিত্য আন্দোলনের আদলে বাঙলা সাহিত্যেও এক বিপ্লবের চেষ্টা চলেছিল। অনেকেই সেই আন্দোলনের চেষ্টার সাথে হাংরি আন্দোলনকে মিলিয়ে ফেলবার চেষ্টা করেন।আসলে কল্লোল বা কৃত্তিবাস গোষ্ঠীর তৎকালীন আন্দোলন ছিল বড়ই সাজানো -গোছানো যুক্তিগ্রন্থনা নির্ভর নিটোল বাস্তবতায় ভরা অদ্ভুতুড়ে এক পরিহাস(যেখানে সাহিত্যিকগন নতুনভাবে নতুনচিন্তায় নবআবিস্কারে মাতার বদলে আন্দোলন আন্দোলন বলে চেঁচিয়ে আবার নিজের চেনাজানা জগতের খোলসের মাঝে ঢুকে যেতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন), অতএব ইউরোপীয় উপনিবেশিকতার চৌহদ্দিতে গড়ে ওঠা সে আন্দোলন বাঙলা সাহিত্যে নতুন ধারা সৃষ্টি তো দূরে থাক,ন্যূনতম বিদ্রোহের আমেজও সৃষ্টি করতে পারেনি। যার অবধারিত ফলফলে এক সময়ের বিপুল ঐশ্বর্যশালী বাঙলা সাহিত্য হঠাৎ ময়ূরপুচ্ছ চুরি করা এক কাক হিসাবে ধরা পড়ে, যেই চুরি বাঙলা সাহিত্যকে করে দিচ্ছিল অন্ধ ও নির্বোধ মেরুদণ্ডহীন এক সংস্কৃতিতে। সুতরাং, এইসব অদ্ভুত অপচেষ্টার বিরুদ্ধে হুঙ্কার ছেড়ে নতুন সাহিত্যধারার জন্য অকল্পনীয় ক্ষুধার্ত হাংরি আন্দোলনের না এসে কোন উপায় ছিল না। রাগ,জ্বালা,আনন্দ,হাসি,কান্না,দুঃখ,কষ্ট,,বিরহ,নগ্নতা,কাম,অশ্লীলতা,লজ্জা,ঘৃণা,নেশা, অনুশোচনা,প্রতিহিংসা,উদারতা,মানবিকতা,নিষ্ঠুরতা,মহত্ত্ব,ঈর্ষা,হিংসা ইত্যাদি যত মানবীয় বৈশিষ্ট আছে, সবকিছুই যেন ছাইচাপা বারুদ হয়ে চাপা পড়েছিল লেখক মনের কোন এক গহীনে,হাঁসফাঁস করছিলো বেরবার পথের জন্য। হাংরি আন্দোলন যেন হয়ে এল সেই বহু আকাঙ্খিত খোলা জানালা। লেখকের মনে জমে থাকা এতো সব অনুভুতি বেরিয়ে এল তীব্র আনন্দে,মুক্ত বাতাসে,সব কিছু জয় করবার অভাবিত উল্লাসে, ধার করা সব ময়ূরপুচ্ছ খুব নির্মমতায় ছিঁড়ে ফেলে,অতি অদ্ভুত কিছু গদ্য ও পদ্য হয়ে আর তথাকথিত সুশীল(এরা সবসময়ই একইরকম থাকে,বদলায় না) জনগোষ্ঠীর মতে সমাজসংসার ধ্বংস করে দেয়া অশ্লীলতা হিসাবে। ঐ মাথামোটা সুশীলশ্রেণীর মাথায় এটা ঢোকেনি(বা তারা ঢোকাতে চায়নি) যে ঘুনে ধরা নকল সাহিত্যপ্রথা না ভাঙ্গলে নতুন ধারার সাহিত্য তৈরি অসম্ভব।

আরও লেখার ইচ্ছা ছিল।কিন্তু হাংরি কবিতাগুলো পড়ে মাথার বেশকিছু তার ছিঁড়ে যাওয়ায় আর কিছু লিখতে পারছি না।গত পোস্টের শেষে বলা বিষয়গুলো নিয়ে আগামী পোস্টে আলোচনা করা যাবে। আপাতত আসেন, কবিতা পড়ি আর মাথার তার ছিঁড়ি…।

আমরা দুজনে মিলে
বিনয়কুমার মজুমদার

আমরা দুজনে মিলে জিতে গেছি বহুদিন হলো ।
তোমার গায়ের রঙ এখনো আগের মতো , তবে
তুমি আর হিন্দু নেই , খৃষ্টান হয়েছো ।
তুমি আর আমি কিন্তু দুজনেই বুড়ো হয়ে গেছি ।
আমার মাথার চুল যেরকম ছোটো করে ছেঁটেছি এখন
তোমার মাথার চুলও সেইরূপ ছোটো করে ছাঁটা ,
ছবিতে দেখেছি আমি দৈনিক পত্রিকাতেই ; যখন দুজনে
যুবতী ও যুবক ছিলাম
তখন কি জানতাম বুড়ো হয়ে যাব ?
আশা করি বর্তমানে তোমার সন্তান নাতি ইত্যাদি হয়েছে ।
আমার ঠিকানা আছে তোমার বাড়িতে ,
তোমার ঠিকানা আছে আমার বাড়িতে ,
চিঠি লিখব না ।

আমরা একত্রে আছি বইয়ের পাতায় ।

হত্যাকাণ্ড
ত্রিদিব মিত্র

আমাকে বারবার জীবন থেকে হড়কে জীবনের ফঁদাই পড়তে হচ্ছে
মৃত্যু কেবলই কেবলই প্রতারণা করছে আমার সঙ্গে
চারটে বাঘ আর তিনটে বুনো শুয়োরের
ধ্বস্তাধস্তি চলছে আবছা জ্যোৎস্নায়
আমার মিথ্যে জিভ থেকেই সত্যের চ্যালেঞ্জ ফঁড়ে
ঝলসা দিচ্ছে মানু-বাচ্চাদের
তাদের কান্না শুনে বধির হয়ে যাচ্ছে আমার কান
আনন্দে সাততলা অব্দি লাফিয়ে উঠছে আমার জিভ
প্রেমিকার কষ্ট দেখে আনন্দে কঁদে উঠেছিলাম আমি
চুমু খেতে গিয়ে আলজিভ শুকিয়ে আসছে আমার
চারিদিকের ভিজে স্যাঁতসেতে অন্ধকার থেকে
আমি দানব না যিশুকৃষ্ট বুঝতে না পেরে
রেস্তঁরায় ভিড় করছে মেয়েমানুষেরা
আজ আর কোনো রাস্তা খঁজে পাচ্ছে না কেউ সরলভাবে হাঁটবার
সব রাস্তাই লুটিয়ে থাকে
সব পাপোষের তলায় গড়িয়ে যায় ধুলোর ঝড়
সব জীবনের মথ্যেই ভয়ংকর কাঁপানো অর্থহীনতা শূন্যতা
আঃ মৃত্যু বাঞ্চোৎ মৃত্যু
অপমৃত্যুও ফেরার হয়ে পালাচ্ছে আমার ভয়া
কেননা আমি বুঝে গেছি মৃত্যুর দমবন্ধ ভান
কেননা আমি মৃত্যুর কাছে গিয়েছিলাম সরল চোখে
ভয়ে কঁচকে গিয়েছিল তার চোখ
অন্ধ চোখে কঁদে উঠেছিল মাথা নিচূ করে
এবং খালি হাতে নির্জন রোদে ফিরতে হল আমাকে জটিল চোখে
নিজেকে নিজের থেকেও লুকিয়ে রাখতে পারছি না আর
আমার নপুংসকতা দেখে তুমি হেসে উঠেছিলে-আমার ভালবাসা
ভয় আর ভালবাসার মধ্যে শুয়ে তুমি ফিরে গেলে ভয়ের কাছে
বঁচার তাগিদে তুমি ফিরে এলে মগজের কাছ-বরাবর
ফালতু মগজের জ্যামিতিক অঙ্ক থেকে ছিটকে বেরিয়ে এলাম আমি বিশৃঙ্খলায়
সভ্যকে ঘৃণা করেও লুকিয়ে রইলে সভ্যতার কলকব্জায়
বদহজম থেকে তৈরি হল আমার বদরাগ
সমাজের ভুল চেতনা থেকে নিজেকে ঝুলিয়ে দিলাম শূন্যের বেতারে
টেলিফোনের মধ্যে দিয়ে রোজ তিন কোটি চুমু
এপার-ওপার করছে পৃথিবীময়
রেলের মোটা তার বেয়ে উড়ে যাচ্ছে ৭৪ কোটি মাছি
আমার শরীরের চারিদিকে অসংখ্য ‘টোপ’
নিজেকে ঝাঁঝরা করে জীবনের সঙ্গে মানুষের সঙ্গে
খেলতে চাইলাম চাতুরী
তোমার প্রতারণা থেকে ভালবাসা আলাদা করতে পারছি না একদম
আমি ভাবছি আমাদের প্রথম অভিসম্পাতের কথা
আমি ভাবছি আমাদের শেষ চুম্বনের কথা
আমার দিব্যজ্যোতি আমার আম্ধকার
আমার চারধারে বেইজ্জতি আর বেলেল্লাপনা বারবার
চলছে মানুষের
আমি বুঝতে পারছি মানুষ মানুষকে ভালবাসতে পারছে না
….মানুষ মানুষকে কোনোদিনই ভালবাসেনি
উঁচু বাড়ির মাথা থেকে লাফিয়ে পড়ছে হৃদয়সুদ্ধ লাশ
আমি দেখতে পাচ্ছি প্রয়োজন কিরকম মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে আকাশের দিকে
আমার ধর্ম কি মনে করতে পারছি না কোনোদিন বুঝিনি বলে
আমার শিরা থেকে রক্ত ছিনিয়ে নেবে বলে
স্হায়ী-অস্হায়ী যুদ্ধ চলছে মানুষের আগুপিছু
পাঁজর গুঁড়ো করে বেরিয়ে আসছে রজনীগন্ধার ডানা
অ্যালকহলিক রক্তের ফেনা থেকে তৈরি হচ্ছে আঁশটৈ ক্ষুরধার ভালবাসা
আমি ক্রমশ প্রেম থেকে শরীরহীনতায় ভাসছি
প্রেমিকার বেগুনি মুখ জ্বলে উঠছে ফঁসে যাচ্ছে প্রয়োজনমত
অদরকারি কাগজপত্রে ঢেলে দিচ্ছি আমার বর্তমান
কবিতা আমার বুক থেকে শুষে নিচ্ছে আমার আয়ু
আমার ভালবাসা রক্তমাংস থেকে মানুষ তৈরি করছে তাদের ফিচলেমি
অসুস্হ ভালবাসা ফিরিয়ে আনবার জন্য
মনুষ্যযন্ত্রের সঙ্গে হায় তুমিও
আমার সকল উত্তাপ জযো করে তৈরি করলাম লালগোলাপের পালক
ব্যবসায়িক উৎপাদন থেকে কুড়িয়ে নিলে তুমি একমুঠো প্রতারণা
আগুনের হল্কা চুঁড়ে দিলে আমার গায়ে
শিশুর মত হেসে উঠলাম আমি
পুড়ে গেল আমার সমস্ত শরীর
আকাশ ঘঁষে ছুটে গেল আমার ক্রোধ
স্বাধীনতার হাতে হাত রাখতে পারছে না কেউ ভয়ে
ওঃ
আমার আর সবার মাঝখানে গজিয়ে উঠছে একটা সুদীর্ঘ গভীর ফাটল
আমি বুঝতে পারছি আমার দ্বারা কিছুই হবে না
নিজেকেও তেমন করে ভালবাসা হল না আমার
এই এক জন্মেই হাঁপিয়ে উঠছি আমি
এক সঙ্গেই হাসছি আর হাসছি না
ওঃ ক্লান্তি ক্লান্তি – অক্লান্ত আওয়াজ – আঁকাবাঁকা টানেল –
লুপ – পরিসংখ্যান – ক্ষুধা – মহব্বৎ – ঘৃণা –
কেবল বোঝা বয়েই জীবন চলে যায় ১০১% লোকের
আত্মাকে খঁজে পাওয়া যাচ্ছে না সমস্ত শরীর ছেঁকেও
বিপ্লবউত্তেজনানারীসংঘর্ষহিংস্রতাবন্যনীরবতা নাচছে
আমি একবারও নিজের দিকে তাকাতে পারছি না ফিরে
মানুষের কোনো কাজই করে উঠতে পারলাম না আজ ওব্দি
ফালতু অব্যবহার্য হয়ে কুঁকড়ে শুয়ে আছি বমিওঠা চোখে
মগজে চোলাই কারবার চলছে গুপ্ত ক্ষমতার
কষ বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে লালা ওরফে আমার ভালবাসা আমার অসহায়তা
মানুষের রক্তাক্ত পেঁজা শরীরের পাহাড় দিয়ে তৈরি হচ্ছে
অক্ষম আর আঊর্ব স্বাধীনতা
মানুষের ক্ষীণ শরীর বেয়ে শরীর ঘিরে শরীর ধরে চলেছে
অসংখ্য বিশৃঙ্খল শৃঙ্খলা
ওঃ আমি কোনো দিনই ভালবাসতে চাইনি
আঃ…………………………….আঃ
কলজে গঁড়িয়ে যায় চাপা হিংস্রতায়
বুকের ভেতর ইনজিনের চাপা ক্রোধ
রক্তের উত্তেজনে থেকে তৈরি হচ্ছে বন্যতা
অস্তিত্বহীন আত্মার পায়ে স্বেচ্ছায় প্রণাম রেখেছিল সুবো
তিন মাস জঘন্য নীরবতার পর আঁৎকে উঠে কুঁকড়ে গিয়েছিল প্রদীপ
মানুষের সাহসিকতাকে ভুল করে সন্দেহ করতে শিখেছি
ভুল জেনে ভুল মানুষের সঙ্গে মিশে
আমি চালাক হতে ভুলে যাচ্ছি স্বেচ্ছায়
ভাঁটার সঙ্গে সঙ্গে চতুরতা মূর্খতাও গড়িয়ে যাচ্ছে অন্ধকারে
ত্রিদিবের মুখ ত্রিদিব নিজেই কতদিন চিনতে পারেনি
আদপে সত্য কোনো স্পষ্ট মুখ খঁজে পাচ্ছি না নিজের
“মানুষের নিজস্ব কোনো চরিত্র নেই” বলতে ককিয়ে উঠেছিল
৩৫২ কোটি মানুষ তায় ঐতিহ্য আর পোষা চরিত্রহীনতা
ওঃ অসম্ভব কষ্ট হচ্ছে এখন
কে বা কারা গলা টিপে ধরছে ভুল করে
আমার ।
তাদের অজান্তেই…
(১৯৬৩ সালে শিবপুরের পুরানো বাড়িতে থাকাকালীন রচিত, এবং মলয় রাচৌধুরী সম্পাদিত ‘জেব্রা’ পত্রিকার দ্বিতীয় সংখ্যায় প্রকাশিত । )

আমি এক সৌন্দর্য রাক্ষস
ফাল্গুনী রায়

প্রজাপতির চিত্রল ডানা দেখে বিরহ থেকে বিবাহের দিকে
চলে যায় মানবসম্প্রদায় — আমি এক সৌন্দর্য রাক্ষস
ভেঙে দিয়েছি প্রজাপতির গন্ধসন্ধানী শুঁড়
আমার নিজের কোনো বিশ্বাস নেই কাউর ওপর
অলস বদ্মাস আমি মাঝে মাঝে বেশ্যার নাঙ হয়ে
জীবন যাপনের কথা ভাবি যখন মদের নেশা কেটে আসে
আর বন্ধুদের উল্লাস ইআর্কির ভেতর বসে টের পাই ব্যর্থ প্রেম
চেয়ে দেখি পূর্ণিমা চাঁদের ভেতর জ্বলন্ত চিতা
এখন আমি মর্গের ড্রয়ারে শুয়ে আছি এক মৃতদেহ
আমার জ্যান্ত শরীর নিয়ে চলে গেছে তার
শাঁখাভাঙা বিধবার ঋতুরক্ত ন্যাকড়ার কাছে
মর্গের ড্রয়ারে শুয়ে আছি — চিতাকাঠ শুয়ে আছে বৃক্ষের ভেতর
প্রেম নেই প্রসূতিসদনে নেই আসন্নপ্রসবা স্ত্রী
মর্গের ড্রয়ারে শুয়ে আছি
এ-ভাবেই রয়ে গেছি কেটে যায় দিন রাত বজ্রপাত অনাবৃষ্টি
কত বালিকার মসৃণ বুকে গজিয়ে উঠল মাংসঢিবি
কত কুমারীর গর্ভসঞ্চার গর্ভপাত — সত্যজিতের দেশ থেকে
লাভ ইন টোকিও চলে গ্যালো পূর্ব আফরিকায় — মার্কাস স্কোয়ারে
বঙ্গসংস্কৃতি ভারতসার্কাস রবীন্দ্রসদনে কবিসন্মিলন আর
বৈজয়ন্তীমালার নাচ হল — আমার ত হল না কিছু
কোনো উত্তরণ অবনতি কোনো
গণিকার বাথরুম থেকে প্রেমিকার বিছানার দিকে
আমার অনায়াস গতায়াত শেষ হয় নাই — আকাশগর্ভ
থেকে তাই ঝরে পড়ে নক্ষত্রের ছাই পৃথিবীর বুকের ওপর
তবু মর্গের ড্রয়ারে শুয়ে আছি এবং মৃতদেহ আমার জ্যান্ত শরীর নিয়ে
চলে গ্যাছে তার শাঁখাভাঙা বিধবার ঋতুরক্ত ন্যাকড়ার কাছে
প্রজাপতির চিত্রল ডানা দেখে বিরহ থেকে বিবাহের দিকে চলে যায় মানুষেরা
আমি এক সৌন্দর্য রাক্ষস ভেঙে দিয়েছি প্রজাপতির গন্ধসন্ধানী শুঁড়

একটি উজ্জ্বল মাছ
বিনয় মজুমদার

একটি উজ্জ্বল মাছ একবার উড়ে
দৃশ্যত সুনীল কিন্তু প্রকৃত পস্তাবে স্বচ্ছ জলে
পুনরায় ডুবে গেলো — এই স্মিত দৃশ্য দেখে নিয়ে
বেগনার গাঢ় রসে আপক্ক রক্তিম হ’লো ফল |

বিপন্ন মরাল ওড়ে, অবিরাম পলায়ন করে,
যেহেতু সকলে জানে তার শাদা পালকের নিচে
রয়েছে উদগ্র উষ্ণ মাংস আর মেদ ;
স্বল্পায়ু বিশ্রাম নেয় পরিশ্রান্ত পাহাড়ে পাহাড়ে ;
সমস্ত জলীয় গান বাষ্পিভূত হ’য়ে যায়, তবু
এমন সময়ে তুমি, হে সমুদ্রমত্স্য, তুমি…তুমি…
কিংবা, দ্যাখো, ইতস্তত অসুস্থ বৃক্ষেরা
পৃথিবীর পল্লবিত ব্যাপ্ত বনস্থলী
দীর্ঘ-দীর্ঘ ক্লান্তশ্বাসে আলোড়িত করে ;
তবু সব বৃক্ষ আর পুষ্পকুঞ্জ যে যার ভূমিতে দূরে দূরে
চিরকাল থেকে ভাবে মিলনের শ্বাসরোধী কথা |

প্রাসঙ্গিক পূর্বের পোস্ট— http://www.istishon.com/node/4303

৩৮ thoughts on “হাংরি আন্দোলন — এক অভূতপূর্ব দ্রোহের বিস্ফোরণ (পর্ব -২) কৃত্তিবাস ও কল্লোলের সাথে মিলিয়ে ফেলবার অপচেষ্টা…

  1. ধন্যবাদ এক্টি সুন্দর ভূমিকার
    ধন্যবাদ এক্টি সুন্দর ভূমিকার জন্য। হাং্রি মুভমেন্ট জিন্দাবাদ।
    আশা করছি এক্টি সুন্দর ভুলের থেকে জন্ম হবে নতুন ইতিহাস। :গোলাপ:

    1. আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ দগ্ধ
      আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ দগ্ধ সময় :থাম্বসআপ: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: … আর আপনার পোস্টে একটু বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে গিয়েছিলাম :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: ,সে জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত :কানতেছি: :কানতেছি: … ক্ষমা করে দেবেন।। :মনখারাপ: :মনখারাপ: আপনার ঐ ভুলটা না হলে হয়তোবা এই লেখাগুলো লেখা হত না… :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

      আশা করছি এক্টি সুন্দর ভুলের থেকে জন্ম হবে নতুন ইতিহাস।

      :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ:

      ভালো থাকবেন… :ফুল: :ফুল: :ফুল:

  2. মাথার তার আসলেই ছিঁড়ে গেলো।
    মাথার তার আসলেই ছিঁড়ে গেলো। :মাথানষ্ট:
    অসাম পোস্ট। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. অনেকগুলা তার শেষমেশ জোড়া দিতে
      অনেকগুলা তার শেষমেশ জোড়া দিতে পারছি :ভেংচি: :চোখমারা: … এইটাই সৌভাগ্যের আতিক ভাই :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: … দেখি কাল আবার বসব :ভাবতেছি: :চিন্তায়আছি: … পোস্টে রিপ্লাইয়ের জন্য অশেষ ধইন্নাবাদ… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :ফুল:

  3. সত্যি অভাবনীয়। এক্টি ভুল,
    সত্যি অভাবনীয়। এক্টি ভুল, এক্টি সুন্দর কিছুর জন্ম দিতে পারে যদি কেউ ভুল টাকে এক্টুস শুধ রে নেয়। আশা করছি, এই দ্রোহের আগুন যাতে নিভে না যায়, যা আমাদের দিতে পারে এক্টি উজ্জ্বল ইতিহাস। আশা করছি আপ্নি আমার কথার অন্তরভাব বুঝতে পেরেছেন। শুভ কামনা রইল।

    1. আপ্নের মত পাঠক পাইলে পোস্টের
      আপ্নের মত পাঠক পাইলে পোস্টের অসাম না হইয়া উপায় আছে… :খাইছে: :খাইছে: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: বুকে আসেন শহিদ ভাই :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :ধইন্যাপাতা: :ফুল:

  4. ভালো পোস্ট।কিন্তু ভাইরে মাথার
    ভালো পোস্ট।কিন্তু ভাইরে মাথার তার যে ছিড়তে একটাও বাদ রইলো না!পুরা মাথাই নষ্ট।

    1. কি করুম কন জুয়েল ভাই …
      কি করুম কন জুয়েল ভাই :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: … আমারগুলা এমনে ছিঁড়ে গেলে আপনাদের গুলো কি আর ঠিক রাখা যায় :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: … তাই সবার মাথার তারই ষড়যন্ত্র করে ছিঁড়ে দেয়ার প্রচেষ্টা আরকি… :চোখমারা: :চোখমারা: :ভেংচি: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: ভালো থাকবেন :বুখেআয়বাবুল: :ফুল:

    1. ইলেকট্রন ভাইজান, স্ক্রু
      ইলেকট্রন ভাইজান, স্ক্রু ড্রাইভারটা আমার কাছে ছিল এতক্ষণ :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: , নিয়া যান :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: …কয়েকটা তার জোড়া দিছি… আপাতত আর লাগবেনা… :ভেংচি: 😀 আপনাকে অসংখ্য ধইন্নাবাদ… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :ফুল:

  5. এখনি চূড়ান্ত মন্তব্য করবোনা ।
    এখনি চূড়ান্ত মন্তব্য করবোনা । আগে এ সিরিজের সবগুলো লেখা শেষ করেন । পরে এর উপর আমার নিজের বিশ্লেষণ থাকবে আশা রাখি । আর আপনার কষ্টসাধ্য পোস্টের জন্য ধন্যবাদ ! কবিতার পরিমাণ কমিয়ে নেরেটিভ বেশি লেখেন ।

    1. আপ্নের জন্য “দ্যা শাইনিং”
      আপ্নের জন্য “দ্যা শাইনিং” মুভির সেই বিখ্যাত লাইনটা কোট করছি :জ্ঞান: :জ্ঞান: :ভেংচি: … যেখানে জ্যাক বারটেনডার লয়েডকে বলে,

      “”Jack Torrance: Words of wisdom, Lloyd, words of wisdom.

      একমাত্র আপ্নেই ধরতে পারছেন যে আজকে আমি লেখার মধ্যে বহুত ফাঁকি দিছি। যদিও সেইটারে যুক্তিসঙ্গত কারন দিয়ে ঢাকার চেষ্টা করছি কিন্তু সবাইরে ফাঁকি দেয়া সম্ভব হইলেও সত্যিকারের সাহিত্যবোদ্ধাকে ফাঁকি দেয়া অসম্ভব। :খাইছে: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই:

      যথাআজ্ঞা রাহাত ভাই, কালকে ৯০%ই নেরেটিভ থাকবে… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :ধইন্যাপাতা: :ফুল:

      1. – যাহোক কমপ্লিমেন্ট শুনতে
        :হাসি: :হাসি: :হাসি: – যাহোক কমপ্লিমেন্ট শুনতে খারাপ লাগেনা । তয় বেশি যাতে হয়ে না যায় সেই দিকে আন্তরিক নজর দেবেন আশা রাখি । 😀 :গোলাপ: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ:

        1. (No subject)
          :দেখুমনা: :দেখুমনা: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই:

  6. একটু অমত পোষণ করি। হাংরি
    একটু অমত পোষণ করি। হাংরি জেনারেশান যতদূর সম্ভব, কৃত্তিবাস গোষ্ঠীরই বাই প্রোডাক্ট। ইয়োরোপ-আমেরিকান সাহিত্য আন্দোলন থেকে ময়ূরপুচ্ছ যদি কল্লোল ও কৃত্তিবাস চুরি করে এনে থাকে, তবে উত্তরাধিকার সূত্রে তা পরে এসে পৌঁছেছে হাংরি’দের কাছে। আবার এর মধ্যে আছে কলকাতার সাহিত্য অঙ্গনের রাজনীতিও। ভুলে যাবেন না মলয় রায় চৌধুরীর ভাই সমীর রায় চৌধুরীর কথা। সবসময়ই কলকাতা কেন্দ্রিক আনন্দবাজার গোষ্ঠীর সাম্রাজ্যের বাইরে থাকা এই সমীর ছিলেন কৃত্তিবাসের সুনীল, শক্তি, উৎপল’দের বন্ধু। কৃত্তিবাসের যখন রমরমা অবস্থা তখনই কৃত্তিবাস গোষ্ঠী বলতে গেলে ধ্বসে পড়ে। সুনীল ও শক্তির বন্ধুত্বে ফাটল, সুনীলের আনন্দবাজার গোষ্ঠীতে পুরোপুরি যোগদান, শক্তির কৃতিবাস গোষ্ঠী ছেড়ে বের হয়ে আসা সব কিছুয়ই এক্ষেত্রে প্রাসঙ্গীক। তাছাড়াও, হাংরী জেনারেশন আর কিছু না হোক, আমেরিকার বিট জেনারেশান দ্বারা পুরোপুরিই প্রভাবিত ছিলো। এদের আত্মপ্রকাশেও রয়েছে তার প্রভাব। যেমন, এলেন গিন্সবার্গ ও অন্যান্য কয়েকজন কবি মিলে আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে প্রকাশ করে এক কবিতার ইস্তাহার, যা ছিলো বলতে গেলে বিট জেনারেশন এর আত্মপ্রকাশ। এদিকেও সমীর, শক্তি, দেবী ও মলয়ও ১৯৬১ সালে হাংরি জেনারেশান নাম দিয়ে এক ইস্তাহার প্রকাশ করে। প্রতিষ্ঠান বিরোধী এই হাংরী সাহিত্যিকরা পরে নিজেরাই হয়েছে প্রতিষ্ঠানের গোলাম। তবে তাঁরা আর যাই হোক বাংলা সাহিত্যকে (বলা যাক, পাঠক) এনে দিয়েছেন কয়েকজন লোম খাড়া করে দেয়া কবি। যাদের কবিতা বারবার মুগ্ধ করে।
    শেষে এসেই বলি, আপনার কবিতা সিলেকশান ভালো লেগেছে। যদিও বিনয় মজুমদার আমাকে টানেন না।

    1. কমেন্ট পড়ে মনে হচ্ছে হাংরি
      কমেন্ট পড়ে মনে হচ্ছে হাংরি জেনারেশ্ন নিয়ে আপনারও কিছু জানা আছে। পোস্ট লিখে শেয়ার করার আমন্ত্রন রইলো।

        1. তাহলে কাজে নেমে পড়ুন। তথ্য
          তাহলে কাজে নেমে পড়ুন। তথ্য যোগাড় করুন। আপনারও লাভ হল আর আমাদেরও উপকার হল।

          1. রাআদ ভাই যথেষ্ট
            রাআদ ভাই যথেষ্ট লেখছেন…আমাকে প্রয়োজন হবেনা…আর তথ্য আরও জানার যা আছে তা আশা করি রাআদ ভাই দেবেন…

    2. যতদূর জানি সমীর প্রথমে
      যতদূর জানি সমীর প্রথমে কৃত্তিবাসের সাথে থাকলেও পরবর্তীতে যখন ওদের কর্মকাণ্ড দেখে পুরোপুরি হতাশ হয়ে মলয়ের সাথে মিলে হাংরি মুভমেন্ট গঠন করেন। এবং আমি আপনাকে নিশ্চয়তা দিয়েই বলতে পারি সমীর কৃত্তিবাসের বলয় থেকে পুরোপুরি মুক্ত হয়েই হাংরিতে এসেছিলেন। কেননা তিনি যদি কৃত্তিবাসের প্রভাব থেকে পুরোপুরি মুক্ত হতে নাই পারতেন এবং হাংরি যদি কৃত্তিবাসের ময়ুরপুচ্ছই তাদের অলংকার হিসাবে পরিধান করত, তবে হাংরির পরিনতিও কৃত্তিবাসের চেয়ে ভিন্ন কিছু হত না। তারপরও আপনাকে অনুরোধ করবো বিষয়টা পুরোপুরি ব্যাখ্যা করে একটা পোস্ট দিতে, কেননা অনেকেই এই দুটো আন্দোলনকে একসাথে গুলিয়ে ফেলেন।তাদের বক্তব্যটাও ভালভাবে শোনা প্রয়োজন… :-B :-B :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :ভাবতেছি:

      আর হাংরির পরিনতি এতটা ট্র্যাজিক হবার পেছনে যথেষ্ট যুক্তি ও কারন আছে। আশা করি সেগুলো নিয়ে পরবর্তীতে আলোচনা করতে পারব… :আমারকুনোদোষনাই: :কেউরেকইসনা:

      বিনয় মজুমদার কেন আপনাকে টানেন না সেটা জানার আগ্রহে মারা যাচ্ছি বলতে পারেন, আশা করি অধমের এই কৌতূহল মেটাবেন। :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

      সবশেষে আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ বিষয়টার ভেতরে ঢুকে আলোচনার জন্য পিয়াল সাহেব :তালিয়া: :তালিয়া: , পোস্ট লেখাটা এখন সার্থক বলে মনে হচ্ছে… :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: ভালো থাকবেন… :গোলাপ: :ফুল:

      1. এখনকার কবিতা বলতে তো গদ্য
        এখনকার কবিতা বলতে তো গদ্য ছাড়া আর কিছু না। আর আপনি তো জানেনই কবিতায় গদ্যের প্রচলন আজকে নয়, সেই কল্লোল যুগেই শুরু হয়েছিলো এর বহু ব্যবহার। তাই না? এই গদ্যকবিতাই বড় বেশি কাছের মনে হয়। কিন্তু কবিতায় নিরেট গদ্য আমার তেমন একটা পছন্দ নয় (যেমন ধরে নিন বিনয় বাবুর “একটি উজ্জ্বল মাছ” কিংবা “ফিরে এসো চাকা” কবিতাদ্বয়)। গদ্যকবিতার সাবলীলতা আমায় যেমন টানে, তেমনই এই সাবলীলতাই আমাকে অনেকের কবিতা থেকে বিমুখ করে দেয়। বিনয় মজুমদারের ক্ষেত্রে আমার এটাই ঘটেছে। কিন্তু অরুণ মিত্র কিংবা মোহাম্মদ রফিক আমাকে ঠিকই টানেন।
        মোদ্দাকথা এই, বিনয় মজুমদারের লেখনী বা প্রকাশভঙ্গী আমার ভালো লাগেনা।
        আমার প্রিয় কবি হলেন, শক্তি চট্টোপাধ্যায়, উৎপলকুমার বসু, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, আল মাহমুদ।
        আর, হাংরি ও কৃত্তিবাসের ব্যাপারে যা বললেন তা নিয়েও আমি চিন্তিত। মাথায় একটা লেখা আসি আসি করছে। আপনার সিরিজটা শেষ করুন, আপনার পুরো লেখাটা পড়ি, এরপর দেখি…(শুভ কামনা করেন ভাই)
        শেষ কথা, ভাবসিলাম ফেবুতে আপনার লগে দোস্তি পাতামু…কিন্তুক, উপায় তো রাখলেন না… :ভাঙামন:

        1. ক্যান ভাই , আমার তো ফেবু লিংক
          ক্যান ভাই , আমার তো ফেবু লিংক দেয়া আছে ইষ্টিশনে :কনফিউজড: :কনফিউজড: … আমি আবার কি অপরাধ করলাম যে আমার সাথে দোস্তি পাতানো যাবে না… :খাইছে: :দেখুমনা: :কেউরেকইসনা: :দেখুমনা: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই:

          1. ভাই, প্রথম যেইদিন ঢূঁ
            ভাই, প্রথম যেইদিন ঢূঁ মারসিলাম আপনার আইডিতে, Follow এবং Massage ছাড়া আর কোনো অপশন ছিলো না… :কনফিউজড: আবার এখন দেখি অপশন আসছে Add Friend :-B :মাথানষ্ট: :আমারকুনোদোষনাই: যাই হোক এখন দোস্তি… :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

  7. রহমান রাআদ ভাই চালায়া যান।
    রহমান রাআদ ভাই চালায়া যান। সামনের পোস্টের অপেক্ষায় আছি। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  8. গত পর্বেরটা পড়া ছিল বলে আজও
    গত পর্বেরটা পড়া ছিল বলে আজও চুল ছিঁড়ার জন্য মন পিড়া দিচ্ছিল তাই এই পোস্টটা পড়ার আগ্রহ নিবারন করতে পারলাম না… দর্শনের গুরুগম্ভীর আলোচনা কবিতায় ভালই কাভার দেয়ার চেষ্টা করেছেন রাআদ ভাই!! আগামী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম , আরও বিস্তারিত জানতে চাই সাথে সাথে আপনার নিজস্ব কিছু ধারনার বা মন্তব্যের প্রয়োজন বোধ করছি!!
    তবে আসলেই আমি এই ব্যাপারে কিছুই জানতাম না.. :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :তালিয়া: :তালিয়া:

    1. কি করুম কন তারিক ভাই, এইগুলা
      কি করুম কন তারিক ভাই, এইগুলা নিয়ে লিখতে গিয়া যেই পরিমানে পড়তে হইতেছে, তাতে লেখা যে কখন গুরুগম্ভীর দার্শনিক পর্যায়ে চলে যাইতেছে, খেয়াল করতে পারতেছি না। :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :কানতেছি: :কানতেছি: আর লাস্ট দুই পোস্টে অনেকগুলা ভুল করছি :দেখুমনা: :কেউরেকইসনা: … তাই ৩নাম্বারটা লিখতে বহুত সাবধানে আগাইতে হইতেছে। :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: আর আমার নিজের ধারনা বা মন্তব্য দিব আখেরি পোস্টে… ওইটার বেশিরভাগেই থাকবে আমার মতামত :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: … ধইন্নাবাদ ভাই… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :ফুল:

  9. এমন টাইপের লেখায় মন্তব্য করা
    এমন টাইপের লেখায় মন্তব্য করা আমার জন্য খুব কঠিন হয়ে যায়। আর শুধু দারুণ লিখেছেন। ভালো লিখেছেন এসবও বলতে পারি না। আপনার লেখা যেন থেমে না থাকে। ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

    1. আপনি যে পড়ছেন এবং এই বিষয়টা
      আপনি যে পড়ছেন এবং এই বিষয়টা সম্পর্কে জানছেন, সেইটাই আমার এই লেখার সবচেয়ে বড় সার্থকতা :বুখেআয়বাবুল: :নৃত্য: :নৃত্য: :থাম্বসআপ: … অসংখ্য ধইন্নাপাতা ও শুভকামনা :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: 😀 … ভালো থাকবেন বাঙলা ভাই… :ফুল: :ফুল:

  10. কবিতার লাইনগুলো যেমনি কঠিন
    কবিতার লাইনগুলো যেমনি কঠিন তেমনি অসাধারন… প্রতিটি লাইনেরই আছে কিছু না কিছু মানে। তার মধ্যে থেকে কিছু কিছু বুঝছি আর যেগুলো মাথায় ঢোকেনি সেগুলো কয়েকবার রিভিশন করলেই হয়তো ঢুকতে পারে… :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট:
    আর সত্যিই অসাধারণ সব বিষয় নিয়ে অপূর্ব আপনার উপস্থাপনা… :মুগ্ধৈছি: :মুগ্ধৈছি: :মুগ্ধৈছি: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *