বিশ্বের প্রথম ‘ন্যাকেড’ রিয়েলিটি শো!


সম্প্রতি নারীদের নিয়ে বিশ্বে প্রথমবারের মত শুরু হয়েছে ন্যাকেড রিয়েলিটি শো। ডেনমার্কের একটি টেলিভিশনে প্রচারিত হচ্ছে এই নতুন টিভি রিয়েলিটি শো’টি।

ইতোমধ্যেই দেশটিতে অনুষ্ঠানটিকে ঘিরে চলছে উত্তেজনা আর তুমুল বিতর্ক। এই অনুষ্ঠানকে ডেনমার্কে বলা হচ্ছে স্রেফ একটি রিয়েলিটি শো। নির্মাতারা দাবি করছেন, ‘এটি একটি কাব্য, নগ্নতা নয়।’



সম্প্রতি নারীদের নিয়ে বিশ্বে প্রথমবারের মত শুরু হয়েছে ন্যাকেড রিয়েলিটি শো। ডেনমার্কের একটি টেলিভিশনে প্রচারিত হচ্ছে এই নতুন টিভি রিয়েলিটি শো’টি।

ইতোমধ্যেই দেশটিতে অনুষ্ঠানটিকে ঘিরে চলছে উত্তেজনা আর তুমুল বিতর্ক। এই অনুষ্ঠানকে ডেনমার্কে বলা হচ্ছে স্রেফ একটি রিয়েলিটি শো। নির্মাতারা দাবি করছেন, ‘এটি একটি কাব্য, নগ্নতা নয়।’

উদ্যোক্তারা এই শো’কে শিল্পকলা হিসেবে দেখাতে চাইলেও, নারী শরীর যে আজও পুরুষের কাছে নেহাতই পণ্য ছাড়া কিছু নয় তাই চোখে আঙুল দিয়ে প্রমাণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করছেন অনেকে।

শো’র জন্য একেকজন মেয়েকে আড়াই শো ইউরো দেয়া হয়। মজার ব্যাপার, প্রত্যেকটি শো’তেই পারিশ্রমিকের টাকা দর্শকদের সামনে নগ্ন অবস্থায় মঞ্চের ওপরই দিয়ে দেয়া হয়।

এ ধরনের একটি শো কিভাবে সরকারী ছাড়পত্র পেলো, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে দেশটিতে। নারীকে এভাবে উপস্থাপনের জন্য বিশ্ব গণমাধ্যমেও এখন বিতর্কের ঝড়।

নারী অধিকার নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের অভিযোগ, এভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে নারীর সম্মানহানি করা হচ্ছে। ডেনমার্কের মানবাধিকার কর্মীরাও এ ধরনের রিয়েলিটি শো বন্ধের দাবি তুলেছেন।

তারা দাবি করেন, মানবদেহকে ‘জড়বস্তুর’ মতো উপস্থাপন করা একটি গুরুতর মানবতাবিরোধী অপরাধ।

শো’তে দেখা যায় একজন নারী পুরোপুরি নগ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন হলভর্তি দর্শকের সামনে। স্পট লাইটের বীম সম্পূর্ণ ঝুলে আছে নগ্ন নারীদেহের পর। মূর্তির মতো নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে মেয়েটি।

তার পাশেই সামান্য আলোতে মুখোমুখি বসে দুজন পুরুষ হোস্ট। তারা আলাপের ছলে একের পর এক মন্তব্য করতে থাকেন চোখের সামনে থাকা নারীদেহের প্রলেপ, খাঁজ এবং শৈল্পিক ঢেউ নিয়ে।

সেই বর্ণনা শুনে হলভর্তি দর্শক হাত তালি দিয়ে অভিনন্দন জানান সেই নগ্ন নারীকে। আর এই পুরো দৃশ্য ক্যামেরায় বন্দী করে সেটা টেলিভিশনে প্রচার করা হচ্ছে!!!

৫০ thoughts on “বিশ্বের প্রথম ‘ন্যাকেড’ রিয়েলিটি শো!

  1. মানবাধিকার নিয়ে চিল্লানোর
    মানবাধিকার নিয়ে চিল্লানোর কিছু নাই। ঐ নারীরা যদি স্বইচ্ছায় আসে তাহলে কিছু করার নাই। কিন্তু জোর করে আনা শাস্তিযোগ্য। দ্যাটস অল।

      1. রাহাত ভাই, ঐ নারী যদি
        রাহাত ভাই, ঐ নারী যদি স্বইচ্ছায় নগ্ন হয় তবে আমরা কী করতে পারি? হ্যাঁ, এইটা ঠিক যে নারীর শরীরকে পুঁজি করে নিজেদের আখের গুছিয়ে নেয়া হচ্ছে। কিন্তু নারীরাই যদি এর বিরোধীতা না করে উল্টো নগ্ন হয়ে যায় তবে আমাদের কী করার আছে?

        1. কারণ, নারীরা যে চোখ দিয়ে
          কারণ, নারীরা যে চোখ দিয়ে দেখবে সেই চোখ উপড়ে নেওয়া হয়েছে সেই কবে । সেই স্থলে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে একটা পুরুষের চোখ । পরিয়ে দেওয়া হয়েছে পুঁজিবাদী সানগ্লাস । এখন আপনি বলুন ওই চোখ দিয়ে সে যা দেখবে তা কি পুরুষের পৃথিবী নয় ? পুরুষতন্ত্র তার মগজে গেড়েছে উপনিবেশ । নারী তাই বলছে পুরুষ তাকে যা শিখিয়ে দিয়েছে মানে তার মগজে ঢুকিয়ে দিয়েছে । তাই স্বইচ্ছার কথাটা বড্ড হাস্যকর শুনায় আমার কাছে । আর তাই নারী মেনে নিচ্ছে বা নারী প্রতিবাদ, প্রতিরোধ করছেনা এজন্য আমরা কি করতে পারি বা আমাদের কিছু করার নেই, এই জাতীয় কথাই ওই শক্তিটা শুনতে চায় । এবং অনায়াসে এই ধরণের শো বা ফ্যাশন শোর নামে শরীর প্রদর্শন নির্বিবাদে চলছে । আমরা তো ধরেই নিয়েছি একাংশের নারীর যেহেতু সমর্থন আছে সেহেতু এটা চলতেই পারে । কিন্তু ব্রাদার আমরা কি আসলেই আমাদের দায় এড়াতে পারি ? শুভঙ্করের ফাঁকি ধরতে না পারলে মুক্তমনা হয়েও প্রকৃত প্রস্তাবে আমরা বিশ্বব্যাপী পাতানো ফাঁদে পা দিয়ে বসে থাকবো ইচ্ছেয় বা অনিচ্ছেয় …

          1. রাহাত ভাইয়ের সাথে
            রাহাত ভাইয়ের সাথে একমত।

            অনায়াসে এই ধরণের শো বা ফ্যাশন শোর নামে শরীর প্রদর্শন নির্বিবাদে চলছে । আমরা তো ধরেই নিয়েছি একাংশের নারীর যেহেতু সমর্থন আছে সেহেতু এটা চলতেই পারে ।

      2. ঐ নারীরা যদি স্বইচ্ছায় আসে
        ঐ নারীরা যদি স্বইচ্ছায় আসে তাহলে কিছু করার নাই ?
        ব্যাক্তিগত ভাবে নিবেন না , আপনার কোন আত্নীয় স্বইচ্ছায় গেলে আপনি কিছুই কি করতেন না ?

  2. টাকার অভাবে মেয়েরা পতিতা হয়,
    টাকার অভাবে মেয়েরা পতিতা হয়, বিখ্যাত হবার লোভে হয় পর্ণস্টার। এর এখানেই লুক্কায়িত আছে পুঁজি, লুটায়িত আছে পুঁজি। পুঁজি থেকে হয় পুঁজ। প্রকৃত প্রস্তাবে, পুঁজি হলো ক্ষত।

  3. পশ্চিমা বিশ্বে এই সব অনেক আগে
    পশ্চিমা বিশ্বে এই সব অনেক আগে থেকে হয়ে আসছে, সেখানে এগুলো কোনো অস্বাভাবিক ব্যাপার নয় । যেই নগ্ন ছবিটি পোস্টে ব্যবহার করেছেন তা দেখে মনে হয় সভ্যতা আমাদের ভেতর থেকেও চলে যাচ্ছে । কোন ব্লগে কেমন ছবি ও ভিডিও আপলোড করা যাবে তার একটা নীতিমালা থাকা উচিৎ ।

    1. ধন্যবাদ। তবে সব কিছুতেই নীতি
      ধন্যবাদ। তবে সব কিছুতেই নীতি খুঁজতে যাওয়া কিন্তু খুঁতখুঁতে স্বভাব। আমি লেখাটা লিখেছি আধা ঘন্টায়, আর ছবিটা বের করেছি দেড় ঘন্টারও বেশি সময় ধরে। এই রিয়েলিটি শো’টির এর চাইতে ভাল কোন ছবি নেই। যেগুলো আছে সেগুলো দিলে লেখাটা সাপোর্ট পায় না। তাছাড়া এটা এমন কোন নগ্ন বা অশ্লীল নয়…এটা ফেসবুক হলে করতাম না। যাই হোক…আপনাকে আবারও ধন্যবাদ…

  4. কেউ যদি স্বেচ্ছায় নগ্ন হয়ে
    কেউ যদি স্বেচ্ছায় নগ্ন হয়ে শরীর প্রদর্শন করতে চায় তবে কিছু করার নেই। নারীরা যদি এতে অংশ গ্রহণ না করতো তবে ঠিক ছিল। কিন্তু অংশগ্রহণ করছে , তাহলে কি বা করার আছে…
    বিভিন্ন সুন্দরী প্রতিযোগিতা হয় , সেখানেও কিন্তু শরীরের প্রদর্শন করা হয়, বিকিনি পরে। এবং গ্রুমিং সেশনে শরীরের প্রতিটি ভাঁজ, উচ্চতা, মাপা হয়। সেটা হয়তো প্রকাশ্যে টিভি তে দেখান হয় না । কিন্তু সেই মাপের উপর ভিত্তি করে নাম্বার দেওয়া হয়।
    সো, এটা তেমন নতুন না। প্রকাশ্যে হচ্ছে , এই যা…।

    1. আপনার বক্তব্যর সাথে দ্বিমত
      আপনার বক্তব্যর সাথে দ্বিমত পোষণ করছি । নিচে কমেন্ট করলাম । আশা করি পড়ে দেখবেন ।

  5. ইওরোপ আমেরিকা হচ্ছে সভ্যতা,
    ইওরোপ আমেরিকা হচ্ছে সভ্যতা, মানবাধিকার, নারী অধিকার ইত্যাদি ইত্যাদির খনি, আর আমরা নাকি তুলনামুলক ভাবে অশিক্ষিত, অনুন্নত দেশ!!!

    1. তুলনামুলক ভাবে অশিক্ষিত,

      তুলনামুলক ভাবে অশিক্ষিত, অনুন্নত দেশ!!!

      ভাই, আমরা অনুন্নত , তাতে কোন সন্দেহ আছে। এই ব্যপার নিয়ে ওদের সাথে আমাদের তুলনা সম্ভব না। দুটি দেশের তুলনা হবে , উন্নত নাকি অনুন্নত সেটা নির্ধারণ হবে অর্থনৈতিক অবস্থা দিয়ে। এমন ছোটখাটো ব্যাপার দিয়ে নয়।

  6. সর্বগ্রাসী পুজিবাদ নারীকে
    সর্বগ্রাসী পুজিবাদ নারীকে নগ্ন করে দেখে, বোরকা – হিজাব পরিয়ে দেখে । সবই করে মুনাফার স্বার্থে । নারীকে সে একতাল মাংসপিণ্ড বা পণ্য ছাড়া অন্যকোন দৃষ্টিতে দেখে না । কতিপয় ক্ষমতাশালীকে সে সম্পদের পাহাড় চূড়ায় বসায় অন্যদিকে কোটি কোটি মানুষ কে খুধা, দারিদ্র’র নাগপাশে আটকে রাখে ।

    ভোগবাদী এই সমাজে আমাদের মানসিকতা হয়ে গেছে ভোগী মানসিকতা । বিজ্ঞাপন, বিল -বোর্ড, রিয়েলিটি শো আজ নিয়ন্ত্রণ করছে আমাদের প্রাত্যাহিকতাকে । এবং খুব অজান্তেই আমাদের মনোজগতে দখল নিয়ে বসেছে পুজির রাঘব বোয়ালরা । মনজাগতিক উপনিবেশিকতা থেকে মুক্ত হওয়া এখন বিরাট চ্যালেঞ্জ । আসলে আমরাই চাইনা মুক্তি । কারণ এর থেকে মুক্ত হতে গেলে যে প্রচণ্ড বাঁধার মুখ মুখী হতে হয় সেই বাঁধার মুখে জেনে শুনে মধ্যবিত্ত মন কেন পড়তে চাইবে ? হিসেবটা তাই সহজ, ধরো তক্তা মারো পেরেক / যায় উচ্ছন্নে যাক সামন্ত বিবেক ।

    কেউ যদি স্বেচ্ছায় নগ্ন হয়ে শরীর প্রদর্শন করতে চায় তবে কিছু করার নেই। নারীরা যদি এতে অংশ গ্রহণ না করতো তবে ঠিক ছিল। কিন্তু অংশগ্রহণ করছে , তাহলে কি বা করার আছে… — অবাস্তব স্বপ্নচারী আপনাকে বলছি, স্বেচ্ছায় নারীর অংশ গ্রহনের কথা বলছেন । একটু ভেবে দেখবেন, নারী আদৌ স্বেচ্ছায় যায় ? পুঁজিবাদের আর একটা চমৎকার প্রহসন কি জানেন ? পুজিবাদ পৃথিবীর সব মানুষকে স্বাধীন মনে করে । কিন্তু তার কারনেই যে মানুষ পরাধীন হয়ে আছে সে কথা ভুলেও প্রকাশ করেনা । সেটাই তো স্বাভাবিক । তো, পুঁজিবাদের স্বাধীনতার স্বরূপ বলে শেষ করছি, ধরুন আপনি সাঁতার জানেন, আপনাকে সাঁতার কাটতে দেওয়া হবে, কেবল হাত – পা বেধে । কী পারবেন না ?

    1. আপনি ব্যাপারটাকে অন্য ভাবে
      আপনি ব্যাপারটাকে অন্য ভাবে দেখছেন, বা আপনি যেভাবে দেখছেন আমি সেভাবে দেখছি না। আমি শুধু এটাই বলতে চাচ্ছি, একটা অনুষ্ঠান হচ্ছে যেখানে নগ্ন ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে হবে। কোন নারী চাইল যে সে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবে , সে যেতেই পারে। তাকে আমি বাধা দিয়ে পারি না। যদি সবাই এই অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতো যে না এই ধরনের অনুষ্ঠান হতে পারবে না, কেউ সেখানে অংশগ্রহণ করবে না তবে ব্যাপারটা অন্যরকম হতো।
      এই নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি হওয়া উচিত। তবে সচেতন হয়ে যদি কেউ এমন করতে চায় সেখানে তাকে কিছু বলে লাভ নেই।
      ব্যাপারটা আমার কাছে তাই সোজা লেগেছে, এতো জটিলতার কিছু দেখি না।
      আর আমি সুন্দরী প্রতিযোগিতার উদাহরণও দিয়েছি। হরহামেশাই হয়ে আসছে। পার্থক্য এই ওটা গ্রুমিং এ হয় , এটা প্রকাশ্যে।

  7. “ডেনমার্ক একটা নাস্তিক দ্যাশ।
    “ডেনমার্ক একটা নাস্তিক দ্যাশ। উইখানে আছে ফ্যাসিবাদী সরকার। হ্যারা বাকশাল কায়েম করতে ছায়। উইখানে বুমা মারতে হইবে। উই দেশে এছলাম কায়েম করতে হইবে। নারীদেরকে বুরকার তলে ঢুকাই দিতে হইবে। কিন্তু তার আগে ওই শো’র নারীদেরকে গণিমতের মাল হিসেবে কতিপয় ‘আলেম’ দ্বারা শুদ্ধিকরন করে নিতে হইবে।
    দুনিয়ার জঙ্গি এক হও, এক হও…”

    -ইহা একটি জঙ্গিবাদী কমেন্ট। জনৈক জঙ্গী কর্তৃক প্রদেয় ভাষণ থেকে শ্রুতিলিখিত।

  8. এইটা কোন ব্যাপারই না। আমরা
    এইটা কোন ব্যাপারই না। আমরা প্রতিমুহূর্তে হলিউডের ছবিগুলাতেই এর চর্চা দেখতে পাই। কিছু প্রয়োজনে, কিছু অপ্রয়োজনে। আজকে এই রিয়ালিটি শো তে হয়তবা সারা বিশ্বের মানুষ নগ্ন মেয়েদের দেখছে। কিন্তু কোন মেয়ে যদি স্বেচ্ছায় নগ্ন হতে চায়, তাহলে দোষের কি? এর সাথে পুঁজিবাদের প্রশ্ন আনছেন কেন? রিয়ালিটি শো ছাড়া কি মেয়েদের নগ্ন শরীর কোথাও দেখা যায় না? পুরুষের মানসিকতা পরিবর্তন করলে যে কোন কিছুই সুন্দরভাবে করা সম্ভব।

  9. এখানে তাহলে আমি একটি উদাহরণ
    এখানে তাহলে আমি একটি উদাহরণ ঝাড়ি।
    ডেনমার্কের নারীদের চেয়ে আমাদের দেশের গ্রামাঞ্চলের নারীরা কিন্তু পুরুষদের দ্বারা বেশি নিয়ন্ত্রিত। ঠিক করে বলতে গেলে শাসিত। গ্রামে নারীরা নিজেরা বাধ্য হয়ে পুরুষের বশ্যতা শিকার করে নিয়েছে। তাই সেখানে তারা চোখে সানগ্লাসই শুধু লাগায় না, বরং পুরুষতন্ত্রের চাপে কর্ণিয়া হারিয়ে ফেলে যেটা আধুনিক ডেনমার্কে নেই বললেই চলে। কিন্তু আমি বাজি ধরে বলতে পারি এই ধরনের রিয়েলিটি শোতে আমাদের গ্রামঞ্চলের সহজ সরল নারীগুলো কোনোভাবেই অংশ নেবে না। মেরে ফেলার হুমকি দিলেও না। এই ক্ষেত্রে আপনার বিশ্লেষণ কী??

    পুরুষতন্ত্র অবশ্যই নারীদের ঘাড়ে চেপে বসেছে। কিন্তু আমরা সফল ভাবেই এর থেকে অনেকাংশে মুক্ত হয়েছি। তাছাড়া পশ্চিমা সংস্কৃতিতে নগ্ন নারী নতুন কিছু নয়। ইউটিউবে একটা ভিডিও আছে রাশিয়াতে এক ছেলে এক হাজার নারীর স্তন একদিনে স্পর্শ করে গিনেস রেকর্ড করেছে।
    লিঙ্ক: http://youtube.com/watch?v=dRM2C28kWHs&has_verified=1&guid=&hl=en&client=mv-google&gl=US

    ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে এতে কিন্তু মেয়ে গুলো একদমই রেগে যাচ্ছে না। বরং কেউ কেউ ছেলেটিকে জড়িয়ে ধরছে। কারণ ঐসব দেশে নারীরা নিজেদের নারী ভাবে না। মানুষ ভাবে। যেটা এদেশে অসম্ভব। তাই আমার মতে “নারীর স্বইচ্ছা” নামক জিনিসের অস্তিত্ব থাকা অস্বাভাবিক নয়।

  10. স্পষ্টত বুঝা যাচ্ছে আপনি
    স্পষ্টত বুঝা যাচ্ছে আপনি গুলিয়ে ফেলেছেন … ইচ্ছে হলে ও সময় পেলে এই বিষয়ে এখানে আরও ব্যাখ্যা দিতেও পারি ।

  11. পুরা মাননীয় স্পিকার হওয়া ছাড়া
    পুরা মাননীয় স্পিকার হওয়া ছাড়া কোন গতি নাই । আমাদের চারপাশের মানুষদের “এ্যানালাইসিস দেখে যারপরনাই আমি মুগ্ধ ! “কেউ যদি স্বেচ্ছায় নগ্ন হয়” এই জাতীয় মন্তব্য এই রিয়ালিটি শো এর ক্ষেত্রে কেন আসলোসেটা আমার বোধগম্য নয় । নগ্নদেহের প্রদর্শনী এক জিনিস আর নগ্নতা অন্য জিনিস । পূজিবাদ/ ভোগতণ্ত্রে নারীকে যে নগ্নভাবে উপস্থাপিত করা হয় এর পেছনেও জড়িত অর্থ ।এই রিয়ালিটি শো-তেও যদি ২৫০ ইউরো না দেয়া হতো তবে কয়জন নারী সাধ করে নগ্ন হতো । আর সবার সামনে নগ্নতার মূল্য প্রদর্শন করে নারীকে অবমাননা করা হচ্চে এই বিষয়টিও ভেবে দেখবেন । পূজিবাদ নারীকে নগ্ন করে, ধর্ম নারীকে হিজাবে মুড়ে বা চিতায় তুলে আর পুরুষতণ্ত্র চালায় দীর্ঘমেয়াদী নিষ্পেষণ । সূত্রটা বুঝতে হবে কিন্তু ।

    1. স্বীকার তো করেই নিলাম
      স্বীকার তো করেই নিলাম পুঁজিবাদী সমাজ নারীকে নগ্ন করে। কিন্তু নারী বিরোধীতা করেনা কেন? ডেনমার্কে হিজাব নিয়ে নারীরাই বিরোধীতা করে, কিন্তু এই ধরনের রিয়েলিটি শো এর বিরুদ্ধে নারীদের প্রতিরোধ আপাতত কানে আসছেনা।

      1. দয়া করে কেউ তর্কে জড়াবেন না।
        দয়া করে কেউ তর্কে জড়াবেন না। তর্ক কখনও সমাধান আনে না। আসল কথা হল সব কিছুরই সীমা থাকে…এই শোটা সীমা অতিক্রম
        করেছে। নারীর দোষ সে সেচ্ছায় গিয়েছে, পুরুষের দোষ সে সেচ্ছায় নারীদের আসতে বাধ্য করেছে। এটা কৌশলী ব্যাপার।

  12. ওরে বাবা! অনেক অনেক মন্তব্যে
    ওরে বাবা! অনেক অনেক মন্তব্যে অনেক তথ্যই উঠে আসল…
    অনেক কিছু জানা হল, অনেক ভাব অনেক চিন্তা; চমৎকার ফলপ্রসূ একটি পোস্ট
    লিমন ভাই আপনাকে ধন্যবাদ পুঁজিবাদী সমাজের নারীবাদ নিয়ে এমন চমৎকার আলোচনার সূত্রপাত করার জন্য :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
    এইবার আমার কিছু বলার পালাঃ

    আমার জানামতে মানুষের সহজাত গুণাবলীর মধ্যে কোন প্রকার অমানবিক গুণাবলী থাকে না… তাহলে কীভাবে মানব সন্তান হিটলার, আল্লামা শফি,এরশাদ সিকদার, ঐশী, গোলাম আজম বা সিরিয়াল কিলার অথবা লম্পট মৌলবাদী ধর্মপ্রচারক হয়ে উঠে…

    যে নারী জন্ম থেকে মানুষ হয়ে উঠতে চাই আর একজন আদর্শ ‘মা’ হয়ে উঠতে স্বপ্ন দেখে সেই নারী কীভাবে কেন এমন করতে পারে? আধুনিকতা কিংবা সভ্যতা অথবা শিল্পের দোহায় দিয়ে এমন একমুখী বাণিজ্যিক উপস্থাপনকে কখনই জাস্টিফাই করার সুযোগ নাই…

    আদিম মানুষ যখন নারী-পুরুষ সবাই একই রকম পোশাক পরত বা একই রকম বহুগামিতা উপভোগ করত তখন কোন প্রশ্ন উঠে নি উঠার কথাও ছিল না, কিন্তু নারীকে যখন কালে কালে কর্মক্ষেত্র থেকে সরিয়ে বাসায় শোফিস হিসেবে সাজায় রাখার পঁয়তারা করল এবং সফল হল তাবৎ পুরুষতান্ত্রিক ধর্মকূল তখন থেকে আজকের এই অবস্থায় আসল সমাজ।। অর্থাৎ সমাজের বা সভ্যতার উন্নয়নে যখন নারী থেকে পুরুষের অবদান বা কর্মযজ্ঞ অপেক্ষাকৃত বেশী হতে থাকল তখন থেকেই তাদের স্বার্থ উদ্ধারের নীতিসমূহ বেশী প্রতিষ্ঠিত হল।।

    পুজিবাদ, জাতীয়তাবাদ, ধর্মীয় জীবনাদর্শ এবং গনতন্ত্র সবই মানুষের প্রতি সার্থক সাম্য প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ… আশাকরি এমন সমাজের পরিবর্তন হবে ‘আওরা আম্বা‘র মত কোন স্বপ্নিল সমাজ ব্যবস্থার দৃষ্টান্ত স্থাপনের পর…

  13. প্রশ্নঃ বিখ্যাত চিত্রকর রা,
    প্রশ্নঃ বিখ্যাত চিত্রকর রা, বিখ্যাত ভাস্কর রা নগ্ন নারীদেহকে পুজি করে যদি শিল্পের আখ্যা দিতে পারে তাহলে কোনো নারী নিজের নগ্ন দেহ স্বেচ্ছায় প্রদর্শন করলে সেটা অমানবিক হবে কেন? এমন তো না তাদের চিড়িয়াখায়ানায় নগ্ন করে বেধে রেখে লোক দেখিয়ে পয়সা কামানো হচ্ছে

  14. মানব জাতির জন্য আরো অনেক কিছু
    মানব জাতির জন্য আরো অনেক কিছু অপেক্ষা করছে…

    সভ্যতা কোনদিকে যাচ্ছে কেউ কি বলতে পারে?

    :কনফিউজড: :কনফিউজড: :কনফিউজড:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *