সবাইকে রাজপথে দেখারঅপেক্ষায়. . .

আমরা জামাত-শিবির
বিরোধী যেকোনো বিক্ষোভ
মিছিলে,কি ধরণের শ্লোগান দেই ; তার
নমুনা. . . . . .
*** “যে হাত কোরান পোড়ায়,সেই হাত
ভেঙে দাও” ।
*** “যে হাত পতাকা পোড়ায়,সেই হাত
ভেঙে দাও” ।
*** “যে হাত পুলিশ পিটায়,সেই হাত
ভেঙে দাও” ।
*** “যে হাত রগ কাটে,সেই হাত
ভেঙে দাও” ।



আমরা জামাত-শিবির
বিরোধী যেকোনো বিক্ষোভ
মিছিলে,কি ধরণের শ্লোগান দেই ; তার
নমুনা. . . . . .
*** “যে হাত কোরান পোড়ায়,সেই হাত
ভেঙে দাও” ।
*** “যে হাত পতাকা পোড়ায়,সেই হাত
ভেঙে দাও” ।
*** “যে হাত পুলিশ পিটায়,সেই হাত
ভেঙে দাও” ।
*** “যে হাত রগ কাটে,সেই হাত
ভেঙে দাও” ।
এতো “হাত ভাঙা”র কথা আমরা বলি,অথচ
হাতও আমরা ভাঙিনা ; আর কে হাত
ভাঙবে,তাও আমরা বলিনা ।
আমাদের শ্লোগান কেবল “ভেঙে দাও-
গুড়িয়ে দাও-জ্বালিয়ে দাও-
পুড়িয়ে দাও” পর্যন্তই ।
আমরা হাতও
ভেঙে গুড়িয়ে দিতে পারিনা,কোনো কিছু
জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাড়খাড়ও
করে দিতে পারিনা ।
ঘটনা দেখলে হাসিও পায়,আবার
কান্নাও আসে ।
শিবির কর্তৃক আমাদের
কোনো ভাইকে হত্যা/হত্যা চেষ্টার
প্রতিবাদে,আমরা যথারীতিই তথাকথিত
“বিক্ষোভ মিছিল” করে আসছি ।
সেই বিক্ষোভ মিছিলের কিছু শ্লোগানের
নমুনা. . . . . . .
*** “শহীদ রাজীব শিখিয়ে গেছে,লড়াই
করে বাঁচতে হবে” ।
*** “শহীদ দ্বীপ শিখিয়ে গেছে,লড়াই
করে বাঁচতে হবে” ।
রাজীব/দ্বীপের মতো শহীদের
মিছিলে প্রতিনিয়তই নতুন নতুন নাম
যোগ হচ্ছে ।অল্প কদিনের ব্যবধানেই
তন্ময়,তুহিন ও রুহুল আমিনের উপর হত্যার
উদ্দেশ্যে হামলা চালানো হলো ।কদিন
পর,শহীদের তালিকাতেও তাদের নাম
চলে যেতে পারে ।
অথচ,আমরা কি করছি ???
কেবল উত্তপ্ত কিছু স্ট্যাটাস,আর
দায়সারা “বিক্ষোভ মিছিল” করেই
আমরা তড়িঘড়ি করে আমাদের দায়িত্ব
শেষ করছি ।
এটাই কি হওয়ার কথা ছিলো ???
আমরা তাদের জন্যে কিছু স্ট্যাটাস
দিবো আর লোক দেখানো তথাকথিত
বিক্ষোভ মিছিল করবো বলেই
কি আমাদের ভাইরা নিজেদের জীবন
উত্সর্গ করে শহীদ হয়েছিলো ???
আজ “ইমরান এইচ সরকার” আমাদের
সাথে বিক্ষোভ মিছিল করছে ।কাল
যদি ইমরান শিবিরের হাতে খুন
হয়,তাহলে কি কাল সন্ধ্যার বিক্ষোভ
মিছিলে আমাদের শ্লোগান
হবে. . . . . .”শহীদ ইমরান
শিখিয়ে গেছে,লড়াই
করে বাঁচতে হবে” ???
অথবা আজ আমি শিবিরের বিরুদ্ধে খুব
গরম এবং উত্তপ্ত স্ট্যাটাস দিলাম,অথচ
আমি রাজপথে থেকে শিবির
নিধনে সত্যিকার অর্থে কিছুই করলাম
না ; তখন কাল আমাকে খুন
করলে আপনারা কি শ্লোগান
দিবেন. . . . . .”শহীদ অর্ণব
শিখিয়ে গেছে,লড়াই করে বাঁচত
হবে” ???
দয়া করে,আর একমূহুর্তও
ঘরে বসে থাকবেন না ।শিবিরের
বিরুদ্ধে রাজপথে নামার এখনই উপযুক্ত
সময় ।
শিবির নিধনে যার
যা করা দরকার,পুরোদমে শুরু করে দিন ।
গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী-সমর্থক
এবং ছাত্রলীগের ভাইদের বলছি. . . . . . .
আমরা যারা ছাত্র আছি,তারা যার যার
কলেজ ও ইউনিভার্সিটিতে শিবির
কর্মীদের নামের পূর্ণাঙ্গ
তালিকা তৈরী করুন ।
তালিকা তৈরীর পর ছাত্রলীগ ও
গনজাগরণ মঞ্চের কর্মীদের
নিয়ে,”ধাওয়া দিয়ে হোক-পিটিয়ে হোক-
কুপিয়ে হোক-জবাই করে হোক”
যে যেভাবে পারেন,যার যার ক্যাম্পাস
শিবিরমুক্ত করুন ।
প্রত্যেকে নিজেদের ক্যাম্পাসের
শিবিরের মেসগুলোতে,নিজেদের
কর্মীবাহিনী নিয়ে তল্লাশী চালান ।
শিবিরের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়ে,ওদের
মানসিক ও সাংগঠনিকভাবে পঙ্গু
করে দিন ।
এমনভাবে ওদের পঙ্গু করুন
যাতে ওরা নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়
এবং আপনি গর্ব
করে বলতে পারেন. . . . . .”আমার
ক্যাম্পাসে কোনো শিবির নেই ।
অথবা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় শিবির
মুক্ত” ।
একাজে সাহায্যের দরকার
হলে,ছাত্রলীগের ভাইয়েরা গনজাগরণ
মঞ্চের কর্মীদের সাহায্য নিন ।আর
গনজাগরণ মঞ্চের
কর্মী ভাইয়েরা,ছাত্রলীগের সাহায্য
নিন ।
“শিবির খেদাও,রগ বাঁচাও”
অথবা “শিবির ধর,জবাই কর” ; আজ
থেকে এটাই হোক,আপনার আমার মূল
শ্লোগান ।
একবারও কি ভেবেছেন. . . . . .এখনই
ছাত্রলীগ আর গনজাগরণ মঞ্চের
কর্মীদের যেভাবে খুন
করা হচ্ছে,আল্লাহ না করুক
আগামি নির্বাচনে যদি বিএনপি-জামাত
জোট সরকার জয়লাভ
করে তাহলে শিবিরের কুত্তারা আমাদের
এমন ভাবে খুন করবে যে,আমাদের বাপ-
মা’কে দেখানোর জন্যে আমাদের
লাশটা পর্যন্ত আস্ত রাখবে না ।
এমনও হতে পারে. . . . . .আমি যে এখন
স্ট্যাটাসটা লিখছি,লেখাটা শেষ করেই
টিভি খুলে চ্যানেলে চ্যানেলে হয়তো ব্র
দেখবো “অমুক বিশ্ববিদ্যালয়ের
ছাত্রলীগ/গনজাগরণ মঞ্চের
কর্মীকে মারাত্মকভাবে কুপিয়ে,রগ
কেটে দিয়েছে শিবিরের ক্যাডাররা ;
আহতের অবস্থা গুরুতর আশংকাজনক” ।
জ্বি হ্যাঁ,অবস্থা এখন এরকমই
দাঁড়িয়েছে ।এমনটা ঘটতেই
পারে,এটা অস্বাভাবিক কিছু না ।
অহিংস থাকার
ফলাফলটা তো,আপনারা হাতেনাতেই
পাচ্ছেন ।এখন বাকিটা আপনাদের
বিবেচনা ।
এমনটা যেনো নাহয় যে,আজ আপনি আমার
স্ট্যাটাসের পুরোটা শুধু পড়েই গেলেন
কিন্তু রাজপথে থেকে আপনার
ক্যাম্পাসকে শিবিরমুক্ত
করতে বিন্দুমাত্রও পদক্ষেপ নিলেন না ;
আর কালই আমরা আপনাকে হত্যা/
হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
মিছিল করলাম আর আপনাকে উত্সর্গ
করে কিছু হৃদয়স্পর্শী স্ট্যাটাস দিলাম ।
দয়া করে,এমনটা আর হতে দিয়েন না ।আজ
এইমূহুর্ত থেকেই রাজপথে থেকে,সবাই
কুত্তা(শিবির) নিধনে সক্রিয় হোন ।
সবাইকে রাজপথে দেখার
অপেক্ষায়. . . . . . .
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু ।
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক ।

৫ thoughts on “সবাইকে রাজপথে দেখারঅপেক্ষায়. . .

  1. ভাই এতো হতাশ হবেন না। তাহলে
    ভাই এতো হতাশ হবেন না। তাহলে তো মাঠে নামার আগেই আমরা অর্ধেক হেরে বসে থাকবো। তবে আপনার আবেগের প্রতি সম্মান জানাচ্ছি।

  2. আপনার আবেগকে সম্মান জানাই
    আপনার আবেগকে সম্মান জানাই ।

    আমরা ২য় মুক্তিযুদ্ধের সৈনিক! আমরা কেন মাঠে নামব?আমাদের জন্য কাথামুড়ি দিয়ে অনলাইনে ডিজিটাল যুদ্ধ করাই সবচাইতে ভাল System!

  3. ধাওয়া দিয়ে হোক-পিটিয়ে

    ধাওয়া দিয়ে হোক-পিটিয়ে হোক-
    কুপিয়ে হোক-জবাই করে হোক”
    যে যেভাবে পারেন,যার যার ক্যাম্পাস
    শিবিরমুক্ত করুন ।

    আমার মনের কথাটা আপনি বলছেন…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *