হাসিনার কাছে খোলা চিঠি : চাকরি পায়নি ইয়াসমিনের মা


বারবার প্রতিশ্রুতি পেয়েও চাকরি পাননি ইয়াসমিনের মা শরীফা বেগম। শুধু মেয়ের স্মৃতি হাতড়িয়ে চোখের জল ফেলেন।

২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চাকরি চেয়েছিলেন তিনি। জীবনের প্রয়োজনে জীবিকার এই ফরিয়াদ। দাবিও ছোট। হাসপাতালে বা কোনখানে আয়া পদে একটি চাকরি।

মিডিয়ায় জানিয়েছিলেন, ‘একটা চাকরির জন্যে দুয়ারে দুয়ারে ঘুরেছি। মন্ত্রী, এমপি, টিএনও, ডিসি কারো কাছে যাওয়া বাদ দেইনি। কেউ দিলো না আমাকে একটা চাকরি। ’



বারবার প্রতিশ্রুতি পেয়েও চাকরি পাননি ইয়াসমিনের মা শরীফা বেগম। শুধু মেয়ের স্মৃতি হাতড়িয়ে চোখের জল ফেলেন।

২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চাকরি চেয়েছিলেন তিনি। জীবনের প্রয়োজনে জীবিকার এই ফরিয়াদ। দাবিও ছোট। হাসপাতালে বা কোনখানে আয়া পদে একটি চাকরি।

মিডিয়ায় জানিয়েছিলেন, ‘একটা চাকরির জন্যে দুয়ারে দুয়ারে ঘুরেছি। মন্ত্রী, এমপি, টিএনও, ডিসি কারো কাছে যাওয়া বাদ দেইনি। কেউ দিলো না আমাকে একটা চাকরি। ’

দিনাজপুরের তৎকালীন জেলা প্রশাসক (ডিসি) জামাল উদ্দিন আহমেদ সেই প্রতিবেদন দেখে ইয়াসমিনের মা শরীফা বেগমকে ডেকে নেন এবং চাকরির আশ্বাসও দেন। কিন্তু শরীফার ভাগ্যে এখনো সেই আরাধ্য চাকরিটি জুটেনি।

শরীফার ক্ষোভ তার এলাকার এমপি দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপালের বিরুদ্ধে। শরীফা বলেন, ‘এতোদিন হই গেলো, গোপাল এমপি কিছুই করলো না। আমার মেয়ের জন্যইতো গদি পাইলো, নাকি? এতো কিছু কইরা এহন আমার দিকে আর তাকায়াই দেখে না।’

তবে শরীফা এখনো বিশ্বাস করেন প্রধানমন্ত্রী তাকে ফেরাবেন না, একটি চাকরির ব্যবস্থা করে দেবেনই।

বলেন, ‘চাকরি কি আমারে দেবে না তারা? প্রধানমন্ত্রীরে আরেকটু মনে করায়া দিলে হইতো না? তারতো মেলা কাজ। মনে রাইখতে পারেনি হয়তো।

হাসিনা বঙ্গবন্ধুর কন্যা। তার অনেক বড় মন। দেশ ও দেশের মাইনষের জন্য তার অনেক টান। হ্যায় কতজনরে কত কিছু দিছে। গরীবের কত উপকার করছে। আমার মনে খুব কয়, তিনি আমারেও ফেরাইবে না।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিবকন্যা বলেই তার কাছে মানুষের চাওয়া-পাওয়ার হিসেবটা একটু বেশি। আবেগী আর ভালবাসার। নানা সময় হাসিনা তার মাতৃমনের পরিচয় দিয়েছেন। যার সাক্ষী পুরান ঢাকার আমিনবাজারে আগুনে নিঃস্ব হওয়া দুই বোনের বিয়ে। আমরা আরেকটিবার তার বড় মনটা দেখতে চাই।

শরীফার মত আমাদেরও বিশ্বাস কপালপুড়ী ইয়াসমিনের মাকে তিনি খালি ফিরাবেন না…

৯ thoughts on “হাসিনার কাছে খোলা চিঠি : চাকরি পায়নি ইয়াসমিনের মা

  1. প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিবকন্যা বলেই তার কাছে মানুষের চাওয়া-পাওয়ার হিসেবটা একটু বেশি।

    গরীবের কথা কারই মনে থাকে না।

  2. প্রয়োজনীয় বিষয়ে আলোকপাত
    প্রয়োজনীয় বিষয়ে আলোকপাত করেছেন ।ইয়াসমিনে মায়ের এই আকুতি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসবে কি?

  3. পরপর দুইটা পোস্ট দিয়েছেন একই
    পরপর দুইটা পোস্ট দিয়েছেন একই ইস্যু নিয়ে। ইস্টিশন বিধিটা একটু পড়লে ভালো হত।

  4. কথাটা হাসিনাবুর কানে পৌছাতে
    কথাটা হাসিনাবুর কানে পৌছাতে পারলে অবশ্যই কিছু একটা করতেন। আমাদের মিডিয়া ইয়াসমিনদের ঘটনা গরম গরম থাকতে সেটা বেঁচে খেতে পারঙ্গম। কিন্তু যখন ঘটনা সবার বিস্মরণের অতলে চাপা পড়ে, ঠিক যখনই ইয়াসমিনদের বা তাদের পরিবারের সবচেয়ে বেশী মিডিয়া সাপোর্ট দরকার সেই সময়ে কারো পাত্তা নেই। প্রধানমন্ত্রীর ব্যাপারে আমার আস্থা আছে। একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই এই আস্থা তৈরি হয়েছে। তাই সবার কাছে আবেদন যার সামান্যতম সুযোগ আছে প্রধানমন্ত্রী বরাবর পৌঁছানর, তারা কি কেউ একটি সারা দেবেন?

  5. এই মহুর্তে ইয়াসমিনের মায়ের
    এই মহুর্তে ইয়াসমিনের মায়ের চাকুরীর মত তুচ্ছ বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চিন্তা করার সময় নাই। এখন শুধু একটাই আহবান তার- ‘হুদাই নৌকা মার্কায় ভোট দেন’।

  6. ইয়াসমিনের মায়ের এই যৌক্তিক
    ইয়াসমিনের মায়ের এই যৌক্তিক দাবী অবিলম্বে পূরণ করা হোক । আমি জানিনা মিডিয়া এই ব্যাপারটা কতোটা গুরুত্যের সাথে নেবে ।

  7. এই ব্যাপারে মূল ভুমিকাটা পালন
    এই ব্যাপারে মূল ভুমিকাটা পালন করতে হতো স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম এবং সাংবাদিকদের। কিন্তু বছরের ঐ একটা দিন অর্থাৎ ২৪ আগস্ট ছাড়া মিডিয়ার মনে থাকে না এই শরীফা বেগমদের কথা। একমাত্র মিডিয়াই পারে বিষয়টা প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনতে। এবং আমি বিশ্বাস করি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার কথা ঠিকভাবে উপস্থাপিত হলে সমস্যার একটা সমাধান হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *