“বন দখলের লড়াই!” বনাম “মানবতা দখলের লড়াই!”

সুন্দরবন দখল ঠেকাতে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর সুন্দরবন অভিমুখে লং মার্চের ডাক দিয়েছে তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি।। পূর্ণশ্রদ্ধা রেখেই কিছু কথা বলছি আপনাদের-

১) দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি+, জামাত-হেফাজত যেভাবে মধ্যযুগীয় ডাক দিচ্ছে তাতেই জনগনের আগ্রহ বেশী, তারা নারীকে সন্তান উৎপাদনের মেশিন বানায়তে চাই তাই গার্মেন্টস কর্মীদের বিরদ্ধে এত আক্রোশ! কারণ কর্মক্ষম নারীর সন্তান নেয়ার ক্ষেত্রে আগ্রহ কম থাকে একমাত্র আদর্শ গৃহিণীরাই একের পর জন্ম দেয়… আমরা যদি অনেক গভীরে না গিয়ে উপরের বিষয় নিয়ে এমন ভাসতে থাকি তবে সরকার নয় ২০৫০ সালের ৩০ কোটি মানুষই সুন্দরবনকে ধ্বংস করবে- ভাসিয়ে দিবে! তখন বুদ্ধিজীবীরা কি করবে?



সুন্দরবন দখল ঠেকাতে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর সুন্দরবন অভিমুখে লং মার্চের ডাক দিয়েছে তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি।। পূর্ণশ্রদ্ধা রেখেই কিছু কথা বলছি আপনাদের-

১) দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি+, জামাত-হেফাজত যেভাবে মধ্যযুগীয় ডাক দিচ্ছে তাতেই জনগনের আগ্রহ বেশী, তারা নারীকে সন্তান উৎপাদনের মেশিন বানায়তে চাই তাই গার্মেন্টস কর্মীদের বিরদ্ধে এত আক্রোশ! কারণ কর্মক্ষম নারীর সন্তান নেয়ার ক্ষেত্রে আগ্রহ কম থাকে একমাত্র আদর্শ গৃহিণীরাই একের পর জন্ম দেয়… আমরা যদি অনেক গভীরে না গিয়ে উপরের বিষয় নিয়ে এমন ভাসতে থাকি তবে সরকার নয় ২০৫০ সালের ৩০ কোটি মানুষই সুন্দরবনকে ধ্বংস করবে- ভাসিয়ে দিবে! তখন বুদ্ধিজীবীরা কি করবে?

২) সন্দ্বীপে (আমার দেখা…) ২০০০ সালে যেমন সবুজ এবং বিস্তীর্ণ খোলা মাঠ দেখে এসেছি এখন দেখলে আফসোস লাগে। কীভাবে বনভুমি আর খোলা মাঠ উজাড় হচ্ছে কল্পনা করার মত নয়। বাংলাদেশের প্রধান শত্রু অনিয়ন্ত্রিত জনসংখ্যা বৃদ্ধি। তাই এটা যতদিন কেউ প্রতিষ্ঠিত করবে না ততদিন বুদ্ধিজীবীরা এমন আন্দোলনই করতে পারবে অনেক মানুষ নিয়ে কিন্তু ঐ গরীব দুস্থদের জীবনও পরিবর্তন হবে না আর আমাদের সকল এন্ডেমিক জীববৈচিত্র্যও রক্ষা করা হবে না…

৩) রেইন ফরেস্ট থেকে সুন্দরবন, আমাজন থেকে বান্দরবন সব কিছুই ধ্বংস হয়েছে অধিক জনসংখ্যার জন্য। পাকিস্থান আমলে আর জেনারেল জিয়া যখন পার্বত্য চট্টগ্রামে মানুষ ডুকাল তখন এইসব বুদ্ধিজীবীরা কই ছিল খুব জানতে ইচ্ছা করে। রাঙ্গামাটির ৬০%+ (আমার ঠিক খেয়াল নেই আরও বেশীও হতে পারে…) চাষাবাদযোগ্য জমিতে জলবিদ্যুৎ স্থাপন করা হল অথচ বিদ্যুৎ আসে নামে মাত্র কিছু মেগাওয়াট। সেই সময়কার টগবগে তরুন এখন বার্ধক্যে সুন্দরবন আর রামপাল রক্ষায় রাজপথে। কত সন্দ্বীপ কত মহেশখালী আর কত সবুজ উজাড় হচ্ছে চোখের আড়ালে খেয়াল কে রাখে?

৪) আমরা সবাই জানি এমন শিল্প প্রতিষ্ঠান বা অবকাঠামোগত বিশাল শিল্পের নবসুচনা হওয়া উচিৎ লোকারণ্য থেকে দূরে কোথাও।। আজ সব বাঘা বাঘা স্যারেরা কলম ধরেছে খুবই ভাল লাগছে কিন্তু কেউ মুল কারণটা ড্রিল আউট করছে না মানবতা আজ বিপন্ন! কি লাভ এমন জ্ঞানী সেজে? কি লাভ কিছু বাহবা কামিয়ে? কাজের কাজ কিছুই হবে না এতে কেননা আমরা যদি বাংলাদেশের জনগন ১২ কোটির মধ্যে না আনতে পারি তবে কখনই উন্নত দেশ হতে পারব না বলেই আমার মনে হচ্ছে, ১৫-১৭ কোটি মানুষ নিয়ে বড়জোর মধ্যম আয়ের দেশ হতে পারব। পারলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে একটা নীতিমালা আর বিশাল প্ল্যান সরকারকে দিয়ে দেশটা রক্ষা করুন, তা নাহলে সুন্দরবন, পার্বত্য চট্টগ্রাম, হাওর, দ্বীপ বা সবুজ বনানী কিছুই রক্ষা করা সম্ভব হবে না…

৫) মাত্র ৫০০ বছর আগেও অর্থাৎ ১৫০০ সালে দুনিয়ার মানুষ ছিল সর্বসাকুল্যে ৪৫ কোটি!! আর শুনে আঁতকে উঠবেন ২০৫০ সালে এই সংখ্যা হতে পারে ৯২০ কোটি! শুধু মাত্র জনসংখ্যায় অর্থাৎ % এ অন্য সকল ধর্মীয় বিশ্বাসীদের থেকে এগিয়ে থাকতে কিছু কিছু ধর্ম অধিক সন্তানের জননী হতে সক্ষম এমন নারীদের অধিক মর্যাদা দেয়, পুরুষদের একইসাথে অনেক উর্বর শস্যক্ষেত্রে চাষাবাদ করতে উদ্বুদ্ধ করে!! এমন ধর্মীয় বিশ্বাসীদের দেশগুলোতে জনসংখ্যা ব্বৃদ্ধির হার শুধু বেশী না আঁতকে উঠার মত… ২০০০ বছর আগের ২০ কোটির পৃথিবীতে আর ৭১৭ কোটি মানুষ…এরাই ১৫% অমুসলিমকে মাত্র ৪০ বছরে ৭% করে দিয়েছে বাংলাদেশে… (৮৫ বেড়ে ১৯২/১৯৩ হলেই ১৫ জন ৭-৮% হয়ে যায় আবার কিছু মেরে সাফ করলে বা, দেশ ছাড়া করলে ব্যাপারটা আরও সহজ…); তাদের কাছে %-টাই বড় মানুষ নয়।

এখনও সময় আছে পারলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনে কঠোরতম আন্দোলন গড়ে তুলুন এবং তাই হবে আধুনিক বাংলাদেশ এবং প্রান-প্রাচুর্যে ভরপুর প্রকৃতি বা জীববৈচিত্র্যের জন্য সবচে ভাল। এইসব লোক দেখানো – চায়ের কাপে ঝড় তোলা ইস্যু নিয়ে কাজ করলে এইসব রক্ষা কখনই হবে না…

“বন দখলের লড়াই” বনাম “মানবতা দখলের লড়াই”…
শিরোনামটি কেন দিলাম? আমি জানি আমার এই লিখা স্টিকিতে থাকবে না দিনের পর দিন। আমার এই লিখা শেয়ারের সেঞ্চুরিও করবে না। অনেক বাহবাও পাব না। কারণ আমার লিখায় শুধু একজন ব্যক্তির কিছু ব্যক্তিগত ভাবনার প্রকাশ হয়েছে কোন সংগঠনের পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নেয়া হয়নি। আপনি একজনের পক্ষ নিয়ে নিন দেখবেন ভাল % এই বাহবা পাবেন কিন্তু আপনি নির্মম সত্য বলুন আপনি সবার শত্রু হয়ে যাবেন। আজ কেউ একটা সমস্যার সমাধানের জন্য রামপাল করছে সবাই (অনেকেই…) বাধা দিচ্ছে অথচ এই হারে মানুষ বৃদ্ধি যখন দেশের না গোটা বিশ্বের মানবতাকে বিপন্ন করছে তখন সবাই চুপ। আমার দেখা সবচে বড় সমস্যা জনসংখ্যা সমস্যা নিয়ে কোন বুদ্ধিজীবীই তেমন বড় ধরনের কোন পদক্ষেপ নেন নাই। আজ % মানবতা দখল করে বসে আছে। এমন মানুষ পরিমানেই বেড়েছে মানে নয় আজ দেশের দক্ষ জনগনের অভাব অথচ % বা সংখ্যার অভাব নেই।। কে এদের মুখের অন্য দিবে? সুন্দরবন? জীব বৈচিত্র্য? সবার আগে যদি মানুষ হয়ে থাকে তবে এইসব মেকী দৃশ্যমান কারণে হুমড়ি খেয়ে না পরে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনই দেশের প্রধান হাতিয়ার হতে পারে উন্নয়নের পথে।।

“বন দখলের লড়াই!” বনাম “মানবতা দখলের লড়াই!” এর খেলা মাঠে চলছে কিন্তু মানবতা কোথায়? একটু ভাবুন, আমাদের জীবদ্দশায়ই হয়ত অনেক অনেক মহানাটক মঞ্চস্থ হবে দুনিয়াতে। ইতিমধ্যে কম দেখি নি।।

৪৭ thoughts on ““বন দখলের লড়াই!” বনাম “মানবতা দখলের লড়াই!”

    1. কি হইল ভাই? এমন করেন ক্যান?
      কি হইল ভাই? এমন করেন ক্যান? খারাপ কিছু বললাম?
      একটা গঠমূলক কিছু বলেন।। অনেক ভেবেছেন এইবার মুখ-খুলেন…

  1. সুন্দরবন বাংলাদেশের অন্যতম
    সুন্দরবন বাংলাদেশের অন্যতম গর্ব করার বিষয় ।এইরকম বিশাল একটি ম্যানগ্রোভ বন পৃথিবীর কোথাও নেই।এই বন নিয়ে আমাদের বাঙ্গালীদের গর্ব করার অন্য আরেকটি কারন হল,এই বনের রূপ বৈচিত্র্য ,রয়েল বেঙ্গল টাইগার ।এই রয়েল বেঙ্গল টাইগার শুধুই আমাদের ।কিন্তু আমাদের প্রাণের সুন্দরবন না থাকলে এই প্রানীটাও আমাদের দেশ থেকে বিলুপ্ত পাবে।একবার কোন একটা বইয়ে পড়েছিলাম,সুন্দরবনে এমন কিছু সুন্দর গাছ,পোকা ও প্রানী আছে তা পৃথীবির আর কোথাও নেই।এই সুন্দরবনকে আমাদের রক্ষা করতে হবে।বন দখলের এই ষড়যন্ত্রকে আমাদের হাতে হাত রেখে গুড়িয়ে দিতে হবে।লড়াই করে এতদিন বেঁচেছি ,লড়াই করেই বাঁচতে হবে।লড়াই লড়াই লড়াই চাই,লড়াই করে বাঁচতে চাই।জীবনে দিয়ে হলে ও আমাদের এই প্রানের সুন্দরবনকে রক্ষা করতেই বন।বাংলাদেশের বনকে হারিয়ে যেতে দিব না।আর গঠনমূলক কিছু আমি বলতে পারিনা।তাই দুঃখিত । 🙁 এই লেখাটার জন্য ধন্যবাদ। :ফুল:

    1. আমার আগের সব লিখা পড়লেই বুঝতে
      আমার আগের সব লিখা পড়লেই বুঝতে পারবেন আমি কারও বিশেষ করে সরকারকে কোন কাজ করতে দিতে না চাইলে বা কোন কাজ কীভাবে করতে হবে বলতে চাইলে নিজের একটা পরামর্শ দেই হোক তা ছেলেমানুষীপূর্ণ বা হাস্যকর।। কেননা আমি যখন কারও সমালোচনা করব তখন অতি অবশ্যই তাকে একটা সমাধান দিতে হবে যে এইভাবে কর!! নাকি?

      আমিও চাই সুন্দরবন উজাড় করে এমন কিছু না হোক। কিন্তু যদি এই হারে জনসংখ্যা বাড়ে তবে অদূরভবিষ্যতে সরকার লাগবে না জনগনই ভাসায় দিব এমন জীব বৈচিত্র্য!! তাই মুল কাজটা আগে করা শ্রেয় জ্ঞান করি!! আমাদের এন্ডেমিক প্রাণী অবশ্যই আমাদের সংরক্ষন করতে হবে এর জন্য আগে মুল কারণ বের করে তার প্রতিকারও করতে হবে…

      আমি আন্দোলনকারীদের লংমার্চ না করে একটা সমাধান সহ সরকারকে স্মারকলিপি দিতে অনুরোধ করব।। গণজাগরণ মঞ্চ থেকে আমরা কি করছিলাম? আদালতের রায়ে সংক্ষুব্ধ হয়ে অবস্থান ধর্মঘট করেছি সাথে সাথে জনমত গড়ে তোলার কাজ করেছি এবং সরকারকে করনীয় সম্পর্কে নিজেদের মত স্মারকলিপির মাধ্যমে জানায়ছি।। এইটা হচ্ছে প্রকৃত সমালোচকের কাজ। কারও ভুল নিয়ে তাকে এমন হেনস্থা করাটা হচ্ছে তুমি ভুল করতেই থাক আমরা নিজেদের অখের গুছিয়ে নিই অনেকটা বিএনপি-জামাতের মত আরকি!!

      সংসদে গিয়ে কিছু বলবে না রাস্তায় গাড়ি পোড়াবে!! কতটা দেশপ্রেমিকের মত হবে আমার বুঝে আসে না। আমিও এর সমালোচনা করব আর সেদিন আমি নিজে একটা প্রস্তাব দিব যে এইকাটা এইভাবে করা উচিৎ… রাইয়ান ভাই আপনাকে ধন্যবাদ :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

  2. বক্তব্য স্পষ্ট না। তবে একটা
    বক্তব্য স্পষ্ট না। তবে একটা ভালো কথা লিখেছিস,

    এখনও সময় আছে পারলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনে কঠোরতম আন্দোলন গড়ে তুলুন এবং তাই হবে আধুনিক বাংলাদেশ এবং প্রান-প্রাচুর্যে ভরপুর প্রকৃতি বা জীববৈচিত্র্যের জন্য সবচে ভাল। এইসব লোক দেখানো – চায়ের কাপে ঝড় তোলা ইস্যু নিয়ে কাজ করলে এইসব রক্ষা কখনই হবে না…

    তার জন্য :থাম্বসআপ:

  3. কথিত বিপ্লবীদের কাছে প্রশ্ন,
    কথিত বিপ্লবীদের কাছে প্রশ্ন, রামপাল কি সুন্দরবন ধ্বংশ করে ফেলবে?
    যে বিদ্যুৎ কেন্দ্র পুরো সুন্দরবনকে ধ্বংশ করার ক্ষমতা রাখে সেটা বাংলাদেশে স্থাপন না করে বরং মঙ্গল গ্রহে স্থাপনের দাবী জানান ।

    তারিক ভাইর সাথে একমত ।

      1. রামপালের কয়লার ধোয়া ঢাকায়
        রামপালের কয়লার ধোয়া ঢাকায় বসবাস করলেও যাদের নাকে ঢোকার ভয় থাকে, বিদ্যুতের জন্য আমাদের হাহাকার দেখেও যাদের একতরফা মানবতাবোধ বাড়ে বৈ কমে না, ভারতের নাম শুনলে যাদের চুলকানি শুরু হয়ে যায় তারাই কথিত বিপ্লবী ।নাম বলে বিরোধ বাড়াতে চাই না, আপনা থেকেই বুঝে নিন ।

        1. শহীদ ভাই আমি সুন্দরবনে রামপাল
          শহীদ ভাই আমি সুন্দরবনে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র করার পক্ষে কিছু বলি নাই।।
          আমি বলছি বা বলতে চাচ্ছি আন্দোলনের ধরন দেশপ্রেমিকের মত নই!!
          দেশপ্রেমিকের মত হলে এমন লংমার্চ না করে প্রকৃত বুদ্ধিজীবীর মতই একটা সমাধান বা পরামর্শ সহ সরকারকে স্মারকলিপি দিত আমরা বোধহয় ভুলে যায় নির্বাচিত সরকার কোন দলের নয় দেশের… সরকার ভাল কিছু করার অর্থ গোটা জাতি গর্বিত হওয়া আর খারাপ কিছু করার অর্থ সবাই লজ্জিত হওয়া!!
          আর আমি দেশের সরকারকে কোন ভুল সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে বাধা দিতে চাইলে বা পাল্টাতে বলতে চাইলে আগে একটা সমাধানও দিতে হবে…

    1. শহিদ ভাই, বলতে বাধ্য হচ্ছি
      শহিদ ভাই, বলতে বাধ্য হচ্ছি মাঝে মাঝে এমন শিশুসুলভ মন্তব্য করে ফেলেন না, হাসি পায়। পুরো বন ধ্বংস করা, আর আধমরা করে রাখার মধ্যে কি খুব পার্থক্য আছে? এটা যদি এতো নিরীহ একটা প্রোজেক্টই হবে তাহলে ভারত কেন তাদের নিজেদের অংশে এটা করতে রাজী নয়? তারা তাদের বিশেষজ্ঞদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়েছে, আর আমরা দলীয় স্বার্থে অন্ধভাবে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছি, এটাই ভারতীয়দের সাথে আমাদের একটা বড় পার্থক্য।
      বিশেষজ্ঞদের কথায় পাত্তা দিতে চান না? তাইলে এতো পড়াশুনা করিয়ে বিশেষজ্ঞ পয়দা করার দরকার কি? সব বিষয়ে যখন আমরা সবাইই বিশেষ জ্ঞ্যান রাখি। আসলেই বাঙালির মতো সকল বিষয়ে বিশেষজ্ঞ জ্ঞ্যান বোধ হয় আর কোন জাতির নাই।

      1. আতিক ভাই, যে কোন শিল্প কারখনা
        আতিক ভাই, যে কোন শিল্প কারখনা স্থাপিত হয় মুলত কাঁচামালের সহজলভ্যতা ও পরিবহনের সুবিধার দিকটি বিবেচনা করে ।সেটা ভারত হোক আর চীন হোক । জানামতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি সুন্দরবনের যতেষ্ট দুরে এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শমত পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নিয়ে করা হচ্ছে ।তাছাড়া এমন একটি প্রকল্প যেখানেই করা হোক না কেন পরিবেশের একটু ক্ষতি তো হবেই ।পুরো প্রকল্পের বিরুধীতা না করে কিভাবে কম ক্ষতি করে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্থাপন করা যায় সে দিকটিতে জোর দেয়া উচিৎ নয় কি?

  4. ভাইয়া,
    জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং

    ভাইয়া,
    জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বনরক্ষার বিষয়ে,আপনি সম্পুর্ণ ভিন্ন এবং যৌক্তিক একটি দিক তুলে ধরেছে…
    ধন্যবাদ আপনাকে।
    তবে এখানে আমার প্রশ্ন হলো,
    প্রসঙ্গটা যখন কেবলমাত্র সুন্দরবন রক্ষা বা রামপাল বিদ্যুৎ বিরোধীতাকেন্দ্রিক হয়, তখনতো এই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ~ কেবল একটি যৌক্তিক প্রভাবক মাত্র, ঠিকতো ???
    এই বিষয়ে সেক্ষেত্রে, যৌক্তিক কোন প্রস্তাবনা বা গঠনমুলক নির্দেশনা আছে কিনা ???
    প্রশ্নটা আসলে সবার কাছেই,কেবল আপনার কাছে করার কারণ হলো, আপনি বিষয়টা নিয়ে হয়তো বেশ ভেবেছেন, আপনার ভালো কিছু জানা থাকতে পারে~ এই জন্যই…
    জানালে খুশি হবো।

    “রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তা আছে কি নেই ?
    থাকলে, কিভাবে কোন প্রক্রিয়ায় করলে সব দিক রক্ষা করা যায় ???
    যদি রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন বিপদজনক হয়, তাহলে বিকল্প প্রস্তাব হিসেবে কোন স্থান বা কোন প্রক্রিয়াটা হতে পারে ???”

    1. প্রথমে আপনাকে ধন্যবাদ…
      প্রথমে আপনাকে ধন্যবাদ… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:
      এইবার আমার স্বল্পজ্ঞানে কিছু উত্তর দেয়ার চেষ্টা করিঃ
      ১- অবশ্যই বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন অনিবার্য এখন প্রশ্ন মানব কল্যাণকর সমাধান কি? কোথায় হলে আমাদের বিদ্যুৎ ও পাব আবার সুন্দরবনও বাঁচবে!!
      ২- এইটার খুঁজে আমিও আছি ভাই। তাই সমাধান না পেয়ে তাদের (সরকারের…) পদক্ষেপের সমালোচনা করছি না। আমি কিছুই যদি না বলতে পারি তবে তাদের একটা সমস্যা সমাধানের বাধা দেই কীভাবে? বনতো একদিন উজাড় হবেই এইভাবে জনসংখ্যা বাড়লে…
      ৩- দেখি আমি কখন এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারি।

  5. অনেক দেশের জন্যই জনসংখ্যা
    অনেক দেশের জন্যই জনসংখ্যা আশীর্বাদ হিসেবে পরিগণিত । কিন্তু অল্প আয়তনের ব – দ্বীপে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা বৃদ্ধি আমাদের জন্য ভয়ানক সমস্যা বটে । এবং জনসংখ্যার দ্রুত হ্রাস প্রাইম টাস্ক হিসেবে আমিও দেখি । এ কারণে আপনার লেখার প্রাসঙ্গিকতা স্বীকার করে নিচ্ছি জাস্ট কিন্তু সহযোগে –

    আপনি এবং আপনার মতো অনেকেই বিশেষ করে কট্টর আওয়ামী ভাবাপন্ন সকলেই রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হলে কোন ধরণের জীব বৈচিত্র্য বিনষ্ট হবেনা বলেই মত প্রকাশ করে থাকে । কট্টর হলেই তাদের মত ভুল প্রমাণিত হয়ে যাচ্ছে এমন নিশ্চয়তা কে দিতে পারে ? কিন্তু ব্যাপারটা অন্য জায়গায়, আমরা ঘর পোড়া গরু, সিঁদুরে মেঘ দেখলে তাই ভয় পাই । কেন পাবোনা । আমাকে বলুন পূর্ববর্তী এই দুই সরকার দেশ বিরোধী চুক্তি করার প্রক্রিয়া শুরু করেনি, চুক্তি করেনি ?

    চট্টগ্রাম বন্দরে আমেরিকার ঘাটি স্থাপনের ও আমেরিকার সৈন্য অবস্থানের সুযোগ ও তাদের দায়মুক্তি সম্বলিত চুক্তির প্রক্রিয়া গত হাসিনার সরকার করেনি, এর বিরুদ্ধে তৎকালীন আওয়ামী সমর্থক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন তার নিজ দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় নি ( অবশ্য তিনি মূলত কোন শ্রেণী অবস্থান থেকে বিরুদ্ধাচার করেছেন সেটা প্রশ্ন সাপেক্ষ ) ? দিনাজপুরের ফুলবাড়ি উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের মতো অমানবিক কাজ শুরু করার পায়তারা করা হয়নি ? এর জন্য দিনাজপুরের মানুষ জীবন দেয় নি ? টিপাই মুখ বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে সরকারের সীমাহীন নিস্ক্রিয়তার মধ্যে তেল -গ্যাস রক্ষা কমিটি আন্দোলন করেনি ?

    এ সবই আজ ইতিহাস । বড় করুণ সে ইতিহাস ! তাই, সিঁদুরে মেঘ দেখে আমাদের আতংকিত হওয়াকে হীন স্বার্থ হাসিলের চিন্তা ভাবা উচিৎ নয় । বারবার ক্ষমতাসীনরা সাম্রাজ্যবাদী দালালদের কাছে বিক্রি হয়েছে । দেশের স্বার্থ বিদেশের হাতে তুলে দিতে বিন্দুমাত্র কসুর এরা করেনা । আসলে বলা উচিৎ করতে পারেনা । সাম্রাজ্যবাদের আশীর্বাদ নিয়ে এসে তার বিরুদ্ধে দাঁড়াবার নৈতিক জোর কোথায় পাবে এরা ?

    এখন পর্যন্ত যতটুকু আমি জেনেছি, বুঝতে পেরেছি তাতে আমার অবস্থান তেল- গ্যাস কমিটির পক্ষে । বিপক্ষ মতকে অবশ্যই সাধুবাদ জানাই । লিংকন ভাইকে বিশেষ ভাবে বলতে চাই, কিছু কর্তব্য থাকে আশু পালন করতে হয় । যেমন – কাপ্তাই জল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পূর্বাবস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব না তেমনি সুন্দরবনের ক্ষতি করে সেখানে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করে ফেললে সুন্দরবনের আগের অবস্থা আর ফিরিয়ে আনা যাবেনা । তাই আমাদের বর্তমান কর্তব্য নির্ধারণ করাটা জরুরী । অবশ্যই আপনার প্রস্তাব মাথায় রেখেই বলছি ।

    অনেক লম্বা হয়ে গেল মতামত, এ জন্য দুঃখিত । দুর্বল মেধা, স্বল্প কথায় কিছু বলতে পারিনা । ব্রহ্মপুত্র ভাই আমাকে কয়েকটা টিপস দিতে পারেন ।

    1. ১) ধন্যবাদ…প্রাসঙ্গিকতা
      ১) ধন্যবাদ…প্রাসঙ্গিকতা বুঝার জন্য!! :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:
      ২) “আপনি এবং আপনার মতো অনেকেই বিশেষ করে কট্টর আওয়ামী ভাবাপন্ন সকলেই রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হলে কোন ধরণের জীব বৈচিত্র্য বিনষ্ট হবেনা বলেই মত প্রকাশ করে থাকে ।”– এই কথাটা কোথায় বললাম আমি?
      ৩) “তাই আমাদের বর্তমান কর্তব্য নির্ধারণ করাটা জরুরী”– সেইখেত্রে করনীয় কি?
      –বিএনপি-জামাতের মত সংসদে গিয়ে কিছু বলবে না রাস্তায় গাড়ি পোড়াবে!! কতটা দেশপ্রেমিকের মত হবে আমার বুঝে আসে না। আমিও এর সমালোচনা করব আর সেদিন আমি নিজে একটা প্রস্তাব দিব যে এইকাটা এইভাবে করা উচিৎ… যেহেতু সংসদে যাওয়া সম্ভব নয় সেহেতু এমন বাঘা বাঘা বুদ্ধিজীবীদের একটা ভাল সমাধান সহ সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দেয়াটাই আমার কাছে সমাধানের প্রথম স্টেপ মনে হয়েছে। ইলিয়াসের স্ত্রী এমন কি রমা-দিও দেখা পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর।। তা না করে এইসব আন্দোলন এমন গুণী মানুষদের মানায় না…আমি নিজেও কখনও তা করতাম না কেননা আমি এতটা আত্মসম্মানবোধহীন না!! কাউকে কোন কাজে বাধা দিতে চাইলে আগে ভেবে রাখি কেন বাধা দিচ্ছি আর তার করনীয় কি?
      ” ব্রহ্মপুত্র ভাই আমাকে কয়েকটা টিপস দিতে পারেন ।”– 😀 :হাসি: :রকঅন:

  6. তারিক ভাই, ব্যাপারটা অনেকটা
    তারিক ভাই, ব্যাপারটা অনেকটা ওইরকম হয়ে গেলো। “ভাই তোমরা রাজাকারের বিচার চাও ভালো, আমিও চাই। কিন্তু তোমরা সাগর-রুনী-বিশ্বজিত হত্যার বিচার চাও না ক্যান?” জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ অতি আবশ্যিক একটা বিষয়। ঠিক তেমনি সুন্দরবন রক্ষাও আবশ্যিক। ওরা সুন্দরবন নিয়ে আন্দোলন করছে, আপনি বা আপনারা জনসংখ্যা নিয়ে আন্দোলন করেন। একটাকে আরেকটার মুখোমুখি দাড় করানোর কারন খুঁজে পেলাম না। এর সাথে আওয়ামী সরকার জড়িত এটাই কি আপনার মাথা ব্যাথ্যার কারন?

    1. আমার মাথা ব্যাথার কারণঃ
      আমি

      আমার মাথা ব্যাথার কারণঃ

      আমি আন্দোলনকারীদের লংমার্চ না করে একটা সমাধান সহ সরকারকে স্মারকলিপি দিতে অনুরোধ করব।। গণজাগরণ মঞ্চ থেকে আমরা কি করছিলাম? আদালতের রায়ে সংক্ষুব্ধ হয়ে অবস্থান ধর্মঘট করেছি সাথে সাথে জনমত গড়ে তোলার কাজ করেছি এবং সরকারকে করনীয় সম্পর্কে নিজেদের মত স্মারকলিপির মাধ্যমে জানায়ছি।। এইটা হচ্ছে প্রকৃত সমালোচকের কাজ। কারও ভুল নিয়ে তাকে এমন হেনস্থা করাটা হচ্ছে তুমি ভুল করতেই থাক আমরা নিজেদের আখের গুছিয়ে নিই অনেকটা বিএনপি-জামাতের মত আরকি!!
      সংসদে গিয়ে কিছু বলবে না রাস্তায় গাড়ি পোড়াবে!! কতটা দেশপ্রেমিকের মত হবে আমার বুঝে আসে না। আমিও এর সমালোচনা করব আর সেদিন আমি নিজে একটা প্রস্তাব দিব যে এইকাটা এইভাবে করা উচিৎ…

  7. শহীদ ভাই, ফেসবুকে পাওয়া কিছু
    শহীদ ভাই, ফেসবুকে পাওয়া কিছু তথ্য শেয়ার করছি। লেখাটা সময় নিয়ে পড়তে হবে। কিছু তথ্য উপাত্ত এখানে ব্যাবহার করা হয়েছে যা কেবল পড়েই বুঝতে হবে।
    ভাই, আমাদের সবার কিন্তু একটাই কথা, আওয়ামী লীগ না, বিএনপি না, তুমি না, আমি না, এমনকি ধর্মও না == সবার আগে দেশ। দেশের ভালোটা বোঝার অধিকার সবারই আছে। আমরা ভালোটা জানতে চাই, বুঝতে চাই। প্রয়োজনে সেটার জন্য জীবনও দিতে চাই। সবাইকে নিয়ে শান্তিতে থাকতে চাই। দেশ, বা দেশের মানুষগুলো যদি ভালো না থাকে তাহলে চেতনা দিয়ে কি করবো?

    ১) সুন্দরবনের কাছে রামপাল কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিবেশগত প্রভাব নিরুপন বা ইআইএ বিশ্লেষণ
    ২) রামপাল কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প কেন বাংলাদেশের স্বার্থ বিরোধী???

    1. আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ ।আমি
      আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ ।আমি লিংকের লিখা এবং রামপাল নিয়ে আনু সাহেব সহ বেশ কয়েকজনের বিশ্লেষনধর্মী লিখা পুর্বে পড়েছি ।আমি কখনো সুন্দরবনের ক্ষতি করে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মান হোক সেটা চাইনি এবং এখন ও চাইনা ।আমি বলতে চেয়েছি দুটো কথা, ১।সুন্দরবন রক্ষার আন্দোলন করতে গিয়ে আওয়ামীলীগ ও ভারত বিরোধীতা আসে কেন?এতে কি আন্দোলনের পেছনে ষড়যন্ত্রের আভাস মেলে না?ভারত কি রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মান করতে বাধ্য করেছে?
      ২।পুরো প্রকল্পের বিরুধীতা না করে কোন রকম ক্ষতি ছাড়া কি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মান অসম্ভব?রামপাল ছাড়া বিকল্প কোন স্থানের প্রস্তাব কি দেয়া যায় না?

      ভাইসাব, বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দিয়ে বঙ্গবন্ধুর কবরের উপর কিংবা শেখ হাসিনার বাসায় বাতি জালানোর জন্য নির্মান করা হচ্ছে না, আমাদের মত ভুক্তভোগীদের বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনায় নিয়ে করা হচ্ছে ।আজ যদি আমার মত আপনিও ১কিলোমিটার হেটে গিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থেকে মোবাইল চার্জ করে নিয়ে এসে নেট চালাতেন তবেই বুঝতে পারতেন, সুন্দরবন দরকার নাকি বিদ্যুৎ বেশি দরকার ।আপনাকে আবারো ধন্যবাদ ।

      1. ভাই, মোবাইল চার্জের চেয়ে
        ভাই, মোবাইল চার্জের চেয়ে সুন্দরবন বেশী দরকার।

        তবে আমি আপনার একটি কথার সাথে একমত। বিদ্যুৎ আমাদের লাগবেই।
        পুরো প্রকল্পের বিরুধীতা না করে কোন রকম ক্ষতি ছাড়া কি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মান অসম্ভব?
        ===বিষয়টি খতিয়ে দেখা যেতে পারে।

        রামপাল ছাড়া বিকল্প কোন স্থানের প্রস্তাব কি দেয়া যায় না?

        এটাই সবার প্রানের দাবী। সুন্দরবনের কোন ক্ষতি চাই না, বিদ্যুৎ চাই।

        1. কেউ যখন গরু লেজে জবাই করতে
          কেউ যখন গরু লেজে জবাই করতে চাই তবে আমি বলব আরে পাগল গরু গলা দিয়ে জবাই করতে হয়। কিন্তু আজকের আন্দোলনকারীরা কি বলেছে রামপালে না হলে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কোথায় হবে?
          সুন্দরবন সুন্দর থাক কে না চাই? আবার দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতেও প্রচুর বিদ্যুৎ প্রয়োজন। তাহলে এখন করনীয় কি? তুমি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর আমি আন্দোলন করে বাহাবা কামায়? নাকি?

          এইখানে সকল বাঘা বাঘা বুদ্ধিজীবীদের নাম দেখলাম তারা যদি এতই দেশপ্রেমিক হন তবে একটা বিকল্প ভাল প্রস্তাব সহকারে সমাধান দিক।। নাকি আন্দোলনই সমাধান?

          1. আচ্ছা, একটা কথা বল। বিদ্যুৎ
            আচ্ছা, একটা কথা বল। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি রামপালে হবে এ কথাটা প্রথম কে বা কারা প্রস্তাব করেছে?

          2. এইখানে সকল বাঘা বাঘা

            এইখানে সকল বাঘা বাঘা বুদ্ধিজীবীদের নাম দেখলাম তারা যদি এতই দেশপ্রেমিক হন তবে একটা বিকল্প ভাল প্রস্তাব সহকারে সমাধান দিক।। নাকি আন্দোলনই সমাধান?

            আপনার কি ধারণা আমাদের দেশে ক্ষমতাসীনরা কারও প্রস্তাব গ্রহণ করবে? তাও আবার একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলার পরে? প্রশ্নটা যদি এমন হয় যে, সরকার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার আগে কেন একটা ন্যাশনাল কনভেনশন আহ্বান করলো না? যেহেতু বিষয়টা দলীয় নয়, এখানে জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট রয়েছে, তাই সবার মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যেতো। সরকার, শুধু এই সরকারই নয় দেশের কোন সরকারী এমন কোন নজির স্থাপন করতে পারেনি আজ পর্যন্ত। সরকারগুলো জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে নিজেদের বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্ততে। আর এই কারণেই এমন একটা বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পেরেছে সরকার।

            তেল গ্যাস কমিটির প্রতি আপনার আস্থা না থাকতে পারে, কিন্তু তাঁদের পক্ষ থেকে যে সব ডাটা উপস্থাপন করা হয়েছে তা কিন্তু যথেষ্ট লজিষ্টিক। আর কোন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে রাজনৈতিক কর্মসূচী আসলেই পারে। হতে পারে সেটা হরতাল, ধর্মঘট বা সভা সমাবেশ লং মার্চ। এখানে জাতীয় কমিটি জাতীয় ক্ষয় ক্ষতির কারণ না হয়ে তাঁদের সাধ্যের মধ্যে যা সফল করা সম্ভব তেমন একটা কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। এটা তো হতেই পারে।

            আর একটা বিষয়, আপনি জনসংখ্যা সমস্যাকে এনেছেন। চল্লিশ বছরে দেশের জন সংখ্যা দ্বিগুণের বেশী বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এটা ক্রমবর্ধমানই থাকবে। এটার সাথে হেফাজতের বক্তব্যের কোন সম্পর্ক নাই। গ্রাম পর্যায়েও এখন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কিছুতা হলেও সচেতনতা সৃষ্টি করতে পেরেছে। একমাত্র কট্টর মৌলবাদী ছাড়া গণ হারে সন্তান জন্ম দিয়ে যাওয়া ইদানীং কি খুব বেশী দেখা যায়? ………… সব শেষে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে আমাদের সবুজের সমারোহ কমে আসছে। এটা একদম সঠিক কথা। তাই বলে অলটারনেটিভ ওয়ে থাকার পরেও যদি প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করা হয় তাহলে সেটা গ্রহণ যোগ্য হতে পারেনা। দেশে কি এমন কোন জায়গা ছিল না সীমান্ত এলাকায়? সেখানে না করে সুন্দরবন বেঁছে নেয়া হলো কেন? উত্তরটা আমার মনে হয় সবাইই জানি, আপনিও জানেন। ভারত চেয়েছে তাঁদের সুবিধামতো স্থানে এই প্রজেক্ট হোক, আমরা সেই সুযোগ করে দিয়েছি। …………… ব্যক্তিগতভাবে আমি এই সরকারের সমর্থক। শুধু মুখেই নয়, সরকারের বিভিন্ন ইস্যুতে মাঠ পর্যায়েও আমাকে কাজ করতে হয়। এবং সেটা নিজের ইচ্ছাতেই করি। কোন লাভ ক্ষতির হিসেব করে নয়। বলতে পারেন ভালোবাসা থেকে। হ্যাঁ, ভিন্ন মতের হলেও এই মুহূর্তে এই সরকারকেই আমার কাছে ত্রাণকর্তা মনে হচ্ছে। তাই বলে সরকারের সব বিষয়ে আমি সমর্থন করে যাবো না। তাহলে নিজের কাছেই আজীবন ছোট হয়ে থাকতে হবে। ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য।

      2. সুন্দরবন রক্ষার আন্দোলন করতে

        সুন্দরবন রক্ষার আন্দোলন করতে গিয়ে আওয়ামীলীগ ও ভারত বিরোধীতা আসে কেন?এতে কি আন্দোলনের পেছনে ষড়যন্ত্রের আভাস মেলে না?

        প্রথম কথা হচ্ছে এই মহুর্তে সুন্দরবন রক্ষায় আন্দোলন করতে হলে কার বিরোধীতা করতে হবে? বিএনপি’র বিরোধীতা করতে হবে? ছাগলের মত আম্বাদের কথাবার্তা শুনলে হাসি পায়! আম্বা আর ভারতের বিরুদ্ধে কথা বললে আপনার পাছা চুলকায় কেন? এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে আওয়ামীলীগ আর স্বার্থ রক্ষা হচ্ছে ভারতের। তাহলে কার বিরুদ্ধে বলবে হে আম্বা ছাগল?????

    2. আমাদের সবার কিন্তু একটাই কথা,

      আমাদের সবার কিন্তু একটাই কথা, আওয়ামী লীগ না, বিএনপি না, তুমি না, আমি না, এমনকি ধর্মও না == সবার আগে দেশ।

      একটা ছোট ভুল হচ্ছে রায়ান, আমার কাছে অন্তত সবার আগে মানুষ বড়

  8. তারিক ভাই আপনি হয়ত ভিন্ন
    তারিক ভাই আপনি হয়ত ভিন্ন আঙ্গিকে বিষয় টা দেখাতে ছেয়েছেন। অবশ্যই এটা অগ্রাহ্য করার মত কোন বিষয় না।
    আপনার কাছে না যারা রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে লিখেছেন বা এর বিরুপ প্রভাবের বিষয় টি সামনে এনেছেন তাদের কাছে আমার কিছু জিজ্ঞাস্য ছিল। যে প্রশ্ন গুলোর উত্তর আমি এ পর্যন্ত পায়নি।
    1. রামপাল প্রকল্প বাদ দিলাম তাহলে দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের বিদুত্যায়ন এর উপায় কি?
    কোথায় প্রকল্প করলে সব কিছুর জন্য সুবিধা হয়?
    2. যদি কয়লা বাদ দেই, আর কি কি দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায় বা সাশ্রয় হবে?
    3. বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর উপায় গুলো কি কি হতে পারে?
    আমি শুধু প্রশ্ন করার করার জন্য প্রশ্ন করছি না। জানার জন্যই।

    1. কিরন ভাই সমাধান উনারা দিবেন
      কিরন ভাই সমাধান উনারা দিবেন না। উনারা রাজনীতি করবেন বাহাবা কামাবেন…
      তাই সরকারকে স্মারকলিপি না দিয়ে এইবার গতানুগতিক ধারার নষ্ট রাজনৈতিকদের মত আমাদের এলিট সোসাইটির বুদ্ধিজীবীরাও রাস্তায় গরীবের ভাত মারতে নামবে!!
      ভাল তো ভাল না!! সবই স্বার্থ… আমি আন্দোলনকারীদের এমন উদ্যোগে জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য আন্তরিক কোন দেশপ্রেম বা সবুজের প্রতি নির্জলা ভালবাসা দেখি না!!

      আপনাকে ধন্যবাদ… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: সুন্দর প্রশ্নগুলো স্টিকির লিখায় করুন দয়া করে!!
      আমি ঐদিনই এইসবের সমালোচনা করব যেইদিন সমাধান দিতে পারব…
      তাই আপাতত ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের বিকল্প দেখি না এবং এইটাই বর্তমান প্রাইম টাস্ক মনে হয়েছে আমার…

      1. তিনদিন হল প্রশ্ন করে রেখেছি
        তিনদিন হল প্রশ্ন করে রেখেছি কিন্তু কেউ উত্তর দেয়না। আপনি গিয়ে দেখতে পারেন। তাই বাধ্য হয়ে প্রশ্ন গুলো নিয়ে একটা পোস্টই দিলাম।

  9. পরিবেশবিদ নয়, একজন
    পরিবেশবিদ নয়, একজন রাজনীতিবিদের মত দেশের চেয়ে দল বড় টাইপ মানসিকতা নিয়ে একটা কথা বলিঃ

    ক্ষমতার এই টালমাতাল অবস্থায় লীগের এ ধরনের একটা বিতর্কিত প্রকল্পে না আগানোই ভাল ছিল। এটি একটি বিশাল রাজনৈতিক ভুল। শাহবাগ আন্দোলন দিয়ে লীগের লাভ হবে না ক্ষতি হবে সেটি সরকারের পক্ষে কিন্তু প্রতিমুহূর্তে ভাবা সম্ভব হচ্ছিল না। তাই তারা সময়নুযায়ী সঠিক পদক্ষেপ নিয়ে এ আন্দোলনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে পরপর দুবার ক্ষমতায় রাখার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারেনি। কারন সে আন্দোলন সরকারের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছিল না। কিন্তু এই পরিবেশ নিয়ে ভাবুক শ্রেনীর ফুসে ওঠা কিন্তু লীগ ঠেকাতে পারত। কারন এ মুহুর্তে অবশ্যকরনীয় নয় এরকম একটি প্রকল্প শুরু করে লীগই এই আন্দোলনের জন্ম দিয়েছে।

  10. সৈয়দ গোলাম শহিদ
    সৈয়দ গোলাম শহিদ বলেছেন,
    “।আজ
    যদি আমার মত আপনিও ১কিলোমিটার
    হেটে গিয়ে ঘন্টার পর
    ঘন্টা বসে থেকে মোবাইল চার্জ
    করে নিয়ে এসে নেট চালাতেন তবেই
    বুঝতে পারতেন, সুন্দরবন দরকার নাকি বিদ্যুৎ
    বেশি দরকার ।”

    উত্তর কি দেব বুজতে পারছি না এবং অনেক্ষন হাসলাম কিছু মনে কইরেন না। মাধ্যমিক এর সমাজ বইগুলাতে বনাঞ্চল এর উপকারীতার কথা বলতে গিয়ে বলা থাকে বনের অন্যতম প্রয়োজনীয়তা হল বন ঝড়-বৃষ্টি সাইক্লোন কে বাধা দেয়া। এও বলা থাকে প্রাকৃতিক দূর্যোগ প্রতিরোধে সুন্দরবন এর ভূমিকা ।গতবার সিডরের সময় সুন্দরবন না থাকলে আপ্নার সাধের শহর এর যে কি হাল হত তা হলেই বুজতে পারতেন।।মানুষ ই থাকত না, আবার আধুনিক প্রযুক্তি!

    তারিক ভাই এর সাথে সহমত, জনসংখ্যাই প্রধান সমস্যা কিন্তু এর সমাধান একটি দীর্ঘ মেয়াদী প্রক্রিয়া এবং সময় থাকতে এখনি তৎপর হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু সবার আগে নিজের শহর কে পরবর্তী সিডরে ধ্বংশের হাত থেকে বাচাতে সুন্দরবন কে রক্ষা করতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে তা না হলে পাঁচ বছরের মধ্যেই সাধের বন ধ্বংস হয়ে যাবে।

    1. এমন কিছু অবশ্যই জীব
      এমন কিছু অবশ্যই জীব বৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর তবে “বিশেষজ্ঞদের মতে তা না হলে পাঁচ বছরের মধ্যেই সাধের বন ধ্বংস হয়ে যাবে।” এমন কথা হচ্ছে অতিকথন…
      এতো কিছুর পরও আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে এবং সীমিত সম্পদ এবং অপর্যাপ্ত দক্ষ জনবল নিয়ে বিপুল পরিমাণ মানবকুলকে দুবেলা দুমুঠো খাওয়াইতে হবে…
      আমাদের মত তথাকথিত অনলাইন এক্তিভিস্টদের সমালোচনার ঝড় বয়ে দেয়ার থেকে তাই আমি নতুন নতুন পরামর্শ দিয়ে সরকারকে সাহায্য করতে অনুরোধ করি!!
      কেউ আমাদের পরামর্শ কানে তুলবে না এইটা কোন যুক্তি হতে পারে না কেননা আমাদের এমন সমালোচনাও কেউ কানে তুলে না!! তাহলে আমরা কেন করি? কারণ আমরা কাজ করা থেকে সমালোচনা করতে বেশী পছন্দ করি…
      যা হোক, ভাল থাকবেন… আশাকরি সকল উদ্যোগে পাশে পাব…

  11. বামদের সাথে না মিশতে চাইলে
    বামদের সাথে না মিশতে চাইলে অনলাইনেও আমাদের মত ব্যাস্ত মানুষেরা(?)জনমত গঠন করতে পারে। এমনকি তারিক ভাইয়ের মত বিকল্প সমাধান খুজে বের করে সরকার কে সহযোগীতা করে সুন্দরবন কে রক্ষা করা যেতে পারে। যেভাবেই হোক মোবাইল চার্জ দেয়ার জন্য যেন সাধের বন না হারায়।

    1. সমাধান না হোক, অন্তত সমালোচনা
      সমাধান না হোক, অন্তত সমালোচনা নয়!!
      একটা ভাল পরামর্শ দেয়ার মত কোন বুদ্ধিজীবী থাকলেও দেশটার এমনটি হয় না…
      একটা কথায় মনে পরে এমন ক্ষেত্রে…
      ‘আমাদের…
      … কাজে বড় হবে…’
      ধন্যবাদ… খড়কুটো ভাই…

  12. সহমত পোষন করছি… জনসংখ্যাই
    সহমত পোষন করছি… জনসংখ্যাই আমাদের মূল সমস্যা… তবে শুধু জনসংখ্যা কমালে হবে না। বরং বর্তমান জনসংখ্যাকেও যাতে সঠিকভাবে ব্যাবহার করা যায়, তার ব্যবস্থা করতে হবে। আমার জানামতে, আমাদের ৩৭% যুবক বেকার… এদের সঠিকভাবে ব্যবহার করা গেলে, উন্নতিতে একটা মাইলফলক তৈরি সম্ভব বলে আমি মনে করি…

    1. ক্লান্ত কালবৈশাখীকে
      ক্লান্ত কালবৈশাখীকে স্বাগতম… আপনার গল্প অনেক দিন পড়া হয় না!!
      আশা করি আবার নিয়মিত হবেন!! আর জনসংখ্যা সমস্যা নিয়ে আপনার চিন্তাকে সাধুবাদ…
      আমাদের ৩৭% যুবক/যুবতী হোক কর্মক্ষম হাত কর্মহীন থাকতে দেয়া যাবে না!!
      আগামীতে আমি কিছু প্রস্তাব নিয়ে হাজির হব একটা ধারাবাহিক পোস্টে…

  13. দু’টো সন্তানই মেয়ে হলে
    দু’টো সন্তানই মেয়ে হলে উত্তরাধিকারসূত্র সম্পত্তি অন্য বংশে চলে যাবে।প্রথম আলোর রিপোর্ট অনুযায়ী এ কারণে সরকার ‘দু’টি সন্তানের বেশি নয়,একটি সন্তান হলে ভালো হয়’–নীতি থেকে আস্তে আস্তে সরে এসেছে।
    বাঙ্গুদের আবার জনসংখ্যা নিয়ে টেনশন ছিল কখন!পরিবার পরিকল্পনার কথা অনেকে শুনলেও মেনে চলতে চায় ক’জন!বৃদ্ধির হার আগের চেয়ে কমেছে ঠিক,কিন্তু এখনকার হারে বাড়তে থাকলেও ভবিষ্যতে খবর হয়ে যাবে।এতগুলো জীবন সীমাবদ্ধ মাত্র ছাপান্ন হাজার বর্গমাইলে।

    প্রথম আলোতে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে এবার উচ্চ মাধ্যমিকে ভালো ফলাফল করা এক ছাত্রের খবর পড়লাম।কী কাহিনী তার!চোখে পানি আসে,আবার মুখে হাসিও আসে।অর্থাভাবে সে থাকত কলেজের ছাত্রাবাসে,টাকা খরচ হবে বলে বের হোত না ছাত্রাবাস থেকে।তার বাপের বুকের মারাত্মক অসুখ।ভাইবোন আছে আরো চারটা।এই ছেলে তো জীবনের সোনালি সময় কাটিয়ে দিল অভাবের মধ্যে,খেয়ে না খেয়ে,না ঘুরে-বেড়িয়ে।আবার সে যেহেতু সবার বড়,তাকে অন্য ভাইবোনের আবদারও পূরণ করতে হবে।সে জীবন উপভোগ করবে কখন!হয়ত এই সংগ্রামই তার প্রিয়।এতকিছু ভাবা বা প্রশ্ন করার সময়-সুযোগ তার নেই।

    1. “দু’টো সন্তানই মেয়ে হলে
      “দু’টো সন্তানই মেয়ে হলে উত্তরাধিকারসূত্র সম্পত্তি অন্য বংশে চলে যাবে।”– এই ধারণাটি যে সর্বাংশেই ভুল তা বলার কেউ নেই… আমাদেরকে এখন এমনটি বলতে হবে যে একজন সন্তানের জন্য সরকার শিক্ষা-চিকিৎসা তাবৎ যাবতীয় খরচ দিবে কিন্তু বাকিগুলোর জন্যে কোন খরচ তো দিবেই না বরং উল্টা আবগারি শুল্ক ধার্য করা থাকবে…
      “বাঙ্গুদের”=? বুঝলাম না!! 🙁
      আমাদেরই আগায় আসতে হবে কোন পথ নেই…

      1. ‘বাঙ্গু’ মানে বাঙালি।আমিও
        ‘বাঙ্গু’ মানে বাঙালি।আমিও বাঙালি।কিন্তু মজার বিষয় হোল,এই জাতিটির শ্রেষ্ঠ সন্তানেরাই কিন্তু নিজের জাতির বিরুদ্ধে অনেক কথা লিখেছেন।প্রচণ্ড মোচড় দিতে চেয়েছেন নিজের জাতির ডিএনএ-তে।
        বাঙ্গু শব্দটা প্রথম চোখে পড়ে জামায়াতপরিচালিত সবকিছুকে বর্জন করা নিয়ে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে শপথবিষয়ক একটি পোস্টে।যে বর্জন কবে সফল হবে কেউ বলতে পারে না।
        আমাদেরই এগিয়ে আসতে হবে কোন পথ নেই… এক্ষেত্রে আমরা শাহবাগের কিছু বাঙ্গুর মতো স্ববিরোধী হবো না।

        1. ঐ সব নিমক হারামের দল… আপনি
          ঐ সব নিমক হারামের দল… আপনি তাই বলে তাদের সাথে তাল মিলাবেন?
          আমি বাঙালী… “জয় বাঙলা… জয় বঙ্গবন্ধু“-ই আমাদের স্লোগান!!
          কোন লজ্জা নেই এই উচ্চারণে নেই কোন সংকোচ!!

          1. উঁহু আমি মনে হয় বোঝাতে
            উঁহু আমি মনে হয় বোঝাতে পারিনি।
            বাঙ্গু শব্দটি দিয়েছিলেন শাহবাগের অন্যতম উদ্যোক্তা থাবা বাবা-র কাছেরই একজন মানুষ।থাবা বাবার মৃত্যুর কয়েক মাস পরে তার এক মন্তব্যে পাওয়া শব্দটা আমার পছন্দ হয়েছিল।তিনি নিজেও হতাশ ছিলেন এসব তথাকিথত শপথ দেখে।শাহবাগে সাধারণ অরাজনৈতিক মানুষ মিলিত হয়েছিল নিজেদের প্রাণের দাবিতে,কিন্তু তা শেষ পর্যন্ত দখল করে নেয় রাজনৈতিক দলের কর্মীরা।
            যেখানে ইসলামী ব্যাংকের সৌজন্যে অনুষ্ঠান করা হয়,সেই চ্যানেলেই আবার দেখানো হয় শপথের পক্ষে কথা।সেই চ্যানেলের সাংবাদিক আমাদের আবেগ নিয়ে বড় বড় কথা বলেন।সারাদিন শাহবাগে পড়ে থাকেন।ছুপা জামাতি হায়দার হোসেন শপথ নেন।আব্দুন নূর তুষারও একাত্মতা প্রকাশ করেন।কিন্তু উপস্থাপনা করেন ইসলামী ব্যাংকের অনুষ্ঠানে।
            তাদের স্ববিরোধিতা আমরা জানি।

            রবি ঠাকুর থেকে শুরু করে হুমায়ুন আজাদ পর্যন্ত খুব কঠোর ভাষায় নিজের জাতির আচরণের সমালোচনা করেছেন।
            এখানে প্রসঙ্গটি হোল পরিকল্পিত প্রজননের।পরিবার পরিকল্পনাকর্মীদের অনেক চেষ্টা থাকলেও সাধারণ মানুষের সাড়া সেই পর্যায়ের নয়।পুরুষ যদি স্থায়ীভাবে কোনো পদ্ধতি গ্রহণ করতে যায় তাকে নাজেহাল করা হয়,খাসি বলে ডাকা হয়। আর কর্মে নিয়োজিত নারী তো কম সন্তান গ্রহণে আগ্রহী হবেনই।
            সরকার নয় ২০৫০ সালের ৩০ কোটি মানুষই সুন্দরবনকে ধ্বংস করবে–ভয়ানক সময় অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য।

  14. শিরোনামটি কেন দিলাম? আমি জানি

    শিরোনামটি কেন দিলাম? আমি জানি আমার এই লিখা স্টিকিতে থাকবে না দিনের পর দিন। আমার এই লিখা শেয়ারের সেঞ্চুরিও করবে না। অনেক বাহবাও পাব না। কারণ আমার লিখায় শুধু একজন ব্যক্তির কিছু ব্যক্তিগত ভাবনার প্রকাশ হয়েছে কোন সংগঠনের পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নেয়া হয়নি। আপনি একজনের পক্ষ নিয়ে নিন দেখবেন ভাল % এই বাহবা পাবেন কিন্তু আপনি নির্মম সত্য বলুন আপনি সবার শত্রু হয়ে যাবেন।

    বাকী টুকু নিয়ে কিছু বলার নেই। আমাদের সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। নাইলে আর উপায় নাই :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :bow: :bow:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *