আসুন ইতিহাস শিখি

একদা এক বাঙালি আমাকে প্রশ্ন করিয়াছিলেন, ভাইয়া শাহ আমানত লোকটা কে? আমি ভারি অবাক হইয়া বলিলাম, হঠাৎ এই প্রশ্ন? সে বলিল, চট্টগ্রামের বিমানবন্দরের নাম শাহ আমানত বিমানবন্দর তো, তাই ভাবিলাম শাহ আমানত কোন বিখ্যাত ব্যক্তি কিনা! আমি নিজেও বহুত বড় ধাক্কা খাইলাম। এত বড় শিক্ষিত গাবুর হইলাম কিন্তু শাহ আমানতের নাম শুনিলাম না কখনও, এইটা কি হয়? আমি তাহাকে কোন উত্তর দিতে পারিলাম না। বাঙালি ছেলেটি শেষমেশ বলিল, হয়তবা দেশের জন্য অনেক বড় কিছু করিয়াছেন, আমরা জানি না। আমি কিছুটা লজ্জা পাইয়া বলিয়াছিলাম, সব কিছু জানিয়া তোমাকে বলিব।


একদা এক বাঙালি আমাকে প্রশ্ন করিয়াছিলেন, ভাইয়া শাহ আমানত লোকটা কে? আমি ভারি অবাক হইয়া বলিলাম, হঠাৎ এই প্রশ্ন? সে বলিল, চট্টগ্রামের বিমানবন্দরের নাম শাহ আমানত বিমানবন্দর তো, তাই ভাবিলাম শাহ আমানত কোন বিখ্যাত ব্যক্তি কিনা! আমি নিজেও বহুত বড় ধাক্কা খাইলাম। এত বড় শিক্ষিত গাবুর হইলাম কিন্তু শাহ আমানতের নাম শুনিলাম না কখনও, এইটা কি হয়? আমি তাহাকে কোন উত্তর দিতে পারিলাম না। বাঙালি ছেলেটি শেষমেশ বলিল, হয়তবা দেশের জন্য অনেক বড় কিছু করিয়াছেন, আমরা জানি না। আমি কিছুটা লজ্জা পাইয়া বলিয়াছিলাম, সব কিছু জানিয়া তোমাকে বলিব।

গতকাল বাংলামটর এর সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ দেখতে পেলাম, যে রাস্তাটি মগবাজারের দিকে গিয়েছে, ওই রাস্তার নাম রাশেদ খান মেনন সড়ক। আমি কিছুটা আশ্চর্য হলাম এবং সাথে সাথে শাহ আমানতের নাম মনে পড়ল। বাসায় এসেই গুগলে সার্চ মারলাম। অবশেষে পেলাম শাহ আমানতের নাম। উনি একজন ইসলামিক সূফী সাধক। আমি তন্ন তন্ন করে খুজতে লাগলাম উনি দেশের জন্য কি করেছেন বা জাতির জন্য কি করেছেন। পেলাম না। বিজয়ীর হাশি হাসলাম। ছোট বাঙ্গালির কথা ভুল। উনি দেশের জন্য কিছু করেন নাই। হা হা হা!! একটা রাবণ মার্কা হাশি দিছিলাম!!

প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি, ছাব্বিশে মার্চ, ষোলই ডিসেম্বর আসলেই মিডিয়ার কিছু কিছু সাংবাদিক মাঠে মাঠে ছুটে বেড়ান দেশপ্রেমিক বাঙ্গালীর সন্ধানে। একে ওকে প্রশ্ন করে বেড়ান যে, কবে স্বাধীনতা দিবস? কবে ভাষা দিবস? অ আ ক খ পারেন কিনা? না পারলে কি পারেন? এই সব প্রশ্নের উত্তর যখন তারা দিতে পারে না, তখন আমরা অনেক আনন্দ পাই, হাসতে হাসতে লুটোপুটি খাই।

আমরা জানি না, আমাদের পরবর্তী জেনারেশান কিংবা আমাদের মধ্যেই অনেকেই ইতিহাস বিকৃতির শিকার হচ্ছি। ইতিহাস বিকৃতির মূল কারণ ইতিহাস সঠিক ভাবে ব্যবহার না করা। অনেকেই বলতে পারেন ইতিহাস তো বইএর ভিতর আছেই এবং তা সংরক্ষণের জন্য ইতিহাসবিদরা আছেন। হা তা ঠিক, তবে সব সময় বই থেকে শিক্ষা নেওয়া ঝামেলার ব্যাপার। আমাদের চারপাশের পরিবেশের মধ্যেই আমাদের স্বীয় ইতিহাস কে ফুটিয়ে তুলতে হবে। যুগ থেকে যুগান্তরে এই ইতিহাস ছড়িয়ে যাবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে।

আমাদের নিজের ইতিহাসের প্রতি অজ্ঞতা এই শাহ আমানত অথবা রাশেদ খান মেনন। কি কারণ? আমরা সব সময় কোন কিছুর নাম করণ করি যেমন জাতিয় সম্পদের, নিজেদের পেশীশক্তির পরিচয় বহন করে এমন কিছুর নাম দিয়ে। এই যেমন শাহ আমানতের কথাই ধরি। উনি এই বাংলাদেশের জন্য কোন বাল ফালাইছেন যে তার নামে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করতে হবে? খোঁজ নিলে দেখা যাবে যে উনিও তেতুল বাবার মত আল্লামা ছিলেন। ছোট বাঙ্গালিকে হারাইতে পারছি ভাল কথা কিন্তু মনে একটু দুঃখ পাইছি যে এইরকম অগুরুত্বপূর্ণ লোকজনকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিয়ে নিজের দেশের ইতিহাসকে নিচু করা হইল। ঠিক সত্য রাশেদ খান মেননের বেলায়ও। চীনপন্থি রাজনৈতিক মেনন বাংলাদেশের জন্য কি করেছেন যে তার নামে একটা সড়ক নামকরণ করা লাগলো। এইসব ইতিহাস আমাদের প্রজন্ম শিখছে। অথছ বাঙালি হইতে গেলে যে সাধারণ জ্ঞান লাগে, তাই নাই। বাঙালি বাঙালি কইরা যত চিৎকার করি না কেন মনে রাখবেন মানসিকতা যতক্ষণ বাঙালি না হচ্ছে ততক্ষণ বাঙালি হইতে পারবেন না।

৩৭ thoughts on “আসুন ইতিহাস শিখি

  1. আগে নিজে জ্ঞানের পাঠ নিয়ে
    আগে নিজে জ্ঞানের পাঠ নিয়ে আসুন তারপর বিখ্যাত ব্যাক্তিদের অবদান আর বাঙালীর জ্ঞান নিয়ে আলোচনা করবেন।

    অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্কর ।

    1. গোলাম শহিদ ভাই, আপনাকে এর
      গোলাম শহিদ ভাই, আপনাকে এর আগেও একবার বলা হয়েছিল, হুকুম করবেন না। আমার মতামত একান্তই আমার ব্যক্তিগত বিষয়। আপনি কেবল আপনার মতামত জানাতে পারেন। আপনি সবার পোস্ট এই খুব বাজে ভাবে সমালোচনা করেন। দয়া করে কেবল উপরোক্ত লেখাটি নিয়ে আপনার মতামত জানান। হুকুম করবেন না, আমি কারো হুকুমে চলি না

  2. আপনার ইডিওটিক পোস্টে কোন
    আপনার ইডিওটিক পোস্টে কোন কমেন্ট করবোনা বলে ভেবেছিলা । নাহ পারলাম না । আপনি রাশেদ খান মেনন কে বলছেন কোন বাল ফালাইছে ? আমার সন্দেহ হচ্ছে আপনার আদৌ ওই বস্তু গজিয়েছে কি না !!! আপনি যেভাবে প্রখ্যাত ব্যক্তিত্বদের নিয়ে উদ্ভট কথা বলছেন, আমার সন্দেহ হয় সবশেষে না বলে বসেন শেখ মুজিব তো ৯ মাস বন্দী ছিল , সে কি দেশ স্বাধীন করছে !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! বেশি কথা বললাম না মগজের ব্যবহার করবেন আশা করি ।

    1. প্রথমেই আপনাকে ধন্যবাদ জানাই
      প্রথমেই আপনাকে ধন্যবাদ জানাই আপনার মতামতের জন্য।

      আপনি যদি আমার লেখাটিকে ইডিয়টিক বলেন, তাহলে আমার কোন আপত্তি নাই। কারণ আমি সব সময়ই এই রকম লেখা লেখি।

      রাশেদ খান আসলেই কোন বাল ফালাইছেন আমার তা জানতে ইচ্ছে করে? বাঙালি জাতির তথা বাংলাদেশের জন্য উনি প্রত্যক্ষ কোন ভূমিকা রেখেছেন কিনা তা আমার জানা নাই। আপনি জেনে থাকলে আমাকে জানাবেন।

      বালের প্রসঙ্গ যখন টানলেন, তখন বলি- আপনি যেহেতু আমার বাল আছে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন, তখন আমি বলব, আপনি বাল চিনেন না।

      প্রখ্যাত ব্যক্তি নাকি অখ্যাত ব্যক্তি তা আমি নির্ধারণ করি না, আপনিও করতে পারেন না। পারে আপামর মানুষ।

      শেখ মুজিব বাংলাদেশ স্বাধীন করেন নাই। বাংলা স্বাধীন করেছে এইদেশের আপামর জনসাধারন তথা আবাল বৃদ্ধ বনিতা। শেখ মুজিব আমাদের নেতা ছিলেন। ্তার জন্যই আমরা পেরেছি বাংলাদেশ স্বাধীন করতে। শেখ মুজিব বেঁচে থাকলে নিজেও তা স্বীকার করতেন। হয়তবা!!!

      আমি কিন্তু বেশি কথা বলি। মগজের ব্যবহার কতটুকু করি তা জানি না। তবে বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে এইতা জানি মানুষের প্রতিটি কর্মকাণ্ড মগজ থেকেই সম্পাদিত হয়।

      ধন্যবাদ।

      1. আপনার কমেন্ট পড়ে আপনাকে আল –
        আপনার কমেন্ট পড়ে আপনাকে আল – বাল – ছাল টাইপ মনে হয়নি । মানে মগজে যথেষ্ট ঘিলু সংরক্ষন করেন । তাহলে কোন খেদ বা আক্ষেপ থেকে রাশেদ খান মেননকে ধুয়ে দিতে চাচ্ছেন ? আমি আবারো বলছি একান্তই যদি মেনন সম্পর্কে না জেনে থাকেন তাহলে বলবো একটু গুগল টুগোল সার্চ দেন বা কিছু বই পত্র ‘র স্মরণ নেন । অতঃপর একান্তই যদি ব্যর্থ হন তাহলে আমার সময় ও ধৈর্য আপনার এই পোস্টের পেছনে ইনভেসট করতে আপত্তি নেই । আর ব্লগ ছেড়ে দেওয়া কোন সমাধান নয় ।

  3. শাহ আমানত, শাহ জালালরা
    শাহ আমানত, শাহ জালালরা এসেছিলেন বলেই আজ বাংলাদেশ নামক আলাদা রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবিত হয়েছে। তা নাহলে ভারত থেকে আলাদা হবার কোন কারণ দেখিনা।

    1. মিঃ ব্ল্যাক বোল্ট, আপনাকে
      মিঃ ব্ল্যাক বোল্ট, আপনাকে ধন্যবাদ জানাই আপনার মতামতের জন্য।

      শাহ আমানত, শাহ জালাল রা এসেছেন এইদেশে ধর্ম প্রচার করার জন্য। কোন নতুন দেশ তৈরি করার জন্য নয়। ধর্মের জন্য রাষ্ট্রের প্রয়োজন কিনা আমি জানি না, তবে মানুষের জীবন সুন্দর ভাবে চলার জন্য অবশই রাষ্ট্রের প্রয়োজন। আপনি যদি প্রথম টি মনে করে থাকেন, তাহলে আপনি ধর্মান্ধ। আপনার সাথে তর্ক করতে চাই না।

      আমরা ভারত থেকে আলাদা হই নাই। আমরা আলাদা হয়েছি ব্রিটিশ সাম্রাজ্য থেকে, পরে পাকিস্তান থেকে। আপনার জানায় একটু ভুল থাকতে পারে।

      ধন্যবাদ।

        1. কি কারণ তা আপনিই বলেন? দেখি
          কি কারণ তা আপনিই বলেন? দেখি আপনি কতটুকু জানেন? আরেকটা জিনিস, আমার ভারত পাকিস্তান নিয়ে মাথা ব্যথা নাই। আমার মাথাব্যথা বাংলাদেশ নিয়ে।

          ধন্যবাদ।

  4. গ্রামের দিকে একটা জিনিস
    গ্রামের দিকে একটা জিনিস প্রচলিত আছে। কারো জমি তার হাতছাড়া করাইতে চাও, তাইলে ঐ জমিতে মসজিদ উঠাইয়া দেও। খেইল খতম। আমাদের দুই প্রধান বিমানবন্দরের নামকরণের পেছনেও একই মনতত্ত্ব কাজ করছে। বাকী সব কারন হুদাই শাক দিয়া মাছ ঢাকার চেষ্টা।

    1. আতিক ভাই, আপনার মতামত পেয়েই
      আতিক ভাই, আপনার মতামত পেয়েই সবচেয়ে ভাল লাগলো। ভাই তর্ক করতে ভাল লাগে না। এইবার ইস্টিসন মাস্টার এর কাছে একটা চিঠি লিখুম, তারপর বিদায়। কেউ কথা বুইঝা উত্তর দেয় না।

      ধন্যবাদ।

  5. আমি যা বলার সরাসরি এবং স্পষ্ট
    আমি যা বলার সরাসরি এবং স্পষ্ট বলি ।এতে আপনার আতে ঘা লাগলে আমার করার কিছু নাই ।আপনার মত লক্ষ জন ও সারা জীবন তপস্যা করলে শাহ আমানত কিংবা মেননের সমান হতে পারবে না ।শুধু দেশের জন্য অবদান থাকলে চলে না, দশের জন্যেও থাকতে হয় ।বেগম রোকেয়া, শেরে বাংলা, সুফিয়া কামাল, ইন্নুছ, অর্মত্য সেন, হুমায়ুন আহমেদরাই যার উৎকৃষ্ট উদাহরন ।আশা করি বোধগম্য হয়েছে ।

  6. না, আপনার চলে যাওয়াটাকেও আমি
    না, আপনার চলে যাওয়াটাকেও আমি সমর্থন করছি না ।লিখা নিয়ে সমালোচনা, তর্কাতর্কি, ঝগড়া ঝাটি থাকবেই ।ক্ষেত্র বিশেষে আপনি আমার সমালোচনা করবেন ,আমি আপনারে করবো এবং ইহাই নিয়ম।সমালোচনার উপর ভিত্তি করে অভিমান করে কলম হাত থেকে ফেলবেন না।বরং সমালোচনাকে সহ্য করার ক্ষমতাকে রপ্ত করে, কলমের ব্যবহার আরো বাড়িয়ে আমাদের ভুলগুলো ধরিয়ে দিন।
    আমি বিশ্বাস করি, আমাদের মাঝে মত পার্থক্য থাকতেই পারে কিন্তু নীতি ও আদর্শে আমরা এক ও অভিন্ন ।ধন্যবাদ ।

  7. ভাই আপনি তো সব্বাইরে কোপায়া
    ভাই আপনি তো সব্বাইরে কোপায়া দিলেন। একটা সমাধান তো দিতে পাড়তেন।
    যদি মূল্যায়ন করতে হয় তাহলে সেটা সঠিক যাচাই করেই করতে হবে। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য আমরা পলিটিক্যাল সটানবাজী পেলাম রাষ্ট্র যন্ত্রের কাছে থেকে।

  8. উনি এই বাংলাদেশের জন্য কোন
    উনি এই বাংলাদেশের জন্য কোন বাল ফালাইছেন যে তার নামে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করতে হবে? খোঁজ নিলে দেখা যাবে যে উনিও তেতুল বাবার মত আল্লামা ছিলেন।
    বাসায় এসেই গুগলে সার্চ মারলাম। অবশেষে পেলাম শাহ আমানতের নাম। উনি একজন ইসলামিক সূফী সাধক।

    প্রথম কথা আপনার লেখায় “বাল” শব্দটার প্রয়োগ করে ভালো কাজ করেন নি। বাল ছাল ছাড়াও কিন্তু লেখা যায়। এসব লিখলে খুব হয়তো ভাব নেয়া যায়, কিন্তু তাতে আপনার সম্পর্কেও একটা বাজে ধারনা জন্মে যায়।
    দ্বিতীয় কথা, আপনি গুগলে সার্চ দিয়ে জানতে পারলেন উনি একজন ইসলামিক সূফী সাধক ছিলেন। ব্যাস, আপনার জ্ঞান কিন্তু অতটুকুই। জানেন, তারপর সবাইকে জানান। আমি যদি খুঁজে পাই, আপনাকে জানাবো।

    শুরুতেই সবার প্রতি অশ্রদ্ধা তৈরি করে আপনি বোঝালেন যে আপনি মূলত একজন বেয়াদব, আপনি মানুষকে শ্রদ্ধা করতে শেখেন নি, আপনার জ্ঞান গুগল নির্ভর এবং সেই অল্প জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে আপনি অশালীন মন্তব্য করতে অভ্যস্ত।

  9. ইস্টিশনে আমি এখন আর রেগুলার
    ইস্টিশনে আমি এখন আর রেগুলার আসি না ।ধরতে গেলে সময় ই পাইনা।একবার লগিন করতেই কু ঝিক ঝিক এ আপনার একটা পোস্ট দেখে পড়লাম ।অতঃপর আপনার ব্লগে ঢুকে দেখলাম কেন আপনাকে বেয়াদব বলা হয়েছে।যে আপনাকে বেয়াদব বলছে আমি বলব সে হার্ন্ডেড পারসেন্ট ঠিক করছে।আপনি আসলেই একজন বেয়াদব।

    আপনি কি আসলেই রাশেদ খান মেনন কে চিনেন ?
    আমার মতে না।কমরেড রাশেদ খান মেনন সম্পর্কে একটা ছোট্ট কথা বলি,কিছুদিন আগে আহমদ শফির মতো নরপিশাচ নারীবিদ্বষীদের অপকর্ম তুলে ধরে সম্ভ্রমহানীর বিরুদ্ধে নারী জাগরনের আহবান জানিয়ে নড়াইলে গ্রামে গ্রামে প্রচার আন্দোলন শুরু করেছে বাংলাদেশ নারী মুক্তি সংসদ।আর এ কাজে তাদের সাথী রাশেদ খান মেননের পত্রিকা সাপ্তাহিক নতুন কথা।এই আন্দোলনকে সম্পূর্ন কভারেজ ও করছে কমরেড রাশেদ খান মেনন।
    যখন রাজাকারের শিরোমনি গোলাম আজমের ফাঁসি দেইনি,তখন কিন্তু অধিকাংশ নেতা কর্মীই এই রায় কে মেনে নিয়েছিল।কিন্তু রাশেদ খান মেননই কিন্তু সংসদে দাড়িয়ে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে বলছে।আরো বলা যায়।সে এ জীবনে যা যা করছে তা নিয়ে ৫-৬ টা পোস্ট লিখে ফেলা যায়।এই মানুষটাকে আপনি চিনেন না।তাই আন্দাযে কথা বলবেন না।না চিনে তার সম্পর্কে আন্দাযে কথা বলাটা অন্যায়।

  10. আপনি আমাকে বেয়াদপ বললেন,
    আপনি আমাকে বেয়াদপ বললেন, সমস্যা নাই। আমি আপনাকে পানির দরে মাফ করে দিলাম। কারণ কি জানেন?

    আপনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি আমাকে কোন না কোন তথ্য দিয়ে সাহায্য করলেন। এখন আমাকে দশটা চড় মারলেও আমি মেনে নিব, কারণ আপনি আমাকে সাহায্য করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।

    আর এক টা কথা পান্ডিত্য বেচার সাথে কেউ যদি আমাকে বেয়াদপ বলে, তাদের আমি গণায় ধরি না।

  11. থামেন ভাই, আপনি এক জন
    থামেন ভাই, আপনি এক জন সম্পর্কে জানতে নাই পারেন।আপনি তো আর সবজান্তা না।নাকি নিজেকে তাই মনে করেন?যদি মনে না করে থাকেন,একটা ছোট্ট কথা বলি,ধরুন আপনার বাবা একটা গ্রামে থাকে।সে এই জীবনে ওই গ্রামের জন্য অনেক ভাল কাজ করছে,তাই গ্রামের মানুষ আপনার বাবাকে ভালবেসে তার নামে একটা স্কুল বানাল।সে যেই ভাল কাজগুলা করছে তা আমরা জানিনা,বা গুগোল ও জানেনা।তো একদিন আমি আর আমার বন্ধু ওই স্কুলের সামনে দিয়ে আসার সময় বললাম,এই ব্যাটার নামে স্কুল কেন ?এই বাল ছাল নিশ্চয় ই রাজনীতি করে,আর তার দল এখন ক্ষমতায় তাই এর নামে স্কুল বানায় দিছে।তার সম্পর্কে না জেনে এই কথাটা বলার জন্য সামান্য জ্ঞান যার আছে সে অবশ্যই আমাকে বেয়াদপ বলবে।যে বেয়াদপ বলবে তারে আমি মাফ করি আর না করি তার কিছু আসা যায়না।আমি বেয়াদবি করছি তাই আমি বেয়াদপ।হোপ ব্যাপারটা বুঝতে পারছেন।

    1. আমি আপনাকে বেয়াদপ বলব না।
      আমি আপনাকে বেয়াদপ বলব না। আপনি না জেনে যা ইচ্ছা তাই বলতে পারেন। তবে সত্তিকার জ্ঞান অর্জনের পর আপনি যদি টা স্বীকার করে নেন, তাহলেই আপনি ভাল কাজ করবেন। আমিও ঠিক একই কাজ করেছি। কিন্তু আমার দুর্ভাগ্য যে আমাকে কেউ তথ্য দেওয়ার আগেই বেয়াদপ ডেকে বসল। আমি বারা বার করে বলছি, আমি অনেক কিছুই জানি না, আমাকে জানার সুযোগ দাও, না জানলে তো আমি উলতা পাল্টা মন্তব্য করবই।

      1. , আমি অনেক কিছুই জানি না,

        , আমি অনেক কিছুই জানি না, আমাকে জানার সুযোগ দাও, না জানলে তো আমি উলতা পাল্টা মন্তব্য করবই।

        :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  12. হায় হায়!
    দস্যু বনহুর

    হায় হায়!
    দস্যু বনহুর ভাইয়া,

    আমার কথায় কষ্ট পেয়ে থাকলে দুঃখিত। কিন্তু আপনার লেখা পড়ে আমারও খুব খারাপ লেগেছে, তা না হলে হয়ত এরকম রিঅ্যাকশন হতো না। আপনি যাদের সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন তাদের মধ্যে শাহ আমানত সম্পর্কে এই মুহূর্তে আমার কাছে খুব বেশী তথ্য নেই। থাকলে শেয়ার করতাম। জানার চেষ্টা করছি। আর রাশেদ খান মেনন সম্পর্কে রাহাত ভাই ভালো বলতে পারবেন। একচুয়ালি, শুধু মেনন সাহেব না, কম্যুনিজম সম্পর্কেই আমার জানার আগ্রহ আছে। হয়তো শ্রদ্ধেয় রাহাত ভাই সময় করে এ ব্যাপারে আলোকপাত করতে পারবেন।
    সব কিছু যে ব্লগ পড়েই জানতে হবে এমন কথা নাই। বই টই এর হেল্প নেন।

    আপাকে অনেক কঠিন কথা বলে ফেলেছি। শুরুতেই এভাবে বলা হয়তো ঠিক হয়নি। সরি এগাইন মাই ডিয়ার!
    হাবিজাবি কথাবার্তার ব্যাপারে আমার অ্যালার্জি আছে। এমনিতে আমার নিজেরও মুখ খুব খারাপ, আর বেয়াদবি, বদমাইশির জন্য আমি সবখানে কুখ্যাত। তারপরও এখানে যেহেতু পরিবেশটা ভালো পেয়েছি, সেটা যেন ভালোই থাকে সেই কামনা করি।

    1. বাজে কথা আমিও লেখেছি। কারণ
      বাজে কথা আমিও লেখেছি। কারণ আমি ব্যাপার টা জানতাম না। আমি আমার ভুল স্বীকার করে নিয়েছি। ভাল লাগলো, আপনি ভুল বুঝতে পেরেছেন। বাদ দেই বিষয় টা। আসুন একে অপরকে সহযোগিতা করি।

        1. সফিক ভাইয়ের জন্যঃ
          আমরা অতীত

          :নৃত্য:

          সফিক ভাইয়ের জন্যঃ

          আমরা অতীত কিংবা ভবিষ্যতে বাস করি না। আমরা বাস করি বাড়িওয়ালার বাসায়।

          😀

  13. আপনি না জানলে আগে জেনে নেয়া
    আপনি না জানলে আগে জেনে নেয়া উচিৎ ছিল। কিন্তু প্রথমে না জেনেই ‘বাল ছাল’ বলা ঠিক হয়নি। যাই হোক। দ্যাটস এ্যা হ্যাপি এন্ডিং।

  14. আপনার সাথে দেখছি বালের খুব
    আপনার সাথে দেখছি বালের খুব ভাল সম্পর্ক আছে। প্রথম থেকে শেষ প্যরা পর্যন্ত ভাল কথাই লিখেছেন শেষে এসে আসল পরিচয় ফুটে উঠলো।একটা গল্প আছে না এক কাক ময়ূর সাজার চেষ্টা করে পরে কাকা করে ডাক দিয়ে ধরা পড়ে যায়। অনেক টা তেমনই।
    ইনারা যদি কিছু নাই করে থাকেন আপনি করে দেখান…

  15. এই পোস্টা দেখে সত্যের তলোয়ার
    এই পোস্টা দেখে সত্যের তলোয়ার নিকের আইডির কথাই মনে পড়ছে। খুব সুন্দর প্রথমে ভাল কথা পড়ে গিয়ে উল্টাপাল্টা।
    এখন একটা যোগ সুত্র স্থাপন করলে অনেক টা এমন হবে-
    জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নাম কেন শাহজালাল বিমান বন্দর রাখা হল। যদি করে থাকে জিয়া করেছে শাহজালাল তো করে নাই বাংলাদেশের জন্য!

    দস্যু ভাই হিসাব টা মিলাতে পারছি না। আমাদের তারিক ভাই আর মুকুল ভাই কোথায় তারা বলেছিলেন যে সত্যের তলোয়ারি ফিরে আসলে ধরতে পারবেন। আমার এই দস্যু ভাইয়ের উপর কেমন যেন একটা সন্ধেহ হচ্ছে!!! :ভাবতেছি: :ভাবতেছি:

    1. যতদূর জানি দস্যু বনহুর তলোয়ার
      যতদূর জানি দস্যু বনহুর তলোয়ার ব্যাবহার করত না… অন্তত টাই মনে আছে। সত্যের তলোয়ার আমি নই, এই ব্যাপারে আপনারা সিউর থাকতে পারেন। ধন্যবাদ আপনাকে।

  16. আর যদি কেউ কিছু বলতে চান, বলে
    আর যদি কেউ কিছু বলতে চান, বলে ফেলেন, জলদি। আমি নিজের ভুল স্বীকার করছি। আপনাদের সহযোগিতা একান্ত কাম্য। এখানেই সমাপ্ত। অন্তত আমার কমেন্টের।

  17. রাশেদ খান মেনন
    রাশেদ খান মেনন সম্পর্কে

    ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করতে থাকেন। তিনি বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের নেতা ছিলেন। তিনি চীনপন্থী রাজনীতিতে দীক্ষিত এবং মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ভাবশিষ্য। ষাটের দশকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে সামরিক আইন বিরোধী ও পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার আদায়ের আন্দোলনে তিনি অংশ গ্রহণ করেছেন। ১৯৬২-র শিক্ষা আন্দোলন নেতৃত্ব দিযে তিনি বিখ্যাত হয়ে ওঠেন। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান সংগঠনে তিনি অসামান্য ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি অংশ গ্রহণ করেন। পাকিস্তান আমলে “স্বাধীন পূর্ব বাংলার” কথা বলার জন্য তাঁকে সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়েছিল।[১] ২০০৮ খ্রিস্টাব্দের নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং তাকেঁ শিক্ষা মন্ত্রণালয়-সর্ম্পকতি সংসদীয় স্থায়ী কমটিরি সভাপতি মনোনীত করা হয়। [২] ২০০৮-এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের সঙ্গে যূথবদ্ধ হওয়ার জন্য তিনি সমালোচিত হয়েছেন। ( সূত্র – উইকিপিডিয়া )
    http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%A6_%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%A8

    ‘আমরা অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক
    রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছি’

    রাশেদ খান মেমন, এমপি

    বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে ক’জন নন্দিত রাজনৈতিক তাঁদের মধ্যে কমরেড রাশেদ খান মেনন, এমপি. অন্যতম। দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন এবং শ্রমজীবী মানুষের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। জন্ম ১৮ মে ১৯৪৩ সালে বরিশাল এর বাবুগঞ্জে। সুপ্রসিদ্ধ পারিবারিক পরিম-লের অধিকারী রাশেদ খান মেনন বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন গণ-আন্দোলনে সক্রিয় অবদান রাখেন। ষাটের দশকের তুখোর ছাত্র নেতা হিসেবে তিনি বাষট্টির আইয়ুব বিরোধী সামরিক শাসন ও শিক্ষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে আসেন; ১৯৬৩-৬৪ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এর সহ সভাপতি (ডি পি) ও ৬৪-৬৭ সালে বৈধ পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন। বাষট্টি সালে নিরাপত্তা আইনে প্রথম কারাবন্দী হওয়ার পর ৬৯ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সালে বিভিন্ন মেয়াদে নিরাপত্তা আইন, দেশরক্ষা আইন ও বিভিন্ন মামলায় কারা বরণ করেন। ৬৪ এর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রতিরোধে ছাত্র সমাজের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ এর মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হলে তিনি কার্যত প্রকাশ্যে স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ার কাজ শুরু করেন। পঁচিশে মার্চের কাল রাতের গণহত্যার পর তিনি আর এক মুহূর্ত দেরি না করে ঢাকার অদূরে নরসিংদীর শিবপুরকে কেন্দ্র করে মুক্তিযুদ্ধ সংগঠনের কাজ শুরু করেন এবং পরে ভারতে গিয়ে সকল বামপন্থী সংগঠনকে নিয়ে জাতীয় মুক্তিযুদ্ধ সমন্বয় কমিটি গঠন করে বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি করে প্রবাসী সরকারের প্রতি সমর্থন জানান ও মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন সেক্টরে ও দেশের কেন্দ্র স্থাপন করে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তিনি এরশাদের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনে মূখ্য ভূমিকা পালন করেন। ( সূত্র – http://www.somoyerbibortan.com/archive2.php?archive=2013-04-29&id=953&nid=678&page=8 )

    দস্যু বনহুর,
    আমি কমরেড মেননের দলের কেউ নই । বাম আন্দোলনকে শক্তিশালী না করে আওয়ামীলীগের সাথে ওনার গাঁটছড়া বাঁধাকেও আমি মনে করি ওনার রাজনৈতিক হটকারিতা । কিন্তু তাই বলে ওনার ঐতিহাসিক ভূমিকা কে তো অস্বীকার করতে পারনা । মেনন মূলত বিখ্যাত হয়ে ওঠেন সেই ৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে । আইউবের নির্দেশে শরীফ শিক্ষা কমিশন পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাণিজ্যিকিকরণের মাধ্যমে ধংস করার পায়তারা করেছিলো । তখন এই মেননের নেতৃত্বে দুর্বার ছাত্র আন্দোলন গড়ে ওঠে । এবং ১৭ সেপ্টেম্বর ‘ ৬২ সালে ছাত্র বিক্ষবে পুলিশ গুলিয়ে চালিয়ে হত্যা করে মস্তফা, বাবুল, ওয়াজিউল্লাকে । সেই থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে । শরীফ শিক্ষা কমিশন সম্পর্কে পরে আরও বিস্তারিত আলোচনা করার আশা রইলো ।

  18. শোবিজ জগতের স্টাইল তো ব্লগেও
    শোবিজ জগতের স্টাইল তো ব্লগেও ভাল চলে। স্ক্যান্ডাল ছাড়া মনে কোন কিছুই হিট হয়না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *