আমাদের লক্ষ্য………….. হাতিরঝিল!!!!

আমার সংগ্রহে জনাব মাসুদ মাহমুদ এর রুশ কৌতুকের একটি দারুন বই আছে। বইটির নামটিও বেশ মজার, সোভিয়েত্‌স্কি কৌতুকভ : ১৯১৭-১৯৯১। বর্তমানের বাজারে বইটি পাওয়া যায় না। সেই হিসেবে দূর্লভ। লেনিন হতে শুরু করে ব্রেঝনেভ থেকে গর্বাচভের শাসনামল, রুশ নাগরিকদের জীবন, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তদানিন্তন সোভিয়েত রাশিয়ার দৃষ্টিভঙ্গি, সোভিয়েত অর্থনীতি ও সাধারন মানুষের উপর এর প্রভাব, সোভিয়েত সামরিক বাহিনী ইত্যাদি বিষয় নিয়ে অসাধারণ সব তীর্যক কৌতুক ও রসিকতার সমাহার এই বই। মজার ব্যাপার হচ্ছে এই বইয়ের প্রায় অধিকাংশ কৌতুক আমাদের দেশের অতীত, বর্তমান এমনকি সম্ভাব্য ভবিষ্যতের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সাথে আশ্চর্যজনক ভাবে মিলে যায়। ট্রেনে, বাসে কিংবা মতিঝিলের ফুটপাথে সর্বরোগহরা ঔষধ বিক্রেতার মত “আমি চেলেন্স করিয়া বইলতে পারি” প্রত্যেকটা কৌতুক রাজনীতি সচেতন রসিক সমাজে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হবে।

তবে আজ আমি এই বই নিয়ে কোন আলোচনা করতে বসি নি। সুযোগ হলে অন্য একদিন অনেকগুলো রসিকতা আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। বরং আমি আজ এখানে আলোচনা করতে বসেছি আমাদের, বিশেষত আমরা ঢাকাবাসীদের নতুন লক্ষ্য নিয়ে। হুম্‌, প্রশ্ন উঠতে পারে “তবে কেন এই বই নিয়ে এত ত্যানা প্যাঁচাচ্ছি?” না, ব্যাপার কিছুই না। যে বিষয় অবতারনা করতে যাচ্ছি, সেটা আমি চাচ্ছি ওই বই থেকে একটা কৌতুক ধার করে শুরু করতে, এই আর কি। তো কৌতুকটা শোনানো যাক।

সোভিয়েত রাশিয়ার ওদেসা শহরের ক্যান্টনমেন্টের গোলন্দাজ বিভাগে বিরাট একটি ব্যানার। তাতে লেখা : “আমাদের লক্ষ্য – কমিউনিজম”
(জনাব মাসুদ মাহমুদ সাহেবের ভাষ্য অনুযায়ী ঘটনাটা সত্যি)

এত ব্যাপক আত্নঘাতী শ্লোগান আমি আগে কখনো দেখিনি। বহু বছর আগে কৌতুকখানা পড়ে প্রচুর আনন্দ পেয়েছিলাম, বলা বাহুল্য। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে যখন জ্ঞান-বুদ্ধি বাড়তে থাকলো তখন অত্যন্ত দুঃক্ষের সাথে লক্ষ্য করলাম যে এই রসিকতা আমাদের ক্ষেত্রে আরো করুনভাবে সত্য। আমাদের মত এত আত্নঘাতী জাতি আর বোধ হয় নেই। নির্বিকারে নিজেদের সম্পদের ধ্বংস-যজ্ঞ চালানোতে আমাদের জুড়ি নেই। সেটা ভেঙ্গে-চুড়ে হোক, কিংবা সৌন্দর্যহানী করে হোক। যে কবি বা গীতিকার দেশপ্রেমের কবিতা, গান লিখতে লিখতে প্রান ওষ্টাগত করে ফেলেন, তিনিও গাড়ী বা বাসের জানাল দিয়ে বাদামের খোসাটা, সিগারেটের শেষটা কিংবা গলার ভেতর থেকে সর্ব শক্তি দিয়ে সশব্দে টেনে বের করা কফটা নির্বিকারে বাইরে ছুঁড়ে দেন। হোমড়া-চোমড়া কর্পোরেট Boss থেকে শুরু করে দিন এনে দিন খাওয়া ঠেলাওয়ালা পর্যন্ত আমরা সবাই মোটামুটি এতে প্রজন্ম-প্রজন্মান্তর ধরে অভ্যস্ত। সরকার যেন ল্যাম্পপোস্ট আর ইলেক্ট্রিক পোলগুলো বসিয়েছে কেবলমাত্র নাকের সিন্‌কি আর আঙ্গুলের চুন মোছার জন্য। আর পাতি নেতার পেট ব্যাথার অজুহাতে গাড়ী ভাংচুর তো মনে করেন গায়ের মাছি তাড়ানোর জন্য ব্যাপার। যাকে বলে “ব্যাপাড়স্‌ না বস্‌”। নতুন করে আর কি লিখবো? বিস্তারিত জানতে চাইলে নিজ রুমের ড্রেসিং টেবিলের আয়নার নিজের প্রতিফলন দেখুন।

যদিও বীর বাঙ্গালী হিসেবে আমিও নিজের প্রতিবিম্বের সামনে আসামি, তবুও আজ আমি আমাদের মহান নতুন লক্ষ্য নিয়ে আলোচনার আগে আমাদের এই ঐতিহ্যবাহী গুনাবলীর সমাহারের অন্যতম একটি ধারা নিয়ে শীবের গীত গাইবো। সেটি হচ্ছে পোস্টার কালচার। অতি জনপ্রিয় একটি প্রচারের ধারা হচ্ছে এই পোস্টার কালচার। এই কালচারের সম্ভবত ৯৫% ধারক ও বাহক আমাদের প্রাতঃস্বরণীয় নেতা, বিশেষত উঠতি পাতি নেতাগন। এনারা অত্যন্ত “আদর্শবান”, রীতিমত আদর্শের সৈনিক। একদল হচ্ছেন “বঙ্গবন্ধু” ঘারানার, আরেকদল “শহীদ জিয়া” ঘারানার। এনারা নিজেরা স্বপ্ন দেখার সময় পান না খুব একটা। বরং বলা ভালো নিজস্ব ঘারানার নেতার যুগ-যুগান্ত আগে দেখা স্বপ্ন বাস্তবায়নেই এনারা খুব ব্যস্ত থাকেন। এর সমান্তরালে তারা যেই কাজটি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে করেন সেটা হচ্ছে অভিনন্দন জানানো। কিছু অভিনন্দন আমাদের মত “গুণমুগ্ধ” পাবলিক বা “আম-কাঁঠাল” জনতার উদ্দেশ্যে, আর বাকীটা নিজেদের মধ্যে অভিনন্দন আদান-প্রদান। অমুকভাই তমুক এলাকার যুবলীগ/যুবদলের হাবিজাবি বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় সমুক ভাইয়ের অভিনন্দন। তাও আবার একটা না, কিংবা একটা জায়গায় না। খাড়া হয়ে আছে এমন কিছু হলেই হল। দেয়াল বলেন, খাম্বা বলেন, ব্রিজের রেলিং বলেন, ফ্লাই ওভার বলেন সবখানেই অমুক, তমুক, সমুক ভাইয়ের অগুনতি নূরানী সুরৎ মোবারক সম্বলিত পোস্টার। এসব দেখে আমি পাবলিক অবাক খাই, অবাক খাই, আর অবাক খাই, খাইতেই থাকি। আর নিরালায় বসে আনমনে ভাবি, যেই দেশে রিক্সাওালার পর্যন্ত মোবাইল ফোন আছে সেই দেশে কি সমুক ভাইয়ের কাছে অমুক ভাইয়ের ফোন নম্বর নাই? নিশ্চয়ই নাই। না তো পোস্টার ছাপিয়ে এত কষ্ট আর টাকা পয়সা খরচ করে অভিনন্দন জানায়? এনারা মনে হয় স্ট্যাটিসটিকসেও খুব ভালো। ইনারা জানেন, একসাথে অনেক পোস্টার ছাপালে শুভেচ্ছা জায়গামত পৌঁছানোর সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

আরো আছে সিনেমার এবং কোচিং সেন্টারের পোস্টার। এছাড়া আরো কিছু পাতি পোস্টারও দেখা যায়, যেমন পড়াইতে চাই, বাড়ী ভাড়া, অর্শ/পাইলস নিরাময় (গ্যারান্টি সহকারে!!!) ইত্যাদি ইত্যাদি। এগুলোকে পোস্টার না বলে দেয়ালে সাঁটা লিফলেট বলা ভালো।

আবার অনেক সময় দেখি বিভিন্ন দেশী এবং মাল্টি-ন্যাশনাল কোম্পানীও পোস্টার দিয়ে পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করে। সেক্ষেত্রে মাল্টি-ন্যাশনাল কোম্পানীগুলোর কাছে জানতে ইচ্ছে করে “ভাই আপনার নিজের দেশে কি এভাবে দেয়াল, খাম্বা, ব্রিজের রেলিং সব আগা-গোড়া ঢেকে পণ্য প্রচার করেন, নাকি শুধু বাংলাদেশেই?”

তো এই পোস্টারে ঢাকা শহর মোটামুটি সব ছয়লাব হয়ে আছে (মাশাল্লাহ্)। বনানী ব্রিজ, নির্মানাধীন কুড়িল ফ্লাইওভার, মহাখালী ফ্লাইওভারের পিলার, গাওসিয়া, চাঁদনী চক, এলিফ্যান্ট রোড সহ পুরান এবং নতুন ঢাকার প্রায় সকল বিদ্যুতের পোল, দেয়াল পোস্টারের দখলে। আবার পোস্টারের উপর পোস্টার দিয়ে দখলের লড়াইও চলে। অনেকটা Cannibalistic ব্যাপার-স্যাপার আর কি! কোথায় নেই আমাদের প্রতিভাবান নেতাদের নাদুস-নুদুস নেতাদের খোমা মোবারক ওয়ালা পোস্টার? আওয়ামী লীগ আর বি.এন.পি অফিসের আশেপাশের এলাকার কথা বাদই দিলাম। একদিন টি.ভিতে দেখি খোদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার মাজারের ভেতরের অংশের পুরো শ্বেত পাথরের দেয়াল কোন এক নেতার পোস্টারে ঢাকা! একজন মানুষের কবরও রেহাই পায় নি পোস্টার ওয়ালাদের কবল থেকে। নির্বাচন আসলে এই চর্চা আরো বেগবান হয়ে নতুন মাত্রা পাবে বলে আশা (!!!) রাখি। Self Branding এর এক অদ্ভুত নিদর্শন আমার এই শহর, এই দেশ! কে জানে, আমরা হয়ত মার্কেটিং এর একটা নতুন শাখাই আবিষ্কার করে বসে আছি। তাহলে আমাদের নাগরিক সৌন্দর্যের মূল সূতিকাগার সিটি কর্পোরেশন কি করে? এ প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে আপনাদের সোভিয়েত্‌স্কি কৌতুকভ বইয়ের আরো একটি কৌতুক শুনতে হবে। তাহলে শুরু করি?

নৌ-বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে চেকোশ্লোভাকিয়া। সোভিয়েত উপদেষ্টার কাছে এ ব্যাপারে পরামর্শ চাইতেই তিনি জিজ্ঞেস করলেন :
– নৌ-বাহিনীর আপনাদের প্রয়োজন কি? আপনাদের তো সমুদ্র নেই!
– তাতে কি? আপনাদের দেশে আইন ও বিচার মন্ত্রনালয় কেন আছে, তা নিয়ে আমরা প্রশ্ন তুলেছি কখনও?

এবার আসি একটা ব্যাতিক্রমী জায়গায়। সেটা হচ্ছে হাতিরঝিল প্রকল্প। এই প্রকল্পের উপর দিয়ে আমাকে প্রতিদিন অফিসে যেতে হয়। নিকেতন হয়ে বাড্ডার পথে। যেতে যেতে গাড়ীর জানালা দিয়ে দেখি আর হতবাক চিত্তে আবিষ্কার করি, এই প্রকল্পটিতে প্রচুর সম্ভাবনা (!!!) থাকা স্বত্বেও কোন পোস্টার লাগানো হয় নি। আশ্চর্যম্‌, কিম আশ্চর্যম্‌! ঘটনা কি গুরু? কোন যাদুবলে ঢাকা শহরের বুকের উপর জ্বলজ্বল করা এই জায়গাটি পোস্টার শিল্পীদের সুনজর এড়িয়ে গেল? লাগালাম খোঁজ। বিভিন্ন জ্ঞানী-গুনীজনের সাথে কথাবার্তা বলে জানা গেল এই প্রকল্পটি এখনো সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে রয়েছে এবং এনাদের শিল্পবোধ বেশ কম বলে বাজারে জোর গুজব রয়েছে। একারনে শৈল্পিক রুচি সম্পন্ন পোস্টার শিল্পীরা এনাদের থেকে গা বাঁচিয়ে চলেন। কি দরকার ঝামেলা করে, বলুন? তবে হ্যাঁ, সুদিন আসবেই। প্রকল্পের কাজ তো একদিন না একদিন শেষ হবেই, আর্মিও ফিরে যাবে ছাউনিতে। তখন আর পায় কে?

এদিকে এই অধম “আম-কাঁঠাল” পাবলিক হাতিরঝিলের মসৃন সর্পিল পিচ ঢালা পথ ধরে প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার পথে মুগ্ধ দুনয়ন জুড়ে দেখি, আর আনমনে খুঁজি কোন পোস্টার লাগানো হয়েছে কিনা। আর মনে মনে ভাবি, আমাদের লক্ষ্য কি হওয়া উচিৎ, এই নয়নাভিরাম হাতিরঝিলকে অচিরেই বাংলাদেশ বানানো, না কি এই সমগ্র বাংলাদেশকে হাতিরঝিলের মত নয়নাভিরাম বানানো?

১৬ thoughts on “আমাদের লক্ষ্য………….. হাতিরঝিল!!!!

  1. চমৎকার… এইরকম চরম রসবোধ
    চমৎকার… এইরকম চরম রসবোধ সম্পন্ন লেখা অনেকদিন পড়িনি। :bow: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. আবারও অনেক ধন্যবাদ আমার লেখা
      আবারও অনেক ধন্যবাদ আমার লেখা সময় নিয়ে পড়ার জন্য| আমাদের দেশের নানা অনিয়ম আর কু-অভ্যেসের মত এই পোস্টার কালচারের উপরও আমি খুব বিরক্ত| তারই ফল এই লেখা| নিজের উপর একধরনের এক্সপেরিমেন্টও করছি| যাই হোক, আপনাদের মন্ত্যবে অনেক প্রেরণা ও সাহস পাই|

  2. চরম একটা বিষয় নিয়ে লিখলেন !

    চরম একটা বিষয় নিয়ে লিখলেন !

    ফার্মগেট এরিয়ায় এখন ডুকলেই তো আসমান দেখা যায় না । এমন কি তিন তোলা বাড়ি ঘর ও না । ব্যানার আর পোস্টার !!

    1. ধন্যবাদ, অনেক ধন্যবাদ| বিষয়টা
      ধন্যবাদ, অনেক ধন্যবাদ| বিষয়টা আসলেই চরম কুরুচিপূর্ণ| সামাজিক সচেতনতা তৈরী করা দরকার বলে মনে করি|

  3. পড়লাম। ভালো লাগলো। কিন্তু
    পড়লাম। ভালো লাগলো। কিন্তু শুধু হাতিরঝিল কেন, ঢাকা বা দেশের যে কোন জায়গাই তো আমরা নষ্ট করে ফেলছি। দেশের আনাচে কানাচে কত প্রত্নতাত্ত্বিক জায়গা বা প্রাকৃতিক স্থানকে আমরা ধ্বংস করে ফেলেছি সেটা আর জানার কোন উপায় নেই। জানি না কি হবে। এসব দেখতে খারাপ লাগে, কিন্তু আমার বা আপনার কিছু কি করার আছে?

    1. হাতিরঝিলকে বেছে নিলাম, যদি
      হাতিরঝিলকে বেছে নিলাম, যদি অন্তত এটাকে বাঁচানো যায়| বাকি সব তো ধংস করা হয়ে গেছে! পড়ার জন্য ধন্যবাদ| আরো খুশি হব যদি অন্যদের মধ্যে এই সচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টাটা ছরিয়ে দেন| শুভেচ্ছা রইলো|

  4. অসাধারন ।
    “বীর বাঙ্গালী

    অসাধারন ।

    “বীর বাঙ্গালী হিসেবে আমিও নিজের প্রতিবিম্বের সামনে আসামি”

    1. পড়ার জন্য ধন্যবাদ| আসুন সবাই
      পড়ার জন্য ধন্যবাদ| আসুন সবাই মিলে নয়নাভিরাম হাতিরঝিলকে বাঁচানোর চেষ্টা করি| হয়ত এই চেষ্টাই একদিন সারা বাংলাদেশকে সব ক্ষেত্রেই কুরুচি ও কুঅভ্যেস মুক্ত করবে| ইষ্টিশন থেকেই হোক সূচনা!

  5. বদ্দা, লেখাটা দারুণ লেগেছে!
    বদ্দা, লেখাটা দারুণ লেগেছে! এধরনের সাম্প্রতিক বিষয়গুলো নিয়ে আরো লিখবেন আশা করি।

    1. বদ্দা, “আপনি আপনি” গৈত্তে
      বদ্দা, “আপনি আপনি” গৈত্তে লায়গ্গুণ দে কিল্লাই? তোর কি খোন সমৈস্সা ঐইই না? :বুখেআয়বাবুল:

    1. ধন্যবাদ| কিন্তু এর চেয়ে অনেক
      ধন্যবাদ| কিন্তু এর চেয়ে অনেক অনেক বেশি অসাধারণ কিছু আমরা করে ফেলতে পারব যদি সবাই মিলে অন্তত হাতিরঝিলকে কলঙ্কমুক্ত রাখতে পারি| দূর ভবিষ্যতে হয়ত সমগ্র দেশ একদিন সিঙ্গাপুর বানাতে পারব| দরকার শুধু সচেতনতা ছড়িয়ে দেয়া| মনে করুন, আমি শুরু করলাম!

        1. মজার ব্যাপার হচ্ছে আমরা এই
          মজার ব্যাপার হচ্ছে আমরা এই বাঙালীরাই সব কিছু “শেষ করছি” !!!! :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

          1. আমি আশাবাদী ।তাই আশা দেখতে
            আমি আশাবাদী ।তাই আশা দেখতে ভালবাসি।আমি আপনার মত বাঙ্গালীর ওকিন্তু অভাব নেই।দৃষ্টান্তস্বরূপ ৭১।কি বলেন?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *