আপনি কি কোন ইশ্বরে বিশ্বাস করেন না! আপনাকে অভিনন্দন!

আপনি যদি নাস্তিক হয়ে থাকেন তাহলে আপনার প্রতি আমার অভিনন্দন। কারণ আপনি চিন্তা ভাবনা করে নাস্তিক হয়েছেন। আপনি যুক্তি-যুক্ত কথা ছাড়া কোন কিছুতে বিশ্বাস করেন না। আপনি কোন কথা শুনলে এর “সোর্স” বা উৎস সম্পর্কে জানতে চান। যুক্তি চান। আপনি জানতে চাবেন সেই ব্যক্তির যোগ্যতা সম্পর্কে যে এই সমাধান দিয়েছে। তবেই আপনি মেনে নেবেন কথাটি। আপনি জানতে চান যে এই ‘আল-কোরআন’-এর কথাগুলো কে লিখেছে, এই কথাগুলোর সত্যতা কতটুকু।


আপনি যদি নাস্তিক হয়ে থাকেন তাহলে আপনার প্রতি আমার অভিনন্দন। কারণ আপনি চিন্তা ভাবনা করে নাস্তিক হয়েছেন। আপনি যুক্তি-যুক্ত কথা ছাড়া কোন কিছুতে বিশ্বাস করেন না। আপনি কোন কথা শুনলে এর “সোর্স” বা উৎস সম্পর্কে জানতে চান। যুক্তি চান। আপনি জানতে চাবেন সেই ব্যক্তির যোগ্যতা সম্পর্কে যে এই সমাধান দিয়েছে। তবেই আপনি মেনে নেবেন কথাটি। আপনি জানতে চান যে এই ‘আল-কোরআন’-এর কথাগুলো কে লিখেছে, এই কথাগুলোর সত্যতা কতটুকু।

আপনি যদি বলেন যে, “আমি কোন সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করিনা” তাহলে আমি আপনাকে অভিনন্দন জানাব। কারণ আপনি ঠিক পথেই চলছেন। আপনি বিশ্বাস করেন যে, বেশীরভাগ মানুষই অন্ধভাবে তাদের ধর্মে বিশ্বাস করে এবং তারা কখনো যুক্তি খোজে না। তারা তাদের ধর্ম নিয়ে জানে না। বড়রা যা করে তার অনুসরনেই সেই ব্যক্তি ধর্ম পালন করে। সেই ব্যক্তি ইসলাম ধর্ম পালন করে কারণ সেই ব্যক্তির পিতা মুসলিম, কারো হিন্দু বা সনাতন আবার কারো খ্রিস্টান। আপনার নিজেরো একটি ধর্মীয় পরিচয় আছে। কিন্তু আপনি সেই সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করেন না যাকে আপনার আশে পাশের মানুষ এমনকি আপনার পিতা-মাতা উপাসনা করেন। আপনি ‘ইশ্বর’-কে বিশ্বাস করেন না।

এমনটি হলে আপনাকে অভিনন্দন। কারণ আপনি ইসলামীক বিশ্বাসের প্রথম কথা বলে ফেলেছেন। “লা ইলাহা” – কোন ইশ্বর নেই/There is no god. এখন এই কথা শোনার পর অন্য একজন আসল বা পরিপূর্ণ বিশ্বাসী বা প্রকৃত মুসলিমের কাজ হবে হাসিমুখে এই বিশ্বাসের অপর অংশ অর্থাৎ – “ইল্লাল্লাহ্‌” – আল্লাহ্‌ ব্যাতীত! এই অংশ প্রমান করা।

কিন্তু এখনকার অনেক মুসলমানই তা করে না। তারা যা করে সেটা হচ্ছে গালী-গালাজ করা। এই গালী-গালাজ করার ক্ষেত্রেও তাদের জেনে রাখা উচিৎ যে ‘আল-কুরআন’ এ এটি করতে নিষেধ করা হয়েছে। আপনি যদি প্রকৃত মুসলিম হন তাহলে আপনি নিজে থেকে হাসি-মুখে সেই নাস্তিকের সাথে কথা বলুন। তাঁকে প্রমান করূন যে আমাদের আল্লাহ্‌ অবশ্যই আছেন।

আমি কিছু কথা বলতে দ্বিধা করব না। যেমন বছর চারেক আগে আমি নিজেও প্রশ্ন করতাম অনেক আয়াত সম্পর্কে। অনেকেই অনেক কথা বলেছে। শুনেছি। নিজে থেকে জানার চেস্টা করেছি এবং সব ক্ষেত্রেই আমার ভুল বর্তমানে ভেঙ্গেছে। আমি যেমন একজন নাস্তিক বা অবিশ্বাসীর সাথে খারাপ ব্যবহার করি না তেমনি একজন নাস্তিকের উচিৎ অন্য কোন বিশ্বাসীর সাথে ভাল ব্যবহার কথা এবং ঐ বিশ্বাসীর অনুভূতিতে আঘাত না করা। বরং তাঁকে প্রশ্ন করুন সুন্দর করে। সে প্রকৃত মুসলিম হলে আপনাকে অবশ্যই উত্তর দেবে। তার কাছে উত্তর না থাকলে সে বলবে – “এই সম্পর্কে আমার জানা নেই এবং আমি নিজে জেনে আপনাকে/তোমাকে জানাব”। এইটাই কি নিয়ম হওয়া উচিৎ নয়?

অনেকের কাছেই ইসলাম সম্পর্কে অনেক প্রশ্ন আছে। অনেক আয়াত সম্পর্কে প্রশ্ন আছে। আপনারা সেই আয়াত সম্পর্কে, সেই আয়াতের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে জানার চেস্টা করুন। অনেক বিষয়ই পরিষ্কার হয়ে উঠবে।

আমি একজন মুসলিম। আমি হাসিমুখে প্রত্যেক নাস্তিকের সাথে কথা বলি। অনেকে আমার ভাইয়ের মত। সে আমাকে প্রশ্ন করে, সম্ভব হলে উত্তর দেই। আসুন এক বিভেদহীন সমাজ গড়ে তোলার চেস্টা করি। যেখানে কেউ কোন নাস্তিক বা অন্য ধর্মাবলম্বীকে গালী দেবে না। একে অপরের সাথে বিভেদ তৈরি করবে না।

এই লেখাটা সেই সকল মানুষের উদ্দেশ্যে, যারা আন্দাজে চিল্লায়! :ক্ষেপছি:

:খুশি: :খুশি: :খুশি: :খুশি: :খুশি: :খুশি: :খুশি: :খুশি:

৩২ thoughts on “আপনি কি কোন ইশ্বরে বিশ্বাস করেন না! আপনাকে অভিনন্দন!

  1. আপনি ঈশ্বরকে ইশ্বর কেন লিখলেন
    আপনি ঈশ্বরকে ইশ্বর কেন লিখলেন বুঝলাম না। নাস্তিকরা ১০০ যুক্তি দিয়ে দেখাতে পারে যে ঈশ্বর নেই। কিন্তু আস্তিকগুলো ১০০০ গালি দিয়েও বুঝাতে পারেনা যে ঈশ্বর আছে। উল্টো তারা নিজের বংশপরিচয় দিয়ে দেয়।

      1. আমার প্রমান করার প্রশ্ন উঠছে
        আমার প্রমান করার প্রশ্ন উঠছে না। কিন্তু আমার নাস্তিক আস্তিক দুই রকমের বন্ধু আছে। তাদের মাঝে যখন এইসব নিয়ে কথা হয় তখন উপভোগ করি। যুক্তির কাছে হেরে গিয়ে জনাব আস্তিক উদ্দীন তখন গালাগালি করে নিজের বংশপরিচয় দিয়ে দেয়।

        1. আমাদেরকে অন্ধ বিশ্বাস আর
          আমাদেরকে অন্ধ বিশ্বাস আর যুক্তিপূর্ণ বিশ্বাস কে এক করা যাবে না। যেকেউ যুক্তি প্রয়োগ করে বিশ্বাস করলে সেটাকে আবার অন্ধ বিশ্বাস বলা যাবে না। আইন্সটাইনের একটা কথা বলতে চাই-

          Science without Religion is Lame and Religion without Science is Blind

    1. আসলেই ইসলাম কোন সময় আল্লাহু

      আসলেই ইসলাম কোন সময় আল্লাহু আকবর বলে গনহারে জবাই আর জিহাদের কথা বলে আরজেস গ্রেনেড ফাটানোর ধর্ম ছিল না।

      এটা ইসলাম নয়। এটা নস্ট মস্তিস্কের মানুষের কাজ। তারা হিংসা করে। নিজেদের ধর্মের ভূল ব্যাখ্যা করে। একজন উধাহরণ হতে পারে- আবুল আলা মওদুদী!

  2. চমৎকার লিখেছেন আনাম ভাই,
    চমৎকার লিখেছেন আনাম ভাই, :তালিয়া: :তালিয়া: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    আসলেই ইসলাম কোন সময় আল্লাহু আকবর বলে গনহারে জবাই আর জিহাদের কথা বলে আরজেস গ্রেনেড ফাটানোর ধর্ম ছিল না। :মানেকি: :মানেকি: কিছু নিকৃষ্ট নর্দমার কীট আমার রাসুলপাক (সাঃ) প্রচারিত শান্তির ধর্ম ইসলামটাকে আজকে সন্ত্রাসবাদের অপর নামে পরিনত করেছে। :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: আর এই জানোয়ারগুলোকে দেখে আসল ইসলাম সম্পর্কে ভুল ধারনা পেয়ে ইসলামের প্রতি বিশ্বাস হারাচ্ছে মানুষ… পরিনত হচ্ছে ধর্মহীনে… এদের হাত ত্থেকে ধর্মটাকে রক্ষা করতে হবে… প্রতিরোধ করতে হবে যেভাবেই হোক :টাইমশ্যাষ: :জলদিকর: … চালিয়ে যান… :থাম্বসআপ: :ফুল:

  3. ভালো বলছেন।আমি কী বিশ্বাস করি
    ভালো বলছেন।আমি কী বিশ্বাস করি তা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার।তাতে কারো কিছু যায় আসে না।যদি কেউ জ্ঞানান্ধ হয়ে বসে থাকতে চায় চরম সত্যকে মেনে নিতে না চায় তবে কার কী এসে যায়?পৃথিবীর সবাই তো আর আইনস্টাইন,নিউটন,সক্রেটিস, বার্টেন্ড রাসেল হতে পারবে না।তাই কেউ যদি অন্ধ বিশ্বাসে থাকে,বিশ্বাস নিয়ে শান্তিতে থাকে তাহলে কার কী আসে যায়?কিন্তু যত যাই হোক নিজেদের অবস্থানে থেকে নিজেরা শান্তিতে থাকাটাই মূল ব্যাপার।

  4. সুরা কাফিরুন এর আয়াত
    সুরা কাফিরুন এর আয়াত ৬
    “তোমাদের কর্ম ও কর্মফল তোমাদের জন্য এবং আমার কর্ম ও কর্মফল আমার জন্য।”

    কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি, কিছু মানুষ ধর্মকে ব্যাবহার করবেই।

    যারা ধর্মে অবিশ্বাসী এবং ধর্ম নিয়ে বাজে কথা বলে, তারা আর ধর্ম নিয়ে যারা ব্যবসা করে তাদের মধ্যে খুব চমৎকার একটা মিল আছে। দুইটাই তো শয়তানের নাটাই। ওদের কাজই হচ্ছে আমার মত ভোদাইয়ের ধর্ম নিয়ে ছিনিমিনি খেলা। এই দুই শয়তানের কাছ থেকে দূরে থাকতে হবে।

  5. সুন্দর লিখেছেন ।বিশেষ করে এই
    সুন্দর লিখেছেন ।বিশেষ করে এই অংশটির সাথে সম্পুর্ণ সহমত পোষন করছি… [ আসুন এক বিভেদহীন সমাজ গড়ে তোলার চেস্টা করি। যেখানে কেউ কোন নাস্তিক বা অন্য ধর্মাবলম্বীকে গালী দেবে না। একে অপরের সাথে বিভেদ তৈরি করবে না।]

  6. আসলে বাংলাদেশের রাস্তা-ঘাট,
    আসলে বাংলাদেশের রাস্তা-ঘাট, অফিস-আদালত এমনকি ব্লগ পর্যন্ত মৌলবাদীতে ভরে গেছে| আমার দৃষ্টিতে যারা অবিরাম ধর্মের নাম বিক্রি করে (যেমন হেফাজতে ইসলাম কিংবা জামাত) আখের গুছাচ্ছে এবং যারা হেফাজতে ইসলাম কিংবা জামাত এর কর্মকান্ডকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে ইসলামকে তথা ধর্মকে গালি দিচ্ছে, তারা উভয়েই ধান্দাবাজ অথবা মুর্খ মৌলবাদী| নাস্তিকতা একটি দর্শন মাত্র| কেউ যদি ঈশ্বরহীন পৃথিবী কল্পনা করে আনন্দ পায়, তবে সেটা তার ব্যাক্তিগত অভিরুচি| তেমনি ধর্মীয় জীবন যাপন করাও ব্যাক্তিগত অভিরুচি| আমি নাস্তিক, আমি নাস্তিক বলে লাফাতে লাফাতে অন্যকে গালি দেওয়ার যুক্তি কি? “ধর্মকারী” কিংবা এধরনের ওয়েবসাইটগুলো আমি দেখেছি| এগুলো কতটা কুরুচিপূর্ণ সেটা যারা জানেন না তারা পারলে একটু জানার চেষ্টা করবেন| তবে এগুলোতে অংশগ্রহনকারীদের প্রতি বিরূপ মনোভাব কেবল তিক্ততা বাড়াবে| আমার মনে হয় বরং করা উচিত তার উল্টো| ধর্মের পক্ষে তর্ক করতে গেলে আগে ধর্মকে জানতে হবে| উদাহরণ স্বরূপ অনেকে ইসলামের বিরুদ্ধে তর্কের সময় চার বিয়ের কথা, পর্দা, নারী অধিকারে কথা ইত্যাদি বলেন| কিন্তু মেয়ে শিশু হত্যা প্রথা রোধ কিংবা জাকাত কিংবা ধর্ষণের শাস্তি যন্ত্রণা দায়ক মৃত্যু, যৌতুক নেয়ার বদলে উল্টো মেয়েকে দেন-মোহর দেয়া, বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ইত্যাদি যুগান্তকারী বিষয় কিন্তু আলোচনায় আনতে চায় না অনেকে| শেষ কথা, দেশে অনেক সমস্যা আছে ভাই, আপনাদের যার যার আস্তিকতা বা নাস্তিকতার মহাজ্ঞান শিকেয় তুলে এবার একটু দেশের ভালো করার কাজে মন দিন|

    1. সহমত। এই বিভেদ দূর করার ছোট্ট
      সহমত। এই বিভেদ দূর করার ছোট্ট প্রচেস্টা কি দেশের জন্য ভাল কিছু বয়ে আনতে পারবে না? :ভাবতেছি:

  7. বিশ্বাস আর যুক্তি দুটো
    বিশ্বাস আর যুক্তি দুটো সম্পুর্ণ আলাদা বিষয়কে জোড়া লাগিয়ে তৈরী, এই গিট্টু কেনোরে বারে বার ???
    দু’টোকে যারা কেবলি এক জায়গায় এনে আলোচনা করতে বসেন, তাদের সমস্যা আছে… !!!
    আরে ভাই ,
    আপনি যুক্তি ভালো বোঝেন , ভালো কথা । তাই নিয়ে থাকেন না । যদি বিশ্বাসী হতে মনে চায় , আর দশটা পড়ার সাথে এই বিশ্বাসের পড়াও কিছু পড়েন । উত্তর পেতেও পারেন , পেলে ভালো , না পেলে আরো ভালো । আমজনতা কাছে বুঝতে গিয়ে আর তাদের যুক্তির পড়া বোঝাতে গিয়ে গোলমাল পাকানোর কি দরকাররে , ভাই ???
    আমজনতা কোন বিষয়টা বোঝে , তাদের কাছে বুঝতে যান ???
    আর সব বিষয়ে সবাইকে বুঝতে হবে কেনো ???
    যারা বুঝতে চায় না বা বোঝতে চায় না , তাদের সাথে খামোখা ঝামেলায় জড়ানোর মানে আছে ???
    আর আপনি যুক্তি বোঝেন না , বোঝার চেষ্টা করেন । না পারলে , বিশ্বাস নিয়েই থাকেন । যুক্তির তর্কে বসার কি প্রয়োজন , ভাই ???
    বিশ্বাসী মানুষ মাত্রই অন্ধ , এই সমালোচনাটা বাস্তব প্রমানে এত আগ্রহ কেনোরে ভাই ???
    বিশ্বাস মানুষকে শান্তি দিতে পারে , অন্ধবিশ্বাস নয় । তেমনি যুক্তিও কখন কখন তা পারে না ।
    এখানেইতো যুক্তি শেষ হয়ে যায় ।
    এই শান্তি নিয়েই থাকেন না । সবাইকে কেনোইবা বিশ্বাসী হতেই হবে ???
    যার যার ফল কি সে নিজেই ভোগ করবে না ???
    আপনি এসে তো আর ভোগ করে বাচাঁবেন না ,তাই না ???
    দুই পক্ষেরই এই অসহিষ্ণু আচরণ আমাদের ব্যাথিত করে ।
    আমরা শান্তি চাই ।

    1. শান্তি দিক আর না দিক, যুক্তি
      শান্তি দিক আর না দিক, যুক্তি বিহীন বিশ্বাসের কোন মূল্য এই পৃথিবীতে নেই। যুক্তি বিহীন বিশ্বাস ‘অন্ধ বিশ্বাস’ নামে পরিচিত। এখন যুক্তি যত গ্রহণযোগ্য বিশ্বাস ততই দৃঢ়। বিশ্বাস আর যুক্তি দুটো সম্পুর্ণ আলাদা বিষয়কে জোড়া লাগিয়ে তৈরী, হোক আর যাই হোক, এদের একত্রিত না করতে পারলে কোন লাভ আছে কি?

      1. এই প্রশ্নটার উত্তর
        এই প্রশ্নটার উত্তর যুক্তিবাদীদের কাছে ভাল জানতে পারবেন ???
        আমার ভাল জানা নেই ।
        আমি আস্তিক মানুষ , যুক্তিবাদী হওয়ার সামর্থ্য আমার নেই , আগ্রহও নেই ।
        আমার বিশ্বাসী হওয়ার প্রথম কারণ আমি বিশ্বাস করতে চাই । শেষ কারণ , যুক্তি আমাকে শেষপর্যন্ত কিছু দেখাতে পারে না ।
        বিশ্বাসও পারে না, না পারুক ~ পারার দাবীও সে করে না, যা করে তা হলো ভরসা/আশ্বাস দিতে পারার দাবী ।
        মূল্যবোধের উন্নতিতে ধর্মীয় অনুশাসনগুলোর অনেকগুলোই অনেক কার্যকরী ।
        কিন্তু, যখনই তা অনুশাসন না হয়ে অপশাসনে পরিনত হয়ে উঠে, তখন ওই বিশ্বাসের ধোঁয়া তুলেই কিন্তু ধর্মব্যবসায়ীরা অপশাসনের ভিত্তি গড়ে ।
        তাদের কাছে যুক্তির কোন স্থান নেই, সবই হয় অপযুক্তি ।
        আপনার আশেপাশের ধর্মব্যবসায়ীদের দিকে তাকালেই বুঝবেন ।
        তাই খামোখাই এ দুইয়ের মধ্যে মিল দেয়ার চেষ্টা বৃথা ।
        এটা একন্তই আমার ব্যক্তিগত মত ।
        :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট:
        “যুক্তিবিহীন অন্যায় বিশ্বাস,আর বিশ্বাসবিহীন অবান্তর যুক্তি…///
        আর কত…???
        :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

          1. হতে পারে আমি বুঝি নাই…
            না

            হতে পারে আমি বুঝি নাই…
            না বুঝে কোন কষ্ট দিয়ে থাকলে, দুঃখিত…
            তবে, আপনার কথায় দুইপক্ষকে সুন্দর অনুরোধ করে বোঝানোর ডাক আছে,
            আমারটাতে দুইপক্ষকেই দোষারোপ করার অভিযোগ রয়েছে।
            পার্থক্য কেবল প্রকাশভঙ্গিতে…
            আমারটা বেশ বেয়াদবিমার্কা…দুঃখিত…
            কিন্তু, সময়টা এখন মাঝামাঝি থেকে আলোচনাইয় অংশগ্রহনের জন্য সুবিধার নয়…
            এই জন্যইতো হামিদ মীর, হাসনাত আব্দুল হাই’ইয়ের মতন প্রগতিবাদীদেরও মুখোশ খুলে গান গাইতে হচ্ছে, বুঝলেন না ??? :নিষ্পাপ: :নিষ্পাপ: :নিষ্পাপ:

  8. বিভেদহীন সমাজ গড়ে তোলার

    বিভেদহীন সমাজ গড়ে তোলার চেস্টা করি। যেখানে কেউ কোন নাস্তিক বা অন্য ধর্মাবলম্বীকে গালী দেবে না। একে অপরের সাথে বিভেদ তৈরি করবে না।

    সহমত।
    বিশ্বাস ব্যক্তিগত ব্যাপার। যার ইচ্ছে সে বিশ্বাস করবে, যার ইচ্ছে নাই সে করবে না।

  9. বিশ্বাসের খেয়ায় চেপে কেউ কেউ
    বিশ্বাসের খেয়ায় চেপে কেউ কেউ যুক্তির তিরে ভেড়ে, কেউ আবার নিবিড় তমসায় মাঝ দরিয়ায় বিশ্বাস সমেত ডুবে মরে । এমন মরণ কাম্য নয় কারও । বিশ্বাসী একাই মরেনা, সাথে নেয় অবুঝ সহস্র প্রাণ । প্রাণের সপক্ষে যদি হই সংশপ্তক তবে জীবন বাজী রাখলাম পালটে দেবার … ” “ জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’’ ।

    1. আমিও সেটাই মনে করি। আমি যেমন
      আমিও সেটাই মনে করি। আমি যেমন আমার অবিশ্বাসী বন্ধুদের নিয়ে মজায় আছি, আমাদের মাঝে কোন বিভেদ নেই তেমনি সবার হওয়া উচিৎ! আমি মনে করি।

    1. সেটাই…
      পুরাপুরি একমত

      সেটাই… :ভেংচি: :ভেংচি: :ভেংচি:
      পুরাপুরি একমত পোষণ করছি আপনার সাথে… :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল: :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল: :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল:

  10. আসলে আমি বিশ্বাসের কনসেপ্ট টা
    আসলে আমি বিশ্বাসের কনসেপ্ট টা আমার ক্লিয়ার না। বিশ্বাস বলতে আপনি কী বুঝেন? পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে এই কথা একসময় কেউ বিশ্বাস করেনি। কিন্তু আজ এইটা যুক্তি দিয়ে প্রতিষ্ঠিত। তেমনি অনেকে এখনো মনে করে রাতের বেলা সূর্য আল্লাহর আরশের তলায় আশ্রয় নেয়। মনে করতে দোষ নেই। মনে করার উপর জ্ঞানের একটি বিরাট অংশ প্রতিষ্ঠিত যেটা হল গণিত।

    মানুষের জ্ঞান সসীম। তাই সসীম জ্ঞান দিয়ে অসীম কিছু ব্যাখ্যা করাই যুক্তিযুক্ত। তাছাড়া সর্বজ্ঞানী ধারণাটাও বিমূর্ত। কতটুকু জ্ঞান হলে সর্বজ্ঞানী বলা যায়??

    যাই হোক। এসব নিয়ে ভার্চুয়াল ডিসকাশন অযৌক্তিক। আপনার মনোভাব প্রশংসনীয়। মানুষ কে মানুষ বলে বিবেচনা করা উচিত। জাতিগত ভাবে ভারতীয় উপমহাদেশের সবাই আর্য। ধর্মের প্রভাব খুব বেশিদিন ধরে নয়। কিন্তু ইতিহাস ঘাটলেই দেখা যায় সাম্প্রদায়িকতার চরম রূপ। বঙ্গভঙ্গ রদ তার অন্যতম উদাহরণ। তাছাড়া রামু ট্র্যাজেডি তো বর্তমানের ডিকশনারি রূপেই আছে। পথ পথিকের সৃষ্টি করেনা বরং পথিকই পথের সৃষ্টী করে। তেমনি ধর্ম মানুষকে সৃষ্টি করেনি বরং মানুষই ধর্ম সৃষ্টি করেছে। আবার অতিরিক্ত বিশ্বাস অযুক্তির সৃষ্টি করে। অতিভক্তি চোরের লক্ষণ। জামাত শিবির তার সেরা প্রমাণ। তাই আসুন যৌক্তিক বিশ্বাসে আস্থা রেখে মানুষকে মুসলিম হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান না ভেবে মানুষ ভাবি। মানুষের চেয়ে সেরা জীব আপাতত আবিষ্কৃত হয়নি। আপাতত অহংকার করে বলতে পারি ‘লেট দেয়ার বি লাইট।’

    জয় হোক মানবতার।

    1. বিশ্বাস তখনি প্রতিষ্ঠিত হয়
      বিশ্বাস তখনি প্রতিষ্ঠিত হয় যখন সেখানে যুক্তি থাকে। সূর্য পৃথিবীর নয়, পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে, এই কথা যখন যুক্তি দিয়ে প্রমাণিত হল তখন সেটাই মানুষের বিশ্বাসে পরিণত হল। যতদিন পর্যন্ত যুক্তি হীন ভাবে মানুষ বলে এসেছে যে সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে সেটাই অন্ধ বিশ্বাস। আপাতত মানুষ আগে। তাদের বিশ্বাসই তাদেরকে উন্নত এক জাতিতে পরিণত করেছে। বিশ্বাস না থেকে যদি অন্ধ বিশ্বাস থাকত তাহলে হাতে কচু নিয়ে বলতে হল লাউ খাচ্ছি। তাই কোন মানুষের বিশ্বাসে আঘাত করা ঠিক না। একজন বিজ্ঞাণিকে যদি বলে হয় – “তুই বোগাস” তাহলে সেই বিজ্ঞানী যে পরিমাণ কষ্ট পাবে ঠিক তেমনি একজন ধার্মিক মানুষকে যদি বলা হয় – “তোর ধর্ম ভুয়া” তাহলে সেও সেই একই পরিমাণ কস্টই পাবে। তাই যদি কারো কোন জিনিসকে ভূয়া বা নকল বা বোগাস মনে হয় তাহলে তার উচিৎ হবে যুক্তির সাথে তা প্রমান করা।

      1. বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেই কোন
        বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেই কোন কিছুকে সঠিক আর কোন কিছুকে ভুয়া বলে সাফাই গায়, প্রমান ছাড়া কিছু বিশ্বাসে তাদের আপত্তি থাকাটা যৌক্তিক।
        এর সাথে ধার্মিকদের তুলনা করাটা হাস্যকর।
        কারণ, ধার্মিকের শুরুই হলো বিশ্বাস স্থাপন। তার পর না, সেই বিশ্বাসের মূল্য বাঁচাতে যুক্তি সমাবেশের চেষ্টা।
        দুইটা এক ব্যাপার হলো???
        প্রমাণ ছাড়া কোন বিজ্ঞানীকে “বোগাস” বলা নিতান্তই অযৌক্তিক একটা বিষয়।
        আর প্রমান ছাড়া কোন ধার্মিককে “ভুয়া” বলাটা অভদ্রতা, অযৌক্তিক না।
        বিশ্বাসতো আর প্রমাণযোগ্য বিষয় নয় যে সরাসরি প্রমাণ করা যাবে…!!!
        মজার বিষয় হলো, এই সম্মান জ্ঞানটা একতরফা অধার্মিকদের উপর চাপানোর চেষ্টা চলে, এটা অসভ্যতা ছাড়া আর কিছুই না।
        কারণ, প্রায় প্রতিজন ধার্মিক মানুষমাত্রই এই দোষেদুষ্ট একেকজন অভদ্র মানুষ।
        কারণ, প্রতিজন ধার্মিক মানুষ মাত্রই অন্য ধর্মের কঠিন সমালোচক।
        এই সমালোচনাটা কি অভদ্রতা নয়???
        এই অর্থে আমরা যারা ধার্মিকতায় বিশ্বাসী, তারা সবাই অভদ্র নই???
        আমরা সবাই অভদ্ররে ভাই…!!!
        :কেউরেকইসনা: :কেউরেকইসনা: :কেউরেকইসনা:

      2. কিসের ভিতর কী? পান্তা ভাতে
        কিসের ভিতর কী? পান্তা ভাতে ঘী!!
        ধার্মিকের সাথে বিজ্ঞানীর তুলনা?? পুরাতন বাইবেলে বলা ছিল সূর্য পৃথিবীর চারিদিকে ঘুরে। তাই তারা সেইটা বিশ্বাস করছিলো। ধর্ম মানেই অন্ধবিশ্বাস। আল্লাহকে আপনি কী অন্ধভাবে বিশ্বাস করেন না? সিম্পল একটা প্রশ্ন করি। ধর্মের ভিত্তি যুক্তি নাকি বিশ্বাস? আর ধর্মের বিশ্বাস গুলো কী অন্ধবিশ্বাস নয়? আপনি কুরআনের একটি আয়াত অবিশ্বাস করলেই কাফির হয়ে যাবেন।

  11. “যৌক্তিক বিশ্বাসে আস্থা রেখে
    “যৌক্তিক বিশ্বাসে আস্থা রেখে মানুষকে মুসলিম হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান না ভেবে মানুষ ভাবি। মানুষের চেয়ে সেরা জীব আপাতত আবিষ্কৃত হয়নি।
    জয় হোক মানবতার।”
    জটিল বলেছেন, আপু…
    সম্পুর্ণ সহমত পোষণ করছি আপনার সাথে… :ফুল: :ফুল: :ফুল:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *