ইবলিশ…

হেদায়েত সাহেবের স্ত্রী অন্তসত্বা। একারনেই হেদায়েত সাহেব খুব টেনশনে আছেন। কারন ঘরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী অথচ এই সময়ে ব্যবসায়ে বিশাল লোকসান যাচ্ছে, গত তিনমাস ধরেই দোকানে তেমন বেচাকিনা নেই। নামাজ-রোজা না করলেও ইসলামের ভাল নিয়েই সারাদিন ভাবেন তিনি। খবরের কাগজে মিশরের মুরসি সরকারের নাজেহাল অবস্থা দেখে তার হৃদয় পুড়ে অঙ্গার হয়ে যাচ্ছে। ঘরে স্ত্রী অসুস্থ, তাকে ভাল মন্দ খাওয়াতে হয়। এছাড়া স্ত্রী যদি সোজাসাপ্টাভাবে বাচ্চা জন্ম দিতে না পারে তাহলে সিজার করানো লাগতে পারে, সেখানেও টাকার দরকার হবে। আজকালকার বেয়াদব মেয়েলোকদের মধ্যে একদম স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধা নাই, এ পাপের জন্যই তাদের সিজার করিয়ে বাচ্চা বের করতে হয়। এই মহিলামানুষদের প্রতি হেদায়েত সাহেবের বিরক্তির কোন সীমা নেই। এরা শুধুই বিপদ তৈরী করে, তার স্ত্রীও এই সময় অন্তঃসত্ত্বা হয়ে বিশাল বিপদ তৈরী করেছে। বিপদে ধৈর্য ধরার কথা বলা হয়েছে ইসলামে। হেদায়েত সাহেব তিনমাস ধৈর্য ধরেছেন, কিছুদিন ধরে নামাজ রোজাও করছেন, কিন্তু কোন লাভ হচ্ছে না। অবশেষে ভাবলেন সারাজীবন নামাজ না পড়ে এখন কিছুদিন ধরে নামাজ পড়লেই তো আর আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা যাবেনা, তাই আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য খুবই দ্রুত কার্যকরী কিছু করার চেষ্টা করছেন।

মফস্বল এলাকায় ছোটখাট একটা ফার্মেসি আছে হেদায়েত সাহেবের। তার ফার্মেসির ঔষধ খেয়ে এলাকার অনেক মানুষের জীবন বেঁচে গেছে। এছাড়া এলাকার তরুন ছেলেদের কাছে প্রশাসনকে না জানিয়ে তিনি ফেন্সিডিল এবং অন্যান্য নেশা জাতীয় দ্রব্য সরবরাহ করে থাকেন। সেখান থেকে লাভ হয় অনেক বেশি। অবিবাহিত তরুনিদের গর্ভসঞ্চার হয়ে গেলে গর্ভপাত ঘটানোর প্রয়োজন হয়, এই মফস্বলে সে ব্যবস্থা নেই। হেদায়েত সাহেব সে সকল বিপদে পড়া তরুনিদেরকে কাছাকাছি বড় শহরে গিয়ে গর্ভপাত ঘটানোর ব্যপারে সকল পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এই সাহায্যের বিনিময়ে তিনি সেসকল মেয়েদের কাছ থেকে নগদে বেশ কিছু টাকা পান এবং পরবর্তীতেও হালকা ব্ল্যকমেইলিং করে কিছু টাকা পয়সা আদায় করেন। আল্লাহকে খুব দ্রুত সন্তুষ্ট করার জন্য তিনি ফার্মেসিতে এক অভিনব কাজ শুরু করলেন, যারাই জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য বিভিন্ন জিনিস কিনতে ফার্মেসিতে আসেন তাদের সকলকে হেদায়েত সাহেব জন্মনিয়ন্ত্রনের বিরুদ্ধে বলতে থাকেন এবং পন্য তো দেনই না। তিনি খুব সুন্দরভাবে ব্যখ্যা করে বুঝাতে চেষ্টা করেন যে ইসলামে জন্মনিয়ন্ত্রন করা ঠিক না। হেদায়েত সাহেবের এসব ইসলামি দাওয়াত শুনে কারো হেদায়েত তো হলই না বরং কাষ্টমার দিন দিন কমতে লাগল। অবস্থা খারাপ দেখে হেদায়েত সাহেবের দিন-দুনিয়া অন্ধকার হয়ে আসে।

অর্থনৈতিক ক্রমাবনতি দেখে পাগলের মত হয়ে যাওয়া হেদায়েত সাহেব খুবই প্রসিদ্ধ একজন সাধু পুরুষের কাছে গিয়ে বিপদমুক্তির জন্য ফরিয়াদ করেন। সাধু পুরুষ জানান, “তোমার স্ত্রীর গর্ভে থাকা সন্তানটিই তোমাকে এই দুরবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারে, তুমি কি ধরনের সন্তান চাও?” হেদায়েত সাহেব অল্প ভেবে উত্তর দেন, “আমি এমন একটি ছেলে চাই যে হবে ডক্টর ইউনূসের মত অর্থনীতিতে চালু। সে আমার সকল অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধান করবে।” সাধু বলেন, “তুমি যেমনটি চাও তাই হবে।”

কিছুদিন পরেই হেদায়েত সাহেবের ফেন্সিডিলের ব্যবসার ঘটনা একজন স্থানীয় সৎ সাংবাদিক জানতে পেরে তার পত্রিকায় ছেপে দেন। পরে এ নিয়ে অনেক মামলা-মোকদ্দমা হয় এবং অনেকগুলো টাকা নেমে যায়। এই ঘটনার পরে হেদায়েত সাহেব আবার সাধুর কাছে যান এবং বলেন, “হুজুর, দয়া করে আমার ছেলের মধ্যে আরো একটা গুন দেয়ার ব্যবস্থা করেন। সে যেন প্রথম আলোর মতিউর রহমান আর আমার দেশের মাহমুদুর রহমানের মত সাংবাদিকতার গুন পায়, যাতে করে মিথ্যা সাংবাদিকতা দিয়ে এদেশের সব সৎ সাংবাদিকদের খানা-পিনার ব্যবস্থা বন্ধ করে দিতে পারে।” সাধু আবারো বললেন, “তুমি যেমন চাও তাই হবে।”

আবারো কিছুদিন পরে হেদায়েত সাহেব পড়লেন আরেক মহাবিপদে, স্থানীয় ছাত্রলীগের কিছু ছেলেপান এসে তার ফার্মেসী ভেঙে চূড়ে দিয়ে গেছে। রেখা নামের এক মেয়ের গর্ভপাত করানোর পরে তিনি সেকথা জানিয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে অনেকদিন ধরেই টাকা পয়সা নিচ্ছিলেন। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরে স্থানীয় ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী ছেলেরা এসে দোকান ভেঙ্গে দেয়। রেখার কাছ দিয়ে যে পরিমান টাকা আদায় করা হয়েছে সেগুলো তোরা চাইতি, হেদায়েত সাহেব তো দিতে রাজিই হত। অকারনে দোকান ভেঙ্গে লাভটা কি হল! ছাত্রদলের মত চাদা না খেয়ে তোরা সন্ত্রাসী করলি ক্যন! অবশেষে হেদায়েত সাহেব আবারো গেলেন সাধুর কাছে। এবার সে একেবারেই রিক্ত একজন মানুষ, শেষ সম্বল দোকানটাও ভাঙ্গা-চুড়া, অন্যদিকে স্ত্রীর বাচ্চাও ভুমিষ্ট হয় হয় অবস্থা। সাধুকে বললেন, “বাবা, আমাকে শেষবারের মত দয়া করেন। আপনে আমার সন্তানের মধ্যে আরো কিছু গুন দিয়ে দ্যন, সে যেন জিয়াউর রহমানের মত রাজনীতিবিদ হতে পারে। ছাত্রলীগের রগ কাটার জন্য সে যেন ছাত্রশিবিরকে আবার দাড় করানোর ব্যবস্থা করতে পারে। জামাতকে নির্বাচন করার অধিকার সে যেন আবার পুনস্থাপন করতে পারে। সে যেন ধর্মকে বেইচা খাওয়া একজন খাটি মুসলিম হইতে পারে।” সাধু বললেন, “তুমি যেমন চাও তাই হবে। বাসায় গিয়ে দেখ তোমার মনের আশা পুরন হয়ে গেছে। তোমার চাওয়া অনুযায়ী তোমার স্ত্রী একটি সন্তান প্রসব করেছে।”

খুব তরিঘরি করে বাসায় ফিরলেন হেদায়েত সাহেব। বাসার সামনে প্রচুর মানুষের ভিড়, ভিড় ঠেলেঠুলে একটু ভেতরে গিয়ে দেখেন অনেকগুলো চ্যনেলের ক্যমেরা তার স্ত্রীকে ভিডিও করছে। একটি ফুটফুটে শিশু কোলে নিয়ে তার স্ত্রী বসে আছে। শিশুটিকে মোটেই সদ্যজাত সন্তান বলে মনে হচ্ছেনা। তার স্বাস্থ্য দেখলে যে কেউ বলতে বাধ্য হবে যে শিশুটি দেখতে একদম এক বছরের বাচ্চার মতই হৃষ্টপুষ্ট। হঠাৎ তার স্ত্রীর কোল থেকে বাচ্চাটি তার দিকে তাকিয়ে বলে উঠল, “বাবা!” হেদায়েত সাহেবের চোখ তো চড়কগাছ হয়ে গেল! বাবা ডেকেই খান্ত হয়নি বাচ্চাটি, সে উঠে বড় মানুষের মত দাড়াল এবং দৌড়ে তার কাছে আসল। কেন জানি হেদায়েত সাহেবের মনে হল এটিই তার বহু কাঙ্ক্ষিত সন্তান! কিন্তু সদ্য ভুমিষ্ট সন্তানটি হাটে কিভাবে, বাবা ডাকে কিভাবে, একথা ভেবেই হেদায়েত সাহেব মুর্ছা গেলেন। ঘন্টা খানেক পরেই তার মূর্ছা ভাঙ্গল এবং তিনি অনেক কিছু জানতে পারলেন। আসলে সন্তানটি জন্ম হওয়ার পর থেকেই অদ্ভুত সব কান্ড করে যাচ্ছে, সে ভুমিষ্ট হয়েই বড় মানুষের মত মা ডাকা শুরু করেছে। সবার সাথে বড় মানুষের মত সাবলীলভাবে কথা বলা শুরু করেছে। এই খবর জানাজানি হওয়ার পরেই বিভিন্ন গনমাধ্যমের সাংবাদিকদের উপচে পড়া ভিড় শুরু হয় এবং সে ভীড়ের মধ্যেই এসে পৌছান তিনি।

খুব শিঘ্রই এই অদ্ভুত শিশুর গল্প সারা এলাকায় ছড়িয়ে পরে এবং সবাই বাচ্চাটিকে পীর টাইপের কিছু মনে করা শুরু করে। গ্রামের গরিবদুঃখী মানুষগুলো তাদের অনেক কষ্টের উপার্জিত টাকাগুলো বাচ্চাটির পায়ের কাছে ফেলে তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান চাওয়া শুরু করে। হেদায়েত সাহেব বুঝতে পারেন তার ছেলের মধ্যে ডক্টর ইউনুসের অর্থনৈতিক জ্ঞান খুব ভালই কাজ করছে। জন্ম হওয়ার সাথে সাথেই গরিবের রক্ত চুষে খাওয়া শুরু করেছে।

বাচ্চাটির আচরন খুবই অদ্ভুত লাগছে সবার কাছে। বাচ্চার মোটা হোঁৎকা হাতি টাইপ এক খালা এসে তার গালে চুমু দেয়ার চেষ্টা করার সাথে সাথে সে “নাউজুবিল্লাহ, অস্তাগফিরুল্লাহ” বলে গাল সরিয়ে নিল। সে জানাল কোন পরস্ত্রী যেন তাকে চুমু-টুমু না দেয়। এই ঘটনার একদিন পরেই বাচ্চার ২১ বছরের পরীর মত সুন্দরী মামাত বোন পন্থি এসে তার একেবারে মুখে দিল চুমু! সে বেচারির দোষ কি, সে তো জানত না তার এই পিচ্চি ফুফাত ভাই এতটা ইসলামিক মাইন্ডের লোক! কিন্তু কি অবাক কান্ড, বাচ্চাটি চুমুর কোন প্রতিবাদ না করে উল্টা তার দুই হাত দিয়ে শক্ত করে মেয়েটির মাথা তার মুখের সাথে চেপে ধরল। বাচ্চাটির অতটুকু হাতের শক্তির সাথে এতবড় পন্থিও কোনভাবেই পেরে উঠছিল না। প্রায় পাঁচ মিনিট ফ্রেন্স কিস দেয়ার পরে বাচ্চাটি পন্থিকে ছেড়ে দিল। সবাই অবাক হয়ে বাচ্চাকে জিজ্ঞেস করল সে এখন চুমু খেল কেন? বাচ্চাটি জানাল সে নিজে তো নিষ্পাপ পিচ্চি মানুষ, তার পাপ কিসের! আর পন্থি তো নিজের ইচ্ছায় কিছু করেনি তাই তারও কোন পাপ হয়নি, সুতরাং চুমু খেলে সমস্যা কি! এই ঘটনা দেখে হেদায়েত সাহেব খুব ভালভাবেই বুঝতে পারলেন তার ছেলে এতটুকু থাকতেই যেভাবে ধর্মের ব্যখ্যা নিজের মত করে দিয়ে যাচ্ছে তাতে করে একদিন তার সন্তান পৃথিবীর একজন সেরা ধর্মব্যবসায়ী হতে পারবে। মনে মনে তিনি সাধুকে ধন্যবাদ দিলেন।

এতকিছু যে ঘটে যায় এগুলো সব কিন্তু হেদায়েত সাহেব আড়ালে থেকেই দেখে যান, প্রথম দিনের মুর্ছা যাওয়ার ঘটনার পর থেকে তিনি আর এই বাচ্চার সামনে যাননি। আসলে তার মনে একটা অজানা ভয় কাজ করছিল। আর কেউ না জানুক তিনি তো জানেন এই সন্তানের অদ্ভুত সব ক্ষমতার পেছনের কারন আসলে ঠিক কি! তারপরও তিনি মনের সাথে অনেক যুদ্ধ করে ঠিক করলেন সন্তানের সাথে তিনি কথা বলবেন, তাছাড়া সন্তানের নামও তো রাখা দরকার। যেহেতু সন্তান নিজেই সব বোঝে এবং কথা বলতে পারে সুতরাং তার কাছেই জিজ্ঞেস করা উচিৎ সে কি নাম চায়! তার স্ত্রি যখন একদিন গোসল করতে বাথরুমে ঢুকেছে তখন চুপিচুপি তিনি ছেলের কাছে চলে যান। আস্তে করে সন্তানকে জাগিয়ে তুলেন, তারপর সন্তানের খোলা চোখ দুটির দিকে তাকিয়ে অজানা এক শঙ্কা ও অপ্রস্তুতির কারনে আবার রুম থেকে বেরিয়ে যেতে শুরু করেন। তখন সন্তানটি বলে ওঠে, “বাবা, তুমি কি আমার নাম রাখা নিয়ে খুব চিন্তিত?”

হেদায়েত সাহেব শঙ্কিত হয়ে বলেন, “তুমি জানলে কিভাবে যে আমি তোমার নাম নিয়েই চিন্তিত?”

বাচ্চা বলে, “আমাকে জানতে হয় বাবা, বাবার মনের কথা সন্তানের না জানলে চলে?”

হেদায়েত সাহেব বলেন, “আচ্ছা বল, তুমি কি নাম চাও?”

বাচ্চা বলল, “আমার আবার নাম কিসের! আমার তো নাম আছেই।”

হেদায়েত সাহেব অবাক হয়ে বললেন, “নাম আছে!!! কি নাম তোমার?”

বাচ্চাটি বলল, “ইবলিশ…”

হেদায়েত সাহেব বিস্মিত হয়ে বললেন, “কি বলছ তুমি? ইবলিশ নাম হবে কেন তোমার?”

বাচ্চাটি বরফশীতল দৃঢ় কন্ঠে বলল, “হ্য আমিই ইবলিশ, আমি হিংসা, ক্রোধ, সুদ, ঘুষ, মিথ্যা, লোভ, আরো যাবতীয় পাপ; আমিই ইউনুস, মতি, মাহমুদুর, জিয়া, শাফি, সাইদি, হিটলার, মুসোলিনি, ইয়াহিয়া আরো অনেকে। আমিই তোমার প্রার্থনার কাঙ্ক্ষিত সেই সন্তান।”

এ কথা শুনেই হেদায়েত সাহেব তার বহু আকাঙ্ক্ষিত সন্তানের সামনে দ্বিতীয়বার মুর্ছা গেলেন, এবার আর উঠলেন না। হেদায়েত সাহেবকে মৃত্যুর পুর্বমূহুর্তেও আল্লাহ হেদায়েত করেছিলেন কিনা তা জানা যায়নি।

২৮ thoughts on “ইবলিশ…

    1. ধন্যবাদ ভাই। মেসেজটা ক্লিয়ার
      ধন্যবাদ ভাই। মেসেজটা ক্লিয়ার ছিল তো? অনেক ঘুরিয়ে পেচিয়ে ফেলেছি, বক্তব্য অস্পষ্ট হয়ে গেল কিনা তাই ভাবছিলাম।

  1. এক কথায় জাস্ট অসাম হইছে নাজীব
    এক কথায় জাস্ট অসাম হইছে নাজীব ভাই… :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: পুরো গল্পে আপনি খুব চমৎকার করে খুব ক্লিয়ার একটা বার্তা দিতে পেরেছেন… :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: আসলেই ইবলিশ এই জানোয়ারগুলোর সমষ্টি… :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: শেয়ার দিলাম ভাই… আর এরকম আরও গল্পের অপেক্ষায় থাকলাম… :জলদিকর: :জলদিকর: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: একরাশ ধইন্না পাতা লন… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ফুল:

  2. আপনার ভেতরে গল্প বলার সহজাত
    আপনার ভেতরে গল্প বলার সহজাত প্রতিভা আছে । চর্চা চালিয়ে গেলে বহুদূর জাবেন বলেই আমার বিশ্বাস । গল্প ভাল লেগেছে । :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

    1. ধন্যবাদ ভাই। গল্প তো চাইলেই
      ধন্যবাদ ভাই। গল্প তো চাইলেই লেখা যায়, তবে দায়িত্বশীলভাবেই লিখতে চাই। গল্প থেকে ভালো কোন মেসেজ দিতে চাই। ওই মেসেজ দেয়ার জন্যই আমি গল্প লিখি, অনেকে গল্পের মান বাড়ানোর জন্য শিক্ষনীয় একটু মেসেজ দায়সারাভাবে দেয়ার চেষ্টা করে। আমার লেখার মান ভাল হোক আর না হোক তা নিয়ে আমার খুব একটা গর্ব বা আফসোস নেই। তবে একটি ভাল মেসেজ দিতে চাওয়ার ক্ষেত্রে আমি যতটা সৎভাবে লেখার চেষ্টা করি তা নিয়ে একটু অহঙ্কার আছে। ধন্যবাদ গঠনমূলক প্রশংসা করার জন্য।

      1. ” আর্ট ফর ম্যান শেক
        ” আর্ট ফর ম্যান শেক ”
        লেখকের দায়বদ্ধতা থাকবে সমাজের প্রতি – আমি তাই মনে করি । অবশ্য এমন কোন শিল্প আছে কিনা আমার জানা নেই যা মানবিক দাবীর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল ।

  3. “হ্য আমিই ইবলিশ, আমি হিংসা,

    “হ্য আমিই ইবলিশ, আমি হিংসা, ক্রোধ, সুদ, ঘুষ, মিথ্যা, লোভ, আরো যাবতীয় পাপ; আমিই ইউনুস, মতি, মাহমুদুর, জিয়া, শাফি, সাইদি, হিটলার, মুসোলিনি, ইয়াহিয়া আরো অনেকে। আমিই তোমার প্রার্থনার কাঙ্ক্ষিত সেই সন্তান।”

    :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন:
    ফাটিয়ে দিলেন দাদা…………… মারাত্মক…

  4. এক কথায় অসাধারন!! :পার্টি:
    এক কথায় অসাধারন!! :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি:

    1. ওমা!!! আসলেই কি এতটা ভাল
      ওমা!!! আসলেই কি এতটা ভাল হয়েছে। আপনার মন্তব্য দেখে তো নিজের ওপরে আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে যাচ্ছে। লেখার উৎসাহ পাচ্ছি।

  5. ভাই, অসম্ভব ভালো লেগেছে…এক
    ভাই, অসম্ভব ভালো লেগেছে…এক কথায়,অসাধারণ লিখেছেন।
    কঠিন এবং জটিল হইছে। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
    দারুণ…।
    :ফুল: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :ধইন্যাপাতা:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *