সুখদুঃখের ক্যাচাল!!

লোকে বলে ‘দুঃখের পর সুখ আসে’ বা ‘সুখের পর দুঃখ আসে’. অর্থাৎ সুখ-দুঃখ দিন-রাতের মত আবর্তিত হয়। কিন্তূ কথাটি কি আদৌ সত্যি?
না। সুখ-দুঃখ আবর্তিত হয়না, আবর্তিত হয় শুধু অনুভূতি।
অর্থাৎ দুঃখ সইতে সইতে এক সময় যখন দুঃখের মাত্রা কমে আসে তখন সুখানুভূতি হয়। ঠিক তেমনি, সুখে থাকতে থাকতে সামান্য দুঃখেও মনোবেদনা তৈরি হয়।

বেপারটি উচ্চবিত্ত পরিবারেই বেশি দেখা যায়।
আত্মহত্যার প্রবণতা এই শ্রেণীর মাঝেই বেশি পরিলক্ষিত হয়। অথচ মনে করা হয় যে তারাই সুখে আছে।
ভারতীয় টিভি সিরিয়াল গুলোর যতই বিরোধিতা করিনা কেন, এটা অস্বীকার করতে পারিনা যে এমনটি কোটীপতিদের জীবনে হয়না।

লোকে বলে ‘দুঃখের পর সুখ আসে’ বা ‘সুখের পর দুঃখ আসে’. অর্থাৎ সুখ-দুঃখ দিন-রাতের মত আবর্তিত হয়। কিন্তূ কথাটি কি আদৌ সত্যি?
না। সুখ-দুঃখ আবর্তিত হয়না, আবর্তিত হয় শুধু অনুভূতি।
অর্থাৎ দুঃখ সইতে সইতে এক সময় যখন দুঃখের মাত্রা কমে আসে তখন সুখানুভূতি হয়। ঠিক তেমনি, সুখে থাকতে থাকতে সামান্য দুঃখেও মনোবেদনা তৈরি হয়।

বেপারটি উচ্চবিত্ত পরিবারেই বেশি দেখা যায়।
আত্মহত্যার প্রবণতা এই শ্রেণীর মাঝেই বেশি পরিলক্ষিত হয়। অথচ মনে করা হয় যে তারাই সুখে আছে।
ভারতীয় টিভি সিরিয়াল গুলোর যতই বিরোধিতা করিনা কেন, এটা অস্বীকার করতে পারিনা যে এমনটি কোটীপতিদের জীবনে হয়না।
উচ্চাবিলাসি জীবনযাপনের মাজেও তাদের সুখ নেই।
তাই জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মানুষ ধনী হওয়ার চেষ্টায় মত্ত থাকে।
একটি হত দরিদ্রকেও আপনি প্রাণখোলা হাসি হাসতে দেখবেন।

এক রাজার সুখি মানুষ খোজার গল্পটা মনে আছেতো?
তাই বলে আমি বলছিনা যে উচ্চবিত্তরা তুলনামুলক অসুখী।
৫০হাজার টাকা বেতনের চাকরিজীবী বেতন পেয়ে যতটুকু খুশি হয় ঠিক ততটুকু খুশি হয় ৫হাজার টাকা বেতনের চাকুরিজিবি তার বেতন পেয়ে।
দরিদ্রতা আর দুঃখকে সমার্থক মনে করা হয় তাই ধনীদের দুঃখটা প্রমান করতে হলো।
আমরা যখন একাধারে অনেক দিন সুখে থাকি তখন এই সুখটাই অসুখ বলে মনে হয়।

নদীর অপর পাড়ের ঘাস বেশি সবুজ মনে হয়।
ছোটরা বলে, ঈশ যদি আরেকটু বড় হতাম তবে কত্ত স্বাধীনতা পেতাম।
বড়রা ছোটকালের দিন গুলোর স্মৃতি রমান্থন করতে থাকে।
নারি মনে করে, পুরুষ কত আরামেই আছে।
বিয়ের পর থেকে হাত দুটো পা দুটোই থাকে, শুধু পেটের সংখা বাড়ে(অতিত প্রেক্ষাপটে)।

ছোট-বড়, ধনী-দরিদ্র, নারী-পুরুষ সব শ্রেণীর ক্ষেত্রে এর সত্যতা পাওয়া যায়।
অর্থাৎ, এক শ্রেণীর সাথে অন্য শ্রেণীর এক জীবনের সুখ-দুঃখের হার সমানুপাতিক।

১৬ thoughts on “সুখদুঃখের ক্যাচাল!!

  1. অনুভুতিটা এরকম যে, আপনি মাংশ
    অনুভুতিটা এরকম যে, আপনি মাংশ দিয়ে ভাত খেয়েছেন আর আমি খেয়েছি ডাল দিয়ে, অথচ দুজেই খেয়েছি পেট ভরে এবং দুজনেই সমান তৃপ্ত।

    1. হ্যাঁ। যেমন একজন আলুর ভর্তা
      হ্যাঁ। যেমন একজন আলুর ভর্তা দিয়ে প্রতিদিন ভাত খায় আর একজন মাছ দিয়ে। ভর্তার বদলে মাছ দিলে প্রথম জন যত খুশি হবে মাছের বদলে মাংস দিলেও দ্বিতীয় জন তত খুশি হতে পারেনা। সমান খুশি করতে হলে তাকে পলাউ কোর্মা দিতে হবে!!

    2. শহিদ ভাই, আপনার মন্তব্যখান তো
      শহিদ ভাই, আপনার মন্তব্যখান তো বাধায়া রাখা লাগব :খাইছে: :মাথানষ্ট: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: … আহা… :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

  2. ভাল্ কথা বলেছেন। কিন্তু আমার
    ভাল্ কথা বলেছেন। কিন্তু আমার মতে তুলনা মূলক গরিব রা বেশি শুখী কারণ তাদের হারাবার ভয় কম… আর তাদের একটা নিয়েই দুঃখ সেটা ধনী হবার… আর মধ্যবিত্তের সুখ ও দুঃখ উভয়ই বেশি কারণ তারা উচ্চাকাঙ্খী হয় …
    আর ধনীরা তাদের অর্থের মাধ্যমে সুখ কিনার চেষ্টা করে। অপরকে নিচ দেখিয়ে যায় বলে তারা সুখ অনুভতি করে কিন্তু তারা আসল শুখ কখনও খুজে পায় না…

    আসলে সবই মনব মনের খেলারা ভাই। happyness consist in contentment….

    1. আসলে কার কতটা আছে তা নয়, কে
      আসলে কার কতটা আছে তা নয়, কে কতটুকু অভাব বোধ করে সেটাই হচ্ছে সুখ-দুঃখ পরিমাপের একক।
      এক্ষেত্রে প্রতীয়মান হয় যে, আসলে সবাই সমান অসুখি!
      আমার স্বপ্ন একটি মোটর বাইক, অথচ আমার ধনী বন্ধুর স্বপ্ন একটি মার্সিডিজ!
      যার কোন চাওয়া নেই তাকেই একমাত্র সুখি বলা যায়।

  3. মানুষের সামর্থ্য অনুযায়ী
    মানুষের সামর্থ্য অনুযায়ী চাহিদা বাড়ে।
    যেমন ধরা যাক, শৈশবে টাকাও থাকেনা শক্তিও থাকেনা, যৌবনে শক্তি থাকে কিন্তু টাকা থাকেনা, বৃদ্ধকালে টাকা থাকে কিন্তু শক্তি থাকেনা।তারপরও মানুষের জীবনের প্রত্যেক ধাপই সমান গুরুত্বপূর্ণ। কেউ ঘরে দুইটা এসি লাগিয়েও শান্তি পায়না, আর কারো ঘরে দেখা যায় হাত পাখার বাতাস দুনিয়ার সব শান্তি এসে জড়ো করে দেয়। মানুষের শূণ্য হতে জন্ম, মৃত্যুর পরও আবার শূণ্যে ফিরে যাবে। মাঝখানে জীবনের ধারাপাত গুলোই সার্থকতা। শান্তি পৃথিবীর সবকিছুতেই আছে। শুধু সেটা খুঁজে নিতে জানতে হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *