এখানে মূল খুনি কিন্তু “মাদক”।

ধিক্কার জানাই ঐশীকে এইরকম জঘন্য আচরনের জন্য।
একইসাথে ধিক্কার জানাই তার প্রয়াত বাবা-মায়ের মতই যেসব বাবা-মা সন্তানের মাদকাসক্তির বিষয়টিকে কেবলমাত্র সন্তানের অপরাধ হিসেবেই বিবেচনা করে থাকে তাদেরকেও।
আরও বেশি ধিক্কার জানাই ঐশীর প্রয়াত বাবা-মায়ের মতো শিক্ষিত মানুষদেরকে যারা, মাদকাসক্ত সন্তানের পরিচর্যাকে সঠিক গুরুত্ব না দিয়ে,অবিবেচকের মত নিজেরাই এর প্রতিরোধের বিষয়ে উদ্যোগী হয়(শাসনের নামে)।
এটি যদি শাসন করেই কেবল প্রতিকার করা যেতো,তবে কোন মাদকাসক্ত ব্যক্তিকেই মাদকাসক্তকেন্দ্রে পরিচর্যার জন্য যেতে হতো না।
বিষয়টি অত্যন্ত নাজুক একটি বিষয়,এতো সহজ বিষয় নয়।

ধিক্কার জানাই ঐশীকে এইরকম জঘন্য আচরনের জন্য।
একইসাথে ধিক্কার জানাই তার প্রয়াত বাবা-মায়ের মতই যেসব বাবা-মা সন্তানের মাদকাসক্তির বিষয়টিকে কেবলমাত্র সন্তানের অপরাধ হিসেবেই বিবেচনা করে থাকে তাদেরকেও।
আরও বেশি ধিক্কার জানাই ঐশীর প্রয়াত বাবা-মায়ের মতো শিক্ষিত মানুষদেরকে যারা, মাদকাসক্ত সন্তানের পরিচর্যাকে সঠিক গুরুত্ব না দিয়ে,অবিবেচকের মত নিজেরাই এর প্রতিরোধের বিষয়ে উদ্যোগী হয়(শাসনের নামে)।
এটি যদি শাসন করেই কেবল প্রতিকার করা যেতো,তবে কোন মাদকাসক্ত ব্যক্তিকেই মাদকাসক্তকেন্দ্রে পরিচর্যার জন্য যেতে হতো না।
বিষয়টি অত্যন্ত নাজুক একটি বিষয়,এতো সহজ বিষয় নয়।
তাদের অবিবেচনা আর অসহযোগিতার জন্য,এরকম অনেক মাদকাসক্ত ব্যক্তিই সঠিক পরিচর্যা পায় না।যার ফলে এরকম অনেক দূর্ঘটনা এর আগেও আমাদের দেখতে হয়েছে,মনে হয় দেখতে হবেও।
যা কোনভাবেই কাম্য হতে পারে না।
এক ঐশীকে ধিক্কার জানানোর মধ্যেই সব দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না।
এর পারিপার্শ্বিক অন্যান্য বিষয়গুলোকেও সঠিক বিবেচনায় আনতে হবে।
তাহলেই সম্ভব এইধরনের দূর্ঘটনাগুলো এড়ানো।
আর সবশেষে,আর একটি কথা~
এই ঘটনাটিকে অনেকেই “মেয়ে কর্তৃক বাবা-মা খুন” বলে চালাচ্ছেন।
ঘটনাটি কিন্তু মোটেও তা নয়।আসল ঘটনা হলো,একজন “মাদকাসক্ত মেয়ে কর্তৃক বাবা-মা খুন”।
“মেয়ে” শব্দটির উপর জোর না দিয়ে, “মাদকাসক্ত” শব্দটির উপর জোর দিলে বরং এই ধরনের দূর্ঘটনাগুলোর প্রতিকারে সঠিক পথ বের করা সহজ ও সঠিক পথে এগুবে।
কারণ,ঐশী কিন্তু তার বাবা-মায়ের খুনি নয়~খুনি হলো তার “মাদকাসক্তি”।
কেবল ঐশীকে বিবেচনায় নিলে মূল খুনি আড়ালেই থেকে যাবে।
এখানে মূল খুনি কিন্তু “মাদক”।

২৯ thoughts on “এখানে মূল খুনি কিন্তু “মাদক”।

  1. একটি বিষয় বুঝতে হবে। সন্তান
    একটি বিষয় বুঝতে হবে। সন্তান যখন মাদক গ্রহণ করে তখন বাবা মায়ের কতটুকু হুঁশ থাকে তা আমার জানা নেই। যত দিন পর্যন্ত আমি বাবা হচ্ছিনা ততদিন আমি এইটা বুঝবো না। তাই আমি মনে করি বাবা মা শাসন করাটা দোষের কিছুনা। মমতাময়ী মা মাদকাসক্ত সন্তানকে চড় থাপ্পড় দিতেই পারে প্রথমে। পরে তিনি বুঝে যান এইসব করে হবেনা। তখন তারা অন্য ব্যবস্থা নিতে পারেন।
    এখন বাবা মায়ের শাসনের কারণে কেউ যদি এমন মধ্যযুগীয় কান্ড ঘটায় তাহলে তার মুল্যবোধে যথেষ্ট ঘাটতি আছে। মাদক এখানে অবশ্যই খুনী কিন্তু মাদকাসক্ত মেয়ের মা কিছুতেই অপরাধী নয়। মা তার মেয়েকে এক সপ্তাহ হয়তো শাসন করতেন তারপর নিজেই বুঝতে পারতেন। এই রকম দৃষ্টান্ত অনেক আছে। কিন্তু এইভাবে নিজের বাবা মাকে খুন করার নজির কম। আমি নিশ্চিত নই তবে ঐ মেয়ে হয়তো ‘মা’ ডাক শোনার অধিকার হারিয়ে ফেলেছে। মা বাবা অসচেতন ছিলো তা ঠিক। কিন্তু সচেতন হয়ে দুই একটা চড় থাপ্পড় দেয়ার কারণে যদি খুন হতে হয় তাহলে এই পৃথিবীতে আর কেউ বাবা মা হতে চাইবেনা। আর মেয়ের হাতে বাবা মা যে কত নৃশংস ভাবে খুন হয়েছে সেটা এই লিঙ্কে পাবেন।
    http://istishon.blog/node/4201

    1. ধন্যবাদ ভাইয়া,আপনার সুন্দর
      ধন্যবাদ ভাইয়া,আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য…
      আমার বক্তব্যের ব্যাখ্যা যদি হয় এমন যে,আমি বাবা-মার শাসন করাকে খারাপভাবে দেখিয়েছি…তাহলে দুঃখজনক।
      আমি বলতে চেয়েছি,যখন একটি সন্তান মাদকাসক্ত হয়ে যায় তখন বাবা-মায়ের সন্তান পরিচর্যার ধরনে অনেক বেশি সচেতন হতে হয়।
      তারা যদি তাকে কেবল অপরাধীই হিসেবেই বিবেচনায় নেয়,আর কেবল শাস্তির বিধানেই উদ্যত হয়,তবে কি সত্যিকার অর্থে সন্তানকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব???
      নির্দিষ্ট বেতনের চাকুরী করা অভিভাবক যখন বেহিসাবি খরচ করতে পারে এবং করতে উৎসাহ দিতে পারে,অভিভাবকেরা যখন সুস্থ জীবন নিশ্চিত না করতে পারে,পরিবার পরিজনকে নিয়ে সঠিক মূল্যবোধের চর্চায় সন্তানকে উৎসাহিত না করতে পারে,তখন অসুস্থ মন-মানসিকতার সন্তানকেই শুধু দোষ দেয়া ঠিক হয় না।আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে এখানে সন্তানটি কিন্তু অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিল,তার ভুল করাটা অস্বাভাবিক কিছু ছিল না।অভিভাবকদের কি এই বিষয়ে আরো সচেতন হওয়ার সুযোগ ছিলো না???তারা কিন্তু শিক্ষিত এবং সচেতন মানুষ ছিল।কিভাবে একজন মাদকাসক্ত সন্তানের পরিচর্যার প্রয়োজন তা তাদের না জানাটাই অপরাধ।
      অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং মাদকাসক্ত একজন সন্তানের কাছ থেকে সঠিক মূল্যবোধ আপনি আশা করতে পারেন না।
      অপ্রাপ্তবয়স্ক একজন সন্তানের জীবনাচরনের উপরেই কেবল বাবা-মায়ের হস্তক্ষেপ করার সুযোগ থাকে,কারণ এই সময় তারা তাদের পরিচর্যাতেই থাকে।
      কেউ যখন মাদকাসক্ত হয়ে যায় তখন তাকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনাটা প্রথমে জরুরী,শুধুমাত্র শাস্তির বিধান কতটা ভুল সিদ্ধান্ত,তা এই রকম ঘটনাগুলোতেই প্রমানিত।
      এখানে অপ্রাপ্তবয়স্ক একজন সন্তানের উপর ওই অপরাধচক্রের ভূমিকা অনেক বেশি কাজ করে,তাদের কাছ থেকে সন্তানটিকে উদ্ধার করাও কি অভিভাবকের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না???
      আর এই বিষয়ে এই অপরাধচক্রের ভূমিকাকে কি আপনি কিছুই মনে করছেন না???
      সন্তানটি যখন অপ্রাপ্তবয়স্ক,তখন আমি অন্তত অপরাধচক্রের ভূমিকাকেই বেশি মনে করছি।
      অপ্রাপ্তবয়স্ক কেউ ভুল করবেই,তাকে বোঝাতে হবে;আর শাস্তি প্রয়োজন ওই অপরাধচক্রের এবং এইরকম ঘটনাগুলোর সঠিক পরিচর্যা করতে না পারায় অভিভাবকদের সমালোচনাটাও জরুরী।

    1. মাদক তো ভাল জিনিস, পুরতিভা
      মাদক তো ভাল জিনিস, পুরতিভা বিকাশে সাহাজ্জু করে। যারা মাদক বিক্রি করে তারা আরও ভাল। দোষ খালি খাইয়া যারা খুন করে। পুরতিটা চায়ের দোকানে এখন থাইকা ইয়াবা রাখতে হইব। কি বলেন…

    2. ধন্যবাদ ভাইয়া,সুন্দর টিজিং এর
      ধন্যবাদ ভাইয়া,সুন্দর টিজিং এর জন্য…:)
      এখানে আমার মন্তব্যের ব্যাখ্যায় আমি কিছু বলতে চাইছি~
      “যখন একটি সন্তান মাদকাসক্ত হয়ে যায় তখন বাবা-মায়ের সন্তান পরিচর্যার ধরনে অনেক বেশি সচেতন হতে হয়।
      তারা যদি তাকে কেবল অপরাধীই হিসেবেই বিবেচনায় নেয়,আর কেবল শাস্তির বিধানেই উদ্যত হয়,তবে কি সত্যিকার অর্থে সন্তানকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব???
      নির্দিষ্ট বেতনের চাকুরী করা অভিভাবক যখন বেহিসাবি খরচ করতে পারে এবং করতে উৎসাহ দিতে পারে,অভিভাবকেরা যখন সুস্থ জীবন নিশ্চিত না করতে পারে,পরিবার পরিজনকে নিয়ে সঠিক মূল্যবোধের চর্চায় সন্তানকে উৎসাহিত না করতে পারে,তখন অসুস্থ মন-মানসিকতার সন্তানকেই শুধু দোষ দেয়া ঠিক হয় না।আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে এখানে সন্তানটি কিন্তু অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিল,তার ভুল করাটা অস্বাভাবিক কিছু ছিল না।অভিভাবকদের কি এই বিষয়ে আরো সচেতন হওয়ার সুযোগ ছিলো না???তারা কিন্তু শিক্ষিত এবং সচেতন মানুষ ছিল।কিভাবে একজন মাদকাসক্ত সন্তানের পরিচর্যার প্রয়োজন তা তাদের না জানাটাই অপরাধ।
      অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং মাদকাসক্ত একজন সন্তানের কাছ থেকে সঠিক মূল্যবোধ আপনি আশা করতে পারেন না।
      অপ্রাপ্তবয়স্ক একজন সন্তানের জীবনাচরনের উপরেই কেবল বাবা-মায়ের হস্তক্ষেপ করার সুযোগ থাকে,কারণ এই সময় তারা তাদের পরিচর্যাতেই থাকে।
      কেউ যখন মাদকাসক্ত হয়ে যায় তখন তাকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনাটা প্রথমে জরুরী,শুধুমাত্র শাস্তির বিধান কতটা ভুল সিদ্ধান্ত,তা এই রকম ঘটনাগুলোতেই প্রমানিত।
      এখানে অপ্রাপ্তবয়স্ক একজন সন্তানের উপর ওই অপরাধচক্রের ভূমিকা অনেক বেশি কাজ করে,তাদের কাছ থেকে সন্তানটিকে উদ্ধার করাও কি অভিভাবকের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না???
      আর এই বিষয়ে এই অপরাধচক্রের ভূমিকাকে কি আপনি কিছুই মনে করছেন না???
      সন্তানটি যখন অপ্রাপ্তবয়স্ক,তখন আমি অন্তত অপরাধচক্রের ভূমিকাকেই বেশি মনে করছি।
      অপ্রাপ্তবয়স্ক কেউ ভুল করবেই,তাকে বোঝাতে হবে;আর শাস্তি প্রয়োজন ওই অপরাধচক্রের এবং এইরকম ঘটনাগুলোর সঠিক পরিচর্যা করতে না পারায় অভিভাবকদের সমালোচনাটাও জরুরী।”

  2. আপনার বক্তব্যে স্ববিরুধীতা
    আপনার বক্তব্যে স্ববিরুধীতা আছে ।আপনি প্রথমেই ঐশীকে ধিক্কার জানিয়েছেন আবার কয়েক লাইন পরেই বলেছেন, “এক ঐশীকে ধিক্কার জানানোর মধ্যেই সব দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না।
    এর পারিপার্শ্বিক অন্যান্য বিষয় গুলোকেও সঠিক বিবেচনায় আনতে হবে।”

    “মেয়ে” শব্দটির উপর জোর না দিয়ে,”মাদকাসক্ত” শব্দটির উপর জোর দিলে বরং এই ধরনের দূর্ঘটনাগুলোর প্রতিকারে সঠিক পথ বের করা সহজ ও সঠিক পথে এগুবে”।
    — যৌক্তিক । সম্পুর্ণ সহমত ।

    1. ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর
      ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মন্তব্যের জন্য…
      আমি ঐশীর এই ঘটনায় নিজেকেও একজন দায়ী মানুষ হিসেবে দেখি।
      কারণ,আমাদের জীবনাচরণে আমরা নিজেদের প্রয়োজনানুসারে কেবল ভালোকেই আরও ভালভাবে কিংবা খারাপকে আপাত ভালো বা কখনো কখনো ভাল হিসেবে উপস্থাপনে ব্যস্ত থাকি।
      কখন কখন আবার নিজেদের প্রয়োজনেই আপাত খারাপ বা খুব খারাপকে অসম্ভব খারাপ বলতেও দ্বিধা করি না।
      অথচ এই উপস্থাপনা আর বলার থেকে জরূরী হলো,ভালোকে ধারণ করা আর খারাপকে বর্জন করা।
      আদ্য কি আমরা তা করি???
      করি না।যদি করতাম তাহলে;খারাপকে কেবল খারাপ বলেই চলে আসতাম না,খারাপকে ভালো করার চেষ্টা করতাম।
      আমাদের মধ্যে সেই চেষ্টাটা নেই।এইজন্য নিজেদের আমি দোষী মনে করছি।
      প্রয়োজন ছাড়া আমরা কিছুই করতে উদ্যগী হই না।
      তাই এক ঐশীকে ধিক্কার জানানোতেই আমাদের দায়িত্ব শেষ বলে আমি মনে করছি না।
      আর ঐশীকে ধিক্কার জানাচ্ছি,মানুষের সহজাত প্রবণতাকে মাথায় রেখে।
      কারণ,মানুষের সহজাত প্রবণতায় সে তার অভিভাবকের উপর আক্রমণ করতে পারে না।
      সে মাদকাসক্ত ছিল,নিজের স্নায়ুর উপর তার নিয়ন্ত্রণ ছিলো না,এটা আমি মানি।
      তারপরও মানুষ হিসেবে তার যে সহজাত প্রবণতা থাকার কথা,তা তার মধ্যে এই ঘটনা এবং এর আগে-পরে ঘটনায়~কিছু সময়ের জন্যও কেনো কাজ করেনি তার জন্য আমার এই ধিক্কার।
      তবে মূলত আমার ধিক্কারটা ছিলো,ঐশীর জীবনাচরণের মত জীবনাচরণের উপর।এখানে এক ঐশীকে আমি ধিক্কার দেইনি,দিয়েছি বিপথগামী আরো অনেক ঐশীকে।
      বিপথগামীতাকেই এখানে আমি মূলত ধিক্কার জানিয়েছি।

      1. সোমেশ্বরী, চমৎকার ব্যাখ্যা
        সোমেশ্বরী, চমৎকার ব্যাখ্যা দিলেন । সত্যি আপনি বিষয়টা উপলব্ধিতে আনতে পেরেছেন ।

  3. পরিবারের অভিভাবক
    পরিবারের অভিভাবক দুর্নীতিগ্রস্থ হলে তার প্রভাব সন্তানের উপর পড়বেই। ঐশী কি জানত না বাপ পুলিশের এসআই হয়ে কিভাবে মেয়েকে ব্যয়বহুল জীবন যাপন উপহার(?) দেয়? তাই ঐশীর প্রতি যেমন আমার কোন সমবেদনা নেই, তেমনি ঐশীর বাবা মায়ের জন্যও নেই। এই ঘটনার কারন মাল্টি ফ্যাক্টরিয়াল। সবগুলো নিয়েই কাজ না করলে এমন ঘটনা ধর্ষনের ঘটনার মতো ডাল ভাত হওয়ার অপেক্ষায় থাকুন।

    1. ভাইয়া,আপনি যথার্থই
      ভাইয়া,আপনি যথার্থই বলেছেন।
      ধন্যবাদ আপনাকে।
      আমিও এই ঘটনায় “মাল্টি ফ্যাক্টরিয়াল” শব্দটাকেই জোর দিতে চেয়েছি।
      ঐশীর প্রতি কোন মমতা বা সমবেদনা দেখাতে চাইনি,চাইও না।
      আমি চাই না কেবল এক ঐশীর আলোচনায় এই ঘটনার অন্যান্য প্রভাবকগুলো চাপা পড়ে গিয়ে,সামাজিক ব্যাধিগুলো দিনে দিনে বেড়েই চলুক।
      এক্ষেত্রে আমাদের সবগুলো প্রভাবকের প্রতিই সচেতন হওয়াটা অত্যন্ত জরুরী।

    1. রায়,
      আসলেই তাই । তবে মাঝে

      রায়,
      আসলেই তাই । তবে মাঝে মাঝে এমন ও হয় আরেকজনের কমেন্টের
      রিপ্লাই সবথেকে আকর্ষণীয় লেখা । এখানে সম্ভবত তাই হয়েছে ।

  4. ঐশী ক্লাস এইট থেকেই বখে গেছে।
    ঐশী ক্লাস এইট থেকেই বখে গেছে। সেটা তার বাবা মা আইডিন্টিফাই করেছে মাত্র তিন মাস আগে। এইটা অবশ্যই তাদের দায়িত্বে অবহেলা। অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের সমস্ত দায়িত্ব ব্বা মায়ের হাতে ন্যাস্ত। মেয়েটি প্রথমে আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলো। কিন্তু পরে সে তার সিদ্ধান্ত বদলায় এবং অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ভাবে ঠান্ডা মাথায় নিজের বাবা মাকে নৃশংস ভাবে হত্যা করে। টিনএজ বয়সে জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণা জন্মায়। অনেক বাবা মা এইটা বুঝতে চান না। তারা ছেলেমেয়েকে শাসন করেন। এটাই মানুষের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া নিশ্চয়। আমি বলছিনা যে বাবা মায়ের অসচেতনতা ছিলো না। কিন্তু আমরা দেখতে পাই অধিকাংশ সন্ত্রাসীই মাদকাসক্ত। তাই বলে তাদেরকে মাদকের দোহাই দিয়ে নিরাপরাধ প্রমান করা কেবলই অযৌক্তিক নয় হসস্যকরও বটে। অপরাধের সাথে আপোষ নেই। ঐশী আমাদের সমবেদনা পাবে কিন্তু অপরাধের দায় মুক্ত হতে পারবেনা কিছুতেই। এইটা সাধারণ চড় থাপ্পড়ের মামলা নয়। এটা হত্যাকান্ড। ব্রাজিলেও তো এক মাদকাসক্ত যুবক শিশুদের স্কুলে ঢুকে গুলি করে শিশু হত্যা করে (সংখ্যা মনে নেই) কিংবা বেলজিয়ামে এক মাদকাসক্ত যুবক ৬৩ জনকে হত্যা করে। তাই বলে এরা নির্দোষ??? আমার দূর্বল চিন্তাশক্তি এদেরকে দায়মুক্ত করতে পারছেনা বলে দুঃখিত।

    1. ঐশীকে কোনভাবেই দোষমুক্ত করতে
      ঐশীকে কোনভাবেই দোষমুক্ত করতে চাওয়া হয়নি,আপ্পি…
      সবটা দোষ যে ঐশীর নয় বা হতে পারে না এবং এই দুর্ঘটনায় ঐশীর চেয়ে কোন অংশেই পারিপ্বার্শিক অন্যান্য প্রভাবকগুলোর প্রভাব কম নয়,তাই শুধু বলতে চেয়েছি। দোষগুলোকে চিহ্নিত করার চেষ্টা করেছি।কারণ,আমার বিবেচনায় এই প্রভাবকগুলোর ভূমিকা কোন অংশে কোম তো নয়ই,বরং বেশি ই হয়।
      ঐশী কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক নয়,তার চিন্তাশক্তিকে আপনি খুব বেশি দোষী করতে পারেন না।
      তার যদি সঠিক গাইডলাইন না থাকে,সে কিভাবে শিখবে???

  5. আলোচিত এই ঘটনাকে নানা
    আলোচিত এই ঘটনাকে নানা মাত্রিকতায় বিশ্লেষণ করা যায় । পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লিখে ভরে ফেলা যায় । তবে খুব সংক্ষেপে যদি বলি, পারস্পারিক সামাজিক সম্পর্ক ও সংঘ গুলো দুর্বল হয়ে পড়ায় ধংসে পড়েছে ব্যক্তির মানস ঘটনের মৌলিক সৌধগুলো ।

    অবক্ষয়িত এই সমাজে স্বার্থপরতা, বিচ্ছিন্নতা, আত্মকেন্দ্রিকতা, ভোগবাদীতা ইত্যাদির চাষাবাদ হচ্ছে বেশ আয়োজন করে । একজন মানুষকে মানুষ হয়ে উঠতে গেলে বেশ কিছু সু -জীবনের মধ্য দিয়ে যেতে হয় । তার পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক জীবনে ‘ সু ‘ এর চর্চা না থাকলে কীভাবে ‘ সু ‘ ব্যক্তি মানুষ তৈরি হবে ? একে হত্যাকাণ্ড বলি আর দুর্ঘটনা বলি – এর দায় সর্বোপরি রাষ্ট্র তথা রাষ্ট্র ব্যবস্থাকেই নিতে হবে । বলা বাহুল্য, আমরা যে ধরণের রাষ্ট্র ব্যবস্থায় বসবাস করি বা করতে বাধ্য হচ্ছি সেখানে এই জাতীয় ঘটনা আমাদের জন্য শেষ সতর্ক সংকেতের মতো । কারণ এর চেয়ে মর্মান্তিক, জঘন্য ঘটনার আবির্ভাব আসলেই সম্ভব নয় ।

    আপনার চমৎকার পোস্টের জন্য ধন্যবাদ । আর হাঁ, কমেন্টগুলো ও অনেক ভাল হয়েছে । ব্লগে এমন প্রাণবন্ত আলোচনা ভাল লাগে । দায়সারা গোছের – ‘ ভাল লিখেছেন ‘ , ‘ ভাল হয়নি ‘, ‘ আরও ভাল লিখবেন ‘ এই জাতীয় শব্দবন্ধ বিরক্তিতকর, যা কিনা অধিকাংশ ব্লগার করে থাকেন ।

  6. প্রাসঙ্গিক ও মনপুত হওয়ায়
    প্রাসঙ্গিক ও মনপুত হওয়ায় ফেসবুক থেকে Nirjhar Mojumdar এর এই লিখাটি এখানে কপি করলাম….

    ঘটনা একঃ শাফিলিয়া আহমেদ, পাকিস্তানি তরুনি,যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সময়ে মৃত্যু। মৃত্যুর সময় বয়েস হয়েছিল ১৮ বছর। কবিতা লিখতে পছন্দ করত। পড়ত ওকালতি।
    মারা গেছে শ্বাসরোধে, নিজের জন্মদাতা বাবা মা নিজের হাতে মেরেছে। এই মেয়ের সমস্যা ছিল, সে তার বাপের পছন্দ করা নিজের চেয়ে দ্বিগুণ বয়েসের ছেলেকে বিয়ে করতে রাজি হয়নি, বাবা-মার আদেশে হিজাব পরতে রাজি ছিলনা, এবং ভিনদেশী সাদা চামড়ার সহপাঠীদের সাথে কথা বলত-যা তার বাবা-মা ভালো চোখে নেয়নি। ফলাফল, মেরে ফেলা হল। মারা গেছিল ১১ই সেপ্টেম্বর ২০০৩ সালে, সেই সময়হে কেউ অভিযুক্ত হয়নি, ৮ বছর পরে তারি আপন বোন এক চুরির মামলাতে ফেসে গিয়ে পুলিশের কাছে নিজের পিতা-মাতার কুকর্মের কথা জানায়।
    মেয়েটা যেদিন মারা যায়, তার আগের দিন একটা কবিতা লিখেছিল”I am trapped (আমি জালে আটকা পড়েছি)” শিরোনামে।
    ঘটনা দুইঃ ৪ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১০। নড়াইলের নরাগাতি থানার কলাবারিয়া গ্রামের হাফিজুর রহমান তার নিজের মেয়ে ১৪ বছর বয়স্ক তানিয়া খাতুন কে গলাতে ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
    গ্রেফতার হলে পরবর্তীতে সে বলে পারিবারিক কলহের জের এবং তানিয়ার অবাধ্যতার কারনেই তিনি কন্যাকে খুন করেন।
    ঘটনা তিনঃ ছেলের হাতে বাবা খুনের দুটি ঘটনার কথা উল্লেখ করব। ব্রাহ্মণবাড়িয়ারবাঞ্ছারামপুর এর বৃদ্ধ দানেশ মিয়া (৭০) পুত্র বিল্লাল হোসেনের (৩০) হাতে ছুরিকাহত হয়ে খুন হনআজ (আগস্ট ২০, ২০১৩)
    এবং, টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় বৃদ্ধ এবারত আলী তার মেঝ ছেলে তোজাম এর হাতে নিহত হয় গত ১৯শে জুন,২০১৩।
    উভয় ক্ষেত্রেই খুনের কারণ ছিল সম্পত্তির ভাগ এবং মোটা দাগে পারিবারিক কলহ।
    এই ঘটনাক্রমের অপর উদাহরণ হল ঐশী এবং অবশ্যই সর্বাধিক আলোচিত।
    …………………………………………………………………
    এবার আসি কিছু আলোচনাতে। ঐশীর ঘটনাতে কম বেশি অনেকেই যে কারণ গুলিদায়ী করেছেন সেইগুলি হলঃ
    ১)মাদক, ২)পারিবারিক নজরদারির অভাব, ৩)পশ্চিমা সংস্কৃতির আগ্রাসন, ৪)চাকচিক্যময় জীবনের প্রতি লোভ, ৫)বন্ধুবান্ধবের প্রভাব, ৬) পিতামাতার অবহেলা, ৭) পিতামাতার অবৈধ আয়, ৮) ধর্মীয় অনুশাসন না মেনে চলা।
    যদি এই কারণ গুলিকেইআমি ঐশীর ঘটনাতে দায়ী করি, তাহলে উপরের বাকি ঘটনা সমূহের কোন গ্রহণযোগ্য ব্যক্ষামেলে না। ঐশীর ঘটনা ছাড়া বাকি ঘটনাগুলিতে খুনিরা কেউ মাদকাসক্ত ছিল না। শাফিলিয়ার পিতা এবং মাতা বাকি মেয়ে এবং ছেলে কে বেশ আদর করতেন। তানিয়া খাতুনের উপরে পশ্চিমা সংস্কৃতির এমন কোন প্রভাব পড়বার কথা না, জাতে তাকে খুন হবার মত যথেষ্ট কারণ থাকে। এবং শাফিলিয়া, তানিয়ার পরিবার উগ্র ধার্মিক ছিল, বিল্লাল এবং তোজাম ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশুনা করেনাই। ঐশীর মত তাদের বন্ধুবান্ধবরা ইয়াবা খেত না। তানিয়া এবং শাফিলিয়ার পরিবার এত বেশি নজরদারিএবং সন্দেহবাতিকতায় ভুগেছে, যে শেষমেশ নিজেদের মেয়েকে মেরেই ফেলতে হল।
    শাফিলিয়া, তানিয়ার পিতামাতা অবৈধ আয় করত না। ধর্মীয় অনুশাসন মেনেই চলত গ্রামের ছেলে বিল্লাম এবং তোজাম। এদের কারুরই (ঐশী ছাড়া) পিতামাতা অথবাসন্তানেরা অবৈধ আয় করত না। পিতামাতার অবহেলার প্রমানও পাওয়া যায় না খুব একটা, বরং শাফিলিয়া এবং তানিয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত নজরদারির আভাস পাওয়া যায়।
    অর্থাৎ এইউপরে উল্লেখিত কারণ গুলির কোনটাই এই ধরনের ঘটনা (পারিবারিক সদস্যদের অভ্যন্তরীণ খুনের) গুলির পিছনে একক কারণ হইতে পারেনা।
    নিজের চোখে, আমি যা দেখি, তা হইলো, শাফিলিয়ার সাথে তার বাবা-মার মতের অমিল, ফলাফল খুন। ১৪ বছরেরসাথে তানিয়ার সাথে তার বাবার মতের অমিল, বিল্লাল এবং তোজামের সাথে তাদের বাবার মতের অমিল।
    ভাইয়েরা, আসল কারণ হইলো আমাদের অসহিষ্ণুতা। এই ৪ টাঘটনার কোনটাই কাউকে মেরে ফেলার জন্য যথেষ্ট কারণ বহন করেনা।
    বাবা-মা এবং ছেলে-মেয়ের সম্পর্কে মতবিরোধ থাকাই স্বাভাবিক। কিন্তু সমস্যাটা হয়,যখন সেই মতবিরোধের সাথে নিজের অহম বা লোভ যূক্ত হয়। আজকে ঐশীর ঘটনা নিয়ে মাতামাতি হচ্ছে, এই রকম হাজারটা একদম একই ধরণের ঘটনা প্রায় প্রতিনিয়তই হইতেছে।
    পারিবারিক ভাবেই যদি উগ্রতার চর্চা বাদ দেওয়া হয়, তাইলে এই ঘটনাগুলি কিছুটা কমতে পারে।
    সব শেষে বলব, নিজের ছেলে মেয়েদের অবুঝ থাকা অবস্থাতেই নিজের মতাদর্শে তৈরি করার চেষ্টা করা ভালো, বুঝতে সেখার পরে তার উপরে কিছু চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা মানে একটা দ্বন্দ্ব তৈরি করা। আর নিজের মত অন্যের উপরে চাপানোর ক্ষেত্রেও জোর না খাটিয়ে কৌশল খাটানো ভালো।

      1. কেবল অসহিষ্ণুতাকে নির্দেশ
        কেবল অসহিষ্ণুতাকে নির্দেশ করলে কি সমস্যাটাকে শূণ্যে ভাসিয়ে দেয়া হয়ে যায় না ?
        এই অসহিষ্ণুতাটার মূলে যেতে হবে ।
        আর মূলে গেলেই সমাধানের বা প্রতিকারের কিংবা প্রতিরোধের পথ খুজেঁ পাওয়া সম্ভব , নয়তো নয় ।
        এই অসহিষ্ণুতার মূলে কিন্তু একটি কারণ নেই , হাজারটা কারণ আছে , সবটাকেই দিনের আলোয় আনতে হবে , সমস্যার মোকাবেলায় প্রথমদিকে এটাই সবচেয়ে জরূরী কাজ ।
        :কনফিউজড: :চিন্তায়আছি: :কনফিউজড: :চিন্তায়আছি: :কনফিউজড: :চিন্তায়আছি:

  7. যারা নিয়মিত মাদক নেয় তাদের
    যারা নিয়মিত মাদক নেয় তাদের সংখ্যাটা কি আপনারা জানেন? নাকি যারা শুধু ইয়াবা, হেরইন বা গাজা খায় তাদেরকেই আপনারা মাদক-সেবী ভাবেন?এলকোহল সেবীরা সাধু!!!যারা একটা সারটেইন লেভেলার পর বা সমাজের একটা সারটেইন লেভেলের উপরের তলায় বাস করে তারা কত জন এলকোহলসেবী সে সম্পর্কে ধারনা আছে আপনাদের?নাকি কর্পোরেট লেবেল এ মানুষ যে পরিমাণ এলকোহল খায় তার লেবেল জানেন না?না জানলে জেনে রাখুন, এদের লেবল গাজা ও ইয়াবার থেকে বেশি। আর নেশা জিনিসটির সম্পর্কে আমাদের সবার ধারনাই একটু কেমন জানি।

    আমার জানা মতে ওয়েস্টার্ন মিউজিকের ১০০% ও এমনকি বাংলাদেশের আন্দারগ্রাউন্ড ব্যান্ড, যাদের কনসার্ট না হলে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাম্পাসের অনুষ্ঠানই জমে না তাদের ও ৯৯% এই নেশা দারা প্রভাবিত।লেখকরা ও চিত্র শিল্পীরা হরহামেশাই গাজা খায়।(ভাববেন না না জেনে বলছি)।মাদক এক ধরনের অভিজ্ঞতা।যেটা অনেকেই অনেক কারনে নেয়।অনেক বিখ্যাত লোক এল এস ডি এর মত মাদক নিয়েছে।যেটা সবচেয়ে ইলুসন সৃষ্টিকারী।

    দেশে লক্ষ্য লক্ষ্য নেশাখোর আছে।তারা কেউ তাদের বাবা মা কে নেশা করার জন্য খুন করে না।নেশার জন্য যেঁটা হয়,সেটা হল,হিরোইন ও পেথিদিন খোর রা একটা পর্যায়ের পর চুরি ও ছিনতাই করে। খুনের ঘটনা খুব বিরল।বেশি কিছু বললাম না।আপনাদের অনেক কিছু বলার ছিল।আশে পাশের পরিবেশ সম্পর্কে ও মানুষ সম্পর্কে ভুল ধারনা নিয়া বাচতে নাই।গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।তবে এই মন্তব্য আমি করতাম না।করলাম একটাই কারন দেখলাম সবাই একই রকম ভাবতেছেন।কিন্তু অনেক বেশি ভুল।এবং আমি এখানে কারো সাথে বিতর্কে জড়াব না।আমাকে ভুল ভাব্লে সেটা আপনার ব্যাপার। আমি শুধু বলেছি।কাউকে মানতে হবে না।

    ,।/,।/,।/,।/,।/,।/,।/,।/,।/,।/,।/,।,//,/,//,//

    1. “আমি এখানে কারো সাথে বিতর্কে
      “আমি এখানে কারো সাথে বিতর্কে জড়াব না।আমাকে ভুল ভাব্লে সেটা আপনার ব্যাপার।”
      কথাতেই আপনি আলোচনার ইতি টেনেছেন…তাই আমিও আগ্রহ হারালাম…
      নইলে আমারো কিছু বলার ছিলো…
      এতোটুকুই বলছি,
      যে কার গভীর পর্যবেক্ষণেও সংশোধনের যায়গা থাকতে পারে…
      আবার একই বিষয়ে সম্পুর্ণ ভিন্ন মতও একই সাথে সঠিক হতে পারে…
      এই বিষয়ে আপনার মনে হয়, কোন ধারণা নাই…না থাকলে কোন একসময় হবে বৈকি… :গোলাপ: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *