আজো প্রবাসীর কান্না শুনতে পাই

আমি অতি দুর্বল হার্টের একজন মানুষ। সামান্য ইদুর মারতে গেলেও তিনবার ভাবতে হয়। সেক্ষেত্রে বাবা-মাকে খুন করার মতো দু:সাহস আমার কখনো হয়নি, এমনকি এধরণের খবর জানার, পড়ার, শোনার সাহসও আমার হয়নি। এখন অবধি ঐশীর ব্যাপারে আমি সম্পূর্ণভাবে ভালোভাবে জানতে পারি নাই। বলা যায় এ ধরনের হৃদয় বিদারক দৃশ্য/ঘটনা দেখার কিবা জানার মতো সাহস আমার কখনো ছিলনা। তার চেয়ে বরং ঐশীকে নিয়ে আপনারাই কথা বলেন।

আফ্রিকায় নিরব কবি নামে আমার একজন বন্ধু থাকেন। তিনি প্রায় সময়ই ফোনে কথা বলার সময় বাংগালী জীবনের নিম্নমান, বাংগালীদের প্রতি নির্যাতন নিয়ে অনেক হায় হতাশ করেন।


আমি অতি দুর্বল হার্টের একজন মানুষ। সামান্য ইদুর মারতে গেলেও তিনবার ভাবতে হয়। সেক্ষেত্রে বাবা-মাকে খুন করার মতো দু:সাহস আমার কখনো হয়নি, এমনকি এধরণের খবর জানার, পড়ার, শোনার সাহসও আমার হয়নি। এখন অবধি ঐশীর ব্যাপারে আমি সম্পূর্ণভাবে ভালোভাবে জানতে পারি নাই। বলা যায় এ ধরনের হৃদয় বিদারক দৃশ্য/ঘটনা দেখার কিবা জানার মতো সাহস আমার কখনো ছিলনা। তার চেয়ে বরং ঐশীকে নিয়ে আপনারাই কথা বলেন।

আফ্রিকায় নিরব কবি নামে আমার একজন বন্ধু থাকেন। তিনি প্রায় সময়ই ফোনে কথা বলার সময় বাংগালী জীবনের নিম্নমান, বাংগালীদের প্রতি নির্যাতন নিয়ে অনেক হায় হতাশ করেন।

গত ১৪ আগস্ট রাতে এক সোমালিয়ান ব্যবসায়ী ডুডুজা লোকেশনের স্থানীয় এক কালো স্কুল ছাত্রকে আকস্মিক গুলী করলে তাৎক্ষণিকভাবে উগ্রপন্থী কালোরা আফ্রিকার বেশ কিছু লোকেশনে একযোগে সকল বিদেশীদের উপর হামলা করেছে। যে কোন হামলায় পিতৃ-মাতৃহীন বাংগালীরা একটু আগেই মরে। এতে নিহত হয়েছেন ৫ জন বাংগালী।

পান থেকে চুন খসলেই বাংগালীদের উপর চলে অকথ্য নির্যাতন। নীরবে নির্যাতন সহ্য করে সর্বস্ব হারিয়ে ফেলা এসব নির্দোষ খেঁটে খাওয়া বাঙালিদের নিয়ে কথা বলার সময় আমার নেই, আমাদের নেই। তাদের হয়ে কথা বলার সময় নেই গণমাধ্যমের। তাদের নিয়ে কথা বলার সময় নেই আফ্রিকায় নিয়োগ দেওয়া হাই কমিশনার ও পেইড দালালে ভরপুর স্থানীয় ‘বাঙলাদেশ পরিষদ’ এর।

বন্ধুটি আরো জানালেন আমাদের স্বদেশী মন্ত্রী মিনিষ্টারটা যখনেই আফ্রিকায় হাওয়া খেতে আসেন, তখনি তারা (বাংগালীরা) তাদের অভিযোগ জানান। কিন্তু নির্বোধ বাংগালী জানে না যে, ‘হাঁসের ডাকের কোন প্রতিধ্বনী হয়না।’

মন্ত্রী মহোদয়রা বরাবরে মতো প্রতি বারই স্বদেশী শ্রমিকদের কথা ভুলে আটলান্টায় হাওয়া লাগিয়ে, খেয়ে দেয়ে দেশে ফিরে আসেন। তাদের আসা যাওয়ার ভিড়ে বহু বাংগালী প্রাণ ঝড়ছে অকালে, বহু বাংগালীর রক্ত মিশে আছে বহুগামী মাটিতে…

আর কত বাঙালি এভাবে সর্বস্ব হারাবে কেউ জানেনা। আর কত রক্ত ঝরলে সেগুলোর বদৌলতে এই খবর পৌঁছে যাবে আমাদের হলুদ সাংবাদিকদের কর্ণ গুহরে কেউ জানেনা।

বঙ্গ দেশের হলুদ মিডিয়াগুলো কার প্রতিনিধিত্ব করছে আসলে? বাঙলাদেশ পরিষদের পা চাটা হাই-কমিশনারের এই নীরবতার উদ্দেশ্য কি?

খুব জানতে ইচ্ছে করে…

৫ thoughts on “আজো প্রবাসীর কান্না শুনতে পাই

  1. পোস্টের বিষয়ের বাইরে গিয়ে
    পোস্টের বিষয়ের বাইরে গিয়ে একটা কথা বলি। পোস্টে মিডিয়ার প্রসংগ এসেছে তাই বলতে ইচ্ছে হলো। আমাদের মিডিয়া এমন হওয়ার জন্য অনেকাংশেই দায়ী আমরা নিজেরাই। যে কোন নিউজ সাইটে ঢুকে দেখেন কোন ধরনের নিউজ বেশী পঠিত, তাহলেই আমি কি বলতে চাইছি বুঝতে পারবেন।

  2. যাদের পাঠানো রেমিটেন্সে দেশের
    যাদের পাঠানো রেমিটেন্সে দেশের অর্থনীতির পালে ফাগুন হাওয়া লাগে
    সেই তাদের মনের আগুন নেভানোর কথা মন্ত্রীদের মনে থাকেনা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *