চশমা

আপনার সাথে একজন দেখা করতে আসছে।
-কে ?
–জানি না।আগে কখনো দেখিনি।
-ঠিক আছে বসতে বল,আমি আসছি।
–জ্বি আচ্ছা

পাইপ হাতে বসার ঘরে গিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর দেখলেন,ঘরে একটা অপরিচিত লোক বসে আছে।বঙ্গবন্ধুকে দেখেই সে উঠে দাড়ালে বঙ্গবন্ধু তাকে বসতে বললেন।
আমি কি আপনাকে আগে দেখেছি?
–জ্বিনা।আপনি আমাকে আগে কখনো দেখেন নি।
-আপনি কি কারো এজেন্ট?
–জ্বি আমি ভারতীয় এজেন্ট।এবং আমি আপনাকে সাবধান করতে এসেছি।
-কেন ?আমাকে আবার কিসের জন্য সাবধান?
–আমাদের কাছে খবর আছে,আপনার জীবন ঝুকিপূর্ন।খন্দকার মোশতাক থেকে একটু সাবধানে থাকবেন।
-আপনি শুধু এই কথা বলতে এসেছেন ?
–জ্বি।আপনি আমার কথা বিশ্বাস করেন।

আপনার সাথে একজন দেখা করতে আসছে।
-কে ?
–জানি না।আগে কখনো দেখিনি।
-ঠিক আছে বসতে বল,আমি আসছি।
–জ্বি আচ্ছা

পাইপ হাতে বসার ঘরে গিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর দেখলেন,ঘরে একটা অপরিচিত লোক বসে আছে।বঙ্গবন্ধুকে দেখেই সে উঠে দাড়ালে বঙ্গবন্ধু তাকে বসতে বললেন।
আমি কি আপনাকে আগে দেখেছি?
–জ্বিনা।আপনি আমাকে আগে কখনো দেখেন নি।
-আপনি কি কারো এজেন্ট?
–জ্বি আমি ভারতীয় এজেন্ট।এবং আমি আপনাকে সাবধান করতে এসেছি।
-কেন ?আমাকে আবার কিসের জন্য সাবধান?
–আমাদের কাছে খবর আছে,আপনার জীবন ঝুকিপূর্ন।খন্দকার মোশতাক থেকে একটু সাবধানে থাকবেন।
-আপনি শুধু এই কথা বলতে এসেছেন ?
–জ্বি।আপনি আমার কথা বিশ্বাস করেন।
-দুঃখিত আমি আপনার কথা বিশ্বাস করতে পারলাম না।আপনি এখন উঠতে পারেন।তার আগে মিস্টি খেয়ে যাবেন।
–আপনি আমার কথা মানবেন না?
-আপনাকে আগেই বলেছি ,আমার দেশের ছেলেরা আমার নিজের ছেলে।তারা কখনো এই কাজ করতে পারেনা।আর আপনি বাইরের মানুষ।আপনার চেয়ে আমি আমার ছেলেদেরই বেশি ভালবাসি।

বাইরে সকাল থেকে অনেক মানুষ অপেক্ষা করছে,আমাকে এক ঝলক দেখার জন্য।এদের দেখলেই মনটা অসম্ভব ভাল হয়ে যায়।
বারান্দায় দাড়াতেই শত মানুষ স্লোগান ধরল

“জয় বাংলা ,জয় বঙ্গবন্ধু”

তার মাঝে একটা সুদর্শন ছেলে চারদিকে খুব তীক্ষ্ন দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছবি তুলছে।কেমন যেন লুকোচুরি একটা ভাব।
-এই ছেলে !এই ।
মেজর ডালিম থতমত খেয়ে দেখে বঙ্গবন্ধু তাকেই ডাকছে।”জ্বি আমাকে ডাকছেন?”
-আরে হ্যা,তোকেই।এভাবে লুকিয়ে ছবি তুলছিস কেন?বঙ্গবন্ধু পাইপটা মুখে নিয়ে বলল,নে এবার তোল ,যতখুশি তোল।
মেজর ডালিম অনিচ্ছা স্বত্বেও বেশ কয়েকটি ছবি তুলল,হাসি মুখে।

হরিদাসের সেলুনের সামনে লেখা,

শেখের বাড়ি যেইদিকে, হরিদাসের সেলুন সেই দিকে।

তার মনে সুপ্ত ইচ্ছা,তার সেলুনে একদিন শেখ সাহেব চুল কাটতে আসবে।

কর্নেল ফারুক এসেছে আন্ধা হাফেজের দোয়া নিতে ।আন্ধা হাফেজ বলে দিয়েছে তার কোন বিপদ নেই।সে যেই কাজে হাত দিয়েছে সেই কাজ সফল হবেই।

হুমায়ূন আহমেদের বাড়িতে তার এক উন্মাদ বন্ধু সকাল থেকে বসে আছে।হুমায়ূন আহমেদ বাসায় ছিলনা।বাইরে থেকে এসে ঘরে ঢুকতেই সে বলল”সাবধানে থাকবা।দেশে রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে।এই বলেই সে ঘর থেকে বের হয়ে গেল।

পনেরই আগস্ট শেষরাতে হরিদাস তার দোকানে ঘুমাচ্ছিল। হটাৎ ঘুম ভাঙল, মড়মড় শব্দ হচ্ছে- দোকান ভেঙ্গে পড়ছে।কি হচ্ছে কিছুই বুঝা যাচ্ছেনা। হরিদাস ভূমিকম্প হচ্ছে ভেবে দৌড়ে দোকান থেকে বের হয়ে হতভম্ব। এটা আবার কি?আলিশান এক ট্যাঙ্ক তার দোকানের সামনে ঘুরছে। ট্যাঙ্কের ধাক্কায় তার দোকান ভেঙ্গে পড়ে যাচ্ছে। ট্যাংকের ঢাকনা খোলা। দুজন কালো পোশাকের মানুষ দেখা যাচ্ছে। দোকান ভেঙ্গে ফেলার জন্য কঠিন কিছু কথা হরিদাসের মাথায় এসেছিল।সে কোনো কথা বলার আগেই ট্যাঙ্কের পেছনের ধাক্কায় পুরো দোকান তার মাথায় পড়ে গেল। পনেরই আগস্ট সূচনা ঘটল হরিদাসের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে।

ঢাকা মসজিদের শহর।সব মসজিদেই ফজরের আজান হয়।শহরের দিন শুরু হয় মধুর আজানের ধ্বনিতে।আজান হচ্ছে। আজানের ধ্বনির সঙ্গে নিতান্তই বেমানান কিছু কথা বঙ্গবন্ধুকে বলছে এক মেজর, তার নাম মহিউদ্দিন। এই মেজরের হাতে স্টেনগান। শেখ মুজিবের হাতে পাইপ। তার পরনে সাদা পাঞ্জাবি এবং ধুসর চেক লুঙ্গি।
শেখ মুজিব বললেন, তোমরা কি চাও? মেজর বিব্রত ভঙ্গিতে আমতা-আমতা করতে লাগল। শেখ মুজিবের কঠিন ব্যাক্তিত্বের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। শেখ মুজিব আবার বললেন, তোমরা চাও কি?
মেজর আবার আমতা-আমতা করে বললেন, স্যার, একটু আসুন।
কোথায় আসব?
মেজর আবারও আমতা-আমতা করে বলল, স্যার, একটু আসুন।
শেখ মুজিব বললেন, তোমরা কি আমাকে খুন করতে চাও? পাকিস্তান সেনাবাহিনী যে কাজ করতে পারে নি, সে কাজ তোমরা করবে?
এই সময়ে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র হাতে ছুটে এল মেজর নূর। শেখ মুজিব তার দিকে ফিরে তাকানোর আগেই সে ব্রাশফায়ার করল। সময় ভোর পাঁচটা চল্লিশ। বঙ্গপিতা মহামানব শেখ মুজিব সিঁড়িতে লুটিয়ে পড়লেন। তখনো বঙ্গবন্ধুর হাতে তাঁর প্রিয় পাইপ।
বত্রিশ নম্বরের বাড়িটিতে কিছুক্ষণের জন্য নরকের দরজা খুলে গেল। একের পর এক রক্তভেজা মানুষ মেঝেতে লুটিয়ে পড়তে লাগল।

মেজর ডালিম নামের একজন সকাল থেকে বারবার বেতারে বলছে,”স্বৈরশাসক বঙ্গবন্ধুকে এক সেনা অভ্যুথানের মাধ্যমে উত্খাত করা হয়েছে।”

সকাল এগারোটা পঁয়তাল্লিশে খন্দকার মোশতাক বেতারে ভাষণ দিলেন। তিনি আবেগমথিত গলায় বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের ‘সূর্যসন্তান’ আখ্যা দিলেন।মোশতাকের ভাষণের পর বঙ্গভবনে আনন্দ উল্লাস, কোলাকুলি, একে অন্যকে অভিনন্দনের পালা শুরু হয়েগেল। শুরু হলো মিষ্টি বিতারণ। মিষ্টি কেউ নিজে খাচ্ছে না। একজন অন্যজনকে খাইয়ে দিচ্ছে।
বঙ্গবন্ধুর মৃতদেহ তখনো তাঁর বত্রিশ নম্বরের বাড়িতে পড়ে আছে।

কর্নেল ফারুক অনেক চেষ্টা করেছেন।হিসাব মেলাতে পারেন নি। তার তো ফাঁসি হওয়ার কথা না।আন্ধাহাফেজের আশির্বাদ ছিলো তার সাথে।শুভদিন হিসেবে তার নিজের জন্মদিন ১৫ ই আগষ্টের ভোরবেলায় ফজরের আজানের ওয়াক্তে সে কার্য সমাধা করেছিলো। শাস্তিতো তার হওয়ার কথাছিলো না। বেটা আন্ধা হাফেজ কি তবে ভাঁওতাবাজ?

২০১০সালের ২৮শে জানুয়ারী রাত বারটা এক মিনিটে কর্নেল ফারুক সহ আরো কয়েকজনকে ফাঁসি দেওয়ার মধ্যে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করা হয়।

________________________
দেয়াল পড়ছি ফেব্রুয়ারীতে,বইটি হারিয়ে ফেলেছি।পি ডি এফ ফাইলে গল্পটা আছে।ওখান থেকে কোন লেখা পড়তে ভাল লাগেনা।তাই মোটামুটি নিজের স্মৃতিতে যা আছে তাই ই লিখেছি।আর হরিদাসের পুরা অংশটা “দেয়াল” থেকে নেওয়া।

৩৪ thoughts on “চশমা

  1. কিছুটা নষ্টালজিক হয়ে পড়লাম ।
    কিছুটা নষ্টালজিক হয়ে পড়লাম । ইতিহাসের ঘৃণিত ওই হায়েনাদের আপীলের রায়ের দিন সুপ্রিম কোর্টে ছিলাম । মাননীয় প্রধান বিচারপতির এজলাসের দরজায় দাঁড়িয়ে প্রতীক্ষা করছিলাম রায়ের । অবশেষে এলো সেই কাংখিত রায় । এখন বাকী ইবলিশ দের ধরে এনে বিচারের রায় কার্যকর করতে হবে । এক্ষেত্রে, আমাদের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করতে হবে ।

    1. ঠিক।আপনি ইতিহাসের একটি
      ঠিক।আপনি ইতিহাসের একটি চমত্‍কার রায়ের সাক্ষী ছিলেন।আর আমার মতে মাত্র পাঁচজনকে ফাঁসি দিয়েই সরকার এ বর্বরাচিত রাতের কথা ভুলে গেছে।কোন প্রকারের কূটনৈতিক তত্‍পরতা দেখছিনা

  2. ফারুকের সাথে রশিদ নামের এক
    ফারুকের সাথে রশিদ নামের এক সেনা অফিসারও ছিল। এই ব্যাটার কি ফাঁসি হয়েছিলো? বঙ্গবন্ধুর হত্যার রায়ের ব্যাপারে পুরোটা জানি না। বই টই যোগাড় করেছি। সময়ের অভাবে পড়তে পারছি না।
    “দেয়াল” বইটা পড়ার সময় নেশা ধরে গিয়েছিলো। আবার মনে করিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।

  3. আমি যতদূর মনে আছে
    আমি যতদূর মনে আছে ফারুক,আব্দুর রসীদ।খন্দকার মোশতাক,মহিউদ্দিন আহমেদ ও এই কয়জনের ই ফাঁসি হয়।দেয়াল বইটা হারিয়ে ফেলেছি,নাহলে আরো তথ্য দেওয়া যেত।আপনাক ধন্যযোগ

  4. রায়ে যাদের ফাঁসির আদেশ দেয়া
    রায়ে যাদের ফাঁসির আদেশ দেয়া হয় তারা হল- লে. কর্নেল (অব.) সৈয়দ ফারুক রহমান, লে. কর্নেল (অব.) খন্দকার আবদুর রশিদ, লে. কর্নেল (অব.) সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, মেজর (অব.) বজলুল হুদা, লে. কর্নেল (অব.) শরিফুল হক ডালিম, লে. কর্নেল (অব.) এএম রাশেদ চৌধুরী, লে. কর্নেল (অব.) একেএম মহিউদ্দিন আহমেদ, লে. কর্নেল (অব.) এমএইচবিএন নুর চৌধুরী, লে. কর্নেল (অব.) মোঃ আজিজ পাশা, লে. কর্নেল (অব.) মুহিউদ্দিন আহমেদ (আর্টিলারি), রিসালদার মোসলেমউদ্দিন ও ক্যাপ্টেন (অব.) আবদুল মাজেদ।

    1. রাহাত ভাই, তথ্যটা শেয়ার করার
      রাহাত ভাই, তথ্যটা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। আরেকটা জিনিস কি জানাতে পারবেন, ফাঁসিতেতে ঝোলানো হয়েছে কাকে কাকে? আর কারা এখনো পলাতক আছে, কোথায় আছে?

      1. আমার জানা মতে লে. কর্নেল
        আমার জানা মতে লে. কর্নেল (অব.) সৈয়দ ফারুক রহমান, লে. কর্নেল (অব.) খন্দকার আবদুর রশিদ,লে. কর্নেল(অব.) শরিফুল হক ডালিম,, লে. কর্নেল (অব.) একেএম মহিউদ্দিন আহমেদ এদের ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছে।

      2. রায়ান,
        ছয় পলাতক আসামীর মধ্যে

        রায়ান,
        ছয় পলাতক আসামীর মধ্যে চার জনের অবস্থান প্রায় নিশ্চিত। তারা হলো কানাডায় নূর চৌধুরী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাশেদ চৌধুরী আর ভারতে দিল্লিস্থ তিহার কারাগারে রয়েছে মাজেদ এবং মুসলেহউদ্দিন। আর দুই জনের একজন ডালিম অস্থির পাখির মত ফেরারি হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে তার সুবিধামত স্থানে। অপরদিকে মধ্যপ্রাচ্যের কোন এক দেশে ঘাপটি মেরে বসে আছে খন্দকার রশিদ।
        http://www.porshi.com/_arc_news_details.php?nid=334&rd=y&did=12 এই লিঙ্কে আরও তথ্য পেতে পারেন ।

  5. [বঙ্গবন্ধুকে দেখেই সে উঠে
    [বঙ্গবন্ধুকে দেখেই সে উঠে দাড়ালে বঙ্গবন্ধু তাকে বসতে বলল।]
    [পাইপ হাতে বসার ঘরে গিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবর দেখল]

    বলল, করল, দেখল ইত্যাদি শব্দগুলি বললেন, করলেন, দেখলেন এমন হলে কেমন হয়?

  6. দেয়াল পড়া হয়নি! এখন পড়তেই
    দেয়াল পড়া হয়নি! এখন পড়তেই হবে…
    রাইয়ান ভাই… অসংখ্য ধন্যবাদ!! :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: আর এই বঙ্গবন্ধুকে তারা হত্যা করেছে ঠিকই কিন্তু তার চেতনাকে পারে নি। যতদিন এই বাংলা থাকবে ততদিন তিনি থাকবেন…
    “বাংলাদেশ মানেই বঙ্গবন্ধু, আর বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ”

    জয় বাংলা… জয় বঙ্গবন্ধু…

  7. অসাধারন একটা কথা বললেন তারিক
    অসাধারন একটা কথা বললেন তারিক ভাই।যতদিন এই বাংলা থাকবে ততদিন তিনি থাকবেন।জয় বাংলা।জয় বঙ্গবন্ধু

  8. দেয়াল পড়া হয়নি। পড়তে হবে। ভাল
    দেয়াল পড়া হয়নি। পড়তে হবে। ভাল লাগল। তবে আমার কাছে দৃষ্যগুলো একটার পর একটা বেশ দ্রুত এবং হঠাত হঠাত এসেছে মনে হল।

  9. আপনার লেখা সব সময়ই পড়ি। কিছু
    আপনার লেখা সব সময়ই পড়ি। কিছু দিন ইস্টিশনে ছিলাম না। তাই এত দিন পড়া হয়নি,আজ পড়লাম।

    প্রতিবারের মতই ভাললেগেছে। খুব কম মানুষই মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু নিয়ে লিখে। আপনি তাদের একজন তাই প্রতিবার ই আপনাকে সম্মান দেই।

    লিখে যান… আরো পোস্ট চাই।

    আচ্ছা ভাই গল্পের না চশমা রাখার পেছনে কি কোন কারণ আছে??

    1. অফুরন্ত ধন্যবাদ,দেরিতে হলেও
      অফুরন্ত ধন্যবাদ,দেরিতে হলেও পড়ার জন্য।আসলে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়টা আমার একটা প্রানের সাবজেক্ট।হ্যা চশমা রাখার পিছে একটা কারন আছে ,তবে তা বলা যাবেনা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *