শাহবাগ-দেশ কাপানো সতের দিন

গণজাগরণ মঞ্চ বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার শাহবাগে ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখ শুরু হয়। এদিন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত আসামী আব্দুল কাদের মোল্লার বিচারের রায় ঘোষণা করে। কবি মেহেরুন্নেসাকে হত্যা, আলুব্দি গ্রামে ৩৪৪ জন মানুষ হত্যা সহ মোট ৬টি অপরাধের ৫টি প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকেযাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে। কিন্তু এতোগুলো হত্যা, ধর্ষণ, সর্বোপরী গণহত্যা ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ মেনে নিতে পারেনি। ব্লগার এণ্ড অনলাইনএক্টিভিস্ট নেটওয়ার্ক তাই সর্বপ্রথম এই রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেয়। আর এই আহ্ববানে সাড়া দিয়ে বিপুল সংখ্যকমানুষ ঢাকার শাহবাগে জড়ো হতে শুরু করে এবং এর অনুসরণে একসময় দেশটির অনেক স্থানেই সাধারণ মানুষের বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়। ইতিহাস সৃষ্টি হয় শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরের গণজাগরণ মঞ্চসহ সারা দেশের জাগরণ মঞ্চগুলোতে। টানা সতের দিন অবস্থান, দিন-রাত স্লোগান, পথ নাটক, গান, কবিতা পাঠের মাধ্যমে মানুষ প্রতিবাদ জানায় কাদের মোল্লার রায়ের এবং নিষিদ্ধের আওয়াজ তোলে স্বাধীনতাবিরোধী এবং যুদ্ধাপরাধী দল জামায়াত-শিবিরের।৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয় গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন।এ আন্দোলনে উদ্বেল অনুপ্রেরণা একাত্তরের মহাকাব্যিক মুক্তিযুদ্ধ। তারুণ্যের এ জাগরণ দেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকল মানুষকে আজ ঐক্যবদ্ধ করেছে। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিশ্ববাসীর সামনে বাংলার মানুষের যে পরিচিতি তৈরি হয়েছিলো, সেই পরিচয় আজ আবার এক নতুন মহিমায় ভাস্বর হয়ে উঠেছে। দেশের সকল জেলায় গণজাগরণ মঞ্চের অহিংস আন্দোলনের প্রেক্ষিতে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে যে জনমত সংগঠিত হয়েছে, তার সার্থক প্রতিফলন ঘটেছে গত ৩১ মার্চে মহান জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকারের কাছে জমা দেয়া এক কোটি সাত হাজার সাতশত একষট্টিটি স্বাক্ষরে। এর আগে গণজাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকে দেশ ও দেশের বাইরে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে কোটি কোটি মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ একদিকে যেমন দাবির যৌক্তিকতা প্রমাণ করেছে, অন্যদিকে এ দাবি পূরণে বর্তমান সরকারের প্রতি মানুষের আকাক্সক্ষার মূর্ত প্রকাশ ঘটেছে। এ আকাক্সক্ষা যৌক্তিক; কেননা, ইতিহাস পাঠে জানা যায়, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারটি প্রথম শুরু করেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার। কিন্তু পঁচাত্তরের কালো অধ্যায়ের পর পাল্টে যায় দৃশ্যপট। জাতির পিতাকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যার পর অভিভাবকহীন বাংলাদেশ চলে যায় ভয়াল মেঘমালার নিচে। হিংস্র হায়েনাদের নখরে বিদ্ধ হয় বাহাত্তরের পবিত্র সংবিধান, শ্বাপদেরা বন্ধ করে দেয় বঙ্গবন্ধুর শুরু করে যাওয়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রক্রিয়াটি। কেবল তাই নয়, নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশে রাজনীতি করার অধিকার লাভ করে যুদ্ধাপরাধীরা।এরপর দীর্ঘএকটি সময় জলপাই রঙের দুঃস্বপ্নে কেটে যায়; বাঙালির ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি আর সংগ্রামের দীর্ঘ ব্যাপ্ত সূর্যমুখী ক্যানভাস ঢেকে যায় কালো পর্দায়।
নব্বই দশকের প্রথম গোলার্ধে শহিদজননী জাহানারা ইমাম পুনরায় শুরু করেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে গণআদালত। কিন্তু তৎকালীন সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার তো করেই নি, উল্টো নাগরিকত্ব প্রদান করে পিশাচ গোলাম আযমকে, অপমান করেবাঙালির আকাঙ্খা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে। ২০০৮ এর নির্বাচনের আগে মহাজোট সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সুস্পষ্ট ঘোষণা উচ্চারিত হয়।বিচারকার্য শুরুও হয়।

কিন্তু একটি ভুল রায় নাড়িয়ে দেয় প্রজন্মর চেতনা।শুরু হয় গনজাগরন।এক নজরে দেশ কাঁপানো ১৭ দিন-

কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে গনজাগরনের সূচনা।

সব যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল শাহবাগ হয়ে যায় প্রজন্ম চত্বর।

জামায়াত শিবির নিষিদ্ধ করার দাবি উঠে।

লাখো মানুষের সমাবেশ,অব্যাহত আন্দোলনের শপথ।

৬৪ জেলার জন্য জ্বালানো হয় ছয় হাজার চারশ মোমবাতি।

স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি,সংসদে আন্দোলনে একাত্মতা ঘোষনা।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল আইনসংশোধনের খসড়া মন্ত্রীসভায় অনুমোদন।

সারাদেশে একযোগে তিনমিনিট নিরবতা পালন।

বসন্তবরন নানা প্রতীবাদী আয়োজনে।
১০
সারাদেশে সন্ধ্যে সাতটায় একযোগে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন।
১১
ব্লগার রাজীব খুন,বদলে গেল দৃশ্যপট।
১২
রাজীবের কফিন ছুঁয়ে রাজাকার মুক্ত দেশ গড়ার শপথ।
১৩
সংসদে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল আইন সংশোধনের বিল পাস।
১৪
কালো ব্যাচ ধারন ও কালো পতাকা উত্তোলন।
১৫
জামায়াতের নানা অপপ্রচারেও ক্লান্তিহীন প্রতিবাদ।
১৬
মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে উড়ানো হয় বেলুন সঙ্গে চিঠি।
১৭
মহাসবাবেশ।ছয় দফার আলটিমেটাম।

৩৩ thoughts on “শাহবাগ-দেশ কাপানো সতের দিন

  1. আমি আর গণজাগরনের সাথে নাই।
    আমি আর গণজাগরনের সাথে নাই। কারন এদের কারনেই হেফাজতের তৈরী হলেও এরা আজ হেফাজতীদের কাছে ছাত্র।
    এরা কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবীতে রাস্তায় নামলেও আজ সুপ্রিম কোর্টর আপিল নিষ্পত্তিতে বিলম্ব করলেও অনলইন বা ব্লগে কউকে এ বিষয়ে মুখ খুলতে দেখছি না। মানে কি ? আদালত অবমাননা হবে।
    গুষ্টি কিলাই ঐ আদালতের যে আদালত দেশের অস্তিত্বের শত্রুদের জামাই আদর করে।
    খালেদা বার বার মিথ্যা বলে কোর্টকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখালেও যে আদালত কোন প্রতিবাদ বা নোট দেয়না, খাতা পুরি ঐ সকল আদালতের।সাধারণ জনগণ হলে আইনের বইয়ের সারি সারি বয়ান শুনতাম। এখানে কবি নীরব।
    গণজাগরনের আসল উদ্দেশ্য ছিল আওয়ামীলিগকে ডুবানো, এটা তাদের পূর্ব পুরুষরা ৭৫-এ করেছিল। আজ তারা করেছে এবং সফল হয়েছে।
    আজ ঐ আ্ন্দোলনের ফলে দেশ ব্যাপি রাজাকার ও হেফাজতীরা সহ বিএনপির জোট ভালো অবস্থানেই আছে। আর এ অবদান অবশ্যই ঐ “গণ জাগরণ নামক মঞ্চের।

    1. গণজাগরনের আসল উদ্দেশ্য ছিল

      গণজাগরনের আসল উদ্দেশ্য ছিল আওয়ামীলিগকে ডুবানো, এটা তাদের পূর্ব পুরুষরা ৭৫-এ করেছিল। আজ তারা করেছে এবং সফল হয়েছে।

      বাহ দারুন বলেছেন তো। :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া:
      গণজাগরণ মঞ্চকে দখল করল আওয়ামী পান্ডারা, এক একজন বিশাল সেলিব্রেটি বনে গেলো। ইমরান এইচ সরকার কোন দল করে সেটা আমরা কেউ জানিনা মনে করেন? হেফাজতকে মাথায় তুলল কে? সিলেট থেকে চট্টগ্রাম সবখানেই আওয়ামী নেতারা পর্যন্ত তাঁদের বিরিয়ানি খাইয়ে জামাই আদর করল। ব্লগারদের গ্রেফতার করে হেফাজতসহ জামাতকে আরও মাথায় তুলল। ওলামা লীগের পক্ষ থেকেও লিস্টি বানানো হইল। হেফাজকে মাথায় তুলে দিয়ে যখন বিপাকে পড়ল তখন ৫মে রাতের অন্ধকারে অভিযান চালানো হোল। আওয়ামী লীগ তার বিশ্বাস ঘাতকতার ফল পেয়েছে। ৭৫ এর শত্রুর মতো কারা আওয়ামী লীগের পিঠে ছুড়ি মারছে আমরা সবাই জানি। আপনার মতো চাটুকারের দল। যারা নিজের দলের ভুল ত্রুটি চোখে দেখে না। দেখবে কিভাবে? দেখলে তো আবার ঘি-মাখন খাওয়া হবে না। আর আজ চার সিটি নির্বাচনে ভরাডুবি হওয়ার পর সেই মঞ্চের ঘাড়েই দোষ চাপিয়ে দেওয়া। পারেন বটে আপনারা।

      1. ধন্যবাদ মি: আতিক আমাকে
        ধন্যবাদ মি: আতিক আমাকে চাটুকার বানানোর জন্যে। তবে আপনার অবগতির জন্যে বলছি আমি আমার জীবনে কোন রাজনীতিক দলকে প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন দেইনি। শুধু একটি পক্ষকে সমর্থন দিয়ে আসছি আর দিয়ে যাব তা হলো স্বাধীনতার পক্ষকে। সে কোন দল বা ব্যাক্তি এটা আমার কাছে খুব বেশী বড় নয়, তার ভুমিকাই আমার কাছে বিবেচ্য।

        আর আমি যে কারনে তথাকথিত গণজাগরন মঞ্চের কথা বলেছি তা আশা করি আপনি খুব ভালোভাবেই বুঝেছেন। গণজাগরন মঞ্চ কারা তৈরী করেছিল বা কাদের হাতে নেতৃত্ব ছিল সবাই তা জানি। আর তাদের ব্যাকরাউন্ড কি ছিল তাও জানি। এটা আমি নতুন করে বলতে চাইনা। কারা কাকে বোতল ছুরে মেরেছিল আবার কাকে জামাই আদর করে তাদের দলভুক্ত করেছিল বা কাদের দলে আসার আহবান করেছিল তা ঐ সময়ের পত্রিকার পাতা গুলো একটু ঘুরে আসলে সব কিছু পরিস্কার হয়ে যাবে।

        গণজাগরন মঞ্চের আগে হেফাজতীদের উদ্ভব হয়। কিন্তু তারা প্রকাশ্যে বা লাইম লাইটে আসতে পারে নাই। তারা কখন এসেছে ? এটা নিশ্চয়ই জানেন।
        আর মতিঝিলে আসার অনুমতি একটা গণতান্ত্রিক দেশ হিসাবে সরকার বাধ্যছিল। তা না হলে এর চেয়েও মারাত্মক অবস্থায় সরকারকে পড়তে হত। কিন্তু ঐ হেফাজতিদের সেই ভয়াবহ রুপটির তৈরী করেছিল কারা ? একবার না হয় ভেবে দেখবেন। ধন্যবাদ।

        1. হেফাজতিদের লাইম লাইটে এনেছে
          হেফাজতিদের লাইম লাইটে এনেছে সকল প্রকার চাটুকার ব্যক্তি।আর পত্র পত্রিকার কথা বললেন,হায়রে ভাই টাকা দিলে ৭১ এর বঙ্গবীর ১৩ এর বিড়াল হয়ে যায়।আর এটা তো সামান্য পত্রিকা

        2. আমীন আহম্মদ, আপনাকে একটা
          আমীন আহম্মদ, আপনাকে একটা সিম্পল প্রশ্ন করি, কাদের মোল্লার রায়ের প্রতিবাদে জেগে ওঠা শাহবাগের আন্দোলন কি ভুল ছিল তাহলে?
          এরপর বাকী আলোচনা করা যাবে।

          1. না, ভুল ছিল না। তবে সেটাকে
            না, ভুল ছিল না। তবে সেটাকে ভুল পথে ব্যবহার করা হযেছিল। আর দীর্ঘ সময়ের কারনে তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল। এটা আমার কথা নয় শুধু, আপনি পুরো দেশে না হয় একটা নীরপেক্ষ জরিপ করে দেখতে পারেন।

            কাদের মোল্লার ফাসির দাবীতে জড়ো হবার পর তা থেকে সরকার ও আদালতকে আতাতকারী আখ্যা দেয়া এবং পরবর্তিতে ছাত্রলীগ-যুবলীগ ও বামদের বড় বড় নেতাদের আন্দোলনে যুক্ত করার কারনেই আজ ঐ আন্দোলনের বিশ্বাস যোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ। আমার মনে হয় আমি বুঝাতে পেরেছি। ধন্যবাদ।

          2. ছাত্রলীগ- যুবলীগ, বামদের বড়
            ছাত্রলীগ- যুবলীগ, বামদের বড় বড় নেতারা আন্দোলন ভুল পথে চালিত করল, আবার সেই আপনিই দোষ দিচ্ছেন শাহবাগের তারুণ্যকে। বিষয়টা কেমন কনফিউজিং হয়ে গেলো না?

          3. ছাত্রলীগ- যুবলীগ, বামদের বড়

            ছাত্রলীগ- যুবলীগ, বামদের বড় বড় নেতারা আন্দোলন ভুল পথে চালিত করল

            আমি সম্ভবত কথাটা এভাবে বলিনি। আপনি খেয়াল করলেই বিষয়টি পরিস্কার হবে। কারন আমি কিন্তু আন্দোলন কারীদের কথাই বলেছি। তারাই ছাত্রলীগ-যুবলীগ ও বামদের আ্ন্দোলনে বিভিন্ন পরিচয়ে যুক্ত করে দর বড় বা শক্তিশালী করতে চেয়েছিল।

            তার কারন সম্ভবত সরকারের নিকট হতে সফট কর্নার পাবার আশা। থাবাবাবার বিষয়টিকে ঘিরে ব্লগারদের নিয়ে যে বিতর্ক হয়েছিল সম্ভবত সেখানে সরকারের সাপোর্ট আশা করেছিল।

            আবার অন্যদিকে সরকারকে মীরজাফরও উপাধী দিয়েছিল। যারা উপাধী দিয়েছিল তারা কেউ আওয়ামীলিগ, কেউ ছাত্রলীগ বা যুবলীগ আবার কেউ বাম ঘরনার রাজীতিতে সরাসরি জড়িত। বিষয়টি কি এখানে গোল পাকিয়ে গেলনা ? আর এখান হতেই বিএনপি, আমারদেশ বা হেফাজতিরা সুযোগ হাতিয়ে নিয়ে আন্দোলনকে একটা সরকারী চাল হিসাবে দেশ-ব্যাপি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। আর ব্লগাররা নাস্তিক ও ইসলাম বিরোধী এটাও প্রতিষ্ঠিত হতে থাকে।

            যার ফলে আজকের সিটি নির্বাচনে বাড়ী বাড়ী জামায়াত-শিবির-হেফাজতিরা যখন ল্যাপটপ নিয়ে ভোটারদের বুঝাতে স্বক্ষম হয়েছিল সরকার বা আওয়ামীলিগ ইসলাম বিরোধী, তারা ব্লগার ও শাহাবাগী নাস্তিকদের প্রশ্রয় দিয়েছে, তখন কিন্তু শাহাবাগীরা ঐ অভিযোগের জবাব একই ভাষায় বা প্রক্রিয়ায় দিতে পারেনি বা দেয়নি। এখানে নীরব থাকার কারন তাহলে কি ছিল ?

          4. বাহ, ভালো আবদার করলেন? তো
            বাহ, ভালো আবদার করলেন? তো জামাত হেফাজতিরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ল্যাপটপ নিয়ে নিয়ে যে মিথ্যে প্রচারণা চালাল, সেখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সমর্থকরা কি করল? নাকি ঐ কাজটাও ব্লগারদের?
            শাহবাগ থেকে যখন প্রথমেই আমার দেশ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হলো তখন কেন নিলো না? পরে তো ঠিকই গ্রেফতার করা হলো। কিন্তু ততক্ষনে ঐ কুলাঙ্গার যা করার করে ফেলছে। জামাত নিষিদ্ধের ব্যাপারে সরকারের মুখে কোন রা নেই কেন? এই প্রসঙ্গ আসলেই খুব সুন্দর ভাবে বল হাই কোর্ট আর নির্বাচন কমিশনের কোর্টে ঠেলে দেওয়া হয়।
            আর আপনি কেন মনে করছেন আমি শাহবাগের ওইসব তথাকথিত নেতাদের পক্ষ নিয়ে কথা বলছি? আমি তাঁদের পক্ষে কথা বলছি যারা কোন দল করে না। শুধুমাত্র চেতনা আর দেশপ্রেমের আবেগে আমরা যারা শাহবাগে জড়ো হয়েছিলাম। কিন্তু আপনার সেই আওয়ামী দলবাজেরা আমাদের চেতনা লুটে ফায়দা হাসিল করে নিয়ে এখন দোষ আমাদের ঘাড়েই চাপাচ্ছে। ভালো তো… আর বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে এখন এই পরিসরে বলতে চাচ্ছিনা। এখন একটা পাগলেও জানে আওয়ামী লীগ এই বিচার নিয়ে রাজনীতির নোংরা খেলা খেলেছে এবং এখনও খেলছে। ১৭ই এপ্রিল পত্রিকায় নিউজ এলো গোলাম আজমের রায় যে কোন দিন। দুই মাস হয়ে গেলো। আজ ১৮ই জুন। সেই যে কোন দিন আর এলো না। কাদের মোল্লার আপীলের শুনানির কি হলো? আর সাঈদীর আপীলের? জনগণের আবেগ নিয়ে খেললেনও আপনারা, আর দিনশেষে দোষ গিয়ে পড়ল সেই জনগণের ঘাড়েই।

          5. “””” পরবর্তিতে
            “””” পরবর্তিতে ছাত্রলীগ-যুবলীগ ও বামদের বড় বড় নেতাদের আন্দোলনে যুক্ত করার কারনেই আজ ঐ আন্দোলনের বিশ্বাস যোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ”””””

            তাদের কি দাওয়াত পত্র দিয়ে আনা হয়েছিল নাকি নিজেরা এসেছিল ?? এখানে বি এম পি করে এমন তরুন ও ছিল । তারা এখানে আওয়ামিলিগ বি এন পি হয়ে নয়। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের হয়ে এসেছিল।

          6. ছাত্র লীগ ,বামলীগের ছেলেরা
            ছাত্র লীগ ,বামলীগের ছেলেরা যদি স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাস করে আমাদের সাথে যোগ দেয় তাহলে আমরাতো আর তাদের পলিটিকাল ভিউ দেখে তাদের সরিয়ে রাখতে পারিনা।

        3. ভাইজান, ইমরান এইচ সরকার
          ভাইজান, ইমরান এইচ সরকার গণজাগরণ মঞ্চের আগে কোন দল করত? তার কি দায়িত্ব ছিল? আপনি কি জানেন? ইমরান এইচ সরকারকে প্রথম দিকে কারা জামাই আদর করেছিল? কোন হাউজ থেকে কর্মসূচী দেওয়া হত? কর্মসূচীর বাহক কারা ছিল? তার নিরাপত্তার দায়িত্ব কাদের উপর ছিল? কোথায় তার অস্থায়ী বাসভবন ছিল? আমরা সব জানি। আপনারা পিঠে ছুড়ি বসাতে পারলে আমরা আমজনতা প্রকৃত তথ্যও ফাঁস করতে পারব। সময়ের জন্য অপেক্ষা করেন। ফেসবুকে আওয়মামী গালিবাজরা প্রকাশের অযোগ্য শব্দ ব্যবহার করে ধর্ম বাঁচাতে নেমেছে। রাজীব ওরফে থাবা বাবাকে কোন বামদলের নেতা জাতীয় বীর ঘোষনা দেন নাই। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তার বাসায় গিয়ে তাকে জাতীয় বীর ঘোষনা দিয়েছেন। এটাতো বেশী দিনের আগের কথা নয়। ইতিহাস বদলে দিতে আওয়ামীদের তুলনা নাই। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি শুধু আওয়ামীলীগকে বানালেন? নয়মাস অন্য মুক্তিযোদ্ধারা ঘাস কেটেছিল?

          কোন বামদল জামায়াতের সাথে ঐক্য করে আন্দোলন করে নাই। গোলাম আজম থেকে দোয়া নিতে কোন দলের নেত্রী গিয়েছিলেন? এসব তথ্যতো সবার কাছেই আছে। গণজাগরণ কেন হয়েছিল? কার বিরুদ্ধে হয়েছিল?

          আপনি বলছেন কোন দল করেন না। কিন্তু কথা বলছেন আওয়ামী তোতা পাখির মত। বেঈমানী জিনিসটা আওয়ামীরাই করতে পারে খুব সহজেই।

          আজকে বামপন্থীরা দায়ী হয়ে গেল? প্রয়োজনে

          1. ধন্যবাদ দুলাল ভাই। আপনি আমাকে
            ধন্যবাদ দুলাল ভাই। আপনি আমাকে একটা ট্যাগে নিয়ে মনস্থির করে তারপর লিখেছেন, তাই অনেকগুলো প্রশ্ন করেছেন।

            ভাই আপনার ঐ প্রশ্নগুলো আমারও। সাথে আমি এও যোগ করতে চাই কারা হানিফকে বোতল ছুড়ে মেরেছিল ? কারা প্রকাশ্যে আওয়ামীলিগের কাউকে (যদিও রাজনীতিবিদদের শব্দটি ব্যবহার করেছিল) মঞ্চে আসতে দিবেন না বলে ঘোষনা দিয়েছিল ? কারা বিএনপি সহ অন্য সকলকে মঞ্চে আসার জন্যে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ আমন্ত্রণ করেছিল এবং কেন করেছিল ? আশা করি আপনার প্রশ্ন গুলোর সাথে আমার প্রশ্নগুলোরও উত্তর আমি পাব।……অপেক্ষায় থাকলাম।

            ভাই আমি কোথাও বলিনি আওয়ামীলিগই একমাত্র মুক্তিযোদ্ধার স্বপক্ষ শক্তি। আমি বলেছি স্বপক্ষদলকে আমি সমর্থন করি। এখানে আওয়ামীলিগ বা বিএনপির নাম বা বাম দলের নাম উল্লেখ করিনাই।

            যেহেতু আপনি ধরেই নিয়েছেন আমি আওয়ামী তোতা পাখি, তাই আপনার অনুমান করা স্বাভাবিক বৈকি। ধন্যবাদ।

    2. হায়রে ভাই এক কথায় ই তো বলে
      হায়রে ভাই এক কথায় ই তো বলে দিলেন যাব না।গনজাগরনের জন্য হেফাজতের সৃষ্টি আরো কতকিছু।হেফাজত সহ বিএনপির সবাই ভাল অবস্থানে আছে এই গনজাগরন মঞ্চের কারনে।আপনি যেকোন ব্লগারকে কে প্রশ্ন করে দেখতে পারেন আমি আজ পর্যন্ত কোন সহ ব্লগারকে আঘাত দিয়ে কথা বলিনি।আজ বললাম ধিক্কার আপনার মত মানসিকতার মানুষকে।

    3. @আমিন ভাই
      প্রথমত –
      আমি আর

      @আমিন ভাই

      প্রথমত –

      আমি আর গণজাগরনের সাথে নাই

      এই কথাটা কিন্তু পরোক্ষ ভাবে হেফাজত তথা জামায়াত দের উস্কানি/চুলকানি দিবে এবং স্বপক্ষের অনেককে দ্বিধায় ফেলবে !!! কেননা সপক্ষ সহসা বিপক্ষ হলে সেটা আলোচনার পরিবর্তে সমালোচনা রুপ ধারন করে ।

      দ্বিতীয়ত –

      এরা কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবীতে রাস্তায় নামলেও আজ সুপ্রিম কোর্টর আপিল নিষ্পত্তিতে বিলম্ব করলেও অনলইন বা ব্লগে কউকে এ বিষয়ে মুখ খুলতে দেখছি না।

      কে বলেছে ব্লগে কেও মুখ খুলছে নাহ !!! এভাবে না জেনে কথা বলে আপনি কি প্রমান করতে চাচ্ছেন !!!!
      বিরধিতা করবেন ভাল !!! কিন্তু যৌক্তিক ভাবে করাটা শ্রেয় !

      তৃতীয়ত –

      গণজাগরনের আসল উদ্দেশ্য ছিল আওয়ামীলিগকে ডুবানো, এটা তাদের পূর্ব পুরুষরা ৭৫-এ করেছিল। আজ তারা করেছে এবং সফল হয়েছে।

      ভাই এই কথার মানে কি !!!!!! মজা লন নাকি? ফাজলামির একটা লিমিট থাকে !!!

      আওয়ামীলীগ এর বিফলতা আপনি গনজাগরন মঞ্চ এর উপর চাপাইতাছেন কেমেনে !! বুঝি না !! আমি বেশি যুক্তি বুঝিনা । ছোট্ট মস্তিস্কে যা ধারন করি সেটা থেকেই বলছি -।
      সমালোচনার আতিশয্যে আপনি তারুন্নের আবেগ কে / উজ্জীবিত চেতনাকে / অখণ্ডিত দেশপ্রেম কে অপমানিত করছেন !!!
      বুঝি নাহ !! কেমনে কি !!! :মানেকি: :মানেকি: :মানেকি:

    4. “”””” আজ সুপ্রিম কোর্টর আপিল
      “”””” আজ সুপ্রিম কোর্টর আপিল নিষ্পত্তিতে বিলম্ব করলেও অনলইন বা ব্লগে কউকে এ বিষয়ে মুখ খুলতে দেখছি না””””

      এর জন্য আগে দুইটি প্রশ্ন ইস্টিশনে কি নতুন আপনি? আপন কি নিয়মিত?

      অন্য ব্লগের কথা বলব না আমাদের ইস্টিশনে এই নিয় লিখা লিখি হয়েছে।

      পুরাতন পোস্ট ঘেটে দেখুন।

  2. গনজাগরন মন্ঞ্চকে কিছু বলা
    গনজাগরন মন্ঞ্চকে কিছু বলা যাবে না.…কারন একে খারাপ বললে নিজের গেয়েই থুতু ছিটানোর মত ব্যাপার হয়ে যাবে.…যাই হোক যারা আমাদের স্বপ্ন নিয়ে খেলল…আমাদের আশা-চেতনা-অস্তিত্বকে দুমড়িয়ে মুচরিয়ে শেষ করে দিল তাদের প্রতি কোন সহানুভূতি আমার নাই.…

  3. ভালো বলেছেন ভাই..…ওরা যতবার
    ভালো বলেছেন ভাই..…ওরা যতবার রাজাকার হবে আমরা ততবার মুক্তিযোদ্ধা হব

  4. হুম । আর একবার তারুন্নের ডাকে
    হুম । আর একবার তারুন্নের ডাকে সারা দিতে হবে – কথাটা মানতে পারলাম নাহ !!!!!!!!! একবার কেন? অসঙ্খবার হবে – হতে হবে !!!!!!!!
    কিন্তু সেই আন্দোলন এর জন্য দরকার সঠিক পরিকল্পনা !! বাংলাদেশের রাজনৈতিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের উপযুক্ত সময় নির্বাচন করে তারপর একাত্ম হতে হবে – প্রানে প্রান মিলাতে হবে ।

  5. বাহ! চমৎকার !!!
    আমি এখানে

    বাহ! চমৎকার !!!
    আমি এখানে কাউকেই গালি দেইনি, কোন ট্যাগ লাগাইনি। কিন্তু আমাকে কিছু অতি সুন্দর সুন্দর বিশেষণ দিয়ে বিষেশায়িত করা হলো। বাহ ! ভালোতো …ভালো না ?

    আমি চাটুকার, আওয়ামীলিগার, ফাজিল………….বাহ!
    ভাই সাহেবরা, আমি কিন্তু আমার অপিনয়ন জানিয়েছিলাম, লেখক বা মন্তব্যকারী বা প্রতি-মন্তব্যকারী কাউকেই কোন আক্রমণ বা অপদস্ত করিনাই। এই তাহলে তারুন্য ! এই তাহলে জাগরণ ! বেচে থাকুক তাহলে অনন্ত কাল !

    আমি কি আওয়ামীলিগার ? তার জবাব আস্তে আস্তে না হয় আপনারা পাবেন। আমি ফাজিল- এটা মনে হয় এখানেই পেয়েছেন আসলে আমি ফাজিল না অন্য কেউ। আর আমি চাটুকার ? এটার প্রমাণের ভারও আগামীর জন্যে রাখলাম।

    সময় সুযোগ পেলে আসব, মন্তব্য করব। আর আস্তে আস্তে সবাইকে চিনতে পারব।
    আমি ভাই কোন খ্যাতমানা ব্যাক্তি বা ব্লগার নই। তাল পাতার সেপাই। তাই আমারে নিয়ে না ভেবে ফাসীর দড়ি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে না হয় দু-চারটি ভাষন দিয়ে আসেন, হয়ত বেশ ফলও হতে পারে। ধন্যবাদ সবাইকে।

    1. আপনি আওয়ামী লীগের ব্যর্থতার
      আপনি আওয়ামী লীগের ব্যর্থতার দায় শাহবাগের তারুন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দিলেন। শাহবাগের ধান্দাবাজ নেতাদেরই দেখলেন। অথচ লক্ষ লক্ষ তরুণ, যারা শুধুমাত্র দেশকে ভালোবেসে শাহবাগে ছুটে গিয়েছিলো তাদের চেতনাকে অপমান করতে আপনার একটুও বাঁধল না?

      1. জনাব আতিক সাহেব, আমি
        জনাব আতিক সাহেব, আমি তারুন্যের ঘারে চাপিয়ে দেইনাই, যারা রাতারাতি নেতা বনে গিয়েছিলেন এবং যারা ঐ মঞ্চ করে নেতৃত্ব ভাগিয়ে নিয়েছিলেন, তাদেরকে দায়ী করেছি।

        সারা দেশে হতে যেসকল তরুণরা এসেছিলেন, আমি তাদের শ্রদ্ধা করি। কারন, তারা এসেছিলেন নি:স্বার্থ ও অন্তর হতে দাবী নিয়ে। কিন্তু এর অন্তরালে যে রাজনীতি ও অপ-রাজনীতি লুকায়িত ছিল তা তাদের ঐ সময়ে বোধগম্য ছিলনা। তবে এখন অনেকেই তা জেনেছেন বা বহু অংশগ্রহনকারী আমাকে ফেবুতে ইনবক্সে তাদের ক্ষোভের কথা জানিয়েছেন।

        তাই আমি তাদের কোন অপমাণ করিনি বা করবও না। ধন্যবাদ।

  6. পোস্ট পড়ে যে মন্তব্য করবো
    পোস্ট পড়ে যে মন্তব্য করবো মনে করেছিলাম , নীচে মন্তব্যগুলো পড়ে এখন আর সেটা করতে ইচ্ছে করছে না।
    কেউ ঘোষণা দিলো ” আমি আর গণজাগরণের সাথে নাই” । তারপরও আপনারা কীভাবে তার সাথে তর্ক করেন !!!!!
    স্রোতে গা ভাসানো দলের মধ্যে উনিও পড়েন। স্রোত এখন অনুকূলে নাই তাই উনিও নাই।
    গণজাগরণ মঞ্চের জন্য হেফাজত সৃষ্টি হয় নাই। গণজাগরণ মঞ্চকে ভাঙ্গার জন্যই হেফাজত সৃষ্টি হয়েছে। সরকার উভয় দলকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য দুই নৌকায় পা দিয়েছিল। কিন্তু একুল অকুল দুকুলই হারিয়েছে।
    সামনের সারির কিছু গলা ফাটানো চামচা টাইপ লোকের জন্য আজ এই অবস্থা। কিন্তু গণজাগরণ মঞ্চের মুল যে উদ্দেশ্য তা কিছু বিচ্যুত হয় নি, হবেও না। কেউ যদি ওই চামচা টাইপ লোকের জন্য গণজাগরণ মঞ্চকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তবে তার সাথে কথা বলা বৃথা।

  7. আজ দুই দিনে একটা জিনিস লক্ষ্য
    আজ দুই দিনে একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম। কিছু কিছু ব্লগার রা গনজাগরনের বিপক্ষে শাহবাগ আন্দোলনের বিপক্ষে।

    তাদের ধরা খুব কঠিন।

    কিন্তু একটা গল্প পরেছিলেন ঐ যে অভ্যাস বসত একটা শেয়াল ধরা পড়ে যায় ।
    এমনই আবার এরাও ধরা পড়ে।

    আমি রাজাকারদের বিচারে জন্য সকল আন্দোলনে একমত জানাই কে ডাকল সেটা বিষয় নয়।

  8. আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে
    আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে এই আন্দোলনের সফলতা ও ব্যার্থতা সবই আমাদেরকেই বহন করতে হবে..…সফলতার অংশটুকুই শুধু আমরা নেবো আর ব্যার্থতার গ্লানি অন্যের ওপর চাপিয়ে দেবো তা কিন্তু হবে না.…আবার এটাও স্মরণে রাখতে হবে আন্দোলনের ফসল যাতে কেউ নিজের ঘরে না তুলতে পারে…এখন-ও কিন্তু খুব দেরী হয় নাই.…

  9. আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে
    আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে এই আন্দোলনের সফলতা ও ব্যার্থতা সবই আমাদেরকেই বহন করতে হবে..…সফলতার অংশটুকুই শুধু আমরা নেবো আর ব্যার্থতার গ্লানি অন্যের ওপর চাপিয়ে দেবো তা কিন্তু হবে না.…আবার এটাও স্মরণে রাখতে হবে আন্দোলনের ফসল যাতে কেউ নিজের ঘরে না তুলতে পারে…এখন-ও কিন্তু খুব দেরী হয় নাই.…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *