প্রধানমন্ত্রীর অতিশয়উক্তি।।

না না প্রধানমন্ত্রী, আপনার কথার সাথে আমি একমত হতে পারলাম না। সেদিন খবরের কাগজে দেখলাম নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী তার জনপ্রিয়তা যাচাই এর উদ্দেশ্যে নিজে ট্যাক্সিক্যাব নিয়ে বেড়িয়ে পড়েছিলেন। জনগনের মুখোমুখি হয়েছিলেন। তিনি তার যাত্রীদের সাথে আলাপ করেছেন সুবিধা অসুবিধা গুলি শুনেছেন। তিনি ছদ্দবেশ নিলেও কিন্তু নিজেকে আড়াল করার চেষ্টা করেননি। আপনার অবগতির জন্য বলছি, আমরা আপনার কাছে ঐ মাপের ভদ্রতা আশা করি না। কারন আমরাও অতটা ভদ্র জাতী হিসাবে নিজেদের দাড় করাতে পারিনি, তবে মিনিমাম বিনয়টা তো আশা করতে পারি। আপনি বিদ্যুতের লোডসেডিং নিয়ে যা বললেন, তা যে কোন রাষ্ট্রনায়ক বলতে পারে, তা বিশ্বাস করতেই কষ্ট হয়। কিন্তু আপনি কি অবলীলায় বলে গেলেন। আগামীতে লোডসেডিং বাড়বে কারন জনগন যাতে লোডসেডিং এর কষ্ট কি সেটা যেন সহসা না ভুলে যায়। এই যদি আপনার দর্শন হয় তাহলে বলবো আপনার মধ্যে সহমর্মিতার বড়ই অভাব আছে। যদিও আমরা জানি আপনি বরাবরই ঠোটকাটা টাইপের একজন বক্তা। তা সত্তেও রাষ্ট্রনায়কের একটি আলাদা নর্ম থাকে যা আপনাকে মেনে চলতে হবে। রাষ্ট্রের মানুষ তো দুরের কথা একটি পশুও যদি কষ্টে থাকে তার জন্যেও আপনাকে রাষ্ট্রের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। আপনি আপনার বিপক্ষের মতামতকে তোয়াক্কা করেন না। এটা এত অপকটে না বলাটাই উত্তম। আপনার চিন্তা ও চেতনায় থাকবে রাষ্ট্রের জনগন আপনার আমানত। তাদের সর্বোচ্চ সুখ ও শান্তি প্রদান করার মহান ব্রত নিয়েই আপনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। আপনি শাসক নন সেবক হতে চেয়েছিলেন। আজ কিন্তু আপনার কথায় সেবকের সেই সুরেলা ধ্বনিটি নেই, আছে শাসকের ঝাজ। যা বঙ্গবন্ধু কন্যার কাছ থেকে কেউ আশা করে না।

৬ thoughts on “প্রধানমন্ত্রীর অতিশয়উক্তি।।

  1. এইখানে যা লেখছেন নাগরিকেও তো
    এইখানে যা লেখছেন নাগরিকেও তো তাই লেখা, তাইলে “সি মোর অ্যাট” মানে কি ??? :কনফিউজড: :কনফিউজড: :কনফিউজড:

  2. লোডশেডিং নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ঐ
    লোডশেডিং নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ঐ কথাটি ফান করেই বলেছেন।প্রধানমন্ত্রীত্বের বাইরেও উনার একটি পরিচয় আছে, উনি দোষে গুনে মানুষ।মানুষের রঙ্গ রস বোধ থাকবে ইহাই স্বাভাবিক ।

  3. এই প্রধানমন্ত্রী আর ৯৬ – ২০০১
    এই প্রধানমন্ত্রী আর ৯৬ – ২০০১ এর প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে আকাশ পাতাল ব্যবধান । উনি কথা – বার্তায় যথেষ্ট সংযমী হয়েছেন আগের থেকে । কিন্তু এই ডায়ালগ টা যে ক্যান দিতে গেলেন, বোধগম্য নয় আমার কাছে । না দিলেই ভাল করতেন ।

  4. দোষে-গুনে একজন মানুষ। একজন
    দোষে-গুনে একজন মানুষ। একজন মানুষের দোষ-গুন থাকবে এটাই স্বাভাবিক। অন্যান্য নেতা-নেত্রীর সাথে তূলনা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অতিকথন বিষয়টি পরিহার করে তার গুনের পর্যালোচনা করলে তিনি অন্ততঃ পক্ষে আরও একটি টার্মে সরকার গঠন করার এক নম্বর দাবীদার এটাতে কারও দ্বিমত থাকার কথা নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *