রানা প্লাজা ও কিছু টুকরো স্মৃতি

এতদিন পর রানা প্লাজার ‘হত্যাকান্ড’ নিয়ে লেখার কিছু আছে?এ নিয়ে তো লেখালেখি কম হলনা।আমি রানা প্লাজার ঘটনা নিয়ে কোন বিচার বিশ্লেষণ করতে বসিনি কিংবা কোন তাত্ত্বিক আলোচনাও করতে আসিনি।আমি শুধু ঐ দিন গুলোতে আমার কিছু স্মৃতি সবার সাথে ভাগাভাগি করে নিতে এই লেখাটা লিখছি।


এতদিন পর রানা প্লাজার ‘হত্যাকান্ড’ নিয়ে লেখার কিছু আছে?এ নিয়ে তো লেখালেখি কম হলনা।আমি রানা প্লাজার ঘটনা নিয়ে কোন বিচার বিশ্লেষণ করতে বসিনি কিংবা কোন তাত্ত্বিক আলোচনাও করতে আসিনি।আমি শুধু ঐ দিন গুলোতে আমার কিছু স্মৃতি সবার সাথে ভাগাভাগি করে নিতে এই লেখাটা লিখছি।

আমাদের সব থেকে বড় দোষ বা গুণ,যেটাই বলুন,তা হল-আমরা অতি সহজে এবং খুব তাড়াতাড়ি বিস্মৃত হই।এত বড় ঘটনা নিয়ে এখন আমরা খুব কমই ভাবি,খুব কমই চিন্তা করি।ঐ সময় যত মানুষ সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিল সেটা যদি অব্যাহত থাকতো তাহলে আজ রানা প্লাজার আহত বা নিহত শ্রমিক পরিবার গুলোর চিন্তার কিছু থাকতো না।এসব আলোচনায় না যাই।আমি বরং আমার স্মৃতি বিস্মৃত হওয়ার আগেই আপনাদের বলে ফেলি।

ঐদিন ছিল হরতাল।হরতালে আমি আমার এক বন্ধুর বাসায় ক্রিকেট খেলতে চলে যেতাম।ঐ দিন ও গিয়েছি।কিছুই জানিনা।১২ টার দিকে আমার এক বন্ধু ফোন করে জানালো সাভারে একটা ভবন ধ্বসে পরেছে,অনেক মানুষ আহত,অনেক রক্ত লাগবে,আমি দিব কিনা?আমি নিয়মিত রক্ত দিয়ে থাকি।তখন ও রাজি হয়ে গেলাম।যদিও অবস্থার ভয়াবহতা কিছুই আঁচ করতে পারিনি।রক্ত দিতে আমি আর আমার ২ জন বন্ধু রওনা হলাম সাভারের উদ্দেশ্যে।দেখলাম বাসে আরো কয়েকজন যাচ্ছেন রক্ত দিতেই।ঘটনাস্থলের অনেক আগেই রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।এনাম মেডিকেলের কাছেই আমার মামার বাসা,তাই ঐ এলাকা ভাল ভাবেই চেনা।হেটে হেটেই আমারা এনাম মেডিকেলের দিকে রওনা হলাম।যেতে যেতে কিছুটা আঁচ করতে পারছি যে যা চিন্তা করছি অবস্থা তার থেকেও খারাপ।

অসংখ্য মানুষ।অ্যাম্বুলেন্স আসছে আর যাচ্ছে।একদল মানুষ রাস্তা পরিষ্কার রাখছেন।আমরা এনাম মেডিকেলের সামনে পৌছে গেলাম।হাজার খানেক মানুষ সেখানে গিজগিজ করছে।প্রথমে ভেবেছিলাম এরা সবাই আহত দের আত্মীয় আর কৌতূহলি এলাকাবাসী।পরে বুঝলাম,এখানে যারা আছে বেশির ভাগই এসেছে রক্ত দিতে!

গেটের সামনে ভীড় সামলাতে হিমিসিম খাচ্ছিল নিরাপত্তা কর্মীরা।যখন ই একটা অ্যাম্বুলেন্স আসছিল তখন ই হুড়োহুড়ি পরে যাচ্ছিল।তবে সবাই সহযোগিতা করছিল।আমাদের বলা হল পর্যাপ্ত ডোনার আছে,আপাতত আর দরকার নাই কারণ রক্ত নেয়ার লোক নেই।আমরা ভাবলাম এখানে ভীড় বাড়িয়ে লাভ নাই,ঢাকার দিকে যাই।ঢাকা মেডিকেলে কিছু রোগি গিয়েছে,ওখানে লাগতে পারে।ঠিক করলাম ঢাকা ফেরার পথে যে কয়টা হাসপাতাল পরবে সব গুলোতে খোজ নিয়ে যাব।ফেরার আগে দেখে আসলাম ঘটনাস্থল,রানা প্লাজা।এই রানা প্লাজার সামনে থেকে সিএনজি নিতাম ঢাকায় যাওয়ার জন্য।এই রানা প্লাজায় আমি নিজেও কেনাকাটা করেছি।আজ যেটা মাটির সাথে মিশে আছে।তবে এত ভীড়ে কিছু আন্দাজ করতে পারছিলাম না।

আমরা আবার কিছুদূর হেঁটে বাস ধরে ঢাকায় রওনা হলাম।প্রথমেই পরে কল্যাণপুর ইবনে সিনা।এটায় যেতে আমার মন সায় দিচ্ছিল না কারণ সব সময় এটা বর্জন করার শ্লোগান দিয়ে এসেছি।আবার মনে হল-না,আমি এসেছি মানবতার খতিরে।রক্ত আমি দিব রোগীকে,এতে হাসপাতালের কোন লাভ হবেনা।

তবে গিয়ে শুনলাম ওখানে কোন সাভারের রোগী আসেনি আর ওরা রক্তও নিচ্ছেনা।এরপর রওনা দিলাম পিজির দিকে।ঠিক করলাম পিজি তে না দিতে পারলে ঢাকা মেডিকেল যাব ওখানেও না পারলে শুনেছি শাহবাগে রক্ত নেয়া হচ্ছে,ওখানে দিব।

পিজি তে গিয়ে দেখলাম ওখানে রক্ত নিচ্ছে এবং অনেক ভীড়।তখন সন্ধ্যা হয়ে গেছে।ততক্ষনে পুরো ঢাকা তথা সারা দেশে খবর ছড়িয়ে গেছে।প্রাথমিক সাহায্য হিসেবে সবাই ছুটে এসেছে রক্ত দিতে।পিজি তে বেশি ছিল মেয়েরা।বেশির ভাগ ওখানে ঢাবি কিংবা আশেপাশের ছাত্র-ছাত্রি।ওখানেও আমাদের আরেকজন বন্ধুকে পেলাম।অনেক ভীড়।একে একে সবার রক্ত নেয়া হচ্ছে।এক সময় শুনলাম পর্যাপ্ত রক্ত আছে,নেগেটিভ গ্রুপ ছাড়া এখন আর নেবেনা।ব্যাগের পর ব্যাগ রক্ত গাড়ি করে এনামে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছিল।

আমরা অনেক্ষণ ধরে বসেছিলাম দেখে একজন ডাক্তার বললেন,”কি তোমরা রক্ত দিতে চাও?”
আমরা বললাম আমরা সকাল থেকে ঘুরছি রক্ত দেয়ার জন্য।উনি বললেন ঠিক আছে তাহলে তোমাদের টা নিয়ে রাখছি।আমাদের ৪ জনের মধ্যে ২ জন রক্ত দিলাম।রক্ত দিতে দিতে ভাবছিলাম,এরকম অভিজ্ঞতা এই প্রথম।সব সময় রক্ত খুজতে গিয়ে খবর হয়ে যায় পাওয়া যায়না আর এখন এমন অবস্থা রক্ত দাতাদের ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে প্রচুর রক্ত আছে বলে!

রক্ত দিয়ে শাহবাগ থেকে ঘুরে এলাম।ওখানেও এখন নেয়া বন্ধ রয়েছে।সহযোদ্ধাদের দেখে ভাল লাগলো ওখানে।
বাসায় ফিরে ফেসবুক,টেলিভিশনে আসল চিত্র দেখলাম।যা কল্পনা করেছি তার থাকেও ভয়াবহ অবস্থা।কয়েক হাজার মানুষ ভিতরে আটকা পরে আছে।তাদের বাঁচার সম্ভাবনা কতটুকু?ওখানে প্রচুর সাহায্য দরকার।আমি একটা স্বেচ্ছাসেবি সংগঠনের সাথে যুক্ত।তো তার মাধ্যমে আমরা সবাইকে সাহায্য সংগ্রহ করতে বললাম।কিন্তু তাতে তো সময় লাগবে।আমার মনে হচ্ছিল তৎক্ষনাত কিছু করি।ফেসবুকে দেখলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটা গ্রুপ পরদিন ওখানে যাবে।আমি সুযোগ টা হাতছাড়া করলাম না।

পরদিন ঢাবি থেকে আমরা কিছু খাবার-পানিও সহ গেলাম ওখানে।গতদিনের চেয়ে আজ বেশি ভীড়।কোনমতে আমাদের সাহায্য গুলো ওখানে দিয়ে আমরা আবার এনামে গেলাম।আমরা কয়েকটা দলে ভাগ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া সাভার ভিক্টিম দের তথ্য সংগ্রহ করতে লাগলাম।তাদের নাম,কি পরিমাণ আহত,পারিবারিক অবস্থা,একটা ফোন নাম্বার এসব।আমাদের ইচ্ছা পরবর্তীতে এদের নিয়ে কাজ করার।তাই এই তথ্য গুলো নিলাম।ঐ দিন আর কিছু করার নেই।ফিরে এলাম ঢাকায়।

খবরে উদ্ধারকাজ দেখে খুব খারাপ লাগছিল।যা যা করেছি তাতে শান্তি পাচ্ছিলাম না।মনে হচ্ছিল সরাসরি উদ্ধারকাজে থাকতে পারতাম।খোজ লাগালাম।পরিচিত একজন আছে রেড-ক্রিসেন্ট এ।যদি রেড-ক্রিসেন্ট এর একটা পোশাক পাই তাহলেই হবে।ওর সাথে কথা হয়ে গেল।পরদিন ওর সাথে আমি,আমার এক বন্ধু আর এক আপু-আমরা ৪ জন গেলাম সাভারে।ঐদিন ভীড় কম।এলাকা নিয়ন্ত্রিত।শুধু মাত্র উদ্ধারকর্মী ছাড়া কাউকে ঢুকতে দেয়া হচ্ছেনা।আমাদেরও প্রথমে ঢুকতে দিচ্ছিল না।পরে রেড-ক্রিসেন্ট এর একজন কর্মকর্তা এসে ভিতরে নিয়ে গেলেন।ওখানে রেড-ক্রিসেন্ট এর পোশাক পেলাম।এরপর ওদের ই একটা দলের সাথে গেলাম ঘটনা স্থলে।

সামনে থেকে আসলে বোঝা যাচ্ছিল না পিছনের অবস্থা।পুরো ভবন টা স্যান্ডউইচ এর মত হয়ে গেছিল।দুটো ফ্লোরের মধ্যে কোন ফাঁক ছিলনা।আমার যেখানে দায়িত্ব পরলো সেখানে একজন মহিলা কে জীবিত পাওয়া গিয়েছিল।তাকে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছিল।ঐ দিন প্রচুর রোদ আর গরম ছিল।আমরা খুব তাড়াতাড়ি কাহিল হয়ে পরছিলাম।মহিলা খুব খারাপ ভাবে আটকা পরেছেন।ব্যাথা পাচ্ছেন খুব।আগে ডাক্তার এনে ওনাকে অবশ করা হল।এরপর ভেঙ্গে পরা অংশ কেটে বের করা হল।পুরো প্রক্রিয়ায় সময় লাগলো প্রায় ১০ ঘন্টা !

ওখানে বসে দেখছিলাম উদ্ধারকারি দের।ফাকে ফাঁকে শুনছিলাম আগের ২ দিনের কাহিনী।প্রথমে জিবীত পেয়েও চোখের সামনে মরে যেতে দেখেছেন অনেক কে।আসলে বিল্ডিং টা এমন ভাবে ছিল যে সামান্যতম নড়াচড়াও আরো বড় বিপদ ডেকে আনতে পারতো।তাই ধাপে ধাপে আগানো ছাড়া কোন উপায় ছিলনা।আর উদ্ধারকারি দের চেষ্টার কোন ত্রুটি ছিলনা।খাবার-পানিয়-লাইট সহ উপকরণ ও ছিল পর্যাপ্ত।তবে অক্সিজেনের কিছু অভাব ছিল।

কাজ করা ক্রমশ কঠিন হয়ে যাচ্ছিল গরমের পাশাপাশি লাশ পচা গন্ধের জন্য।এই গন্ধ আমি এর আগে কখনো পাইনি।লাশ পচা গন্ধটা অন্যান্য পচা গন্ধের মত না।কেমন অস্বস্তিকর।দম আটকে আসে,শরীর দুর্বল হয়ে যায়।কিছুক্ষন পরপর এয়ারফ্রেশনার দেয়া হচ্ছিল,তাতেও কোন কাজ হচ্ছিল না।আমি কিছুক্ষনের মধ্যেই অসুস্থ হয়ে গেলাম।ওখানে অসুস্থ হলে অযথা ঝামেলা হবে তাই নিজে নিজে ওখান থকে এসে একটু সামনে একটা নামাযের জায়গায় গিয়ে ফ্যান ছেড়ে শুয়ে থাকলাম।কিছুক্ষন রেস্ট নেয়ার পর একটু ভাল লাগলো।

আবার গেলাম ওখানে।একদল লোক দেখছিলাম যারা সাদা কপড়ের উপর ‘হেফাজতে ইসলাম’ লিখে মাথায় বেধে ওখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে।তারা ঠিক কি করছে বুঝতে পারলাম না।মনে মনে হাসি পেল।আমি নিজে গনজাগরণের কর্মী।আমার মাথায় একবার ও এই চিন্তা আসেনি যে মাথায় গণজাগরন মঞ্চ লিখে কাজ করব।ওখানে আমার পরিচিত গণজাগরনের অনেকেই ছিলেন,কেউ ই এভাবে চিন্তা করেন নি।এখন যেমন হেফাজতের চরিত্র পরিষ্কার তখন হেফাজতে সূর্য মধ্য গগনে,বেশ দাপট তাদের।

যাই হোক অসুস্থতার জন্য বেশিক্ষণ থাকতে পারলাম না আমি।আমি আর ঐ আপু যে আমাদের সাথে গিয়েছিল আমরা দুজন রেড-ক্রিসেন্ট এরি ঢাকা গামি একটা গাড়িতে ফিরে এলাম,আমার ঐ বন্ধু আরো অনেকক্ষন ছিল।

আমি এরপর বেশ কয়েকদিন ঠিক মত ভাত খেতে পারিনি।লাশের গন্ধ যেন নাকে স্থায়ি ভাবে লেগেছিল।ভাত খেতে গেলে আরো পেতাম যেন গন্ধটা,বমি চলে আসতো।পারফিউমের গন্ধেও মনে হত সাথে লাশের গন্ধ টাও আছে।অনেক দিন তাড়া করেছে গন্ধ টা।

এরপরদিন যদিও যাওয়ার ইচ্ছা ছিল কিন্তু ঐ দিন থেকে প্রশিক্ষিত লোক ছাড়া কাউকে ঢুকতে দিচ্ছিল না।তাই আর যাওয়া হয়নি।এরপর আমরা অর্থ সংগ্রহ করলাম।বেশ কিছু টাকা দিলাম প্রধান মন্ত্রীর তহবিলে।হাসপাতালে ভর্তি কয়েকজন কেও অল্প কিছু সাহায্য করার চেষ্টা করলাম।আহত দের লিস্ট ও যোগাযোগের নাম্বার দেশের বাইরে থেকে যারা সাহায্য করতে চায় তাদের পাঠিয়ে দিলাম।

প্রাসংগিক একটা কথা না বললে নয়।ঘটনার ১৭ দিন পর উদ্ধার হল রেশমা।অনেক মানুষ এটাকে সাজানো নাটক বলে বিশ্বাস করে।আমার প্রশ্ন আল্লাহর গজবে আপনার বিশ্বাস আছে,রহমতে বিশ্বাস নাই কেন?
আমি যদিও তেমন কোন বড় কিছু ওখানে করিনি কিন্তু এটা নিশ্চিত ভাবে বলতে পারি এরকম কোন নাটক করা ওখানে সম্ভবপর না।ওখানে সেই অবস্থাটাই নেই।যারা শান্তিতে এসি রুমে বসে বুলি কপচায় তাদের পক্ষেই এটাকে নাটক বলা সম্ভব।
কিছুদিন আগে একজন আমাকে প্রশ্ন করেছিল,কোন মেয়ে ওই অবস্থায় কেমন করে নতুন ড্রেস পরে?
তার উত্তর আমি এখন দিচ্ছি।
আমি যদি কাউকে ধাপ্পা দেয়ার জন্য একটা নাটক করেতে চাই তাহলে আমি কি চেষ্টা করবনা যেন নাটক টা বিশ্বাসযোগ্য হয়?আমি নিশ্চই এমন কাচা কাজ করবনা যে একজন দেখেই বুঝে যাবে আমি ধাপ্পা দিচ্ছি।রেশমাকে উদ্ধার যদি নাটক হত তাহলে তাঁকে একটা ছেড়া ফাটা পোশাক পরানো কি খুব কষ্টকর ছিল?
আর কেউ যদি ১৭ দিন ঐ অন্ধকূপের মধ্যে থাকে তার মানসিক অবস্থা বোঝার ক্ষমতা আমাদের কারো হবেনা।তাই অহেতুক এই ফালতু কথা বলে উদ্ধারকারি দের অসম্মান করবেন না।

এখনো দেখি অনেক মানুষ অসহায়ের মত দি যাপন করছে।অনেক এতিম বাচ্চার ভবিষ্যৎ অন্ধকার।চেষ্টা করে যাব কাজ করে যাওয়ার।জানিনা কতটা পারবো।আমরা যেন এদের কথা ভুলে না যাই…

৩ thoughts on “রানা প্লাজা ও কিছু টুকরো স্মৃতি

  1. রানা প্লাজা ট্র্যাজিডি তো
    রানা প্লাজা ট্র্যাজিডি তো একরকম ভুলতে বসেছিলাম।ভুলবারই কথা!আমি বা আমরা তো আর ঐ ট্র্যাজিডিতে স্বজন হারাইনি, প্রিয়জন হারাইনি!

  2. ঐ সময় যত মানুষ সাহায্যের হাত

    ঐ সময় যত মানুষ সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিল সেটা যদি অব্যাহত থাকতো তাহলে আজ রানা প্লাজার আহত বা নিহত শ্রমিক পরিবার গুলোর চিন্তার কিছু থাকতো না।

    —- হুম, আসলেই তাই ।

    আমার প্রশ্ন আল্লাহর গজবে আপনার বিশ্বাস আছে,রহমতে বিশ্বাস নাই কেন?

    —- একেবারে মোক্ষম প্রশ্ন তুলেছেন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *