ইতিহাসের পথে হেঁটে দেখ-তিনি কিংবদন্তি


মুজিব গাছে ধরে না। তাই একটা হারিয়ে যাবার পর আর মুজিব পাওয়া যায়নি। কাঁদো বাঙ্গালি কাঁদো। না। কান্নায় লাভ নেই। হাসো বাঙ্গালি হাসো। হ্যাঁ হাসিতেই জীবন। পিতার মৃত্যুর শোক তুমি শক্তি করে নাও।
পিতার আদর্শ, নীতি, সাহস, মেধা, শ্রম, ধৈর্য, স্পষ্ট আর সত্যবাদীতা অন্তরের গহীনে রাখ। তুমি বাঁচতে শিখবে মানুষ হয়ে। তুমি হাসতে শিখবে মৃত্যুকে আলিঙ্গনে নিয়েও।


মুজিব গাছে ধরে না। তাই একটা হারিয়ে যাবার পর আর মুজিব পাওয়া যায়নি। কাঁদো বাঙ্গালি কাঁদো। না। কান্নায় লাভ নেই। হাসো বাঙ্গালি হাসো। হ্যাঁ হাসিতেই জীবন। পিতার মৃত্যুর শোক তুমি শক্তি করে নাও।
পিতার আদর্শ, নীতি, সাহস, মেধা, শ্রম, ধৈর্য, স্পষ্ট আর সত্যবাদীতা অন্তরের গহীনে রাখ। তুমি বাঁচতে শিখবে মানুষ হয়ে। তুমি হাসতে শিখবে মৃত্যুকে আলিঙ্গনে নিয়েও।
শোন মুজিব বারবার আসে না। পিতা বারবার আসে না। এখানে তার আসার কথাও ছিল না। এসেছিলেন হয়ত তোমার-আমার কিংবা পূর্বপুরুষের কোন পূণ্যে। বাংলা মায়ের বুকে। বাংলা মায়ের জন্য।
খামোশ! তাকে ভুলে যেতে চেওনা। তাকে ভুলা যায় না। জন্মদিনের ভন্ডামীতে হারিয়ে যাবার পুরুষ আমার নেতা নন, পিতা নন। নিজেকে উল্লুক সাজিও না, নর্দমায় ছুঁড়ে দিও না।
ইতিহাসের পথে হেঁটে দেখ-তিনি কিংবদন্তি। জীবনের গান গেয়ে দেখ-তিনি সুরের সমুদ্র। শ্রদ্ধার আকাশে তাকিয়ে দেখ-তিনি ধুমকেতু।
তিনি রক্ত-মাংসের মনুষ্যজগতে বিস্ময়কর এক মহামানব…
শোন… মহামানব বারবার আসে না। পিতাও বারবার আসে না…

৬ thoughts on “ইতিহাসের পথে হেঁটে দেখ-তিনি কিংবদন্তি

  1. আসুন শোক শক্তিতে পরিনত করি
    আসুন শোক শক্তিতে পরিনত করি ।স্বাধীনতা বিরুধীদের নিশ্চিহ্ন করতে ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধ হই।
    জয় বাংলা ।
    জয় বঙ্গবন্ধু ।

      1. পড়েই মন্তব্য দিয়েছি। পোস্ট না
        পড়েই মন্তব্য দিয়েছি। পোস্ট না পড়ে মন্তব্য দেওয়ার স্বভাব আমার অন্তত নেই। এই পোস্টে আপনি আপনার পূর্বের পোস্টের চেয়ে আলাদা কিছু স্পেশালি তুলে ধরেননি এইজন্যই বলেছিলাম আলাদা পোস্টের প্রয়োজন ছিলোনা। একজনের পরপর পোস্ট বেশী হলে অন্যদের পোস্ট দ্রুত চোখের আড়াল হয়ে যায়। এই বিষয়টা মাথায় রাখা সবারই কর্তব্য। আপনার প্রতি কোন বিদ্বেষ থেকে তো মন্তব্য দেইনি।

        1. ছিঃ ছিঃ কি বলছেন! বিদ্বেষ
          ছিঃ ছিঃ কি বলছেন! বিদ্বেষ থাকবে কেন। আমি তো মজা করে আপনাকে ওভাবে বলেছি। আসলে প্রথম লেখাটা ছিল শ্রদ্ধাঞ্জলি…আর পরেরটা ছিল তথাকথিত জন্মদিন পালনের প্রতি নিন্দা…
          মিয়া একটু মজাও করা যাবে না…………!!!!!!!!
          :ভেংচি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *