তারেক মাসুদের চলচ্চিত্রে মৌলবাদ ভাবনাঃ একটি ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষন




আজ শ্রদ্ধেয় তারেক মাসুদের দ্বিতীয় মৃত্যুদিবস গেলো। ২০১১ সালের এই দিনটিতে দুপুরে হাসপাতাল থেকে ফিরে ফেসবুকে প্রথম এই নিউজটা দেখে একটা শূন্যতা আমায় ঘিরে ধরেছিল। সেলিব্রেটি কেউ মারা গেলে সাধারণত এইরকম অনুভূতি আমার হয় না। কিন্তু তারেক মাসুদকে কেন যেন খুব নিজের কেউ বলে মনে হয়। যারা চলচ্চিত্র নিয়ে কাজ করেন এবং বিশেষ করে এই সেক্টরে নতুন তারা যারা তারেক মাসুদের সংস্পর্শে এসেছেন এটুকু বুঝেছেন এই মানুষটা আর পাঁচটা মানুষের মতো নন। খুব মমতা নিয়ে উনি তরুণদের উৎসাহ দিতেন। এরকম নিবেদিতপ্রাণ চলচ্চিত্র কর্মী খুব কম দেখা যায়। আমাদের দুর্ভাগ্য আমরা অকালেই হারিয়েছি তাঁকে। তারেক মাসুদের চলচ্চিত্রের প্রতি মমতা কেমন ছিল সেটা জানতে উনার লেখা “চলচ্চিত্রযাত্রা” বইটা পড়ে দেখার অনুরোধ রইল। যাই হোক, তারেক মাসুদকে নিয়ে শোকগাঁথা রচনা এই লেখার উদ্দেশ্য নয়। কারন আমি মনে করি যারা আমরা তারেক মাসুদকে ভালোবাসি, তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা দেখানোর শ্রেষ্ঠ উপায় হচ্ছে উনার অসমাপ্ত কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এই লক্ষ্যে তারেক মাসুদের চলচ্চিত্র ভাবনার সাথে পরিচিত হওয়াটা জরুরী।

তারেক মাসুদের চলচ্চিত্রের ভাবনা বুঝতে হলে উনার শৈশব জানাটা খুব জরুরী। কারন উনার শৈশবের অভিজ্ঞতা বারবার উঠে এসেছে উনার চলচ্চিত্রে। পরিবারের চাপে উনার শৈশব কেটেছে মাদ্রাসার সীমিত গণ্ডিতে বন্দী অবস্থায়, যেটা উনি মন থেকে মেনে নিতে পারেননি। তাই পরবর্তিতে মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে উনি মূলধারার শিক্ষায় নিজেকে আবিষ্কারের পথ খুঁজে পেয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকেই চলচ্চিত্রের প্রতি উনার আগ্রহ জন্মায়। উনার এক সাক্ষাৎকার থেকে জানতে পারি, পরিচালক আলমগীর কবিরের বাসায় প্রোজেক্টরে “পথের পাঁচালী” দেখেই মূলত উনার মাথায় চলচ্চিত্রের পোকা (?) পাকাপোক্ত ভাবে গেঁড়ে বসে। অনেক আগে প্রথম আলোয় তারেক মাসুদের একটা লেখা পড়েছিলাম, যেখানে উনি এবং ক্যাথেরিন মাসুদ কিভাবে অমানুষিক সংগ্রাম করে “মুক্তির গান” চলচ্চিত্রটি তৈরি করেছিলেন তাঁর অভিজ্ঞতা বর্ননা করেছিলেন। লেখাটা পড়লে বুঝা যায় চলচ্চিত্রের প্রতি কি অসম্ভব মমতা আর সিরিয়াসনেস কাজ করত উনার মাঝে। এছাড়া আরেকটা উদাহরণ দেই। উনি একবার দেশের বাইরে, সম্ভবত ভারতের চেন্নাইয়ে চলচ্চিত্র নিয়ে পড়ালেখার সুযোগ পেয়ে যান। ঠিক ঐ সময়ে উনার মাথায় ঢুকে যায় বিখ্যাত চিত্রকর এস এম সুলতানের জীবনী নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরির পরিকল্পনা। দেশের বাইরে পড়ার জন্য পারিবারিক সম্পত্তি বিক্রির টাকা উনি খরচ করে ফেললেন “আদম সুরত” তৈরির জন্য। কয়জন এভাবে পারবেন ত্যাগ স্বীকার করতে?

লেখার মূল বিষয়ে আসি। বারবার আমি মূল বিষয় থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। আসলে এই মানুষটিকে নিয়ে লেখা শুরু করলে অনেক কিছুই লেখা যায়, কিন্তু আমি আজকে অন্য বিষয়ে আলোচনায় আগ্রহী। তারেক মাসুদের যেই চলচ্চিত্রগুলো বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে তার মধ্যে “মাটির ময়না” এবং উনার শেষ চলচ্চিত্র “রানওয়ে” অন্যতম। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ নিয়েও উনার যেই পরিমাণ কাজ আছে তা অনেক বিখ্যাত চলচ্চিত্রকারই অনেক লম্বা জীবন পেয়েও করে যেতে পারেননি, যা উনি উনার সংক্ষিপ্ত চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে করে দেখিয়েছেন, সেটা ভিন্ন আলোচনার দাবী রাখে। আমি মূলত আমার এই লেখায় তারেক মাসুদের চলচ্চিত্রে মৌলবাদ কিভাবে উঠে এসেছে সেই আলোচনায় সীমাবদ্ধ থাকতে চাই।


“মাটির ময়না” চলচ্চিত্র মূলত তারেক মাসুদের আত্মজীবনী বলেই মনে করেন অনেকেই। যেখানে “আনু” চরিত্রের মধ্য দিয়ে উনি উনার শৈশবের কষ্ট আর বেদনাকেই ফুটিয়ে তুলেছেন। ষাটের দশকের উত্তাল সময়ের প্রেক্ষাপট হতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ঠিক আগের সময়ের একটি পরিবার কিভাবে যুদ্ধ ও ধর্মের কারণে ভেঙে চুরমার হয়ে যায় তার গল্প নিয়ে তৈরি এ চলচ্চিত্র। পরিচালকের নিজের ছোটবেলার কাহিনীর জীবনের উপর ভিত্তি করে এ ছবির কাহিনী গড়ে উঠেছে। অত্যন্ত ধার্মিক বাবা কাজী সাহেব তাঁর ছোট্ট ছেলে আনুকে পড়াশোনার জন্য মাদ্রাসায় পাঠিয়ে দেন। দেশের রাজনীতিতে পরিবর্তনের পাশাপাশি আনুর মাদ্রাসাতেও চরম ও মধ্যপন্থী মতবাদের বিকাশ ঘটতে থাকে। বিভক্তির এই একই চিত্র দেখা যায় গোঁড়া ধার্মিক কাজী ও তাঁর স্বাধীনচেতা স্ত্রী আয়েশার মধ্যে ।

ধর্মীয় উদারতা, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র এবং ইসলামের দুর্বোধ্যতা এ সব কিছু মিলিয়ে মাটির ময়না জাগতিক দ্বন্দ্বের একটি দৃশ্যমান প্রতিকৃতি। মাদ্রাসার সীমাবদ্ধ আর কঠোর নিয়মের মধ্যে কিভাবে একটি শিশুর শৈশব চাপা পড়ে গুমরে গুমরে কাঁদে সেটা এর আগে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে এভাবে কেউ দেখাতে পারেননি বা সাহস করেননি। মাটির ময়নায় আনুর বাবা কাজী সাহেবের ধর্মীয় গোঁড়ামির প্রভাব পড়ে তার পুরো পরিবারের উপর।

মাটির ময়না তৈরির পটভূমি নিয়ে পরবর্তিতে একটা ডকুমেন্টারি করেছিলেন, সেটা দেখলে চলচ্চিত্রের প্রতি উনার ভালোবাসা আরও গভীরভাবে উপলব্ধি করা যায়।

অন্যদিকে “রানওয়ে” চলচ্চিত্রে তারেক মাসুদ ৯/১১ পরবর্তি বিশ্বের রাজনৈতিক প্রভাবে কিভাবে আমাদের দেশেও জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটে, কিভাবে নিরীহ একটি কিশোর রুহুল জঙ্গিবাদের সাথে জড়িয়ে যায় সেই ঘটনাই তুলে ধরেছেন। গ্রামে নায়ক রুহুল মাদরাসায় পড়ত। রুহুলের বাপ এখন আরব দেশে।রুহুলের বাবা নিজের আশা নিয়ে অসহায় দিন যাপন করতে থাকে। পরিবার ঢাকায়। বোন ফাতেমা গার্মেন্টসে চাকুরি করে।পোশাক কারখানায় বোন শোষণের শিকার। গন্ডগোলের কারণে দুই মাস বেতন পায় না। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে সংলগ্ন একচালা ঘরে রুহুল ও তার পরিবার বসবাস করে। তার মা রহিমা ক্ষুদ্র ঋণ সমিতির মাধ্যমে একটি গাভী কিনে দুধ বিক্রি করে সংসার চালায়। রুহুলের বোন ফাতেমা পোশাক রপ্তানি কারখানায় কাজ করে। এক মাস হলো তার বাবা মধ্যপ্রাচ্যে চাকরির সন্ধানে গিয়ে নিরুদ্দেশ। বেকার, কিছুটা হতাশ অথচ আদর্শবাদী রুহুল চাকরি খোঁজার ব্যর্থ চেষ্টা করে এবং উড়োজাহাজের ছায়ায় দিন কাটায়। মাঝেমধ্যে সে মামাকে সাইবার ক্যাফের ব্যবসায় সাহায্য করে এবং ইন্টারনেট শেখার চেষ্টা করে। সেখানে দৃঢ় অথচ শান্ত মেজাজের কম্পিউটার দক্ষ আরিফের সঙ্গে তার ক্রমশ বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। আরিফ উগ্র ধর্মীয় রাজনীতির মধ্যে জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে রুহুলকে উদ্বুদ্ধ করে। আফগানিস্তান-ফেরত মুজাহিদ দলনেতার জঙ্গি শিবিরে শরিক হয় সে।নতুন আদর্শে উজ্জীবিত রুহুল বিভিন্ন ঘাত প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে অবশেষে জীবনের গভীরতর অভিজ্ঞতা উপলব্ধির দিকে এগিয়ে যায়।

সিনেমা হলে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় আরিফের স্কোয়াড। আরিফ আত্মঘাতি হামলায় আহত হয়ে মেডিকেলে ঢুকে। দ্বীন রক্ষার্থে গৃহত্যাগী রুহুল তখন নিজের বিবেকের সঙ্গে আরেক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। নান্দনিক জীবনের কক্ষচ্যুত রুহুল মায়ের দুধ মাখা হাতের আশ্রয়ে চলে আসে।

এই দুটি চলচ্চিত্রেই তারেক মাসুদ কেন্দ্রীয় চরিত্রে থাকা মৌলবাদ ভাবাপন্ন চরিত্রের উপসংহার টেনেছেন চরিত্রগুলোর আত্মোপলব্ধির মধ্য দিয়ে। আমরা দেখি “মাটির ময়নার” কাজী সাহেব কিভাবে যুদ্ধে পাকিস্থানি বাহিনীর হামলায় যখন তার বসত ভিটা পুড়ে ছাই হয়ে যায়, সেই ছাইয়ের মাঝে পোড়া কোরআন শরীফ হাতে নিয়ে কাজী সাহেব বুঝতে পারেন তার চিন্তা চেতনায় কতোটা গলদ আছে। পাকিস্থানি বর্বর বাহিনীর হাত থেকে যখন নিজেকে খাঁটি মুসলমান দাবী করা কাজী সাহেব নিজেও রক্ষা পাননা এবং এমনকি পবিত্র কুরআন শরীফও জ্বলে ছারখার হয়, তখন কাজী সাহেবের মোহভঙ্গ ঘটে।

একইভাবে “রানওয়ে” চলচ্চিত্রে আমরা শেষে দেখতে পাই রুহুলের আত্মিক দন্দের অবসান ঘটে। রুহুল বাড়ি ফিরে আসে। জীবনের ছোট ছোট ঘটনা, সংসারের প্রতিটি ছোট ছোট সুখ দুঃখের মাঝে রুহুল জীবনের প্রকৃত অর্থ খুঁজে পায়। এখানেই তারেক মাসুদের চলচ্চিত্র ভাবনার পার্থক্য দৃশ্যমান হয় অন্যদের সাথে। অনেক চলচ্চিত্র বোদ্ধাই “রানওয়ে” মুক্তির পর সমালোচনায় বিদ্ধ করে রুহুলের পরিণতি দেখে। আমরা শেখানো ফর্মূলার বাইরে চিন্তা করতে পারিনা। তাই নাটক চলচ্চিত্রে মৌলবাদী বা জঙ্গি চরিত্রের ধ্বংস বা মৃতুর পরিণতি দেখেই অভ্যস্ত আমাদের চোখ ও মগজ। কিন্তু তারেক মাসুদ একটু অন্যভাবে ভেবেছেন। কাজী সাহেব বা রুহুল তো আর কেউ না। এরা আমাদের আশেপাশেরই কেউ না কেউ। কেউ হয়ত আমার বাবা, কেউ আমার ছোট বা বড় ভাই অথবা বন্ধু। জীবনের শিক্ষার অভাব বা বিভিন্ন টানাপড়েনে অনেকেই জঙ্গিবাদের সাথে জড়িয়ে যায়। অথবা দেশের হাজার হাজার মাদ্রাসা পড়ুয়া শিশু, যে তার জীবনের এমন একটা সময়ে মাদ্রাসার জীবনে বন্দী হয়ে যায় যখন তার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বা চিন্তা করার বয়সও তৈরি হয়না। মাদ্রাসার বন্দী জীবনে থেকে সেই গণ্ডির বাইরে সে চিন্তা করতে শেখেনা। তাকে যা শেখানো হয়, যা পড়ান হয় সেটাই তার মন ও মননে গেঁথে যায়। আমরা তাদের ঘৃনা করতেই অভ্যস্ত হয়ে উঠি। নাটক বা চলচ্চিত্রে আমরা দেখতে চাই একজন জঙ্গি বোমার আঘাতে উড়ে যাক, করুনতম মৃত্যু হোক তার। যেমনটা দেখতে চেয়েছি “রানওয়ের” রুহুলকে। রুহুলরা ভুল বুঝে ঘরে ফিরুক, ভোরের আলোয় মাকড়শার জালে বিন্দু বিন্দু শিশিরের মাঝে, সারি করে হেঁটে চলা পিঁপড়ের মাঝে পৃথিবীর নানা প্রান্তে বয়ে চলা জীবন স্রোতের সুর রুহুলের চোখে ধরা পড়ুক, কিংবা মায়ের হাতে ঢেলে দেওয়া দুধের রজত ধারায় মুছে যাক রুহুলের অতীত সেটা আমরা দেখতে অভ্যস্ত নই। রুহুল বা কাজী সাহেবদের অনেক দূরের অপরিচিত ঘৃন্য সত্ত্বা হিসেবে দেখতেই আমাদের ধরাবাঁধা শিক্ষিত চোখ অভ্যস্ত। কিন্তু তারেক মাসুদ তার নিজ জীবনের অভিজ্ঞতা থেকেই রুহুলদের কষ্ট অনুভব করতে পেরেছিলেন। রুহুলদের জীবনের একেবারে ভেতরে ঢুকে তাদের কষ্ট আর যন্ত্রনার ভাগীদার হয়ে পরম মমতায় রুহুলদের ভুল ধরিয়ে ফিরিয়ে আনতে চেয়েছিলেন মায়ের আঁচলে। এখানেই তারেক মাসুদের চলচ্চিত্র ভাবনার পার্থক্য।

রুহুল বা কাজী সাহেবদের জঙ্গি বা মৌলবাদী সত্ত্বাকে সাপোর্ট দেওয়া বা একে জাস্টিফাই করা তারেক মাসুদের লক্ষ্য ছিল ভাবলে ভুল করবেন। বরং রুহুলদের জীবনের সত্য চিনিয়ে দেওয়া এবং বিশেষ করে রুহুলদের এই পরিবর্তনের কারন নিয়ে ভাবনা তৈরি হওয়া এটাই উনার চলচ্চিত্রের ভাষা। আমরা যেন রুহুলদের করুন মৃত্যুর মাঝে সমাধান না খুঁজে রুহুলরা কেন জঙ্গি হয়ে ওঠে সেই কারনের মূলে গিয়ে চিন্তা করি। সমাজ থেকে উৎখাত করি সেই কারনগুলোকে এই ম্যাসেজই তারেক মাসুদ তার চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে আমাদের কাছে পৌঁছে দিতে চেয়েছেন বারবার। আর তাই তারেক মাসুদ নিছক একজন এলিট চলচ্চিত্রকার হিসেবে নিজেকে গণ্ডিবদ্ধ না করে তাঁর ছবি নিয়ে ছুটে বেড়িয়েছেন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে, যারা তাঁর চলচ্চিত্রের একটা মূল টার্গেট। চলচ্চিত্রের ফেরিওয়ালা শব্দটি তাই তারেক মাসুদের সাথেই যায়।

৩৯ thoughts on “তারেক মাসুদের চলচ্চিত্রে মৌলবাদ ভাবনাঃ একটি ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষন

  1. রুহুলরা ভুল বুঝে ঘরে ফিরুক,

    রুহুলরা ভুল বুঝে ঘরে ফিরুক, ভোরের আলোয় মাকড়শার জালে বিন্দু বিন্দু শিশিরের মাঝে, সারি করে হেঁটে চলা পিঁপড়ের মাঝে পৃথিবীর নানা প্রান্তে বয়ে চলা জীবন স্রোতের সুর রুহুলের চোখে ধরা পড়ুক, কিংবা মায়ের হাতে ঢেলে দেওয়া দুধের রজত ধারায় মুছে যাক রুহুলের অতীত, সেটা আমরা দেখতে অভ্যস্ত নই।

    আতিক ভাই, ভালো লাগলো। একটা লেখায় নিজের চিন্তা ভাবনা না শেয়ার করতে পারলে কি হয়? প্রিয়তে রাখলাম। আগামীকাল আবার পড়বো। আজকে সারাদিন নিজের একটা লেখা নিয়ে ফালতু বিতর্ক করলাম। সেজন্য ভালো কোন লেখা পড়তে পারিনি। শেষ রাতে আপনি বাঁচালেন।

    :ধইন্যাপাতা:

    1. হা হা হা… এই কমেন্ট দেখলে
      হা হা হা… এই কমেন্ট দেখলে তারিক ভাই দুঃখ পাবেন। বিতর্ক যদি নোংরামিতে না যায় তাহলে সেটা ফালতু হবে কেন? বিতর্ক যদি সুস্থ্য মানসিকতা নিয়ে হয় তাহলেই সেটা ফলপ্রসূ। আপনাদের বিতর্ক তো ভালোই লেগেছে আমার। যাই হোক, আগামীকাল পড়ে আপনার অনুভূতি জানাবেন সেই অপেক্ষায় রইলাম আপাতত।

  2. ধন্যবাদ আতিক ভাই এমন একটা
    ধন্যবাদ আতিক ভাই এমন একটা পোস্টের জন্য। তারেক মাসুদের সিনেমা মানেই জীবন বোধের অসম্ভব ছোঁয়া। ‘মাটির ময়না’ বাংলাদেশে প্রথম রিলিজ হওয়ার পর পাবলিক লাইব্রেরিতে ওনার সাথে আমার কথা বলার সুযোগ হয়। ‘মাটির ময়না’ নিয়ে অনেক কথা বলেছিলেন যা আজ আমার মনে পরে।

    1. আপনাকেও ধন্যবাদ। তারেক
      আপনাকেও ধন্যবাদ। তারেক মাসুদের সাথে হওয়া আপনার কথোপকথন নিয়ে একটা পোস্ট দিতে পারেন কিন্তু। দরকার আছে এসবের। আমাদের জন্য অনেক শিক্ষণীয় হতে পারে।

    2. কিরন শেখর,
      ওনার সাথে কথোপকথন

      কিরন শেখর,
      ওনার সাথে কথোপকথন !!! আপনি মশাই দারুণ এক অভিজ্ঞতার মালিক । দয়া করে যা মনে আছে তাই জানান । জানাটা অনেক জরুরী ।

  3. কীর্তিমানদের নিঃশেষ বলে কিছু
    কীর্তিমানদের নিঃশেষ বলে কিছু নেই।এরা হাজার বছর বেঁচে থাকেন তাদের কর্মের মধ্য দিয়ে।তারেক মাসুদ ও এমনি একজন কীর্তিমানের নাম।যার কথা বাংলাদেশের চলচ্ছিত্রের ইতিহাসে স্বর্নাক্ষরে লিখা থাকবে।
    আফসুস হয়, এই কীর্তিমান ব্যাক্তিটি বড় অসময়েই চলে গেলেন।শোকাবহ আগষ্টের আরেকটি দিনকে আমাদের জন্য ব্যাথাময় করে দিলেন।

    যেখানেই থাকুন ভাল থাকুন।উনার রুহের মাগফিরাত কামনা করি ।

    1. হুম ঠিক বলেছেন। তবে শহিদ ভাই,
      হুম ঠিক বলেছেন। তবে শহিদ ভাই, এটা তারেক মাসুদের জন্য লেখা কোন শোকগাথা না। যেই বিষয় নিয়ে লেখার চেষ্টা করেছি সেই বিষয়ে আলোচনা করলে ভালো হতো। আপনাদের মতামত জানতে আগ্রহী।

  4. সব কথা তো আপনিই বলে দিয়েছেন,
    সব কথা তো আপনিই বলে দিয়েছেন, আমাদের বলার জন্য আর কিইবা রাখলেন? অনেক তন্ন তন্ন করে খুজে প্রাসঙ্গিক যে বিষয়টি তুলতে চেয়েছিলামা তা দেখি নাভিদ ভাই আগেই বোল্ড করে দিয়েছেন!;-(
    তাই বাধ্য হয়েই নাভিদ ভাইর কমেন্টটির সাথে সহমত পোষন করছি।

    চলচ্ছিত্রকার মানেই অসম্ভব প্রতিভাবান।তবে তারেক মাসুদ সেই প্রতিভাবানদের মাঝে অন্যতম একজন যিনি বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে গ্রামীন সমাজের ধর্মীয় গোঁড়ামিকে সফলভাবেই চিত্রায়িত করতে পেরেছেন।হয়তো এক্ষেত্রে উনার শৈশব অভিজ্ঞতাই বিশেষভাবে কাজ করেছে।উনি যদি আরো কিছু বেচেঁ থাকতেন তবে হয়তো আরোও কিছু বিষয় নিয়ে চলচ্ছিত্র নির্মান করতেন যার মাধ্যমে আমাদের সমাজদর্শনটা আরো বিকশিত হতে পারতো।কিন্তু বিধাতা আমাদের ভাগ্যে সে সুযোগটা আর রাখেননি।
    তবে উনার অসমাপ্ত কাজগুলি সমাপ্ত করার উদ্যেগ নিলে আবারো সেই সুযোগটা কিছুটা হলেও সৃষ্টি হতে পারে।

    1. হুম এই বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।
      হুম এই বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। আমি আসলে মৌলবাদ বিষয়ক তারেক মাসুদের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলোচনা চাচ্ছিলাম। যাই হোক অনেকেই আলোচনা করে ফেলেছেন ইতিমধ্যে।

  5. এই দুটি চলচ্চিত্রেই তারেক
    এই দুটি চলচ্চিত্রেই তারেক মাসুদ কেন্দ্রীয় চরিত্রে থাকা মৌলবাদ ভাবাপন্ন চরিত্রের উপসংহার টেনেছেন চরিত্রগুলোর আত্মোপলব্ধির মধ্য দিয়ে:

    1) “মাটির ময়নার” চলচ্চিত্রে- কাজী সাহেব কিভাবে যুদ্ধে পাকিস্থানি বাহিনীর হামলায় যখন তার বসত ভিটা পুড়ে ছাই হয়ে যায়, সেই ছাইয়ের মাঝে পোড়া কোরআন শরীফ হাতে নিয়ে কাজী সাহেব বুঝতে পারেন তার চিন্তা চেতনায় কতোটা গলদ আছে।”
    2)”রানওয়ে” চলচ্চিত্রে- আমরা শেষে দেখতে পাই রুহুলের আত্মিক দন্দের অবসান ঘটে। রুহুল বাড়ি ফিরে আসে। জীবনের ছোট ছোট ঘটনা, সংসারের প্রতিটি ছোট ছোট সুখ দুঃখের মাঝে রুহুল জীবনের প্রকৃত অর্থ খুঁজে পায়।

    এখানেই তারেক মাসুদের চলচ্চিত্র ভাবনার পার্থক্য দৃশ্যমান হয় অন্যদের সাথে। :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  6. ধন্যবাদ আতিক ভাই এই অনবদ্য
    ধন্যবাদ আতিক ভাই এই অনবদ্য পোস্টের জন্য। আরেকটা তথ্য যোগ করলেই একটু ভালো হত। তারেক মাসুদই বাংলাদেশের একমাত্র পরিচালক যিনি ‘মাটির ময়না’ চলচ্চিত্র দ্বারা আমাদেরকে অস্কারের রাস্তাঘাট চিনিয়েছিলেন। সেরা একশো চলচ্চিত্রের তালিকায় এই চলচ্চিত্রটি নাম লিখিয়েছিলো।
    ‘কাগজের ফুল’ নামক আরেকটি চলচ্চিত্র বানাতে চেয়েছিলেন তিনি। তার চলচ্চিত্রের মাধ্যমেই মৌলবাদ সম্পর্কে আমার প্রথম চিন্তাভাবনা অবশেষে বিতৃষ্ণা আসে। বলতে দ্বিধা নেই ক্লাশ এইট নাইনে আমি চরম মৌলবাদী ছিলাম। ক্লাশ টেনে ফেইসবুকে এসেই ধর্মের বিরুদ্ধে কিছু দেখলেই গালাগালি দিতাম। এরই মাঝে মাটির ময়না দেখে কেমন জানি ভিতরটায় কিছু একটা হয়ে গেল। তারপর রানওয়ে। সেই থেকে শুরু। তারপর হুমায়ূন আজাদ,স্যাম হ্যারিস,রিচার্ড ডকিন্স এইসবই চলছে।

    1. এরই মাঝে মাটির ময়না দেখে
      এরই মাঝে মাটির ময়না দেখে কেমন জানি ভিতরটায় কিছু একটা হয়ে গেল। তারপর রানওয়ে। সেই থেকে শুরু। তারপর হুমায়ূন আজাদ,স্যাম হ্যারিস,রিচার্ড ডকিন্স এইসবই চলছে…
      স্যালুট টু তারেক মাসুদ… :salute: :salute:
      স্যালুট টু … হুমায়ূন আজাদ,স্যাম হ্যারিস,রিচার্ড ডকিন্স :salute: :salute: :salute:
      আপনাকে স্যার ডেভিড অ্যাটেনবরুর কিছু ডকুমেন্টারি দেখার জন্য অনূরোধ করছি, কাজে আসবে।।

      1. অবশ্যই দেখে নিবো। হুমায়ূন
        অবশ্যই দেখে নিবো। হুমায়ূন আজাদ স্যারের “আমরা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলাম” বইটি আমার কাছে অন্যতম মাস্টারপিস মনে হয়েছে।

        1. .হুমায়ূন আজাদ স্যারের “আমরা

          .হুমায়ূন আজাদ স্যারের “আমরা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলাম” বইটি আমার কাছে অন্যতম মাস্টারপিস মনে হয়েছে।

          নিঃসন্দেহে এটা অনবদ্য…

    2. মাটির ময়না নিয়েই বাংলাদেশের
      মাটির ময়না নিয়েই বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে উনি বিশ্বমানে নিয়ে গেছেন, সেটা আসলে এই পোস্টের আলোচ্য বিষয় না বিধায় ঐদিকে যাইনি। সেটা নিয়ে আলাদা একটা বিশাল পোস্ট লেখা যায়।

  7. আমার খুব প্রিয় এই মানুষটার
    :bow: :bow: :bow: :bow: :bow:

    আমার খুব প্রিয় এই মানুষটার জীবন এবং চলচ্চিত্র দর্শন ও ভাবনা নিয়ে যা বলেছেন, তারপরে আর কিছুই বলার নেই।
    আতিক ভাইকে ধন্যবাদ চমৎকার বিশ্লেষণধর্মী এই পোষ্টের জন্যে।

  8. তারেক মাসুদ একজন অসাধারণ
    তারেক মাসুদ একজন অসাধারণ চলচিত্রকার ছিলেন।
    উনার মত এখনও কেউ আসে নি এই চলচিত্র জগতে।
    যার জন্য বাংলাদেশ বিশাল খতির সম্মুখীন হচ্ছে।
    উনার শিল্প সৃষ্টির পর আর কোন গুরুত্বপূর্ণ কর্ম সৃষ্টি হয় নি চলচিত্র জগতে।
    হায়, একটি দুর্ঘটনা অপূরণীয় ক্ষতি করে গেছে।

  9. আতিক ভাইরে প্রথমেই
    আতিক ভাইরে প্রথমেই :salute: :salute: বিষয়গুলা এভাবে তুলে ধরবার জন্য।

    পারিবারিকভাবে উদার মনমানষিকতার ব্যাকগ্রাউনড থাকার পরেও জামাত অধ্যুষিত মহল্লায় বাস করার ফলে খুব ছোটবেলার থেকেই জামাতি জানোয়ারদের ইসলামের প্রকৃত সৈনিক বলে মনে করতাম… :খাইছে: আর প্রিয় ম্যাগাজিন ছিল কিশোরকণ্ঠ নামে শিবিরের এক মাসিক প্রকাশনা… :কেউরেকইসনা: মজার ব্যাপারটা হল আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা হবার পরেও পাশের বাড়ির বাসিন্দা আমার বেষ্ট ফ্রেন্ডের বাপ ছিল ঢাকা শহরে জামাতের বিশিষ্ট রুকনদের মধ্যে একজন… এতো এতো প্রতিকূলতা সত্ত্বেও একদিন আমার এক কাজিনের জোরাজুরিতে মাটির ময়না দেখি… আমার পুরো চিন্তা-চেতনা পাল্টে দেয় ওই মুভিটা। চেনা-জানা জগতটার স্বরূপ এভাবে উন্মোচিত হয়ে যাওয়ায় আমি পুরোপুরি উদ্ভ্রান্ত হয়ে যাই। আর সেই উদ্ভ্রান্ত মনের দিক নির্দেশনা হয়ে আসে “”মুক্তির গান””। … তারেক মাসুদের মৃত্যুতে আমরা শুধু একজন অসম্ভব গ্রেট চলচ্চিত্রকার হারাইনি, হারিয়েছি মধ্যযুগের অন্ধকার ফুড়ে আমাদের জন্য মুক্তির আলোকময় পথ দেখানো এক বীরযোদ্ধাকে … আজকে যে হাজার হাজার রুহুল আর কাজি সাহেব বাংলাদেশটাকে মধ্যযুগে ফিরিয়ে নিয়ে যাবার ঘুঁটি হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে, তাদের আলোর পথ দেখাতে, মুক্তির গান শোনাতে তারেক মাসুদের মত ক্ষনজন্মার বড়ই প্রয়োজন ছিল…

    হে বীর… আনন্দময় হোক আপনার অনন্তযাত্রা… :bow: :bow: :bow:

    1. তারেক মাসুদের চলচ্চিত্রের
      তারেক মাসুদের চলচ্চিত্রের ভাষাই এমন যে গভীরভাবে নাড়া দেয়। ভালো লাগলো আপনার অভিজ্ঞতা জেনে।

  10. শেষের ছবিটা (নৌকায়) মাটির
    শেষের ছবিটা (নৌকায়) মাটির ময়নার লোকেশন দেখার সময় তোলা! মেকিং এর ভিডিও দেখেই বুজা যায় উনি উনার কাজ কে কতটা ভালবাসতেন । হাসিখুশি মানুষটা ক্যামেরার পিছনে কতটা সিরিয়াস ভঙ্গিতে দাড়াতেন।

    1. ভালো জিনিস মনে করিয়ে দিয়েছেন।
      ভালো জিনিস মনে করিয়ে দিয়েছেন। মাটির ময়নার মেকিং নিয়ে একটা ডকু আছে। সেটা পোস্টে যোগ করে দিচ্ছি। ধন্যবাদ আপনাকে। মেকিং অব মাটির ময়না দেখলেই বুঝা যায় উনি এবং ক্যাথরিন মাসুদের চলচ্চিত্রের প্রতি কি পরিমাণ ভালোবাসা।

  11. মাটির ময়নার মেকিং নিয়ে করা
    মাটির ময়নার মেকিং নিয়ে করা তথ্যচিত্র “মেকিং অব মাটির ময়না” সবাইকে দেখার অনুরোধ রইল। এটা দেখলে একটা অন্যরকম অভিজ্ঞতা হবে নিশ্চিত।

  12. লেখাটা আরেকটু স্ট্রাকচার্ড
    লেখাটা আরেকটু স্ট্রাকচার্ড হলে ভালো হত। অনেক গরিব পাঠক হয়তো ধরতেই পারবে না আপনি লেখাটায় কি বোঝাতে চেয়েছেন।

    মাটির ময়না নিয়ে আরও একটু লেখা আমাদের পাওনা রয়ে গেল।

    তারেক মাসুদ তার কাজ করে গেছেন। মাটির ময়নাতে তিনি আমাদের একটা সূত্র ধরিয়ে দিয়ে গেছেন। আমাদের দেশে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা এবং সেখানে কারা পড়ে, তাদের চিন্তার সীমাবদ্ধতা আর সেই সীমাবদ্ধতার কারন, তাদের জীবন-যাপনের এক টুকরো ছবি সেখানে ফুটিয়ে তুলেছেন।
    মাদ্রাসার ছাত্ররা আমাদেরই ভাই। অনেকে সরলতার সুযোগ নিয়ে মৌলবাদের কাজে তাদের ব্যাবহার করে। এটা বন্ধ করতে হবে। তার জন্য মাদ্রাসার ছাত্রদের সম্পর্কে আমাদের জানতে হবে। তাদের ভালোবাসতে হবে। তারেক মাসুদ আমাদের বুকে সেই আলোটুকু জ্বালিয়েছেন। সেই আলোতে মৌলবাদকে পোড়াতে হবে। মাদ্রাসা বা এর ছাত্রদেরকে নয়।

    রানওয়ে নিয়ে লেখাটা ভালো হয়েছে।

    :থাম্বসআপ:

    1. রায়ান ভাই, আমি আসলে ঠিক মুভি
      রায়ান ভাই, আমি আসলে ঠিক মুভি রিভিউ লিখতে চাইনি। তাই মুভির ডিটেইলসে যাইনি। তবে হ্যাঁ, এটা ঠিক যাদের মুভি দুটো দেখা নেই তাদের জন্য আরও একটু বিস্তারিত লিখতে পারলে ভালো হতো। আপনার পরামর্শ মাথায় থাকল। মাটির ময়না মুভি নিয়ে আলাদা পোস্ট লেখার ইচ্ছে রইল। সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

  13. প্রথমত আপনাকে ধন্যবাদ লেখাটির
    প্রথমত আপনাকে ধন্যবাদ লেখাটির জন্য !!! আপনি নিজেই অ্যাডমিট করেছেন প্রসঙ্গের বাইরে চলে যাচ্ছেন , শেষ পর্যন্ত তাই হয়েছে । রায়ান ভাই কিছুটা বলেছেন । আমার কাছেও মনে হয়েছে তাঁর চলচ্চিত্রে মৌলবাদের শেকড় উপড়ে ফেলার যে নিঃশব্দ আয়োজন তিনি শুরু করেছিলেন সেই বিষয়টি আরও পরিষ্কারভাবে ডিটেইলস আসতে পারতো । সে যাহোক প্রসঙ্গের সূত্রধরে যে আলোচনাটুকু করলেন সেটিও অনেক গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে আমার কাছে ।
    তারেক মাসুদের উপর আরও লেখা আপনার কাছ থেকে পাবো সেই আশায় রইলাম ।

  14. আমি কি বলেছি কোন সময় যে এই
    আমি কি বলেছি কোন সময় যে এই পোস্টটা তারেক মাসুদের উপর আমার পড়া অন্যতম সেরা বিশ্লেষণ? :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: এবং একই সাথে এই লেখাটা তারেক মাসুদকে নিয়ে লিখবার আমার এক পুরনো ইচ্ছার অপমৃত্যুর জন্য দায়ী? :মাথাঠুকি: :ভেংচি: 😀 আসলে যতবার এই লেখাটা পড়ি, ততবার মনে হয় আমি যা বলতে পারতাম, তার সবই আতিক ভাই বলে দিয়েছেন :তালিয়া: … আমি আর কি বলব… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :ফুল: :ফুল: :ফুল:

    আতিক ভাইকে :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :গোলাপ: :বুখেআয়বাবুল:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *