||নীল শাড়ী অথবা গোলাপি ব্রেসিয়ার…||

আজকাল চাঁদ দেখলেই মনে পড়ে
সেবার ভরা জোছনায় সূবর্না খোলা ছাদে বসেছিলো!
দখীনা বাতাসে উরন্ত চুল
তার মখমল শরীরে সম্ভোগের অদৃশ্য ইশারা!মাতাল করে রাখে কবিকে।

তুমি কি পার্ফিউম মেখেছ?
নাকি এটা শুধুই গন্ধ,দেহের,কামনার অথবা স্রেফ চুলের!
নাকি মনে ও মদে মত্ত হলে যে নেশা জাগে তার,
অথবা গভীর ক্ষরনের,আহ্বানের?



আজকাল চাঁদ দেখলেই মনে পড়ে
সেবার ভরা জোছনায় সূবর্না খোলা ছাদে বসেছিলো!
দখীনা বাতাসে উরন্ত চুল
তার মখমল শরীরে সম্ভোগের অদৃশ্য ইশারা!মাতাল করে রাখে কবিকে।

তুমি কি পার্ফিউম মেখেছ?
নাকি এটা শুধুই গন্ধ,দেহের,কামনার অথবা স্রেফ চুলের!
নাকি মনে ও মদে মত্ত হলে যে নেশা জাগে তার,
অথবা গভীর ক্ষরনের,আহ্বানের?
নাহ ওটা চুলের।
ওখানে নাক ডুবিয়ে ঘুমুতে চাইলে
সুবর্না পেতে দেয়,এক প্রস্ত কালো রেশমী চাদর
এক অচেনা পাখীর ছান্দিক ডাক আদরের আবেশ জাগায়!
আমি ধীরে ধীরে অধরে অধর রাখী,প্রেমে প্রেম,মনে মন!
সুবর্না হাসে,তিরতির করে কাঁপে।

আরেক্টু প্রেমের প্রশ্রয় পেয়েই খুলে ফেলি,
গাঢ় নীল শাড়ী,কালো পেটিকোট,জড়ির কাজ করা মিহীন ব্লাউজ!গোলাপি ব্রেসিয়ার সব।
লজ্জায় মুখ ঢাকে পূর্নিমার চাঁদ
বলে আজ থেকে আর উদয় হবনা পূর্ন সমর্পনে!
একে একে সমস্ত কিছুতে নীরবতা নামে!জেগে থাকি আমরা।

সুবর্না নিজেকে সমর্পন করে।
জোছনায় মাখামাখি হয়ে
আমি ও সুবর্না মেতে উঠি আদীম খেলায়।

১২ thoughts on “||নীল শাড়ী অথবা গোলাপি ব্রেসিয়ার…||

  1. নাহ হলো না ভাই। কবিতায় কেউ এত
    নাহ হলো না ভাই। কবিতায় কেউ এত খোলামেলা ভাবে বলে না। বললে সেটা খাপছাড়া লাগে।

  2. এত খোলামেলা না করলেই বোধ করি
    এত খোলামেলা না করলেই বোধ করি বেশী ভাল হতো। প্রথম দিকের গুলো ভাল তবে শেষে কেমন জানি বেশী খোলামেলা হয়ে গেল। যা হোক ভবিষ্যতে এত কোলামেলা না লিখলেই মনে ভাল হয়…

  3. রাজু ভাই তো কিছুই বাদ দিলেন
    রাজু ভাই তো কিছুই বাদ দিলেন না… :ভেংচি: :ভেংচি: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: শেষের দিকে একটু ঢেকে-ঢুকে বলতে/করতে 😀 😀 পারলে পুরাই সেরাম হইত :মাথাঠুকি: … তারপরও ভালো হইছে… :তালিয়া: চালায়া যান… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *