দেশটাকে নতুন করে গড়তে হলে পরিবর্তন অনিবার্য

দেশের চলমান রাজনীতি নিয়ে অনেক আগেই দু’একটি সংক্ষিপ্ত লিখা লিখেছিলাম বটে। এবারে খুবই সংক্ষিপ্ত আকারে জাতীয় নির্বাচন ও স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে এমপি, সিটি মেয়র, পৌর মেয়র, কাউন্সিলর, ইউনিয়ন পরিষদ, চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের নিয়ে বলছি। তারা নির্বাচনের আগে জণগনের দোরগোড়ায় গিয়ে অকল্পনীয় স্বপ্ন দেখান জনগণকে। অথচ এ সকল নির্বাচনে তারা জয়ী হয়ে যার যার আসন দখল করার পর জনগণকে দেখানো স্বপ্নের কথা ভুলে যান। শুধুমাত্র তারা তাদের নিজেদের স্বার্থ সংরক্ষণে মরিয়া হয়ে উঠেন। কারো কথা তখন তাদের মনে থাকে না। এদেশের জনগণই যদি সকল ক্ষমতার উৎস হয়ে থাকেন। তবে এ হেন অবস্থা থেকে পরিত্রাণের উপায় খুঁজবেন জনগণ। আশা করি অদূর ভবিষ্যতে এদেশের আপামর জনসাধারণ তাদের ভাগ্য নির্ধারণের জন্য এমপি, সিটি মেয়র, পৌর মেয়র, কাউন্সিলর, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও মেম্বার যাদেরকে কাছে পাওয়া যাবে কিংবা জনগণের প্রকৃত সেবায় পরিক্ষীত সৎ, আদর্শবান, নীতিবান ও দ্বায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গকে নির্বাচিত করে কথা দিয়ে কথা রক্ষা করার পথকে সুগম করবেন।

৬ thoughts on “দেশটাকে নতুন করে গড়তে হলে পরিবর্তন অনিবার্য

  1. পরিবর্তন বলতে আপনি কি বুঝাতে
    পরিবর্তন বলতে আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন জানতে মন চায়? তৃতীয় শক্তি না অন্যকিছু?

    আমি চাই এবারের পরিবর্তনটা হোক অন্যরকম।অর্থ্যাৎ বহু বছরের রীতি ভেঙ্গে এক সরকারকে দ্বিতীয় মেয়াদেও দেশ পরিচালনা সুযোগ দেয়া হোক ।

  2. আপনি যে জনগণের উপর দায়িত্ব
    আপনি যে জনগণের উপর দায়িত্ব দিয়েছেন। সে জনগণই যদি বুঝতো তাহলে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতো না।
    একই সাথে গোলাম শহিদ ভাই এর শেষ অংশের সাথে আমি পুরাপুরি একমত….

  3. আমিও মনে করি সরকার পরিবর্তন
    আমিও মনে করি সরকার পরিবর্তন না হলেই টেকসই উন্নয়ণের পথ সুগম হবে…
    অন্তত প্রতি সরকারেরই দুই টার্ম ক্ষমতায় থাকার রেওয়াজ চালু হওয়া প্রয়োজন।
    তাহলে প্রতিটি সরকারের উন্নয়ণের পরিকল্পনাগুলো বারে বারে ভেস্তে না গিয়ে,শেষ হওয়া সম্ভব।

    1. আপানার এই কথাটার সাথে সহমত
      আপানার এই কথাটার সাথে সহমত পোষন করতে পারছি না কারণ সরকার দুই টার্ম নাকি এক টার্ম থাকবে কারণ সরকার নির্বাচন করে জনগণ আর এই জনগণ ই জানেনা তাদের করণিয় কি ……পোস্টটা বিস্তারিত হলে ভাল হত ……

  4. আমি এক সরকারকে দুই টার্মে
    আমি এক সরকারকে দুই টার্মে ক্ষমতা দেয়ার পক্ষপাতি। কারণ পাঁচ বছরের সরকার কাজে হাত দিতেই চলে যায় দুই বছর, আর কাজ চলে দুই বছর। শেষের এক বছর নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতেই শেষ। দেখা যায় ৫ বছরের মধ্যে প্রকৃত পক্ষে সরকার কাজ করার সুযোগ পায় ২ বছর। এতে মধ্যমেয়াদী বা দীর্ঘ্য মেয়াদী কোন প্রকল্প হাতে নেয়া সম্ভব হয় না। আর মধ্য মেয়াদী বা দীর্ঘ্য মেয়াদী প্রকল্প না হলে বড় কোন উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়না। ৫ বছরের সরকার শুধুমাত্র স্বল্প মেয়াদী প্রকল্পগুলো হাতে নেয়। এতে রাষ্ট্র তথা জনসাধারণের সমস্যার দীর্ঘ্য মেয়াদী সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয় না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *