ফরমালিন আতংক : সচেতনতাই পরিত্রানের উপায়।

বর্তমানে আমাদের দেশে ফরমালিন একটি আতংকের নাম।দেশের ১৬ কোটি মানুষ আজ ফরমালিন আতংকে আক্রান্ত ও ভীত।বর্তমানে এ থেকে মুক্তি পাওয়া প্রায় অসম্ভব ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।তবে আশার কথা, আমরা একটু সচেতন হলেই পুরোটা মুক্ত না হলেও এই বিষ থেকে অনেকটা পরিত্রান পেয়ে যেতে পারি।


বর্তমানে আমাদের দেশে ফরমালিন একটি আতংকের নাম।দেশের ১৬ কোটি মানুষ আজ ফরমালিন আতংকে আক্রান্ত ও ভীত।বর্তমানে এ থেকে মুক্তি পাওয়া প্রায় অসম্ভব ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।তবে আশার কথা, আমরা একটু সচেতন হলেই পুরোটা মুক্ত না হলেও এই বিষ থেকে অনেকটা পরিত্রান পেয়ে যেতে পারি।

ফরমালিনের সংক্ষিপ্ত পরিচয় ও ইতিহাস: ফরমালডিহাইড বা মিথানল(Formal dehyde,Methanal) এক ধরনের রাসায়নিক যৌগ। বর্ণহীন ও দূর্গন্ধযুক্ত গ্যাস হিসেবে এর সবিশেষ পরিচিতি রয়েছে।এটি আগুনে জ্বলে এবং বিষাক্ত পদার্থ বিশেষ।এর রাসায়নিক সংকেত হচ্ছে CH2O।বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ফরমালডিহাইড পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় সচরাচর এটি ফরমালিন নামে পরিচিত হয়ে থাকে।
প্রকৃতিতে ফরমালিন কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেনের সংমিশ্রণে তৈরী হয়। ১৮৫৯ সালে রুশ রসায়নবিদ আলেকজান্দর বুতলারভ ফরমালিনের অস্তিত্ব তাঁর প্রতিবেদনে তুলে ধরেন।পরবর্তীতে ১৮৬৯ সালে অগাস্টে উইলহেম ভন হফমেন স্বার্থকভাবে ফরমালিন চিহ্নিত করেন।

ফরমালিন কি : ফরম্যালডিহাইড(H-CHO) এক ধরনের কার্বনাইল যৌগ।কার্বনাইল যৌগ সমূহকে প্রধানত দুই শ্রেণীতে ভাগ করা যায়, যেমন: অ্যালডিহাইড ও কিটোন।দ্বিযোজী কার্বনাইল(>C=0)মূলকের সাথে ২টি হাইড্রোজেন পরমানু যুক্ত হয়ে যে যৌগ উৎপন্ন হয় সেটিই ফরমালডিহাইড।প্রায় ৫০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উত্তপ্ত সিলভার অথবা কপার প্রভাবকের উপর দিয়ে মিথানলের বাষ্পও বায়ুর মিশ্রণকে চালনা করলে মিথানল আংশিক জারিত হয়ে মিথানল ও পানি বাষ্প উৎপন্ন হয়।ঐ মিথানল গ্যাসকে পানিতে চালনা করলে উৎপন্ন হয় ৩০-৪০% জলীয় দ্রবণ বা ফরমালিন।

ব্যবহার :সাধারনত ব্যাকটেরিয়া,ফাংগাস,ভাইরাস ইত্যাদি জীবানু নাশে ঔষধ হিসেবে ইহা ব্যবহৃত হয়।ফরমালিন Parasite প্রতিরোধেও ব্যবহৃত হয়।এছাড়া ল্যাবরেটরিতে বিভিন্ন পরীক্ষার Specimen সাময়িকভাবে সংরক্ষনেও ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
তবে দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, প্রয়োজনীয় এই রাসায়নিক উপাদানটির বর্তমানে অপব্যবহারই হচ্ছে বেশি।এক ধরনের অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফার লোভে মাছ,ফলমুল,তরি-তরকারী সহ বিভিন্ন দ্রব্য বেশি দিন তাজা রাখতে এই বিষটি মাত্রাতিরিক্ত হারে মেশাচ্ছে যা শুধু মানবদেহের জন্য ক্ষতিকরই নয়, বরং সব ধরনের প্রাণীকুলের জীবনের জন্যও হুমকি।এছাড়া এই কাজটি অনৈতিক,অগ্রহণযোগ্য এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে দন্ডনীয় একটি অপরাধ।

মানবদেহে ফরমালিনের ক্ষতিকর প্রভাব : ফরমালিনে ফরমালডিহাইড ছাড়াও মিথানল থাকে, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। লিভার বা যকৃতে মিথানল এনজাইমের উপস্থিতিতে প্রথমে ফরমালডিহাইড এবং পরে ফরমিক এসিডে রূপান্তরিত হয়।দুটোই শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
আমাদের রক্ত বা টিস্যুতে মাত্রাতিরিক্ত ফরমিক অ্যাসিড জমা হলে মেটাবলিক এসিডোসিস উৎপন্ন হয়।এসিডোসিস শরীরের অ্যাসিড বেস এবং আয়নিক ভারসাম্য নষ্ট করে কোষের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা প্রদান করে।যার ফলে তাৎক্ষনিকভাবে পেটের পীড়া, বদহজম, ডায়রিয়া, আলসার চর্মরোগ সহ বিভিন্ন রোগ হয়ে থাকে।এমনকি লিভার ক্যান্সারও সৃষ্টি করতে পারে।ফরমালিন যুক্ত ফলমূল সহ অন্যান্য খাবার গ্রহণের ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমে যাওয়া, ফুসফুসের কার্যক্ষমতা নষ্ট, হাঁচি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা রোগের উপদ্রব হয়।ফুসফুস, শ্বাসনালীতে ক্যান্সার হতে পারে। বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম, মাথাব্যথা ও চোখ জ্বালাপোড়া করতে পারে এবং ফরমালিনযুক্ত মাছ পাকস্থলী,ফুসফস ও শ্বাসনালীতে ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। ফরমালিনযুক্ত খাবারের কারনে পাকস্থলি, অস্থিমজ্জা আক্রান্ত হওয়ার ফলে রক্তশূন্যতা ও অন্যান্য রক্তের রোগ এমনকি ব্লাড ক্যান্সার হতে পারে।এতে মৃত্যুবিহীন অন্য কোন পথ নাই।ফরমাল ডিহাইড চোখের রেটিনায় ইডিমা সৃষ্টির মাধ্যমে রেটিনার কোষ ধ্বংস করে।ফলে মানুষ অন্ধ হয়ে যেতে পারে।এছাড়া গর্ভবর্তী মায়েদের ক্ষেত্রেও মারাত্মক ঝুকি রয়েছে।সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে দেখা দিতে পারে প্রসব জটিলতা,বাচ্চার জন্মগত দোষত্রুটি, হাবা-গোবাসহ প্রতিবন্ধী শিশুর জন্ম হওয়াও অস্বাভাবিক নয়।

সনাক্তকরনের উপায়:
ক/বাহ্যিকভাবে: ফরমালিন মেশানো দ্রব্যে আলাদা একটা বিরুপ গন্ধ পাওয়া যায়।সাধারনভাবে লক্ষ করলে দেখা যাবে ফরমালিন মেশানো দ্রব্যে মাছ,ফলমুল ও তরি-তরকারিতে মাছি বসবে না এবং ফরমালিন যুক্ত দ্রব্য স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা শক্ত মনে হবে।
খ/ফরমালিন ডিটেক্টর: ইহা দ্বারা 5PPM(Five Parts Per Million)পর্যন্ত সনাক্ত করা যাবে।
গ/রাসায়নিক প্রক্রিয়া:
(a)Tollens re-agent(Ammonical silver nitrate solution): ফরমালিন সন্দেহযুক্ত দ্রব্য কিছু পানিতে মেশাতে হবে এবং ঐ পানি থেকে ২/৩ সিসি পানি একটা টেস্ট টিউবে নিয়ে তাতে সমপরিমান Tollens reagent মিশিয়ে Bunsen Burner এ তাপ দিলেই একটা Silver mirror টেস্টটিউবের গায়ে দেখা যাবে।যদি দেখা যায় তবে বুঝতে হবে এতে ফরমালিন আছে।
(b)বেনেডিক্ট মিশ্রন: একই পদ্ধতিতে পানির সাথে সমপরিমান বেনেডিক মিশ্রন দিয়ে তাপ দিলে লাল রংয়ের শক্ত বস্তু দেখা গেলে বুঝতে হবে ফরমালিন আছে।
(c)Brady’s re-agent(2,4 dinitrophenylhydrazine):উপরের পদ্ধতির মত ২/৩ সিসি পানিতে সমপরিমান Brady’s re-agent মিশিয়ে টেস্টটিউবে ভরে ঝাঁকুনি দেয়ার পর কমলা রংয়ের Crystal দেখা গেলে বুঝতে হবে ঐ দ্রব্যে ফরমালিন রয়েছে।
ঘ/Analytical Method: Chromatography এবং Mass Spectroscopy(R Spectroscopy ও N.M.R Spectroscopy)দ্বারাও ফরমালিন নিখুঁতভাবে সনাক্ত করা যায়।যদিও ইহা অত্যন্ত কঠিন ও ব্যায় সাপেক্ষ।

ফরমালিন থেকে পরিত্রানের উপায় :
১.নরমাল পানিতে ১ ঘণ্টা মাছ ভিজিয়ে রাখলে ফরমালিনের মাত্রা প্রায় ৬১% কমে যায়।
২.লবনাক্ত পানিতে ১ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখলে ফরমালিনের মাত্রা প্রায় ৯০% কমে যায়।
৩.প্রথমে চাল ধোয়া পানিতে ও পরে সাধারন পানিতে ফরমালিন যুক্ত মাছ ধুলে ৭০ ভাগ ফরমালিন দূর হয়।
৪.ভিনেগার ও পানির মিশ্রনে(পানিতে ১০% আয়তন অনুযায়ী)১৫ মিনিট মাছ ভিজিয়ে রাখলে প্রায় ১০০ ভাগ ফরমালিন দূর হয়।
৫.খাওয়ার আগে ১০ মিনিট হালকা গরম লবন মিশ্রিত পানিতে ফল ও সবজি ভিজিয়ে রাখলে ১০০ ভাগ ফরমালিন দূর হয়ে যায়।

সচেতন হোন
ফরমালিন মুক্ত থাকুন।

২৬ thoughts on “ফরমালিন আতংক : সচেতনতাই পরিত্রানের উপায়।

  1. লিখাটিতে বিভিন্ন তথ্য
    লিখাটিতে বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের বেশির ভাগই অনলাইন থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।মোবাইল ব্লগিং এর কারনে বর্ণ সংখ্যার লিমিটের জন্য শেষ মুহুর্তে তথ্যসুত্র দেয়া সম্ভব হয়নি।

  2. ইনফরমেটিভ লেখা। মনে হল, অনেক
    ইনফরমেটিভ লেখা। মনে হল, অনেক দিন পর কেমিস্ট্রি ক্লাস করলাম :ঘুমপাইতেছে:

    সনাক্তকরনের উপায়: আর ফরমালিন থেকে পরিত্রানের উপায় বিষয়টা সবার জানা উচিৎ।

    বর্তমানে আমাদের দেশে ফরমালিন একটি আতংকের নাম। এই আতঙ্ক সম্পর্কে জানানোর জন্য ধন্যবাদ।

  3. অনেক কিছু জানলাম। ধন্যবাদ।
    অনেক কিছু জানলাম। ধন্যবাদ।

    কিন্তু এভাবে কি পানি, লবণ পানি, গরম পানিতে মিশিয়ে কি সমস্যার সমাধান হবে? এটা কয়জনের পক্ষে করা সম্ভব।

    1. যৌক্তিক একটা প্রশ্ন করেছেন
      যৌক্তিক একটা প্রশ্ন করেছেন ।এই প্রশ্নটা আমার ও ।
      তবে সরকার ইচ্ছা করলে লবন পানির চাইতে আরোও কার্যকর একটি পদ্ধতি আবিস্কার করতে পারে ।যেমন এই রাসায়নিক দ্রব্যটির উপর অতিরিক্ত কর ধার্য্য করা এবং ইহা বাজারজাত ও বিপননে বেশ কড়াকড়ি আরোপ করা।যেমনটি ইয়াবা, হিরোইন বা এন্ড্রিন এর ক্ষেত্রে করা হয়েছে।
      একথা অনস্বীকার্য যে, দাম বেশি হলে অসাধু ব্যবসায়ীরা এর ব্যবহার না করতে বাধ্য হবে এবং অতিরিক্ত কড়াকড়ি আরোপ করা হলে রাসায়নিকটির দাম অটোমেটিকেলী বেড়ে গিয়ে সহজলভ্যতা কমে আসবে।

      ধন্যবাদ যৌক্তিক প্রশ্নটির জন্য ।

  4. ভালো লাগলো।অনেক উপকারী
    ভালো লাগলো।অনেক উপকারী পোস্ট।কিন্তু অশিক্ষিত মানুষ তো এসব বুঝবে না।তাই আমাদের উচিত গোড়া থেকে শুরু করা।অসত্‍ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া।এবং এর ব্যবহার সম্পর্কে গণসচেতনতা তৈরী করা।শহিদ ভাইকে চমত্‍কার একটি পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

    1. মানুষের উপকারে আসবে জেনে
      মানুষের উপকারে আসবে জেনে পরিশ্রমকে সার্থক মনে হচ্ছে ।উয়সাহ দেয়ায় কৃতজ্ঞতা জানাই ।

  5. হুম ।আমরা সাধারন পাবলিকরা
    হুম ।আমরা সাধারন পাবলিকরা সোচ্চার হলে সরকার এমন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে ।

  6. ভাই, ফরমালিনযুক্ত খাবার খাইতে
    ভাই, ফরমালিনযুক্ত খাবার খাইতে খাইতে মনে হয় অভ্যস্ত হইয়া গেছি, এখন মনে হয় শুধু ফরমালিন গ্লাসে কইরা এক গ্লাস খাইলেও প্রবলেম হইব না 😛

  7. ফরমালিন সচেতনতার সাথে সাথে
    ফরমালিন সচেতনতার সাথে সাথে আমাদের বর্তমান রাজনীতিবিদ সচেতনতাও অবলম্বন করা আবশ্যক….

  8. অনেকদিন আগে একটা হিন্দি
    অনেকদিন আগে একটা হিন্দি সিনেমা দেখেছিলাম ।ছিনেমাম নায়ক(খুব সম্ভব বুইড়া তরুন অনীল কাপুর)আদালতে বিষ খেয়ে প্রমান করেছিল রহস্যময় ঐ কৌটাতে বিষ ছিল না, ছিল ঔষধ।অবশ্য সিনেমার নিয়ম অনুসারে সেকেন্ডের ভিতর গাড়ী এসে নায়ককে হাসপাতালে নিয়ে বাচানো হয়েছিল।

    খবরদার ভাই, ঐ সিনেমার নায়কের মত বিষ খেয়ে প্রমান করতে যাইয়েন না যে, এটা বিষয় নয় ।কারন সিনেমা আর বাস্তবতার মাঝে কিন্তু অনেক ফারাক!

  9. তথ্যগুলো জানা ছিল। আবার পড়ে
    তথ্যগুলো জানা ছিল। আবার পড়ে সচেতন হওয়ার প্রতি তাগিদ অনুভব করছি। সরকার থেকেই যতক্ষণ শক্তভাবে এটা না থামাচ্ছে ততদিন নিজেরা নিজেরাই সচেতন না হয়ে উপায় কি?

    1. সদিচ্ছা থাকলে সরকার এই বিষ
      সদিচ্ছা থাকলে সরকার এই বিষ থেকে আমাদের পুরোপুরি না হলেও অনেকটা নিরাপত্তা দিতে পারে । আমরা নিজেরা সচেতন হওয়ার পাশাপাশি এর বিরুদ্ধে প্রবলভাবে সোচ্চার হলে সরকার একটা বিহিত করতে বাধ্য হবে ।

  10. চমৎকার ভাবে গুছিয়ে তথ্যপূর্ণ
    চমৎকার ভাবে গুছিয়ে তথ্যপূর্ণ একটা পোস্ট দেবার জন্য শহীদ ভাইকে একগুচ্ছ :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: শেয়ার দিলাম ভাই… :তালিয়া: :থাম্বসআপ:

    যারা মানুষকে এই বিষ খাইয়ে মারার সবরকমের প্রচেষ্টার সাথে যুক্ত, তারা এক কথায় নিকৃষ্ট জানোয়ার… এদের বিরুদ্ধে সবাই যদি একত্রে এগিয়ে না আসে, তবে এদের থামানো অসম্ভব। সমস্যাটা হল আজকে বাংলাদেশের এমন কোন পণ্য(খাবার বা অন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য) পাওয়া খুবই কষ্টকর যার মাঝে ফরমালিন মেশানো হয় না। আমরা ক্রেতারা হয়তোবা একযোগে সব পণ্য বর্জন করলাম, কিন্তু সেটা কত দিনের জন্য?? শুধু আমাদের পক্ষে এটা বন্ধ করা অসম্ভব। সরকার যদি সমন্বিত উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসে এবং এইসব মানুষরূপী জানোয়ারগুলোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি এটার কুফল সম্পর্কে সবাইকে বিশেষ করে বিজনেসম্যানদের সচেতন করার উদ্যোগ নেয়, তবেই হয়তোবা এই অভিশাপ থেকে মুক্তি সম্ভব। ধন্যবাদ :ফুল:

  11. একটা সুখবর আছে…
    খুব কম সময়ে

    একটা সুখবর আছে…
    খুব কম সময়ে এবং অল্প খরচে ফরমালিন সনাক্ত করার উপায় উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) গবেষক ফারুক বিন হোসেন ইয়ামিন।
    তিনি বলছেন, ‘কালার রিয়্যাকশন’ পদ্ধতিতে এ প্রযুক্তির মাধ্যমে খাদ্য দ্রব্যে ফরমালিন বা ক্ষতিকর রাসায়নিকের উপস্থিতি জানা যাবে মাত্র পাঁচ সেকেন্ডে। আর এজন্য খরচ হবে মাত্র ১ টাকা!
    দেখুন বিস্তারিত… http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article659110.bdnews

  12. এনাটমি ডিসেকশন এ ক্যাডাভার
    এনাটমি ডিসেকশন এ ক্যাডাভার কিনবা ভিসেরায় লেগে থাকা ফরমালিন হাতে কিছুক্ষণ থাকলে হাত এর চামড়া কেমন যেন খাঁজ খাঁজ হয়ে যায়। আর তা যদি খাই তাহলে তো লাইফই খাঁজ খাঁজ !!!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *