ধর্মের জন্য প্রতিদিন মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে।

ধর্ম ধর্ম করে প্রিতিদিন মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে বিনা কারণে । সৃষ্টির সেরা মানুষ কবে নিজে প্রথমে সৎ হবে অন্যকে সৎ হবার বলার আগে?অনেকে ইসলামকে সিংহাসনের উপরে বসিয়ে পৃথিবীর সর্ব শ্রেষ্ঠ ধর্ম বলে রায় দিচ্ছেন। কিন্তু এই ধর্মের ছায়াতলেই ঘটে যাচ্ছে অসংখ্যা ব্যাভিচার সে দিকে কারো খেয়াল নেই; নেই কারো মাথা বেথা এই ধর্মকে নিরপেক্ষ ভাবে বিশ্লেষণ করার।যারা করছেন তাদের উপর চলে আসে অত্যাচার!কেউ কি একবারও প্রশ্ন করেছেন?
১) আল্লাহ পূর্বের নবীদের না পাঠিয়ে মুহাম্মাদকে কেন প্রথম পাঠায়নি?আল্লাহর কাছে এই তথ্য জানা ছিল না ?
২) আল্লাহ তো সব জানে সেহেতু পূর্বের বইগুলো যে পরিবতন হবে সেটা জেনেও কেন সে পূর্বের বইগুলো পাঠিয়েছিল?তবে কি আল্লাহ ভুল করছে ? সে অত শক্তিশালী না যতটুকু কোরানে লেখা আছে?
৩) কোরান বলে নবী ঈশা জন্মে ছিলেন পবিত্র আত্মার মাধ্যমে । নবী মুহাম্মাদের চরিত্রের সাথে নবী ঈশার কোন তুলনা করা যায় না । পূর্বের কোন নবীই যুদ্ধবাজ, চুড়িবৃতি, রাহাজানি, এবং ধর্ষক ছিল না। তা জেনেও কেন আল্লাহ মুহাম্মাদেকে তার শেষ নবী করল এবং তার কাছেই কোরান নাজিল করল ?
এ ধরণের প্রশ্ন করলে অনেকেই খেপে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি শুরু দেয় কিন্তু প্রশ্নগুলো কি একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক?আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি যে কোন বিষয় সেটা যতই বিতর্কীত হোক না আমরা অন্ততঃপক্ষে আলোচনার প্রথম পদক্ষেপ নিতে পারি বিষয়টি অপেক্ষা করার পরিবর্তে। আলোচনা করার পরিবেশ সৃষ্টি করাটাই হল উন্নত বিশ্বের প্রধান শক্তি ।

আর বিজ্ঞান দ্বারা কোন ভাবেই ধর্মগ্রন্থ গুলোকে সত্য প্রমান করা যায়না, কোরান সহ অন্যান্য ধর্ম গ্রন্থগুলোতে যা লেখা আছে তার ৮০% আজগুবী, কাল্পনিক আর রূপ কথার কাহিনীতে পরিপূর্ণ। এইসব রূপ কথার কেনটিই বিজ্ঞানসম্মত ও বাস্তব সম্মত নয়, আংগুলের ইশারায় চাঁদকে দ্বিখন্ডিত করা, বোরাকে চড়ে আল্লাহর সাথে দেখা করতে যাওয়া, পানির উপর দিয়ে হেটে যাওয়া, মরা মানুষকে স্পর্শ করা মাত্র জেগে উঠা, বেহেশতে ৭২ হুর বরাদ্দ দেয়া এমন হাজারো আজগুবী, রূপ কথায় পরিপূর্ণ কোরান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *