ইসলামে নারীর অধিকার

আমরা প্রায়শই শুনে থাকি বিশেষ করে ইসলামিক বক্তা, ওয়াজিদের কাছ থেকে যে ইসলাম দিয়েছে নারীকে সর্বোচ্চ সম্মান আর সুমহান মর্যাদা। মাঠে, ঘাটে, হাটে মানে ওয়াজ মাহফিলের হাটে যেখানেই যাইবে সেখানেই শুনিতে পাইবে এই মর্মান্তিক বাণী যে একমাত্র ইসলাম ধর্মই নারীকে সর্বোচ্চ সম্মানের আসনে বসিয়েছে। কতটা যে নারীকে সম্মানের আসনে বসিয়েছে সেটা বাস্তবিক ভাবে আমাদের চোখের সামনে স্বচ্ছ জলের মতো ভাসছে।

নারীকে বস্তা বন্দী করে কালো বোরখার আড়ালে মুড়িয়ে দিয়েছে। এটাকে আবার ইদানীং মুমিনা আপারা স্টাইল করে হিজাব করে পড়ে। কিন্তু এদের কাছে মাঝে মাঝে জানতে ইচ্ছে করে এরকম অর্ধেক ইসলাম মেনে লাভ কি মানলে পুরোটাই মানেন। ইসলামে নারীর কোনো অংশ নিজ স্বামী ব্যতীত অন্য পুরুষদের দেখানোই হারাম করে দিয়েছে। তাহলে এই অর্ধ অর্ধ ধার্মিক সাজার মানে কি।

যাইহোক তারপর আসি ইসলাম নারীদের অধিকার রক্ষায় সম মর্যাদা দিয়েছে। অথচ নারী নেতৃত্বই ইসলাম হারাম করে দিয়েছে। নারীদের বানিয়েছে শস্য ক্ষেত্র যেখানে পুরুষরা যখন খুশি যেভাবে খুশি অবতীর্ণ হতে পারবে। নারীরা এক্ষেত্রে কোনো প্রকার বাধা দিতে পারবে না। নারীদের ইচ্ছে অনিচ্ছার কোনো দাম নেই। সোজাসাপ্টা বলতে গেলে ইসলাম নারীদের শুধুমাত্র পুরুষের ভোগ্য পণ্য ব্যতীত অন্য কোনো চোখে দেখে না। তারপরেও আমারা বলে থাকি ইসলামই একমাত্র ধর্ম নারীদের দিয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান৷ দুঃখজনক হলেও সত্যি যে নারী এতো কিছু বাধা নিষেধ থাকা স্বত্তেও এই নারীদেরকেই এসব ধর্মীয় আদেশ-নির্দেশ পালণ করতে বেশী দেখা যায়।

মুখে বোরখা পরে এবং মাথায় হিজাব বেঁধে মোহাম্মদের নামের পরে সহি উচ্চারণে যখন কোনো নারী সাল্লাহি অলাইস সালাম বলে ইসলাম নারীকে দিয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান বলে দাবী করে, তখন সেসব নারীদের প্রতি স্রেফ আফসোস হয়।

কোরান হাদিস ঘাটলে দেখা যায় যে ইসলাম নারীদেরকে উত্তরাধিকার সূত্রে কিছু সম্পত্তি দেয়া ছাড়া বস্তুতঃ আর কোন মান সম্মান দেয়া তো দুরের কথা, বার বার অপমান অপদস্ত করেছে, এমনকি তাদেরকে পূর্নাঙ্গ মানুষ হিসাবেই স্বীকার করেনি। তখন তারা প্রশ্ন করে অন্য ধর্মে তো নারীদের একেবারেই মান সম্মান দেয়নি, সে তুলনায় ইসলাম নারীদেরকে অনেক মান সম্মান দিয়েছে যদিও এসব তারা কোরান হাদিস থেকে কোনোভাবেই প্রমান করতে পারে না একমাত্র কিছু সম্পত্তি দেয়ার বিধান ছাড়া।

প্রশ্নটা হলো- তারা দাবী করছে কোরান হলো আল্লাহর বানী, আল্লাহর কাছে তার সব বান্দাই সমান ও সেহেতু তারা সমান মর্যাদার অধিকারী সেখানে কোরান কেন বার বার নারীদেরকে অসম্মান করবে? তথা আল্লাহর বানীতে এমন কিছু থাকতে পারে না যা কিছু মানুষের জন্য সব সময় সুবিধাজনক ও কিছু মানুষের জন্য অপমানজনক। যদি তা হয়, তাহলে তা আল্লাহর বানী কিনা তাতে সন্দেহ দেখা দেয়া স্বাভাবিক।

এমনকি হাদিস যা নাকি মহানবীর জীবনের নানারকম কার্যাবলীর বর্ননা আছে, আছে মানুষের জন্য চলার নানারকম দিক নির্দেশনা, সেখানেও নারীদেরকে স্রেফ ভোগ্য পন্য ছাড়া পরিপূর্ন মানুষ রূপে তিনি নারীদেরকে স্বীকার করেন নি বরং তার নারী সম্পর্কিত ব্যক্তিগত জীবন ছিল খুবই কদর্য ও প্রশ্ন বিদ্ধ।

যেমন তিনি আল্লাহ প্রেরিত রসুল, কিন্তু তার সম্পূর্ন জীবন ছিল নারী কেলেংকারী ও যৌনাচারে ভরপূর। তিনি একাধারে ১৩ টির বেশী বিয়ে করেছিলেন, এ ছাড়াও তার ছিল অনেক দাসী যাদের সাথে তার অবৈধ যৌন সম্পর্ক ছিল আর তা জায়েজ করতে আল্লাহর বানীর নামে তিনি যুদ্ধ জয়ে বন্দীকৃত নারীদেরকে গনিমতের মাল হিসাবে বর্ননা করে তাদেরকে ধর্ষন করাকে জায়েজ করে দিয়ে যান, একসাথে অনেক স্ত্রী নিয়ে হারেম তৈরী করেছিলেন, ৫১ বছর বয়েসে মাত্র ৬ বছর বয়সের কণ্যা শিশু আয়েশাকে বিয়ে করেছিলেন যে নাকি ছিল তার ধর্ম সম্পর্কিত ভাতিজি, তিনি তার পালিত পূত্র জায়েদের স্ত্রী জয়নবের রূপ যৌবন দেখে রিপু তাড়িত হয়ে নানা ছলাকলা করে জায়েদ কর্তৃক জয়নবকে তালাক দিতে বাধ্য করেন ও পরে নিজেই তার সেই পূত্র বধূকে বিয়ে করেন, এ নিয়ে সমাজে কানাঘুষা শুরু হলে, আল্লাহ থেকে আয়াত নাজিলের নামে তা বন্দ করেন , অথচ পৃথিবীর সব সমাজেই পালিত পূত্রকে নিজের পূত্র হিসাবে জ্ঞান করা হয়ে থাকে, একমাত্র মোহাম্মদ তার বিকৃত যৌন কামনা চরিতার্থ করতে গিয়ে পবিত্র সম্পর্ক কলুষিত করেন ও যাকে ধর্মের নামে গোটা মুসলমানদের ওপর চাপিয়ে দেন ও আল্লাহর আয়াতের নাম দিয়ে বলেন- পালিত পুত্রের তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকেও বিয়ে করা যাবে।  যার ফলে গোটা মুসলমানরা আজকে মানষিকভাবে বিকৃত এবং গোটা মুসলিম সমাজ মোহাম্মদের দেখানো সেই পথেই হাটতেছে।

গনিমতের মাল হিসাবে বন্দী নারীদেরকে ভোগ করা যাবে এটা কোরান অনুমোদিত আর তাই ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যে দুই লাখ মা বোন (যার প্রায় ৯৯% জনই মুসলমান) ধর্ষিতা হয়েছিলেন তৎকালীন জামাতে ইসলামী তাকে আল্লাহর বিধান হিসাবে বিধি সম্মত বলে রায় দিয়েছিল ও সেকারনে তারা আজও এ জঘন্য ঘটনার জন্য অনুতপ্ত নয়। এবার সরেজমিনে দেখা যাক, ঐশি কিতাব কোরানে আল্লাহ কতটুকু মর্যাদা নারী জাতিকে দিয়েছে।

তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের শস্যক্ষেএ, সুতরাং তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যে প্রকারে ইচ্ছা অবতীর্ন হও। সূরা-২: বাক্কারাহ, আয়াত:২২৩

আগেই তো বলেছি ইসলাম নারীকে পুরুষের শস্যক্ষেত ব্যতীত অন্য কোনো চোখে দেখে না। এই সূরার মাধ্যমে আল্লাহ নারীদের পুরুষের একটি সেক্সপুতুল বানিয়ে দিছে। সেই পুতুলের সাথে পুরুষ যখন চাইবে তখনই যৌনকার্যে লিপ্ত হতে পারবে। এমনকি নারী যদি অসুস্থও থাকে।

নিজেদের ইচ্ছা অনুযায়ী দুই-দুই, তিন-তিন ও চার-চার রমনীকে বিবাহ কর, কিন্তু তোমরা যদি আশংকা কর যে, সমতা রা করতে পারিবে না, তদবস্থায় একই স্ত্রী কিংবা তোমাদের অধীনস্ত দাসী; ইহা অবিচার না হওয়ারই অতি নিকটতর। সূরা-৪: নিসা, আয়াত:৩

বাহ এর চাইতে আর সুন্দর মর্যাদা কি কোরান নারীদের দিতে পারে। শুধুমাত্র ইহকালে পুরুষের সেবা করাই হলো নারীর একমাত্র কর্ম। নারী হলো দাসী আর পুরুষ হলো প্রভু। নারীর প্রভুর সেবা করাই হলো আল্লাহ কর্তৃক একমাত্র  শিরোধার্য কর্ম। একজন পুরুষ চারটি পর্যন্ত বিয়ে করতে পারবে, অর্থাৎ তার জন্যে যৌন আনন্দ লাভের জন্য বৈচিত্রের ব্যবস্থা করেছে কোরান বা ইসলাম। কারন সেই যুগে অসভ্য আরবদের জন্য জীবন উপভোগের সবচাইতে বড় উপায় ছিল যৌন কর্ম। সেসব আরবদেরকে ইসলাম ধর্মে আকৃষ্ট করতে হলে তাই বলা বাহুল্য যৌন আনন্দ লাভের একটা ব্যপক ব্যবস্থা থাকতে হবে।নইলে মানুষ ইসলাম কবুল করবে না। আর সেই সময়কার আরব সমাজে বিরাজ করছিল তার অনুকুল পরিবেশও ।

নিত্য নৈমিত্তিক যুদ্ধ বিগ্রহের ফলে পুরুষ মানুষের মৃত্যু হওয়ায় সমাজে পুরুষ মানুষদের ঘাটতি ছিল, সুতরাং নবী মোহাম্মদ কোরানের বানীর নামে উপরোক্ত আয়াত নাজিল করলেন অসভ্য আরবদেরকে ইসলামে আকৃষ্ট করতে। অসভ্য আরবরা আগে যেভাবে যথেচ্ছ যৌনাচার করে আনন্দ উপভোগ করত, ইসলাম ধর্মে দীক্ষা নেয়ার পরেও তার ব্যবস্থা সামান্য একটু ভিন্ন কায়দায় বহাল থাকল, ফলে ইসলাম ধর্ম গ্রহনে তার আর আপত্তি থাকার কথা না। উপরোক্ত আয়াত দ্বারা প্রকাশ করা হচ্ছে এক সাথে চারটি স্ত্রী রাখা যাবে, তবে কৌশল করে বলা হচ্ছে যদি স্ত্রীদের মধ্যে সমতা রা করতে না পারা যায় সেক্ষেত্রে দাসীদের সাথে যৌনাচার করা যাবে যত ইচ্ছা খুশী এবং বলা বাহুল্য বিয়ে না করেই।খোদ নবীরই দাসীর সংখ্যা ছিল বহু যাদের সাথে তার যৌন সমপক ছিল। অর্থাৎ বিয়ে বহির্ভূত, যৌনাচারকে এখানে আল্লাহ বৈধ করে দিয়েছেন।

আমি দোজখও দেখলাম আর এমন ভয়ংকর দৃশ্য আমি আর দেখি নি। আমি দেখলাম অধিকাংশ দোজখবাসী হলো নারী। লোকেরা জিজ্ঞেস করল, হুজুর , কেন তা ? উত্তরে আল্লাহর হাবিব বললেন- তাদের অকৃতজ্ঞতার জন্য। আবার নবীকে জিজ্ঞেস করা হলো- নারীরা কি আল্লাহর প্রতি অকৃতজ্ঞ কি না। উত্তরে তিনি বললেন- নারীরা হলো তাদের স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ। তোমরা তাদের প্রতি সারা জীবন প্রীতিপূর্ন হলেও যদি একবার কোন কাজ কর যা তোমাদের স্ত্রীদের আশানুরূপ নয়, তাহলে তারা বলবে সারা জীবনেও তোমাদের কাছ থেকে ভাল কিছু পায়নি।- বুখারী শরীফ, ভলুম -২, বই-১৮, হাদিস নং-১৬১”

হাদিসের এই সূরা দ্বারা নারীদের মোটামুটি পর্যুদস্ত করে দিয়েছে নবী মোহাম্মদ। পুরুষের জন্য ইহকালে রাখলো ৪ টা বিয়ে আর নিজে তো রেখেছিলেন অসংখ্য দাসী এবং ১৩ টি স্ত্রী। আর কোরানে আয়াত নাযিল করে নবী মোহাম্মদের সেই অপকর্মকে বৈধতা প্রদানের জন্য পুরুষের জন্য চারটি বিয়ে করার অনুমতি দিয়ে দেয়া হয় আর পরকালে পুরুষের জন্য ৭২ টা হুরের ব্যবস্থা করে রাখা হয়। পক্ষান্তরে নারীরা সারাজীবন তার স্বামীকে সেবা দিয়ে যাওয়ার পরেও পরকালে হবে জাহান্নামি।

নবী মোহাম্মদের এসবের পিছনে অবশ্য কারণ আছে। প্রথমতঃ তিনি নিজে হতদরিদ্র থাকায় যৌবনকালে কোন সুন্দরী যুবতীকে বিয়ে করতে না পেরে অবশেষে পচিশ বছর বয়েসে চল্লিশ বছর বয়স্কা বিবি খাদিজাকে বিয়ে করেন নিতান্ত আর্থিক কারনে। তরতাজা যুবক মোহাম্মদের কাছে বিগত যৌবনা খাদিজা মোটেই আকর্ষনীয়া ছিলেন না। একারনেই তার মধ্যে নারী সম্পর্কিত একটা হীনমন্যতাবোধ কাজ করেছে তার বাকী জীবন। তাই আমরা দেখি যখন তিনি নবী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছেন- অসভ্য আরব বেদুইনরা তার কথায় ওঠে ও বসে, তখন সুন্দরী নারী ভোগ করার এক অবাধ সুযোগ এসে যায়। কিন্তু ততদিনে অনেক বয়স হয়ে গেছে তার, পঞ্চাশের ওপর। তারও যৌবন তখন প্রায় চলে গেছে। আর তখনই তিনি একের পর এক বিয়ে করেছেন সুন্দরী নারীদের যাদের অধিকাংশেরই বয়স বিশ এর কোঠায়। অথচ তখন তার বয়স পঞ্চাশের ওপর। আয়শাকে যখন বিয়ে করেন তখন তার বয়স ৫১ আর আয়শার ৬/৭ বছর, হযরত ওমর এর কন্যা হাফসাকে ১৮ , সাফিয়া কে ১৭, মারিয়াকে ১৭, জোয়াইরিয়াকে ২০, সালমাকে ২৬, জয়নাবকে ৩০ বছর বয়সে বিয়ে করেন।

তাহলে দেখা যাচ্ছে তার মোট অর্ধেকের বেশী বিয়ে তিনি করেন খুব কম বয়সীদেরকে যাদের সাথে তার বয়সের পার্থক্য সামান্য কম/বেশী ৩০ এর মত। দ্বিতীয়তঃ প্রায় বৃদ্ধ বয়েসে তিনি খুব অল্প বয়স্কা অনেক যুবতী বিয়ে করে তাদের সাথে বাস করছিলেন। সঙ্গত কারনেই তার মনে হতো যে কোন স্ত্রীই হয়তো যে কোন সময় বিপথে গমন করতে পারে, এ হীনমন্যতা থেকে তিনি তার স্ত্রীদেরকে চাপে রাখার কারনেই নারী জাতি সম্পর্কে এরকম বাজে মন্তব্য করেছে।

আয়শা হ’তে বর্নিত- যে সব বস্তু নামাজকে নষ্ট করে তারা হলো- কুকুর, গাধা ও নারী। আমি বললাম- আপনি আমাদেরকে(নারী) কুকুর ও গাধাদের সাথে তুলনা করলেন, হায় আল্লাহ! নবী যখন নামাজ পড়তেন আমি তখন তার ও কিবলার মাঝ খানে শুয়ে থাকতাম, কিন্ত জেগে ওঠার পর কিছু দরকার হলে আমি পাশ কেটে তার পায়ের দিকে চলে যেতাম পাছে তার প্রার্থনার ব্যঘাত ঘটে। সহি বুখারি, ভলুম-১, বই- ৯, হাদিস-৪৯৩

মুসলিম মা বোনেরা এবার নিশ্চয়ই বুঝে ফেলেছেন ইসলাম ও আল্লাহর পেয়ারা নবী আপনাদের কত নীচু ও হীন দৃষ্টি দিয়ে দেখে। নাকি এখনো বলবেন ইসলাম আপনাদেরকে এত মর্যাদা দিয়েছে যার ভার আপনারা আর বহন করতে পারছেন না ? কেউ হয়ত বলতে পারে- এটা হল মতলবী ব্যাখ্যা। কিন্তু না , দেখেন হাদিসটিতে স্বয়ং নবীর সবচাইতে প্রিয়তমা স্ত্রী (বালিকা বধু) আয়শা পর্যন্ত তার মনের ক্ষোভ গোপন করতে পারেন নি। তাই তিনি মনের দুঃখে বলেই ফেলেছেন যে নবী নারীদেরকে কুকুর ও গাধার সাথে তুলনা করলেন ।

কোরান ও হাদিসে এরকম আরো অসংখ্য সূরা ও আয়াত আছে যেগুলোর মাধ্যমে নবী মোহাম্মদ নারীদের বার বার অপমান অপদস্ত করেছে, করেছে কুলষিত। সোজাসাপটা বলতে গেলে নবী মোহাম্মদ নিজের সকল ধরনের কামনা বাসনা চরিতার্থ করার জন্য যখন যে আয়াত প্রয়োজন পড়েছে তখন সে সেটা নাযিল করেছে। আর পরবর্তীতে সেটা মানুষের উপর চাপিয়ে দিয়েছে। তবুও আমাদের মুমিন মুমিনারা বলবে ইসলামি একমাত্র নারীদের পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম জায়গায় স্থান দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *