জনৈক মুজিব ভক্তের মনোভাব!

হাসানুল হক ইনু আর রাশেদ খান মেনন যে ওপেনে মুজিব বিরোধিতার শো-ডাউন দিত বর্তমান আওয়ামীলীগ ভুইলা গেলেও দেশের মানুষ কিন্তু তা ভুলে নাই। জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন- ক্যান ইনু-মেননদের মত মুজিব বিরোধীরা হাসিনার দল ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে মন্ত্রিত্ব পায়?

হাঁ।, আপনি সুযোগ দিয়েছেন বলেই সম্ভব হয়েছে। আপনি সুযোগ দিয়েছেন বলেই ইনুরা নৌকা প্রতীক নিয়ে মাঠে নামে। ভোটের যুদ্ধে আওয়ামীলীগকে ঢাল হিসেবে কাজে লাগিয়ে স্বার্থ হাসিল করে।

লিঙ্কঃ http://www.facebook.com/photo.php?v=10200139304799730


হাসানুল হক ইনু আর রাশেদ খান মেনন যে ওপেনে মুজিব বিরোধিতার শো-ডাউন দিত বর্তমান আওয়ামীলীগ ভুইলা গেলেও দেশের মানুষ কিন্তু তা ভুলে নাই। জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন- ক্যান ইনু-মেননদের মত মুজিব বিরোধীরা হাসিনার দল ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে মন্ত্রিত্ব পায়?

হাঁ।, আপনি সুযোগ দিয়েছেন বলেই সম্ভব হয়েছে। আপনি সুযোগ দিয়েছেন বলেই ইনুরা নৌকা প্রতীক নিয়ে মাঠে নামে। ভোটের যুদ্ধে আওয়ামীলীগকে ঢাল হিসেবে কাজে লাগিয়ে স্বার্থ হাসিল করে।

লিঙ্কঃ http://www.facebook.com/photo.php?v=10200139304799730

ইনু সাহেব টিভির পর্দার সামনে পটর পটর ইদানিং একটু বেশিই হয়ে যাচ্ছে। যোগ্যতাহীন তথ্যমন্ত্রী হয়েছেন। আপনি যদি এতই বড় নেতা হইতেন তাহলে জাসদের মার্কা নিয়েই পার হতেন। শেখ হাসিনার হাতে পায়ে ধইরা নৌকা মার্কা নেওয়া লাগতো নাহ। আপনে জাসদের মার্কা নিয়ে এলাকার চেয়ারম্যান পোস্টটা পাবেন কিনা আমার সন্দেহ জাগে!
কাজেই চোরের মায়ের বড় গলা মানায় নাহ।

ইনু-মেননদের জাসদ মুজিব হত্যার পর রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল বের করে এই বাংলার মাটিতে। মতিয়া চৌধুরী তো বঙ্গবন্ধুকে ‘বঙ্গশত্রু’ উপাধি দিয়েছিলেন। আওয়ামীলীগ নেতা মালেক উকিল মুজিবকে ‘বাংলার ফেরাউন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। সাজেদা চৌধুরি বড় গলায় বলেছিলেন, ”মুজিবের চামড়া দিয়ে ডুগডুগি বাজাবো!”

কর্নেল তাহের মুজিববিরোধী থাকা সত্ত্বেও আওয়ামীলীগ প্রতিবছর ধুমধাম করে কর্নেল তাহেরের মৃত্যুবার্ষিকী পালন করে থাকে। তার মানে কি এই যে, জিয়া তাহেরকে ফাঁসি দিয়েছিল বলেই তাহেরের প্রতি আওয়ামীলীগের মায়া মোহাব্বত বেড়ে গেছে?

এনাদের মত আরও অনেকেই আছেন আওয়ামীলীগে যারা সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বিভিন্ন পদে কর্মরত রয়েছেন। এমতাবস্থা দেখে মনে হচ্ছে আওয়ামীলীগে ঢুকলেই দেশদ্রোহীরা হয়ে যাচ্ছে দেশপ্রেমিক, সন্ত্রাসী হয়ে যাচ্ছে জনদরদী, শত্রু হয়ে যাচ্ছে একনিষ্ট মিত্র!

৪২ বছরে কেউ যুদ্ধঅপরাধীদের বিচার করতে পারে নাই। ধন্যবাদ আপনাদের। দয়া করে নিজের বাপের পরিচয়টা ভুলে যাইয়েন নাহ। দেশের মানুষ আপনাদের ভালবাসে কিনা জানিনা তবে মুজিবকে ভালবাসে।

অফ টপিকঃ জয়, শেষ বেলায় আইসা যদি পাতিলের শেষ ভাতটুকু নিয়ে দৌড় দিতে চাও তাইলে বাবাজি সাবধান! তোফায়েলের মত মুরুব্বীরা চেইতা যাইবো। উনারা চেতলে কিন্তু তোমার পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি বাঁশ খাইবো!
সো বাপধন বি কেয়ারফুল!

৬ thoughts on “জনৈক মুজিব ভক্তের মনোভাব!

  1. জয়, শেষ বেলায় আইসা যদি

    জয়, শেষ বেলায় আইসা যদি পাতিলের শেষ ভাতটুকু নিয়ে দৌড় দিতে চাও তাইলে বাবাজি সাবধান! তোফায়েলের মত মুরুব্বীরা চেইতা যাইবো। উনারা চেতলে কিন্তু তোমার পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি বাঁশ খাইবো!
    সো বাপধন বি কেয়ারফুল!

    :বুখেআয়বাবুল:

  2. মন্দ বলেননি ।তবে এসব কথা
    মন্দ বলেননি ।তবে এসব কথা সরকারের প্রথম প্রহরে বললে গুরুত্ব থাকতো বা কাজে লাগতো ।

  3. আপনার এই পোস্ট যতটা না তথ্য
    আপনার এই পোস্ট যতটা না তথ্য নির্ভর তার চাইতে শত গুণ বেশী আবেগ নির্ভর। আপনার লেখার মূল বিষয়টা হচ্ছে আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে যারা বলেছেন তারা এখন দলের বড় বড় নেতা। যেটা আপনার পছন্দ নয়। একজন কর্মী বা শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে এটা হতেই পারে। কিন্তু কিছু প্রশ্ন থেকে যায়।

    প্রথমত, এই লোকগুলা আওয়ামীলীগে ভেড়ার সুযোগ পাইলেন কিভাবে? হয়তো বলবেন হাত পা ধরে। যেমন ইনু সম্পর্কে বলেছেন। ধরলাম তেমনভাবেই তারা আওয়ামীলীগে এসেছেন। তো সেই সব হাতে পায়ে ধরে আসা মানুষগুলো আজকে কি করে আওয়ামীলীগের শীর্ষ পদে দায়িত্ব প্রাপ্ত হলেন? এক জন দুই জন হলে কোন কথা ছিল না, কিন্তু এতোগুলো বহিরাগত এসে দলের শীর্ষ পদে স্থান পেয়ে গেলেন? তাহলে কি আওয়ামীলীগে যোগ্য নেতা নাই? না কি দলটার সভাপতি প্রধানমন্ত্রীকে ইনসিস্ট করা হচ্ছে? আপনার উত্তর মনে হয় দ্বিতীয়টা হবে। তাহলে তো বলতেই হয় গলদটা প্রধামন্ত্রীর মধ্যেই, কেননা বঙ্গবন্ধুর কন্যা, দুই বারের প্রধানমন্ত্রী এবং ৩২ বলছর ধরে দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করা কোন নেতাকে কিভাবে ইনসিস্ট করা যায় বা তিনি কিভাবে অন্যের দ্বারা প্রভাবান্বিত হন? ভাই কেউ যদি ৩৭ বছর দল করেও বহিরাগত হিসেবে গন্য হন তাহলে তো কিছু বলার থাকে না। বর্তমান মন্ত্রীসভায় এমন বহিরাগত আমার জানা মতে তো অনেক–

    ১) প্রধানমন্ত্রীর পর পর যে মন্ত্রনায়লয় গুলো বেশী গুরুত্বপূর্ণ সেগুলার মধ্যে পররাষ্ট্র ও অর্থ মন্ত্রনালয় । পররাষ্ট্র মন্ত্রী হলেন ছাত্র ইউনিয়ন করে আসা ডা. দীপু মণি।
    ২) অর্থ মন্ত্রনালয়ে আবুল মাল আব্দুল মুহিত, সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন সমর্থক পরে জাতীয় পার্টির মন্ত্রী
    ৩) শিক্ষা মন্ত্রী সিপিবি থেকে আসা নুরুল ইসলাম নাহিদ
    ৪) নৌ পরিবহন মন্ত্রী জাসদ থেকে আসা শাহ্‌জাহান খান
    ৫) দপ্তর বিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত তো দলে আসলেন এই ২০ বছর হবে, করতেন ন্যাপ/গনতন্ত্রী পার্টি
    ৬) কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর কথা তো আপনিই বলেছেন
    ৭) সাজেদা চৌধুরী মন্ত্রী নাহলেও সংসদীয় দলের উপনেতা
    ৮) পূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খান ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি।
    ৯) দীলিপ বড়–য়া সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক। তিনি টেকনোক্র্যাট কোটায় শিল্পমন্ত্রী এখন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গেও তার বেশ ভালো সম্পর্ক। চীনে খালেদার সঙ্গে একবার সফরসঙ্গীও হয়েছিলেন তিনি। জনশ্রুতি রয়েছে, ওই সময় তিনি চীনের কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের কাছে তারেক রহমানকে দেশের ভবিষ্যৎ নেতা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন।
    ১০) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী প্রকৌশলী ইয়াফেস ওসমান, সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন নেতা (এমপি না হয়েও টেকনোক্র্যাট কোটায়)।
    ১১) গুরুত্বপূর্ণ আইন মন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন নেতা (এমপি না হয়েও টেকনোক্র্যাট কোটায়)।
    ১২) হাসানুল হক ইনু জাসদ
    ১৩) জিএম কাদের জাপা
    ১৪) নূহ উল আলম লেলিন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি। আওয়ামী লীগের প্রচার সেলের মূল দায়িত্বেই তিনি রয়েছেন। লেলিন বর্তমানে শেখ হাসিনার অত্যন্ত কাছের। প্রধানমন্ত্রীর অনেক বক্তৃতা তিনি লিখে দেন বলে শোনা যায়।

  4. আপনার লেখাটি বিশেষ উদ্দেশ্য
    আপনার লেখাটি বিশেষ উদ্দেশ্য প্রণোদিত । আমার কাছে মনে হচ্ছে আপনি আওয়ামীলীগের সেই কট্টর অংশের সমর্থক যারা আওয়ামীলীগ কে পেছনে নিতে নিতে প্রতিক্রিয়াশীল ডানপন্থার দিকে নিয়ে যেতে চায় । আর রইস উদ্দিন রাশু (পথচারী ) একটা বিষয় ক্যান ভুলে যান আপনি যাদের তালিকা দিলেন তারা একসময় বাম রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিল, সাম্রাজ্যবাদের বিরোধিতা করতো কিন্তু এখন তারা আওয়ামীলীগের লোক । একবার মুক্তিযোদ্ধা মানে যেমন সারাজীবন মুক্তিযোদ্ধা নয় তেমনি একবার বাম লেভেল শরীরে লেগে যাওয়া মানে সারাজীবন বাম চিন্তা চেতনা ধারণ করা নয় । আমি অবাক হই আপনারা এখনো ওই সুবিধাবাদী স্বার্থপর লোক গুলোকে বাম হিসেবে এখনো চিহ্নিত করেন । বাম একটা আদর্শ । আদর্শ কখনো হেঁটে হেঁটে ব্যক্তির কাছে যায় না । ব্যক্তিকে তার কাছে যেতে হয় । আর ব্যক্তি কখনো তাকে ছেড়ে গেলে তাতে তার কিছু যায় আসেনা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *