মধ্যবিত্তের কিছু কথিত …..কথা

মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম গ্রহন করাটাই একটা জন্মগত পাপ ।যাদের নুন আনতেই পান্তা ফুরায় আবার কিসের শৌখিনতা।ঈদের বোনাস ও বেতনের সব টাকা দিয়ে ছেলে মেয়েদের ঈদের কাপড় কিনে দেয় পরিবারের কর্ত্যা।আশির দশকের মধ্যবিত্তের কাহিনি ছিলো আরো করুন তৎকালিন অনেক সরকারি অফিসার বেতন বোনাস ঠিক মতো পেত না একবেলা ভাত একবেলা আটার জাউ খেতে হতো ।অনেক সরকারি চাকুরিজিবি ঘরে ঠোগ্ঙা বানিয়ে বিক্রি করতেন বাড়তি কিছু আয়ের জন্য ।অনেকে আবার সারাদিন আফিস করে সন্ধায় টিউশনিতে যেতেন এত কিছুর পরে ও ঈদে নিজের জন্য কিছুই কিনতে পারতেন না।একটি বেল্ট একটানা ২৪ বছর পড়ে একটি সাফারি সুট ২০ বছর ধরে পড়ে অফিসে যাওয়ার কাহিনি শুধু এই মধ্য বিত্ত পরিবারেতেই আছে ।বাটার এক জোড়া জুতা সোল পাল্টি য়ে অনায়াসে দশ বছর পড়ে আফিসে যাওয়ার ইতিহাস এই সব পরিবারেই আছে ।ফেব্রুয়ারী মাস টাআটাশ দিনে শেস তাই এমাসে একটু চলাযায় ।মধ্যবিত্তদের ছেলে মেয়েরা দুনিয়ার সবচে বেশী অসহায় না পারে কিছু বলতে না পারে স ইতে………কলেজে বা ভার্সিতে বন্ধুদের সাথে চায়ের আড্ডাদিতে ভয় পায় কারন বিল টা তো যদি তার ঘাঢ়ে পড়ে তখন সত্যিই বিপদে পড়বে ।নোট করে ধার করে বই পড়তে পড়তে বন্ধুদের কাথে তাদের খুব ছোট মনে হয় ।ক্লাসের বন্ধু বান্ধবীরা যখন বনভোজনে যাওয়ার প্রস্তাব দেয় তখন মধ্যবিত্তের সন্তান টি একটু হেসে মিথ্যে করে বলে বাবার শরীর টা ইদানিং খুব একটা ভাল যাচ্ছে না ঈদের জামার দাম এবং ঈদের কেনকাটা নিয়ে বন্ধুরা জিগাসা করলে ভার্সিটি পড়ুয়া ছেলেটি তখন কিন্ডার গার্ডেনের ছাত্রে র মতোই মাথা চুলকে বলে আমি জানি না আম্মী,. জানে…,সত্যিই মধ্যবিত্তের সন্তান রা বড় ই অসহায় । জীবনের সবচেয়ে সুন্দর দিনগুলো তারা পাওয়া না পাওয়ার ছক কষে বড় হয় কিন্তূ মজার ব্যপার হলো ,লোকে বলে মধ্যম পন্থাই উত্তমপন্থা । কথাটা শুধু সত্যিই নয় বাস্তব । একটু লক্ষ করে দেখবেন,জীবন সবটুকু স্বাদ পায় এই মধ্যবিত্তরাই । ধনীরা ধন চিন্তায়হাইপারটেনশনে ভোগে ,টেনশনে থাকে বখে যাওয়া সন্তান নিয়ে । গরীবের টেনশন একটাই পুরো পরিবারের এত এত পেট কিভাবে ভরানো যায় । ফলে দু স্থরের মানুষেই থাকে অসম্পূর্ন জীবনের স্বাদ নিয়ে । মাঝখানে মধ্যবিত্তরা মজা লুটে ,সীমিত আয় হোক তবু সন্তানদের কে করে তুলে মানুষ , প্রতি মাস শেষে ছেলেমেয়েদের পড়ার খরচ দিয়ে টানাটানির সংসার নিয়ে গরীব হওয়ার স্বাদ পেয়ে যায় ,অন্য দিকে ঈদের সময় বেতন বোনাসে মিলিয়ে ধনী হওয়ার অনুভূতিও অপূর্ন থাকে না ! সর্বপরি জীবনের সব স্বাদ আস্বাদনকরার একটাই উপায় ,আর সেটা হল টু বি মধ্যবিত্ত ।

১০ thoughts on “মধ্যবিত্তের কিছু কথিত …..কথা

  1. সহমত হতে পারলাম
    সহমত হতে পারলাম না।মধ্যবিত্তরা সবসময় ভীত জীবন অতিবাহিত করে।যার ফলে তাদের কখনোই কিছু হয়ে উঠে না।জীবনে কিছু করতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে একটু বেপরোয়া হতে হবে।

  2. লোকে বলে মধ্যম পন্থাই

    লোকে বলে মধ্যম পন্থাই উত্তমপন্থা । কথাটা শুধু সত্যিই নয় বাস্তব ।

    এইক্ষেত্রে একমত হতে পারলাম না। এমন অনেক ধনী পরীবার আছে যাদের হাইপারটেনশন হয় না এবং অনেক পরিবার এমনও আছে খারাপ অবস্থার মধ্যেও তারা সুখে আছে। আশে পাশে খোজ করেন, এরকম অনেক পরিবার পাবেন।

  3. এই থিমে নোমান ভাইয়ের একটা
    এই থিমে নোমান ভাইয়ের একটা লেখা দিলাম।
    মধ্যবিত্ত ব্যাপারটাই কেমন যেন অ্যাডভেঞ্চার রয়েছে। পাবো না পাবো না,পাচ্ছি তবুও ঠিকমত
    পাচ্ছি না। ঘামের চোটে ক্লান্ত বাবা,মায়ের সংসারের চুলার ধার তবুও চলছে। বড় ছেলেটা চাকুরী খুঁজছে মধ্যবিত্ত থেকেবেরুবার
    ইচ্ছায়। মেয়েটা দিন শেষে প্রেম করে মায়ের কাছে বসে সুখ দুঃখের আলাপ করে। ছোট ছেলেটা উচ্ছন্নে যাবার অপেক্ষায়,সে মধ্যবিত্ত ব্যাপারটা বুঝেই না।
    মধ্যবিত্তরা শিক্ষিত,তারা গরীব
    পছন্দকরে না অশিক্ষিত মূর্খ বলে,ধনী পছন্দ করে না টাকা পয়সা বেশী বলে।শ্রেণী বিভেদে একটা মজার বিষয় আছে।
    ধনীরা মনেকরে তারচে নিচু সবাই
    আসলে গরীব,আবার নিম্নশ্রেণীর গরীব মানুষ
    মনে করে তার থেকে টাকা যাদের বেশী তারা সবাই
    বড় লোক। তবে হ্যাঁ একটা মজার জিনিস আছে।
    সমাজের বেশ কিছুতেই মধ্যবিত্তকে খুশীকরবার
    একটা উৎসাহ দেখা যায়। বিশেষ করেচলচ্চিত্র
    কিংবা সাহিত্য। তাই বোধহয় মধ্যবিত্ত
    নিয়ে সাহিত্য হয়েছে সবচে বেশী। হুমায়ূন
    আহমেদতো রীতিমত মধ্যবিত্তদের
    প্রতিনিধি ছিলেন। মধ্যবিত্ত বাবারা খুব হিসাব
    করে চলেন,তারা খুব একটা সামাজিক হতে চাঁন না।
    নিজের ঘামের ঘ্রাণ কাউকে টের পেতেদেন
    না,পারফিউমের ঘ্রাণও অল্প মানুষ জানেন। কিন্তু
    ছেলে মেয়েরা তা পারে না। তাদের বড়লোক বন্ধু
    হয়ে যায়,বিভিন্ন নিয়ম মানতে হয়। এজন্য
    মাঝে মাঝে তাই পকেট মারতে হয়।
    পকেটে মেরে প্রেমিক-প্রেমিকাকে খুশী করতে হয়।
    মাঝে মাঝে মাথা নীচু করে রাখতে হয়,বাবার
    মানিব্যগের হাহাকারের মত। মধ্যবিত্ত
    মেয়েরা শান্ত থাকে,সুতি থ্রীপিসে মায়ের
    আদলে গড়া মুখে রান্না শিখে খুশী হয়ে যায়।
    ভাইকে সুযোগ পেলেইশাসন করে।
    সবকিছু কম কম,তারাই মধ্যবিত্ত। বড়
    ছেলেটা মধ্যবিত্ত থাকতে চায় না,ছোট
    ছেলেটা মধ্যবিত্ত ঘৃণা করে। বাবার দুপুরের শাক
    ডিমের লাঞ্চ জানিয়ে দেয় মধ্যবিত্ত
    থেকে তিনি বেরুতেই পারছেন না। কোন এক ছুটির
    দিনে ডাইনিং টেবিল ভরতি ধনীদের খাবার, আবার
    কোন এক বেলা ছোট ছেলেটা আলু ডিম দিয়ে ভাত
    খাবে না তাই তাই রাগ করে বাসা থেকে বেরিয়ে যায়।
    মধ্যবিত্তরা কিশোরের বয়ঃসন্ধিকালের মত
    দ্বিধায় থাকে! কি লুকাবে কি জানাবে এ নিয়ে বড়
    দ্বিধা। নিজেকে লুকানোর দ্বিধা,হারিয়ে ফেলার
    দ্বিধা। তবুও দিন শেষে পেট পুজো,মনানন্দ,স্ত্রীর
    বকুনী,ছেলেদের বায়না,মেয়েটির জন্য শিক্ষিত
    পাত্র,ছোট ছেলের ভালো রেজাল্টে মধ্যবিত্ত ছুটির
    দিনের ডাইনিং টেবিলের মত সুখে থাকে!

  4. …. মজার ব্যাপার হল প্রতিটি
    …. মজার ব্যাপার হল প্রতিটি মানুষ বুঝতে পারে না সে কোন বিত্তের পর্যায়ে রয়েছে।

    আপনার লিখাগুলি মোটামুটি ভাল হয় কিন্তু বানান সমস্যার কারনে পড়তে মজা লাগে না ।বিশেষ করে ঙ্গ এই যুক্তাক্ষরটি আপনি লিখতে পারতেছেন না ।এই যুক্তাক্ষরটি লিখতে হলে আগে ঙ এবং তারপর যুক্ত হিসেবে গ দিবেন ।আগে গ দিলে গ্ঙ এমনই দেখাবে ।ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *