একটি মুজিব কোর্টের চাপাকান্না

বগ্ঙবীর কাদের সিদ্দিকি বীর উত্তম একটি নাম একটি বিশ্ময় (ছিলন ) যেমন ই ছিল তার দেশ প্রেম তেমনি ছিল তার মুজিবপ্রেম (এককালে ছিল)।বগ্ঙবন্ধুকে পিতা হিসেবে গ্রহন করেছিলেন তিনি । তার সাহশীকতার গল্প শুনে বিশ্ময় ও আবেগে শরীরের পশম দাড়িয়ে উঠত মনের অজান্তেই ।৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর পাকবাহিনী যখন আত্বসর্মপন করে তখন পাক সেনা অফিসার রা তার সাথে করমর্দনের জন্য হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল তিনি তখন হাত না বাড়িয়ে বলেছেন কোন খুনি ধর্ষন কারির সাথে আমি হাত মেলাই না ।জোছনা ও জননীর গল্পে এই লাইনটুকু পড়ে তার প্রতি বিনম্র আমার চোখে জল চলে এসেছিল যখন বগ্ঙবন্ধু নিহত হন তার পর তিনি হুংকার ছেড়ে বলেছিলেন আমি শেখ মুজিবের ৪র্থ সন্তান আমি আমার পিতা হত্যার প্রতিশোধ নিতে আরেকটা মুক্তিযুদ্ধ করবো ।গায়ে চড়িয়েছিলেন মুজিবের ন্যয় সাদা পায়জামা পান্জাবী আর সেই চির প্রিয় মুজিবকোর্ট ।
একটু এখন কার বগ্ঙবীরে উক্তিগুলো দেখি
#দেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নেই
#দেশে যুদ্ধাপরাধীর বিচারের নামে নাটক হচ্ছে
#যুদ্ধাপরাধ বিচারের ট্রাইবুনাল বাতিল করতে হবে
এবং সর্বশেষ চমকপ্রদ উক্তি
#৭১এর ১৪ ডিসেম্বরে যেসকল বুদ্ধিজীবি খুন হয়েমারা গেছে তাদের আসলে বুদ্ধীহীন ছিলোনা তারা ছিল পাকিস্তানের অনুগত ।
একটা বিষয় আমি খেয়াল করেছি যখন তিনি এই কথা গুলো বলছিলেন তখন তার গায়ে ছিল মুজিবের সাদা পান্জাবি পায়জামা এবং মুজিব কোর্ট ।হা এই কথা শুনে আমি কেদেছি ।আমি দেখেছি তার পরিহিত মুজিবকোর্ট নিরবে কাদছে ফেলছে চোখের জল ।এজল সে জল নয় ।এযেন রক্ত মুজিবের তাজা বুকের এযেন সা ত বীবশ্রেস্ঠের রক্ত স্নাত ।এযেন ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তের ।দুই লাখ ধর্ষিতার হতে নির্গত রক্ত ।গনকবরের পাশে পড়ে থাকা পুডিং এর মত রক্ত ।শাফি ইমাম মাগফার আজাদ বদির টকটকে লাল রক্ত যেন কান্না হয়ে বেড়িয়ে আসছে সে মুজিব কোর্ট থেকে
এক সময়ের পাক সেনাদের আতঙ্ক কাদের সিদ্দিকি আজ জামাতি পাকিদের রক্ষাকবজ ।যে পাকি ধর্ষকদের সাথে হাত পর্যন্ত মেলায়নি কাদের সিদ্দিক ওরফে টাইগার সিদ্দিকি আজ সেই পাকি ধর্ষকদের দোসর রাজাকার জামাতি দের সাথে মুছাবিহা ইফতার টকশো সব ই করে । কলি কালে সব ই সম্বব ।জামাতি ইসলাম ত্যগ করলে কেঈ যদি নাষ্তিক হয়ে যায় তাহলে কাদের সিদ্দিকি মুক্তিযুদ্ধাদের পক্ষ ত্যগ করায় তিনি একজন নব্যরাজাকার ।তার নাম পরিবর্তন করে বগ্ঙভাড় বাঁদর সিদ্দিকি বীরাধম রাখলে বোধহয় কিছুটা সঠিক হতে পাড়ে ।
হায়লে বগ্ঙবীর আজ যদি হুমায়ন আজাদ বেচে থাকতো তাহলে সেই উক্তিটি আপনাকেই উৎসর্গ করতো .একজন রাজাকার সবসময় ই রাজাকার কিন্তু একজন মুক্তিযোদ্ধা সবসময় ই মুক্তিযোদ্ধা নন ।আর আপনার কাছে আর একটা অনুরোদ দয়া করে মুজিব কোর্টটি আর পড়বেন মুজিজ কোর্টোর আত্বচিৎকার আর শুনতে চাইনা ।শহীদ দের আত্বচিৎকার আর শুনতে চাইনা ।
তাইতো বলি ভ্যলা রে বগ্ঙভাড় বেচে থাকো চিরকাল

৯ thoughts on “একটি মুজিব কোর্টের চাপাকান্না

  1. লেখাটা পড়ে ভালো লাগলো।বুড়ো
    লেখাটা পড়ে ভালো লাগলো।বুড়ো বয়সে ভিমরতি বলে একটি কথা আছে।কাদের সিদ্দিকীর জন্য এটা হয়তো সত্য। কাদের সিদ্দিকী আগে থেকেই পাগলা।জাতির পিতা শেখ মুজিবের মৃত্যুর পর কাদের সিদ্দিকী বলেছিলেন যেদেশে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে সেদেশে তিনি থাকবেন না।এই বলে তিনি ইন্ডিয়া চলে যান। সেখানে একটি দল গঠন করেন এবং বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী পুলিশদের হত্যা করতে শুরু করেন।অথচ মুজিব হত্যায় পুলিশদের কোনো হাত ছিলনা।উল্টো কয়েকটি পুলিশ মুজিবের জন্য প্রাণও দিয়েছিল।দোষ ছিল মুসতাক,রশিদ এদের আর তিনি হত্যা করতে শুরু করেছিলেন নিরিহ কিছু পুলিশকে।যারা দেশদ্রোহী ছিলই না।তাহলে বলেন কাদের সিদ্দিকী কেমন পাগল?

  2. ভাল লিখেছেন। কিন্তু বানানের
    ভাল লিখেছেন। কিন্তু বানানের ব্যাপারে সচেতন হবেন বলে আশা করি। বানান গুলো চোখে বেশ পেইন দিয়েছে।

  3. হুমায়ুন আহমেদ স্যার তাঁর
    হুমায়ুন আহমেদ স্যার তাঁর ‘দেয়াল’ বইয়ে ‘বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী’ (!) কে নিয়ে দুটি বক্তব্য রেখে গেছেন। তার প্রথমটি হুমায়ুন আহমেদ স্যারদেরকে যখন তাদের পরিবারকে শহীদ পরিবার হিসেবে বরাদ্দ দেয়া বাবর রোডের দোতলা বাড়ি থেকে রক্ষীবাহিনীর কর্মকর্তারা বের করে দেন তার পরিপ্রেক্ষিতে বলেছেন। বক্তব্যটি হল-

    “আমাদের বাড়ি থেকে সামান্য দূরে পরিত্যাক্ত বিশাল এক তিনতলা বাড়িতে দলবল নিয়ে থাকতেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। রক্ষীবাহিনী আমাদের রাস্তায় বের করে দেওয়ার পড় সাহায্যের আশায় আমি তাঁর কাছেও গিয়েছিলাম। তিনি অতি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তাঁকে বিরক্ত করায় অতন্ত্য ক্ষুদ্ধ হয়েছিলেন। মহাবিপদে মানুষ খড়কুটো ধরে, আমি বঙ্গবীরকে ধরতে গিয়ে দেখি তিনি খড়কুটোর মতোই।” (পৃঃ ৯৫)

    একটি শহীদ পরিবারকে রাস্তায় বের করে দেয়া বঙ্গবীরের কাছে অতি তুচ্ছ!
    যাক তিনি এখন বলে বেড়ান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পড় তিনিই একমাত্র পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। হুমায়ুন আহমেদ স্যার লিখে গেছেন কাদের সিদ্দিকীর পদক্ষেপের কথাও অনেকটা এভাবে-

    “ভুল বললাম, শফিকের মতো অনেকেই ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতিবাদ করেছে। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী দেশ ছেড়ে ভারতে চলে গেলেন। মুজিববিহীন বাংলাদেশে তিনি বাস করবেন না। ভারতে তিনি ‘কাদেরিয়া বাহিনী’ তৈরি করে সীমান্তে বাংলাদেশের থানা আক্রমন করে নিরীহ পুলিশ মারতে লাগলেন। পুলিশ বেচারার কোন অর্থেই বঙ্গবন্ধুর হত্যার সঙ্গে জড়িত না, বরং সবার আগে বঙ্গবন্ধুকে রক্ষা করার জন্য তারা প্রান দিয়েছে।” (পৃঃ ১১৪)

    নিরীহ পুলিশ মারলেন, যেখানে হত্যাকারী ছিল মিলিটারির! তিনি আবার বঙ্গবীর!!!!!

  4. এই নব্য রাজাকারের গা থেকে
    এই নব্য রাজাকারের গা থেকে মুজিব কোট খুলে নেওয়া উচিত মুজিব কোট পড়ে জাতির পিতার অপমান করার অধিকার কারো নাই…………ওরে রাজাকারের সাথে বিচার হাওয়া উচিত ……

  5. খেয়াল করে দেখবেন আজকালকার
    খেয়াল করে দেখবেন আজকালকার জামাতি ছাগু গুলা আর কোন মুক্তিযোদ্ধা না, কাদের সিদ্দিকিকে নিয়ে বেশি তোলপাড় করে। এদের কাছে তিনি ই এখন একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা। এরপর তো উনার প্রতি সম্মান যা ছিল সব ধুলিসাৎ হবেই। ছোটবেলায় কাদের সিদ্দিকির কথা শুনলে আমার সামনে বাঘের ছবি ভাসতো, আর এখন দেখি আঁশটে মাছের কাঁটাখেকো বিড়াল।

  6. পুনশ্চ মোবাইল দিয়া টাইপ করতে
    পুনশ্চ মোবাইল দিয়া টাইপ করতে করেত গিয়া আমার আংগুলের বল্টু খুলে গেছে তাই বানানে ভুল ভ্রান্তি লক্ষ্যনীয় আশা করি বিষয়টি ক্ষমাসুলভ দৃষ্টি তে দেখবেন

  7. পুনশ্চ মোবাইল দিয়া টাইপ করতে
    পুনশ্চ মোবাইল দিয়া টাইপ করতে করেত গিয়া আমার আংগুলের বল্টু খুলে গেছে তাই বানানে ভুল ভ্রান্তি লক্ষ্যনীয় আশা করি বিষয়টি ক্ষমাসুলভ দৃষ্টি তে দেখবেন

  8. কাদের বঙ্গবীর না বালের
    কাদের বঙ্গবীর না বালের বীর?ওরে বঙ্গবীর বলে ৩০লক্ষ বীর কে অপমান করার কোন মানে নেই ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *