প্রসংগ যখন শবেকদর

প্রতিদিনের মত আজকেও দেরি করে সবার শেষে গিয়ে নামাজ পড়ছি| তবে আজ একটু ব্যাতিক্রম ছিলো| যে আমি আলসেমি করে সবার শেষে গিয়ে চতুর্থ কাতারে নামাজ পড়ি সেই আমি আজ দশম কাতারে কোন রকমে জায়গা পাইছি| একটু পর দেখি পিছনেও ভরে গেছে|

সাধারনত রমযানে যে সব মসজিদে খতম তারাবীহ পড়ানো হয় সেখানে প্রথম 6 দিন দেড় পারা করে 9 পারা এবং পরবর্তী 21 পারা 21 দিনে শেষ করে মোট 27 রমযানে কুরআন খতম করা হয়| আর তাই প্রথম 6 দিন বেশিক্ষন দাড়িয়ে থেকে নামায পড়তে হয়|

তবে ঐ প্রথম কয়েকদিন কিছু বেশি মানুষ মসজিদে দেখা যায়| তারপর আবার সেই অন্যান্য দিনের মত স্বাভাবিক|


প্রতিদিনের মত আজকেও দেরি করে সবার শেষে গিয়ে নামাজ পড়ছি| তবে আজ একটু ব্যাতিক্রম ছিলো| যে আমি আলসেমি করে সবার শেষে গিয়ে চতুর্থ কাতারে নামাজ পড়ি সেই আমি আজ দশম কাতারে কোন রকমে জায়গা পাইছি| একটু পর দেখি পিছনেও ভরে গেছে|

সাধারনত রমযানে যে সব মসজিদে খতম তারাবীহ পড়ানো হয় সেখানে প্রথম 6 দিন দেড় পারা করে 9 পারা এবং পরবর্তী 21 পারা 21 দিনে শেষ করে মোট 27 রমযানে কুরআন খতম করা হয়| আর তাই প্রথম 6 দিন বেশিক্ষন দাড়িয়ে থেকে নামায পড়তে হয়|

তবে ঐ প্রথম কয়েকদিন কিছু বেশি মানুষ মসজিদে দেখা যায়| তারপর আবার সেই অন্যান্য দিনের মত স্বাভাবিক|

সর্বোচ্চ মানুষ হয় প্রথম রমযানে আর সাতাশ রমযানে| কেননা সাতাশ রমযান কে কদরের রাত বলা হয়|

কিন্তু আল-কুরআনে রমযান মাসের শেষ দশ দিনের বিজোড় রাতের মধ্যে শবেকদর খুঁজে নিতে বলা হয়েছে| যার মধ্যে 21, 23, 25, 27, 29 রমযানের রাত আছে|

অথচ প্রত্যেক মুসলিম 27 রমযান রাতটা বেছে নিছে| আর 29 রমযান রাতটা ভুলে গিয়ে শপিং এর জন্য উধাও করে দিছে|

যেহেতু 27 রমযানে কুরআন খতম হয়ে যায় তাই পরবর্তীতে কোন ইবাদাত করা হয়না|

এমন না করে শেষ 10 রমযানে প্রত্যেক বিজোড় রাতে ইবাদাত করা উচিত সওয়াবের জন্য|

৬ thoughts on “প্রসংগ যখন শবেকদর

  1. শবেকদর জোড় রাতেও হতে পারে
    শবেকদর জোড় রাতেও হতে পারে ।তাছাড়া কোন কোন মুফাচ্ছির শেষ দশদিন ছাড়াও রমজানের যে কোন রাতই কদর রজনী হতে পারে বলে মত দিয়েছেন।যাইহোক, মুসলমানের জন্য আল্লাহর সবদিনই সমান ।তবে কদর রজনীর তালাশ করা বা এই রজনীকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার ও বিশেষ প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
    আমাদের জন্য প্রতিটি রাতই হোক একেকটা কদর রজনী ।আমীন ।

  2. শবে ক্বদর শেষ দশদিনের যেকোন
    শবে ক্বদর শেষ দশদিনের যেকোন রাতে হতে পারে, তা ছায়াম​য় রাখা হ​য়েছে। কিন্তু বুঝেন না, বাংলাদেশে আর যাই হোক বকধার্মিকের অভাব নাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *